প্রণয়ের_মায়াতৃষ্ণা ||২৪||
ফারজানারহমানসেতু
রোজা তূর্জানের কথাটা শুনে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল। তারপর হঠাৎ এমনভাবে হেসে উঠল যেন তূর্জান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কৌতুক বলেছে।
“আপনার বউকে আমার হাজবেন্ডের কাপ থেকে চা খাওয়াবেন? খুব ভালো কথা তো ! তো এতো বউ বউ করেন! আগে আপনার বউটা খুঁজে বের করুন।”
তূর্জান শান্ত গলায় বলল,“ খুঁজে বের করতে খুব কষ্ট হবে না মনে হয়।”
রোজা ভ্রু কুঁচকে বলল,“মানে?”
তূর্জান একটু ঝুঁকে বলল,“ কারণ সে তো আমার আশে-পাশে,সামনে-পিছনে, ডানে-বামে সবসময় থাকে ।”
রোজা মুহূর্তেই থমকে গেল। তারপর দ্রুত বলল,
“হাহ! খুব ফানি! আপনি কি নতুন করে জোক বলা শিখেছেন? আপনি পেত্নীদের বউ ভাবেন, না কা? “
তূর্জান হালকা হেসে বলল,“ তুই বুঝবি না। সে পেত্নীর চেয়েও দুষ্ট!”
রোজা উঠে দাঁড়িয়ে বলল,“ থাকেন আপনি আপনার পেত্নী বউ নিয়ে,আমি যাচ্ছি। আপনি চা খেয়ে ব্রেকফাস্ট করে যান!বড় আম্মু ডেকেছে।”
তূর্জান কাপটা সেন্টার টেবিলে রেখে বলল,“ চা তো তুই খেয়ে ফেলেছিস। আমি খাবো কি?”
“ আমি তো শুধু একটু খানি খেয়েছি, আপনার ওই চা খাওয়ার সাধ মিটে গেছে। আ’ম সিওর, এখন পানি খেলে তাও এই চায়ের থেকে মিষ্টি লাগবে।“
বলেই রোজা দ্রুত রুম থেকে বের হয়ে গেল।
বের হয়ে করিডোরে এসে বুকের ওপর হাত রেখে বিরবির করল,“উফ! এই লোকটা এমন করে কথা বলে কেন! মানুষটাকে জ্বালাতে এসেছিলাম, উল্টো নিজেই গুলিয়ে যাচ্ছি!”
নিচে ডাইনিং টেবিলে সবাই বসে পড়েছে। তানিয়া নেওয়াজ বললেন, “রোজা, তুবা আর তূর্জানকে ডেকেছিস?”
রোজা চেয়ারে বসতে বসতে বলল,“হুমম ।”
মিরান সাথে সাথে বলল,“বাহ! আজকে তুই ভাইয়া কে ডেকেছিস! ব্যাপার কি বনু? পৃথিবী কি উল্টো দিকে ঘুরছে না কি ?”
রোজা দাঁত চেপে বলল,“ভাইয়া…”
মিরান আবার হাসতে লাগল। এই সময় তূর্জান নিচে নামল। তাকে দেখেই আরাজ দৌড়ে এসে বলল,“ কাকুমনি ! আজকে আমাকে স্কুলে নিয়ে যাবে?”
তূর্জান আরাজকে কোলে নিয়ে বলল, “ হুমম!
রোজা বলল, “ আরাজ তুই আজকেও স্কুলে যাবি? কিন্তু আমরা সবাই আজকে তোর নূর ফুপির গায়ে হলুদে যাবো।”
বলতেই আরাজ যেন খুশিতে গদগদ হয়ে গেল। ডাইনিং টেবিলে আজ সবাই উপস্থিত। তাজারুল নেওয়াজ মোস্তফা নেওয়াজ ও আজকে অফিসে যায়নি। কারণ দাওয়াত পুরো ফ্যামিলির দেওয়া হয়েছে। তুবা এখন অনেকটাই সুস্থ, রোজা আর তুবা বিরবির করে কথা বলছে যেন, কেউ শুনে ফেললে সমস্যা হবে। কিন্তু আসলে তাদের কথার মাঝে গুরুত্বপূর্ণ কথা একটাও নেই! হয়তো দুজনে কি পরে অনুষ্ঠানে যাবে সেইটা ঠিক করছে নয়তো ওখানে গিয়ে কি অকাজ করবে তার ফর্দ করছে। রোজা সোজা হয়ে বসতেই চোখ আটকাল তূর্জানের চোখে, আজকে একদম শান্তভাবে চোখ নামিয়ে নিল। প্রতিদিন এমন হলে ভ্রমর কুচকায়, তূর্জান হঠাৎ রোজার পরিবর্তন মানতে পারছে না। যদিও ভালো লাগছে এটা ভেবে স্বাভাবিক আছে রোজা কিন্তু মনে কি হিসাব কষেছে কে জানে? তূর্জান যেহেতু মোস্তফা নেওয়াজের পাশে বসেছে সেহেতু তার দিকে একটু হেলে বলল, “ আচ্ছা, শশুরমশাই, মেয়েকে কি শিখিয়েছেন? আপনার করলার মতো মেয়ের মুখ দিয়ে মধু বেরোচ্ছে!”
মোস্তফা নেওয়াজ কম কিসে? সেও বলল, “ জামাই, আমার মেয়ের একটা রুপ দেখেই অ্যাটাক ফ্যাটাক করে ফেলছো! এখনো তো অনেক কিছু বাকি!”
তূর্জান আর কিছু বলল না। একবার মনে হলো রোজা আগের মতোই আছে, কিচ্ছু ভোলেনি! আবার মনে হচ্ছে সব স্বাভাবিক থাকলে এই মেয়ে তূর্জানকে এতক্ষন ঠিক রাখতো না। না চিনেই যে নাজেহাল করছে, যদি চিনত তাহলে এতক্ষন হসপিটালে থাকা লাগতো। তবে একটা কথা মনে পরতেই সন্দেহ গ্ৰানির দিকে মূহর্তেই গেল। আজ দুইদিন গ্ৰানি তূর্জানকে দেখলেই হাসে, আর বলে রেডি থাকিস! নিশ্চিত ওই গ্ৰানিই কিছু করেছে।
সবাই নূর দের বাসায় যাবে, তাই ব্রেকফাস্ট করে সকাল সকাল রেডি হতে গেলো। রোজা আর তুবার আগে যাওয়ার কথা হলেও তারা আগে যায়নি। এখন সবাই একসাথে যাবে। রোজার দায়িত্ব হলো কোথাও যাওয়ার আগে সবাইকে রেডি করানো। এই যেমন কারো শাড়ির কুচি ঠিক করা, আরাজকে রেডি করানো, রাফিয়াকে রেডি হতে সাহায্য করা। আর তুবা সে তো তার মা চাচির কোন জিনিস কোথায় রাখা তা বের করতেই দিন শেষ। সবাইকে রেডি করিয়ে যখন দুই বোন রেডি হতে যাবে তখন মিরান এসে খোচাবে! মেয়ে মানুষ মানেই লেট! মেয়ে মানুষের রেডি হতে এতক্ষন লাগে তোদের দুজন কে না দেখলে জানতাম না। হ্যান ত্যান!
তুবা নিজেই একটা ইয়োলো গাউন বের করে গাউনটা রোজাকে পড়তে বলল, কারণ কাল শপিং এ একটা ড্রেস ও মিলিয়ে কেনা হয়নি। যদিও প্রত্যেকবার কিছু মিলিয়ে কেনে। এবার আগে পরে শপিং করায়, আর তূর্জানের পছন্দে কেনা ড্রেসের জন্য একটাও তেমন মিল পাওয়া যাচ্ছে না। রোজাকে পড়তে বললে রোজা আপত্তি করলো। কারণ কালকে রোজা শাড়ি কিনেছে পড়বে বলে। তুবাও শাড়ি কিনেছে তবে মিলছে না। আর তুবা ম্যাসিং ড্রেস পরে যাবে বলেই ছোটদের মতো বায়না ধরেছে। রোজা বাধ্য হয়ে
ইয়োলো গাউন পড়ল। দুজনেই হালকা সামগ্রী দিয়ে নিজেদের পরিপাটি করল, এবং কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল ছেড়ে রাখল। পায়ে পেন্সিল হিল পড়ে নিল। রোজা আর তুবার কাছে সাজগোজ মানে চোখে কাজল আর ঠোঁটে লিপবাম। তাতেও যেন দুজন কে অপ্সরা লাগছে।
**
সিড়িতে দুজন আসতেই রাফিয়া বলল, “ এই তোরা আমার সাথে চিট করেছিস! আমাকে এই শাড়ি পড়িয়ে দুজনে গাউন পড়ে রেডি হয়েছিস।”
তুবা বলল, “ ভাবি, তুমি বিবাহিত! আর বিবাহিত মেয়েরা শাড়ি পরে।তো তুমি বিবাহিত ওইটা মানুষকে বোঝাতে হবে তো! নইলে আমার ভাইয়াকে আবার বিয়ে দিতে হবে!”
রাফিয়া আর কিছু বলল না। এখনে বড়রা রয়েছে, এদের লজ্জা নাই থাকতে পারে তবে তার তো আছে। তানিয়া নেওয়াজ আর রেহেনা নেওয়াজ বলল, “ রাফিয়া তোকেও সুন্দর লাগছে! আর শাড়িতেই তোকে ভালো মানায়। “
রাহেলা নেওয়াজ বলল, “ আরে রাফিয়া! তোকে ওদের থেকে সুন্দর লাগছে। মাইয়া মানুষ শাড়িতেই সুন্দর। ওসব ঢংয়ের পোশাক পড়ার চেয়ে শাড়ি ভালো। একটা কথা শুনিস নি, শাড়িতেই নারী!”
তুবা রোজা দুজনেই আকাশ থেকে পড়ল। এরা কি সুন্দর বৌমার প্রশংসা করছে, অথচ মেয়েরা বাদ। ইহা বড় অন্যায়, এ মানা যায় না। আর রোজা কিছুতেই মানবে না। রোজা সিড়ি থেকে নামতে নামতে বলল, “ বাহ! বাহ! বৌমার প্রশংসা করছো! অথচ আমরা বাদ। “
তানিয়া নেওয়াজ মৃদু হাসলেন, আসলেই তো এক বৌমা বাদ পড়েছে। এটা তো সত্যিই অন্যায়। তিনি রোজাকে কাছে ডেকে বললেন, “ না মা, তোকেও অনেক সুন্দর লাগছে। আমার দুই বৌ..
এই যা কি বলে ফেলছিলেন এক্ষুনি। একটু থেমে তুবাকেও কাছে ডাকল। তারপর আবার বললেন,” আমার সব মেয়ে, বৌমারাই সুন্দর। “
রোজা হেসে তানিয়া নেওয়াজের কথায় ভুল ধরে বলল, “বড় আম্মু, মেয়েরা আর বৌমা। মানে একটা বৌমা! তুমি কথায় ভুল করেছো।“
রেহেনা নেওয়াজ বলল, “ হয়েছে, আর ভুল ধরতে হবে না। এদিকে আসেন দেখি, নজর কেটে দিই!”
“ ওহ আম্মু, ছোটবেলায় যে নজর কেটেছো তার জন্যই আজ পর্যন্ত একটা ছেলে সামনে আসে না। আর কি নজর কাটবে? “
রেহেনা নেওয়াজ ঠিক বুঝতে পারলো, রোজার দুষ্টামি শুরু। তাই তিনি আর কথা বাড়ালেন না। মিরান রেডি হয়ে নামতে নামতে তুবাকে বলল,
“ হেই পেঁচারানী, তোকে তো একদম ভালো দেখাচ্ছে না। তুই…
কথা শেষ করার আগেই তাজারুল নেওয়াজ আর মোস্তফা নেওয়াজ রুম থেকে বের হলো। মিরান ওখানেই কথার ফুলস্টপ টেনে নিল। এই দুই ভাইয়ের সামনে তাদের মেয়েদের কিছু বলে বকা খাওয়ার ইচ্ছে নেই। তবে তুবার মুখ দেখে বোঝা গেল প্রচন্ড রেগেছে।
মিরান এসে তুবার কাছে দাড়িয়ে বলল, “ মজা করেছি! তুই তো আসমানের পরী, না না তার থেকেও সুন্দর। বড় আব্বু তোর এই মুখ দেখলে আমাকে বকা দিবে! “
তুবা তাও কোনো কথা না বলে চুপ করে রইলো। মিরান আবার বলল, “ তুবারানী, রাগ কমা, তোকে রাগলে ভালো দেখায় না। “
“ আবার? “
“ ওহ সরি! তোকে ভীষণ সুন্দর লাগছে। হয়েছে এবার? “
“ সত্যিই প্রশংসা করলে নাকি খারাপ বলায় রাগ করেছি তাই ভালো বললে? “
মিরান তুবাকে ভালো করে খেয়াল করে বলল, “ উহু! দুইটাই, আপনাকে দেখতে ভালোই লাগছে বেয়াইন। “
বলেই সবাইকে গাড়ির দিকে আসতে বলে বাইরে যেতে লাগল। তাজারুল নেওয়াজ বলল, “ তোমার ভাই কোথায় ? সে যাবে না? “
“ ভাইয়া তো বর পক্ষ হয়েছে। শুনলাম সমুদ্র ভাইয়া নাকি ভাইয়া কে স্পেশালি ইনভিটেশন পাঠিয়েছে। ভাইয়া তাই সমুদ্র ভাইয়ার বাড়িতে যাবে। “
বলেই মিরান গাড়ির দিকে গেল। সবাই তার পিছনে যেতে লাগল। তুবা গিয়ে পিছনের সিটে বসল। তূর্জান আজ বাইক নিয়ে যাবে, তাই একটাতে বড়রা যাবে, আরেকটাতে মিরানরা যাবে। আগের গাড়িতে সবাই উঠে পড়েছে।
রোজারা পিছনের গাড়িতে যাবে। সবাই গাড়িতে উঠে পরেছে। রোজা যেই গাড়িতে বসতে যাবে ওমনিই রাহেলা নেওয়াজ বলল, “ রোজা উঠিস না আগেই!”
“ কেন গ্ৰানি? “
“ আমরা নূরকে যা দিবো, ওই আসল জিনিসটাই ফেলে এসেছি। একটু এনে দে!”
রোজা বলল, “ গ্ৰানি, তোমার সাথে আমার কোন জন্মের শত্রুতা? তোমাকে আসল জিনিসটাই ফেলে আসতে হলো। “
“ যা না দিদিভাই,, এই দৌড়ে যাবি আর আসবি!’
রোজা অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাড়িতে আবার গেল। তূর্জান ভিতরে থাকায় বাড়ি লক করা হয়নি। রোজা রাহেলা নেওয়াজের ঘর থেকে নূরের জন্য বানানো সেই বালা জোড়া নিয়ে বেরোতেই আবার ধাক্কা লাগল। যেন শক্তপক্ত কাঠের সাথে বারি খেয়েছে। রোজা বলল, “ কে রে আজকে কি ধাক্কাধাক্বি দিবস মনে হচ্ছে? শুধু সবাই ধাক্কা মারছে!”
সামনে তাকাতেই তূর্জানকে দেখতে পেল। কালো শার্ট, ফরমাল প্যান্টের সাথে ইন করে পড়া। পায়ে ব্যান্ডের কালো সু, চোখে সানগ্লাস, চুল গুলো ব্যক ব্রাশ করে রাখা দেখতে বেশ ভালোই লাগছে। মানে রোজার চোখে এই প্রথম তূর্জান নেওয়াজ কে একদম হিরোর মতো লাগছে। তবুও রোজা যদি বলে আপনাকে দেখতে, মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর লাগছে। তবে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। তবে ভালো লাগা এক সাইডে রেখে বলল, “ এই তূর্জান ভাই আপনি কি কানা? “
“ হুয়াট? “
“ না মানে সানগ্লাস পরে চারচোখ বানিয়ে তাও চোখে দেখছেন না! তাই বললাম আর কি? “
তূর্জান রোজার পরনে গাউন দেখে ভ্রু কুচকে বলল, “ এটা পড়েছিস কেন? শাড়ি পছন্দ হয়নি?”
“ না তেমন না!”
“ তো শাড়ি আমি চয়েস করেছি এইজন্য? “
“ আরে ধ্যাৎ তাও না!”
“ তো শাড়ি পড়িসনি কেন? শাড়ি উঠিয়ে রাখার জন্য দিয়েছি? “
“ আরে আমার কথাটা তো শুনবেন!”
“ কথা শোনার মতো টাইম আমার নেই! তোর যা ইচ্ছা পড়েছিস, আমার কি? “
বলেই তূর্জান গটগট পায়ে বেরিয়ে গেল। রোজা পিছন থেকে ডাকল, “ তূর্জান ভাইই.. আরে কথাটা তো শুনুন!”
রোজার কোনো কথাই শুনল না। আসলে শোনা উচিত ও নয়, তূর্জান ওই শাড়িটা রোজাকে না জানিয়ে কিনেছিল। রোজার ও বেশ পছন্দ হয়েছে ওটা। তূর্জান বলেছিল কালকে ওটাই পড়তে, রোজারও বেশ পছন্দ ছিল জন্য ভেবেছিল আজ ওটাই পড়বে কিন্তু তুবা পড়তে দিল কই।
রোজা মনে মনে বলল,” এরা দুইভাই বোন মিলে কি শুরু করেছে, একজন শাড়ি না পড়ায় রাগ দেখাচ্ছে, আরেকজন গাউন না পরায় বললো যাবে না। দুই ভাই বোন পাগল না কি , পাগলা গারতের দরজা খোলা পেয়ে চলে এসে আমাদের বাড়ি উঠেছে ! আর ওনি এমন ভাবে রাগ দেখাচ্ছে, যেন কি হয়েছে সাংঘাতিক কাজ
হয়েছে ? কারোর হাজবেন্ডও মনে হয় এমন রাগ দেখায় না। আর এ আমার উপর শাড়ি না পড়ায় রাগ দেখাচ্ছে। শাড়ি কিনে দিয়েছেন তার জন্য কি মাথা কিনে নিয়েছেন! যে রাগ, অভিমান দেখাবেন? “
একাই বিরবির করতে লাগল।
**
আনমনে গাড়ির দিকে এগোলো। রাহেলা নেওয়াজের জিনিস দিতে গাড়ির কাছে যেতেই রেহেনা নেওয়াজ এক প্রকার চেচিয়ে বলল, “ এই তোর গাউনে কালি লাগলো কি করে? “
ইনশাআল্লাহ চলবে….
পাঠিকাগণ, আজকে বড় পর্ব দিয়েছি। তোমাদের তূর্জান নেওয়াজ আর বেশি দিন নেই। আর অল্প কয়েকটা পর্ব। ঈদের আগেও শেষ হতে পারে,,
Share On:
TAGS: প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা, ফারজানা রহমান সেতু
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১৪
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ২৩
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১১
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৪
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১২
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৮
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৭
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৯
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ৬
-
প্রণয়ের মায়াতৃষ্ণা পর্ব ১