মেজর_ওয়াসিফ
লেখনীতেঐশীরহমান
পর্ব_১২[ ১ম অংশ ]
[ 🚫 কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ 🚫]
ধারা তখন সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে ভাত খাচ্ছিলো। খিদে যে একদমই লাগেনি তা মুখে প্রকাশ না করলেও পেটে খাবারের টান ছিলো অবশ্যই। পুরো ডিম ভাজি দিয়ে এক প্লেট ভাতের শেষ লোকমা মুখে দিয়ে ও মাথা তুলে চাইলো সামনে। ততক্ষণে ওয়াসিফ ফোনের কথোপকথন শেষ করে ওর মুখোমুখি বিপরীত চেয়ারটাতে বসেছিলো। ধারা এতক্ষণে টের পায়নি, কখন এসে বসেছে ওয়াসিফ। ধারার মনোযোগ ছিলো খাবারের দিকে। ওদের দু’জনের চোখের চাহনি যখন এক হলো সামান্য লজ্জা পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলো ধারা। ওদের মধ্যেকার নিরবতা ভেঙে ওয়াসিফ সামান্য হেঁসে বলে।
‘ এতোক্ষণ যে বললি খাবিনা, খিদে নেই, এখন এতো খিদে কই থেকে এলো? ‘
ধারা কোনো কথা বলে না, চুপচাপ বসে থাকে। ওয়াসিফ ফের বলে।
‘ গরুর মাংস আছে, ফ্রিজে তোলা মনে হয়, খাবি’?
ধারা অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেই বলে।
‘ নাহ, পেট ভরে গেছে ‘
‘ আমি তো দেখছি তোর পেট এখনো খালি আছে ‘
‘ না নেই ‘
‘ আচ্ছা, রাগ কমেছে ‘?
‘ কিসের রাগ’?
‘ এই যে, যে কারণে দুপুর থেকে রাত খাবার খেলিনা’
ধারা স্পষ্ট করে জানায়।
‘ নাহ রাগ কমেনি’
ওয়াসিফ এবার পায়ের উপর থেকে পা নামিয়ে সোজা হয়ে বসে। বলে।
‘ জবাই হয়ে অলরেডি রান্না হয়ে জনে জনে পেটে চলে গেছে সেটা হয়তো আমি ফিরিয়ে দিতে পারবোনা। কারণ বিষয়টা আগে তুই আমাকে জানাসনি। তবে বিপরীতে তুই চাইলেই কিছু জরিমানা দাবি করতে পারিস। বল কিছু চাই কিনা, আমি পুষিয়ে দেবো’
ধারা একপলক তাকায় ওয়াসিফের দিকে। ওয়াসিফ ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। ওয়াসিফ জিজ্ঞেস করে।
‘ বল’?
ধারা এবার সহজ চোখে ঐ তীক্ষ্ণ চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে খুবই শান্ত আর ধীর কন্ঠে বলে।
‘ কিছু ই যদি দিতে চান তবে আমাকে ডিভোর্স দিন, মুক্তি দিন’
সঙ্গে সঙ্গে ওয়াসিফের উজ্জ্বল মুখটা চুপসে দিয়ে ভ্রু কুচকে ফেলে। ওভাবে তাকিয়ে থেকেই দাঁত চেপে রেখে বলে।
‘ দুটো থাপ্পড় খাবি, তৃতীয়টা খাওয়ার প্রয়োজন হবেনা তার আগে জ্ঞান হারাবি, ছোট মানুষ, তারপর আবার বিয়ে করা বৌ আমার, মারধর করার ইচ্ছে একদম ই নেই। সোজা গিয়ে চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়। ‘
ধারা মৃদু তেতে উঠে বলে।
‘ আপনার সংসার আমি করবোনা, কথাটা লিখে রাখবেন। আমি ধারা কখনোই নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে আপনার মতো লোকের ঘর করবোনা, যে মানুষটা একদিন আমাকে আর আমার অনুভুতি কে অসম্মান করেছিলো’
কথাটা বলেই ধারা চেয়ার ছেড়ে উঠে এঁটো হাত ধুতে বেসিনের দিকে যেতে লাগলেই পেছন থেকে ওয়াসিফ বলে।
‘ মুমতাহিনা ধারা, শাহেদ ওয়াসিফের সংসার করবে, খুব শান্তি পূর্ণ ভাবেই করবে। কথাটা তুই লিখে রাখবি।’
এতটুকু বলেই ওয়াসিফ চেয়ার ছেড়ে উঠে।
‘ আর যেনো কি বললি? অসম্মান করেছিলাম তোকে? তখন বয়স কত ছিলো তোর? ষোলো? কোনটা সম্মান আর কোনটা অসম্মান তফাত বোঝার বয়স তোর ছিলো?’
এতটুকু বলেই থামে, ফের বলে।
‘ ষোলোতে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম, উনিশে আমার নামের সঙ্গে জুড়ে নিয়েছি। মাঝের এই সময়টুকুর ব্যাখ্যা আজ দেবোনা। তবে শেষ বারের মতো বলছি মুমতাহিনা, সম্পর্ক থেকে মুক্তি শব্দটা পরবর্তী ঐ মুখে উচ্চারণ করলে একটা বড়োসড়ো থাপ্পড় পাওনা থাকবে আমার তরফ থেকে ‘
কথা শেষ করেই ওয়াসিফ লম্বা কদমে পা ফেলে দোতলার সিড়ি ভেঙে ঘরের দিকে এগোয়। ধারা চুপচাপ চোখ ঘুরিয়ে দেখে লোকটার গমন।
রাত বাড়ে, সেই সাথে বাড়ে রাতের নিস্তব্ধতা। এখনো ঘুমোয়নি ওয়াসিফ। ঘরের বিশালাকার জানালা দুটো খুলে দিয়ে একটা চেয়ার পেতে বসে থাকে। আজ বোধহয় ভরা পূর্ণিমা। আকাশে গোলগাল আকৃতির চাঁদ খানার আলো মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে অবলীলায়। ওভাবে কতক্ষণ বসে থাকার পর একটা সিগারেট ধরিয়ে গা এলিয়ে দেয় চেয়ার টাতে। নিকোটিনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন অন্ধকার ঘরটাতে ও ভেতরে ভেতরে হাসফাস করে ওঠে। এই মৃদু হিমশীতল বাতাসেও ও ঘেমে যাচ্ছে কেমন। আধা খাওয়া সিগারেট টা ধুম করে নিভিয়ে ফেলে দেয় মেঝেতে। অসহ্য লাগছে ভীষণ। সেই সাথে মাথাও ধরেছে খুব করে। সেই তখন থেকে ও কিছুতেই মিলিয়ে উঠতে পারছেনা বছর চারেক আগের সেই ষোলো বছর বয়সী ধারা আর এখনের ঊনিশের ধারা কে। ওর হিসেব বারবার গোলমেলে হয়ে যাচ্ছে। একসময় যে মেয়ের চোখে মুখে ওর জন্য ভয়, লাজুকতা ছিলো সেই মেয়ের চোখমুখে তিন বছরের ব্যবধানে এতো এতো ঘৃণা কিভাবে আসতে পারে? ও আজ স্পষ্ট দেখেছে, ধারার চোখে মুখে ঘৃণার আহাকার। যার সবটাই বারেবারে ওর উপর উগড়ে দিতে চাইছে।
ওয়াসিফ ঘাড় ফিরিয়ে বিছানায় তাকায়। চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়ে সঠান হয়ে শুতে গিয়েই বাম হাতে লাগলো সামান্য। চোখ খিঁচে বন্ধ করে সেই ব্যথাটুকু গিলে শুয়ে পড়ে। চোখ ঐ সিলিং এর দিকে। পরিপক্ব মস্তিষ্ক সাজায় জেদী রমনির জেদ আর অভিমান টুকু কিভাবে পুষিয়ে সহজ ভাবে মানিয়ে গোটা একটা সংসার সাজানো যায়।
মাঝ রাতে ধুম করে ঘুম ভাঙে আরিয়ানের। এতো গভীর ঘুম ভাঙার কারণ এই মাঝরাতে পেটের মধ্যে গুড়গুড় করে ওঠা। ভালো মন্দ খাবার তারউপর তেল মসলা যুক্ত খাবার ওদের জীবনযাপনের বিপরীতে। আজ বহুদিন পর সেই খাবার যেনো পেট সহ্য করে উঠতে পারে নি। ঘুম ভাঙতেই ও তড়িঘড়ি করে সোয়া থেকে উঠে বসে। অন্ধকার ঘরে খুব ভালো করে বুঝে ওর পাশে সামির তখন গভীর ঘুমে। একের পর এক গভীর ঘুমের গাঢ় নিশ্বাস টের পাচ্ছে। পুনরায় পেটে কামড় দিতেই ঐ অন্ধকারে হাতড়ে ধাক্কা দেয় সামির কে।
‘ এ ভাই ওঠ, আমি একটু ওয়াশরুমে যাবো’
ওয়াসিফদের এই বাড়িটা যেহেতু বহু বছরের পুরাতন। সেভাবে শহরের মতো এখানে প্রতিটা রুমের সঙ্গে বরাদ্দ ওয়াশরুম নেই। সারা দোতলায় দুটো ওয়াশরুম। বছর দুই আগে ওয়াসিফ নিজ উদ্দ্যোগে করেছে। একটা ওয়াসিফের রুমের সঙ্গে আরেকটা ধারাদের রুমে। কিন্তু সেই খবর তো আর সামির, আরিয়ান জানে না। ওরা শুধু জানে বাইরের উঠোনে পাকাপোক্ত কল ঘর আর পাকাপোক্ত ওয়াশরুম রয়েছে। যেতে হলে সেখানেই যেতে হবে এই মাঝরাতে।
আরিয়ান ডাকাডাকি করলে, সামিরের গভীর ঘুম কিছুটা পাতলা হলেও পুরোপুরি ঘুমের ভাব মোটেও কাটেনি৷ ও ঘুম ঘুম ঘোরে শুধু হু,হা করে যাচ্ছে। আরিয়ান বিরক্ত হয়ে ওকে জোরে কিল বসাতেই সামির ধড়ফড়িয়ে উঠে বসে। ঘুটঘুটে অন্ধকারে কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছে না। আরিয়ান তাড়াতাড়ি করে ফোনের লাইট অন করে বলে।
‘ আমি ওয়াশরুমে যাবো, আমার সঙ্গে আয়’
সামিরের সাধের ঘুম ভাঙাতে ওর হয় মেজাজ খারাপ। বিরক্ত হয়ে বলে।
‘ যাবি যাবি তুই ওয়াশরুমে যাবি, আমি কি তোকে কোলে নিয়ে যাবো’?
‘ অপরিচিত জায়গা, তুই সঙ্গে আয় ভাই। আমি আর পারছিনা, খুব জরুরি ‘
বলেই আরিয়ান দ্রুত বিছানা ছেড়ে উঠে হাটা ধরে। সামির চোখ ডলে ফোনের আলো ধরিয়ে মনে মনে ওকে গালাগাল করতে করতে পিছুপিছু যায়।
ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আরিয়ান যখন কল পাড়ে ওজু করে তখন আশেপাশে সামিরকে কোথাও পায়না। আরিয়ান বুঝলো এই শা/লা ওকে ফেলে রেখে আবার গিয়ে ঘুমিয়েছে। আরিয়ান কল চেপে পা ধুতেই আচমকা দু’টো ঢিল এসে ঢপ ঢপ করে পড়লো পাশের বড়ো পুকুরে। সঙ্গে সঙ্গে আরিয়ান চমকে উঠে কল চাপা বাদ দিয়ে স্থির হয়ে দাড়িয়ে রইলো। সামান্য হলেও ভয় পেয়েছে ও। এমনিতে অপরিচিত এলাকা তারউপর আচমকা এমন ভুতুড়ে শব্দ।
আরিয়ান কয়েক সেকেন্ড ওভাবে স্থির হয়ে দাড়িয়ে যখন উল্টো ঘুরে পা বাড়ালো সামনে তৃতীয় মাটির ঢিল এসে লাগলো ওর পিঠে। এবার আরিয়ান চমকে ওঠার পাশাপাশি ভয় পেয়েছে বেশ। সঙ্গে সঙ্গে ওর মুখ থেকে বিড়বিড় করে বের হলো।
‘ লা ইলাহা ইল্লা আনতা.. ‘
ওতোটুকু পড়েই ও ভো দৌড় দিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই বিপরীতে এক বিকট চিৎকার দিয়ে লোপা নামের মেয়েটি ততক্ষণে বেহুশ হয়ে পড়ে রইলো বেতের সোফার উপর। বসার ঘরে আদো আদো ড্রিম লাইটের আলোয় আরিয়ান কোনোরকমে আবয়ব টুকু দেখলো তার। মিনিটের মধ্যে যখন নিচ তালার বন্ধ ঘর গুলো থেকে আলোর ছটা খেলে গেলো আরিয়ান বুঝলো এখানে দাড়িয়ে থাকা মানে নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনা। আরিয়ান পুনরায় আরেকবার ছুটে গিয়ে ওদের জন্য বরাদ্দ রাখা ঘরটাতে গিয়ে খিল আটে। খিল এঁটে ও যখন ঘুরে দাঁড়ায় তখন দেখে বিছানা পুরো ফাঁকা। সামির নেই কোথাও। আরিয়ান বুঝে উঠতে পারছেনা এই ব্যাটা সামির আবার কই গেলো?
ইতিমধ্যে আরিয়ানের কানে আসে এবাড়ির মানুষের সোরগোল। ও দরজা হালকা ফাঁকা করে দেখলো সবাই ছুটে এসে লোপার পাশ ঘিরে বসেছে। দোতলা থেকে ধারা,লুইপা, ওয়াসিফ ও গেছে। আরিয়ান পড়েছে মহা মুসিবতে।
শাহেনূর, সামিরা আর পারুল বুঝে উঠতে পারছেনা হঠাৎ হলোটা কি তাদের মেয়ের? লুইপা দৌড়ে গিয়ে জগ ভরে পানি এনে মায়ের হাতে দিতেই পানি ছেটাতেই পিটপিট করে চোখ মেলে লোপা।
পারুল মেয়ের পাশ ঘেঁষে বসে জিজ্ঞেস করে।
‘ এই মেয়ে তোর হইছিলো কি’?
লোপা ওর আশেপাশে বাড়ির সবাই কে দেখতে পেয়ে বুকে হাত চেপে জোরে শ্বাস নিয়ে বলে।
‘ ভয় পাইছি আম্মা ‘
শাহেনূর উদগ্রীব হয়ে জিজ্ঞেস করে।
‘ কিভাবে ভয় পেলি মা’?
‘ আমি পানি খেতে নিচে এসেছি, সদর দরজা খোলা ছিলো। হঠাৎ ই দেখলাম এক লম্বা মতো কালো ছায়া আমার দিকে দৌড়ে.. ‘
লোপার কথা শুনে সবাই এক যোগে দরজার দিকে চেয়ে দেখে, সত্যি ই সদর দরজা তখন হা করে খোলা। ওয়াসিফ দরজার দিকে এগিয়ে এদিকে ওদিকে উঁকি ঝুঁকি দিতে থাকে তবে কাউকেই দেখেনা। ওয়াসিফ সবার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে।
‘ কে খুলেছে দরজা? বাইরে আছে কে’?
সবাই এক যোগে বলে।
‘ নাহ, আমরা তো কেউ বাইরে বের হয়নি’
ওয়াসিফ আর কিছু বলেনা, একহাতে দরজা টেনে ছিটকিনি তুলে বন্ধ করে দেয়। শুধু বন্ধ ই করেনা। এবার একটা তালা ঝুলিয়ে দেয়।
‘ যাও গিয়ে ঘুমাও সবাই’
সবাই একে একে ঘরে যায়। ধারা একবার ওয়াসিফের দিকে তাকিয়ে লুইপার হাত টেনে নিয়ে দোতলায় ওঠে। লোপা গিয়ে ঢুকেছে বড়ো আম্মার ঘরে। ও আজ আর একা ঘুমাবেনা। সবার শেষে ওয়াসিফ ঘরে যায়।
আরিয়ানের ফোনে লাগাতার কল দিয়ে যাচ্ছে সামির। ফোন সাইলেন্ট থাকায় আরিয়ান তা টের পায় না। ও এতোক্ষণ দরজার ফাঁক থেকে নিচ তালার কাহিনি দেখছিলো। যখন ফোনের দিকে তাকায় দেখলো চল্লিশের উপর মিসডকল। ও তাড়াতাড়ি করে কল ব্যাক করতেই ওপাশ থেকে সামির মিনমিন করে বলে ওঠে।
‘ তোকে ঢিল আমি ছুড়েছি ভাই, মাফ কর। এখন আমি ঘরের বাইরে রয়ে গেছি, আমাকে ভেতরে নে’
আরিয়ানের হলো মেজাজ খারাপ। মাঝরাতে নিরুপায় হয়ে যাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে ওয়াশরুমে গেলো সেই বান্দা ওর গায়ে ঢিল ছুড়ে মশকরা করে। রাগে দাঁত কিড়মিড় করে আরিয়ান বলে।
‘ শা/লা তুই বাইরেই থাক। তোর জন্য এতো কাহিনি হয়ে গেলো। ‘
পরপর আবার বলে।
‘ এই তুই এই বারান্দার সামনে সোজাসুজি দাঁড়া, এই উপর থেকে এখন আমি তোর মাথায় ফুলের টব ফেলবো’
সামির ওপাশ থেকে আকুতি মিনতি করে বলে।
‘ ভাই মাফ কর, আমাকে ভেতরে ঢোকা’
আরিয়ান স্পষ্ট করে বলে।
‘ সম্ভব না, স্যার দরজায় তালা মেরেছে। এ বাড়ির মেয়ে গুলোর বোধহয় ইটিশপিটিশ রোগ আছে। স্যার এদের মোটেও বিশ্বাস করে না। তালা মেরে দিয়েছে’
বাইরে মশার কামড়ে বিরক্ত হয়ে সামির বলে।
‘ তোর পেটের মধ্যে আরো দুটো কামড় মাড়ুক তখন বুঝবি’
আরিয়ান গা কাপিয়ে হেসে উঠে বলে।
‘ আমার কথা বাদ দিয়ে তুই কিভাবে ঘরে আসবি সেই চিন্তা কর’
‘ স্যার কি চাবি নিয়ে ঘরে গেছে ‘?
‘ তা তো দেখিনি ‘
‘ তাহলে তুই দেখলিটা কি? চাবিটা ম্যানেজ কর’
‘ আচ্ছা দেখছি, ওয়েট’
চলবে
আপনাদের এতো অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত। যারা গল্প পড়ছেন অবশ্য একটু কষ্ট করে রেসপন্স করে যাবেন। এই অংশে ২ হাজার+ রেসপন্স উঠলে পরবর্তী অংশ পোস্ট করা হবে। ততক্ষণে আমি ১২ পর্বের ২য় অংশ লিখতে থাকি।
Share On:
TAGS: ঐশী রহমান, মেজর ওয়াসিফ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১১
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৮
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৩
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৫
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৯
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ২
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৪
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ৬
-
মেজর ওয়াসিফ গল্পের লিংক
-
মেজর ওয়াসিফ পর্ব ১