সীমান্তরেখা পর্ব ৬
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_৬
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
সকাল সকাল আকসা তাড়াহুড়ো করে তৈরি হচ্ছে। মেজবাহ’র সাথে দেখার করার কথা সাড়ে দশটায়৷ এখন বাজে পৌনে দশটা। আকসার হাতে সময় কম। এদিকে আবার মেজবাহ নাকি দেরি করা পছন্দ করে না। সব কাজে টাইমটেবল মেইনটেইন করে চলে। একথা আকসা একবার ওর বড়ভাইয়ের কাছ থেকে শুনেছিল। তাই এতো তাড়া।
আকসা চুল বাঁধছিল, তখনই ওর ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। ফোন হাতে নিয়ে দেখলো, কলি ফোন করেছে। আকসা কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে কলি বললো, “কী খবর দোস্ত তোর? গতকাল তো দেরি হয়ে যাচ্ছিল বলে তাড়াহুড়ো করে বাসায় ফিরতে হলো৷ এজন্য পরে তোর সাথে কথা বলারও সুযোগ পেলাম না। স্যরি রে দোস্ত।”
“ইট’স ওকে। আমার খবর আর জানতে চাস না। নাজেহাল অবস্থায় আছি।”
আকসার ফ্যাকাশে গলা শুনে কলি বুঝতে পারলো ব্যাপারটা। ওকে বললো, “বুঝতে পারছি। গতকাল যখন শুনেছিলাম, সেই মেজর মেজবাহ ইফতেখারের সাথেই তোর বিয়ে ঠিক হয়েছে; তখন বেশ অবাক হয়েছিলাম। এমন একজন মানুষের সাথে তোর বিয়ে ঠিক হলো, যার সাথে কিনা তোর দ্বন্দ্ব চলে! তুই-ই বা কেন এই বিয়েতে রাজি হয়ে গেলি? এটাই তো আমি বুঝতে পারলাম না।”
“কিছুটা অনুভূতি আর বাকিটা পরিস্থিতি। এটাই ধরে নিতে পারিস।”
“তারমানে—”
“কলি শোন না, আমার একটু মেজবাহ’র সাথে দেখা করতে যেতে হবে। বেবি পিংক কালারের ড্রেস পরেছি। ঠিক আছে নাকি চেঞ্জ করবো? বুঝতে পারছি না ঠিক।”
আকসা কথা ঘুরিয়ে অন্য কথায় গেল। কলি ধরতে পারলো না। ও বললো, “যেটা পরেছিস, সেটাই ঠিক আছে। তোকে এই রঙটায় দারুণ মানায়৷ তা মেজরের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিস কী কারণে?”
“উনার সাথে জরুরি কিছু কথা ছিল।”
আকস মিইয়ে যাওয়া কন্ঠে জবাব দিলো। কলি আরো কিছু বলতেই যাচ্ছিল, তার আগেই আকসা তড়িঘড়ি করে বললো, “আমার লেইট হয়ে যাচ্ছে রে দোস্ত। এখনই বের হতে হবে। আমি এসে তোকে কল করছি। আর হ্যাঁ, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল কিন্তু গায়ে হলুদ। আম্মু কী বলেছিল, মনে আছে তো? একদম ভোরে চলে আসিস আমাদের বাসায়। ব্যাগ গুছিয়ে আনিস। বিয়ে অবধি আমার সাথে থাকবি। আন্টিকে বলে নিস। এখন রাখছি। পরে কথা হবে।”
আকসা কল কেটে দ্রুত চুল পোনিটেল বেণী করে নিলো। বেণীটা সামনের দিকে এনে কাঁধের পাশ থেকে রেখে বুকের ওপরে ছেড়ে দিলো৷ চোখে হালকা কাজল আর ঠোঁটে লিপগ্লস দিয়ে ব্যাগটা ঘাড়ে ঝুলিয়ে বেরিয়ে পরলো দ্রুত।
.
.
আকসা রিকশায় বসে আছে। ঢাকা শহরের যানজট, সে তো আর যে-সে কথা নয়। এই যানজট ছাড়াতে কতক্ষণ লাগবে কে জানে। আকসা ছটফট করছে। দুশ্চিন্তায় অস্থির হয়ে আছে ও। উৎকন্ঠা নিয়ে হাতঘড়িতে সময় দেখলো। দশটা পয়ত্রিশ বাজে। মেজবাহ এতক্ষণে চলে এসেছে বোধহয়। রুলস এন্ড রেগুলেশনস মেনে চলা লোকেদের কোনো কাজে দেরি হয় না — এটুকু ওর ধারণাতে আছে। আকসা উদগ্রীব হয়ে এসব ভাবছিল, তখনই ওর ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। ও চটপট ব্যাগ থেকে ফোনটা বের করলো। স্ক্রিন অন করতেই দেখলো, মেজবাহ’র নাম্বার থেকে কল এসেছে। আকসা ভয়ে ভয়ে কল রিসিভ করতেই ফোনের ওপাশ থেকে তৎক্ষনাৎ শোনা গেল— “কোথায় তুমি? এতো লেইট হচ্ছে কেন?”
আকসা অস্থির কন্ঠে বললো, “রিয়েলি স্যরি। আসলে জ্যামে পড়ে গিয়েছি। এজন্য লেইট হচ্ছে আসতে। জানতাম এমন জ্যামে পরবো।”
আকসা শেষোক্ত কথাটা বিরবির করে বলে। ফোনের ওপাশ থেকে মেজবাহ’র গলা শোনা গেল৷
“জানো যখন ঢাকা শহরে এমন জ্যাম সচারাচর পরবেই, তাহলে টাইম মেইনটেইন করে চলবে না? এটুকু তোমার বোঝা উচিত না?”
“স্যরি। আপনি আর দশ-পনেরো মিনিটের মতো অপেক্ষা করুন প্লিজ। আমার আসতে বেশি সময় লাগবে না।”
মেজবাহ কোনো কথা বললো না। কলটা ঠাস করে কেটে দিলো।
আকসা উদগ্রীব দৃষ্টিতে সামনে দেখতে লাগলো। তখনই হঠাৎ যানজটের মাঝে একটা প্রাইভেট কারের পাশ ঘেঁষে একটা ছোট বাচ্চা মেয়ে এগিয়ে আসলো আকসা যেই রিকশায় বসে ছিল, সেটার কাছে৷ মেয়েটার হাতে একটা কঞ্চিতে ঝোলানো কতগুলো ফুলের মালা এবং ছোট বালতিতে অনেকগুলো গোলাপ। আকসাকে উদ্দেশ্য করে মেয়েটা বললো, “আপু, ও আপু কয়ডা ফুল নেন না। নেন না আপু। দ্যাহেন একদম সতেজ, তাজা তাজা ফুল। এই বেলীফুলের মালাগুলো দ্যাহেন। এগুলা পরলে আপনারে খুব সুন্দর লাগবো।”
আকসা মেয়েটার মুখের দিকে তাকালো। তারপর একটা বেলীফুলের মালা নিয়ে নিলো। হঠাৎ আকসার মনে হলো, দু’টো গোলাপও নেওয়া যায়। সবসময় তো সাক্ষাতে ছেলেরা মেয়েদের জন্য ফুল নিয়ে আসে; আজ নাহয় মেয়ে হয়ে আকসা-ই মেজবাহ’র জন্য ফুল নিয়ে গেল। হোক না একটু ব্যতিক্রম। মাঝেমধ্যে কিছু ব্যতিক্রম বিষয়ও অদ্ভুত সুন্দর হয়ে ওঠে। আকসা আরো দু’টো গোলাপ নিয়ে মেয়েটার হাতে দুইশো টাকার একটা নোট ধরিয়ে দিলো৷ মেয়েটা বাকি টাকা ফিরিয়ে দিতে চাইলেও আকসা ফেরত নিলো না। ততক্ষণে যানজট ছেড়ে দিয়েছে। রিকশাওয়ালা মামাকে দ্রুত যেতে বললো আকসা।
.
.
রেস্টুরেন্টটা রুফটপ। ভীষণ সুন্দর করে সাজানো। আকসা উঠে মেজবাহকে কল দিলো। প্রথমবার কল দেওয়াতেই কল রিসিভ হলো। আকসা ওকে জিজ্ঞাসা করলো, “কোথায় আপনি?”
“কর্ণারের টেবিলে।”
আকসা কর্ণারের দিকে যেতেই দেখলো, মেজবাহ বসে আছে সেখানে। ওর পরনে একটা ব্ল্যাক ফর্মাল শার্ট এবং সিলভার ফর্মাল প্যান্ট৷ হাতে সেই ওল্ড মানি টাইমপিসটা। আকসা মিষ্টি হেঁসে এগিয়ে গিয়ে মেজবাহ’র সামনের চেয়ারে বসতে বসতে বললো, “স্যরি৷ অনিচ্ছাকৃত দেরি হয়ে গেল।”
“ইট’স ওকে। নো প্রবলেম অ্যাট অল।”
মেজবাহ’র ঠোঁটের কোণে মৃদু এক চিলতে হাসি। মুগ্ধ করার মতো। আকসা বিমোহিত হলো যেন৷ ওর সামনে কখনো মেজবাহ’কে এভাবে হাসতে দেখেনি৷ লোকটার একটা গজদাঁত আছে। হাসলে দারুণ লাগে৷ আকসা বেশিক্ষণ ধ্যানে থাকতে পারলো না৷ তার আগেই মেজবাহ ওর হাতে টেবিলের পাশে রাখা একটা ফ্লাওয়ার বুকে ধরিয়ে দিলো৷ আকসা এতোক্ষণ কথা বলার চক্করে ফ্লাওয়ার বুকেটা খেয়াল করেনি। সাদা রঙের র্যাপারে মোড়ানো বুকেতে হালকা পিংক কালারের কতগুলো গোলাপ ফুল। অদ্ভুতভাবে আকসার পরিহিত ড্রেসের সাথে মিলে গেছে। মনে মনে ভীষণ উচ্ছ্বসিত হলো ও। মেজবাহ হাসিমুখেই বললো, “আসলে প্রেমিক পুরুষ নই তো, এজন্য জানা নেই প্রথম ডেটে কি ধরনের ফুল নিতে হয়৷ তাই এই বুকেটা-ই কাস্টমাইজড করিয়ে এনেছি তোমার জন্য। প্লিজ টেক দিস।”
আকসা বুকে-টা হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখতেই খেয়াল করলো, বুকে এর ওপরে একটা সাদা রঙের লম্বা কার্ড সংযুক্ত। ছোট ছোট অক্ষরে সেখানে লেখা রয়েছে— “ফর মাই বিউটিফুল ফিয়ন্সে।”
লেখাটা দেখে তো আকসার চক্ষু চড়কগাছ! ভীষণ অবাক হয়েছে ও। মেজবাহ বোধহয় ওর মনের ভাব বুঝতে পারলো৷ তাই মুচকি হেঁসে বললো, “ওটা আমি লিখেছি।”
আকসা বিমোহিত হলো। সবকিছু স্বপ্নের ন্যায় বোধ হতে লাগলো ওর কাছে৷ ও মুগ্ধ চোখে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো মেজবাহ’র দিকে। মুখ ফুটে “থ্যাংক ইউ” বললোও এর মাঝে।
আকসার ধ্যান ভাঙলো মেজবাহ’র কথায়৷ মেজবাহ মেনু কার্ডটা আকসার দিকে এগিয়ে দিয়ে বললো, “কী কী খাবে সিলেক্ট করো।”
কী কী খাবে মানে! কতো খাবার খাবে আকসা! ও হতভম্ব হয়ে বললো, “আপনি যা ইচ্ছা অর্ডার করুন।”
“নাহ। তুমি পছন্দ করো৷ তোমার পছন্দেরও তো একটা ব্যাপার আছে।”
আকসা ক্রমশই আকৃষ্ট হয়ে পরছে মেজবাহ’র সকল কথাবার্তা এবং কাজকর্মের প্রতি। মনের মধ্যে অদ্ভুত এক অনুভূতির সঞ্চার হচ্ছে। মেজবাহ আসলেই জেন্টেলম্যান। কতো সুন্দরভাবে ওর পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব দিচ্ছে! সবাই তো এমন হতে পারে না। মেজবাহ আসলেই অন্যরকম। আকসা মেনুকার্ডটা ছুঁয়েও দেখলো না। মুখে শুধু বিরবির করে বললো, “চা-কফি কিছু অর্ডার করে দিন।”
মেজবাহ বিরোধ করে বললো, “বলো কি! চা-কফিতে কখনো পেট ভরে?”
“আসলে আমি বেশি খাই না৷ দুপুরে তিনশো ক্যালরির মতো খাওয়া পড়ে৷ এর বেশি খেলে অস্বস্তি হয়।”
“এজন্যই তো তোমার শরীরের এই অবস্থা। চোখ-মুখ একদম শুকিয়ে গেছে। পানি খাও না ঠিকমতো? ওয়েট কত তোমার?”
“তেতাল্লিশ কেজি।”
আকসা আমতাআমতা করে কথাটা বলতেই মেজবাহ বললো, “কাছাকাছি-ই আন্দাজ করেছিলাম। শোনো, খাওয়া-দাওয়া ঠিকমতো করবে। বেশি বেশি পানি খাবে।”
আকসা কি বলবে বুঝতে পারলো না। ফিয়ন্সের সাথে ডেটে এসে কেউ এভাবে স্বাস্থ্য নিয়ে পরামর্শ দেয়? মেজবাহ ইফতেখার দারুণ লোক তো!
.
.
আকসার জন্য মেজবাহ একগাদা খাবার অর্ডার করেছে। বার্গার, থাই স্যুপ, সুসি, ক্যাপাচিনো আর মিল্কশেক। এতো খাবার দেখেই তো আকসার পেট ভরে গেছে। খাওয়া আরো বহুত দূরের কথা। এদিকে মেজবাহ ওকে কঠোরভাবে বলেছে, যেন সব খাবার শেষ করে ওঠা হয়। অথচ নিজের জন্য শুধু ক্যাপাচিনো অর্ডার করেছে। লোকটা নাকি বাহিরের খাবার কম খায়।
মেজবাহ এবার ক্যাপাচিনোয় চুমুক দিতে দিতে বললো, “তুমি কিছু কথা বলতে চাইছিলে।”
“জি। বলি তাহলে?”
“ইয়াহ শিওর।”
আকসা বললো, “আপনি কি এই বিয়েতে নিজ ইচ্ছায় রাজি হয়েছেন মেজবাহ।”
“অবশ্যই। কোনো সন্দেহ আছে?”
“আসলে আমি একটু দ্বিধান্বিত। একসময় যেহেতু আমি আপনাকে রিজেক্ট করেছিলাম আর না বুঝে অপমানিত.. ”
“ইট’স ওকে। সেসব আমি মনে রাখিনি। আর যেহেতু তখন তোমার অল্প বয়স ছিল৷ যাইহোক, তুমি এই বিয়েতে রাজি হলে যে?”
“আসলে আপনার প্রতি আমার হয়তো অন্যরকম কোনো অনুভূতি আছে। কবে তৈরি হয়েছে জানা নেই। তবে আছে যে— এটা অস্বীকার করতে পারবো না৷ আর আব্বু আমাকে বোঝালেন, তাই রাজি হয়ে গিয়েছি।”
আকসা লজ্জামিশ্রিত কন্ঠে নত মুখে কথাগুলো বললো। মেজবাহ ওর কথা শুনে শুধু বললো, “আচ্ছা ম্যাডাম, বুঝলাম।”
‘ম্যাডাম’ সম্বোধনটা শুনে চমকে উঠলো আকসা। বুক ধুকপুক করতে লাগলো। তবু নিজেকে যথেষ্ট স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে মেজবাহকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, “কিন্তু আপনি এতো সহজেই রাজি হয়ে গেলেন কেন মেজবাহ?”
মেজবাহ মৃদু হেঁসে বললো, “সত্যি বলতে, তোমাকে আমি একসময় ভালোবাসতাম। সেই ভালোবাসাটা এখনও রয়ে গেছে। তাই আর না করতে পারিনি।”
আকসাকে এখনো ভালোবাসে মেজবাহ! কেমন অকপটে স্বীকার করে নিলো! আকসার মনে যেন অজস্র প্রজাপতি ডানা মেলে উড়তে লাগলো। আরো আধঘন্টার মতো মেজবাহ’র সাথে নানান বিষয়ে কথা হলো। এরমাঝে মেজবাহ আকসাকে এই রুফটপের এককোণে দাঁড় করিয়ে নিজের আইফোন দ্বারা সুন্দর কিছু ফটোও তুলে দিলো। আকসার কাছে সবটা একটা সুন্দর স্বপ্ন মনে হলো৷ যাওয়ার জন্য ওরা টেবিল থেকে উঠতেই আকসার হঠাৎ কিছু একটা মনে পরলো৷ ও দ্রুত ব্যাগ খুলে ফুল বের করে মেজবাহ’র সামনে ধরে লাজুক হেঁসে বললো, “ফুলগুলো আপনার জন্য এনেছিলাম। নিবেন প্লিজ?”
“শিওর।”
মেজবাহ ফুল হাতে নিতেই আচনক ফুলগুলো ও হাত থেকে পড়ে গেল। মেজবাহ পা বাড়াতেই ওর পায়ের নিচে পড়ে পিষ্ট হলো। আকসার মন খাঁখাঁ করে উঠলো৷ মেজবাহ ওকে সান্ত্বনা দিতে অদ্ভুতভাবে হেঁসে বললো, “ফুল পায়ের নিচে পিষে গেলেই কি? অনিচ্ছাকৃত ঘটেছে। থাক, মন খারাপ কোরো না। এমন ফুল হাজারও পাওয়া যাবে৷ আবার দিও না-হয়।”
চলবে
নোটবার্তা: দেখেছেন, মেজবাহ কেমন জেন্টেলম্যান? আপনারা শুধু শুধুই সন্দেহ করেন। আর আমাকে অবিশ্বাস করেন। আমাকে দেখে কি মনে হয়, আমি কোনো প্যাঁচ লাগাতে পারি? সহজ-সরল, ভোলাভালা একজন মানুষ আমি। হুহ।
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৬
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৩
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২৩(সমাপ্ত)
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৯
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৫
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১০