Golpo ডিফেন্স রিলেটেড ভালোবাসার সমরাঙ্গন

ভালোবাসার সমরাঙ্গন পর্ব ১৪


ভালোবাসার_সমরাঙ্গন ||১৪||

সারিকা_হোসাইন

দেওয়ান মির্জার কবুতর পালার বড্ড শখ।বিভিন্ন জাতের কবুতর পালেন তিনি বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত বিল্ডিংটায়।আজ সৌম্য’র বিয়ে।তাই দেওয়ান মির্জা ব্যস্ত।দুদিন ধরে কবুতরের দানাপানি বন্ধ আছে।শায়লা রেহনুমা অতিথি নিয়ে ব্যস্ত।অন্যান্য ছেলে মেয়েরা আড্ডা আনন্দে মশগুল।আক্কাস আর চামেলির বাবা কুতুব গরু ছাগলের তদারকি তে ব্যস্ত।আদনান মির্জা মৌনতার ঘরে এসে বললো

“কবুতর গুলোকে দানা পানি দিস মৌন।দুদিনের না খাওয়া ওগুলো।গিয়ে দেখ দু একটা মরলো কি না!

আদনান মির্জার কথা শুনে নিজ ঘর ছেড়ে দৌড়ে বেরিয়ে গেলো মৌন।এরপর কবুতরের ঘরের ভাঙা দরজা কৌশল করে খুলে কবুতরের খোপের দুয়ার খুলে দিলো।ছাড়ান পেতেই শ’খানেক কবুতর উড়ে গিয়ে বাড়ির পেছনের বড় খোলা জায়গাটায় বাক বাঁকুম শব্দের গুঞ্জন তুললো।
মৌনতা কাউন আর গমের কৌটা এনে উঠানে ছিটালো।বিভিন্ন বর্ণের, সাইজের সুন্দর সুন্দর কবুতর পাখা ঝাপ্টে শব্দ করতে করতে দানা ঠোকরাতে লাগলো।মৌনতা আপন মনে সেই দৃশ্য দেখতে বিভোর হলো।সেই সাথে চোখে ভেসে উঠলো গত রাতের ভালোবাসা ময় উষ্ণ মুহূর্ত।রণ’র হাতের বন্ধনে মৌনতা বন্দি ভাবতেই মৌনতার শরীর শিউরে উঠলো সেই সাথে রক্তিম হলো ফর্সা গাল।উত্তপ্ত কান দ্বয় দুই হাতে চেপে ধরে ঠোঁট টিপে হাসলো মৌন।নিজ ঘরের পেছনের বেলকনি থেকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে মৌনতা কে দেখলো রণ।ঘুম থেকে উঠেই এমন অপার্থিব সৌন্দর্যে তার হৃদপিণ্ড কেঁপে উঠলো।ইচ্ছে হলো মৌনতার চুলের মুঠি চেপে ধরে নিজের একদম সন্নিকটে এনে মৌনতার পাতলা গোলাপি অধর জোড়ার দখল নিতে।আরেকটু দেয়াল ঘেষে এগিয়ে দাঁড়িয়ে খোলা বেলকনীর কোমর সমান দেয়াল দুই হাতে শক্ত করে চেপে ধরলো রণ।শরীরের রক্ত টগবগ শব্দে ফুটছে।কেমন আগুন জ্বলছে পুরো শরীর জুড়ে।অসহনীয় উত্তাপ আর মরন যন্ত্রনা।সইতে কষ্ট হলো রণ’র।পাগল পাগল লাগলো নিজেকে।পুরুষ সত্তা লাগাম হীন হতে চাইছে।কিন্তু লাগাম টানলো রণ।অপেক্ষা করলো আগত মিশন শেষ হবার।এরপর মৌনতা কে ঘরে তুলে সাধারণ আর্মিতে যোগদান করবে সে।তাদের দুস্টু মিষ্টি ছোট্ট একটা ঘর আর সংসার হবে।সেই ঘরের মালকিন হবে মৌনতা।মৌনতার হাতের তালুতে খলবল করবে অনিন্দ্য সুখ লহরী।ডিউটি শেষে মৌনতার কোলে মাথা রেখে প্রশান্তির নিদ্রা যাপন করবে রণ।এরপর ঘর ভর্তি বাচ্চা কাচ্চা,মৌনতার ছুটে বেড়ানো ব্যস্ততা আর রণ’র বুক উজাড় করা ভালোবাসা।

নিজের সুখময় ভবিষ্যৎ কল্পনা করতেই বাদামি ঠোঁট জোড়া প্রশস্ত হলো রণ’র ।রণ ছোট গলায় মৌনতা কে ডাকলো

“ফেল্টু গার্লফ্রেন্ড!

আনমনে বসে থাকা মৌনতা শুনলো না।রণ’র রাগ হলো।সে চাপা গলায় আরো বেশ কয়েকবার মৌনতা কে ডাকলো।কিন্তু ভাবনায় ডুবে থাকা মৌন খেয়ালই করলো না।ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলো রণ’র।প্রেয়সীর ভালোবাসায় সে ডুবে তড়পাচ্ছে অথচ প্রেয়সী ভাবলেশহীন।
রণ নিজ ঘর ছেড়ে সিঁড়ি ডিঙিয়ে ড্রয়িং রুমে নেমে এলো।এমন সময় দেখা হলো কোয়েলের সাথে।রণকে দেখেই ঠোঁট এলিয়ে হাসলো কোয়েল।এরপর শুধালো

“এভাবে দৌড়ে কোথায় যাচ্ছ?

“মরতে যাচ্ছি?যাবি?

“হ্যা যাবো।নিবে আমায়?

“না নেবো না।সরে যা সামনে থেকে।

বলেই হন্তদন্ত হয়ে বাইরে বেরিয়ে এলো রণ।কোয়েল কপাল কুঁচকে সরু চোখে তাকিয়ে রইলো রণ’র যাবার পানে।এরপর নিজেও অনুসরণ করল সেই পদ যুগলের ছাপ।

মৌনতার একদম সন্নিকটে এসে দাড়ালো রণ।মৌনতা টের ও পেলো না।সে হাটু ভাঁজ করে তাতে থুতনি ঠেকিয়ে চোখ বুজে কিছু ভেবে চলেছে।মৌনতার অবহেলায় রণ’র রাগ হলো।সে চোয়াল শক্ত করে সজোড়ে এক হাত তালি বসালো।মুহূর্তেই পাখা ঝাপটিয়ে উড়ে পালাতে লাগলো কবুতরের দল সেই সাথে ধরফরিয়ে উঠে দাঁড়ালো মৌনতা।সে ওড়না টেনে ঠিক করে আমতা আমতা করে বললো

“রণ ভাই!

হিংস্র রণ মৌনতার চোয়াল শক্ত হাতে চেপে ক্রুদ্ধ চোখে দাঁত পিষে শুধালো

“ইচ্ছে করেই আমায় জ্বালিয়ে মারছিস তাই না?এতো করে ডাকছি শুনতে পাসনি?

ব্যাথায় গুঙিয়ে উঠলো মৌনতা।কিন্তু নিজেকে ছাড়ালো না।ফর্সা গাল দুটো নিমিষেই গোলাপি হলো।ব্যাথায় চোখ কুঁচকে নিলো মৌন।রণ চোয়াল ছেড়ে দিয়ে গলা টিপে ধরে শুধালো

“কোন কষ্টের ভার বেশি?শরীরের নাকি মনের?

মৌনতা ছলছল চোখে তাকিয়ে রইলো রণ’র লাল হয়ে আসা চোখের পানে।গলা ছেড়ে চুলের বেনির গোড়া টেনে ধরে নিজের বুকের কাছে মৌনতা কে এনে রণ বলে উঠলো

“তোর এই টুকু অবহেলাও আমি বরদাস্ত করবো না।আমার এক ডাকে আমার বুকের সামনে এসে হাজির হবি তুই।নয়তো খু ন করে ফেলবো।বুঝেছিস কি বলেছি?

মৌনতা রণ’র কলার টেনে ধরে ব্যাথায় কাতরে বলে উঠলো

“পারলে খু ন করে দেখাও দেখি?

তাচ্ছিল্য হেসে মৌনতার চুল ছেড়ে দিয়ে রণ ফিসফিস করে বলে উঠলো

“এতো দ্রুত আমার দুর্বল জায়গা খুঁজে বের করে ফেললি?দেখে তো মনে হয় ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানিস না।কিন্তু এখন তো দেখছি আস্ত মাছটাই কাটা সহ গিলে নিচ্ছিস তুই।

মৌনতা হাত দিয়ে টেনে ঠোঁট উল্টে রণকে বললো

“দেখো রক্ত বের হয়ে গেছে।তোমার ভালোবাসা এতো কঠিন কেনো রণ ভাই?

কারন সকলের ভালোবাসা নরম এজন্য।আমি সবার থেকে আলাদা।যেখানেই ছুবো ওখানেই জখম হবে।তুই আজীবন মনে রাখবি।যে ভালোবাসায় ব্যাথা নেই সেই ভালোবাসা সহজেই ভুলে যায় মানুষ।

“সে নাহয় বুঝলাম।ভাত খাবো কি করে?

“আমার এতো এতো ভালোবাসা খেয়েও তোর পেট ভড়ছে না?আবার ভাত ও লাগবে?

মৌনতা গাল মালিশ করতে করতে বলে উঠলো

“তোমাকে যদি এখন কামড়ে দেই?কেমন লাগবে?

নিজের ঠোঁট এগিয়ে রণ বলে উঠলো

“দে আমি এক পায়ে রাজি।

মৌনতার জেদ হলো।সে সত্যই কামড়ে ধরলো রণ’র নিচের ঠোঁট।ছেড়ে দিলো তখন যখন নোনতা স্বাদে মুখ ভরে গেলো।মৌনতার ধারালো দাঁতের কামড়ে রণ’র পাতলা ঠোঁট কে টে রক্ত ঝড়লো।মৌনতা ঘাবড়ে গেলো।কিন্তু রণ জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে বলে উঠলো

“বেশ জমবে বুঝলি?আমি সিংহ তুই সিংহী।

দূর থেকে কোয়েল পুরো দৃশ্য দেখে থমকে দাঁড়িয়ে রইলো।সে নড়তে ভুলে গেলো।মৌনতা কে ছেড়ে রণ বাড়ির পথে পা বাড়ালো।পথে কোয়েলের সাথে দেখা হলো।চতুর রণ ঠোঁট বাকিয়ে হাসলো।এরপর হাঁটুতে ভর দিয়ে সামান্য ঝুকে কোয়েলের কপালে মধ্যম আঙ্গুল দিয়ে টোকা মারলো।ব্যাথায় চোখ কুঁচকে নিলো কোয়েল।রণ ভারী গলায় বলে উঠলো

“জান হয় আমার।ওর বিরহে দিনে রাতের প্রতি মুহূর্তে মরি আমি।যা দেখেছিস তা এখানেই গিলে খেয়ে ফেল।বাড়িতে প্রকাশ করে ঘটনা ঘোলা করলে জিভ ছিঁড়ে নেবো।

বলেই মৌনতা কে ডেকে বলে উঠলো

“বাড়ি যা মৌন।সবাই মেহেদী পড়ছে।


মির্জা বাড়ির উঠানে জল চৌকিতে গোল হয়ে বসে সবাই মেহেদী দিচ্ছে।সৌম্য কে ধরে এনে সিমি জোর করে হাতের তলায় অনুর নামটা লিখে দিলো।খুব ভালো মেহেদী দিতে পারে সিমি।একে একে ছোট বাচ্চাদের মেহেদী আল্পনা শেষ করে সিমি মৌনতা কে ডাকলো

“এসো মৌনপু।তোমাকেও দিয়ে দেই।

মৌনতা হাত বাড়িয়ে সিমির সামনে বসলো।এরপর বললো

“বেশি ঘন করবি না।হালকা ডিজাইন আমার ভালো লাগে।

সিমি আল্পনা আঁকতে শুরু করলো।এমন সময় সেখানে দাঁড়ালো রণ।কোমরে হাত গুঁজে দাঁড়িয়ে ডিজাইন দেখায় মনোযোগ দিলো সে।এমন সময় উপস্থিত এক বাচ্চা বলে উঠলো

“তোমার ঠোঁটে কে কামড়েছে রণ চাচ্চু?

“ভিমরুলে কামড়েছে।

আক্কাস কামড়ের কথা শুনে দৌড়ে এসে ব্যস্ত গলায় শুধালো

“ভেঙ্গুলার বাহা কোন হানে?

রণ তপ্ত শ্বাস ফেলে বলে উঠলো

“কোত্থাও না।ভিমরুল আমি পকেটে নিয়ে ঘুরি।বেশি কথা বললে তোমাকেও কামড় খাওয়াবো।

“জন্তু কি মানুষের কথা হুনে ভাইজান?

“মিলিটারি দের কথা সবাই শুনে।যাও নিজের কাজে যাও।

আক্কাস মাথা চুলকে চলে যেতে পা বাড়ালো।কিন্তু তার মন মস্তিষ্ক জোর দাবি জানিয়ে বললো

“ওটা ভিমরুল নয় মানুষের কামড়

কিন্তু রণ’র সামনে কথা টা উগলে দেবার সাহস হলো না তার।

সিমি যখন মেহেদির আল্পনা আঁকতে ব্যস্ত তখন রণ বলে উঠলো

“মৌন তো বললো ওর ঘন ডিজাইন পছন্দ নয়।তার পরেও এমন হিজিবিজি আকছিস কোন সাহসে?

সিমি কপাল কুঁচকে ত্যাড়া গলায় বলল

“মাতব্বরী না করে নিজে একে দেখাও দেখি?

“যদি পারি তবে কি করবি বল?

“তাইলে তোমার পা টিপবো তিন ঘন্টা লাগিয়ে।নয়তো নিজের নাম বদলে রাখবো।

মেহেদির কোণ কেঁড়ে নিয়ে মৌনতার হাত চেপে রণ বলে উঠলো

“এতো কষ্ট করতে হবে না।শুধু দুলাভাই ডাকিস।

“কিন্তু কোন বোনের জামাই হবে তুমি?

“সে তোর ভাবতে হবে না।আমি খুঁজে নেবো।

বলেই মেহেদি দিতে মনোযোগ দিলো।কিছু সময়ের মধ্যে মৌনতার হাতে একটা কুকুর আর বন্দুক আকলো রণ।এরপর লিখলো নিজের নাম।সকলেই হো হো করে হেসে বলে উঠলো

“এসব কি ডিজাইন?ছি মৌনপু তোমার হাতটাই নষ্ট করে দিলো।এবার তুমি বিয়েতে যাবে কি করে?

মৌন কাঁদো কাঁদো হয়ে শুধালো

“এটা কি করলে?

“সেকি তোর পছন্দ হয়নি?আমাকে আঁকবো?

মৌনতা হাত তুলে বলে উঠলো

“আর দরকার নেই।যতটুকু নষ্ট হয়েছে ওই টুকুই থাক।নিজের কাজে যাও

রণ’র খালা রুলি এসে খুশিতে গদগদ হয়ে রণকে বলে উঠলো

“কোয়েলের হাতেও এমন একটা ডিজাইন একে দে বাবা।ভালোই লাগছে।

কোয়েলের চোরা মুখের পানে তাকিয়ে রণ বলে উঠলো

“আর্মি কমান্ডোর সাথে ওর বিয়ে ঠিক হয়েছে খালা মনি?কোনো অফিসারের বউ হতে চলেছে নাকি?কুত্তা আর বন্দুক দিয়ে ও কি করবে?

“মৌনতা যা করবে তা।
ফট করে উত্তর দিলো রুলি।রণ তপ্ত শ্বাস ফেলে বলে উঠলো

“এখন মোড নেই।পার্লারে নিয়ে যাও তোমার মেয়েকে।ওখানে হেনা আর্টিস্ট আছে।নয়তো সিমির কাছে দাও।বেশ পটু ও।

বলেই উঠে গেলো রণ।রণ যেতেই সকলে মৌনতার হাত নিয়ে হাসির রোল তুললো।এদিকে কোয়েল তার মাকে টেনে নিয়ে উঠানের শেষ মাথায় এলো।এরপর কাঁদো গলায় বলল

“রণ ভাই মৌনকে ভালোবাসে মা।দু দুইবার ফেল করা মেয়ের কাছে আমার স্ট্যাটাস,রূপ,স্টাডি সব হেরে যাচ্ছে।

মেয়ের গালে সপাটে চড় বসিয়ে রুলি বলে উঠলেন

“এতো অধৈর্য কেনো তুই?তোর ঘন কথা তো দেখছি সব কিছুই তালগোল পাকিয়ে দেবে।রণকে এই মুহূর্তে উত্তেজিত করা যাবে না।ওর যা খুশি তাই করুক।তাতে তোর কি?প্রেম হলেই বিয়ে হয়?বড় আপা কি বললো শুনলি না?আপা দুলাভাইয়ের কথার বাইরে গিয়ে কিচ্ছুটি করার ক্ষমতা ওর নেই।দেখ বিয়ে শেষ হতেই কিভাবে রণ’র গলায় তোকে ঝুলিয়ে দেই আমি।তুই শুধু কিচ্ছু হয়নি এমন ভান ধরে থাক।আর খবরদার।মৌনতার সাথে মোটেও কোনো ঝামেলা পাকাবি না।যা করার আমি করবো।নয়তো রণ কে সব বলে দিয়ে ক্যাচাল লাগাবে সে।

মৌনতা নিজের নষ্ট হাত নিয়ে উঠে গেলো ঘরে।ঘরে ঢুকেই শায়লার সাথে তার সাক্ষাৎ হলো।মৌনতা ভয় পেলো।শায়লা মৌনতার একদম নিকটে এসে বললো

“তোকে বলেছিলাম রণ’র থেকে দূরে থাকতে।কিন্তু তুই করছিস কি?বড় আপার সামনে আমার মুখ কালো করাবি?

“রণ ভাই আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মা।উনি আমাকে বিয়ে করবে।আর বড় আম্মু আর বড় আব্বুর সাথেও কথা বলবে ফিরে এসে।

“যদি রণ উল্টে যায় তুই কষ্ট পাবি মৌন।

“আমাকে কষ্ট দেবার আগে রণ ভাই নিজেই মরে যাবে মা।

“রণ যদি কোয়েলকে বিয়ে করে তখন কিন্তু তুই কোনো ঝামেলা পাকাতে পারবি না এই বলে দিলাম।

“রণ ভাই যদি এমন কিছু করে তবে আমি উনার সামনেও যাবো না কোনো দিন মা।

“নিজের জীবন নষ্ট করবি?

“তা কেন করবো?তখন তোমরা যা বলবে তাই করবো।

চলবে….

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply