মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_৪৫ (১৮+এলার্ট)
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
সকালের মিষ্টি রোদ জানালার ফাঁক গলে এসে কুহেলির মুখে পড়তেই সে পিটপিট করে চোখ মেলল। ঘুম আর জাগরণের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত অনুভূতি। একটু নড়তেই হঠাৎ নিজের অবস্থানটা বুঝে সে থমকে গেল। সে আছে আবরারের শক্ত বুকের ভেতর—তার বুকের ঠিক কাছে, আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে। কুহেলি ধীরে মাথা তুলে তাকাল।
আবরারের ঘুমন্ত মুখখানা তখন একদম শিশুর মতো শান্ত। কপালের ভাঁজ নেই, ভ্রু দুটো নরম, ঠোঁটে হালকা একরাশ নিশ্চিন্ততা। এমন মুখটা দেখে কুহেলির বুকটা অজান্তেই নরম হয়ে এলো।
সে আস্তে করে হাত বাড়িয়ে আবরারের গালে ছুঁয়ে দিল।
ঠিক সেই মুহূর্তেই আবরারের চোখ খুলে গেল।
এক সেকেন্ডও দেরি না করে সে কুহেলিকে আরও শক্ত করে নিজের বুকে টেনে নিল। কণ্ঠে তখন ঘুমঘুম ভাব আর দুষ্টুমি মেশানো হাসি,
ম্যাডাম..!
সকাল সকাল কি আবার মুড হয়েছে নাকি? একটু ঝুঁকে কানে কানে বলল, তাহলে চলুন আরেকবার হয়ে যাক! কুহেলি হেসে উঠল। চোখে তখন লাজুক ঝিলিক। সব সময় শুধু এসবই মাথায় ঘোরে, তাই না? ভুরু কুঁচকে দুষ্টুমি করে বলল,
— “ক্রিমিনাল হাসব্যান্ড!”
আবরার শব্দ করে হেসে উঠল। কুহেলির কপালে আলতো একটা চুমু এঁকে দিয়ে বলল,
এরকম একটা সুইট বউ যদি সামনে থাকে, বলো তো খেতে ইচ্ছে করবে না তাই না?!
কুহেলি সঙ্গে সঙ্গে আবরারের বুকে হালকা একটা কিল বসিয়ে দিল। ঠোঁট বাঁকিয়ে বিরক্তির ভান করে বলল,
আপনি আর ভালো হবেন না, খান সাহেব!
আবরার কৃত্রিম নির্লিপ্ত মুখে মাথা নাড়ল,
না। একদমই না।
কুহেলি চোখ সরু করে তাকাল। গলায় তখন আত্মবিশ্বাসী দৃঢ়তা,
খান সাহেব, আপনি আমার দেহ পাবেন কিন্তু মন পাবেন না!
আবরার আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। শব্দ করে হেসে উঠল। কুহেলির থুতনির নিচে আঙুল রেখে মজা করে বলল,
বউ, তোমার এই ডায়ালগগুলো কিন্তু দারুণ!
কুহেলি গর্বিত ভঙ্গিতে ভ্রু উঁচু করল। চোখে তখন আগুন আর সাহসের ঝিলিক,
আমি নিজেই দারুণ! না হলে,এরকম একটা মাফিয়ার জীবন নিয়ে খেলতে পারতাম?
আবরার চোখ দুটো একটু ছোট করে কুহেলির দিকে তাকাল। কন্ঠে হালকা গম্ভীর ভান করে বলল,
পিচ্চি, ভালো হয়ে যাও। ভালো হতে টাকা লাগে না।
কুহেলি এক মুহূর্তও দেরি করল না। চোখ ঘুরিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিল,
ভালো হতে টাকা লাগে না জামাই, কিন্তু ভণ্ডামি ছাড়তে হয়। আর সেটা আমি পারবো না!
আবরার ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইল। যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না।
এই মাইয়া, তুমি কি সত্যিই ভন্ড? একটু থেমে আবার যোগ করল, ভদ্রই তো দেখা যায়!
কুহেলি দুষ্টুমি কন্ঠে বললো,
আব্বে শালা, আগে ভন্ডামি করার সুযোগ তো দিবেন! এতো দিন ভয় পাইতাম… এখন তো আর পাই না। এখন করবো!
আবরারের চোখ মুহূর্তের মধ্যেই বদলে গেল। হাসি মিলিয়ে গিয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি কুহেলির মুখে আটকে রইল। গলার স্বরটা ভারী হয়ে উঠল,
— “কি বললে?”
কুহেলি সেই দৃষ্টি দেখেই বুঝে গেল—এইটা আর মজা না, এবার সত্যিই ঝড় উঠছে। বুকের ভেতর এক চিলতে ভয় কেঁপে উঠলেও বুদ্ধি তার আগেই কাজ করে ফেলল। হঠাৎ করেই নাটকীয় ভঙ্গিতে চিৎকার করে উঠল,
— “আরে! দরজা খোলা কেন?!”
আবরার অবচেতনে সেদিকে তাকাতেই কুহেলি বজ্রগতিতে নিজের ফোনটা তুলে নিল। এক সেকেন্ডও দেরি না করে দৌড়ে ঢুকে পড়ল ওয়াশরুমে।
ঠাস!
দরজাটা ভেতর থেকে আটকে দিল। আবরার কিছুক্ষণ বোকার মতো শুয়ে রইল। কী হলো—কোথা দিয়ে কীভাবে সব ঘটে গেল, তার মাথায় ঢুকতেই একটু সময় লাগল। তারপর হঠাৎ সব বুঝে চোখ বড় বড় করে ফেলল। তারপর তাড়াতাড়ি উঠে দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গলা ফাটিয়ে চেঁচিয়ে উঠল,
— “কুহেলির বাচ্চাআআআআ!”
ভেতর থেকে কুহেলির খিলখিল হাসি ভেসে এল। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে সে ফোনে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে হাসি চেপে বলল,
—রাগ করলে এমনই হয় জামাই! আগে ঠান্ডা হন, তারপর কথা হবে!
আবরার দরজা ধাক্কা দিয়ে বললো আজকে খালি বের হও তোমার খবর আছে!!
~~
শায়লার চোখ দুটো ধীরে ধীরে পিটপিট করে খুলে গেল। ঘুমের রেশ তখনো চোখের পাতায় লেগে আছে। ঝাপসা দৃষ্টিতে সামনের দিকে তাকাতেই সে চমকে উঠল—ওর সামনে চেয়ারে বসে আছে ফেটিক্স।
মুহূর্তের মধ্যেই ঘুম উধাও! এক লাফে উঠে বসে পড়ল শায়লা। বুক ধড়ফড় করতে লাগল।
আপনি… আপনি এখানে?!
ফেটিক্স ওর এই হঠাৎ ভয় পাওয়া চেহারাটা দেখে মুচকি হেসে ফেলল। সেই হাসিতে কোনো দম্ভ নেই, আছে নিখাদ শান্তি।
—”তাহলে ঘুম ভাঙলো আপনার?”
শায়লা চোখ বড় বড় করে চারপাশে তাকাল। নিজের রুম, নিজের বিছানা—সব ঠিকই আছে। তবু গলায় একটু কড়া সুর এনে বলল,
এতো সকালে আপনি আমার রুমে কী করছেন?
ফেটিক্স অবলীলায় হাতের ঘড়ির দিকে তাকাল। তারপর ভ্রু উঁচিয়ে হালকা হাসি নিয়ে বলল,
সকালে? সাড়ে নয়টা বাজে ম্যাডাম। এটাকে সকাল বলা যায় নাকি?
শায়লার চোখ কপালে উঠে গেল। এতো দেরি হয়ে গেছে? ইয়া আল্লাহ! বিছানার চাদর সরাতে সরাতে বিরক্ত স্বরে বলল, আমাকে আগে ডেকে দেবেন না?
ফেটিক্স চেয়ারে হেলান দিয়ে বসল। দৃষ্টিটা নরম, গলাটাও শান্ত, কী দরকার ছিল? এত সুন্দর একটা ঘুম নষ্ট করার কোনো মানে হয়?
শায়লা ওর দিকে তাকিয়ে একটু থমকে গেল। এই লোকটা সত্যিই অদ্ভুত। হালকা বিরক্তি, হালকা লজ্জা আর একটু হাসি মিলিয়ে বলল, আপনি আসলেই একটা পাগল।
ফেটিক্স এক মুহূর্ত দেরি না করে সরাসরি বলে ফেলল, শুধু তোমার জন্য।
শায়লা বিছানা থেকে নামতে নামতে একটু বিরক্ত গলায় বলল, হয়েছে, আর আদিখ্যেতা দেখাতে হবে না! হাঁটতে হাঁটতেই যোগ করল, আপনি পাঁচ মিনিট বসুন, আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
ফেটিক্স ওর পেছনে তাকিয়ে দুষ্টুমি ভরা হাসি ছুড়ে দিল। চোখে-মুখে তখন একরাশ খুনসুটি। আমি আসি ? হেল্প করে দিই! শায়লা থমকে দাঁড়াল। কোমরে হাত রেখে একরকম অবাক-অভিমানী ভঙ্গিতে ঘুরে তাকাল—কি হেল্প করবেন? ভ্রু কুঁচকে কটাক্ষ ছুড়ে দিল, আমাকে শৌচ করিয়ে দেবেন নাকি?
ফেটিক্স একদম নির্বিকার। বরং গলায় আরও বেশি দুষ্ট হাসি ঢেলে বলল,আরে, করে দিতেই পারি! তুমি দাঁড়াও, আমি আসছি। এই কথা শুনে শায়লার চোখ গোল গোল হয়ে গেল। এ আবার কিসের মানুষ! মনে মনে ভাবতেই আর এক সেকেন্ড দেরি করল না। দৌড়ে ঢুকে পড়ল ওয়াশরুমে।
—”ঠাস!”
দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দরজার এপাশে দাঁড়িয়ে ফেটিক্স পুরো দৃশ্যটা দেখে হেসে ফেলল। হাসিটা চাপা না, শব্দ করে বেরিয়ে এল—যেন এই দৌড়, এই লজ্জা, এই খুনসুটিই তার সবচেয়ে প্রিয়।
ওয়াশরুমের ভেতরে দাঁড়িয়ে শায়লা আয়নায় নিজের দিকে তাকাল। গাল দুটো লাল, চোখে লুকোনো হাসি। আর দরজার ওপাশে—একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, যে ওর হাসি-কান্না-লজ্জা—সবকিছুকেই অদ্ভুত মমতায়, ভালোবাসতে শিখে ফেলেছে।
~~
প্রায় এক ঘণ্টা কেটে গেছে, অথচ ওয়াশরুমের দরজা এখনো বন্ধ। ভেতরে নিস্তব্ধতা—না পানির শব্দ, না নড়াচড়ার আভাস। আবরার একবার ঘড়ির দিকে তাকাল, তারপর দরজার দিকে। বুঝে গেল—ধমক দিয়ে লাভ নেই। এই মেয়েকে বের করতে হলে কায়দা বদলাতে হবে। সে গলা খানিকটা নরম করল, এমন নরম যে নিজেই একটু অবাক হলো নিজের উপর।
—“বউ… শোনো।”
ভেতর থেকে কোনো সাড়া নেই। আবরার ধৈর্য ধরে আবার বলল,
“তুমি তো গোসল করবে, আমিও করবো। আর তুমি কাপড়ও তো নাওনি।”একটু থেমে শান্ত স্বরে যোগ করল,“কাপড়টা নিয়ে নাও, তারপর গোসল করে তাড়াতাড়ি বের হও। আমার আমিও তো গোসল করবো তাই না?! কথা দিচ্ছি, আর বকবো না।
দরজার ভেতরে কুহেলি দাঁড়িয়ে ছিল। আবরারের এই হঠাৎ বদলে যাওয়া কণ্ঠে সে ভ্রু কুঁচকে ফেলল। এতক্ষণ যে মানুষটা গর্জন করছিল, সে হঠাৎ এত মিষ্টি কেন? মাথার ভেতর সন্দেহের ঘণ্টা বেজে উঠল। কুহেলি দরজার দিকে তাকিয়ে কটাক্ষ মেশানো গলায় বলল,
“আমাকে বোকা বানাতে চান?”
ভুলিয়ে–ভালিয়ে দরজা খুলতে বলছেন, তারপর আমাকে মারবেন, আমি জানি!
দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে আবরার এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। তারপর গলা নামিয়ে, অদ্ভুত শান্ত একটা স্বরে বলল, তোমাকে মারতে হলে, বউ, আমি এই দরজা ভেঙেই মারতে পারতাম। একটু থেমে যোগ করল,কিন্তু দেখো, ভাঙছি না। তার মানে আমি তোমাকে মারবো না আর বকবোও না।
এই কথাটা কুহেলির বুকের ভেতরে কোথায় যেন আলতো করে গিয়ে লাগল। সে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাবল,
সত্যিই তো।
আবরার চাইলে এই দরজা কোনো বিষয়ই না। এতক্ষণে ভেঙে ফেলতে পারত। তবু সে দাঁড়িয়ে আছে, অপেক্ষা করছে। কুহেলি এখনো গোসলি করেনি। এতক্ষণ কমোডের ওপর বসে বসে ফোন টিপেছে, সময়ই খেয়াল নেই। একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়ল সে।
ফোনটা ধীরে করে বেসিনের ওপর রেখে দিল।
তারপর দরজার দিকে এগিয়ে গেল। হাতটা দরজার ছিটকিনিতে পড়তেই একটু থামল।
মনে মনে ভাবল,
এই লোকটা রাগী, কিন্তু নিষ্ঠুর না।
ক্লিক।
ধীরে ধীরে দরজাটা খুলে গেল। দরজা খোলার সাথে সাথে আবরার ওয়াশরুমে ঢুকে কুহেলি কে ঝর্ণার সামনে দাঁড় করিয়ে ঝর্না ছেড়ে দিলো!
কুহেলি কিছু টা ভরকে যেয়ে কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনি আবরার কুহেলির ঠোঁট জোরা নিজের দখলে নিয়ে নিলো, আজকের চুম্বন যেনো অতিরিক্ত হিংস্র কামড়ে ঠোঁটের অবস্থা বেহাল বানিয়ে ফেলছে। কুহেলি হাত দিয়ে ওকে ঠেলে সরাতে চাইলে আবরার কুহেলির দুই হাত ওর এক হাতে নিয়ে দেয়ালের সাথে শক্ত করে চেপে ধরে অপর হাত দিয়ে কুহেলির কোমর ধরে নিজের সাথে পিষে ফেলে। কুহেলি প্রায় চোখ উল্টে দেয়।
আবরার নিজের মতো করে চুম্বন করতে থাকে! প্রায় দশ মিনিট পর আবরার কুহেলির ঠোঁট ছেড়ে ছাড়া পেয়ে কুহেলি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, আপনি কিন্তু কথা দিয়েছিলেন আমাকে মারবেন না আর বকবেও না! আবরার বাঁকা হেসে বললো, বকছি কোথায় ডার্লিং? আমি তো রুমাঞ্চ করছি!
কুহেলি বলে, এভাবে কেউ রুমাঞ্চ করে? পুরো ঠোঁটের কি অবস্থা করেছেন!
আবরার কিছু বলে না একটা ঝটকায় কুহেলির জামা খানা খোলে ছুরে মারে। কুহেলি কাঁপা কন্ঠে বলে কি করেন? ছাড়ুন প্লিজ এখন আমার ভালো লাগছে না। আবরার কুহেলির কানে ফিসফিস করে বললো,
“But right now… I feel this dangerous urge to be intimate with you.”
কুহেলি কাঁপা কন্ঠে বললো না প্লিজ এখন না!
আবরার ধীরে ধীরে কুহেলির সামনে হাটু গেড়ে বসলো তারপর কোমরের দুই পাশে হাত দিয়ে পেটে ঠোঁট স্পর্শ করে কুহেলির ছোট্ট বদন খাষা কেঁপে উঠে। আবরার বেপরোয়া মতো চুম্বন করতে থাকে কুহেলি নিজেকে সামলাতে আবরারের বড় বড় চুলগুলো হাতের মুঠোয় করে নেয়। এভাবে প্রায় পাঁচ মিনিট চলে।
হঠাৎ আবরার উঠে দাঁড়ায়! দুই জনি পানি তে ভাজে জুবুথুবু হয়ে গেছে!
আবরার কুহেলির কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে হাস্কি কন্ঠে বলে,
“My fucking white rose, open my pants.”
কুহেলি চোখ বড় বড় করে বলে,
“I can’t”
আবরার বাঁকা হেসে বললো,
“Do you want me to increase your punishment even more?”
কুহেলি না চাইতেও আবরারের কথা মতো কাঁপা কাঁপা হাতে কাজ টা করতে লাগলো!আবরার কুহেলির অবস্থা দেখে ঠোঁট চেপে হেসে বলে,
আরো গালি দিবে আমাকে?
কুহেলি মাথা দিয়ে না করলো কিন্তু মনে মনে বললো, শালা তকে একশত বার গালি দিবো একবার শুধু সুজোগ পাই!!
আবরার আর নিজে কে কন্ট্রোল করতে পারলো না কুহেলি কে দেয়ালে চেপে ধরে নিজের সাথে পুরোপুরি মিশিয়ে নিলো!
কুহেলি চোখ বড় বড় করে চিৎকার করে উঠলো। আবরারের সেই দিকে খেয়াল নিয়ে সে নিজের বেপরোয়া ভাবে কাজ করতে ব্যাস্ত! জল পড়ার ছলছল শব্দ কুহেলির চিৎকার আর আবরারের বেপরোয়া সব চার দেয়ালের মধ্যেই আটকে রইলো!
1k রিয়েক্ট চাই! নয়তো আমিও গল্প দিতে ভুলে যাবো!!
চলবে....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩০
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪৪
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫১(সমাপ্ত)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫০(১ম+২য়+শেষাংশ)
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৯
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৪১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২৯