Golpo romantic golpo সীমান্তরেখা

সীমান্তরেখা পর্ব ১৩


সীমান্তরেখা

লেখনীতে— #ঝিলিক_মল্লিক

পর্ব_১৩

[কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।]

রিফাত ভাইয়াদের বাসাটা দোতলা। ছোটখাটো, তবে বেশ গোছানো এবং সুন্দর কারুকার্যের। মার্জিত রুচিশীল পরিবেশ যাকে বলে। বাসার ভেতরটা বাঙালিয়ানা ছাপ দিচ্ছে। আকসা এখানে আসার পর থেকেই ঘুরেফিরে শুধু চারপাশ দেখছে। রিফাত ভাইয়ার স্ত্রী সাথী আকসাকে ঘুরেফিরে চারপাশ দেখতে দেখে বললেন, “চলো, তোমাকে পুরো বাড়িটা ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।”

আকসা দ্বিমত করলো না। সোফায় রিফাত ভাইয়া এবং আরো দু’জনের সাথে বসে মেজবাহ আড্ডা দিচ্ছে। বাকি দু’জন ছেলেও যে মেজবাহ’র পরিচিত এবং তাদের সাথে খুব ভালো সম্পর্ক; সেটা মেজবাহ’র মনখোলা কথাবার্তা এবং ঠোঁটের কোণের হাসি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
সাথী ভাবীর রান্নাবান্না শেষ। তবে সবাই বলছিল, কিছুক্ষণ পরে খেতে বসবে তারা। তাই এখনো খেতে দেওয়া হয়নি। তারা যখন বলবে, তখন খাবার দেওয়া হবে।

আকসা একবার আলোচনায় ব্যস্ত মেজবাহকে একপলক দেখে সাথী ভাবীর সাথে উঠে চলে গেল।
.
.
ড্রয়িংরুম, ডাইনিংরুম এবং রান্নাঘরে আলো জ্বললেও বাড়ির বাদবাকি অংশে কোথাও আলো নেই। নিচতলায় একঘর ভাড়াটিয়ারা থাকেন, তারা গ্রামে বেড়াতে গিয়েছেন। আর দোতলায় শুধুমাত্র রিফাত আর সাথী থাকেন। এটা রিফাতের বাবার গড়া বাড়ি। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর তাদের একান্ত ছোট্ট সংসার এখানে। শুধুমাত্র তারা-ই থাকেন এই নিরিবিলি বাড়িতে। একারণে, কোনো মেহমান আসলে তারা ভীষণ খুশি হয়।

আকসাকে বাসার ভেতরটা ঘুরে দেখাতে দেখাতে এসব গল্প-ই দিচ্ছিলেন সাথী ভাবী। সে আকসার চাইতে সম্ভবত বছর দুয়েকের বড় হবে। এজন্য আকসা ‘ভাবী’ সম্বোধন করছিল বারবার। একপর্যায়ে সাথী বললো, “আমাকে আপু বলে ডাকতে পারো।”

আকসা এতোক্ষণ কিছুটা দ্বিধান্বিত থাকলেও সাথীর সাথে কথাবার্তা বলে এবার ধীরে ধীরে সহজ হলো। মেয়েটা বেশ মিশুকে স্বভাবের। খুব দ্রুতই ওর সাথে সহজ হয়ে গেছে। আকসা মৃদু হেঁসে সাথীর কথার জবাবে বললো— “আচ্ছা।”

সাথী আকসাকে তাদের ঘরের ব্যালকনিতে নিয়ে গিয়ে গাছ দেখিয়ে সেসব গাছ এখানে আনার গল্প করতে ব্যস্ত হলো। আকসা সাথীর কথা শুনতে শুনতে অন্যমনস্ক হলো। মেজবাহ’র ওই হাস্যোজ্জ্বল মুখটা মানসপটে ভেসে উঠছে বারবার। বিয়ের আগে মেজবাহ’র সাথে রেস্টুরেন্টে সেই সাক্ষাতের দিন এমনই হাসি দেখেছিল আকসা৷ বিয়ের দিন তো মেজবাহ’র মুখও দেখতে পায়নি। এরপর আজ বিয়ের পর প্রথম সাক্ষাতে যতবার মেজবাহকে ওর মুখোমুখি দেখেছে, একবারও লোকটার মুখে হাসি দেখেনি ও। অন্তত আকসা সামনে থাকলো তো নয়-ই। কই, অন্যদের সামনে তো খুব হাসি-খুশি থাকে মেজবাহ। আকসার সামনে আসলেই কেমন গম্ভীর হয়ে যায়। আকসা বেশ বুঝতে পারছে। তবে কিছু বলেনি ও।
সাথী হঠাৎ আকসাকে অন্যমনস্ক হতে দেখে ওর বাহু ঝাঁকিয়ে বললো, “কী হয়েছে? তুমি হঠাৎ চুপ মেরে গেলে কেন? মন খারাপ নাকি?”

আকসা চকিতে হুঁশে ফিরে মাথা নেড়ে না বোঝালো। সাথী মুচকি হেঁসে বললো, “নতুন বিয়ে তোমার। সবসময় হাসি-খুশি থাকার কথা, তা নয় মুখ কালো করে আছো! কী আমার দেবরটা তোমাকে ভালো পায় না? পাওয়ার তো কথা। আমার দেবরের মতো অমন ভদ্রলোক দশ গাঁয়ে খুজলেও পাওয়া যাবে না। ও আমাকে বড়বোনের মতো মানে। আর রিফাতকে নিজের ভাইয়ের মতো। কখনো ওকে পর মনেই হয়নি৷ আমার বিশ্বাস, ও তোমাকে খুব ভালো রাখবে।”

সাথীর কথা শুনে আকসা কিঞ্চিৎ হাসলো। হাসিটা যে খুব আনন্দের, তা ঠিক নয়। বরং নিজের ওপরে উপহাস করেই হাসলো বটে। সাথী এবেলায় তাড়া দিলো খেতে বসার জন্য। আকসা ওর পিছুপিছু ঘর থেকে বের হলো।
.
.
ডাইনিং টেবিলে বসে আছে সবাই। সাথী খাবার সার্ভ করছে। ওকে হেল্প করছে রিফাত। আকসা সাথীকে হেল্প করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাথী ওকে ধমক দিয়ে খেতে বসিয়েছে। আকসা মেজবাহ’র পাশের চেয়ারে বসে আছে। শাড়ির আঁচলটা সামান্য ওপরে তুলে নিয়েছে ও। নাহলে খেতে অসুবিধা হবে। বিপরীত পাশের চেয়ারে বাকি দু’জন ছেলে বসে আছে। আকসা সবে হাত উঠিয়ে এক লোকমা খাবার মুখে তুলেছে, তখনই পাশ থেকে গম্ভীর গলায় নিচু কন্ঠস্বর শোনা গেল— “শাড়ির আঁচল নামাও।”

আকসা খাওয়া বন্ধ করে চকিতে মুখ ঘুরিয়ে মেজবাহকে দেখলো। মেজবাহ’র দৃষ্টি আকসার দিকে নয়। বরং খাবারের প্লেটের দিকে। সামনের দিকে তাকিয়ে নিজের মতো খাবার খেতে ব্যস্ত ও। মেজবাহ’র কথা শুনে আকসা নিজের দিকে এবার ভালোভাবে তাকিয়ে দেখলো, হাত ওঠানোর কারণে ওর শাড়ির আঁচল কোমরের কাছ থেকে সামান্য উঠে গিয়ে পেট হালকা দেখা যাচ্ছে। আকসা রীতিমতো অস্বস্তিতে পরলো। ভাগ্যিস সামনের মানুষগুলো খাবার খাওয়ায় ব্যস্ত! এদিকে খেয়াল করেনি তারা। আকসা দ্রুত আঁচল নামিয়ে দিয়ে এরপরে ধীরেসুস্থে খেতে লাগলো। ডিমের কোরমা দিয়ে খাওয়া শেষ করতেই সাথী নারিকেল-দুধ দিয়ে রান্না করা চিংড়ি ভুনার বোলটা নিয়ে এগিয়ে আসলো৷ মেজবাহ’র পাতে এক চামচ চিংড়ি ওঠাতে যাবে, তৎক্ষনাৎ আকসা জিজ্ঞাসা করে উঠলো, “এটা কী চিংড়ি আপু?”

“গলদা চিংড়ি।”

সাথী জবাব দিতেই আকসা তড়িৎ গতিতে অস্থিরভাবে বলে উঠলো, “উনাকে এটা দিবেন না প্লিজ। উনার গলদা চিংড়িতে মারাত্মক এলার্জি আছে।”

আকসার কথা শুনে সবাই মিটিমিটি হাসলো। আকসা অস্বস্তিতে পরলো। মেজবাহ’র মামনি আজ ছেলের ফেরা উপলক্ষে রান্না করার সময় মেজবাহ’র গলদা চিংড়িতে এলার্জির কথাটা বলেছিলেন। সেকথা ভালোভাবে মনে আছে আকসার। ও ঘাড় ঘুরিয়ে মেজবাহ’র দিকে তাকাতেই দেখলো, মেজবাহ ওর দিকেই সরু চোখে তাকিয়ে আছে। আকসা তাকানো মাত্র-ই দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে খাওয়ায় মনোযোগ দিলো মেজবাহ।
.
.
রিফাত সোফায় মেজবাহ’র পাশে বসে ওকে অনবরত বোঝাচ্ছে। বারবার করে বলছে, “আজ থেকে যা মেজবাহ। আমাদের এদিকটা রাতের দিকে পরিবেশ ভালো না। তুই একা থাকলে তোকে যেতে নিষেধ করতাম না। কিন্তু সাথে তো আকসাও আছে। ইদানীং এদিকে ডাকাত পরছে বেশ। আর ঝোপঝাড়ে নেশাখোরদের আস্তানা তো আছেই। খুবই ক্রিটিকাল সিচুয়েশন।”

মেজবাহ আজ রাতে এখানে থেকে যেতে নারাজ ছিল। তবে রিফাতের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত আর না করতে পারলো না। মেজবাহ সম্মতি জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই সাথী গিয়ে ওদের জন্য একটা ঘর খুলে গুছিয়ে রেখে আসলো।

ঘুমানোর আগে সবাই ড্রয়িংরুমে বসেছে। রিফাতের বন্ধু এবং জুনিয়র শাফিন আর আফসির এখনো আছে। বাইক নিয়ে এসেছে ওরা। আর কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়েই বাড়ি ফিরবে। মেজবাহ রিফাত আর আফসিরের সাথে কথা বলতে ব্যস্ত। আকসাও সাথীর সাথে গল্পে মগ্ন তখন। হঠাৎ শাফিন নামক ছেলেটা আকসাকে উদ্দেশ্য করে ধীর গলায় বলে উঠলো, “আপনাকে এই শাড়িতে ভীষণ সুন্দর লাগছে।”

আকসা যেই সোফায় বসে আছে, সেটার সামনাসামনি সোফাতেই শাফিন বসা। সুতরাং, কথাটা মুহূর্তেই কর্ণগোচর হলো আকসার। ও ভ্রু কুঁচকে শাফিনকে একপলক দেখলো। সাথীর সাথে কথা বলাকালীন এতোক্ষণ ওর অনুভব হচ্ছিল, সামনের সোফায় বসা ছেলেটা বোধহয় ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। এবার ছেলেটা এমন কথা বলার পরে নিশ্চিত হলো আকসা৷ চরম বিব্রতবোধ করলো ও। কিছু বলতেও পারলো না। নড়েচড়ে উল্টোদিকের সোফার মুখোমুখি ঘুরতেই দেখলো, মেজবাহ কথা বন্ধ করে আকসার দিকেই তাকিয়ে আছে। একবার আকসাকে দেখে আরেকবার শাফিনকে দেখছে৷ ওদিকে রিফাত ভাইয়া অনবরত কথা বলেই চলেছেন। মেজবাহ’র সেসবে মনোযোগ নেই। বাকিরা যদিও শাফিনের বলা কথাটাকে একেবারেই গুরুত্ব সহকারে নেয়নি। তবে আকসার ভালো লাগলো না। মেজবাহ’র গম্ভীর মুখটা খেয়াল করেছে আকসা। বাকিটা সময় আসরে গুটিসুটি মেরে বসে রইলো ও।
.
.
রাত তখন প্রায় দেড়টা। অনেকক্ষণ আড্ডা দেওয়ার পরে সবাই ঘুমাতে ব্যস্ত এখন৷
আকসাকে সাথী অতিথি ঘরে দিয়ে গেছে সবেমাত্র। আকসা কোনো পোশাক আনেনি। এখানে যে থাকবে, সেই পরিকল্পনা-ই তো ছিল না। আকসা আরো অস্বস্তিতে পরেছে, এই ভারী কারুকাজের শাড়ি পরে ঘুমাবে কীভাবে! আকসা দাঁড়িয়ে ছিল ঘরের মাঝখানে। হঠাৎ পেছন থেকে দরজা খোলার শব্দ হতেই ও চট করে পেছনে ফিরে তাকালো। ভেজানো দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেছে মেজবাহ। এতোক্ষণ রিফাত ভাইয়ার সাথে কথা বলছিল ও। আকসা তো ভেবেছিল, মেজবাহ বোধহয় এই ঘরে আসবেই না। বিয়ের পরে এই প্রথম তাদের একসাথে রাত কাটানো। আকসা একদম টানটান সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে মেজবাহকে দেখতে লাগলো। লোকটা ঘরে ঢুকে সোজা ওয়াশরুমে চলে গেছে হাত-মুখ ধুতে। স্বাস্থ্য-সচেতন লোক জীবনে অনেক দেখেছে আকসা, কিন্তু এমন অতিরিক্ত হাইজেন মেনটেইন করা মানুষ মেজবাহ’র আগে কাউকে দেখেনি। লোকটা হাত দিয়ে সামান্য একটা মশা মারলেও বোধহয় সাথে সাথে ওয়াশরুমে যায় হাত ধুতে! আসার পর থেকে ব্যাপারটা বেশ খেয়াল করেছে ও। মেজবাহ বের হয়ে ভেজা মুখ তোয়ালেতে মুছলো। আকসা তখনও ঘরের মাঝ বরাবর ঠাঁই দাঁড়িয়ে। ও ভাবলো, মেজবাহ বোধহয় এখনই বিছানায় এসে ঘুমাবে। কিন্তু ঘটনা ঘটলো তার উল্টো। মেজবাহ কোনো কথা না বলে সোজা ব্যালকনির দিকে যেতে লাগলো।

“মেজবাহ!”

আকসা এবার পেছন থেকে ডেকে উঠলো। মেজবাহ পেছনে ঘুরে তাকিয়ে নির্বিকারভাবে জবাব দিলো, “জি।”

“ঘুমাবেন না?”

“কেন?”

“না মানে রাত তো অনেক হলো। আমাদের আবার ভোরে ফিরতে হবে তো। মামনি কিছুক্ষণ আগে কলে বললেন না? কাল নাকি সবাই নাটোরে যাবেন গ্রামের বাসায় খেজুরের রস আনতে। এখন না ঘুমালে ভোরে উঠে যাবেন কীভাবে?”

“আমার ঘুম নিয়ে তোমার ভাবতে হবে না।”

মেজবাহ রূঢ়ভাবে কথাটা বলে পুনরায় ব্যালকনির দিকে পা বাড়াতেই আকসা আবারও বলে উঠলো, “ব্যালকনিতে যাচ্ছেন কেন? সিগারেট খাবেন?”

“আমি স্মোকিং করি না।”

“আমার জন্য?”

“মানে?”

মেজবাহ ভ্রু কুঁচকে প্রশ্নটা করতেই আকসা মৃদু হেঁসে জবাব দিলো, “মানে, পুরুষ সাধারণ দুই প্রকার। একপক্ষ ধুমপান করে ফ্যান্টাসির জন্য। আরেক পক্ষ অধূমপায়ী। তারা তাদের ঠোঁটকে সিগারেটের কালো ধোঁয়া থেকে সুরক্ষিত রাখে ভবিষ্যৎ বউয়ের হক যথাযথভাবে আদায়ের জন্য। যেহেতু, তাদের ওই পৌরুষিক ঠোঁটের ওপর শুধুমাত্র তাদের স্ত্রী’দের অধিকার থাকে!”

আকসার কথাগুলো শোনামাত্র মেজবাহ এমনভাবে কপালে ভাঁজ ফেলে ভ্রু কুঁচকে ওর দিকে তাকালো, যেন দুনিয়ার সবচেয়ে জঘন্য এবং বেরসিক কথা শুনেছে। মেজবাহ আকসাকে উপেক্ষা করে প্রায় চলেই যাচ্ছিল, তখন আকসা মুখ মোছার জন্য শাড়ির আঁচল ওঠাতেই মেজবাহ হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল। পুনরায় পেছনে ফিরে এসে আকসার সামনে দু’কদম এগোলো। হাত দুয়েক দূরত্ব বজায় রেখে মেজবাহ প্যান্টের পকেটে দুই হাত রেখে মুখ উঁচু করে দাঁড়িয়ে কঠিন সুরে বললো, “এই শাড়ির আঁচল যেন আর কখনো ওপরে না ওঠে। শাড়ি পরলে ভালোভাবে পরবে। পশ্চিমাদের মতো শাড়ি পরা আমার পছন্দ নয়৷ শাড়ি হলো আমাদের মা-চাচিদের মার্জিত পোশাক। পরলে তাদের মতো করেই পরবে। নাহলে পরা বাদ দেবে। এই কথা আজ-ই ফার্স্ট এন্ড লাস্টবারের মতো বলছি। আর কখনো বলবো না। আমার ওয়াইফের শরীর অন্য কোনো পুরুষ দেখুক, এটা আমি টলারেট করবো না। স্পষ্ট বলে রাখলাম। মাইন্ড ইট।”

“আপনি নিজেই তো এখনো পর্যন্ত দেখেননি।”

আকসার কথাটা শুনে মেজবাহ দাঁড়িয়ে গেল। তবে পিছু ফিরে তাকালো না। আকসা আকুল হয়ে রইলো, মেজবাহ পেছনে ফিরে কিছু অন্তত বলুক৷ কিন্তু মেজবাহ ওর দিকে ফিরেও তাকালো না। গটগট পায়ে হেঁটে ব্যালকনিতে চলে গেল। এমুখো হলো না আর। আকসা বিরবির করে বললো, “নিজেও দেখবে না৷ আবার এমন কঠোর কথাও শোনাবে!”

চলবে

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply