প্রেমবসন্ত_২।২৪।
হামিদাআক্তারইভা_Hayat
রোদের প্রখরতা আজ একটু বেশি।চারপাশে মনে হচ্ছে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন।অদ্ভুত!দু’দিন আগেও যেখানে কনকনে শীত ছিল,আজ সেখানে ভরপুর গরম।কায়নাত অর্ণর ঘরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নিজেকে তৈরি করছে।আজ মির্জা বাড়ি যাবে সে।মায়ের কাছে!মেয়েটা আজ গাঢ় সবুজ রঙের একখানা শাড়ি পরেছে।অর্ণ বিছানায় আধ-শোয়া হয়ে বাচ্চা বউয়ের কাণ্ড দেখছে।কায়নাত চোখে চিকন করে কাজল দিয়ে ঠোঁট টিপে হাসল।লম্বা চুল গুলো একটু একটু ভেজা।অর্ণ হঠাৎ নাক ছিঁটকে বলল,
“তুমি কী বিয়ে খেতে যাচ্ছ?আশ্চর্য!কতক্ষণ ধরে সেজে যাচ্ছ?”
কায়নাত ঘুরে দাঁড়াল।কপাল কুঁচকে ফের আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে একবা দেখে নিল।চোখে কাজল আর ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক ছাড়া তো সে কিছু দেয়নি।মেয়েটা শুষ্ক ঠোঁট ভিজিয়ে নিভু গলায় বলে,
“চোখে শুধু কাজল আর লিপস্টিক দিয়েছি।”
“আমার জ্বলছে।”
কায়নাত অবাক হয়ে বলে,
“কোথায়?”
“বুকে।”
“এমাহ,কী হলো হঠাৎ করে?”
কায়নাত এগিয়ে এলো তাড়াহুড়ো করে।অর্ণর পাশে বসে বুকে হাত রাখতেই অর্ণ তার খড়খড়ে ডান হাত বাড়িয়ে মেয়েটার চোয়াল চেপে ধরে।কায়নাত আতঙ্কিত হয়ে চোখ বড় বড় করে ফেলে।অর্ণ একটু কাছে এগিয়ে এসে চোয়াল ছেড়ে বউয়ের ঠোঁটে আঙুল ঘষে হাস্কি স্বরে বলে,
“শোনো মেয়ে,ঠোঁটে স্বামীর ভালোবাসা মানায়,রং নয়!”
কায়নাত শুকনো ঢোক গিলে কম্পিত চোখে তাকায় অর্ণর দিকে।অর্ণর ছোঁয়ায় শরীর শিরশির করছে তার।সে লাজুক চোখ নামিয়ে নিতেই অর্ণ বলল,
“ঠোঁটে এসব কী দাও?তোমাকে মানায় না এসবে।”
কায়নাত মিনমিন করে বলে,
“তাহলে কিসে মানায়?”
অর্ণর ধূসর চোখ জোড়া কায়নাতের কালো মণির চোখে আবদ্ধ হয়।মেয়েটার রুহু কাঁপছে।পর-মুহূর্তে ঠোঁটে অর্ণর নরম অধরের ছোঁয়া পেতেই চমকে উঠল সে।লজ্জায় মুখ লুকাল অর্ণর বুকে।অর্ণ শব্দ করে হেসে উঠল।তাকে কাছে টেনে নিয়ে কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,
“আমার বউকে আজ ভীষণ সুন্দর লাগছে।”
কায়নাত লজ্জায় লাল হয়ে বলল,
“লজ্জা লাগছে।”
হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে বিছানা থেকে উঠে বসল কায়নাত।অর্ণ সামনে গম্ভীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আর সে এলোমেলো অবস্থায় বিছানায় বসে।কায়নাত চারপাশে চোখ বুলিয়ে নিজের দিকে তাকাল।সবুজ শাড়ি কোথায়?গায়ে তো অন্য শাড়ি জড়ানো।সে কী স্বপ্ন দেখছিল এতক্ষণ?কত রোমান্টিক একটা স্বপ্ন ছিল।বেচারির মায়া হলো নিজের উপর।অর্ণ ধমক দিয়ে বলল,
“ইডিয়ট,এখনও বসে আছো কেন?তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হও।”
কায়নাত মুখ কালো করে বলল,
“আপনি সব সময় আমাকে ধমকের উপর রাখেন কেন?একটু ভালো ভাবে কথা বলা যায় না?”
অর্ণ বুক টানটান করে সোজা হয়ে দাঁড়াল।ট্রাউজারের পকেটে হাত গুঁজে কপাল কুঁচকে বলল,
“আর একটা কথা বললে তুলে এক আছাড় মারব।জাস্ট দশ মিনিটের মধ্যে তোমাকে তৈরি দেখতে চাই।”
কায়নাত আর কথা বাড়াল না। ঠোঁট চেপে ধরে উঠে দাঁড়াল। চোখের কোণে জমে থাকা অভিমানটা সে যত্ন করে লুকিয়ে নিল। বাথরুমের দরজা বন্ধ হতেই ভেতর থেকে পানির শব্দ ভেসে এলো। ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুইয়ে আয়নার দিকে তাকাল সে। আয়নায় প্রতিফলিত মেয়েটার চোখ দু’টো লালচে, ঠোঁট দুটো কাঁপছে।
“স্বপ্ন আর বাস্তবের তফাৎটা বড্ড কষ্টের!”
নিজের মনেই বিড়বিড় করল কায়নাত।
দশ মিনিটও হয়নি। ভেজা চুল আঁচলে মুছতে মুছতে বেরিয়ে এলো সে। হালকা সোনালি রঙের শাড়ি। অর্ণ দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। কায়নাত বেরোতেই একবার চোখ বুলিয়ে নিল তাকে।কায়নাত মুখ বাঁকিয়ে ভেজা চুল ঝাড়তে ঝাড়তে বলল,
“ওমন হাঁ করে তাকিয়ে থাকার মানে কী?আমি তো জানি আমি অনেক সুন্দর।এভাবে তাকিয়ে থাকলে আমার লজ্জা লাগে না?”
অর্ণ খানিকক্ষণ চুপ থেকে বলল,
“তুমি এত নোংরা কেন?”
কায়নাত অপমানে ফট করে পিছু ফিরে দাঁড়াল।আশ্চর্য হয়ে বলল,
“আমি নোংরা?”
“১০ মিনিটের আগে বের হয়েছ।এইটুকু সময়ে গোসল হয়?”
“এই ঠান্ডার মধ্যে আমি কী পানিতে ডুবে বসে থাকব?”
“আজকে একটুও ঠান্ডা নেই।”
“তো?”
“কাল থেকে আমার ঘরে শুবে না তুমি।”
কায়নাত মুখ কালো করে ভেজা চুল ছেড়ে দিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল।অর্ণ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।মেয়েটাকে একটু কিছু বললেই মুখ ফুলিয়ে রাখে।ভারী আশ্চর্য!
সকালে নাস্তার পর অর্ণ বের হলো কায়নাতকে নিয়ে।উদ্দেশ্য মির্জা বাড়ি যাওয়া।আজগর চৌধুরী একটা অটো ঠিক করে দিয়েছেন।দু’জনের একজনও কারোর সাথে কথা বলছে না।গাড়ি ভর্তি জিনিস পাঠিয়েছেন দাদি।কায়নাত একবার সেদিকে তাকিয়ে নাক কুঁচকে বলল,
“অন্তত নিজের টাকা দিয়ে তো কিছু নেয়া দরকার ছিল নাকি?বলি বাপু এত কীপটেমি করে হবে কী?আপনার পকেটে কী ১০ টাকা দিয়ে একটা চিপস কেনার টাকাও নেই?”
অর্ণ দাঁত কটমট করে পাশে তাকাল।
“কী সমস্যা তোমার?এত কিছু নেয়ার পরও কম হয়েছে?”
“সে কথা কখন বলেছি?শ্বশুর বাড়ি আপনার,তাহলে আপনি দু’টো টাকা খরচ করবেন না?”
অর্ণ সাদা পাঞ্জাবির পকেট থেকে মানিব্যাগ খুলে সেখান থেকে খুঁচরো দশ টাকার দু’টো নোট কায়নাতের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল,
“তোমার চাহিদার থেকে বেশিই দিয়েছি।আর একবার মুখ খুললে তুলে এক আছাড় মারব।”
কায়নাত ফ্যালফ্যাল করে হাতের ভাজে রাখা টাকার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ তব্দা খেয়ে বসে রইল।শুষ্ক ঠোঁট ভিজিয়ে অর্ণর দিকে তাকাল।হাত-পা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে করছে তার।একটা লোকের এত টাকা পয়সা থাকতেও এত কীপটে হয় কী করে?
সে ঘাড় ঘুরিয়ে বাইরে তাকাল।খানিকক্ষণ পর মির্জা বাড়ির সামনে গাড়ি থামতেই প্রথমে কায়নাত নেমে দাঁড়াল।অর্ণকে নামতে না দেখে বলল,
“আপনাকে কী কোলে করে নামাতে হবে?”
অর্ণ খানিকক্ষণ চুপ থেকে বলল,
“এই বাড়ি তোমার বাবার?”
“জি।”
“শিওর?”
কায়নাত মাথা নাড়ায়।অর্ণ গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশে তাকায়।এই জায়গাটা তার চেনা।সে এসেছিল এক জড়বৃষ্টির রাতে।অর্ণ বাড়ির সামনে তাকাল।সে ঠোঁট চেপে কায়নাতকে জিজ্ঞেস করল,
“এখানে একটা তাল গাছ ছিল মাস কয়েক আগে,তাই না?”
কায়নাত অবাক হয়ে বলল,
“আপনি কী করে জানলেন?”
অর্ণর অস্বস্তি বাড়ল।কথা এড়িয়ে জিনিস গুলো হাতে নিয়ে বলল বাড়ির ভেতরে যেতে।কায়নাত দালান বাড়ির বড় গেটটা খুলতেই নজরে এলো মিলি বেগম উঠোনে দাঁড়িয়ে আছেন পেট নিয়ে।তিনি শব্দ শুনেই পাশ ফিরে তাকিয়েছিলেন।হঠাৎ কায়নাতকে দেখে চোখ জোড়া চিকচিক করো উঠল তার।কায়নাত দৌঁড়ে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরল।এক সময় শব্দ করে কেঁদে উঠল।মিলি বেগম হেসে মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,
“কাঁদছিস কেন?”
“তোমাকে কতদিন পরে দেখলাম মা।”
অর্ণ তখন এগিয়ে এসে সালাম করল মিলি বেগমকে।মিলি বেগম সালামের উত্তর নিয়ে অর্ণর দিকে ভালো করে তাকালেন।অর্ণকে দেখে যেন ভীষণ চেনা চেনা ঠেকছে তার কাছে।কায়নাত বলল,
“উনি..মানে..”
মিলি বেগম তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,
“আমার মেয়ের জামাই সে?ভালো আছো বাবা?”
অর্ণ বলল,
“আলহামদুলিল্লাহ।আপনার শরীর ভালো?”
“আছি বাবা।তোমরা ভেতরে এসো।”
তিনি ওদের ভেতরে নিয়ে গেলেন।বাড়িতে তখন কেউ নেই।ঊষা বেগম গেছেন স্বামীর সাথে বাজারে।সোহেল মির্জা সেই সকালে বের হয়েছেন,তার কোনো খবর নেই।তিনি ওদের নিয়ে কায়নাতের ঘরে নিয়ে গেলেন।অর্ণ ঘরে ঢুকে দেখল,ছোট্ট একটা ঘর,সেখানে ছোট একখানা বিছানা,একটা আলনা,ছোট একটা পড়ার টেবিল আর বড় আয়না।তিনি বসতে দিলেন ওদের।ব্যস্ত হয়ে বাইরে পা বাড়ালেন নাস্তা পানির ব্যবস্থা করছে।যাওয়ার আগে পরিষ্কার হয়ে নিতে বললেন।
কায়নাত বিছানা থেকে নেমে পুরো ঘরে চোখ বুলাল।এই ঘরে একটা সময় সে থেকেছে।তার শৈশব কেটেছে এই ছোট্ট ঘরটায়।পড়ার টেবিলের উপর এখনও পড়ে আছে খাতা-কলম।
“এখানে আমার জীবনের অনেকটা সময় কাটিয়েছি।আজ মনে হচ্ছে শক্ত করে সব জড়িয়ে ধরতে।”
অর্ণ একদম চুপ।কী যেন ভাবছে সে অন্যমনস্ক হয়ে।খানিকক্ষণ পর মিলি বেগম ফল কেটে নিয়ে এসে বিছানা ভরে ফেললেন।অর্ণ এসব দেখে বলল,
“আপনি এই শরীর নিয়ে কষ্ট করবেন না আন্টি।এসবের এখন দরকার নেই।”
মিলি বেগম মুচকি হেসে বললেন,
“আমি কিন্তু তোমার আরেকটা মা হই।”
অর্ণ মাথা নাড়ল।কায়নাত মিলি বেগমের দিকে তাকিয়ে তাকে পর্যবেক্ষণ করল।অর্ণ আর মায়ের মধ্যে বয়সের তফাৎ বোধহয় বেশি নয়।মায়ের বয়স ৩৪ আর অর্ণর ৩২।অর্ণ তাকে মা ডাকবে কী করে?কায়নাত ঠোঁট টিপে হেসে ফেলল।অর্ণর কেমন অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে।মিলি বেগমের ডাক পড়েছে বাইরে।সোহেল মির্জা চলে এসেছেন।তিনি তাড়াতাড়ি বাইরে বের হলেন।কায়নাত খুশি হয়ে বাইরে যেতে চাইলে অর্ণ বলল,
“দাঁড়াও।”
কায়নাত দাঁড়ায়।
“কী হলো?”
“যাচ্ছ কোথায়?”
“বাবার সাথে দেখা করব না?”
হঠাৎ বাইরে থেকে সোহেল মির্জার উচ্চস্বর ভেসে এলো।কায়নাত চমকে উঠে দৌঁড়ে গেল বাইরে।অর্ণও উঠে দাঁড়াল তৎক্ষণাৎ।বাইরে বের হতেই কায়নাতের পা থেমে গেল দরজার সামনে।সোহেল মির্জা মিলি বেগমের চুলের মুঠি ধরে গালাগালি করছেন।অর্ণ এসব দেখেই নিকটে এগিয়ে গিয়ে মিলি বেগমকে ছাড়িয়ে নিল।সোহেল মির্জা অর্ণকে দেখে দাঁত চাপলেন।মদ খেয়ে বাড়ি ফিরেছে বোঝাই যাচ্ছে।কায়নাত দৌঁড়ে এসে মাকে ধরল।তিনি মুখে আঁচল চেপে কাঁদছেন।সোহেল মির্জা গালাগালি করতে করতে বাড়ি থেকে আবার বেরিয়ে গেলেন।অর্ণ চেয়ার টেনে মিলি বেগমকে বসাল সেখানে।হঠাৎ সে হাঁটু গেড়ে বসে নরম গলায় বলল,
“উনি কায়নাতের বাবা?”
তিনি মাথা নাড়লেন।জামাইয়ের সামনে লজ্জা পেয়েছেন তিনি।কায়নাত মায়ের অবস্থা টুকু বুঝতে পারল।সে থাকলেও তো কত মার-ধর করত।মেয়েটার গাল বেয়ে চোখের পানি গড়িয়ে পড়ছে।অর্ণ গম্ভীর গলায় বলল,
“উনি যে নেশা করে আপনাকে মার-ধর করে এটা দেখেও কেউ কিছু বলে না?আপনি এখনও পুলিশ কেস করছেন না কেন?”
মিলি বেগম মুখে আঁচল চেপে বললেন,
“স্বামী যেমনই হোক,সে তো স্বামী।”
“এটা অন্যায় মা।শুধু আপনার কথা ভাবলেই তো হবে না,সাথে ছোট্ট একটা প্রাণও আছে।”
মিলি বেগম থমকে গেলেন। পেটের উপর হাত রেখে নিচু স্বরে বললেন,
“এই সন্তানের জন্যই তো সব সহ্য করছি বাবা। ও জন্ম নিলে হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।”
অর্ণ চোখ সরিয়ে নিল। মুখটা শক্ত হয়ে গেল তার। কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,
“সব সময় এমন হয় না মা। অনেক সময় আরও খারাপ হয়।”
রাতে খাবারের আয়োজন হলো।বাড়ির প্রত্যেকের সাথেই অর্ণর দেখা হলো,কথা হলো।মিলি বেগম বাদে কারোর আচরণই তার পছন্দ হলো না।কায়নাত মায়ের ঘরে মায়ের বিছানায় শুয়ে আছে মায়ের পাশে।সে জিজ্ঞেস করল,
“তোমার বাচ্চা হতে এখনও কত দেরি মা?”
মিলি বেগম হেসে বললেন,
“এখনও অনেকদিন।”
কায়নাত মায়ের শরীর ঘেঁষে এসে আলতো করে জড়িয়ে ধরল মাকে।কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,
“একটা কথা বলব মা?”
“কী বলবি?”
“আমার মা হতে ইচ্ছে করছে।”
মিলি বেগম শব্দ করে হেসে উঠলেন।বললেন,
“সময় হলে হবি।”
কায়নাত বলল,
“তুমি বুঝতে পারছ না।উনি কিন্তু বয়সে অনেক বড়।”
“তো?”
“পরে আমার বাচ্চারা যে বুড়ো বাপ পাবে।”
মিলি বেগম মেয়ের কান চেপে ধরে বললেন,
“এসব আবার কাউকে বলতে যাস না যেন।”
কায়নাত হেসে ফেলল।সে মজা করছিল মায়ের সাথে।মিলি বেগমের সাথে কায়নাতের অনেকটা সময় কথা হলো।অনেক রাত হয়ে এসেছে।তিনি বললেন জামাইকে একা রেখে এখানে থাকা ঠিক নয়।কায়নাত মায়ের কথা শুনে গুটি গুটি পায়ে নিজের ঘরে এলো।অর্ণ শুয়ে ছিল চুপচাপ।কায়নাত ঘরের লাইট বন্ধ করে বিছানায় যেতেই অর্ণ বলল,
“তোমার সাথে আমার কথা আছে।”
কায়নাত কম্বল গায়ে জড়িয়ে বলল,
“বলুন।”
“চৌধুরী বাড়ির যাওয়ার কিছু মাস আগে তোমার সাথে কিছু ঘটেছিল?”
কায়নাত চমকে উঠল।অন্ধকারে মনে হলো শরীর অবশ হয়ে আসছে।ঘটেছিল তো!একটা নোংরা ঘটনা ঘটেছিল।
(২.৫k রিঅ্যাক্ট পূরণ করুন।#প্রেমবসন্ত এর পাঠকগণ,আপনাদের জন্য সারপ্রাইস আসছে আগামীকাল ইনশাআল্লাহ।শিওর বলতে পারছি না,তবে আগামীকাল দেয়ার চেষ্টা করব।)
চলবে..?
Share On:
TAGS: প্রেমবসন্ত সিজন ২, হামিদা আক্তার ইভা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৬
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৩
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১১
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৭
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ২
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৩
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১০
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ৬(প্রথমাংশ +শেষাংশ)
-
প্রেমবসন্ত সিজন ২ পর্ব ১৮