সীমান্তরেখা
লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক
পর্ব_২৩
[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]
আকসাও জেদ ধরে বললো, “ডিভোর্স তো আমি আপনাকে দিয়েই ছাড়বো। দেখে নিয়েন।”
মেজবাহকে ধাক্কা মেরে সরানোর চেষ্টা করলো আকসা। কিন্তু সৃষ্টিগতভাবে তৈরি পুরুষালি ওই শক্তির সাথে পেরে উঠলো না ও। মেজবাহ উপহাস করে হেঁসে বললো, “সামান্য দূরেই সরাতে পারছো না। ডিভোর্স কীভাবে দেবে তুমি? ব্লাডি সিভিলিয়ান!”
বিদ্রুপাত্মক কথাবার্তায় আকসার শরীরে আগুন জ্বলে উঠলো যেন। ও এবার শরীরে সর্বশক্তি দ্বারা ধাক্কা দিলো মেজবাহকে। তবু কোনো কাজ না হওয়ায় ও এবার একটা ধারণাতীত কাজ করে বসলো৷ জোরে জোরে চেঁচিয়ে বলতে লাগলো, “আম্মা, আম্মা কোথায় আপনি? দেখে যান আপনার ভদ্র-শয়তান ছেলে আমার সাথে কি করছে!”
মেজবাহ তড়িৎ ওর মুখ চেপে ধরে চাপা স্বরে বললো, “বেয়াদব! বেডরুম থেকে এভাবে কেউ শাশুড়িকে ডাকে? তোমার সাথে কিছুই তো করলাম না৷ আর এমনিতেও আমার তোমার মতো ব্লাডি সিভিলিয়ানের সাথে কিছু করার ইচ্ছাও নেই!”
মেজবাহ নিজেই সরে গেল এবার। আকসা ওড়না ঠিক করে নিয়ে পেছনে ফিরে হঠাৎ বললো, “বাসায় যাবো আমি।”
ওয়ারড্রবের পাশে ওর লাগেজটা রাখা ছিল সেভাবেই। এগিয়ে গিয়ে লাগেজ টেনে নিতেই মেজবাহ পেছন থেকে প্রশ্ন করলো, “কোথায় যাবে?”
“বাসায় যাবো।”
“আরেকবার বলো।”
মেজবাহকে এগোতে দেখে আকসা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। একটুও ভয়ডর পেলো না, নড়লোও না৷ ও পুনরায় জেদ সহকারে জোর গলায় বললো, “বাসায় যাবো!”
শব্দদ্বয় উচ্চারণ করামাত্র ওর ঠোঁটজোড়া পুনরায় পিষ্ট হলো। আবারও এহেন ঘটনায় আকসা হতবিহ্বল হলো৷ ও মেজবাহ’র বুকে অনবরত ধাক্কা দিতে লাগলো। তবে মেজবাহ সরলো না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আকসা হাঁপিয়ে উঠলো, জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগলো। এবার ওকে ছেড়ে দিয়ে চাপা স্বরে বললো, “আরেকবার বলো বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা।”
আকসা কিছুক্ষণ আগের ঘটে যাওয়া ঘটনার পুনারাবৃত্তি ঘটার ভয়ে চুপ করে থাকলো এবার৷ জেদ ঢেকে গেল ভয়ের আবরণে। ড্যাবড্যাবে চোখে তাকিয়ে রইলো মেজবাহ’র দিকে। সেই চোখে বিরোধ, বিদ্রোহ। মেজবাহ এবার দূরত্ব তৈরি করো নিলো। কয়েক হাত দূরে সরে গেল ওর কাছ থেকে। প্যান্টের পকেটে হাত রেখে দাঁতে দাঁত পিষে বললো, “এগেইন ওই মুখ থেকে বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার কথা বের হলে এরপর আর ঠোঁট অক্ষত থাকবে না তোমার। এবারের মতো ছেড়ে দিলাম।”
আকসা কিছু বলতেও পারলো না। আবার সইতেও পারলো না। চোখ ছলছল করে উঠলো ওর। মেজবাহকে ধিক্কার জানাতেই বোধহয় একদলা থুথু ছুঁড়ে ফেললো সামনের দিকে।
“থুতু ফেলে লাভ নেই। তোমার ওই থুতুতে আমার কিছুই যায়-আসবে না৷ অলরেডি ওটা আমি খেয়েও ফেলেছি। টেস্ট ইজ নট ব্যাড।”
আকসা নাক-মুখ কুঁচকে ফেললো। মানুষ এমনও হয়! সরাসরি অপমান করার চেষ্টার পরেও অপমানিত হলো না। লোকটা আসলে কোন ধাতুতে তৈরি কে জানে!
.
.
“দোস্ত, সতেরো নাম্বার ব্রেকআপ!”
ইফানের কানে হেডফোন লাগানো। নদীর পাড়ে বাইক স্ট্যান্ড করে দাঁড়িয়ে আছে ও। নদীর ঠান্ডা হাওয়া এসে ওর গায়ে লাগছে। ফোনের ওপাশ থেকে মেজবাহ বলে উঠলো, “কিন্তু তোর গলার স্বর শুনে মনে হচ্ছে না যে তুই স্যাড।”
“কিন্তু আসলে তো আমি স্যাড আছি। দ্যাখ, আমি কাঁদছি।”
“আমি সামনে নেই যে দেখবো। দু’টো বেনসন খা, আর ভুলে যা।”
“ভুলে যাওয়া কি এতোই সোজা? তোর মতো কঠোর হৃদয় নাকি আমার? আমার এই কোমল হৃদয়ে শুধু তমার বসবাস।”
“হ্যাঁ, তমা, রমা, সুচিতা, পারুল, শিমুল— সব নারীদের বসবাস তোর ওই ছোট্ট কোমল হৃদয়ে। সব জানা আছে আমার৷ এখন মুখ খুলাস না। তোর নীতিবাগীশ বোন জানে তোর এই কীর্তিকলাপের কথা?”
“একদম না! ওর সামনে কখনো বলিস না দোস্ত। জানলে আম্মুকে বলে দেবে। তারপর আম্মু আমাকে বাসা থেকে বের করবে।”
“জানানো উচিত।”
মেজবাহ থেমে গিয়ে বলে, “জাস্ট স্যে, একটাই তো জীবন। এন্ড মুভ অন।”
“চেষ্টা করছি দোস্ত। এখন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা হাওয়া নিচ্ছি। মন শান্ত করছি।”
“হ্যাঁ মেডিটেশন কর। মন থেকে সবগুলো মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে বের কর। করতে না পারলে সামনে নদীতে ঝাঁপ দে। আমার সামনে আসিস না আর।”
“রাগ করিস না দোস্ত। আমি এবার সত্যিই একজনের প্রতি লয়াল হবো দেখিস। কসম করে বলছি।”
মেজবাহ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কল কাটলো।
.
.
জেমির আজ ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলো৷ আফসান সেই সকালে উঠে জিমে চলে গেছে। আজ ও অফিসে যাবে না৷ ম্যানেজারকে গতকালই সব দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে এসেছে। আজকের দিনটা ম্যানেজার-ই সামলে নেবে।
জেমি উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলো৷ সাধারণত এই বাড়িতে ওর তেমন কোনো কাজ নেই। এমনকি রান্নাঘরেও নয়। আজ ওদের বাসায় মেজবাহদের পরিবারের সবার আসার কথা। জেমি চেয়েছিল, অন্তত আজকের দিনটা ও রান্নাঘরে টুকটাক কাজে সাহায্য করবে। কিন্তু আফসানের জন্য সেটাও হলো না৷ এখন বাজে সাড়ে এগারোটা। এতোক্ষণে বোধহয় রান্নাঘরের অধিকাংশ কাজ শেষ। ও দ্রুত বের হয়ে রান্নাঘরে গেল। গিয়ে দেখলো, আসলেই প্রায় সব কাজ-ই শেষ। জেমিকে রান্নাঘরে দেখে ওর শাশুড়ি ধমক দিয়ে বললেন, “তুমি এইখানে কেন বৌমা? তোমার রান্নাঘরে কোনো কাজ নেই। ঘরে যাও। ঘরে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকো।”
জেমি ধমক খেয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে এলো৷ বিয়ের এতো বছরেও ওকে এই বাড়ির কেউ রান্নাঘরে ঢুকতে দেয়নি। সবসময় বিশ্রাম করতে দিয়েছে। এজন্য জেমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করে। এমন শ্বশুরবাড়ি ক’জন-ই বা পায়! জেমি বিরবির করে, “স্বামীটা বাদে সবাই ভালো। অমন স্বামী থাকলে শত্রুরও প্রয়োজন পরে না৷ হিন্দি সিরিয়ালের শাশুড়ি-ননদ সবার রোল একাই প্লে করে!”
জেমি ঘরে এসে এলোমেলো ড্রেসিং টেবিলটা গুছিয়ে রাখছিল। সেসময় দ্রুত পায়ে আফসান ঘরে প্রবেশ করলো। খুব তাড়া দেখিয়ে বললো, “জেমি আমার ব্ল্যাক শার্ট আর অ্যাশ ফর্মাল প্যান্টটা বের করে দাও তো। ইমিডিয়েট!”
জেমি ঘাড় ঘুরিয়ে অবাক হয়ে বললো, “শার্ট-প্যান্ট বের করে দিবো মানে? কোথায় যাবেন এখন?”
“অফিসে।”
“অফিসে? এখন?”
জেমি চরম অবাক হলো। আফসান প্রতিক্রিয়াহীনভাবে জবাব দিলো, “হ্যাঁ৷ একটা সিরিয়াস প্রবলেম হয়ে গেছে। আমাকে এখন যেতেই হবে।”
আফসান ফ্রেশ হওয়ার জন্য ওয়াশরুমের দিকে পা বাড়াতেই জেমি পেছন থেকে ওর হাত টেনে ধরলো। আফসান ঘাড় ঘুরিয়ে বিরক্ত গলায় বললো, “লেইট হয়ে যাচ্ছে আমার। ডিস্টার্ব কোরো না এখন।”
“আপনার আজকের দিনটাও অফিসে যেতে হবে আফসান? আজ তো আপনার বাসায় থাকার কথা ছিল। আমার বাসার সবাই আসছে। তারপরও আপনি কিভাবে চলে যান?”
“তুমি কি কথা বুঝো না জেমি? আমার যাওয়াটা জরুরি। কোম্পানির হেড আমি। আমাকেই তো সিরিয়াস ইস্যুগুলো সামলাতে হবে। তুমি এতো এক্সাইটেড হচ্ছো কেন?!”
জেমি ওর হাত ছেড়ে দিলো। কঠোরভাবে বললো, “ঠিক আছে। আপনি আপনার বিজনেস-ই সামলান। আজকের পর থেকে আমার এবং আমার ছেলের কোনো খোঁজ-খবর নিবেন না!”
কথাটা শুনে আফসান কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলো ওর দিকে। তারপর ‘রিডিকিউলাস!’ বলে ওয়াশরুমে চলে গেল তোয়ালে নিয়ে। জেমি ওর শার্ট-প্যান্ট বের করে বিছানার ওপরে রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল৷
.
.
আকসা ঘরের দরজা ভেজিয়ে ভেতরে তৈরি হচ্ছিল। শাড়ি পরছে ও। ওর কাছে অকেশন মানেই শাড়ি। এর বাইরে অন্য কোনো পোশাকের কথা ভাবতে পারে না৷ শাশুড়ির বেগুনি রঙের জামদানি শাড়িটা চেয়ে নিয়ে এসেছে আকসা। ওর শাশুড়ি এমন একজন মানুষ যে তার কাছ থেকে কোনোকিছু চাইতে দ্বিধা হয় না ওর।
বেগুনি শাড়ি তো পরে নিয়েছে৷ তবে এর সাথে ম্যাচিং জুয়েলারি খুঁজে পাচ্ছে না আকসা৷ ও নিজের জুয়েলারি বক্স ঘেঁটে দেখছে। বিরক্তি ঠেকছে রীতিমতো। কপালের ঘাম মুছে আরেকটা ড্রয়ার খুলেছে সবে, তখনই খট করে দরজা খোলার শব্দ শুনে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলো। মেজবাহ ভেতরে এসে ফোনটা বিছানার ওপরে ছুঁড়ে বসলো একপাশে। একটু পরেই রওয়ানা হবে সবাই। অথচ লোকটা এখনো তৈরি হয়নি। অবশ্য সেসব নিয়ে মাথা ঘামাতেও চায় না আকসা। মেজবাহ’র কোনো বিষয় নিয়েই এখন আর আগ্রহ নেই ওর। ও নিজের কাজে ব্যস্ত। ড্রেসিং টেবিলের ওপরে জুয়েলারি বাক্স রেখে সেখান থেকে বেছে বেছে গহনা, দুল আর চুড়ি বের করছে। হঠাৎ পেছন থেকে শোনা গেল, “কী করছো?”
আকসা ঘাড় ঘুরিয়ে মেজবাহ’র প্রশ্নের জবাবে বললো, “দেখতে পাচ্ছেন না কী করছি?”
“কাছে আসো। দেখছি।”
“ছিহ!”
আকসা মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার আগেই মেজবাহ বলে উঠলো, “কাল রাতে তো ঘুমাতে দাওনি বিছানায়। বললে, তোমার সাথে বিছানায় ঘুমালে নাকি তুমি নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেবে। সাথে এই পুরো বাড়িতেও আগুন লাগাবে। তোমার অত্যাচারে অত্যাচারিত হয়ে আমাকে চেয়ারে ঘুমাতে হলো। একারণে ঘাড়ে ব্যাথাও হলো। এখন এটার সুরাহা কে করবে?”
“আমি কী জানি?”
“ঘাড়ে ব্যাথা যেহেতু তোমার জন্য হয়েছে, তাই ঠিকও তুমি-ই করবো। এসে মালিশ করে দিয়ে যাও।”
মেজবাহ ঘাড়ে হাত বুলাতে বুলাতে শান্ত গলায় কথাটা বললো। বিপরীতে আকসা সরাসরি বলে দিলো— “পারবো না!”
‘পারবো না’ কথাটা শুনেও মেজবাহ তোয়াক্কা করলো না। ও এবার কিছুটা হুমকির সুরে বললো, “এই শেষবার বলছি আকসা। কাল রাতে যা করেছে তার জন্য কিছু বলিনি৷ কিন্তু এখন আমার ঘাড়ের ব্যাথা ঠিক না হলে তুমি আস্ত থাকবে না!”
আকসার হাতটা এবার থমকে গেল। ও পাশ ফিরে মেজবাহকে একপলক দেখলো৷ তারপর হঠাৎ কি মনে করে মৃদু হেঁসে বললো, “আচ্ছা করে দিচ্ছি মালিশ।”
আকসা সরিষাল তেলের বোতলটা নিয়ে বিছানার ওপরে মেজবাহ’র পেছনে উঠে বসলো। ওকে উঠে বসতে দেখে মেজবাহ পরনের জলপাই রঙা স্যান্ডো গেঞ্জিটা নিচের দিক ঠেকে টেনে কিঞ্চিৎ ওপরে ধরে বললো, “গেঞ্জি খুলবো?”
“ব্যাথা আপনার ঘাড়ে। বুকে-পিঠে নয় যে গেঞ্জি খুলতে হবে।”
মেজবাহ বেপরোয়াভাবে জবাব দিলো,
“ওকেহ। আমি ভাবলাম, তুমি আবার মালিশের নাম করে আমার বডি দেখতে চাও কিনা। এই সুযোগ যাতে হাতছাড়া না হয়, সেই ব্যবস্থা-ই করছিলাম। কিন্তু তুমি তো সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করে ফেললে। সো স্যাড!”
“প্রয়োজন নেই। আপনার বডি দেখার ইচ্ছা আমার নেই। আপনার কলিগদের যেয়ে দেখান।”
“তওবা আস্তাগফিরুল্লাহ! আমি কি গে নাকি যে ওদের দেখাবো? তুমি একজন মেয়েমানুষ, তোমাকে দেখানো যেতেই পারে৷ কিন্তু ওদেরকে…ছিহ!”
মেজবাহ’র কথা যেন গায়েই মাখলো না আকসা। ও সরিষার তেলের বোতলের ছিপি খুলে অল্প খানিক তেল হাতের তালুতে ঢেলে সেটা দুই হাতে ভালোভাবে মাখিয়ে এরপর মেজবাহ’র ঘাড়ে হাত দিলো৷ প্রথম চোটে আকসা আলতো হাতে নরমভাবে মালিশ করতে লাগলো। মেজবাহ মৃদু হেঁসে সামনে থেকে বললো, “জীবনে এই একটা ভালো কাজ করছো। গুড!”
কথাটা বলার কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই মেজবাহ’র ঘাড়ে জোরে চাপ প্রয়োগ করলো আকসা। একপ্রকার গলা টিপে ধরার মতো৷ মেজবাহ সামনে থেকে চেঁচিয়ে বললো, “ভাই কি করছো! মেরে ফেলবে নাকি!”
আকসা পেছন থেকে আরো জোরে চাপ প্রয়োগ করে বললো, “ঘাড়ে খুব ব্যাথা না আপনার? সেটার পার্মানেন্টলি নিরাময় করার ব্যবস্থা করছি শুধু। মরে গেলে না থাকবে ঘাড়, আর না থাকবে ঘাড়ে ব্যাথা।”
“তুমি মারলে তো আমি সহস্রবারও মরতে রাজি!”
সামনে থেকে প্রতিত্তোরটা আসামাত্রই আকসার শক্ত হয়ে থাকা হাতটা নরম হয়ে এলো। ধীরে ধীরে হাত সরিয়ে নিতেই মেজবাহ এবার খপ করে ওর হাত ধরে বসলো। একটানে সামনে কোলের ওপরে এনে ওর কোমর চেপে ধরে ক্রুর হেঁসে বললো, “তোমরা মেয়েরা বড্ড নাজুক! সামান্য কথাতেই দুর্বল হয়ে পরো। ইউ নো না, মেজবাহ ইফতেখার সম্মোহন জানে!”
চলবে
Share On:
TAGS: ঝিলিক মল্লিক, সীমান্তরেখা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৭
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ৫
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৯
-
উড়াল মেঘের ভেলায় পর্ব ১৯
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৫
-
সীমান্তরেখা পর্ব ২১
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৩
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৩
-
সীমান্তরেখা পর্ব ১৮
-
সীমান্তরেখা পর্ব ৭