সীমান্তরেখা
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_২৭
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
আকসাকে ওর শাশুড়ি সাবধানে ধরে নিয়ে এসে পুনরায় টেবিলে বসিয়ে দিলেন। আকসার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এক রাতেই চোখ বসে গেছে পুরো। ভীষণ ক্লান্ত দেখাচ্ছে ওকে। রিতু বেগমের কথার সূত্র ধরে আপাতত কেউ কোনো প্রশ্ন বা জবাবদিহিতা চাইলেন না। এহসানুল হক তার স্ত্রী’কে উদ্দেশ্য করে বললেন, “বৌমাকে খাইয়ে-দাইয়ে ঘরে পাঠিয়ে দাও। ওর একটু বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। শরীরের হালত খুবই খারাপ মনে হচ্ছে।”
ইশা বেগম নিজ হাতে আকসাকে খাইয়ে দিলেন। খাওয়া শেষ হলে ওকে উঠিয়ে ধরে ঘর অবধি দিয়ে আসলেন। যাওয়ার সময়ে আকসা তাকে বললো, ঘরের দরজাটা টেনে দিয়ে যেতে। ইশা বেগম তা-ই করলেন।
.
.
ক্লান্ত শরীরে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছিল, সেই খেয়াল ছিল না আকসার। ঘুম ভাঙলো অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে। আধোঘুমো চোখ মেলে দেখলো, ফ্যান চলছে বেশ পাওয়ারে। এদিকে আবার ওর গায়ে কম্বলও টেনে রাখা। আকসা দীর্ঘ সময় নিয়ে মস্তিষ্কে চাপ প্রয়োগ করে অবশেষে মনে করতে পারলো, কাজটা আসলে ওর-ই। শাশুড়ি চলে যাওয়ার পর ফুল স্পিডে ফ্যান চালিয়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে ছিল৷ বেশ আরাম-ই ঠেকছিল এমন পরিবেশে। কিন্তু ঘুমানোর বেশ কিছুক্ষণ পরে এই আরামটা সাজা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে অসুস্থতা আরো দ্বিমাত্রিকতায় বেড়েছে। আকসা কম্পমান শরীরে শরীরের সর্বোচ্চ জোর খাটিয়ে উঠে গিয়ে ফ্যানের পাওয়ার কিছুটা কমিয়ে দিয়ে আসলো। একেবারে কমালো না। সম্পূর্ণ কমিয়ে দিলে ওর আবার অস্বস্তি হবে।
পুনরায় বিছানায় এসে কম্বল জড়িয়ে হাঁটুতে মুখ ঠেকিয়ে বসলো। এই ঘরে একটা দেয়াল ঘড়ি আছে। সফেদ রঙের ঘড়িটা। দারুণ কারুকার্য শোভিত। অবশ্য হওয়ারই কথা। ঘরটা কার দেখতে হবে না? জনাব মেজবাহ ইফতেখারের। শৌখিন লোক। মাথার চুল হতে শুরু করে নিজ ঘরের প্রতিটা কোণা— সব পরিপাটি করে রাখতে পছন্দ করে। মেজবাহ’র কথা মাথায় আসতেই আকসার খেয়াল হলো, লোকটা এখনো বাড়ি ফেরেনি। সেই দুপুরে যে খাবার টেবিল থেকে উঠে তড়িঘড়ি করে ঘরে গিয়ে তৈরি হয়ে বাইরে বের হলো, তারপর থেকে আর দেখা-সাক্ষাৎ-ই নেই। লোকটা গেল কোথায়? কারো সাথে দেখা করতে? হয়তো বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েই কোথাও আড্ডা দিচ্ছে। কিন্তু কীভাবে পারছে এই কাজ করতে? এদিকে বউটা তার ঘরে অসুস্থ হয়ে পরে আছে। আর সে সেই ভরদুপুরে বাইরে বেরিয়ে এখন এই সন্ধ্যা নাগাদও ফিরছে না! এতোটুকুও কি বিবেকে বাঁধছে না তার? অবশ্য বাঁধবেই বা কীভাবে! আকসা যে তার নামমাত্র বউ। শুধু কাবিননামাতেই স্বাক্ষর রয়েছে। তার হৃদয়ে তো আর জায়গা করে নিতে পারেনি। অবশ্য সে আশাও করে না আকসা৷ কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ের একসাথে থাকার বিনিময়ে কি এতোটুকুও প্রাপ্য নয় আকসার? মনকে স্থির করতে পারে না ও। পারে না কোনো বুঝ দিতে। চোখ হতে অবাধ্য অশ্রুকণা গড়িয়ে পরে গাল, গলা বেয়ে। গরম সেই অশ্রু৷ জ্বরের তাপে এ-ও যেন উত্তপ্ত হয়ে গেছে। আকসা মোছে না। গালেই শুকিয়ে যেতে দেয়। এই অশ্রুকণার যতক্ষণ স্থায়ীত্ব হবে, ততোক্ষণ ওকে মনে করিয়ে দেবে, ও ওর স্বামীর কাছে কতোটা উপেক্ষিত!
.
.
মেজবাহ বাসায় ফিরলো ঠিক মাগরিবের আজানের কিছু সময় পরে। ফিরলোও বেশ তাড়াহুড়ো করেই। যেন কোনো জরুরি কাজ রয়েছে বাড়িতে। বাইকটা বাইরের ছাউনিতে গাড়ির পাশে রেখেই দ্রুত খোলা কেচিগেইটের ভেতরে ঢুকে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে আসলো। ইশা বেগম ড্রয়িংরুমে-ই ছিলেন। ঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। মেজবাহকে এমন হন্তদন্ত হয়ে ভেতরে ঢুকতে দেখে ঝাড়ু রেখে এগিয়ে আসলেন। ছেলের ঘেমে-নেয়ে একাকার অবস্থা। দ্রুত গিয়ে ডাইনিং থেকে একগ্লাস পানি এনে মেজবাহ’র হাতে দিলেন৷ মেজবাহ দাঁড়িয়ে ঢকঢক করে পানি খেতেই ইশা বেগম অস্থির হয়ে বললেন, “বসে খাও আব্বা। বিষম লাগবে তো!”
“বসার টাইম নেই মামনি।”
মেজবাহ বাকি পানিটুকু শেষ করে গ্লাসটা মায়ের হাতে দিলো। গ্লাস রেখে পুনরায় ফিরে এসে ইশা বেগম জিজ্ঞাসা করলেন, “এতো তাড়া কীসের আব্বা? কী হয়েছে?”
“মামনি, ওকে আমি হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইছি।”
ইশা বেগম ‘ওকে’ শব্দটার অর্থ বুঝলেন। আকসার কথা-ই বুঝিয়েছে তার ছেলে। ছেলের কথা শুনে মনে জড়ো হওয়া দ্বিধাদ্বন্দ্ব একপ্রকার কাটিয়ে শান্তস্বরে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার ফুপু যেই কথা বললো, সেটার সত্যতা যাচাই করতে?”
“জি?”
মেজবাহ যেন বুঝতে পারেনি মায়ের প্রশ্ন। এজন্য পাল্টা প্রশ্ন করলো। ছেলের সামনে এসব কথাবার্তা সরাসরি বলা যায় না। এজন্য ইশা বেগম ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বললেন, “ফার্মেসী থেকে দরকারি জিনিস আনলে বাসায় বসেই টেস্ট করা যেতো। বৌমার শরীরটা এমনিতেও ভালো না। এই অবস্থায় হসপিটাল অবধি যেতে পারবে কিনা সন্দিহান।”
মেজবাহ বিষম খেতে গিয়েও জোর প্রচেষ্টায় নিজেকে আটকালো। এরপর স্থির হয়ে নম্রভাবে বললো, “এসব কিছু নয় মামনি। ফুপুর মনগড়া কথা। মূলত তোমার বৌমার গতকাল রাত থেকে খুব জ্বর। তোমরা যেটা ভাবছো, সেটা না। রাতে মেডিসিন দিয়েছিলাম। তবু জ্বর কমেনি। বরং, বেড়েছে। আর সাথে বমি হওয়া তো আছেই। এটা স্বাভাবিক নয় মামনি। তাই হসপিটালে নিতে চাচ্ছি।”
ইশা বেগম সরাসরি কখনো নাতি-নাতনির ইচ্ছা পোষণ না করলেও আজ রিতু বেগমের কথায় কিছুটা আশ্বাস পেয়েছিলেন। চোখে-মুখে একটা অন্যরকম উজ্জ্বলতা বলা চলে, খুশির ঝলক দেখা গিয়েছিল। ছেলের কথা শুনে মুখ কিঞ্চিৎ মলিন হলো এবার। তবে সেটা মেজবাহকে বুঝতে দিলেন না। ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি ফুটিয়ে বললেন, “ঠিক আছে। যাও ওকে ডাক্তার দেখিয়ে আনো।”
“হসপিটাল থেকে জেমি আপুদের বাসায় যাবো। ফিরতে দেরি হতে পারে।”
“আচ্ছা আব্বা। চাবি একটা নিয়ে রাখো তোমার কাছে। রাত কোরে ফিরলে ওই চাবি দিয়ে দরজা খুলো।”
বাসার একটা চাবি নিয়ে নিজ ঘরের দিকে পা বাড়ালো মেজবাহ।
.
.
আকসা দীর্ঘ ঘন্টাখানেক হাঁটুতে মুখ ঠেকিয়ে একপাশে ফিরে একইভাবে চোখ বুঁজে বসে ছিল। দরজা খোলার শব্দে তড়িৎ ঘাড় ঘুরিয়ে বিপরীত পাশে ঘুরে দরজার দিকে তাকালো ও। মেজবাহ ঘরে ঢুকেই ওকে একপলক দেখে ওয়ারড্রবের দিকে এগোতে এগোতে আকসাকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করলো, “জ্বর কমেছে?”
কোনো জবাব এলো না বিছানার ওপরে বসে পাথর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা মেয়েটির দিক হতে। ও একদৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখছে মেজবাহকে। চোখের পলকও ফেলছে না। মেজবাহ জবাব না পেয়েও কিছু মনে করলো না৷ স্বাভাবিকভাবেই নিলো। পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, “জ্বর কত, চেক করেছো?”
আবারও কোনো জবাব আসলো না আকসার নিকট হতে। মেজবাহ ওয়ারড্রব থেকে একটা অব্যবহৃত নতুন শার্ট এনে বিছানার ওপরে রেখে গায়ের ঘামে ভেজা শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে উদ্বিগ্ন গলায় বললো, “জ্বরটা চেক করে নিতে। সাইড টেবিলে তো মেডিসিন বক্সে থার্মোমিটার রাখা ছিল। তোমার উঠতেও হতো না৷ হাত বাড়ালেই পেয়ে যেতে।
মেজবাহ কথাটুকু বলে গায়ের শার্টটা খুলে নতুন শার্ট পরে সাইড টেবিল থেকে থার্মোমিটার নিয়ে বললো, “দেখি, আমি চেক করছি।”
কথাটা বলে বিছানায় সামনের দিকে একধ্যানে তাকিয়ে বসে থাকা আকসার দিকে এগোতেই এক ঝটকায় ওর হাতটা টেনে সরিয়ে দিলো আকসা৷ আকস্মিক এহেন কান্ডে মেজবাহ অপ্রস্তুত হলো। আশ্চর্য হয়ে আকসার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে এবার খেয়াল করলো, মেয়েটার চোখ টলমল করছে৷ জ্বরের কারণে হবে বোধহয়। মেজবাহ শান্ত গলায় বললো, “জিদ কোরো না আকসা। আমাকে চেক করতে দাও। বের হতে হবে আবার। লেইট হয়ে যাচ্ছে।”
মেজবাহ’র মুখ থেকে কথাটা বের হওয়া মাত্র আকসা বসা থেকে উঠে মেজবাহ’র সামনে দাঁড়িয়ে আচমকা এক ধাক্কা দিলো ওকে। ধাক্কায় মেজবাহ সামান্য পিছু সরলো। খুব বেশি নয়। ও কিছু বলার আগেই আকসা বলে উঠলো, “লেইট হয়ে যাচ্ছে খুব, তাইনা? তো এখনো আছেন কেন এখানে? কী কারণে? জ্বরের মাত্রা চেক করার জন্য? কোনো প্রয়োজন নেই। সারাদিন শেষে এসে এমন শো-অফ করতে হবে না৷ আসতে পারেন আপনি। আপনার হেল্প, এই লোক দেখানো টেক-কেয়ার আমার লাগবে না!”
“আকসা তুমি বুঝতে.. ”
মেজবাহকে পুরো কথা শেষ করতে দিলো না আকসা। এগিয়ে গিয়ে সমানে একনাগাড়ে ধাক্কা দিতে দিতে বললো, “আমি কী? আপনার বাইরে যেতে হবে না? আমার জন্য লেইট হচ্ছে তো! কেন করছেন এসব? কেন এই লোক দেখানো কাজ? দেখাচ্ছেন যে, আমার প্রতি আপনার কতোটা খেয়াল? অথচ দুপুরে যখন আমি খুব অসুস্থ হয়ে পরেছিলাম, তখন আপনি একবারও আমার দিকে ফিরেও দেখলেন না৷ জানতে চাইলেন না, আমার কি অবস্থা! ড্যাংড্যাং করে চলে গেলেন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে!”
আকসা আরেকটা ধাক্কা দেওয়ার আগেই মেজবাহ ওর দুই হাত মুঠোতে শক্ত করে চেপে ধরলো। শক্ত গলায় বললো, “বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে আকসা! অসুস্থ তুমি। এখন অন্তত বেয়াদবি কমাও। আর ড্যাংড্যাং এসব.. এসব কেমন ভাষা? কার কাছ থেকে শিখেছো? এরপর এমন ডিজগাস্টিং ওয়ার্ড শুনলে মুখ স্টিচ করে দেবো।”
আকসা ঠোঁট চেপে গায়ের জোর খাটিয়ে হাত সরিয়ে নেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করলো। তবে সম্ভব হলো না। হাতের জোর খাটাতে না পেরে পায়ের জোরে মেজবাহ’র পায়ে লাথি দিতে লাগলো অনবরত। বিরক্ত হয়ে ওর পিঠ বুকে সাথে ঠেকিয়ে শক্ত করে চেপে জড়িয়ে ধরে রাখলো মেজবাহ। যেন আর নড়াচড়া করতে না পারে। তবু আকসা থামলো না৷ মাথা দিয়ে ধাক্কা দিতে লাগলো মেজবাহ’র বুকে। মেজবাহ দাঁতে দাঁত পিষে ওর মাথা চেপে ধরলো বুকের সাথে। টুকটাক নড়াচড়া আদ্যোপান্ত পা থেকে মাথা অবধি স্ক্যান করে বললো, “জ্বর হলেও মরিচের ঝাঁঝ তো কমে না দেখি!”
আকসা এই কথার বিপরীতে কোনো জবাব না দিয়ে মনের ভেতরে জমা হওয়া কথাগুলো একনাগাড়ে বলে ফেললো।
“একটা মেয়ে, আপনার ঘরের বউ অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে আছে। অথচ আপনি ভরদুপুরে নিজের ভেতরকার সব মনুষ্যত্ব, বিবেকবোধকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে ফেলে বাইরে চলে গেলেন আড্ডা দিতে! আর ফিরলেন এখন৷ আবার নাকি যাবেন! এতোটা কেয়ারলেস আপনি হন কীভাবে মেজবাহ? হ্যাঁ, আপনার সাথে আমার ভালোবাসা-বাসির সম্পর্ক নেই। তারপরও একটা বিড়ালের সাথেও তো কমপক্ষে এক সপ্তাহ থাকলেও তার প্রতি মায়া জন্মে যায়। সেখানে আমি তো একটা জলজ্যান্ত মানুষ! আমার জন্য কি আপনার একটুও মায়া হয় না?”
আকসা এতোক্ষণ জেদ দেখালেও, কঠিন মুখ করে থাকলেও কথাগুলো বলতে বলতে ওর গলা ধরে গেল। শেষ পর্যন্ত কেঁদেই ফেললো। মেজবাহ ওর কথার মাঝখানে এতোক্ষণ কিছু বলেনি। চুপচাপ মনোযোগ দিয়ে শুনছিল আর ভাবছিল, এই পাগল মেয়ে এতোটুকু সময়ে কত কি ভেবে বসে আছে! মেজবাহ ওকে একটানে সামনে মুখোমুখি নিয়ে আসলো৷ উত্তপ্ত কোমর জড়িয়ে ধরে খোলা চুল পেছনে সরিয়ে দিয়ে কানের কাছে মুখ এগোলো। আকসার জ্বরে কম্পমান শরীরে বাড়ন্ত হার্টবিট আরো জোরে বেড়ে গেল। ঢিপঢিপ শব্দ মেজবাহ শুনতে পেল। ফিচেল হাসলো ও। আকসার কান এবং গালের মধ্যবর্তী অংশে একটা চুমু খেয়ে মৃদু হেঁসে বললো, “মায়া হয় কি-না জানি না। তবে সেই দুপুর থেকে রোদে পুড়ে, ওয়েটিংয়ে থেকে বহুকষ্টে তোমার জন্য ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আসলাম। শুধুমাত্র তোমার জন্য জান।”
জান! আকসা চমকে উঠলো।
চলবে
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৯
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৮
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২০
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১২
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২১
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৪
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৬
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২৬
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ২