সীমান্তরেখা পর্ব_৫
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_৫
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
মেজবাহ’র সাথে আকসার বিয়ের কথাবার্তা চলছে! অবিশ্বাস্য ব্যাপার!
আকসা বসে আছে মেজবাহ’র চাচি ফাতিমা খাতুনের পাশে৷ মেজবাহ’র মামনি আকসার আম্মুর সাথে কথাবার্তা বলছেন। বাকিরা সবাই আলাপ-আলোচনা করছেন। আকসা আড়চোখে একবার বিপরীত পাশের সোফায় বসা ফোনে মগ্ন ব্যক্তিকে দেখছে। আকসা এখনো মাথায় ঢুকাতেই পারছে না যে, মেজবাহ’র পরিবার ওকে দেখতে এসেছে৷ ওর সবটা ভ্রম বলে মনে হচ্ছে। কি একটা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি! নিশ্চিত হওয়ার জন্য আকসা অগোচরে নিজের বাঁহাতের কব্জিতে একটা চিমটি কাটতেই জোরে “আউচ” শব্দ করে উঠলো। না, তারমানে ব্যাপারটা সত্যিই ঘটছে। এতোক্ষণের আলোচনায় মেজবাহ’র আব্বু আকসার মামাকে বললেন, “ভাই, আমাদের ছেলে তো সপ্তাহ দুয়েক বাদে ক্যান্টনমেন্টে চলে যাবে; তাই আমরা চাচ্ছিলাম আপনাদের মেয়েটাকে আমাদের ঘরের বৌ করে দু-একদিনের মধ্যেই নিয়ে যেতে। অ্যারেঞ্জমেন্ট তাড়াহুড়োয় কেমন হবে আন্দাজ করতে পারছি না, তবে আকসা মা’কে নিলে আমরা একবারেই উঠিয়ে নিয়ে যাব।”
আকসা একের পর এক চমক পাচ্ছে। প্রথমে মেজবাহ’র সাথে বিয়ের কথাবার্তা, এখন আবার একবারে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া। আকসার মা’কে ইতস্তত দেখে তার পাশ থেকে ইশা বেগম তার কাঁধে হাত রেখে ভরসা দিয়ে বললেন, “বুঝতে পারছি আপা, সিদ্ধান্ত নেওয়াটা আপনার জন্য একটু কঠিন। অবশ্য হওয়াটাই স্বাভাবিক। একমাত্র মেয়ে তো। তবে আপনি কোনো চিন্তা করবেন না৷ আকসার বিয়ের পর এই বাড়িতে যাতায়াত থাকবে সবসময়। মেজবাহ ক্যান্টনমেন্টে চলে যাওয়ার পর আকসা এখানে আপনার কাছে এসেই থাকলো নাহয়। আপনার একা থাকতে হবে না। মেয়েটাকে আমাদের দিয়ে দেন আপা। কথা দিচ্ছি, ওকে কখনো সামান্য মন খারাপ করেও থাকতে দেবো না। খুব ভালো থাকবে ও৷ আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন ওকে কোনো কষ্ট-ক্লেশ করতে হবে না৷ এরপর সংসার ওর হাতে দিয়ে যাব।”
আয়েশা বেগম বললেন, “আপনারা বসে সবাই গল্প করুন আপা। আমি মেয়েকে নিয়ে ওর সাথে একটু কথা বলে আসি।”
আকসাকে ইশারায় ডেকে ভেতর ঘরে নিয়ে গেলেন আয়েশা বেগম। ঘরের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে নিচু স্বরে ওকে বললেন, “বুঝতেই তো পারছো মা, সবকিছু কত তাড়াহুড়োয় হচ্ছে? যদি সময় থাকতো, তাহলে আমি তোমাকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভাবার সময় দিতে পারতাম। কিন্তু এখন হাতে সময় একদমই কম। বিয়ের তো পাকা কথা আজ-ই হতো। এই বিয়েতে তোমার আব্বুর এবং আমার সম্মতি শুরু থেকেই আছে। তবে জানতাম না, এতোটা তাড়াহুড়োয় বিয়ে হতে পারে। ভেবেছিলাম, এক-দু’দিন সময় পাবো৷ কিন্তু তারা আজ একবারে মেজবাহকে নিয়ে এসেছে আংটি পরিয়ে দিয়ে যাবে বলে৷ তোমার আব্বুর সাথে তো নিশ্চয়ই তোমার কথা হয়েছে। দেখো, মেজবাহ’র মতো ভালো ছেলে কিন্তু আর হাজার খুঁজলেও সহজে পাওয়া যাবে না। কপাল করে অমন ভদ্র, শান্ত-শিষ্ট ছেলেকে স্বামী কোরে পাওয়া যায়। এখন তোমার কী মতামত বলো?”
আকসা এখনো অনুভব করতে পারছে না, ওর সাথে কীসব হচ্ছে। মেজবাহ কেন রাজি হলো এই বিয়েতে? মেজবাহ’র তো রাজি হওয়ার কথা নয়। অথচ তাকে দেখে একটুও বোধ হলো না যে সে এই বিয়েতে অমত করেছে। এমনকি রাজিও যে আছে, সেটাও ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। বোঝার কায়দা নেই। মেজবাহ’র সাথে কথা বললে অন্তত বুঝতে পারতো। কিন্তু সেটাও এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। আকসা পরেছে দোটনায়। তখনই ও চোখ বুঁজে ওর আব্বুর বলা কথাগুলো স্মরণ করলো৷ আকসার আব্বু তার জন্য কোনো খারাপ ছেলে পছন্দ করবেন না— এতোটুকু বিশ্বাস আকসার আছে। আর মেজবাহ তো এই যুগের হিসেবে শতভাগ ভালো ছেলে৷ আজ অবধি কেউ ওর একটা দুর্নাম অবধি করতে পারেনি। মেজবাহ’র কোনো খারাপ অভ্যাসও আগে-পরে কোনোদিন আকসার চোখে পরেনি। পুরোনো ঘটনা আর কে-ই বা মনে রাখে? মেজবাহও নিশ্চয়ই মনে রাখেনি।
আকসার মনেও যে মেজবাহ’র জন্য কিঞ্চিৎ অনুভূতি আছে— একথা মনকে জিজ্ঞাসা করে অস্বীকার করতে পারলো না ও। শেষমেশ নানান দোনোমনা করে অবশেষে আকসা ওর মা’কে বললো, “জি আম্মু, আমি এই বিয়েতে রাজি আছি।”
এক নিঃশ্বাসে চোখ বুঁজে কথাটা বলে ফেললো আকসা। আয়েশা বেগম তা শুনে “শোকর আলহামদুলিল্লাহ” বলে বাইরে ছুটলেন। মেজবাহ’র জন্য জরুরি তলবে স্বর্ণের দোকানে আংটি আনতে পাঠিয়েছিলেন ভাইকে। তাকে কল করে দ্রুত আসতে বললেন। আর কলিকে পুনরায় ঘরে পাঠিয়ে আকসাকে আরেকবার পরিপাটি করে দিতে বলে গেলেন।
.
.
আকসার ছোট মামা খুব তাড়াহুড়ো করে ফিরেছেন। আজ-ই যে আংটি বদল হবে— এই বিষয়টা আগে থেকে কেউই জানতো না৷ এমনকি পরিপূর্ণ সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো হয়নি এর আগে৷ ঘন্টাখানেক আগেই দুই পরিবার আলোচনা করে সিদ্ধান্তটা নিয়েছে।
মেজবাহ’র আঙুলের মাপ নিয়েই আংটি কেনা হয়েছে। আকসার ডাক পরলো ড্রয়িংরুম থেকে। ও একদম চুপচাপ। কোনো কথা বলছে না। কারো দিকে তাকাচ্ছেও না। মনের মধ্যে অজস্র দ্বিধাদ্বন্দ চলছে। তবে কাউকে মুখ ফুটে কিছু বলতেও পারছে না। বলবেই বা কীভাবে? সবকিছু এতোটাই তাড়াহুড়োয় হচ্ছে যে, আকসা নিজেই দ্বিধায় পড়ে গেছে। ওর মনে হলো, অন্তত আংটি বদলের আগে মেজবাহ’র সাথে একবার আলাদা করে কথা বলে নিলে ভালো হতো। কিন্তু সেরকম সময়ে বা পরিস্থিতি — কোনোটাই পাওয়া গেল না তৎক্ষনাৎ। ছোট খালা এসে একপ্রকার ধরে-বেঁধে ওকে ড্রয়িংরুমে নিয়ে গিয়ে সোফায় মেজবাহ’র পাশে বসিয়ে দিলেন৷
মেজবাহ একটা ব্লু রঙের শার্ট এবং ব্ল্যাক ফর্মাল প্যান্ট পরিহিত। হাতে একটা সিলভার শেডের রিস্টওয়াচ। চুলগুলো বাসায় থাকার কারণে সামান্য কিছুটা বড় হয়েছে। যদিও ভালোভাবে লক্ষ্য না করলে বোঝার উপায় নেই। অবশ্য আকসার চোখে পরেছে শুরুতেই। ও আড়চোখে মেজবাহকে দেখছে। তবে মেজবাহ ওর দিকে একবারও ফিরে তাকিয়ে দেখছে না। আকসা আশেপাশে দেখলো। সবাই কথা বলায় ব্যস্ত। হৈচৈ হচ্ছে খুব। ওদের দিকে এই মুহূর্তে খেয়াল নেই কারো৷ এই সুযোগে ও চাপা স্বরে মেজবাহকে ডাক দিলো।
“মেজবাহ।”
আকসার ডাক শুনতেই মেজবাহ পাশে ফিরে তাকালো এবার। এই প্রথম আকসাকে শাড়ি পরিহিত অবস্থায় দেখলো৷ মেরুন রঙের শাড়ি ফরসা শরীরে কৃষ্ণচূড়ার ন্যায় ফুটে আছে যেন। ঠোঁটে গাঢ় মেরুন লিপস্টিক আর চোখে হালকা কাজল। এক হাতে ডজন খানেক কাঁচের চুড়ি। চুলগুলো মাথায় তোলা শাড়ির আঁচলের নিচে ঢাকা পরেছে। কিছু চুল গলার পাশ থেকে বেরিয়ে সামনের দিকে এসে বুকের ওপর ছড়িয়ে পরে আছে। মেজবাহ একবারের বেশি তাকিয়ে দেখলো না আকসাকে। পরমুহূর্তেই চোখ নামিয়ে নিলো ও। আকসা ওর মনোযোগ আকর্ষণ করতে পেরে এবার জিজ্ঞাসা করলো, “আপনি কি ফ্যামিলির প্রেশারে এই বিয়েতে রাজি হয়েছেন?”
“না তোহ। কেন?”
মেজবাহ ভ্রু কুঁচকে কথাটা বললো। আকসা আরো কিছু বলতে চাইছিল, কিন্তু সেই সুযোগ আর পেল না। ওর আম্মু আর হবু শাশুড়ি এগিয়ে এসে আংটি ধরিয়ে দিলেন আকসা এবং মেজবাহ’র হাতে। ইশা বেগম ছেলেকে বললেন, “আকসার হাতে আংটি পরিয়ে দাও আব্বু।”
মায়ের কথা শুনে আকসার বাঁহাতের অনামিকা আঙুলে আংটি পরিয়ে দিলো মেজবাহ। এতোটুকুও দ্বিরুক্তি করলো না। এদিকে আকসাকে বলার পর আংটি পরাতে গিয়েই হাত কাঁপতে লাগলো ওর। বুক ধুকপুক করতে লাগলো। মন এবং মস্তিষ্কের দ্বিধাদ্বন্দের মাঝে আটকে যেতে লাগলো বারবার। অনেক কসরত করার পর অবশেষে ও মেজবাহ’র হাতে আংটি পরাতে সক্ষম হলো। আংটি পরিয়ে ও মেজবাহ’র দিকে তাকালো। মেজবাহ সামনের দিকে তাকিয়ে আছে৷ লোকটা যে কি করছে, কি চায়— কিছুই বুঝতে পারছে না আকসা। কথাও ভালোভাবে হলো না৷ আর মুখ দেখে তো কিছু বোঝার-ই উপায় নেই।
আকসার আম্মু মিষ্টি নিয়ে আসলেন। নিজ হাতে হবু মেয়ে জামাইকে মিষ্টিমুখ করিয়ে দিতে হাসিমুখে বললেন, “আজ কিন্তু মিষ্টিকে না করা যাবে না বাবা। নাও, তোমার শাশুড়ির হাতে মিষ্টিমুখ করো।”
আজ মেজবাহ মিষ্টি খেতে না করলো না। হবু শাশুড়ির কথায় সামান্য ভদ্রতাসূচক হাসি দিলো।
.
.
আকসার হবু শ্বশুরবাড়ির সবাই বিদায় নিয়েছেন সন্ধ্যার পরপরই। তারা যাওয়ার আগে আলোচনা হয়েছে, আগামীকাল বাদ পরশু ঘরোয়াভাবে গায়ে হলুদ, এরপর দিন বিয়ে। আয়েশা বেগমকে তারা নিষেধ করেছিলেন, বেশি প্রেশার না নিতে। তবুও আয়েশা বেগম তাদেরকে জানিয়েছেন, মেয়েকে যেহেতু একবারে উঠিয়ে দেবেন-ই; তাই ছোটখাটো করে হলেও বিয়ের আয়োজন করবেন। গায়ে হলুদ ঘরোয়াভাবে হলেও বিয়েটা আয়োজন করে হোক।
তাই তো আজ থেকেই আকসাদের বাড়িতে উৎসবের আমেজ লেগেছে। আগামীকাল বিকালে আকসা এবং মেজবাহ’র বিয়ের কেনাকাটা করা হবে। দুই পরিবার একসাথে মিলেই শপিংয়ে যাবে। আকসার আত্মীয়-স্বজনেরা সবাই একে একে আসতে শুরু করেছে। পাশের বাসার মানুষেরা এবং ভাড়াটিয়ারা এসে এসে দেখে যাচ্ছে ওকে৷ হৈ-হুল্লোড় এবং বিয়ের আমেজ চলছে বেশ। তবে আকসার মনে কোনো আমেজ নেই। মেজবাহ’র সাথে স্পষ্ট করে কথা বলা হলো না ওর৷ কথা না বলা পর্যন্ত শান্তিও পাচ্ছে না। কি করা যায় সেটাই ভাবছে। বেশি চিন্তা করলে আকসা ঘরময় পায়চারি করে আর দাঁত দিয়ে নখ কাটে। এই মুহূর্তেও সেটাই করছে। হঠাৎ ওর একটা বুদ্ধি আসলো মাথায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বেরিয়ে বড়ভাইয়ের ঘরে গেল। ইফান বসে ল্যাপটপে মুভি দেখছিল। আকসা ভেতরে ঢুকেই চটপটে গলায় ভাইকে বললো, “ভাইয়া তোমার মেজর বন্ধুর নাম্বারটা দাও তো।”
হঠাৎ এসে আকসার বলা এহেন কথা শুনে ইফান ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞাসা করলো, “নাম্বার দিয়ে কী করবি?”
“কথা বলবো।”
আকসার সোজাসাপ্টা জবাব শুনে ইফান আর কিছু বললো না। আকসাকে নাম্বারটা বলতেই ও ফোনে ডায়াল করে নিয়ে নিজ ঘরে চলে গেল।
.
.
মেজবাহ তখন বাইরে শাহাবুদ্দিন চাচার টঙের দোকানে এসে বসেছে বন্ধুদের নিয়ে। ক্যাডেট কলেজের সব বন্ধুরা ডিফেন্সে জয়েন করেনি৷ এদের মধ্যে অনেকেই ব্যবসা করছে, নাহয় অন্য চাকরি। মেজবাহ রাজশাহী ফিরলে বন্ধুদের সাথেই বেশি সময় কাটায়। আজও সন্ধ্যায় বাসায় আসা মাত্রই এক বন্ধু কল দিয়ে পুরোনো আড্ডাস্থলে যেতে বললো। মেজবাহ সঙ্গে সঙ্গে এখানে চলে এসেছে। বন্ধুদের সাথেই নানান কথাবার্তা আর হাসি-ঠাট্টা চলছিল। মেজবাহ’র বিয়ের কথা শুনেছে ওরা। ওদেরকে ইনভাইট করা হয়েছে। মেজবাহ বিয়ে করছে বলে ওরা ওকে ক্ষেপাচ্ছিল। বন্ধুমহলে এখনো পর্যন্ত একমাত্র মেজবাহ আর ইফান-ই সিঙ্গেল। এবার তো মেজবাহ’রও বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। রাকিব ওকে বললো, “দোস্ত তুই তো গেলিরে। দিল্লির লাড্ডু খেলেই বুঝতে পারবি, জীবনটা কতোটা বেদনাময়। আমরা খেয়ে এখন পস্তাচ্ছি।”
আসরের মাঝে হাসির রোল পরলো। মেজবাহ বন্ধুমহলে বরাবরই একটু চুপচাপ এবং ভদ্র স্বভাবের। ও এই বিষয়ে তেমন কোনো কথা বললো না।
হঠাৎ মেজবাহ’র ফোনের রিংটোন বেজে উঠতেই ও ফোন বের করে দেখলো, আননোন নাম্বার থেকে কল এসেছে। এখানে হৈ-হল্লা হচ্ছিল বলে ও উঠে কিছুটা দূরে নির্জন জায়গায় গিয়ে কর রিসিভ করে জিজ্ঞাসা করলো, “কে?”
“আসসালামু আলাইকুম। আমি আকসা বলছিলাম।”
“ওয়ালাইকুমুস সালাম। জি বলো।”
“আপনার সঙ্গে কিছু কথা ছিল।”
“বলে ফেলো।”
“দেখা করা যাবে আপনার সাথে? সামনাসামনি বললে বেশি ভালো হতো। আপনি কি দেখা করতে পারবেন আগামীকাল?”
“ইয়াহ শিওর।”
কোথায় দেখা করবে সেটা আকসা বলে দিলো৷ মেজবাহ ‘ওকে’ বলে কল কেটে দিলো৷ মেজবাহ’র কন্ঠস্বর তো স্বাভাবিকই মনে হলো আকসার কাছে৷ তাহলে কি মেজবাহ স্বেচ্ছায় এই বিয়েতে রাজি হয়েছে!
চলবে
নোটবার্তা: সবকিছু কি এতোই সোজা হু? দেখতো থাকুন কি হয়।
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৪
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৮
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২৩(সমাপ্ত)
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২২
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৩
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৪
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৯
-
সীমান্তরেখা গল্পের লিংক