রোদ্দুরেরছেঁড়ামানচিত্র
পর্ব_২
কলমে: #নিলুফানাজমিননীলা
★★★
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মুখটি তখনো অন্ধকারে ঢাকা। লোকটি এবার এগিয়ে গিয়ে সুইচ অন করল। সাথে সাথেই ভেসে উঠল আরিয়ানের মুখখানা। তৃণার ভয় আরও বেড়ে গেল। তাঁর পরনে ট্রাউজার ও টি-শার্ট।
লোকটি তৃণার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থেকে বলল,
“কে তুমি? এখানে এভাবে বসে খাবার খাচ্ছো কেন?”
কী অদ্ভুত! লোকটি তৃণাকে চিনতে পারছে না? এই মুহূর্তে লোকটিকে মধ্যরাতের মতো ভয়ার্ত চেহারার মনে হচ্ছে না। হয়তো রাতে মদ খেয়েছিল, তাই কিছু মনে পড়ছে না। তৃণা কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল,
“আমি তৃ… তৃণা।”
লোকটির বোধহয় এবার কিছু মনে পড়ল। এবার তাঁর মুখ শক্ত হতে লাগল।
“ওহ, আমার বিবাহিতা স্ত্রী? বাহ্! তোমার চুরি করার অভ্যাসও আছে?”
তৃণা কিছু বলল না। মাথা নিচু করে প্লেটের দিকে তাকিয়ে রইল। লোকটি প্লেটের দিকে তাকিয়ে বলল,
“এভাবে রাক্ষসের মতো খাচ্ছিলে কেন? কোনো দিন কি খাবার খাওনি?” আরিয়ান ব্যাঙ্গ ভরা কণ্ঠে বললেন।
তৃণা মাথা তুলল না। শুধু ধীর কণ্ঠে বলল,
“প্রায় চব্বিশ ঘণ্টা না খেয়ে ছিলাম। খুব খিদে পেয়েছিল, তাই।”
লোকটির তৃণার ওপর করুণা হলো কি না, তা বুঝা গেল না। আর কোনো কথা না বলে তিনি চলে গেলেন।
তৃণা বাকি খাবার শেষ করল না। প্লেটের খাবার ডাস্টবিনে ফেলে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে গেল। জল খেতে গিয়ে শাড়িতে জল পড়ে শাড়িটার অনেকটা অংশ ভিজে গেল।
তৃণা আবারও রুমে ঢুকে গেল। আরিয়ান বিছানায় হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে মোবাইলে স্ক্রোল করছেন। তৃণার দিকে বাঁকা চোখে চেয়ে বললেন,
“ওয়ারড্রোবে দেখো, আমার শার্ট আছে পড়ে নাও। এই রুমে মেয়েদের কোনো জামা নেই।”
“আপনার শার্ট পরতে পারব না।”
“না পরলে না পরো, তাতে আমার কী!”
বলেই লোকটি আবারও অন্যদিকে ফিরে শুয়ে পড়লেন এবং বললেন, “বিছানায় আসার চেষ্টা করবে না।”
অগত্যা, উপায়ন্তর না পেয়ে ওয়ারড্রোব খুলে একটা শার্ট বের করে আনল,আর সাথে একটা ট্রাউজার। সেগুলোই পরে নিল।আবারও ঘুমানোর জন্য শুয়ে পড়ল।এবারের ঘুমটা বেশ অনেকক্ষণ পর আসলো।
ঘুম ভাঙল দরজায় ধাক্কা দেওয়ার আওয়াজে।
তৃণার পরনে শার্ট, তাই এই অবস্থায় দরজা খোলার ইচ্ছে হলো না। আবার না খুলেও উপায় নেই।
দরজা খুলতেই দেখতে পেল একটি মেয়ে। বয়সটা হয়তো তৃণার সমান হবে।
মেয়েটা প্রথমেই তৃণাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পরখ করল।মেয়েটা তৃণাকে দেখে অন্য রকম ভাবেই মুচকি হাসল, বলল,
“অনেকটা সকাল হয়ে গেছে, এবার ফ্রেশ হয়ে এসো।”
তৃণাকে চুপ থাকতে দেখে মেয়েটি একটি থ্রিপিস এগিয়ে দিয়ে বলল,
“এই নাও, এটা পরেই বাইরে এসো।এটা আমার থ্রিপিস, আশা করি তোমার শরীরে ফিট হবে।”
বলেই মেয়েটি চলে যেতে লাগল।মেয়েটা কয়েক কদম গিয়েই আবারও পেছন ফিরে তাকালো,তবে এখন মেয়েটার মুখে হাসি নেই।মেয়েটিকে দেখে বুঝা যায়, সে খুবই গম্ভীর স্বভাবের। তৃণা ওয়াশরুমে গিয়ে জামাটা পরে নিল। ওয়াশরুম থেকে বের হয়েও দেখল, আরিয়ান তখনো ঘুমাচ্ছেন।
তৃণা নিচে নেমে এলো। ড্রয়িংরুমে অনেকেই বসে আছেন। কিন্তু সবাই যেন নিজ নিজ জগতে মগ্ন। তৃণার অস্বস্তি হতে লাগল। সবাইকে কেমন যেন চুপচাপ দেখাচ্ছে।
হঠাৎ একটা মধ্যবয়সী লোক তৃণাকে দেখে হাসিমুখে ডাকলেন, “তৃণা মা, এদিকে এসো।”
তৃণা সে দিকে এগিয়ে গেল। লোকটাকে তৃণা চিনে না। লোকটি বললেন, “আরিয়ান কী করছে?”
“জ্বি, ঘুমাচ্ছে।”
লোকটি হেসে বললেন, “আমার ছেলেটা ভীষণ রগচটা, খুব রাগী। আশা করি, মানিয়ে গুছিয়ে নেবে।”
ইনিই আরিয়ানের বাবা।
তৃণা এবার রান্নাঘরের দিকে পা বাড়াল। ভেতরে ঢুকতে চাইতেই তৃণার শাশুড়ি মা তার দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। তৃণা ভয়ে গলা শুকিয়ে গেল। এই বাড়ির কাউকে না চিনলেও, গতকালই শাশুড়িকে খুব ভালোভাবে চেনা হয়ে গেছে।
তৃণার শাশুড়ি তাঁর জা-দের (চাচিশাশুড়ি ও কাকিশাশুড়ি) চিৎকার করে বললেন,
“এই মেয়েকে রান্নাঘরে আসতে মানা করো, তা না হলে আজ একটা কিছু হয়ে যাবে!”
তৃণা সেখানে আর দাঁড়াল না, তাড়াতাড়ি সরে গেল। তখনই একটা মেয়ে তৃণাকে জড়িয়ে ধরল। প্রথম কিছুটা বিব্রত বোধ করলেও, মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে তৃণার মুখে হাসি ফুটে উঠল। কী সুন্দর মিষ্টি মেয়েটা! বয়স মনে হয় ষোলো হবে হয়তো।
মেয়েটা বলল, “বউমনি, চলো তোমার সাথে গল্প করি।”
আমিও মেয়েটার সাথে গিয়ে বসলাম। এ ছাড়া আর কীই বা করতে পারি। মেয়েটি বাড়ির সকলের পরিচয় দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।
মেয়েটা বলতে শুরু করল,
এই বাড়িতে তিনজন বড় কর্তা।প্রথম কর্তা হলেন আমার বাবা #ইকবালমির্জা এবং তাঁর স্ত্রী রাহি মির্জা। তাঁদের দুই সন্তান এক ছেলে আর এক মেয়ে। ছেলে হলো রোহান আর মেয়ে হলাম আমি, নৌশি। আর মেজ কর্তা হলেন #আহাদমির্জা এবং তাঁর স্ত্রী #মায়মুনামির্জা। তাঁদের দুই ছেলে বড় ছেলের নাম #আরিয়ানমির্জা আর ছোট ছেলের নাম #আদনানমির্জা। আর ছোট চাচ্চু হলেন #এনামুলমির্জা এবং তাঁর স্ত্রী #জাহানারা_মির্জা। তাঁদের একমাত্র মেয়ে হলো নুসরাত। শোনো, নুসরাত আপু একদম গম্ভীর টাইপের, তবে অনেক ভালো।”
একনাগাড়ে সবার পরিচয় দিয়ে শান্ত হলো নৌশি নামের এই মেয়েটি। মেয়েটি ভীষণ চঞ্চল।এতগুলো নাম এক সাথে বলে হাঁপাচ্ছে। মেয়েটা আবারও বলল,
“তোমার পরনে যে জামাটা সেটা নুসরাত আপার জামা।”
বুঝলাম সকালে দেখা হয়েছিল মেয়েটার সাথে সে নুসরাত ছিল।
তখনি সেখানে তৃণার চাচিশাশুড়ি এসে উপস্থিত হলেন। তাঁর হাতে কফির মগ। তিনি তৃণাকে বললেন,
“তৃণা, একটা কাজ করে দেবে মা?”
তৃণা হাসিমুখে বলল, “জ্বি, বলুন কী কাজ?”
তিনি হেসে বললেন, “আমাকে বড়মা বলেই ডেকো। বাড়ির সকলেই বড়মা বলেই ডাকে।”
তৃণা হেসে বলল, “আচ্ছা।”
“এই কফির মগটা একটু আরিয়ানকে দিয়ে আসতে পারবে?”
আরিয়ানের রুমে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল না, তবে মুখের উপর ‘না’ করে দেওয়াও ঠিক হবে না। তৃণা বলল, “দিন, আমি দিয়ে আসছি।”
তৃণা কফির মগটা নিয়ে রুমে প্রবেশ করল। লোকটি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আছেন। রাতে মুখটা ভালো করে দেখা হয়নি। তৃণার নজর লোকটির দিকে যেতেই কোনোভাবেই সরাতে পারল না। কী সুদর্শন মুখ লোকটির! মুখে হালকা দাড়ি।
কোনোমতে চোখ সরিয়ে ডাকল, ‘‘শুনছেন?”
কয়েকবার ডাকার পর লোকটি চোখ খুললেন। তৃণাকে চোখের সামনে দেখেই কপাল কুঁচকে নিল আরিয়ান। তাঁর মুখ দেখে মনে হলো, যেন কত খারাপ জিনিসটাই না দেখে ফেলেছেন।
লোকটি ভারী গলায় বললেন,
“কী হয়েছে? সকাল হতে না হতেই বিরক্ত করা শুরু করে দিলে?”
“আসলে কফিটা…”
বাকি কথা শেষ করতে দিলেন না। উঠে বসে বললেন, “যখন তখন আমার রুমে আসবে না, ওকে? আমার যা প্রয়োজন, তা আমি নিজে নিয়ে নেব।”
লোকটি রুম থেকে বের হতে গেলে আমি বললাম,
“কফিটা নেবেন না?”
লোকটি তৃণার দিকে ঘুরে দাঁড়ালেন এবং পূর্ণ দৃষ্টি দিয়ে বললেন,
“আমার যা প্রয়োজন, তা আমি নিজে নিয়ে নেব অথবা বাড়ির আরো মানুষ আছে, তারা দেবে। তুমি একদম এসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে যাবে না।”
“কিন্তু আমি আপনার স্ত্রী। তাই আমার অধিকার…”
তৃণাকে কথাটা শেষ করতে দিল না আরিয়ান।
আরিয়ান ধমক দিয়ে বললেন,
“ স্টুপিট ! ওয়াইফ? তোমার যোগ্যতা আছে আরিয়ান মির্জার স্ত্রী হওয়ার? নিজের চেহারা দেখেছ?”
এবার সামান্য নরম স্বরে বললেন, “শোনো, আমাকে একদম রাগিয়ে দিও না। আমি মানুষটা এতটাও ভালো না। কখন কী বলে দেব, নিজে কষ্ট পাবে। তার চেয়ে ভালো, আমার থেকে দূরে থাকো। আর স্ত্রীর অধিকার ফলাতে এসো না, এর ফল ভয়াবহ হবে।”
বলেই তিনি রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন। তৃণাকে দাঁড়িয়ে রইল দরজার দিকে তাকিয়ে। লোকটি যাওয়ার আগে বলে গেল,
“নিজের চেহারা দেখেছো? তোমার সাথে আমার মানায়? নেহাত আব্বুর জন্য তোমার মতো কুৎসিত মেয়েকে বিয়ে করতে হলো।”
তৃণা গিয়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়াল। তৃণা চেহারার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগল,
“কী এমন হয়েছে আমার চেহারায়? ফর্সা সুন্দর নয় বলে? শ্যামলা বলে?
কিন্তু ছোটবেলায় মা যে বলতেন, আমার মুখে জাদু আছে, যে কেউ মুখের দিকে তাকালে মায়ায় পড়তে বাধ্য। কিন্তু কই? আজ পর্যন্ত তো কেউ মায়ায় পড়ল না! আমার সৎ মা তো কখনো আমার মুখের দিকে মায়া করে তাকিয়ে একটু আদর করে দেননি! নিজের আপন মেয়ের মতো করে আমাকে বুকে টেনে নেননি! আজও তো আমার স্বামীর চোখে আমার মায়াবী চেহারা পড়ল না!
তাহলে কি মা, তুমি মিথ্যে বলতে? পৃথিবীতে সুন্দর না হয়ে মায়াবতী হয়ে কী লাভ! মায়াবতী হয়ে ভাগ্যবতী না হলেই বা কী লাভ!”
তৃণার চোখের অবাধ্য অশ্রুকণা গুলো গাল বেয়ে পরছে।এই চোখে জল কি কখনোই মুছবে না?
আরিয়ান গিয়ে আহাদ মির্জার পাশের সোফায় বসলো। আহাদ মির্জা মনোযোগ দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। তিনি আরিয়ানের দিকে এক নজর দেখে আবারও খবরের কাগজে চোখ রেখেই বললেন,
“কী হলো আরিয়ান? সকাল সকাল মুখটা এভাবে করে আছো?”
আরিয়ান আহাদ মির্জার কথায় উত্তর দিলেন না, বরং রান্নাঘরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“ফ্রি থাকলে কেউ আমাকে এক কাপ কফি দাও।”
রাহি বেগম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন,
“কেন? তৃণা তো কফি নিয়ে উপরেই গেল। দেয়নি?”
আরিয়ান বিরক্ত স্বরে বললেন,
“উফ, বড়মা! ওই মেয়েকে দিয়ে কেন আমার রুমে কফি পাঠাতে হবে? তোমরা কি দিতে পারতে না? প্লিজ কফি দিয়ে দাও, না দিলে প্রয়োজন নেই।”
রাহি বেগম অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন। এবার মায়মুনা বেগম রেগে বলে উঠলেন,
“আরিয়ান কী বলছে এসব আপা? তুমি ওই মেয়েকে দিয়ে পাঠালে? তোমাদের না নিষেধ করেছিলাম, ওই মেয়ের ধারে কাছেও না যেতে তবুও কেন?”
রাহি বেগম জা-এর কথায় চুপ করে রইলেন। মায়মুনা বেগম কথা না বলে নিজেই কফি বানাতে শুরু করলো।
আহাদ মির্জা এবার হাতের কাগজটা টি-টেবিলের ওপর রেখে সোজা হয়ে বসলেন। আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন
, “কী সমস্যা তোমার আর তোমার মায়ের? এগুলো কী রকম আচরণ মেয়েটার সাথে?”
আরিয়ান কথা বললেন না। চুপ করে মোবাইল স্ক্রোল করে যেতে লাগলেন। আহাদ মির্জা এবার আরও রাগান্বিত স্বরে বললেন,
“তোমরা ভুলে যাচ্ছো, তৃণা এই বাড়ির বউ! বড় কথা, তৃণা তোমার বউ। তোমার মায়ের আচরণটা না হয় মানা যায়, কিন্তু তোমার এসব কী আচরণ?”
আরিয়ানও এবার রাগী কণ্ঠে বললেন,
“না বাবা! আমি ওই মেয়েকে ইচ্ছে করে বিয়ে করিনি! তোমরা জোর করে বিয়ে দিয়েছো!”
বলেই আরিয়ান উঠে গেলেন। এরই মধ্যে মায়মুনা বেগম এসে আরিয়ানকে কফি দিয়েছিলেন। আরিয়ান কফির মগটা হাতে নিয়ে স্টাডি রুমের দিকে হাঁটা শুরু করলেন।
আহাদ মির্জা পেছন থেকে বললেন,
“আজ তোমার শ্বশুর মশাই আসবেন। আশা করব, ওনার সামনে ভালো আচরণ করবে।”
আরিয়ান আহাদ মির্জার কথাটা শুনলেন কি না, ঠিক বোঝা গেল না।
তৃণা শুনে ভীষণ খুশি হল, তার আব্বু আসবে। পৃথিবীতে আব্বু ছাড়া কারো থেকেই ভালোবাসা পাইনি মেয়টা।
মায়মুনা বেগম রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে বিড়বিড় করে বললেন, “আসুক, মজা বুঝাবো ওই লোকের।”
জাহানারা মেজো জা-এর কাছে এগিয়ে এসে বললেন,
“কী করবে আপা?”
“সেটা আসলেই দেখে নিও।”
হঠাৎ তৃণার মোবাইলে কলের শব্দে কেঁপে উঠল। তৃণা মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখল লাস্টে একশো সত্তর (170) নাম্বারটা। নাম্বারটা চিনতে পেরেই বুকটা কেঁপে উঠল তৃণার। এটা তৌহিদের নাম্বার। মা-বোনের ভয়ে কখনো নাম দিয়ে সেভ করে রাখেনি। কিন্তু তৌহিদ কেন কল করছে? এতক্ষণে নিশ্চয় জেনে গেছে তৃণার বিয়ে হয়ে গেছে।
তৃণা কল রিসিভ করলাম না। দ্বিতীয়বার আবারও কল আসলো। এবার কল রিসিভ করতে নিলে ফোন বন্ধ হয়ে গেল। মোবাইলটা অনেক আগের পুরাতন, যখন তখন বন্ধ হয়ে যায়। এটা তৃণার মায়ের ফোন ছিল, সেটাই ব্যবহার করত।
ফোন বন্ধ হয়ে গিয়ে ভালোই হলো। কী উত্তর দিত?
তৃণা উপরে চলে গেল মোবাইল চার্জ দেওয়ার জন্য।
চলবে…
(প্রিয় পাঠক আমি প্রতিদিন গল্প আপলোড দেওয়ার চেষ্টা করব যদি ভালো রেসপন্স পাই তবেই।এবার আপনাদের উপর নির্ভর করবে আপনারা প্রতিদিন গল্প চান কি চান না।)
Share On:
TAGS: নিলুফা নাজমিন নীলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ১৮
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ১২
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ২৩
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ২৭
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ২৬
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ২০
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ১১
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ২৮
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ৬
-
রোদ্দুরের ছেঁড়া মানচিত্র পর্ব ১৭