মেজর_ওয়াসিফ
লেখনীতেঐশীরহমান
পর্ব_০৭
[ 🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫]
কেবিনের দুই প্রান্তে তটস্থ হয়ে দাড়িয়ে আছে সামির আর আরিয়ান। ওয়াসিফ বেডে হেলান দিয়ে বসে ওদের দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে আছে। ও যদি আজ সুস্থ থাকতো তবে এই দুটোকে আজ দু’টো কড়া চড় ও সত্যি সত্যি মারতো। সামির মাঝে মধ্যে একঝলক আড়চোখে দেখে স্যারকে। ওর এই মুহূর্তে কেবিনের দরজা খুলে পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে। আরিয়ান চুপচাপ দাড়িয়ে আছে ফোন হাতে নিয়ে। একের পর এক কল আসছে স্যারের ওয়াইফের তরফ থেকে। ও স্যারের আদেশ না পাওয়া পরযন্ত সেই কল সাহস করে ধরতে পারছেনা। ওরা দু’জন আপাতত পুরো চুপচাপ। চুপ ওয়াসিফ ও। ওদের কেবিনে আপাতত শুধু ফোনের রিং বাজছে থেমে থেমে। নিরবতা ভেঙে গম্ভীর কণ্ঠে ওয়াসিফ বলে।
” ফোন বাজছে, রিসিভ করে কি বলবে সেটা তুমি বলো আরিয়ান”
আরিয়ান বেচারা চাইলো একবার স্যারের দিকে, বললো।
” স্যার ভাবি কল করছে, আমি কি বলবো”?
” তা আমি কি জানি? অঘটন ঘটিয়েছো তোমরা, সামলাবেও তোমরা। “
আরিয়ান পরেছে মহা মসিবতে। ও একবার তাকায় সামিরের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে সামির ওর দিক থেকে চোখ সরিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকে। মানে হলো। তুই বোঝ হিসাব, আমি কিছু জানি না’
আরিয়ান এবার স্যারের দিকে তাকিয়ে সিওর হওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করে।
” স্যার, সত্যি ই কল রিসিভ করবো”?
ওয়াসিফ ওভাবেই গম্ভীর থেকে বলে।
” যদি আজ সারাদিন তোমার ফোনের রিংটোন শুনতে আনন্দ লাগে তবে ধরোনা। ঐ কল সারাদিন আজ আসতেই থাকবে যতক্ষণ কল রিসিভ না করা হবে, এবং তার কথা শোনা না হবে। আর যদি বুঝো এই কলের হাত থেকে বাঁচবে তবে রিসিভ করে ব্যাপারটা সামলে নেও। আমি এ অবস্থায় ভিডিও কলে সামনে যাবোনা”
সামির মিনমিন করে বলে।
” ভাবি বড্ড নাছোড়বান্দা মানুষ স্যার”
ওয়াসিফ তাকিয়ে পরে সামিরের দিকে, বলে।
” তুমি বিয়ে করো, তোমার ওয়াইফও নাছোড়বান্দা হবে। মেয়ে মানুষ মানেই খুঁতখুঁতে। ওদের ন্যাচার এটা”
আরিয়ান চোখ পাকিয়ে তাকায় সামিরের দিকে। ইশারায় বোঝায় ” শালা চুপ কর! ন্যাটা কম কর”
মিনিট খানেক বিরতি দিয়ে পরবর্তী কল আসতেই আরিয়ান একবার স্যারের দিকে তাকিয়ে কল রিসিভ করে নমনীয় কন্ঠে সালাম দিয়ে বলে।
” আসসালামু আলাইকুম ভাবি, আমি আরিয়ান বলছি, ফোনের কাছে ছিলাম না তাই ধরতে পারিনি, দুঃখিত ভাবি”
ওপাশ থেকে জবাব আসে।
” ওয়ালাইকুম আসসালাম, জি আমি জানি আপনি আরিয়ান। আপনার স্যারের ঘুম ভেঙেছে “?
এই মুহূর্তে আরিয়ানের মাথায় যা এলো বলে দিলো মিথ্যে।
” ভাবি আমি অফিসে আছি, হসপিটাল থেকে সেই দুপুরে বেরিয়েছি। স্যারের কাছে আমাদের জুনিয়র সহকর্মী সামির আছে “
” ও আচ্ছা, আপনি কি এই বেলায় হসপিটালে যাবেন? আচ্ছা যদি না যান তবে সামির সাহেবের নাম্বারটা দিবেন। আসলে আপনার স্যারের ফোন বিগত কয়েক দিন ধরে বন্ধ পাচ্ছি এজন্য আপনাকে বারবার বিরক্ত করছি এজন্য দুঃখিত। বড়ো আম্মা ভিডিও কলে কথা বলতে চান তার ছেলের সঙ্গে “
সামিরের নাম্বার চাইতেই সামিরের মাথায় হাত উঠে গেলো। আরিয়ান জিজ্ঞেস করে।
” ভাবি! আন্টি কে কি সত্যি জানিয়েছেন যে স্যার গুলি খেয়েছেন “?
” নাহ”
” তাহলে ভিডিও কলে দেখলে তো উনি আরো চিন্তা করবেন”
ধারা ফোন কান থেকে নামিয়ে বিড়বিড় করে মনে মনে বলে।
” তোদের এতো সমস্যা কি, আগে আমারে দেখতে তো দিবি, “
পরপর ধারা বলে।
” সমস্যা নেই, আপনাদের স্যারের মুখ টুক দেখালেই হবে আম্মা কে”
আরিয়ান অসহায় চোখে তাকায় ওয়াসিফের দিকে, ওয়াসিফ নরমাল মুখ ভঙ্গিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। ওয়াসিফের ওভাবে নরমাল থাকার মানে হলো।
” তোমাদের কাছে মেয়ে লোকের ঘাউড়ামি নয়া নয়া, আমার কাছে পুরাতন “
ধারা ফোনের ওপাশে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বলে।
” হ্যালো! হ্যালো”!
” জি, আমি শুনছি ভাবি”
ফোস করে দম ফেলে ধারা, গতদিন থেকে এখন পরযন্ত ভাবি শুনতে শুনতে ওর কান ধরে গেছে। ভাবি ভাবি বলে মুখে ফ্যানা তুলে দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু ওর কাজের কাজ কিচ্ছু করছেনা এরা। ধারার মেজাজ খারাপ হয় সামান্য। বললো।
” শুনুন ভাই, আমাকে ওতো ভাবিটাবি ডাকবেন না। আমি কারো ভাইয়ের বৌ টৌ না। আমাকে আপু ডাকতে পারেন, যদি ও আমি বয়সে ছোট, তারপর ও আমারে আপনারা আপু ডাইকেন। আমি আপনাদের স্যারের চাচাতো বোন”
ধারার কথা শুনে পুরোপুরি তাজ্জব বনে গেলো আরিয়ান। এটা স্যারের বৌ না? বলে কি এই মেয়ে?ফোন যেহেতু লাউডে শুনেছে সামির, ওয়াসিফ ও। সামির তাকায় ওয়াসিফের দিকে। ওয়াসিফ ভ্রু কুঁচকে নেয় সঙ্গে সঙ্গে। আরিয়ান সবার মুখ চাওয়াচাওয়ি করে অবাক ভঙ্গিতে শুধায়।
” আপনি স্যারের ওয়াইফ না? আপনি চাচাতো বোন? তাহলে স্যারের ওয়াইফ কে”?
” এতো দিয়ে ভাই আপনার দরকার নেই, আমাকে ভাবি ডাকবেন না ঐ পরযন্ত শেষ “
ওয়াসিফ এবার সত্যি সত্যি মেজাজ হারায়। ও এতোসময় নিজেকে সামলে রেখেছে। ওয়াসিফ গর্জে উঠে বলে।
” এই আরিয়ান কল কাটো।” ধারার উদ্দেশ্যে চড়া গলায় বলে।
” আর তুই?তোকে তো আমি বাড়ি এসে চড়িয়ে চড়িয়ে বোঝাবো তুই কিভাবে বোন থেকে বৌ হয়ে গেলি”
ওয়াসিফের ওকথা শুনে পাশ থেকে সামির আস্তে করে বলে।
” স্যার আপনার হাতে চোট, আপনি চড়াবেন কিভাবে “?
ওয়াসিফ সামিরের দিকে তাকিয়ে পড়লে সামির মিনমিন করে বলে।
” স্যার আমি কিছু বলিনি”
ওয়াসিফ আস্তে করে বলে ” শুনেছি আমি”
ওয়াসিফের ওমন চড়া গলা শুনে লাফিয়ে উঠে কল কাটে ধারা। পরপর ফোন বিছানায় ছুড়ে দিয়ে বলে।
” কত বড়ো মিথ্যাবাদী, একজন বলে সে অফিসে স্যার হসপিটালে। স্যার যখন তোদের হসপিটালে তাহলে কথা বললো কে? তোর বাপ”?
পরপর নিজের কথা শুধরে নিয়ে বলে।
” না ঐ লোক বাপ হয় কেমনে? ধূর! আমার মাথা খারাপ হয়ে যাবে “
আরিয়ানের আর কল কাটতে হয়নি ওপাশ থেকে ধারাই কল কেটে দিয়েছে। আরিয়ান চুপচাপ ফোন পকেটে ঢুকিয়ে দাড়িয়ে থেকে বলে।
” স্যার যদি কিছু মনে না করেন তবে একটা কথা বলতাম”
” বলে ফেলো”
” স্যার! ভাবির কি বয়সটা একটু কম? মানে কথায় আর কন্ঠে যা বুঝলাম আর কি”
ওয়াসিফ গম্ভীর মুখেই উত্তর দেয়।
” গুনে গুনে আমার থেকে এগারো বছরের ছোট সে”
ওকথা শুনে সামির আর আরিয়ান একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করে। মানে কি ভাই? এই লোক তো নড়ে না চড়ে না ওমনি শেষ বলে ছক্কা পিটিয়ে দিয়েছে। ওয়াসিফ ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করে।
” কি সমস্যা “?
” কিছু না স্যার, এমনিই”
” এমনিই”?
” জি স্যার”
ঘড়ির কাঁটা তখন রাত এগারোটা ছুঁই ছুঁই করছে। গ্রামীণ পরিবেশ, বাড়ির লোকেদের ইতিমধ্যে ঘুমের আয়োজন শেষ পথে। দোতালার ঘরগুলোর মধ্যে শুধু ওদের দুবোনের ঘরটাতে আলো জ্বলছে। ধারা ঘুম ঘুম চোখে কোনোরকম একটা বই খুলে নিয়ে পড়ার টেবিলে বসেছে। আর লুইপা খাটে বসেছে পড়তে। লুইপা পড়া কম, মুনিবের সঙ্গে ফেসবুকে প্রেম করছে বেশি। মাঝে মধ্যে ও ফোন থেকে চোখ তুলে ধারাকে দেখছে। ধারা ঝিমানো মুরগির মতো মাঝে মধ্যে মাথায় খোট দিয়ে বইয়ের উপর নুইয়ে পড়ছে আবার খোট খেয়ে সজাগ হচ্ছে। এই তালে চলছে ও। লুইপা ওকে ডেকে বলে।
” এই তুই এখন ঘুমিয়ে যা, সকাল সকাল উঠে পড়িস।ওভাবে ঘুম চোখে পড়া হয় নাকি”?
ধারা আড়মোড়া ভেঙে হাই তুলে বলে।
” কালকে ক্লাস টেস্ট আছে আপা, এখন না পড়লে ফেল খাবো”
” খেলে খাবি, তোর বর সরকারি চাকরিওয়ালা, তোর চিন্তা কিসের “?
ও কথা শুনে ধারার ঘুম ঘুম মস্তিষ্ক ওকে মনে করিয়ে দেয় লোকটার অসুস্থতার কথা। গুলি খেয়েছেন এই কথা ধারা পুরো নিজের মধ্যে হজম করে ফেলেছে। বাড়ির কাউকে বলেনি ও। এমনকি আপাকেও না। লুইপা পেছন থেকে মাথা উঁচু করে দেখে ধারাকে। মনে মনে ভাবে, কি ব্যাপার? মেয়ে যে ছ্যাত করে উঠলোনা ওর কথায়? কাহিনি কি? ও ধারাকে খ্যাপানোর জন্য মিটমিট করে হেসে বলে।
” শামী দেশে থেকেও বিদেশে এমন ফিলিংস হয়?মনে পড়ে ময়না? তার কথা মনে উঠলে মন পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যায়?একলা রাতে একলা বিছানায় ঘুম হয়না ঠিকঠাক “? ব’লে ই লুইপা হেসে ফেলে। ধারা মাথা ঘুরিয়ে তাকায় ওর দিকে। ধারা হাসেনা। ওর হয় মেজাজ খারাপ। ও মৃদু চেচিয়ে বলে।
” এই আপা চুপ কর কিন্তু “
লুইপা থামেনা, বলে।
” তুই কিন্তু দিন দিন ভালো গ্লো করছিস, ব্যাপার কি বলতো? রহস্য কি এই সৌন্দর্যের”?
” তোর মাথা, তোর ভাইজানের মাথা”
” ভাইজানের মাথা নাকি সাথে অন্যকিছু”?
ধারা মুখ কুঁচকে মিনিট খানেক তাকিয়ে থাকে হাসতে থাকা বোনের দিকে। বলে।
” ছি:। মুনিব ভাইয়ের সঙ্গে মিশে তুই দিনকে দিন রসাতলে যাচ্ছিস। তুই আর ভালো নেই “
লুইপা হাসে, হাতের আঙ্গুল তুলে ধারার মুখের দিকে ইশারা করে বলে।
” দ্যাখ! তুই এখনই কেমন লজ্জা লজ্জা পাচ্ছিস? “
” কচু পাচ্ছি আমি”
” দেখতে পাচ্ছি আমি”
” তুই চোখের ডাক্তার দেখা আপা, তোর চোখে সমস্যা হয়েছে”
লুইপা আর কথা বাড়ায়না। ও ফোন নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বারান্দার দিকে যায়। ধারাকে বলে যায় মন দিয়ে পড়তে। ধারা এবার পড়ছে কম উদাস হচ্ছে বেশি। একসময় খোলা বইটা বন্ধ করে ফোনটা হাতে নেয়। নেট অন করে ঢোকে ফেসবুকে । আজ প্রায় অনেকদিন পর ও ” shaed whasif” নামের আইডিতে ঢুকে পড়ে। লোকটার সঙ্গে ও সোস্যাল মিডিয়ায় এ্যাড নেই কিন্তু আগে মাঝে মধ্যে তার আইডি ঘেঁটে দেখার অভ্যাস ধারার ছিলো বহুদিন। প্রথমেই লোকটার প্রোফাইলে গেলে চোখ পড়বে ইউনিফর্ম গায়ে শ্যামলা চেহারার এক গম্ভীরতার মুখছবি। এরউপরে কভারে রয়েছে তাদের ডিপার্টমেন্টের একটা গ্রুফ ছবি। ভদ্রলোকের আইডি পাবলিক করা বলে ধারা অনায়াসে ঢুকে সবকিছু দেখতে পারে। তবে তিনি সোস্যাল মিডিয়ায় একটিভ ভীষণ কম। মাসে হয়তো একটা কি দুটো ছবি তার টিম গ্রুফের সঙ্গে পোস্ট করেন। এছাড়া আর কিছু ই না। ধারা খুব আগ্রহ নিয়ে প্রোফাইলে থাকা ছবিটা জুম করে দেখতে থাকে। এই ছবিটা তিনি তিনমাস আগে ডিপিতে দিয়েছে। ধারা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সময় নিয়ে ঐ ছবিটাই শুধু দেখে। লোকটার গায়ের রঙ শ্যামলা হলেও মুখের গঠন সুন্দর। শুধু সুন্দর বললে ভুল হবে, বেশ অনেকটাই সুন্দর। চওড়া কপাল, নাকটা ও তেমন সরু, চোখ দুটোর দিকে বেশি সময় তাকিয়ে থাকলে মনে হবে ঐ লোক তার বিপরীতে থাকা মানুষটার মাইন্ড রিড করছে। ওমন দৃষ্টি সচারাচর খুব মানুষের মধ্যে দেখা যায়। ছবিটা ওভাবে দেখতে দেখতে ধারা মাথা ঘুরিয়ে তাকায় আয়নার দিকে। ও এবার নিজেই নিজেকে দেখে। আঙুল ছুঁইয়ে নিজের নাকটা দেখে বলে।
” আমার নাকটা আপনার মতো সরু না, বোঁচা! ” পরপর আবার আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের কপাল দেখে বলে। ” আমার কপাল ছোট কেনো, এতটুকু কেনো?”
ধারা যখন ওসব কাহিনি করতে ব্যস্ত তখন ওর পেছনে ধীর পায়ে লুইপা এসে দাঁড়ায়। উঁকি ঝুঁকি দিতেই দেখে ধারা ওয়াসিফের ছবি একটা বের করে ওসব কাহিনি করছে। ও পেছন থেকে সুর ধরে গেয়ে ওঠে।
” ঘটনা এমনি ঘটেনা… ওও… বন্ধুরে! এক হাতে তালি বাজে না….
দোষ ধরিলে সবার আছে, বলো তবে কার কাছে, এই মনের বেদনা কই? ও বন্ধুরে এক হাতে তালি বাজে না।”
আকস্মিক ধারা চমকে উঠে তাকায় বোনের দিকে। বেচারি ভয় পেয়ে থু থু দেয় নিজের গায়। বড়ো বড়ো চোখ করে তাকিয়ে থাকে তার আপার দিকে।
লুইপা গান থামিয়ে বলে।
” মনে মনে মিছরি ভিজিয়ে পানি খাও তিনবেলা। আর মুখে বলো আমি মিষ্টি খাইনা। ডায়বেটিস আছে। ভং ধরিস”?
ধারা আর কি বলবে, এই মাঝরাতে ওর আর ইচ্ছে করছে না নিজের হয়ে ছাপাই গাইতে। ও রাগে মাছির মতো ভনভন শব্দ করে চেয়ার ছেড়ে উঠে ঘরের দরজা খুলে বেরিয়ে যেতে যেতে বলে।
” আমি আজ বড়ো আম্মার ঘরে ঘুমাবো, থাকবোনা তোর সাথে। যারা ঐ লোকের চামচা তাদের সাথে আমার সব সম্পর্ক আজকে থেকে শেষ। বিদায়,গুড বাই, খতম, টাটা, বাই বাই”
পেছন থেকে লুইপা বলে।
” যা ভাগ, তোর মতো বিবাহিত মহিলাদের ও এঘরে আর জায়গা হবেনা। “
চলবে
[ গল্প পড়ে অবশ্যই রেসপন্স করবেন। আপনার মূল্যবান গঠন মূলক মন্তব্য জানাবেন কমেন্ট বক্সে]
Share On:
TAGS: ঐশী রহমান, মেজর ওয়াসিফ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৩
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৫
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৬
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৪
-
মেজর ওয়াসিফ গল্পের লিংক