মেঘের ওপারে আলো
পর্ব_৪
Tahmina_Akhter
[🚫আমার অনুমতি ছাড়া আমার গল্প কপি এবং কার্টেসি ছাড়া পোস্ট করা নিষিদ্ধ]
— এবার তুইও বিয়েটা সেরে ফেল, মেঘালয়। আমার থেকে যেহেতু তুই আধঘন্টার ছোট। সেহেতু তোর উচিত আমার বিয়ের আধঘন্টা পর বিয়ে করে ফেলা।
কাব্যর ওপরে একটা বালিশ ছুঁড়ে দিলো মেঘালয়। কাব্য বালিশ ধরে ফেলল। তারপর হাসতে হাসতে আবারও মেঘালয়ের দিকে ছুঁড়ে দিলো। মেঘালয় বালিশটা ক্যাচ করে ধরে ফেলল। তারপর কোলের ওপর হাতদুটো রেখে বলল,
— বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করার আগে মনে ছিল না তোমার? এখন কেন এসব বলছো ভাই?
— বিয়ের মত একটা কঠিন সিদ্ধান্তের সময় এতকিছু মনে থাকে নাকি?
কাব্যের কথা শুনে মাহরীন এবং মেঘালয় দু’জনে হেসে ফেলল। কাব্য এবার মাহরীনের দিকে ফিরে বলল,
— মাশফি ভাইয়ের আসার ব্যাপারে কোনো কনফার্মেশন পেয়েছো মা?
— আজ রাতের ফ্লাইটে আসবে। মাশফির বউয়ের নাকি শরীর ভালো ছিল না। তাই ফিরে আসতে দেরি হচ্ছে।
— বাহানা সব। এত লো ক্লাস মেন্টালিটির মেয়ের চক্করে তোমার ছেলে পরল কি করে? বিয়ের পর নিজের শ্বশুরবাড়িতে আসতে চায় না। না আসার জন্য তার হাজারটা অজুহাত তৈরি থাকে।
কাব্যের কথা শুনে মাহরীন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
— ভাইয়ের বউয়ের বদনাম করিস না কাব্য। আমার ভাগ্য হয়ত ছেলের বউয়ের আদর নেই। মাঝেমাঝে হতাশ লাগে। তিনটা ছেলে তো আল্লাহ পাক দিয়েছেন কিন্তু একটা মেয়ে যদি দিতেন। মনের দুঃখ মেয়ের কাছে বলতে পারতাম। গল্প করতাম। ছেলের বউয়ের সঙ্গে কি সব কথা বলা যায়? কোন কথা কোন ভাবে ধরে মাইন্ড করে বসে থাকে?
মেঘালয় তার মায়ের মলিন মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। কি নেই তাদের? সব আছে। কিন্তু, তার মায়ের সারাজীবনের একটা আক্ষেপ রইল। মেয়ে নেই। কাব্য এগিয়ে গিয়ে মাহরীনের হাত ধরে বলল,
— আমরাই তোমার ছেলে, আমরাই তোমার মেয়ে। গল্প আমাদের সঙ্গে করবে, মা। এই যে সারাদিনের এতশত ব্যস্ততার মাঝেও তোমার পাশে এসে কেন বসি? আমাদের গল্প তোমার সঙ্গে বলার জন্য। তোমার গল্প শোনার জন্য আমরা বসে থাকি।
— আগে তিনজন আসতি এই ঘরে। আমার মাশফি, কাব্য, মেঘালয়। মাশফি বিয়ের পর আর সময় পেলো না এই ঘরে আসার। মাঝে মাঝে দু’চারটা কথা বলে, ফুরসত পেলে। তোরও বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তুইও আর আসবি না হয়ত। তোর বাবা মারা যাবার পর থেকে ধীরে ধীরে একাকীত্বে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি রে ।
কাব্য আর মেঘালয় স্তব্ধ হয়ে গেছে তাদের মায়ের কথা শুনে। মায়েরাও যে একদিন সন্তানকে কাছে পেতে ছটফট করে। আজই প্রথম অনুভব করল তারা। অথচ, সন্তানের সময় কই মাকে দেয়ার জন্য? অথচ, এই মা একদিন সন্তানদের হাজারও কাজ এবং ব্যস্ততার ভীড়ে সময় দিয়েছে। ছোটবেলায় বুকে জড়িয়ে ঘুম পাড়িয়েছে। কতশত রাত নির্ঘুম কাটিয়েছে সন্তানের জন্য।
আলো টিউশনি শেষ করে বাসায় ফিরে এলো। এখন ঘরের অবস্থা দুপুরের মত নেই। স্বাভাবিক আছে। আফসার সাহেব টিভিতে নিউজ দেখছেন। সিতারা বেগম রান্না করছেন। আলো নিজের ঘরে গিয়ে ব্যাগটা রেখে সোজা চলে গেল তার মায়ের কাছে।
— মা, ভাত দাও।
আলোর কথা শুনেও জবাব দেয় না সিতারা। আলো দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। রান্নাঘর থেকে বের হয়ে যাবে ঠিক সেই মূহুর্তে সিতারা বেগম ডাক দিয়ে দায়সারাভাবে বললেন,
— টেবিলে রাখা আছে খেয়ে নে। নয়ত আবার তোর বাপের কাছে গিয়ে বলবি, সৎ মা বলে ভাত খেতে দেয়নি।
আলো দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। রোজ রোজ এমন কথা শুনতে শুনতে এখন গায়ে সয়ে গেছে। দুপুরে না খেয়ে এখন রাতের খাবার খেতে এসেও যদি এমন কটুকথা শুনতে হয় তাহলে আর কি’বা বলার আছে আলোর! অবশ্য বাবাকে বলেও না এসব কথা। কিন্তু, বাবা টের পেয়ে যায়।
কোনোমতে ভাত খেয়ে নিলো আলো। তারপর, বিয়ের কার্ডটা হাতে নিয়ে তার বাবার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইল বেশ অনেকটা সময় ধরে। কাব্য স্যারের বিয়ের ব্যাপারটা নিয়ে একবার আলাপ করতে মন চাইছে তো। আরেকবার বলতে মন চাইছে না। কিন্তু, দাওয়াতে না গেলে কাব্য স্যার সত্যি সত্যি তার বাাড়িতে চলে আসতে পারে। কারণ,স্যার অনেকটা নিজ মন মর্জিতে চলা মানুষ।
— কি রে কিছু বলবি আলো?
আফসার সাহেব টিভির পর্দায় চোখ রেখে প্রশ্ন করলেন। আলো নিজেকে প্রস্তুত করল কথাগুলো বলার জন্য। বিয়ের কার্ডটা আফসার সাহেবের দিকে বাড়িয়ে দিলো আলো। আফসার সাহেব টিভির পর্দা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে কার্ডের ওপরে রাখল। তারপর, খানিকটা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে কার্ড হাতে নিয়ে বলল,
— কার বিয়ের কার্ড?
— আমাদের কোচিং সেন্টারের যে অংক করায়। সেই কাব্য স্যারের বিয়ের কার্ড। সবাইকে দাওয়াত করেছে।
— যাওয়ার দরকার নেই।
আফসার সাহেব নিজের পাশেই ইনভাইটেশন কার্ড রেখে জবাব দিলেন। আলো জানত তার বাবা রাজি হবে না৷
— সবাইকে স্যার কার্ড দিয়ে দাওয়াত করেছে। কিন্তু, আমাকে প্রায় জোর দিয়ে বলেছে, আমার বিয়েতে যেতেই হবে। যদি না যাই স্যার নাকি আমাদের বাড়িতে চলে আসবে।
আলোর কথা শুনে আফসার সাহেব আবারও কার্ড হাতে নিয়ে খুলে দেখলেন। তারপর,আলোর দিকে তাকিয়ে বললেন,
— শুক্রবারে বিয়ে হবে?
— হ্যা,বাবা।
— গিফট কি দেয়া যায়?
— উনারা বিরাট বড়লোক, বাবা৷ স্টুডেন্টদের নাকি গিফট দেয়া লাগবে না। উনার বিয়েতে উপস্থিত হলেই নাকি চলবে।
আফসার সাহেব চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর, দীর্ঘ্শ্বাস ফেলে বললেন,
— চল তুই আর আমি মার্কেটে যাই। নতুন ড্রেস কেনা লাগবে তো নাকি?
আলো অবাক হয়ে যায় তার বাবার কথা শুনে! আলো চায়নি মুখে ফুটে তার আগেই কি করে তার বাবা বুঝতে পারল যে, তার আসলে নতুন ড্রেস দরকার?
আলোর হুট করে মন চাইল, তার বাবাকে জড়িয়ে ধরতে, ঠিক যেভাবে ছোটবেলায় জড়িয়ে ধরত কোনো বায়না পূরন হবার পর। আলোর আজ কেন যেন মনে হলো বড় হয়ে যাওয়াটা আসলেই বিরক্তিকর। হুটহাট মন চাইলেও বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠিক ছোটবেলার লেপ্টে থাকা যায় না। কেমন জড়তা কাজ করে? বাবা আছে বলেই তো বেঁচে আছে সে নয়ত আলো সেই কবেই মরে যেত?
–বাপ-বেটি মিলে কোথায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছে?
সিতারা বেগম রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে প্রশ্ন করল। আফসার সাহেব ওয়ালেট প্যান্টের পকেটে ঢুকিয়ে বললেন,
— আলো অনেকদিন হলো কোথাও যায় না। তাই ভাবলাম ওকে নিয়ে একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসি।
— রোজই তো রাস্তায় হেঁটে কলেজে কোচিংয়ে যাচ্ছে। সেগুলো কি বাইরে যাওয়া হচ্ছে না?
সিতারা বেগমের কথায় জবাব দিতে ইচ্ছে করল না আফসার সাহেবের৷ পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন আলোর ঘরের সামনে। ঠিক তখনি আলো বেরিয়ে এলো ঘর থেকে। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে আফসার সাহেব বের হয়ে গেলেন মার্কেটের উদ্দেশ্যে।
পুরো মার্কেট খুঁজে মেয়ের জন্য চমৎকার একটা সাদা কাতান শাড়ি পছন্দ হলো আফসার সাহেবের। সোনালি পাড়ের সাদা শাড়ি। সোনালি জড়ি সুতার পদ্মফুল ফুটে আছে পুরো শাড়ি জুড়ে। আলো অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল অনেকক্ষণ। তারপর, তার বাবাকে উদ্দেশ্য করে বলল,
— বাবা আমাকে এই রঙের শাড়িতে মানাবে না। অন্য রঙের দেখো।
আফসার সাহেব মেয়ের কথার ভাবার্থের মানে খুঁজলেন। পরমূহুর্তে যখন বুঝতে পারলেন তখন আলোর মাথায় হাত রেখে মায়ামাখা আদুরে সুরে বললেন,
— দিনের শুভ্র আলোতে যেমন আমরা বাস করি। ঠিক তেমনি রাতের নিকষ কালো আঁধারেও আমরা বাস করি। যেখাানে সৃষ্টিকর্তা তার পুরো সৃষ্টির একাংশ সাদা কালো রঙ দিয়ে রাঙিয়েছেন সেখানে তোর এত হীনমন্যতা কেন? তোকেও তো সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছেন।
আলো তার বাবার দিকে তাকিয়ে রইল। মানুষটা এত চমৎকার গুছিয়ে কথা বলতে পারে! কথার জাদুকর তার বাবা। এই যে হুট করে আলোর মনে হচ্ছে শুভ্র রঙ গায়ে জড়ালে দোষ কি? এই পৃথিবীর সকল রঙ, সৌন্দর্য, খুঁত সবই তো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। মানুষ কি পেরেছে সৃষ্টি করতে?
দোকানদারের কাছে শাড়ির বিল মিটিয়ে আফসার সাহেব আলোর হাত ধরল। আলো চমকে গেল। আফসার সাহেব মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল,
–কালোর গভীরতা ছুঁয়ে যায় আত্মার অন্তঃস্থল, সাদা শুধু বাহ্যিক দ্যুতি এবং আর্কষনের বস্তু মাত্র।
আলো সেই কঠিন দুটো বাক্যের মানে বুঝতে চায়। কিন্তু বুঝতে পারে না।
— চল,আজ আমরা ফুচকা খাই বাপ-বেটি মিলে। তোকে নিয়ে শেষ করবে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম মনে নেই রে আলো।
আফসার দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। আলোর এবার হটাৎ করে কেন যেন কান্না পেলো। তার বাবার এত আদরের, এত স্নেহের, তাকে আগলে রাখার ঋণ কি কখনো শোধ করতে পারবে?
আজ শুক্রবার। কাব্য এবং ইতির বিয়ে। ইতিমধ্যে জুম্মার নামাজের পর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। মেহমান আসছে ধীরে ধীরে। কাব্যর কিছু কিছু স্টুডেন্টরা চলে এসেছে।
একটা রিকশা এসে থামল জিইসি কনভেনশন সেন্টারের সামনে। প্রথমে নিতু নেমে এলে তারপর আলো। নিতু সত্যি সত্যি ব্লু রঙের একটা গাউন পরে এসেছে। আর আলো তার বাবার কিনে দেয়া সোনালী পাড়ের সাদা শাড়ি। চোখের কোল ঘেসে কাজলের রেখা ফুটে আছে। চুলগুলো বেলিফুলের বাঁধনে আটকে রাখা। গহনাবিহীন মুখটার দিকে তাকিয়ে খানিকটা বিরক্ত হলো পুতুল। মুখ ভেংচি কেটে আলোকে বলল,
— তোর কি কোনো বুদ্ধিসুদ্ধি নেই আলো? এত ফকফকা সাদা শাড়ি তোকে কে পরতে বলেছে? শুধু গায়ে জড়ালে হবে? মানানসই হতে হবে না?
আলো খানিকক্ষণ চুপ রইল পুতুলের কথা শুনে। কষ্ট পেয়েছে বান্ধবীর কথা শুনে। তবুও মুখে হাসি ফুটিয়ে পুতুলকে বলল,
— আমি তো জানি না আমাকে মানিয়েছে কিনা? কিন্তু, আমার বাবা এখানে আসার আগে আমাকে শাড়িতে দেখে বলেছে,আমাকে মানিয়েছে,সুন্দর লাগছে দেখতে। বাবা যেহেতু বলেছে তাহলে আমাকে সত্যি শাড়িতে মানিয়েছে। কারণ, আমার বাবা আমাকে ভীষন ভালোবাসে। এবং বাবার সেই ভালোবাসার জোরেই হয়ত বাবার চোখে আমাকে সুন্দর লেগেছে। এখন কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, পছন্দ না করে তাহলে হাজার সুন্দর দেখালেও, ভালো লাগছে কিংবা মানিয়েছে বলবে না। সেখানে তো আমি কালো বটে।
পুতুলের মুখের ওপর কথাগুলো যেন থাপ্পড়ের মত পরল। আলোর কথাগুলো শুনে সে চুপসে যায়। মেয়েটার অতি বিচক্ষণতা মাঝে মাঝে পুতুলকে ভারি আশ্চর্য করে তোলে।
কাব্য এবং তার নববধূ ইতির সঙ্গে আলো এবং পুতুল গিয়ে দেখা করল স্টেজে। ইতি তো আলোর সঙ্গে পরিচয় হবার পর বলেই ফেলল ” শুভ্র রঙে কৃষ্ণবতী “। আলো ভীষণ লজ্জা পেলো ইতির কথায়। এবার আলো পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে নেমে পরল।
হুট করে কারো সঙ্গে আলোর ধাক্কা লাগল। আলো “সরি” বলতে বলতে মানুষটার মুখের দিকে তাকালো। এবং যাকে দেখতে পেলো তাকে দেখেই আলো ভীষণ আশ্চর্যবোধ করল। আলোর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা হুট করে আলোর হাত শক্ত করে ধরল তারপর নরমসুরে বলল,
— কেমন আছো,তুমি? তুমি জানো না তোমাকে আমি এবং আমার ছেলে কত খুঁজেছি? প্রায় হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম তোমাকে পাব না ভেবে। কিন্তু, সৃষ্টিকর্তা আমাকে তার প্রতি নিরাশ করলেন না। অবশেষে, তোমাকে আজ পেয়েছি আমি।
আলোর সামনে দাঁড়িয়ে আছে সেই সুশ্রী রূপের নারী। যাকে কয়েকদিন আগে আলো সাহায্য করেছিল। যার ছেলে আলোর কাছে আলোর খোঁজ করতে গিয়েছিল বলে, আলো মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু, লাভ কি হলো?
—- মা, তোমাকে বড় চাচ্চু ডাকছে। কাবিনের টাকার ব্যাপারে কি যেন জানতে..
বাকি কথা বলতে পারল না মেঘালয়। তার মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শুভ্ররঙা শাড়িতে সেই মেয়েটাকে দেখে ভীষণ অবাক হলো মেঘালয়। কারণ, মেয়েটার একহাত তার মায়ের হাতের মুঠোয়ে বন্দি। কিন্তু, আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে মেয়েটা আজও তার দিকে বিরক্ত চোখে তাকিয়ে আছে! কিন্তু, কেন?
চলবে….
[আসসালামু আলাইকুম। গল্পটাকে নিয়ে আমি চরম হতাশ। এত এত কপি হচ্ছে। এআই দিয়ে পোস্ট হচ্ছে। তবুও যারা এতকিছুর পরও আমার পেজে Tahmina Akther – তাহমিনা আক্তার যুক্ত হয়েছেন এবং আমার গল্প পড়ছেন তাদের প্রতি রইল অনাবিল ভালোবাসা। এবং আমার পেইজে গল্প পড়ার অনুরোধ রইল।
নয়ত কিছু অসাধু মানুষের লেখা ভুলভাল গল্প পড়তে হবে আপনাদের। অনেকের কমেন্টের রিপ্লাই দিতে পারছি না ভেবে কষ্ট পাচ্ছি। কোথাও যদি কপি হতে দেখেছেন, আমাকে কনফার্ম করবেন। ধন্যবাদ। ]
Share On:
TAGS: তাহমিনা আক্তার, মেঘের ওপারে আলো
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৮
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ৭
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১২
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ১৮
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৭
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ৩১
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৪
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ২৬
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব ৬
-
মেঘের ওপারে আলো পর্ব (৮+৯+১০)