শেষপাতায়সূচনা [১১]
সাদিয়াসুলতানামনি
পূর্ণতা আজ খুশিতে পাগলপ্রায়। জাওয়াদ প্রথমবারের মতো তার উপর অধিকার খাটিয়েছে। তাকে নিজের ব্যক্তিগত জিনিস বলেছে। পূর্ণতা ভেবে পায় না এত খুশি সে কোথায় রাখবে।
পূর্ণতা বর্তমানে নিজের কেবিনে বসে বসে এসব কথাই ভাবছে আর মিটমিটিয়ে হাসছে। সে ভাবে এই খুশি উপলক্ষে আজ ডিনারে স্পেশাল কিছু রাঁধবে সকলের জন্য। ভাবনা অনুযায়ী সে ছয়টা বাজেই অফিস থেকে বের হয়ে যায়। জাওয়াদের ছুটি হবে সাড়ে সাতটায়।
পূর্ণতা বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ ননদের সাথে হৈ-হুল্লোড় করে সময় কাটায়। তারপর মাগরিবের নামাজের পর নিজ হাতে শ্বশুর বাবাকে চা বানিয়ে দেয়। মি.শেখ লোকটা ভীষণ নরম ও কোমল মনের মানুষ। সে মনে মনে পূর্ণতাকে নিজের পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নিয়েছে। এবং তার সাথে নিজের মেয়ের মতোই আচরণ করে। শুধু তার বউয়ের সামনে মাসুম সেজে থাকেন। জাওয়াদের হাবভাবও আজকাল সুবিধার না। বাসায় এসেই আগে এদিক-ওদিক মাথা ঘুরিয়ে বউকে খুঁজে। জিজ্ঞেস করলে বলবে, বাসা খালি খালি লাগছে। সবাই কই?
পূর্ণতা আরেক কাপ আদা চা নিয়ে তার জানা সকল দোয়া দুরুদ পড়ে বুকে ফু দিয়ে শ্বাশুড়ি কাছে আসে। তারপর মিনমিনে গলায় বলে–
—শাশু মা, আপনার জন্য চা এনেছিলাম।
পূর্ণতা বাহিরে সকলের সামনে যতই হামতাম করুক না কেন, সে তার বাবার ন্যায় সম্মান, ভালোবাসা ও ভয় পায় মি. এন্ড মিসেস শেখকে। কারণ সে মন থেকেই তাদের দু’জনকে নিজের পিতা-মাতার জায়গায় বসিয়েছে। শ্বশুর বাবা তার মাটির মানুষ হলেও, শ্বাশড়ি একদম খানেদজ্জাল। তার মন মতো কিছু না হলে মুখে তেমন কিছুই বলবে না, শুধু শান্ত দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকবে। কিন্তু তার সেই শান্ত দৃষ্টিই মুখের কাজ করে দিবে।
মিসেস শেখ তখন নামাজ শেষ করে ওজিফা শরীফ পাঠ করে উঠে জায়নামাজ গোছাচ্ছিলেন। সে নামাজের হিজাব মাথা থেকে খুলতে খুলতে বলেন–
—আল্লাহ আমার হাত দু’টোকে এখন কার্যকর রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমি সেই হাত দিয়েই সবই করতে পারি। সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবারের ব্যবস্থা এই হাত দুটো দিয়েই করি।
শুধু শুধু কষ্ট করে আমার জন্য চা বানিয়ে এনে তোমার সুন্দর সুন্দর হাত জোড়ার শোভা নষ্ট করার কোন কারণই আমি দেখছি না।
মিসেস শেখ তাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে খুবই সুক্ষ্ম ভাবে কাজ না করার খোঁচা মা”রে। পূর্ণতা অফিসের কাজের জন্য বেশি একটা ঘরের কাজ করতে পারে না। মিসেস শেখও কাজের লোকদের কাজ পছন্দ করেন না। তার বয়স হয়ে যাওয়ায় জাওয়াদ জোর করে, একজন ছুটা কাজের লোক রেখেছেন, যে কিনা জামাকাপড় ও ঘর মুছে দিয়ে যায়। এছাড়া বাকি সকল কাজ মিসেস শেখ নিজেই করেন। পূর্ণতা অফ ডে গুলোতে তাকে টুকটাক সাহায্য করে, মিসেস শেখ তাকে কথা শুনালেও সে তেমন একটা গায়ে মাখে না।
আজও তেমনই হলো। পূর্ণতা মিসেস শেখের হাত থেকে নামাজের হিজাবটা নিজের হাতে তুলে নিয়ে তার হাতে চায়ের কাপটা ধরিয়ে দেয়। মিসেস শেখ এসে চোখ গরম করে তাকালে পূর্ণতা আকস্মিক তার ঠোঁট পাউট করে চুমুর ভঙ্গিমায় বলে–
—শাশু মা, রাগ করলে চুমু দিয়ে দিবো কিন্তু একদম।
মিসেস শেখ তার এহেন কথায় থতমত খেয়ে যায়। বলে কি এই বেআক্কল মেয়ে। শ্বাশুড়ির সাথে কেউ এমন বিটলামি করে? অন্তত সে তার এতবছরের বয়সে আজ অব্দি এমন নির্লজ্জ পুত্রবধূ কোথাও দেখেননি বা শুনেননি। শ্বাশুড়িকে হুমকি দিচ্ছে রাগ করলে চুমু দিয়ে দিবে। এমন ঠোঁটকাটা, নির্লজ্জ বউই তার ছেলের কপালে ছিলো! মিসেস শেখ রাগান্বিত গলায় বলে–
—আমার মেজাজ গরম করবে না বলে দিলাম মেয়ে। কষিয়ে একটা লাগিয়ে দিয়ে তোমার সব বিটলামি ছুটিয়ে দিবো।
পূর্ণতা একটু এগিয়ে এসে তার এক গাল পেতে দিয়ে বলে–
—নেন দিন। আমি কিছু মনে করব না।
একজন ব্যক্তিকে আপনি বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি বা রাগ দেখাচ্ছেন, কিন্তু সে ভয় তে পাচ্ছেই না উল্টো আপনার ভয়ের কারণ হয়ে যাচ্ছে, এর চেয়ে বিরক্তিকর কিছু নেই বোধহয় আর। মিসেস শেখ পূর্ণতার উপর বিরক্ত হয়েই শেষমেষ চা’টা মুখে দেয়। চা মুখে দেওয়ার সাথে সাথে তার চোখ ভালো লাগায় বন্ধ হয়ে যায়। খুবই মজাদার হয়েছে চা-টা। মিসেস শেখ আরো এক চুমুক পান করেন।
আরেকবার চায়ের কাপে চুমুক দিতে নিবে তখন দেখতে পায় পূর্ণতা ড্যাবড্যাব করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখেমুখে কিছু একটা জানার ইচ্ছা স্পষ্ট ভেসে উঠেছে। সে যে জানতে চাচ্ছে, চা-টা কেমন হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মিসেস শেখ গলা খাঁকারি দিয়ে খ্যাকখ্যাক করে বলেন–
—আজব তো! এমন ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছো কেনো?
—না আপনার তৃপ্তি নিয়ে চা খাওয়াটা দেখছিলাম। মজা হয়েছে?
মিসেস শেখ নিজের ভেতরে পুষে রাখা রাগটা চেয়েও বের করতে পারছেন না বর্তমানে। মেয়েটা ভীষণ আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে তার উত্তর শোনার জন্য। আর এমনিতেও চা ভালো হয়েছে, মিথ্যে বলতেও কেমন কুণ্ঠাবোধ করছেন। মিসেস শেখ চা নিয়ে চলে যেতে যেতে বলেন–
—মুখে দেওয়ার যোগ্য হয়েছে।
পূর্ণতা তার উত্তর শুনে বুঝতে পারে ভালোই হয়েছে। সে মিসেস শেখের যাওয়ার দিকে তাকিয়ে একটা ভেঙচি দিয়ে বলে–
—এহহহহ! একটু প্রশংসা করলে বোধহয় তার ভাব কমে যাবে। দাঁড়ান না দাঁড়ান, বছরটা ঘুরতে দিন। চার-পাঁচটা নাতি-নাতনী ধরিয়ে দিবো। তখন উঠতে বসতে শুধু পূর্ণতা আর পূর্ণতা জপ করবেন।
পূর্ণতা অনেক কষ্টে একপ্রকার হাতে পায়ে ধরে তার শ্বাশুড়িকে আজকের জন্য কিচেন ছেড়ে দিতে রাজি করায়। পূর্ণতার মা থাকলে কি হবে, মি.আহমেদ নিজ উদ্যোগে মেয়েকে সবকিছু নিজের হাতে শিখিয়েছেন। যেটা সে নিজে পারতেন না সেটা লোক দিয়ে শিখিয়েছেন, যাতে পূর্ণতাকে জীবনে কখনো অন্যের উপর নির্ভরশীল হতে না হয় বা জীবনে কোথায় থেমে যেতে না হয় নিজের অপারগতার কারণে।
কিন্তু এত কিছু শিখিয়েই বা হলো কি? সেই পূর্ণতা তো জীবনের পথচলায় বাজে ভাবে থমকে গেলো এক শ্যামসুন্দর পুরুষের কাছে। জাওয়াদকে ছাড়া নিজের জীবনে অন্যকোন পুরুষের কথা সে কল্পনাও করতে পারে না।
পূর্ণতা আজ কয়েক পদের দেশীয় খাবার রান্না করেছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে– লাল শাক দিয়ে ছোট চিংড়ি মাছ, রুই মাছের দোপিয়াজা, গরুর গোস্তের কষা কষা, সাদা ভাত, ঘন ডাল, সালাদ। আর শেষপাতে মিষ্টিমুখ করার জন্য জাওয়াদকে মিষ্টি নিয়ে আসতে বললো।
জাওয়াদ জ্যামজট পেরিয়ে রাত নয়টায় বাসায় আসে। বাসায় প্রবেশ করতেই নানান পদের রান্নার সুবাসে তার পেটের ক্ষুধাটা হুহু করে বাড়তে থাকে। সে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে খানিক উঁচু গলায় বোনকে বলে–
—জিনি, আজ কি তোকে দেখতে এসেছিল যে, এত বাহারি খাবারের ঘ্রাণ আসছে? আবার মিষ্টি আনতে বললো তোর ভাবী! বিয়েটিয়ে কি ফাইনাল হয়েই গিয়েছে একেবারে তোর।
জাওয়াদ ঘুরিয়ে পেচিয়ে ঘটনা জানার চেষ্টা করে এবং সফলও হয় বটে। জিনিয়া ভাইয়ের কথা শুনে মুখ ফুলিয়ে বলে–
—আজ্ঞে না ভ্রাতা আমার! আপনার প্রিয়তম পত্নী আজ আমাদের জন্য রান্না করছেন, তারই সুবাস ছড়িয়েছে।
পূর্ণতার রান্নায় এত সুন্দর ঘ্রাণ আসছে শুনে জাওয়াদ বেশ অবাকই হয়ে যায়। পূর্ণতা যে এত ভালো রান্না করতে পারবে সেটা সে কখনো ভাবেনি। জাওয়াদ কৌতুহল নিয়ে প্রশ্ন করে–
—পূর্ণতা রান্না করেছে রাতের খাবার? কিন্তু কেনো?
জিনিয়া কাঁধ নাচিয়ে মিষ্টির প্যাকেটটা ভাইয়ের হাত থেকে নিয়ে ফ্রিজে রাখতে রাখতে বলে–
—তোমার বউকেই গিয়ে জিজ্ঞেস করো কেন করেছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম বলেনি। শুধু বললো আজ ভাবীপু ভীষণ খুশি তাই রান্না করে সকলকে খাওয়াবে। জানো ভাইয়া, রান্নাগুলো এত মজা হয়েছে। আমি সবগুলো একটু একটু খেয়ে দেখেছি। ইয়াম্মি ইয়াম্মি হয়েছে সব রান্না।
জাওয়াদ জিনিয়ার কথা শুনে আরো একবার অবাক হয়ে যায়। সে তার অবাকতা নিয়েই রুমে গিয়ে ফ্যান ছেড়ে জিরতে থাকে। প্রতিদিনের মতো আজও পূর্ণতা চঞ্চল পায়ে ছুটে এসে জাওয়াদের হাতে এক গ্লাস ঠান্ডা ঠান্ডা শরবত ধরিয়ে দিয়ে নিজেই হুড়মুড়িয়ে বলতে থাকে–
—আজ নিজের শার্ট নিজেই খুলে নিন, হ্যাঁ? আমার হাতে তেলমশলা লেগো আছে। আপনার শার্টে দাগ পরে যাবে। আর আমি আসছি, গোস্তটা প্রায়ই হয়ে এসেছে। আপনি ফ্রেশ হয়ে আসুন, আজ সবাই একসাথে খাবো।
কথাগুলো বলেই পূর্ণতা জাওয়াদকে কিছু বলার সময় না দিয়ে চলে যায়। জাওয়াদ বেআক্কেলের মতো তার কথাগুলো শুনে যায়। সে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল আজ কি উপলক্ষে এসব করছে, কিন্তু তার আগেই গবেট মেয়েটা চলে গেলো। জাওয়াদ মনে মনেই একটু রেগে যায়, কিন্তু কেন রেগে যায় তার যৌক্তিক কোন কারণ নেই।
বর্তমান~
পূর্ণতা রিসোর্টের গার্ডেন এরিয়ায় তাজওয়াদকে খুঁজতে থাকে। এই কোল, সেই কোল হতে হতে কিউটের ডিব্বা তাজওয়াদ যে কত কোল বদল হয়েছে তার হিসাব নেই। পূর্ণতাড এবার প্রচন্ড রাগ হয় নিজের উপরও আর তার কাজিনদের উপরও। কি দরকার ছেলেটাকে এত কোলে নেওয়ার, একজন কোল নিয়ে সকলে মিলে আদর কর। তা না সকলকেই কোলে নিতে হবে।
পূর্ণতা ঠিকই করে নেয়, এবার ছেলেকে নিজের কাছে পেলে আর কাউকে দিবে না। পূর্ণতার ভাবনাগুলো একদিক দিয়ে দেখলে মনে হবে, কেমন একগুঁয়ে, অহংকারী টাইপের মনে হতে পারে। কিন্তু বাচ্চাদের মায়েরা সন্তানদের জন্য এমন বহু ভাবনাই মনে মনে ভেবে থাকে। তারা বাচ্চাদের নিজেদের চোখের আড়াল করলেই কতশত ভাবনা যে, তাদের মস্তিষ্কে এসে হানা দেয় তা শুধু বাচ্চাদের মায়েরাই জানেন।
বহু খোঁজাখুজির পর অবশেষে গার্ডেনের এক কর্ণারে তাজওয়াদের দেখা মেলে। তাজওয়াদ একজন বয়স্ক মহিলার কোলে বসে জুস খাচ্ছে আর গল্প করছে। যদিও মহিলাটির একপাশ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মহিলাটির মাথায় শাড়ির আঁচল দিয়ে ঘোমটা দেওয়া দেখে তার মুখশ্রী দেখতে পারে না পূর্ণতা।
পূর্ণতা তাদের কিছুটা কাছে গিয়ে তাজওয়াদকে বলে–
—অ্যাঁই দুষ্টু ছেলে, তুমি এখানে বসে আছো? আর আমি সারা রিসোর্টের খুজে ফেলেছি তোমায়।
তাজওয়াদ মাকে দেখে খুশি হয়ে ওঠে। সে আগের জায়গাতেই বসে থেকে উচ্ছ্বসিত গলায় বলে ওঠে–
—মাম্মাম দিকু, আমাল একটা দাদুন হয়েছে। উনি আমাল দাদুন। আমাকে জানো একটা তুন্দল গল্পও চুনিয়েছে।
পূর্ণতা দাদুন ডাকটা শুনে থমকে যায়। দাদুন, ভাই এসব তো বাবার বাবা-মাকে ডাকে বাচ্চারা। কিন্তু তার ছেলে যে তার মতোই হতভাগা। যেখানে বাবাই নেই, সেখানে দাদুন-দাদাভাই এসব আসবে কোথা থেকে।
পূর্ণতা ছেলের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে মলিন গলায় বলে–
—মায়ের কাছে আসো আব্বু। উনাকে আর ডিস্টার্ব করো না।
মহিলাটি তার পূর্ণতার কথা শুনে বলে ওঠে–
—না না। আমি মোটেই ডিস্টার্ব হচ্ছি না। আমি তো ওর সঙ্গ ভীষণ পছন্দ করছি।
কথাটা শেষ করে মহিলাটি পূর্ণতার দিকে ফিরে আরো কিছু বলতে চায়, কিন্তু তারা একে অপরকে দেখে থমকে যায়। পূর্ণতার পায়ের তলার মাটি সরে যায় তার জীবন এলোমেলো করে দেওয়ার প্রধান চরিত্রটিকে দেখতে পেয়ে। বয়স্ক মহিলাটি একবার পূর্ণতার দিকে আরেকবার তাজওয়াদের দিকে হতভম্ব দৃষ্টি নিয়ে তাকাতে থাকে।
হঠাৎই পূর্ণতা শকুনের মতো ছো মেরে মহিলাটির কোল থেকে তাজওয়াদকে ছিনিয়ে নিয়ে ছুটে সেই জায়গা ছেড়ে চলে আসে। মহিলাটি দূর্বল গলায় কিছু বলে হয়ত, কিন্তু পূর্ণতা তা না শুনেই চলে যায়।
📌গল্পটি ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করে আপনার গল্প প্রেমী বন্ধুমহলের নিকট পৌঁছে দিন।
শব্দসংখ্যা~১৫০৪
~চলবে?
[গেস করুন তো এই মহিলা কে?
হাতে অজ্ঞাত ভাবে আঘা”ত পেয়ে হাত ব্যথায় জান নাজেহাল হয়ে আছে। ভাগ্য ভালো এই পর্বের বেশিরভাগ আগেই লিখে রেখেছিলাম। আমার এই কষ্ট টাকে বৃথা যেতে দিয়েন না। সকলে একটু রেসপন্স করিয়েন। জুকার কাক্কু পেইজের উপর ঠা”ডা ফেলছে🥹💔 অন্তত ২/৩টা কমেন্ট করিয়েন সকলে।
ভুলক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। গঠনমূলক মন্তব্য করবেন। হ্যাপি রিডিং মাই লাভিং রিডার্স ]
Share On:
TAGS: শেষ পাতায় সূচনা, সাদিয়া সুলতানা মনি
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৭
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩২
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩+বোনাস
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ২৩
-
শেষ পাতায় সূচনা গল্পের লিংক
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৩১
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৮
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ৬
-
শেষ পাতায় সূচনা পর্ব ১৯