মাইটক্সিকহাসব্যান্ড
পর্ব_৪
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
প্রায় দশ মিনিট ধরে জঙ্গলের সরু রাস্তায় এগিয়ে চলেছে আবরারের কালো বুলেটপ্রুফ গাড়ি চারদিক নিস্তব্ধ শুধু দূরের ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ আর রাবারের চাকা ঘষে চলার ঘর্ষণধ্বনি।
হঠাৎই ট্র্যাট! ট্র্যাট! ট্র্যাট! চারপাশে গুলির শব্দে কেঁপে উঠলো রাত।পেছন দিক থেকে ঝড়ের মতো ছুটে এলো বুলেটের ধারা,বনে প্রতিধ্বনিত হলো সেই শব্দ যেন বজ্রপাতের মতো ভয়াবহ।
কিন্তু আবরার নিজের মতোই স্পিড দিয়ে গাড়ি চালাতে থাকে। একটুও ভয় নেই ওর মুখে,না কোনো চমক, না কোনো উত্তেজনা..!চোখ দুটো সামনের দিকে স্থির,গালে আলো পড়ে যেন বরফের মতো শান্ত অথচ আগুনে ঝলসানো।
গুলির শব্দ ক্রমেই কাছে আসছিলো,তবুও গাড়ির ভিতরে একফোঁটা কম্পনও নেই কারণ আবরারের সব গাড়িই বুলেটপ্রুফ,আর ভয় নামের জিনিসটা এরিক আবরার খানের জীবনে জায়গা পাই না…!
আবরার সামনের লুকিং আয়নায় তাকালো, দেখলো কুহেলি পিছনের সিটে জুবুথুবু হয়ে শুয়ে আছে,চোখ বন্ধ, হাত দুটো নিজের বুকের কাছে চেপে ধরেছে।মুখে এমন এক ভয়, যেন পৃথিবীর শেষ মুহূর্ত চলে এসেছে।
ও দৃশ্য খানা দেখে আবরারের চোয়াল শক্ত হয়ে উঠলো। রাগের রেখা স্পষ্ট হলো গালে।ওর শ্বাস ভারি হয়ে উঠলো এক অদ্ভুত ঈর্ষা আর আধিপত্যের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে ভেতরে। আবরার ফিসফিস করে বললো নিজের মনে আমার ছোট্ট পাখি ও শুধু আমাকে দেখেই ভয় পাবে কাউকে দেখে বা কারো গুলির শব্দে নয়..!
তারপর আবরার এক হাতে স্টিয়ারিং ধরে আছে, অপর হাতে ফোন। চোখ একবারের জন্যও রাস্তা থেকে সরায় না।চোখে গাঢ় মনোযোগ, ঠোঁটে তীব্র স্থিরতা ফোনের স্ক্রিনে শুধু এক লাইন
“Plan A Activate”মেসেজটা পাঠিয়ে ফোনটা গাড়ির সামনে রেখে দিলো,তারপর স্টিয়ারিংয়ে চাপ বাড়ালো।
গাড়ি আরও দ্রুত ছুটতে লাগলো আঁকাবাঁকা জঙ্গলের পথে দিন হওয়া সর্তেও জঙ্গলের ভিতরে প্রচন্ড অন্ধকার যেনো রাত গভীর হেডলাইটের আলো গাছের কাণ্ডে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে,হাওয়ায় ধুলো, পাতা আর বারুদের গন্ধ মিশে গেছে।
কুহেলি আর শ্বাস নিতে পারছিল না হৃদপিণ্ড যেন কানের ভেতর ধপধপ করছে ভয়, আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত অচেতনতা এসে গ্রাস করলো তাকে এক মুহূর্তে শুয়ে থাকতে থাকতেই কুহেলি অজ্ঞান হয়ে গেলো।
ঠিক তখনই,জঙ্গলের অপর প্রান্ত থেকে দেখা গেলো দশটা কালো SUV বজ্রের মতো গর্জন তুলে ছুটে আসছে।তাদের হেডলাইটে অন্ধকার চিরে জ্বলে উঠলো ধুলো আর আগুনের রেখা এক মুহূর্তেই শুরু হলো তীব্র গুলির শব্দ ট্র্যাট! ট্র্যাট! ট্র্যাট!বুলেট এসে আবরারের পিছনের গাড়িগুলোর বডিতে ছুটে পড়ছে,আগুনের ঝলকানিতে জঙ্গলের ভিতর টা রণক্ষেত্রের মতো মনে হচ্ছিলো।আবরার কিন্তু একটুও বিচলিত হলো না বরং ঠোঁটের কোণে ধীরে ধীরে ফুটে উঠলো সেই পরিচিত বাকা হাসি যে হাসি মানুষকে ভয় আর বিস্ময়ে একসাথে জমিয়ে দেয়।
আবরার গাড়ি থামালো এক ধাক্কায়,স্টিয়ারিং থেকে হাত সরিয়ে একবার পিছনে দিকে তাকালো।কুহেলি নিথর হয়ে পড়ে আছে চোখ বন্ধ, মুখে ফ্যাকাশে রঙ,নিঃশ্বাস ক্ষীণ।এক মুহূর্তের জন্য আবরারের দৃষ্টি থেমে রইলো কুহেলির ওপরেই।তারপর ধীরে ধীরে গাড়ির দরজা খুলে নামলো আবরার।বাতাসে ধোঁয়া আর বারুদের গন্ধ ঘন হয়ে আছে।
আবরার গাড়ি থেকে নামতেই বাতাস ভারি হয়ে উঠলো বৃষ্টির গন্ধে মিশে আছে বারুদের ঝাঁঝ, ধোঁয়া, আর মাটি পোড়া গন্ধ। গাড়ি থেকে একটু দূরে ফেটিক্স আর বডিগার্ডরা হামলাকারীদের ধরে দাঁড়িয়ে আছে।প্রায় দশজন লোক, মুখে আতঙ্কের ছায়া, কাঁপছে প্রত্যেকটা দেহ।আর বিপরীতে আবরারের পাশে সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে আছে পঞ্চাশজনেরও বেশি বডিগার্ড কালো পোশাক, হাতে বন্দুক, চোখে দৃঢ় প্রতিফলিত হচ্ছে জঙ্গলের আঁধারে।
আবরার থেমে একবার তার লাল টকটকে চোখের মনি দিয়ে তীক্ষ্ণ ভাবে চারপাশে তাকালো।
তারপর ঠোঁট বাঁকিয়ে সেই পরিচিত ঠান্ডা স্নান
হাসিটা ফুটিয়ে তুললো যে হাসি দেখলে মানুষ জানে, কিছু ভয়ংকর ঘটতে যাচ্ছে। তারপর আবরার এগিয়ে গেলো ওদের দিকে আবরারের প্রতিটা কদম যেনো হামলাকারি দের বুকের ভিতরে ভয় তিন গুন বাড়িয়ে দিচ্ছে…!
আবরার ওদের সামনে যেয়ে দেখলো সবাই কে একবার তীক্ষ্ণ চোখে তারপর ফেটিক্স কে বললো,আমার কুড়াল কোথায়….!?ফেটিক্স সাথে সাথে একজন বডিগার্ড কে ইশারা করলো সাথে সাথেই বডিগার্ড দৌড়ে কুড়াল আনতে গেলো।
তারপর এক মিনিটের মধ্যেই একজন বডিগার্ড দৌড়ে এলো তার হাতে এক লম্বা ধাতবের মতো কুড়াল যার ধারেও অদ্ভুত এক ঝলকানি।
ওটা শুধু কোনো অস্ত্র নয়, বরং আবরারের ক্ষমতার প্রতীক যা দেখে শত্রুরা বোঝে, এখানেই তাদের শেষ।
বডিগার্ড কুড়াল খানা আবরারের হাতে দিলো।
আবরার কুড়াল খানা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ নীরব দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো,তারপর ধীরে ধীরে হামলাকারীদের দিকে দৃষ্টি ফেরালো। লোক গুলো ভয়ে কাঁপতে লাগলো প্রচন্ড পরিমানে তা দেখে আবরার এবার জোরে জোরে হাসলো যেনো মজা পেলো ওদের ভয় পাওয়া দেখে। আবরারের এরকম হাসিয়ে বন যেনো আরো ভয়ংকর হয়ে উঠলো…!
#মাই_টক্সিক_হাসব্যান্ড
#কলমে_তাসনিম_তালুকদার_বুশরা
তারপর কিছু ক্ষণের মধ্যে হাসি থামিয় আবরার শীতল কণ্ঠে ধীরে ধীরে গলার স্বর আটকে বলল, আমি মন্ত্রী আগেই মারতে চাইছিলাম কিন্তু মন্ত্রীর চেলেপেলেরা থাকলে ফালতু ঝামেলা হয়। তাই তাকে বন্দি করে রেখেছি। একেবারে ঠিক সময়ে, তোমাদের সবাইকে একসাথে উপরে পাঠাবো আর তারপর দেখাবো মাফিয়া কিং এরিক আবরার খান কতোটা ভয়ংকর।
জঙ্গলের মধ্যে একফোঁটা হাহাকারের মতো নীরবতা নেমে এলো।বডিগার্ডরা একে অন্যের দিকে চেয়ে আছে কেউ কাঁপছে, কেউ মুখ থুবড়ে নেমেছে। হামলাকারীরা এখনো স্তব্ধ তাদের গলার স্বর কফলে ভাসছে।
হঠাৎ এক জন শরীরটাও কেঁপে ওঠা সত্ত্বেও সামনে এগিয়ে এসে কণ্ঠ করে বলল,আমি ভয় পাই না আমি ন্যায়ের পথে আছি সবসময়ই তাই থাকবো কলিজা ধকলানো সেই শব্দে যেন বাড়ি তুঙ্গে ওঠে গেল।আবরারের চোখ ঝট করে লোকটাকে অনুসন্ধিৎসু, বর্বর দৃষ্টিতে মেপে নিল।আবরারের মুখে যেন মৃদু এক হাসি ফোটে কিন্তু হাসিটা কোনো সুখের নয়, বরং তিক্ত, দাবানলের আগে ফুঁটে ওঠা এক ক্ষুদ্র আগুন।
আবরার কোনো পূর্বাশ ছাড়াই হঠাৎ করেই নিজের কুড়াল খানা দিয়ে লোকটার কোমর বরাবর এক কোপ দিলো সাথে সাথেই লোক টা দুই খন্ড হয়ে দুই দিকে পড়লো। বাকি নয় জন আরো বেশি ভয় পেলো। আবরার বললো এই গুলো কে নিয়ে আমার আইন গড়ে নিয়ে রাখো ফেটিক্স সব কয়টা কে এক সাথে দেখে নিবো। আর এদের কেও এদের প্রিয় মন্ত্রীর সাথে দেখা করার সুযোগ দাও কথা খানা বলেই আবরার কুঠাল খানা এক বডিগার্ডর হাতে দিয়ে গাড়ির দিকে এলো।
~~
গাড়ির চাকার ঘর্ষণ আর পেছনের বনভূমির ঝিঁঝিঁর ডাক কুয়াশা যেন ছায়ার মতো গা ঘেঁষে আছে পুরো জঙ্গলজুড়ে গেট খুলে দেওয়া মাত্রই কালো SUV টা ধীরে ধীরে ঢুকে গেলো বিশাল এক প্রাসাদের সামনে।গাড়ি থামতেই দরজা খুলে নামলো আবরার। মুখে কোনো ভাব নেই চোখে শুধু এক অদ্ভুত, গভীর জ্বালা।গায়ে রক্তের ছোপ,কিন্তু তার পদক্ষেপে এক শাসকসুলভ দৃঢ়তা।
গাড়ির পেছনের দরজা খুলে আবরার ধীরে ধীরে কোলে তুলে নিলো সেন্সলেস কুহেলিকে। মেয়েটার মুখ নিস্তেজ, ঠোঁট ফ্যাকাশে, নিঃশ্বাস চললেও যেন কোনো প্রাণ নেই তাতে। কুহেলির সাদা আর সোনালী মিশ্রিত চুলগুলো ঝরে পড়ছে আবরারের কাঁধে,আর আবরারের পোশাকে গাঢ় লাল রক্তের দাগ ছড়িয়ে পড়ছে।
বাড়িটার চারপাশে বডিগার্ড মতো দাঁড়িয়ে আছে তিন হাজারেরও বেশি বডিগার্ড।কালো পোশাক, কানে ওয়্যারলেস, হাতে অস্ত্র মৌমাছির মতো ভনভন করছে চারপাশে। গাড়ি থামতেই তারা সবাই একসাথে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো।চোখে আতঙ্ক, মুখে কোনো শব্দ নেই।
আবরারের উপস্থিতি যেন নিজেই এক শাসন। কেউ কিছু বলার সাহস পেলো না।সে কাউকে কোনো নির্দেশ না দিয়েই সোজা ভেতরে ঢুকে গেলো।ভেতরের বাতাসটা ভারী সার্ভেন্টরা দেয়ালের পাশে এক সারিতে দাঁড়িয়ে আছে, নিঃশব্দে। কারও মুখে কোনো শব্দ নেই। কেবল চোখে ভয়ের ছায়া।আবরার কারও দিকে তাকালো না। কুহেলির মাথা বুকে চেপে ধরে সে এক পা এক পা করে সিঁড়ি বেয়ে উঠলো।
দ্বিতীয় তলায় তার বেড রুমের দরজা ঠেলে ঢুকে কুহেলিকে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিলো। তারপর এক কুহেলির পাশে বসে ঠোঁট কামড়ে কুহেলির সাদা আর সোনালী মিশ্রিত চুল গুলো দেখে ফিসফিস করে বললো এই ধরণের চুল তো সাধারণ আইসল্যান্ডের মেয়েদের হয়। হ্যাঁ ঠিক সোনালী আর সাদা মিশ্রিত কিন্তু বাংলাদেশের মেয়ে হয়ে ওর চুল কিভাবে এরকম কালার হলো…!
রুম খানা নিস্তব্ধ। আবরার নিজের ভাবনায় ডুবে কিছুক্ষণ বসে রইল। হঠাৎ সে নিজের মনকে থামাতে পারল না। নিজের মধ্যে চেঁচিয়ে উঠল আজকে এই মেয়ে যেখানের হোক এসব নিয়ে আমি কেন ভাবছি?সে মাথা নাড়িয়ে নিজের ভেতরের এই অযাচিত ভাবনায় বিরক্ত হল। তারপর পাশের ট্রি-টেবিলের ওপর রাখা পানির গ্লাসটা তুলে নিলো হাতে তারপর হঠাৎ কুহেলির মুখে পানি ছিটিয়ে দিলো।
কুহেলির মুখে পানি পড়তেই নড়ে উঠলো আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই চোখ জোরা খোলে ফেললো।
আবরার তার চিরচেনা স্নাহ হেসে বললো, ওয়েলকাম টু মাই হোম, মাই ফাকিং স্কোয়াব।
কুহেলির চোখ বড় হয়ে উঠল,কাঁপতে কাঁপতে বসে রইল। তার শরীর কাঁপছে, নিঃশ্বাস থমথমে চোখে ভয় আর বিস্ময়ের এক অদ্ভুত মিশ্রণ।আবরারের হাসি খানা যেন রুমের বাতাসে প্রতিধ্বনি করছে। রুমটা যেন তার উপস্থিতিতে গরম হয়ে উঠল। কুহেলি চুপচাপ, শুধুই কাঁপছে, তার শরীরের প্রতিটি স্পন্দন যেন আবরারের চোখের সামনে খেলা করছে।
আবরার এবার পানির গ্লাস খানা আগের জায়গায় রেখে কুহেলি কে এক টানে নিজের কোলে বসালো কুহেলি নামার জন্য ছটফট করতে থাকে। আবরার বিরক্ত হয়ে কুহেলির গালে জোরে দাঁত বসিয়ে দেয়। সাথে সাথেই কুহেলি স্তব্ধ হয়ে যায় তবে চোখ দিয়ে অনবরত অশ্রু পড়তে থাকে…!
কুহেলি স্তব্ধ হয়ে যেতেই আবরার ওর গাল ছেড়ে দেয় তারপর কুহেলি কে ভালো করে নিজের কোলে বসায় ওর দুই পা দুই দিকে দিয়ে আর এক হাত দিয়ে কুহেলির কোমড় সজোরে চেপে ধরে কুহেলি ব্যাথ্যা চোখ খিঁচিয়ে নেয়। এখন আবরার আর কুহেলির মধ্যে আর কোনো দূরত্ব নেই। আবরার দেখে কুহেলির পাতলা গোলাপি অধর খানা তিরতির করে অসম্ভব পরিমানে কাঁপছে…!
আবরার আর নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না নিজের অধর খানা দিয়ে কুহেলির অধর খানা দখল করে নেয়। কুহেলি আর বাঁধা দেয় না এভাবে চলতে থাকে প্রায় দশ মিনিটের মতো। তারপর আবরার নিজে থেকেই কুহেলির অধর ছেড়ে দেয়। সাথে সাথে কুহেলি লম্বা লম্বা শ্বাস নেয়। আবরার কুহেলির চুলে এক হাত দিয়ে বোলাতে বলে মাই ফাকিং হোয়াইট রোজ…! আবরারের কথা শুনে কুহেলির শরীর ঝাকিয়ে উঠে তারপর ফিসফিস করে বলে এটা কেমন নাম..? কথা খানা অনেক আস্তেই বলে কিন্তু আবরার তা শুনে ফেলে।
আবরার বলে আমি যেমন আমার নামাও তেমন ইউনিক আর আমি যাই করবো যাই বলবো তাই তুমি উপভোগ করবে বুঝছো..?
কুহেলি এবার ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে কেনো আমি আপনার কথা শুনবো..? আমি কি নিজের ইচ্ছে এসেছি..? না আপনি জোর করে ধরে এনেছেন আমি আপানার কথা শুনবো না। ওমনি কুহেলির গালে পড়ে এক চড় কুহেলি এতোক্ষণ নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলছিলো এবার মাথা তুলে তাকাতেই আত্নকে উঠে কুহেলি..!
চলবে.....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৮+স্পেশাল
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৩
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৭