#প্রণয়ঘোরের_সন্ধিতে (১৭)
#লেখনীতে_সালমা_চৌধুরী
অন্ধকারাচ্ছন্ন অন্তরীক্ষে ক্ষণে ক্ষণে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। প্রকৃতির অস্থিরতা জানান দিচ্ছে বৃষ্টির আবহনী বার্তা। শুভ্র মুখ ফুলিয়ে অটোতে বসে আছে। আন্নি আর রাদ গল্পের আসর জমিয়েছে পুরোপুরি। সুমি, রাফি দুজনেই চুপ করে বসে আছে। দু’জনের মনোযোগ শুভ্রর দিকে। রাফি নৌমিকে খুব ভালোভাবে চিনে। রাগ হলে নৌমি কতটা রিয়েক্ট করতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা রাফির আছে। মেলার ঠিক সামনে অটো থামল। শুভ্র ভাড়া দিতে যাবে ওমনি অটোওয়ালা ছেলে মজার ছলে বলে বসল,
” ভাই, আমারে কিন্তু ২০ টাকা বোনাস দিতে হবে।”
শুভ্র অগ্নিতপ্ত দুচোখে ছেলেটার দিকে তাকাল কেবল। পাশ থেকে রাফি বলল,
” ২০ টাকা বেশি দিতে হবে কেন?”
“বাহ! আপনাদের একজন আসেনি সে দায় কি আমার? আমার পুরো টাকা দিতে হবে।”
রাফি শুভ্রর ক্রোধিত মুখের পানে চেয়ে মৃদু হেসে বলল,
“শুভ্র ভাইয়া, তুমি ওদের নিয়ে ভেতরে যাও আমি ভাড়া দিয়ে আসছি।”
শুভ্র দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে নিজেকে কিছুটা সংযত করে রাফির দিকে না তাকিয়েই বলল,
” তোরা যা, আমি আসছি।”
রাফি রাদদের দিকে তাকিয়ে ইশারা করতেই সবাই দ্রুত হাঁটতে লাগল। রাফি এক পা দুই পা এগোচ্ছে আর বার বার শুভ্রকে দেখছে। শুভ্র চুপচাপ পকেট থেকে একটা ২০০ টাকার নোট বের করে ছেলেটার হাতে দিয়ে গুরুগম্ভীর কণ্ঠে বলল,
” সবটায় রেখে দাও।”
ছেলেটা সহসা শুভ্রর মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল৷ পরপর ২০০ টাকার নোটটা দেখতে দেখতে বলল,
” ভাই, আপনি খুব ভালো।”
প্রতিত্তোরে শুভ্র কিছুই বলল না। ঘুরে দাঁড়াতেই রাফির মুখোমুখি হলো। রাফি ভ্রু গুটিয়ে চেয়ে আছে।
শুভ্র আলগোছে ভ্রু নেড়ে জানতে চাইল,
” এভাবে চেয়ে আছিস কেন?”
” তুমি এত টাকা বেশি দিলে কেন?”
” এমনি দিয়েছি। বাদ দে। ভেতরে চল।”
“নৌমি আপুর উপর রাগ করে তুমি ৮০ টাকা বেশি দিয়ে দিলে? তুমি জানো এই টাকা দিয়ে ১৬ টা কলম কেনা যেত। সেই কলম দিয়ে আমার ২ মাস অনায়াসে চলে যেত।”
শুভ্র বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে বলল,
” ১৬ টা কলম এক্ষুণি কিনে দিচ্ছি তোকে।”
” কলম কিনে দিলে তো হবে না! আমি বাসায় গিয়ে আব্বু, চাচ্চু, বড়ো চাচ্চু সবাইকে এই কথা বলব। তুমি দু’হাতে টাকা খরচ করো অথচ আমাকে ২ টাকাও দাও না।”
” ২ টাকা লাগবে তোর?”
” না।”
” তাহলে?”
” দিবে যখন ৫০ টাকা দাও।”
“কি করবি?”
রাফি আমতা আমতা করে বলল,
” কিছু না। তোমাকে বলা যাবে না।”
“না বললে দিব না। আগে বল। সত্যি কথা বললে ৫০ না তোকে ১০০ টাকা দিব।”
” তুমি তাজ ভাইয়াকে বলবে না তো?”
” আচ্ছা বলব না। বল এখন।”
” নৌমি আপুকেও বলতে পারবে না।”
” বলবি আগে..!”
“আমার ফোনে টাকা শেষ। ফ্রেন্ডের সঙ্গে কথা বলতে পারছি না। মিসকলও দিতে পারছি না।”
” এই তোর ১৬ টা কলম কেনার ইতিহাস! ফ্রেন্ড নাকি গার্লফ্রেন্ড সত্যি করে বল।”
” বিশ্বাস করো, ভালো বন্ধু। মানে বান্ধবী। আর কিছুই না।”
শুভ্র আনমনে হেসে তাচ্ছিল্যের স্বরে বলল,
” তোরও ভালো বান্ধবী আছে!”
রাফি কথাটা ঠিকমতো শুনেনি। শুনার জন্য প্রশ্ন করল,
” কি বললে?”
” কিছু না। চল এখন।”
” দিবে কি না বললে না।”
” নিয়ে যাস।”
এদিকে নৌমি রুমের বেলকনিতে রাখা চেয়ারটাতে হেলান দিয়ে বসে আছে। স্থির নেত্রে আকাশের বিদ্যুৎ চমকানো দেখছে৷ তাজ গ্রিলের পাশে দাঁড়িয়ে আস্তে করে গলা খাঁকারি দিল। কিন্তু নৌমির কর্ণকুহরে তা পৌঁছাল না। তাজ আস্তে করে ডাকল,
” মুসকান…”
নৌমির মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায় কিঞ্চিৎ বিরক্ত হলো। আড়চোখে তাকিয়ে তাজকে এক নজর দেখে পুনরায় আকাশের বিদ্যুৎ চমকানো দেখায় মনোযোগ দিল। তাজ রয়েসয়ে শ্বাস ছেড়ে আবারও ডাকল,
” এই মুসকান।”
” কি চাই?”
তাজ মুচকি হেসে জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে ঠাট্টার স্বরে বলল,
“তোমাকে চাই। “
” এসব ডপ অন্য কোথাও গিয়ে দাও, প্লিজ।”
“সত্যি বলছি, আমার তোমাকেই চাই।”
নৌমি চোখ পিটপিট করে তাজের দিকে তাকাতেই তাজ বিড়বিড় করে গান গাইতে শুরু করল,
❝যদি সত্যি জানতে চাও
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
যদি মিথ্যে মানতে চাও
তোমাকেই চাই।❞
তাজের ভাঙা ভাঙা কণ্ঠের গান শুনে নৌমি অন্যমনস্কভাবেই হেসে ফেলল। নৌমির মুখে হাসি দেখে তাজ স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ল। গান থামিয়ে শান্ত গলায় বলল,
” যাক বাবা, রাগ কমেছে তাহলে। আর দুইটা লাইন গাইলে ফুপ্পি এখনি ঝাড়ু নিয়ে আসতো।”
নৌমি হাসতে হাসতে বলল,
” তোমাকে কে বলেছে এমন ফাটা বাঁশের সুরে গান গাইতে।”
” তোর মুড অফ থাকলে আমার ভালো লাগে না। তুই কি তা জানিস না?”
” আহা! হঠাৎ এত ভালোবাসা দেখাতে আসলে যে! ব্যাপার কি?”
” তোকে ভালোবাসতে কি কারণ লাগবে আমার?”
নৌমি নাক মুখ কুঁচকে বিরক্তির ভাব নিয়ে বলল,
” নীলু ভাবিকে ভুলে এই ভর সন্ধ্যে বেলায় আমাকে ভালোবাসতে আসলে বিষয়টা ঠিক সুবিধা লাগছে না।
ভাবসাব বাদ দিয়ে মূল পয়েন্টে আসো। কিজন্য এসেছো?”
” তোকে মেলায় নিয়ে যাব, চল।”
” মেলায় যাওয়ার ইচ্ছে নেই আমার।”
” আবার বল।”
” আমি যাব না।”
” সত্যিই যাবি না?”
নৌমি ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল,
” তুমি যাবে এখান থেকে?”
” আজ যদি তুই আমার সঙ্গে মেলায় না যাস তবে মনে রাখিস আজকের পর আর কোনোদিন সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে পা দিতে পারবি না।”
” আমি সন্ধ্যায় বাইরে ঘুরব নাকি রাত ২ টায় ছাদে নাচতে যাব সে ব্যাপারে তুমি নিষেধাজ্ঞা দেয়ার কে শুনি? আমার আব্বু আছে আম্মু আছে। তুমি কে? “
তাজ মুচকি হেসে উত্তর দিল,
” আমি তোর না হওয়া স্বামী যার কথার উপর তোর আব্বু, আম্মু কিছুই বলবে না।”
” না হওয়া স্বামীর অধিকার ফলাতে এসো না। তার থেকে সত্যিকারের বউ নিয়ে এসো। তারউপর অধিকার দেখাও। সেইটা বেশি কাজে দিবে।”
“সেসব পরে দেখা যাবে এখন তুই বল যাবি কি না!”
” ভালো লাগে না।”
” তারমানে যাবি না?”
” ইসস। তুমি আমাকে জোর করতে এসেছো কেন বলতো! শুভ্র ভাইয়া পাঠিয়েছে?”
” শুভ্রর কি আর কাজ নেই! তোর জন্য অপেক্ষা করবে নাকি! সেই কখন ওরা চলে গেছে। আমি তোকে ছাড়া যেতে পারি নি। মন কাঁদছিল তোর জন্য তাই তোকে নিতে এসেছি।”
নৌমি কপালে ভাঁজ ফেলে প্রশ্ন করল,
” শুভ্র ভাইয়া তোমাকে কিছু না বললে তুমি কি করে জানলে আমি ওদের সাথে যাই নি?”
তাজ ব্যস্ত হাতে পকেট থেকে ফোন বের করতে করতে বলল,
” আমি জানি তুই আমাকে ছাড়া কোথাও যাবি না। ওরা হাজার জোর করলেও তুই যাবি না। সেই কনফিডেন্স নিয়েই আমি এসেছি। এখন যদি বলিস তুই আমার সঙ্গেও যাবি না তাহলে আর কিছুই বলব না তোকে৷”
” তোমার মত বদমাশ ছেলে আর একটাও দেখিনি আমি।”
” আমি ছাড়া আর কাউকে এত ভালোভাবে দেখেছিস তুই?”
” না আর দেখতে চাইও না। কারণ বদমাশ ছেলেদের থেকে দূরে থাকায় শ্রেয়।”
শুভ্র একের পর এক কল দিচ্ছে। তাজ নৌমির সামনে কল রিসিভ করতে পারছে না। নৌমিও বার বার কথা প্যাঁচাচ্ছে। তাজ মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল,
” প্লিজ, চল না।”
” আমি এখন তোমার সঙ্গে যেতে পারলে তখন শুভ্র ভাইয়ার সঙ্গে কেন গেলাম না! আমার উচিত ছিল তখনই ওদের সঙ্গে চলে যাওয়া।”
” আচ্ছা পরের বার শুভ্রর সঙ্গে যাস। ওকে?”
” যেতেই হবে। কারণ তুমিও আমার ভাই, শুভ্র ভাইয়াও আমার ভাই। তুমি বেশি অধিকার দেখাও বলে তোমার সব কথা মানতে হবে ওদিকে শুভ্র ভাইয়া একটু অধিকার দেখালে সেটা মানতে পারব না এটা খুব অন্যায়।”
” হয়েছে হয়েছে। ন্যায় অন্যায়ের বিচার আমরা আগামীকাল করব। তাছাড়া, তুই যাস নি সে কথা শুভ্রই জানিয়েছে আমাকে। এখন সময় নষ্ট না করে চল।”
” হুমম চলো।”
★
রাত যত গভীর হচ্ছে মেলায় লোকসমাগম তত বাড়ছে । গেইট থেকে যতদূর চোখ যাচ্ছে শুধু লোকজনই চোখে পড়ছে৷ রাস্তায় গাড়ি, রিক্সা, অটোর জ্যামে হাঁটার রাস্তা পর্যন্ত নেই৷ রিক্সা থেকে নেমে তাজ আর নৌমি হাঁটতে শুরু করেছে। ভিড়ের মাঝে তাজ নৌমির হাত ধরে রেখেছে। কিছুদূর যেতেই একটা চায়ের স্টলের সামনে থমকে দাঁড়াল তাজ। সঙ্গে সঙ্গে নৌমির হাত ছেড়ে দিয়েছে। ভিড়ের মধ্যে মানুষের ধাক্কাধাক্কিতে নিজেকে সামলাতে নৌমি পুনরায় তাজের হাত চেপে ধরে সামনে এগিয়ে আসলো। তাজকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞেস করল,
” দাঁড়িয়ে পড়লে কেন?”
তাজ চোখে ইশারা দিয়ে একজন ভদ্রলোককে দেখিয়ে আস্তে করে বলল,
“ওনি নিলুর আব্বু।”
২-৩ জন ভদ্রলোক একসঙ্গে বসে চা খেতে খেতে গল্প করছেন। নৌমি খানিকক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থেকে হঠাৎই বলল,
” তোমাকে চিনে?”
” হ্যাঁ।”
নৌমি তাজের হাত ছেড়ে বলল,
“যাও, কথা বলে এসো।”
” কি বলব?”
” মানে? তুমি যে নিলু ভাবিকে পছন্দ করো সেটা জানে না?”
” চুপ কর। শুনতে পেলে খবর আছে আমার। ওনি শুধু জানে আমি নিলুর বন্ধু৷ একসাথে পড়াশোনা করি। আংকেলের সাথে ভার্সিটিতে দেখা হয়েছে কয়েকবার।”
” সালাম দিয়ে একটু কথা বলে আসো। মেয়ের হবু জামাই বলে কথা! “
তাজ শান্ত গলায় বলল,
” সাথে তোকে দেখলে হবু জামাই এর চরিত্রটাও খুব ভালোভাবে বুঝে নিবেন।”
” তাহলে আমি কি চলে যাব?”
” না। আংকেলের সাথে পড়ে দেখা করব। এখন চল।”
“দেখা যেহেতু করবে না তখন দাঁড়ালে কেন? তাড়াতাড়ি চলো।”
নৌমি দ্রুত হাঁটছে। পেছন পেছন তাজও হাঁটছে। নিলুর আব্বু স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশিই রাগী। তারউপর মানুষের ভুল ভ্রান্তি ধরেন বেশি। তাজের সঙ্গে নৌমি কিংবা অন্য কোনো মেয়েকে দেখলে যতটা স্বাভাবিক আচরণ করবে আড়ালে ঠিক ততটাই বিতৃষ্ণা প্রকাশ করবে। তারচেয়ে বড় বিষয়, যদি কোনোভাবে জানতে পারে ওনার মেয়ে এমন এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে তাহলে নিরুপায় হয়ে যাবে৷ তাজ অন্যদিকে তাকিয়ে পা বাড়ালেও নিলুর আব্বুর নজর এড়াতে পারে নি। ভদ্রলোক হাসিমুখে ডেকে উঠলেন,
” এই তুমি তাজ না?”
তাজ দাঁত দিয়ে জিভ কেটে ধীরেসুস্থে নিঃশ্বাস ছেড়ে তাকাল। তাজকে ডাকতে শুনে নৌমিও সেদিকে তাকাল। ভদ্রলোক হাসিমুখে ডাকলেন,
” এদিকে আসো।”
তাজের সঙ্গে সঙ্গে নৌমিকেও ইশারা করলেন। তাজ সালাম দিয়ে ওনার সঙ্গে কথা বলতে লাগল। নৌমি গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে এসে তাজের পেছনে দাঁড়াল। বিড়বিড় করে বলল,
” ভাইয়া, আমি কি মেলায় চলে যাব?”
তাজ উত্তর দেয়ার আগে নিলুর আব্বু জিজ্ঞেস করলেন,
” সে কি তোমার বোন নাকি?”
” জি আংকেল।”
ভদ্রলোক কৌতূহল বশত আবারও জিজ্ঞেস করলেন,
” আমি তো শুনেছিলাম তোমার ছোট বোন নেই।”
তাজ পকেট থেকে নিজের ফোন বের করে নৌমিকে দিল। স্বাভাবিক কণ্ঠে বলল,
” শুভ্রকে কল দে। ওরা কাছাকাছিই আছে বোধহয়।”
নৌমি নিলুর আব্বুকে সালাম দিয়ে দ্রুত প্রস্থান করল। তাজ মৃদুস্বরে বলল,
” সে আমার কাজিন।”
” বাহ! বেশ মানিয়েছে তোমাদের।”
“না না আংকেল। আপনি যেমনটা ভাবছেন তেমন কিছুই না। ও আমার বোনের মতো। আমরা সব কাজিনরা মিলে মেলায় এসেছি। বাকিরা সামনেই আছে।”
” ওহ আচ্ছা আচ্ছা। কোনো ব্যাপার না। তোমাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার আছে। তারজন্যই এত ভিড়ের মধ্যেও ডেকে আনলাম।”
তাজের বুক ধুকপুক করছে৷ কি থেকে কি বলবে তার ঠিক ঠিকানা নেই৷ নিলুর আব্বু তাজের হাত ধরে এক কর্ণারে নিয়ে গেলেন। আশেপাশে নজর বুলিয়ে অত্যন্ত গুরুতর ভঙ্গিতে বললেন,
” তুমি হয়তো জানো নিলুর বিয়ের জন্য বেশ কয়েকটা সম্বন্ধ দেখেছি আমি৷ নিলু আর ওর আম্মুর একের পর এক রিজেকশনে আমি আর কুলাতে পারছি না। নিলুর জন্য খুব ভালো একটা সম্বন্ধ এসেছে। ছেলে দেখতে শুনতে ভালো, পরিবারও ভালো। সবই ঠিকঠাক। নিলুর আম্মুরও বেশ পছন্দ কিন্তু নিলু রাজি হচ্ছে না। তুমি তো নিলুর ভালো বন্ধু। ওকে একটু বুঝাও।”
চলবে……
Share On:
TAGS: প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে, সালমা চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৩১
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২০+এক্সট্রা
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৬
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৯
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২২+বর্ধিতাংশ
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৩২
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৯
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ২৪(প্রথমাংশ+শেষাংশ)
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ৩
-
প্রণয়ঘোরের সন্ধিতে পর্ব ১১