মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
পর্ব_১৫
কলমেতাসনিমতালুকদার_বুশরা
হ্যাশট্যাগ ছাড়া কপি করা নিষিদ্ধ🚫
শায়লা বললো,ভাইয়া! তুমি এভাবে হঠাৎ করে কথা বলেন না তো, ভয় পাই আমি!
ফাহিম হালকা হেসে উঠলো তার চোখে একধরনের শান্ত আত্মবিশ্বাস যা শুধু একজন মনোবিজ্ঞানীর মধ্যেই দেখা যায়।
তুই হুদাই ভয় পাস, শায়লা সে বললো
তারপর এগিয়ে এসে ওর পাশে বিছানায় বসলো।
আদিল ফাহিম চৌধুরী শায়লার ভাই,পেশায় একজন সাইকোলজি ডাক্তার শ্যামবর্ণের, লম্বায় প্রায় পাঁচ ফিট নয় ইঞ্চি দৃষ্টি গভীর চিন্তাশীল। তার মুখে সবসময় একরকম সংযত গাম্ভীর্য থাকে কিন্তু বোনের ব্যাপারে ওর ভিতরটা নরম কাঁচের মতো।
কি রে, কে ফোন দিয়েছিলো? ফাহিমের গলায় স্বাভাবিক কৌতূহল।
শায়লা নিঃশ্বাস ফেললো,চোখে হালকা ক্লান্তি আর কণ্ঠে একরাশ অনিশ্চয়তা নিয়ে বললো,কুহেলি ছিলো।
ফাহিম ভ্রু কুঁচকে তাকালো,কুহেলি মানে তর বেস্ট ফ্রেন্ড?
শায়লা মাথা নাড়লো হ্যাঁ ভাইয়া, অনেক দিন পর ফোন দিলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম কোথায় ছিলি কিছুই বললো না! শুধু বললো, দেখা করে বলবে।ওর কণ্ঠে অবাক আর আবেগের মিশ্র সুর।
রুম জুড়ে হালকা নিস্তব্ধতা বাইরের বাতাসে জানালার পর্দা দুলছে মৃদু ছন্দে, যেন কোনো অজানা কথা বলছে।
ফাহিম তখনো বসে আছে শায়লার পাশে।
শায়লার কথার শেষে হঠাৎ ফাহিমের ঠোঁটের কোণে এক অদ্ভুত বাকা হাসি ফুটে উঠলো সেই হাসি মুহূর্তের জন্যই ভেসে এলো কিন্তু যথেষ্ট অস্বস্তিকর।
শায়লা সেটা দেখতে পেলো না মাথা নিচু করে বসে ছিল এখনো, ভাবনায় ডুবে।
ফাহিম শান্ত গলায় বললো আচ্ছা, দেখা করে জানিস তাহলে। আমি আজকে লেভে যাচ্ছি, একটু কাজ আছে।
ওর কণ্ঠ খুব স্বাভাবিক কিন্তু সেই স্বাভাবিকতার আড়ালে যেন একটা কৃত্রিম প্রশান্তি লুকানো।
তারপর উঠে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে হাঁটতে হাঁটতে বললো,তুই থাক আর হ্যাঁ মা অসুস্থ, তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেছে তুই তো ঘুমিয়ে ছিলি, আমি তখনই আসছিলাম ফ্রিজে তর জন্য খাবার রাখা আছে, গরম করে খাস।
ফাহিম থামলো না কথাগুলো এমনভাবে বললো যেন সবকিছু আগেভাগেই ঠিক করে রেখেছিল।
আর তারপর নিজের ব্যাগটা তুলে নিয়ে দরজার কাছে গিয়ে একবার ঘুরে তাকালো শায়লা তখনও চুপচাপ বসে আছে, ফোনটা হাতের মুঠোয় ধরা, চোখে একধরনের চিন্তার ছায়া।
আমি যাই এই ছোট্ট শব্দটা বলেই ফাহিম রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।
দরজা বন্ধ হতেই ঘরটা আবার নিঃস্তব্ধ হয়ে গেল।
শুধু ঘড়ির টিকটিক শব্দ আর ফ্রিজের মৃদু গুঞ্জন ভেসে আসছে।
~~
ফাহিম ধীরে ধীরে গাড়ির চাবি ঘুরিয়ে ইঞ্জিন চালু করলো বাইরের রাস্তা তখন প্রায় ফাঁকা শহর যেন ঘুমিয়ে পড়েছে হালকা কুয়াশা, ফ্ল্যাটবিল্ডিংয়ের আলোয় ঘোলাটে ধোঁয়া সবকিছু এক অজানা নীরবতায় ঢেকে গেছে।
সে গাড়িটা রাস্তায় নামাল চোখে দৃঢ়তা, মুখে এক অদ্ভুত নিশ্চুপ ভাব রেডিও অফ, ফোন সাইলেন্ট শুধু গাড়ির চাকার ঘর্ষণের শব্দ রাতের নিস্তব্ধতাকে কেটে যাচ্ছে।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর,গাড়ি থামলো শহরের এক নির্জন প্রান্তে একটা তিনতলা বিল্ডিং, দরজায় বড়ো সাইনবোর্ডে লেখা LEV Research & Psychology Lab.
ফাহিম গাড়ি থেকে নামলো ঠান্ডা বাতাসে নিঃশ্বাস বেরিয়ে এল ধোঁয়ার মতো হাতে একটা কালো ব্যাগ ভারী, তবু নিখুঁতভাবে ধরা ধীর পায়ে ঢুকলো ভিতরে প্রথম রুমটা ছোট অফিসের মতো একটা টেবিল, দুটো চেয়ার আর দেয়ালে নোটবুক ও কিছু কেস ফাইল।ফাহিম ব্যাগটা চেয়ারের উপর রাখলো, চোখ একবার চারপাশে ঘুরালো যেন নিশ্চিত হতে চাইলো কেউ ওকে দেখছে না।
তারপর সোজা এগিয়ে গেল দ্বিতীয় রুমের দরজার দিকে সেখানে একটা লকড প্যানেল ডিজিটাল পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড।
ফাহিম নিচু গলায় বললো
Access code: 0723.
বিপ প্যানেল সবুজ হয়ে উঠলো, দরজা খুলে গেল নিঃশব্দে।
রুমের ভেতর ঢুকেই সে দেয়ালে হাত রাখলো।
আলতো করে সুইচ অন করতেই ঠিক!মুহূর্তেই আলো জ্বলে উঠলো।আর ঠিক তখনই,
যেন ঘরের নিস্তব্ধতা চূর্ণ হলো দেয়ালের সামনে বিশাল পর্দায় ভেসে উঠলো এক নারীর মুখ।
কুহেলি।
তার ছবি, বড় করে, দেওয়ালজুড়ে একটা হাসিমাখা মুখ চোখদুটো যেন ফাহিমের দিকে তাকিয়ে আছে।
ফাহিম থমকে দাঁড়ালো।চোখে এক ঝলক আলো পড়লো তার ঠোঁটের কোণে আবার সেই পুরোনো বাকা হাসি ফিরে এলো।
নরম গলায় বললো,অবশেষে… আবার দেখা হলো আমার সাদা চুলের রানির সাথে….!
রুমের ভেতর হালকা ধোঁয়াটে আলো এসি’টা বন্ধ, তবুও বাতাসে ঠান্ডার সঙ্গে মিশে আছে একরকম ঘন নিঃশব্দতা দেওয়ালে এখনো ভেসে আছে কুহেলির ছবি বড়ো পর্দাজুড়ে সেই হাসিটা স্থির অথচ চোখদুটো যেন জীবন্ত।
ফাহিম ধীরে ধীরে চেয়ারে বসল এক পা আরেক পায়ের উপর তুলে আরাম করে হেলান দিলো।
তার মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি যেন দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কোনো প্রিয় মুখকে ফিরে পেয়েছে।
পকেট থেকে একটা সিগারেটের প্যাকেট বের করলো আঙুলে সিগারেটটা তুলে ঠোঁটে রাখলো।
লাইটারটা ক্লিক করে জ্বালালো টিক!আগুনের ছোট্ট শিখা এক মুহূর্তের জন্য ওর মুখ আলোকিত করে তুললো।
এক টান ধোঁয়া নিঃশ্বাসে ঢুকে আবার ধীরে ধীরে বেরিয়ে এলো কুহেলির ছবির দিকে গিয়ে মিশে গেলো।তারপর হালকা হাসি দিয়ে ফাহিম বললো
তোমাকে তো সেই দিনই মন দিয়েছিলাম, আমার সাদা চুলের রানি।ওর চোখে মিশে গেল স্মৃতির ঝলক আর অন্ধকারের দীপ্তি।
সেদিনই তো প্রথম দেখেছিলাম তোমায় ঠিক দুই বছর আগে।ওর কণ্ঠ নরম, তবু ভেতরে অদ্ভুত শীতলতা তখন তুমি সবে কলেজে উঠেছো, আর আমার বোন শায়লার সঙ্গে তোমার বন্ধুত্ব হলো। আমি জাস্ট অবাক হয়েছিলাম প্রথম দেখাতেই মনে হলো, তুমি যেন কোনো রঙিন স্বপ্ন থেকে বেরিয়ে আসা মেয়ে।
ফাহিমের ঠোঁট থেকে ধোঁয়ার সরু রেখা উঠতে থাকলো সে ছবির দিকে তাকিয়ে বললো সাদা চুল…! যেন জ্যান্ত এক পুতুল একেবারে অন্য দুনিয়ার।
তার চোখে এখন এক অদ্ভুত ঝিলিক মুখে বাকা হাসি, কণ্ঠে মুগ্ধতা আর উন্মত্ততার মিশ্র সুর।
ঘরটা এখন সম্পূর্ণ ধোঁয়ায় ভরে গেছে।
সিগারেটের শেষ টানটা ফাহিমের ঠোঁটে জ্বলতে জ্বলতে নিভে গেল।দেওয়ালে কুহেলির ছবি একই হাসি, একই চোখ যেন সে সবকিছু বুঝতে পারছে কিন্তু কিছু বলছে না।
ফাহিম অনেকক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে রইলো ছবিটার দিকে চোখদুটো তার ভারী, অথচ গভীরে এক অদ্ভুত জ্যোতি জ্বলছে।তারপর ধীরে ধীরে ঠোঁট খুললো
জানিনা এতোদিন তুমি কোথায় ছিলে, সাদা চুলের রানি ফাহিমের গলায় ক্লান্তি, তবু সেই ক্লান্তির নিচে এক অদ্ভুত কোমলতা লুকিয়ে আছে।
আমি তোমাকে অনেক খুঁজেছি রাস্তায়, শহরে, মানুষের ভিড়ে, এমনকি নিজের স্বপ্নেও। পাগলের মতো খোঁজেছি…! কিন্তু পাই নি।
ওর কণ্ঠ ক্রমে গভীর হয়ে উঠছে যেন প্রতিটা শব্দ ওর বুকের ভেতর থেকে টেনে আনছে।
কিন্তু এবার আর তোমাকে যেতে দেবো না কখনোই না ফাহিম ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো দেয়ালের দিকে হাঁটলো ছবির ঠিক সামনে গিয়ে থামলো।
তার চোখে এক অপার্থিব আলো, ঠোঁটে ভয়ানক হাসি ফুটে উঠলো ফাহিম ডান হাত ধীরে নিজের বুকের ওপর রাখলো তারপর নিজের আঙুলগুলো দিয়ে বুকের মাংস স্পর্শ করলো যেন ওখানেই কুহেলিকে ধরে রাখতে চায়।
তোমাকে আমি আমার কাছে রাখবো, কুহেলি,”
সে ফিসফিস করে বললো একদম আমার বুকের মধ্যে এখানেই।
তার হাত বুকের ভেতর শক্ত করে চেপে ধরলো,
আর ঠোঁটে সেই অদ্ভুত হাসি ভালোবাসা, পাগলামি, আর ভয় সব মিশে এক হয়ে গেল।
ঘরের আলো তখন হালকা ঝিমিয়ে এলো,
দেওয়ালের ছবির ওপর একটা ফাটল পড়লো কুহেলির মুখের হাসিটা যেন একটু বদলে গেল,
আর ফাহিমের ঠোঁটের কোণে এক নিঃশব্দ শব্দ ভেসে উঠলো
তুমি এখন হবে আমার… শুধু আমার।
~~
রাত বারোটা….!
রাত গভীর। পুরো বাড়িটা নিস্তব্ধ শুধু দেয়ালের ঘড়ির টিকটিক আর জানালা দিয়ে ঢোকা হালকা হাওয়া চাঁদের আলো পর্দা পেরিয়ে নিঃশব্দে এসে পড়েছে কুহেলির মুখে।ওর মুখটা শান্ত, নিঃশ্বাসটা ধীর আর নিয়মিত যেন সময়ও থেমে আছে তার ঘুমের তন্দ্রায়।
ধীরে ধীরে দরজার কপাটটা নড়লো আবরার নিঃশব্দে রুমে ঢুকে পড়লো পায়ের শব্দও যেন বাতাসে মিলিয়ে গেল একবারেই চুপচাপ এসে দাঁড়ালো বিছানার পাশে।
চোখ রাখলো কুহেলির ওপর চাঁদের আলো ঠিক তার গালের পাশে পড়ে ঝলমল করছে আবরারের ভেতর হঠাৎ একরকম অস্থিরতা জাগলো।
তার চোখে যেন ঈর্ষা ছলছল করছে।
চাঁদের আলো আমার পাখির গায়ে কেনো পড়বে?
নিজের ভেতরেই বিড়বিড় করে বললো সে।
এক মুহূর্তও দেরি না করে জানালার দিকে এগিয়ে গেল সাবধানে জানালা বন্ধ করলো, তারপর ভারী পর্দা টেনে দিলো চাঁদের আলো আর রুমে ঢুকলো না।সবকিছু নিস্তব্ধ হয়ে গেল শুধু কুহেলির নিঃশ্বাসের শব্দ।
আবরার ধীরে ধীরে ফিরে এসে বিছানার পাশে বসলো তার চোখ থেমে গেল কুহেলির মুখে।
চুলগুলো কপালে এসে পড়েছে, ঠোঁট হালকা খোলা।
তার ঠোঁটে একটুখানি হাসি ফুটলো সেই মিষ্টি, অদ্ভুত, অথচ কেমন যেন গভীর হাসি।
কতো কিউট লাগছে আমার পাখিটাকে
সে ফিসফিস করে বললো তোমায় দেখলেই কেমন সব ভুলে যাই, কুহেলি রাগও ভয়ও, সব।
তার আঙুল আলতো করে কুহেলির চুলে ছুঁয়ে গেল।এক মুহূর্তের জন্য সময় থেমে গেল চাঁদের আলো বাইরে বন্দি, আর ভালোবাসা রুমের ভেতর বন্দি হয়ে গেল দুজনার নিঃশব্দ নিশ্বাসে।
আবরার আস্তে করে কুহেলির পাশে শুয়ে পড়লো তারপর এক টানে কুহেলি কে নিজের বুকের উপরে নিয়ে আসলো..! কুহেলি ঘুম ঘুম চোখে তাকালো দেখে আবরার ওমনি উঠতে নিলে কুহেলি আবরার শক্ত করে কুহেলি কে ধরলো তারপর গম্ভীর কন্ঠে বললো,
একদম চিংড়ি মাছের মতো লাফালাফি করবে না তাহলে আজকে আর বরফের সুইমিং পুলে ফেলবো না সোজা পুটির সুইমিং পুলে ফেলবো…!
ব্যস কুহেলি চুপচাপ হয়ে গেলো তারপর মিনমিন করে বললো, আপনি কোথায় গেছিলেন..?
আবরার ভ্রু কুঁচকে বললো, কেনো বেবি মিস করছিলে নাকি..?
কুহেলি আমতা আমতা করে বললো, না একদম না আমি কেনো আপনাকে মিস করবো..?
আবরার বলে তাও ঠিক।
তারপর হঠাৎ করে আবরার কুহেলির অধর চেপে ধরে নিজের অধর দিয়ে। কুহেলি তো পুরাই হতভম্ব..! চোখ বড় বড় করে ফেলে আর নিজেকে ছাড়াতে চাই এতে আবরারের রাগ হয় এক হাত চুলে আকড়ে ধরে অপর হাত কুহেলির কোমরে চেপে ধরে ঠোঁটে কামড় বসায় ব্যাস কুহেলি একদম স্থির হয়ে যায়….!আবরার কুহেলির অধর খানা গভীর ভাবে চুম্বন করতে থাকে আর কোমড়ের হাত আস্তে আস্তে জামার নিচে চলে যায় জামার নিচে হাত গভীর ভাবে স্পর্শ করতে থাকে…! কুহেলি পুরো শরীর শিরশির করে উঠে তল পেট মুচড়ে উঠে কুহেলি আর না পেরে ফুঁপিয়ে কান্না করে দেয়। আবরার বিরক্ত হয়ে কুহেলির ঠোঁট ছেড়ে দেয় তবে হাত চলতে থাকে জামার নিচে…!
আবরার গম্ভীর কন্ঠে বলে কি প্রবলেম কাঁদছো কেনো..?
কুহেলি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বললো, আপনি এভাবে আমাকে সব দিক দিয়ে চেপে ধরেন কেনো আমিও তো মানুষ একে তো নিঃশ্বাস নিতে পারি না তারপর মধ্যে আবার আপনার হাত প্লিজ হাত সরান আমার ব্যাথা লাগে এভাবে কেনো স্পর্শ করেন ভালো করেও তো স্পর্শ করা যায় তাই না..?
আবরার হাত হঠাৎ থেমে গেলো লাল টকটকে গভীর চোখ দিয়ে তাকিয়ে বললো,
ভালো ভাবে স্পর্শ করা যায় তুই কিভাবে জানলি সত্যি বল আরো কারো সাথে কি….!
কথা টা শেষ করার আগেই কুহেলি চিৎকার করে বলে আমাকে নিয়ে একদম আজেবাজে কথা বলবে না আমি হয়তো একজন কে ভালোবেসে ছিলাম কিন্তু কখনোই আমাকে স্পর্শ করতে দেয় নি আপনি প্রথম পুরুষ যে আমাকে এতো টা গভীর ভাবে স্পর্শ করেছে…!
কথা টা বলে আবরার কে হঠাৎ ধাক্কা দিয়ে উঠে বেলকনি তে চলে যায়…!
কাজ টা এতো তাড়াতাড়ি হয় যে আবরার কিছু বুঝতে উঠতে পারে না।
যখন বুঝে তখনি উঠে তারপর বেলকনি দিকে যেতে যেতে বলে শালি আমাকে তেজ দেখাই আজকে তর তেজ যদি আমি আমার রোমান্স দিয়ে না কমায় তাহলে আমার নামও এরিক আবরার খান না…..!
চলবে.....!
Share On:
TAGS: তাসনিম তালুকদার বুশরা, মাই টক্সিক হাসব্যান্ড
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৫
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ২
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ৭
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৮
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড পর্ব ১৬
-
মাই টক্সিক হাসব্যান্ড গল্পের লিংক