Golpo romantic golpo মাই টক্সিক হাসব্যান্ড

মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১


(১৮+ এলার্ট)
এক গ্যাংস্টার মাফিয়ার সাথে টানা তিন ঘন্টা শারীরিক সম্পর্ক করার পর শরীরের অসহ্য ব্যাথায় নড়তে পারছে না কুহেলি তাজ রহমান। নিজের প্রতি ঘৃণা জন্মে গেছে এভাবে যে নিজের সব থেকে মূল্যবান সম্পদ নিজের ইজ্জত টা হারাতে হবে তা কখনোই ভাবে নি কুহেলি।

💜

চার ঘন্টা আগের কথা…..!
কুহেলির আজকে ক্লাবে প্রথম রাত..! হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন কুহেলি ক্লাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে..! কোনো মেয়েই চাই না এরকম বাজে জায়গায় কাজ করতে কিন্তু পরিস্থিতি অনেক মেয়ে কে বাধ্য করে এখানে কাজ করতে..! যেমন কুহেলি কে করেছে..! কুহেলির ভাগ্য টা বড্ডো নিষ্ঠুর মাত্র পাঁচ বছর বয়সে মা মারা যায় ওর বাবা আব্বাস রহমান ঘরে আনে নতুন বউ রিনা রহমান কে। তবে ওর বাবা ওকে ভিষন ভালোবাসতো তাই ওর সৎ মা রিনা রহমান কখনোই ওকে অবহেলা বা কটু কথা শুনাতে পারে নি।

“কিন্তু কথাই আছে না দুর্ভাগা যে দিয়ে যায় সেই দিকের সাগরও নাকি শুকিয়ে যায়…!”

কুহেলির বেলা তাই হয়। মাত্র দশ বয়স তখন ওর বাবা একটা এক্সিডেন্ট দুই পা হারায়। তারপর থেকে নেমে আসে ওদের সংসারে অভাব আর মাঝ খানের পাঁচ বছরে ওর একটা সৎ ভাই আর একটা সৎ বোন হয়। ভাইয়ের নাম সামি আর বোনের নাম সামিরা। সব কিছু মিলিয়ে কুহেলি দের ভিষন খারাপ অবস্থায় দিন কাটে। কিছু টাকা জমানো ছিলো ব্যাংকে সেখান থেকে প্রতিমাসে যা পেতো তা দিয়েই টেনে টুনে চলতো।

কিন্তু ওর বাবার এক্সিডেন্টের পর থেকে রিনা খানের ব্যবহার হয়ে উঠে বিষাক্ত কথাই কথাই কুহেলি কে মারা অত্যাচার করা ওনার স্বভাবে পরিণত হয়ে দাঁড়ায়। কুহেলির বাবা আব্বাস রহমান সব দেখতেন কিন্তু কিছু বলতে পারতেন না শুধু চোখের পানি ফেলতো। এভাবে চলে আটটা বছর এক দুই দিন নয়..! তবে আর সম্ভব হয় না কুহেলির এভাবে থাকার তাই এই পথ বেছে নেয়।

কুহেলি কে এক কথা বলে না হয়েছে যে তার দায়িত্ব শুধু একটাই সব মানুষের জন্য সেবা দেওয়া।কোনো পুরুষের সঙ্গে সময় কাটানো বা সম্পর্ক গড়ে তোলার কোনো প্রয়োজন নেই। তাই সে এখানে এসেছিল নিজের নিয়ম মেনে চলতে, কোনো অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা ছাড়া।

হঠাৎ একজন মেয়ে এগিয়ে এসে বললো,উপরের রুমে একজন স্যার রয়েছেন। ওনার জন্য ড্রিঙ্কস নিয়ে যেতে হবে।

কুহেলি কোনো কথা বাড়ালো না। তার মন শান্ত চোখে কোনো দ্বিধা নেই। এটি তার কাজ আর কাজের জায়গায় সে ব্যক্তিগত অনুভূতিকে কখনো ঢেকে রাখে। নিঃশব্দে সে ড্রিঙ্কসটি হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে উপরের দিকে পা বাড়াল।

উপরের সিঁড়ির প্রতিটি ধাপ যেন কুহেলির ধীর কিন্তু দৃঢ় মনোভাবকে প্রতিফলিত করছিল। সে জানে, এই ছোট ছোট দায়িত্বই তার জীবনের নিয়ম ও নৈতিকতার প্রতিফলন। আর এই চিন্তাভাবনায় নিজের ধ্যানমগ্নতায় সে ধীরে ধীরে স্যার-এর রুমের দরজার দিকে এগোচ্ছে।

কুহেলি রুমের সামনে এসে দাঁড়াল।দরজা ধাক্কা দেওয়া সঙ্গে সঙ্গেই ভিতরে থেকে এক গম্ভীর কণ্ঠে শোনা গেল, আম ইন! গুটি গুটি পায়ে কুহেলি ভিতরে ঢুকল দেখলো একটা সুঠাম দেহের পুরুষ সোফায় বসে আছে। তার গায়ের রঙ এতো টাই ফর্সা যেন ধবধবে তুষারের মতো,যা সূর্যের আলোয় আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। চোখের মণি রক্তের মতো টকটকে লাল, যেন তা এক ঝলমলানো রত্ন। দুই কানে দুটো দুটো চার টা ছোট্ট কানের দুল,আর গলায় ঝুলছে এক ঝকঝকে কিউবান লিংক চেইন যেমন নজর কেড়ে নেয় তার উপস্থিতি।হাতের আঙুলে একটি ইনিসাইন রিং ঝলমল করছে, তা যেনো তার কোনো পরিচয় বহন করছে। চুলগুলো কিছুটা ছড়ানো,কিছুটা গোছানো, যেন তার বুকে ছায়ার মতো নরমভাবে ল্যাপ দেওয়া। ডান গালে একটি দাগ মনোযোগ দিয়ে দেখলে বোঝা যায় এটি কোনও সাধারণ দাগ নয়, বরং গভীর কোনো গল্পের চিহ্ন।সে পরেছে কালো ওভারকোট যার তলা লম্বা পায়ের পায়ে কালো শার্ট আর প্যান্টের সঙ্গে মিলে এক ধরণের মার্জিত অন্ধকারের ছায়া তৈরি করছে পায়ের নীচে নোঙ্গর মতো লম্বা জুতো প্রায় দশ থেকে এগারো ইঞ্চি যা তার উচ্চতা ও গঠনকে আরও মোহনীয় করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে সে যেন এক অপার্থিব সৌন্দর্যের মানুষ যা চোখে পড়ে না, তা মনে বসে না এক নজরে ধরা পড়ে, কিন্তু প্রতিটি খুঁটিনাটি নজরকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

লোকটাও কুহেলির দেহের প্রতিটি অঙ্গের দিকে নজর দিল আর তা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে লাগলো। এতে কুহেলি একটু নড়েচড়ে হয়ে ওঠে। তার মিষ্টি রঙের লক ফ্রক, মাথায় আলতো করে উড়না দেওয়া ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক সবই যেন তাকে শান্ত ও কোমল দেখাচ্ছে। চুলগুলো কাঠির সাহায্যে বাঁধা, লম্বা ধবধবে ফর্সা কিন্তু সাধারণ ফর্সার চেয়ে একটু লালচে মিশ্রণ,যা তাকে আরও জীবন্ত পুতুলের মতো যা সবার থেকে আলাদ।

কুহেলি আর দাঁড়িয়ে থাকল না। ছোট্ট টেবিলে ড্রিঙ্কসগুলো সাবধানে রেখে সে দরজার দিকে ধীরে ধীরে পা বাড়াল ঠিক সেই মুহূর্তে, পুরুষটি গম্ভীর কণ্ঠে বললো, উঠে, দাঁড়াও!

কুহেলির বুকের ভিতরে হঠাৎ ধক করে উঠে। শরীর হালকা কেঁপে ওঠে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য যেনো স্থবির হয়ে যায়, কিন্তু দ্রুতই সে নিজেকে সামলে নিল তারপর পিছনের দিকে ঘুরে মাথা নিচু করে সে মিনমিন করে বলল, জ্বি, স্যার কিছু বলবেন?

পুরুষের ঐ লাল টকটকে মনি ওয়ালা চোখ কুহেলির দিকে কিছুক্ষণ স্থির থাকে। কুহেলির এতে বুকের ভিতরে কাঁপতে থাকে।

লোকটি বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো।তারপর ধীর কিন্তু শক্ত পদক্ষেপে সে কুহেলির দিকে এগোচ্ছে, আর গম্ভীর কণ্ঠে বললো, কানাডার বিখ্যাত মাফিয়া কিং, এরিক আবরার খানের রুমে ঢুকে তার অনুমতি ছাড়া বেরিয়ে যাচ্ছো? সাহস তো কম না! তুমি জানো মেয়ে আমার এক কথা তে পুরো কানাড তোলপাড় হয়ে যেতে পারে…!

শেষ কথা টা বলার সময় আবরারের কণ্ঠ একটু জোরে কেঁপে উঠলো একটা তীব্র, প্রভাবশালী সুরে। কুহেলির শরীর হালকা কেঁপে উঠলো, বুকের ভেতর অচেনা ভয় আর অজানা এক উত্তেজনা একসাথে ঢেউ তুলতে লাগলো। হৃদয়ের ধকধক শব্দ যেন ঘরের নিস্তব্ধতার মধ্যেও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল। কুহেলি কিছু বলতে চাইল, কিন্তু গলা শুকিয়ে গেল কোনো শব্দ বের হলো না।

ঠিক সেই মুহূর্তে, আবরার এক ঝটকায় কুহেলির কাছে এগিয়ে এলো তার উপস্থিতির তাপ কুহেলির শ্বাসে মিশে গেল। আর কুহেলি কিছু বোঝার আগেই, আবরার দৃঢ়ভাবে তার কোমরের পাশে হাত রেখে নিজের কাছে নিয়ে আসলো দূরত্বটা মিলিয়ে গেল এক নিমিষে।

কুহেলির নিঃশ্বাস যেন থেমে গেল। ভয়ের সঙ্গে একটা অনির্বচনীয় অস্বস্তি বুকের ভেতর জমে উঠলো। চোখ নিচু ঠোঁট কাঁপছে কিন্তু কোনো কথা বলতে পারছে না…!

আবরার কিছু ক্ষণ নিজের রক্তের মতো লাল চোখ দিয়ে তীক্ষ্ণ ভাবে তাকিয়ে রইলো কুহেলির দিকে তারপর ধীরে ধীরে আবরার নিজের পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে কুহেলির ঠোঁটের লিপস্টিক মুছে দিতে লাগলো। কুহেলি হতবাক হয়ে আবরারের মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো ভয়ে, বিস্ময়ে আর একরাশ অজানা অস্বস্তিতে।লিপস্টিকের রঙ মুছে যেতেই, কুহেলির ঠোঁটে ফুটে উঠলো ছোট্ট লাল তিল একটা অদ্ভুত নিখুঁত সৌন্দর্যের চিহ্ন যা ঠোঁটের সৌন্দর্য দ্বিগুন বাড়িয়ে দেয়। আবরার রুমাল খানা নিচে ফেলে দিলো তার দৃষ্টি থেমে রইলো সেই লাল তিলে তারপর এক মুহূর্তের দ্বিধা ছাড়াই আঙুল বাড়িয়ে ছুঁয়ে দিলো সে ছোট তিল খানা।

কুহেলির সারা শরীর যেন বিদ্যুৎ স্পর্শে কেঁপে উঠলো। নিঃশ্বাস আটকে এলো বুকের ভেতর।

আবরার ঠান্ডা, তবু গভীর কণ্ঠে বলল,এত সুন্দর একটা জিনিস ঢেকে রাখছো কেন? তাও আবার এসব বাজে কেমিক্যাল দিয়ে?এরপর থেকে লিপস্টিক ঠোঁটে দিবে না আমার ভালো লাগে না। বুঝেছো?

কুহেলি শুধু মাথা নাড়ালো তারপর কুহেলি কিছুক্ষণ নীরব রইলো বুকের ভিতরটা কাঁপছিল,কিন্তু এবার সে নিজের ভয়কে শক্ত করে গিলে নিলো। হালকা কাঁপা কণ্ঠে বলেই ফেলল,
স্যার আমি এসবের জন্য আসিনি আমি শুধু সবাইকে সার্ভ করি,এর বাইরে কিছু না আপনার জন্য অন্য মেয়ে আসবে প্লিজ,আমাকে যেতে দিন।

তার কণ্ঠে বিনীত অনুরোধ,কিন্তু চোখে একফোঁটা সাহসের ঝিলিক।

আবরার কিছুক্ষণ স্থিরভাবে তাকিয়ে রইলো তার মুখের দিকে,তারপর হঠাৎ একরকম রুক্ষ হাসি ছড়িয়ে দিলো যে হাসি পুরো রুম টা কাঁপিয়ে তুললো।কুহেলির বুকের ভেতর শীত নেমে এলো। মনে হলো, দেয়ালের রঙটাও যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে।আবরার ঠান্ডা গলায় বলল,তোমাকে আমি এক রাতের জন্য কিনেছি মেয়ে যদি আজকে রাতের জন্য তোমাকে আমার ভালো লাগে তাহলে আমি তোমাকে সারা জীবনের জন্য কিনে নিবো..! কেনো ক্লাবের মালিক তোমাকে বলে নি কিছু…!

কুহেলির চোখ বড়ো হয়ে উঠলো কণ্ঠ কেঁপে গেল অবিশ্বাসে,এটা কিভাবে হতে পারে? আমাকে তো বলেছিল এসব কাজ করাবে না!আবরারের ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটলো।তোমার জন্য এক রাতে তিন লক্ষ দিয়েছি তোমার কি মনে হয় ওরা না করবে কখনোই না…! ওরা টাকা পেলে আর কিছু ভাবে না।কুহেলি হতবিহ্বল হয়ে পড়লো। বুকের ভেতর কেমন যেন হাহাকার ছড়িয়ে গেল। সে তাড়াতাড়ি আবরারের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো।

ঠিক তখনই আবরারের কণ্ঠ বজ্রের মতো গর্জে উঠলো এই মেয়ে, চুপ করে দাঁড়াও!শব্দটা যেন রুমের দেয়াল কাঁপিয়ে দিলো।কুহেলির শরীর কেঁপে উঠলো ভয় আর আতঙ্কে। কাঁপা গলায় বললো,আমাকে যেতে দিন আমি এসব করবো না,স্যার প্লিজ….!

আবরার কুহেলির দিকে তাকিয়ে বাকা হাসলো তারপর ওর চোখে চোখে রাখলো আবরারের চোখে একধরনের তীব্রতা যা কুহেলির নিশ্বাস পর্যন্ত আটকে দিলো ধীরে ধীরে সে কুহেলির চুলের ভাঁজে এক হাত রাখলো,যেন কিছু বলতে চায় কিন্তু নিজের মধ্যেই থেমে গেল।তার আঙুলের শক্তি নয়, বরং কণ্ঠের গভীরতা কুহেলির ছোট্ট দেহ খানা কাঁপিয়ে তুললো।আবরার মুখটা একটু ঝুঁকিয়ে কুহেলির কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,

“সরি বেবি আই ক্যান্ট লেট ইউ গো। টুডে আই’ল ড্রাউন ইউ ইন আ কিংডম অফ হ্যাপিনেস।”

কথা খানা শেষ করার সাথে সাথেই আবরার কুহেলির উষ্ঠদ্বয়ে নিজের উষ্ঠদ্বয় মিলিয়ে দেয়। কুহেলি চোখ প্রথম বড় বড় করে ফেলে তারপর নিজেকে ছাড়ানোর জন্য ছটফট করতে থাকে। আবরার বিরক্ত হয়ে কুহেলির উড়না খানা এক টান দিয়ে খোলে ফেলে তারপর কুহেলির দুই বেঁধে দেয়। এই পুরো টা সময়ও কুহেলির উষ্ঠ ছাড়ে নি আবরার। কুহেলি এবার হাত দিয়ে কিছু করতে না পাড়লেও মুচড়া মুচড়ি করতে থাকে এতে আবরার বিরক্ত হয়ে কুহেলির উষ্ঠে কামড়ে দেয়। এতে কুহেলি স্থির হয়ে যায়। কুহেলি স্থির হতেই আবরার বাকা হাসে তারপর কুহেলির চুলের ভাঁজে হাত ঢুকিয়ে মত্ত হয় ওর উষ্ঠদ্বয়ে…!

কখনো পুরো উষ্ঠ জোরে চুম্বন করছে কখনো উষ্ঠের এক পাশে কখনো উপরের উষ্ঠ তো কখনো নিচের উষ্ঠ চুম্বন করছে। আবার কখনো বা পুরো উষ্ঠে নিজের উষ্ঠের ভিতরে নিয়ে ফেলছে। কুহেলির একরকম মনে হচ্ছে যেনো ওর পুরো উষ্ঠ দ্বয় গিলে ফেলবে এই লোক টা এখনি…!

প্রায় চল্লিশ মিনিট পর আবরার কুহেলির উষ্ঠদ্বয় ছাড়ে সাথে সাথে কুহেলি হাপাতে থাকে আবরার দাঁত দিয়ে নিজের নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে দেখতে থাকে কুহেলি কে। কুহেলির পুরো মুখ লাল টকটকে হয়ে গেছে, প্রায় দুই মিনিট পর কুহেলি নিজেকে স্বাভাবিক করে সাথে সাথেই আবরার কুহেলি কে কোলে তুলে নেয় কুহেলি কিছু বুঝার আগেই ওকে বেডে ছুরে মারে। তারপর নিজের ওভার কোর্ট আর শার্ট খানা খোলে ফ্লোরে ঢেল দেয়। কুহেলি উঠে বসে বিছানায় পিছতে পিছতে বলে আমার এতো বড় সর্বনাশ করবেন না আমি সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না আমাকে বাঁচতে দিবে না কেউ…!

আবরার সেই পরিচিতি স্নান হাসে তারপর কুহেলির পা ধরে এক টানে ওকে নিজের কোলে বসায় এরকম ভাবে বসায় কুহেলি কে ও বাধ্য হয় আবরারের কোমড় দুই পা দিয়ে পেঁচিয়ে ধরতে। আবরার ওর কানের চুল গুঁজে দিতে দিতে বলে, আমি সমাজ মানি না তাই এসব ফা*কিং সমাজের কথা আমাকে শুনাবে না মেয়ে। আমার তোমাকে ভালো লেগেছে তাই তোমাকে আমার চাই বলেই আর কথা বলার সুযোগ দিলো না কুহেলি কে পুনরায় ওর উষ্ঠদ্বয় আবরার নিজের আয়ত্বে নিয়ে নিলো।

কিস করতে করতে আস্তে আস্তে কুহেলি কে বেডে শুয়ে নিজেও শুয়ে পড়ে কুহেলির উপর তারপর এক টানে খোলে ফেলে কুহেলির জামা খানা। কুহেলি কোনো ভাবেই বাঁধা দিতে পারে না। আবরার অবাধ্য হাতে বিচরণ করতে থাকে কুহেলির ছোট্ট দেহ খানা কুহেলি বারংবার কেঁপে উঠতে থাকে এতে আবরার আরো বেশি পাগল হয়ে উঠে তারপর সব টুকু দিয়ে কুহেলির মাঝে ডুব দেয়।

আর কুহেলি না চাইতেও যাই দেয় আবরারের অবাধ্য কাজে……!

মাইটক্সিকহাসব্যান্ড

পর্ব_সূচনা

কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা

    কপি করা বিশেষ ভাবে নিষিদ্ধ ❌

                          চললে.....!

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply