শেষপাতায়সূচনা [০৮]
সাদিয়াসুলতানামনি
ঘুমের ঘোরে কয়েক ফোটা ঠান্ডা পানি চোখেমুখে পরায় জাওয়াদ বিরক্তিতে মুখ বিকৃত করে নেয়। কাজটা কে করেছে তা তার ঘুমন্ত মস্তিষ্কও ভালো করে জানে। জাওয়াদ চোখ না খুলেই মনে মনে ঠিক করে নেয়, আজ তার ইভটিজার বউকে কষিয়ে একটা চপেটাঘাত সে করবেই করবে। সারারাত সাপের মতো জাপ্টে ধরে ঘুমাবে, সকালেও ডিস্টার্ব করতে ছাড় দেয় না। সাত সকালে তার ঘুমটা ভাঙানোর কোন কারণ ছিলো কি?
কিন্তু হায়! চোখ খোলার পর সে তো তার ইভটিজার বউকে কোথাও খুঁজে পায় না, বরং তার বদলে দাড়িয়ে আছে সাক্ষাত এক পরী। পরীটি কালো রঙের শাড়ি পরে আঁচল কাঁধের উপর উঠিয়ে কিছুটা উপুড় হয়ে তার ভেজা চুল মুছছে। চুল সামনে নিয়ে মোছার কারণে খোলা পিঠ আর লতানো কোমড়ের বেশিরভাগ অংশই জাওয়াদের সমানে উন্মুক্ত।
পূর্ণতার ফর্সা শরীরে কালো রঙটা জাওয়াদের চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে। সকাল সকাল এমন এক দৃশ্য জাওয়াদকে একটা ঘোরের মাঝে নিয়ে যায়। পূর্ণতা চুল মুছা শেষ করে আয়নার দিকে তাকালে দেখতে পায় জাওয়াদ কেমন একটা দৃষ্টি নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
পূর্ণতা আয়নার মাধ্যমেই সূক্ষ্ম দৃষ্টি নিয়ে তাকালে বুঝতে বাকি থাকে না জাওয়াদের সেই গভীর ঘোলাটে চাহনির অর্থ। সারাদিন যতই বাঁদরামি, ফাজলামি করুক না কেন, শ্যামপুরুষের ঐ চাহনিতে পূর্ণতা কেন জানি লজ্জাবতী পাতার মতো লজ্জায় নেতিয়ে যাচ্ছে।
পূর্ণতা টাওয়ালটা খামচে ধরেই জাওয়াদের দিকে ফিরে, তারপর মিনমিনে গলায় বলে–
—উঠবেন না? অফিসে যেতে লেট হয়ে যাবে তো এরপর।
জাওয়াদ তাও তার দিকে হা করে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে। জাওয়াদের কৃষ্ণবর্ণের চোখের তারায় শুধু পূর্ণতাই পূর্ণতা। জাওয়াদকে উত্তর না দিতে দেখে পূর্ণতা আরেকটু মিইয়ে যায় লজ্জায়। ঘাড় ডানে ঘুরিয়ে দেওয়াল ঘড়িতে একবার সময় দেখে নেয়। আটটা বিশ বাজে ঘড়িতে। নয়টায় অফিসে থাকতে হবে। সাড়ে নয়টায় তাদের একটা মিটিং আছে।
পূর্ণতা কিছুটা সংকোচ নিয়ে জাওয়াদের দিকে এগিয়ে যায়। তারপর নিজের ডান হাত জাওয়াদের সামনে নিয়ে তার কিছুটা হা হয়ে যাওয়া মুখটা বন্ধ করে দেয়। জাওয়াদকে বলে–
—উঠবেন না? অফিসে না আজ মিটিং আছে, লেট হয়ে যাবে না?
পূর্ণতা শাড়ির সাথে মিলিয়ে দুইহাতে চুড়িও পরেছিল। সেই চুড়ির রিনিঝিনি আওয়াজের জাওয়াদের ঘোর কাটে। সে চট করে নিজের মুখটা সবসময়ের মতো গুরুগম্ভীর করে নিতে চায়, এবং কিছুটা সফলও হয় বটে। সে পূর্ণতাকে পাশ কাটিয়ে ওয়াশরুমে চলে যায়। ওয়াশরুমের দরজা লাগানোর আগে শুনতে পায়, পূর্ণতা বেড গুছাতে গুছাতে বলছে–
—এতক্ষণ চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছিল, এখন আবার ঢং করে। হুহ্, কালে কালে আরো কতকিছু যে দেখা লাগবে।
জাওয়াদের ভারিক্কি চোয়াল শক্ত হয়ে যায়। নিজের বোকামির জন্য নিজেকেই বকতে বকতে ঠাস করে ওয়াশরুমের দরজা লাগিয়ে দেয়। শাওয়ার শেষ করে এসে পরিপূর্ণ গুছানো বেডরুম পায়। সেই সাথে তার অফিসে পরে যাওয়া জামাকাপড় গুলোও পূর্ণতা গুছিয়ে রেখে গিয়েছে।
জাওয়াদ ঘাড়ত্যাড়ামি করে অন্যান্য দিনের মতোই আজও পূর্ণতার রেখে যাওয়া ড্রেস গুলো পরে না। ওয়ারড্রব থেকে নিজের মনমতো এক সুট জামাকাপড় বের করে নিয়ে সেটা পরে একদম রেডি হয়ে বের হয় রুম থেকে। ড্রয়িংরুমে এসে দেখে তার বাবা-মা ও বোন ব্রেকফাস্ট করছে। পূর্ণতা খাবার সামনে নিয়ে বসে আছে, হয়ত তার জন্য অপেক্ষা করছে। তাকে রেখেই ব্রেকফাস্ট শুরু করে দেওয়ায় জাওয়াদ কিছুটা কষ্টই পায়। আগে কখনো এমনটা হয়নি। সকালে ও রাতে সবসময় তারা একসাথে খাবার খেতো। এটা যেনো তাদের পরিবারের অঘোষিত নিয়ম ছিল। কিন্তু তার ও পূর্ণতার বিয়ের পর এই নিয়ম বদলে গিয়েছে।
জাওয়াদের মা এতটাই কঠোর হয়ে গিয়েছেন যে, ছেলের সাথে এক টেবিলে বসে অব্দি খান না। জাওয়াদ বেশ কয়েকবার তার মায়ের সাথে কথা বলতে চেয়েছে কিন্তু মিসেস শেখ তার রাগ-জেদ বজায় রেখে কথা বলেন নি।
আজও মিসেস শেখ জাওয়াদকে ডাইনিং টেবিলে বসতে দেখে নিজের প্লেট নিয়ে রুমের দিকে হাঁটা দেয়। বিষয়টা জাওয়াদের কষ্টকে আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। মি.শেখের খাওয়া হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও সে বসে ছিলেন। মিসেস শেখের আকস্মিক চলে যাওয়ায় সে কয়েকবার পেছন ডাকে তার। কিন্তু মিসেস শেখ তার ডাক উপেক্ষা করেই চলে যান। মি.শেখ এবার কিছুটা রেগে যায়। ছেলেটার মলিন মুখ ও ছলছল চোখ দেখে তার বেশ খারাপ লাগে। সে রুমে চলে যায় নিজের মিসেসকে বুঝাতে।
অন্যদিকে জাওয়াদ কিছুক্ষণ বাবা-মায়ের প্রস্থানের দিকে তাকিয়ে থাকে অশ্রুসিক্ত চোখে, তারপর ব্রেকফাস্ট না করেই অফিস ব্যাগ নিয়ে হনহনিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পূর্ণতা আর জিনিয়া কয়েক বার তাকে ডাকলেও সে শুনে না। পুরো ঘটনার সময় তারা দু’জন চুপ করে দেখছিল। তাদের দু’জনের মনও বেশ খারাপ হয়ে যায়।
পূর্ণতা নিজেও ব্রেকফাস্ট করে না। বরং টিফিনবাক্সে বেশি করে তাদের দু’জনের জন্য খাবার নিয়ে ছুট লাগায় অফিসের উদ্দেশ্যে। মিটিং শুরু হওয়ায় বিশ মিনিট আগে হাঁপাতে হাঁপাতে নিজের কেবিনে আসে। তারপর পিয়নকে দিয়ে জাওয়াদকে নিজের কেবিনে ডাকিয়ে নিয়ে আসে। জাওয়াদ পূর্ণতার কেবিনে যেতে যেতে কয়েকজনের ফিসফিসানি শুনতে পায়। তারা বলছে–
—অফিসে আসতে না আসতেই এদের জামাই-বউয়ের নাটক শুরু হয়ে গেছে।
আরেকজন বলে ওঠে–
—জাওয়াদ সাহেব বেশ গভীর জলের মাছ। কেমন চুনোপুঁটি হয়ে রাঘববোয়ালকে হাত করে ফেললো। এলেম আছে বটে।
আরেকজন ছেলে কলিগ বলে ওঠে–
—সার্ভিস বোধহয় ভালোই দেয় জাওয়াদ সাহেব।
লাস্টের কথাটি শুনে জাওয়াদ আর নিজের তপ্ত মেজাজ কন্ট্রোল করতে পারে না। ছুটে গিয়ে ঐ ছেলেটার বাম কান বরাবর ঠাস করে একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দেয়। আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যরা ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যায়। জাওয়াদ তাকে আরেকটা দিতে যাবে তখন কয়েকজন একসাথে ঝাঁপিয়ে পরে তার উপর।
পিয়ন পুরো ঘটনা দেখে দৌড় পূর্ণতাকে খবরটা দিয়ে চলে যায়। পূর্ণতা পিয়নের কাছ থেকে এই ঘটনা শুনে দৌড়ে বাহিরে এসে দেখে কয়েকজন ছেলে জাওয়াদকে ধরে আছে, আর জাওয়াদ যেই ছেলেটাকে থাপ্পড় মেরেছিল সে জাওয়াদকে মারছে। দৃশ্যটা দেখে পূর্ণতার রক্ত ছলকে ওঠে।
পূর্ণতা গলা ফাটিয়ে বলে ওঠে–
—কি হচ্ছে এখানে এসব? ছাড়ুন উনাকে সবাই।
পূর্ণতা চিৎকার করে বলা কথাটা শুনে সবাই কিছুটা ভয় পেয়ে যায়। পূর্ণতা চঞ্চল পায়ে জাওয়াদের কাছে এসে দেখে জাওয়াদের ঠোঁটের কোণে র”ক্ত বের হচ্ছে। র”ক্ত দেখে পূর্ণতার বুকে একটা চাপ লাগে। পূর্ণতা কাঁপা কাঁপা হাতে কেটে যাওয়া জায়গাটা স্পর্শ করে। জাওয়াদ তার হাত সরিয়ে দিতে চাইলে পূর্ণতা চোখ গরম করে তাকায়।
পূর্ণতা উচ্চস্বরে পিয়নকে বলে ফার্স্টএড বক্স নিয়ে আসতে। পিয়ন দৌড়ে গিয়ে ফার্স্টএড বক্স নিয়ে এসে পূর্ণতাকে দেয়। পূর্ণতা জাওয়াদকে একটা চেয়ার টেনে বসিয়ে দেয়, তারপর নিজেই জাওয়াদের কেটে যাওয়া জায়গাটায় মলম লাগিয়ে দেয়।
জাওয়াদকে ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর এবার পূর্ণতা সেই ছেলেগুলোর দিকে রক্তচক্ষু দৃষ্টি নিয়ে তাকায়, যারা জাওয়াদকে ধরে রেখেছিল আর জাওয়াদকে যে মারছিল। তারপর হাড়হীম করা গলায় বলে–
—পুরো ঘটনা এ টু জেড সবটা বলবেন আপনারা। একটা বিন্দু অক্ষরও যদি বাদ যায় তাহলে তার হাড় থেকে মাংশ আলাদা করবো আমি নিজের হাতে।
ছেলেগুলো জানে পূর্ণতা কতটা ডেঞ্জারাস। তারা ঘাবড়ে গিয়ে সবদোষ জাওয়াদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। তারপর পূর্ণতা জাওয়াদের দিকে ফিরে তাকায়, তার বক্তব্য শোনার জন্য। জাওয়াদ শান্ত গলায় তাকে কে কি বলেছিল সবটা জানায়। জাওয়াদের কথা শুনে বাকিদের মুখে হাত। তারা একবার পূর্ণতার লাল হয়ে যাওয়া মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, আরেকবার জাওয়াদের দিকে তাকাচ্ছে। তো আরেকবার ছেলেগুলোর দিকে তাকাচ্ছে।
জাওয়াদ সব সত্য বলে দেওয়ায় সেই ছেলেগুলোও আরো ভয় পেয়ে যায়। তারা সকলে জাওয়াদকে মিথ্যাবাদী সাবস্ত করতে চায়। তখনই পূর্ণতা তার এসিস্ট্যান্ট সিনথিয়াকে বলে এই ফ্লোরের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে আসতে। এমন না সে জাওয়াদকে অবিশ্বাস করছে। বরং জাওয়াদের কণ্ঠের দৃঢ়তা ও চোখের চাহনি উপস্থিত সকলকে বলে দিচ্ছে, আসল অপরাধী কে। তাও পূর্ণতা সকলের কাছে জাওয়াদের মর্যাদা উঁচুতে রাখতে ও আসল দোষী কে তা প্রমাণ সহিত চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ আনতে বলে।
সিনথিয়া দশ মিনিটের মধ্যে ফুটেজ নিয়ে আসে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার পর পূর্ণতার নিকট সবটা পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। ঝামেলা সৃষ্টিকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা ছিল চারজন। তারা পূর্ণতার রাগে লাল হয়ে আসা মুখশ্রী দেখে ভয় পেয়ে যায়। তারা খুব ভালো করেই জানে, পূর্ণতার ক্ষমতা কতটা, আর সে ঠিক কি কি করার ক্ষমতা রাখে তাদের সাথে। তাই তারা ভয় পেয়ে গিয়ে পূর্ণতার পায়ের সামনে বসে মাফ চাইতে থাকে।
পূর্ণতা দুই কদম পেছনে চলে গিয়ে বলে–
—জাওয়াদ সাহেবের পা ধরে মাফ চান।
ছেলেগুলো বিনা বাক্য ব্যয়ে জাওয়াদের পা ধরতে গেলে জাওয়াদ থামিয়ে দেয় তাদের। পূর্ণতাকে উদ্দেশ্য করে বলে–
—যথেষ্ট হয়েছে, লাগবে না এমনটা করার।
পূর্ণতা জাওয়াদের একহাতের বাহু পেচিয়ে ধরে বলে–
—চুপচাপ যা হচ্ছে হতে দিন জামাইজান। দে ডিজার্ভ মোর পানিশমেন্ট দ্যান দিস। নাকি আপনি চান, আমি ওদের হাড় থেকে মাংশ আলাদা করে আপনার পায়ের কাছে রাখি? চাইলে বলতে পারেন, আধা ঘন্টার মাঝে কাজটা হয়ে যাবে।
পূর্ণতা হাসতে হাসতে কথাটা বলে জাওয়াদকে। তাকে বর্তমানে কেমন সাইকো লাগছে। সকলে ভয় পেয়ে যায় তার ব্যবহার ও কথা শুনে। সেই চারজন ছেলেও ভয় পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে জাওয়াদের পা চেপে ধরে মাফ চাইতে থাকে। জাওয়াদ কথা না বাড়িয়ে তাদের মাফ করে দেয়। তার বউ যে কতটা ডেঞ্জারাস চিজ সে খুব ভালো করেই জানে।
পূর্ণতা সিকিউরিটি গার্ডকে ডাকিয়ে ছেলে চারজনকে বের করে দেয় অফিস থেকে। তারা কাঁদতে কাঁদতে অনুরোধ করে তাদের সাথে এমনটা না করতে, কিন্তু পূর্ণতা শুনেও শুনছে না তাদের কথা। তাদের বের করে দেওয়ার আগে পূর্ণতা সকলের উদ্দেশ্যে বলে–
—মি.জাওয়াদ শেখ, হাসবেন্ড অফ আনাবিয়া শেখ পূর্ণতা। উনাকে কেউ বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিলে, আমি পূর্ণতা তার জীবন জাহান্নাম বানাতে কোন ক্রুটি রাখবো না।।
এটা অফিস, আপনাদের ও আমার কর্মস্থল। এখানে কেউ পারসোনাল বিষয় নিয়ে খোঁচাখুচি করলে তাকে চাকরি থেকে বের করে দিতে আমি দুই বার ভাববো না। সেই খোচাটা হোক আমার জন্য, বা জাওয়াদ সাহেবের জন্য বা অফিসের অন্যান্য এমপ্লয়িদের জন্য। এটা শুধু নিজেদের কর্মস্থল ভাববেন না আপনারা, এটাকে একটা পরিবার ভাববেন। আর পরিবারের এক সদস্য কি আরেক সদস্যকে কষ্ট দিয়ে কখনো কথা বলে? এই প্রশ্নটা রইলো আপনাদের সকলের কাছে।
এন্ড ইউ ইডিয়টস! তোদের যদি আমার অফিসের আশেপাশেও কোনদিন দেখেছি, তাহলে সেদিন সত্যি সত্যি হাড় থেকে মাংশ আলাদা করে আমার পোষা কুকুরদের খাওয়াবো। কথাটা মাথায় রাখিস। নাউ এভ্রিওয়ান ব্যাক টু ইউর ওয়ার্কস।
সকলে পূর্ণতা নির্দেশ পাওয়া মাত্রই নিজেদের ডেস্কে বসে কাজ করতে শুরু করে। পূর্ণতা এখনও জাওয়াদের বাহু জড়িয়ে ধরে আছে। জাওয়াদ তার হাত ছাড়িয়ে চলে যেতে নিলে পূর্ণতা হাতটা আরো শক্ত করে ধরে। তারপর ধীমী গলায় দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলে–
—আপনাকে না কেবিনে ডাকলাম? না খেয়ে চলে আসলেন কেন, হ্যাঁ? চলুন কেবিনে আপনাকে ভর্তা বানিয়ে দুপুরে লাঞ্চ করব আজ।
জাওয়াদ নিচের দিকে তাকিয়ে দেখে পূর্ণতা চোখ গরম করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। পূর্ণতা জাওয়াদের থেকে খানিকটা খাটো। জাওয়াদের থুতনির কাছে পরে পূর্ণতা। বয়সেও ছোট তার থেকে। অথচ এই ছোট মেয়েটা তার অবস্থা নাজেহাল করে রেখেছে। জাওয়াদ মনে মনে বলে ওঠে–
—ছোট মরিচের ঝাল বেশি বোধহয় একেই বলে।
📌গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করে আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুমহলের নিকট পৌঁছে দিন। 🌸🤍
শব্দসংখ্যা~১৫৬০
~চলবে?
[ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করার অনুরোধ রইলো। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১০
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৭
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৯
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৫
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৯