Golpo romantic golpo মেঘের ওপারে আলো গল্পের লিংক

মেঘের ওপারে আলো পর্ব ৩


মেঘেরওপারেআলো

পর্ব_৩

Tahmina_Akhter [🚫আমার অনুমতি ছাড়া কপি এবং কার্টেসি ছাড়া গল্প পোস্ট করা নিষিদ্ধ]

— আলো! তুই ভরদুপুরে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?

আলো নিজের নাম শুনে পেছনে ফিরে তাকাল। তার বাবা ডাকছে তাকে। বাবাকে দেখে আলো স্বস্তি পেল যেন। পরক্ষনেই সেই যুবকের দিকে ফিরে বলল,

— যার নাম জানেন না তাকে এভাবে খুঁজে পাবেন না আপনি। হয়ত আমরা একই কলেজে পড়ি। কিন্তু জনে জনে গিয়ে তো আর কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারব না। গতকাল কেউ কারো সাহায্য করেছিল কিনা ?

—- চেষ্টা করলে সবই সম্ভব! আপনি বুঝতে পারছেন না, আমি কেন তাকে খুঁজছি? আমার মায়ের…

— আলো?

বাবার ডাক শুনে আলো এবার মানুষটাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে দ্রুত এগিয়ে যায় ওর বাবার কাছে।

— ছেলেটা কে আলো? আফসার সাহেব আলোকে জিজ্ঞেস করলেন।

— আমি চিনি না বাবা। কারো খোঁজ চাইছেন? বাদ দাও এই ব্যাপার। বিশ টাকা আছে?

— আছে। কি করবি?

আলো ঘটনা খুলে বলল। আফসার সাহেব সবটা শুনে আলোর খালি পায়ের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। তারপর, আলোর হাত ধরে বললেন,

— চল আমার সঙ্গে।

আলোকে সঙ্গে নিয়ে মুচির দোকানের দিকে এগিয়ে গেলেন। মুচি আলোকে দেখে বিরক্তি নিয়ে বলল,

— ট্যাহা আনছো?

— এনেছে। কিন্তু, বিশ টাকার জন্য একটা ছোট মেয়েকে এভাবে হেনস্তা করার কোনো মানে আছে? আমি রেলওয়েতে চাকরি করি। আমার বাসা এখানে। আমার মেয়েকে সামান্য বিশ টাকার জন্য আপনি..।

— ভাই মাফ কইরা দেন। চিনতে পারি নাই আপনার মাইয়ারে। যদি চিনতাম তাইলে কি আর জুতা আটকায়ে রাখতাম? নেও মামুনি তোমার জুতা।

মুচি জুতাজোড়া এগিয়ে দিলো আলোর দিকে। আলো জুতা জোড়া পায়ে পরল। আফসার সাহেব টাকা দিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলো। আলো চোখ ঘুরিয়ে এদিকসেদিক তাকাল। কিন্তু, “মেঘালয়” নামক মানুষটাকে দেখতে পেলো না। চলে গেছে নিশ্চয়ই?

“সত্য কেন যেন বলতে চাইল না! মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে তাই। বড়লোকদের আবার উপকারের বিনিময়ে টাকা দিয়ে সাহায্য করার প্রবণতা আছে। আলোর এসব ভালো লাগেনা। নিজেকে কেমন নীচু শ্রেণীর মানুষ মনে হয়? গরীবদের হয়ত টাকা কম থাকতে পারে? কিন্তু তাদের অনেক আত্মসম্মানবোধ আছে! বিনা পরিশ্রমে টাকা নেয়াটা তাদের কাছে দয়ার সামগ্রী গ্রহণের মত মনে হয়।”

এই তো আজই শেষ। আর কখনোই হয়ত এই এলাকায় আলোর খোঁজে আসবে না আর মানুষটা । তাছাড়া, নাম না জানা একটা মানুষকে কিভাবে খুঁজবে?

আলো এসব ভেবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে চলল বাবার পেছনে পেছনে।

বাড়িতে ঢোকার পর কয়েকজন অচেনা মানুষকে দেখে থমকে যায় আলো।
সিতারা বেগমের চোখ রাঙানি দেখে অচেনা মানুষদের উদ্দেশ্য সালাম দিলো আলো। বুঝতে পেরেছে তাকে দেখতে পাত্রপক্ষ এসেছে।

— ঘরে গিয়ে হাতমুখ ধুয়ে আয়।

সিতারা বেগম চোখ রাঙিয়ে কথাটি বলল। আলো মাথা নাড়িয়ে ভেতরে চলে গেল।

— মেয়ে তো কালো।

পাত্রপক্ষের একজন কথাটি বলে উঠল। সিতারা বেগমের চেহারায় অন্ধকার নেমে এলো। আফসার সাহেব তাদের মুখ থেকে এহেন কথা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেছেন।

— ছবিতে সুন্দর দেখা যাচ্ছিল বলেই তো এলাম আমরা। কিন্তু মেয়ে তো কালো। কি দিনকাল এলো? ফিল্টার দিয়ে ছবি তুলে কালো মেয়েকে সুন্দর দেখায়। এভাবে ধোঁকা দেয়ার কোনো মানে আছে?

কথাগুলো শুনে আর চুপ থাকতে পারল না আফসার সাহেব। রেগে গেলেন। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর, সিতারা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললেন,

— মেহমানদের খাইয়ে বিদায় করো সিতারা। আর তাদের বলে দিও আমার কালো মেয়ের পায়ের নখের যোগ্য তারা নয়।

কথাগুলো বলে অপেক্ষা করলেন না আফসার সাহেব। এদিকে সিতারা বেগম মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। পাত্রপক্ষের মানুষের মুখ অপমানে থমথম করছে। তারা উঠে চলে যেতে যেতে সিতারা বেগমকে উদ্দেশ্য করে বলে গেলেন,

— মেয়েকে ঘরের মেঝেতে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখতে। এই জীবনেও বিয়ে দিতে পারবে না মেয়েকে। মেয়ের বাবাদের থাকতে হয় নরম সরম হয়ে। কত কত সুন্দরী মেয়েদের বাবারা মিইয়ে যায় পাত্রপক্ষের সামনে! আর সেখানে এমন কালো মেয়ের বাবার এত দেমাক! কিসের অহমিকায়? মেয়ের নাই রুপের বাহার!

সিতারা বেগম রেগেমেগে ছুটে গেলেন আফসার সাহেবের কাছে। আফসার সাহেব সবেমাত্র পরনের কাপড় ছেড়ে লুঙ্গি পরে কাঁধে গামছা নিয়ে গোসল করার জন্য ঘর থেকে বের হচ্ছিলেন। সিতারা বেগম উনার পথ আগলে দাঁড়ালেন।

— তোমার মেয়ের কোন গুনের বিচারে তুমি অহংকার করছো আফসার?

— আমার মেয়ের গায়ের রঙ এবং শরীরের একটা ত্রুটি বাদে সব গুন আছে। লেখাপড়ায় ভালো, এই এলাকার কয়েকটা ভদ্র মেয়ের নামের মধ্যে আমার আলোর নাম আছে। তোমার শারীরিক মারধরের ভয়ে হোক মেয়েটা গৃহস্থালি কাজও আয়ত্ত করেছে খুবই অল্প বয়সে।

— তুমি বলতে চাইছো, আমি তোমার মেয়েকে মেরেছি? সৎ মা বলেই কথাটি বললে, যদি আপন মা হতাম তখন কি এই কথাটি বলতে পারতে?

সিতারা বেগমের কথা শুনে আফসার সাহেব মলিন হেসে বললেন,

— তুমি আমার আলো আপন মা যদি হতে তাহলে কি আর মেয়ের ত্রুটি, গায়ের রং নিয়ে বলতে? কিন্তু, তুমি বারবার আমার মেয়েকে ছোট করে কথা বলো। অথচ এসবের মাঝে আলোর কোনো দোষ নেই। কালো, ফর্সা সবই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। রোগ সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন। এবং সারিয়ে তুলেছেন।

— সৃষ্টিকর্তা যদি ভালো করে থাকেন তাহলে অতগুলো টাকা, কেন তুমি লোন নিয়েছিলে? মাসে মাসে সরকারি চাকরির বেতন থেকে যে টাকা কেটে রাখছে, সেগুলো কার পেছনে খরচ করেছো?

সিতারা বেগম রাগে অন্ধ হয়ে গেছেন। আফসার সাহেব বিস্মিত হয়ে বললেন,

— তুমি রাগে, ঈর্ষায় অন্ধ হয়ে গেছো সিতারা! আলো আমার মেয়ে, আমার উত্তরাধিকার। ওর পেছনে খরচ করব না তো কার পেছনে খরচ করব?

— আলো? আলো? আলো? এতগুলো বছরের সংসারে তুমি কখনো আমার কথা চিন্তা করো নাই আফসার। তুমি শুধু তোমার মেয়ের জন্য চিন্তা করলে! আমি তাহলে কেন আছি এই সংসারে? কি পেয়েছি আমি আফসার? এই জন্য আমার দাদি বলতো ” সতীন ভালো, সতীনের কাটাকুটা ভালো না” সতিন তো মরেই গেছে আমার জন্য তার বাচ্চাটারে রেখে গেছে।

সিতারা প্রথমে শোরগোল শুরু করলেন। তারপর কান্না শুরু করলেন। আফসার সাহেব অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন। তার অবর্তমানে যে মেয়েটার কি হবে ভেবেই এবার উনার দুশ্চিন্তা শুরু হলো!

বাবা-মায়ের সব কথাই শুনল আলো। আজ কেন যেন চোখের পানি এলো না৷ হয়ত চোখের পানি ফুরিয়ে গেছে। কত কাঁদবে আর? কিন্তু, কাঁদতে পারলে বোধহয় ভালো হত! বুকের মাঝে কি যেন চেপে আছে। হাসফাস লাগছে যে!

দুপুরে আর খাওয়া হলো না আলোর। আফসার সাহেব চলে গেলেন ডিউটিতে আর সিতারা বেগম ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে ছিলেন। এদিকে আলোর কোচিংয়ের সময় হয়ে গেছে। কোনোমতে মাথায় ওড়না দিয়ে ব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে পরল কোচিং-এর উদ্দেশ্য। পেটের খুদায় শরীরে শক্তি পাচ্ছিল না। তবুও নিজের শরীরটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আলো।

প্রথম ক্লাস হলো। তারপর দ্বিতীয় ক্লাস শুরু হলো। কাব্য স্যার ক্লাসরুম ঢুকতেই স্টুডেন্ট সবাই সালাম জানালো। কাব্য স্যার মুচকি হেসে বলল,

— তোমরা কি জানো? আজই তোমাদের সঙ্গে আমার শেষ ক্লাস?

প্রত্যেকটা স্টুডেন্ট প্রথমে অবাক হলো। পরক্ষণেই মন খারাপ করে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে মারে ” স্যার কেন? “

— কুল ডাউন, গাইজ! কুল ডাউন। লেট মি টেল ইউ? কিপ সাইলেন্ট? ওকে?

— ওকে স্যার।

— তোমরা তো জানোই, আমি স্কলারশিপের নিয়ে ইউকে যাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম। আমি স্কলারশিপ পেয়ে গেছি।

কাব্য খুশি হলেও ওর স্টুডেন্টরা যেন খুশি হতে পারল না খবরটা শুনে। এবার কাব্যর মন খারাপ হতে শুরু করল। কারণ, পাঁচ বছর ধরে এখানে আছে। বাচ্চাগুলো তাকে অনেক অনেক ভালোবাসে।

— দেখো আমার তো আর কোচিংয়ে পড়ালে হবে না। লেখাপড়া শেষ করতে হবে, ভালো চাকরি পেতে হবে।

সবাই মাথা নাড়ল। এবার কাব্য খুশী হয়ে বলল,

— আরেকটা গুড নিউজ দেই তোমাদের। আগামী শুক্রবার আমার বিয়ে। যদিও এখন বিয়ে করতাম না। দেশে ফিরে এসে করতাম। কিন্তু এখন মায়ের ইচ্ছে অনুযায়ী বিয়েটা করতে হচ্ছে। তোমাদের সবাইকে আমার বিয়েতে আমন্ত্রণ করা হলো। সবাই আসবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গায়ে হলুদ এবং শুক্রবারে বিয়ে। তোমরা সবাই আসবে। ইনভাইটেশন কার্ড আসবে কিছুক্ষণের মধ্যে। তোমরা কার্ডের দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী কনভেনশন সেন্টারে চলে যাবে। বুঝতে পেরেছো?

— ইয়েস স্যার।

একসাথে সবাই বলে উঠল। কাব্য মুচকি হেসে ফেলল। তারপর, একেবারে শেষের সাড়িতে বসে থাকা আলোকে উদ্দেশ্য করে বলল,

— তুমি কিন্তু ফাঁকি দিবে না মিস আলো! নয়ত আমি বাড়ি বয়ে নালিশ করে আসব তোমার বাবার কাছে। বুঝতে পেরেছো?

আলো হকচকিয়ে যায়। হ্যা বলবে নাকি না বলবে। বুঝে উঠতে পারল না। শেষমেশ বলেই ফেলল যে, সে যাবে। কাব্য খুশি হলো। এর ফাঁকে কার্ড চলে এলো। সবাইকে কার্ড বিলি করে চলে গেল কাব্য।

কোচিং ক্লাস আজকের মত সমাপ্ত। আলো এবং তার এক সহপাঠি। একসাথে হাঁটছিল। আলো যাবে টিউশনি পড়াতে আর মেয়েটা তার বাড়িতে ফিরবে। যেতে যেতে দুজনে আলাপ করছিল।

— আমার না খুব সুন্দর একটা ব্লু গাউন আছে। আমি সেই গাউন পরে স্যারের বিয়েতে যাব। তুই কি পরবি, আলো?

— জানি না আমি, পুতুল?

— ওমা না জানলে হবে? হাতে আছে আর মাত্র একদিন। আজই তো বুধবার। কাল বৃহস্পতিবার। স্যারের গায়ে হলুদ। শুক্রবারে বিয়ে।

— বাড়িতে গিয়ে বাবার সঙ্গে আলাপ করি তারপর দেখা যাবে। আমি যাব কি না?

পুতুল মুখ ভেংচি কেটে বলল,

— স্যার তোকে যেচে বলেছে বিয়েতে যাওয়ার জন্য। আর তুই কিনা তোর বাবার দোহায় দিচ্ছিস!

আলো জবাব দেয় না। কি বলবে সে? রোজ ভার্সিটি এবং কোচিংয়ে পরার জন্য তার কাছে আছে মাত্র তিনটা থ্রি-পিছ। ভালো কোনো ড্রেস নেই যার, তার কি কোনো বড়লোক স্যারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া সাজে ?

স্যার নাকি মনের আনন্দ থেকে কোচিংয়ে পড়াত। এমনিতেই তারা নাকি বিরাট বড়লোক। স্যারের বিয়ে নিশ্চয়ই সাদামাটা আয়োজনে হবে না! শুধুমাত্র পুরো কোচিংয়ে দুইশ স্টুডেন্ট এবং টিচার দশজনকে ইনভাইট যারা করে, তারা কি বিয়েতে সাদামাটা আয়োজন করবে?

আলোর এবার সত্যি নিজের ভাগ্যের ওপর বিরক্ত লাগছে। মাঝেমাঝে কেন আনন্দের মূহুর্তগুলো উপভোগ করতে পারে না। টাকা কারণেই কেন, সে এসব সুখ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে!


— মেঘালয়? খোঁজ পেয়েছিস শ্যামাকন্যার?

মেঘালয় অপরাধীর ন্যায় তাকালো তার মায়ের দিকে। ছেলের মলিন মুখ দেখে মাহরীন দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল। তারপর, মেঘালয়কে উদ্দেশ্য করে বলল,

— তুই মন খারাপ করছিস কেন? আল্লাহ চাইলে মেয়েটার সঙ্গে আমার দেখা হবে। তুই চেষ্টা করেছিস, এটাই তো অনেক।

—তুমি তো জানো না, মা? আজ একটা পাষাণ, শক্ত হৃদয়হীনার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। মেয়েটা যেই কলেজে পড়ে সেই শ্যামাকন্যাও নাকি একই কলেজে নাকি পড়ে। সেই হৃদয়হীনার কাছে খোঁজ নিতে চাইলাম। কিন্তু হৃদয়হীনা কি বিরক্ত নিয়ে যে তাকালো আমার দিকে! তার চোখের ভাষা যেন বলছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে বিরক্তিকর বস্তু তার চোখে বুঝি আমি ছিলাম তখন। তবুও আগ বাড়িয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলাম। কিন্তু সে আমার ওপর বিরক্ত, চরম বিরক্ত। আমার সাতাশ বছরের জীবনে এই প্রথম বোধহয় কেউ আমার ওপর বিরক্ত হলো! কিন্তু, কেন মা?

মেঘালয়ের মনের কথন মনে রয়ে গেল। মা’কে বলা হলো না এই কথাগুলো। বললে হয়ত তার মা হাসবে। কারণ, তার মায়ের মতে মেঘালয়কে কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না। মেঘালয় পর্বতের মত মানব মেঘালয়ের সৌন্দর্যকে কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না।

অথচ, তার মায়ের ধারণাকে কেউ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মেঘালয়কে কি সুক্ষ্মভাবে এড়িয়ে গেছে আজ! এমন অবজ্ঞার কথা কি আর মায়ের সঙ্গে বলা যায়? এমন অদ্ভুত বিষয় কেবল লুকিয়ে রাখতে হয়। নয়ত লজ্জা পেতে হবে যে!

— মা ছেলেতে মিলে কি নিয়ে আলাপ করছো?

কাব্য তার মা মাহরীনের পাশে বসতে বসতে কথাগুলো বলল। মেঘালয় মুচকি হেসে বলল,

— তোমার স্টুডেন্টদের ইনভাইটেশন কার্ড দেয়া শেষ?

— হ্যা, মাত্রই দিয়ে ফিরলাম।

— বেশ ভালো উদ্যেগ নিয়েছো দেখছি। স্যারের বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে অর্ধেক তার স্যারের স্টুডেন্ট যাবে। তোমার বউ জানে তো, তোমার পাগলামির কথা?

মেঘালয়ের কথায় হেসে ফেলল মাহরীন এবং কাব্য।

চলবে..

[আসসালামু আলাইকুম। গল্পটাকে নিয়ে আমি চরম হতাশ। এত এত কপি হচ্ছে। এআই দিয়ে পোস্ট হচ্ছে। তবুও যারা এতকিছুর পরও আমার পেজে যুক্ত হয়েছেন এবং আমার গল্প পড়ছেন তাদের প্রতি রইল অনাবিল ভালোবাসা। অনেকের কমেন্টের রিপ্লাই দিতে পারছি না ভেবে কষ্ট পাচ্ছি। কোথাও যদি কপি হতে দেখেছেন, আমাকে কনফার্ম করবেন। ধন্যবাদ। ]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply