পারসোনাল_নোটিফিকেশন।
পর্ব- সমাপ্ত- ০১
সাজু ভাই সিরিজ।
৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতাল। পানগুছি নদীর তীরে অবস্থিত হাসপাতালটি মোড়েলগঞ্জ বাজারের পূর্ব পাড়ে। উত্তর দক্ষিণ দিকে বয়ে চলা নদীর পূর্বপাড়ের খেয়াঘাট পার হলেই হাসপাতালের এরিয়া। উপজেলা হাসপাতাল ব্যতীত সরকারি সকল প্রতিষ্ঠান নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। থানা, ব্যাঙ্ক, নির্বাচন অফিস, উপজেলা ভবন, প্রেসক্লাব সবকিছুই বাজারের পাশেই।
রিশাতদের গ্রাম থেকে তারা সরাসরি মোড়েলগঞ্জ সদরে এসে থামেন৷ বাজারের খেয়াঘাট থেকে রিজার্ভ ট্রলার নিয়ে হাসপাতালের ঘাটে গিয়ে নামেন সাজু ভাই, এসআই বিমল মিত্র ও রিশাতের মেজো ভাই নিলয় মুন্সি।
ট্রলার থেকে নেমে তারা সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে উপস্থিত হয়। নিলয় মুন্সির যেই বন্ধু নিলয়ের স্ত্রীর সিজার করছিল তার সাথে দেখা করার জন্য এরা হাসপাতালে গেল।
ভদ্রলোকের নাম ডাক্তার ওবায়দুল সিদ্দিক। পুরো উপজেলা জুড়ে তার বেশ সুনাম। সাজুর দাদার বদৌলতে ডাক্তারের সঙ্গে সাজুর পূর্ব থেকেই খুব ভালো পরিচয় আছে।
সাজুর বাসাও এই একই উপজেলায়। বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান সাজুর দাদার বর্তমান পারসোনাল ডাক্তার এই ডা: ওবায়দুল সিদ্দিক।
মেজো ভাই নিলয় মুন্সি ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে বললেন,
ভাবির খুনের তদন্ত চলছে। রিশাতও কাল আত্মহত্যা করেছে তা তো জানো৷ ইনি গোয়েন্দা, তোমার সাথে দেখা করতে এসেছেন।
ডাক্তার ওবায়দুল সিদ্দিক বলেন,
পরিচয় করাতে হবে না আমি সাজুকে চিনি। ওর দাদাকে তো আমিই গত তিন বছর ধরে চিকিৎসা দিচ্ছি।
তারপর সাজু ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন,
সাজু, তদন্তের জন্য আমার কাছেই চলে এলে? সবসময় তোমার গল্প শুনতাম। এবার নিজের চোখে দেখার সুযোগ পেলাম।
সাজু সংক্ষেপে বললো,
সাত মাস আগে ওনার স্ত্রীর এই হাসপাতালে সিজার হয়েছিল। আপনিই সম্ভবত সিজার করেছিলেন। আমি জানতে চাচ্ছি সিজারের পরদিন হঠাৎ কীভাবে ওনার স্ত্রী মারা গেল? আপনার কি কিছু মনে পড়ে? মৃত্যুটা কি স্বাভাবিক ছিল নাকি অস্বাভাবিক?
ডাক্তার একটু চমকে উঠেন। যদিও সেই চকমকানো কে সন্দেহের কিছু নাই। বরং আচমকা পুরনো স্মৃতি নিয়ে কথা বললে অবাক হওয়া তো স্বাভাবিক।
গলাটা পরিষ্কার করে ডাক্তার বলেন,
সবকিছু মোটামুটি ঠিক ছিল। ওনার অপারেশন হয় হাসপাতালের পাশেই আমার ক্লিনিকে। শারীরিক সমস্যা কিছুটা ছিল কিন্তু মেজর নয়। সিজারের পরদিন আমি এখানে রাউন্ডে ছিলাম। হঠাৎ নিলয় আমাকে কল দিয়ে বলে ওর স্ত্রী নিশ্বাস নিচ্ছে না। আমি দ্রুত রাউন্ড থেকে বের হয়ে ক্লিনিকে গেলাম। পরীক্ষা করে দেখলাম মারা গেছে। জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে? নিলয়ের মা-বাবা ভাবি কেউ কিছু বলতে পারলেন না। নিলয় ক্লিনিকে ছিল না। ওকে ওর বাবা কল দিয়ে জানানোর পরে ও আমাকে কল দিয়ে বাড়ি থেকে রওনা দেয়। আন্টি বলেন তিনি নাকি সামনেই ছিলেন। হঠাৎ রোগী বুক ধরে নাকি অস্থির হয়ে ওঠে। শরীরে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্টের কথাও নাকি জানায়। তারপর নিজের সন্তানকে স্পর্শ করে। আর পরবর্তী পাঁচ মিনিটের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে যায়।
আমি বলেছিলাম যে মৃত্যু নিয়ে কোনো সন্দেহ হলে পোস্টমর্টেম করতে পারে। কিন্তু ওরা পরিবার থেকে কেউ চাচ্ছিল না। তাছাড়া নিলয়ের শশুর শাশুড়ী কেউ নাই। ওদিক থেকেও কোনো চাপ ছিল না, তাই স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিয়ে তারা লাশ বাড়িতে নিয়ে যায়। এই তো, এ-র বেশি তো জানি না।
সাজু বললো, সেদিন এখানে কোনো দায়িত্বশীল নার্স বা কর্মকতা ছিল না? কোনো বয়, এমন কেউ যিনি এখানে কি হইছিল সেটা সম্পর্কে বলতে পারে।
– নাহ। থাকলে বা আমাকে জানালে আমিই তো সবার আগে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম। যদি তেমন অস্বাভাবিক কিছু জানতাম।
সাজু উঠে দাঁড়ায়। বিমল মিত্রের বিরক্ত লাগতেছে। এই সামান্য জানা কথা জানার জন্য এতদূর কষ্ট করে হাসপাতালে আসার কি দরকার ছিল? ঘটনার সবই তো পরিষ্কার। শুধু শুধু হয়রানি করে ছোটাছুটি করার কোনো মানে হয় না। এমনিতেই মামলা নিয়ে দিনরাত এক হয়ে যাচ্ছে।
তারা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আবার ট্রলারে গিয়ে ওঠে। বের হবার আগে সাজু ভাই ডাক্তারের সঙ্গে একা একা কিছুক্ষণ কথা বলেছেন৷ কথা বলার সময় সাজু নিজেই এসআই ও নিলয়কে দুরে সরিয়ে দেয়। ডাক্তারের সঙ্গে কি কথা হয়েছে সেটা জানতে ইচ্ছে করছে বিমল মিত্রের। আবার ডাক্তারের সঙ্গে কথা শেষ করে এসে ট্রলারে ওঠার আগেও মোবাইলে কার সঙ্গে যেন দুই মিনিটের মতো কথা বলেছে। নিশ্চয়ই কিছু একটা বের হচ্ছে। ভাবলেন জিজ্ঞেস করবেন।
কিন্তু সে কিছু বলার আগে সাজু নিলয়ের দিকে তাকিয়ে বললো,
নিজের ভাইয়ের খুনিকে চোখের সামনে খুন করতে দেখার পরও আপনি সেই খুনিকে বাঁচাতে চাইছেন। কাজটা কি ঠিক হচ্ছে?
নিলয় মুন্সি তাকিয়ে রইলেন। ট্রলারের ইঞ্জিনের ভটভট শব্দ আর নদীর মাঝখানে বাতাসের শোঁশোঁ সুরের মেলা৷ বিমল মিত্র বলেন,
– কিহ? উনি জানেন খুনি কে?
সাজু বললো, হ্যাঁ জানেন। ওনার গলার দাগটা খুনির দেয়া আঘাত। সম্ভবত রিশাতকে খুন করার সময় উনি যখন দেখে ফেলেছেন তখন ওনাকে ভয় দেখানোর জন্যই খুনি ওনার গলা কিছু একটা দিয়ে চেপে ধরেছিল।
নিলয় মুন্সি থতমত খেয়ে বলেন, না না কি বলেন? আমি কীভাবে জানবো খুনি কে? জানলে তো সবার আগে বলে দিতাম।
সাজু বললো, ভয় পেয়েছেন। খুনি ভয় দেখিয়েছে বলে ভয় পাচ্ছেন। রিশাতের রেকর্ডের বাকিটুকু সবই আপনার কণ্ঠ এতে সন্দেহ নেই। এটাও আপনি করেছেন ভয়ে। জীবন হারানোর ভয়। আপনাকে নিয়ে এতদূর হাসপাতালে আসার বড়ো কারণ হচ্ছে আলাদা নিয়ে আসা। সবকিছু স্বাভাবিকভাবে যেন বলতে পারেন সেই নিশ্চয়তা দিতে চাই।
এসআই বিমল মিত্র বলেন, কে সেই খুনি? আপনি কি খুনি কে সেটা ধরতে পেরেছেন?
– হ্যাঁ।
– কে সেই খুনি?
সাজু ভাই প্রথমে কিছু বললেন না। অদূরের ঘাটের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছিলেন। বিমল মিত্র আরও কিছু জিজ্ঞেস করতে গিয়েও থেমে যাচ্ছেন। সাজু ভাই সেভাবেই পাড়ের দিকে তাকিয়ে বলেন,
– রিশাতকে খুন করেছে রিশাতের বড়ো ভাবির মামা মোশাররফ হোসেন, যার ডাকনাম তাহের।
এসআই বিমল মিত্র অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন। অবাক হয়েছে রিশাতের মেজো ভাই। সাজু ভাই এখানে তদন্তে এসেছে সূচনার মামার মেইলের কারণে এটা এসআই বিমল মিত্র জানে। খুনি খুন করে আবার নিজেকে খুঁজে বের করার জন্য গোয়েন্দা নিয়ে আসবে এতটা বোকা মানুষ হয় নাকি? এসআই বিমল মিত্র মনে মনে হাসলেন। এই প্রথম তার মনে হচ্ছে সাজু নামের লোকটা একটা অপদার্থ। সামান্য এই কথাটাও সে জানে না যে খুনি নিজে কেন গোয়েন্দা ডাকবে। মানুষ কি এতটা পাগল?
সাজু বললো,
– আমাকে মেইল করেছে তাহের সাহেবের বন্ধু। তাহের সাহেব কিন্তু জানতেন না গোয়েন্দা আসবে৷ তিনি নিজেও বলেছেন যে তিনি ইচ্ছে করে আমাকে ডাকেন নাই। সেটা মনে আছে?
নিলয় মুন্সি ও এসআই বিমল মিত্র দুজনেই মাথা নেড়ে বোঝায় তাদের মনে নাই। তবে নতুন ঘটনার গন্ধ পেয়ে বিমল মিত্র খানিকটা মনোযোগ দিলেন।
ট্রলার প্রায় ঘাটের কাছাকাছি। এ পাড়ের নদীর তীরে মসজিদের মাইকে আসরের আজান দিচ্ছে। সাজু নিজের ঘড়ির দিকে তাকায়৷ নদীতে সূর্যের নরম আলো মৃদু ঢেউয়ের তালে চকচক করছে। মাঝ নদীতে তেল ভর্তি কার্গো জাহাজ হর্ণ বাজিয়ে সামনের জাহাজে সংকেত পাঠাচ্ছে।
ঘাটে ট্রলার ভিড়ছে। ইঞ্জিনের ভটভট শব্দ বন্ধ হয়েছে। তারা তিনজনই বোট থেকে নামলেন। সামনেই অজু করার ঘাট।
সাজু বললো, নামাজ পড়ে আমরা এখানে একজনের সঙ্গে দেখা করবো৷ আপনি একটু অপেক্ষা করুন। আমি মসজিদে যাচ্ছি। এখন নামাজ না পড়লে আর সময় পাবো না।
বিমল মিত্র চায়ের দোকানে চা খেলেন। বউয়ের সঙ্গে কথা বলে কিছুটা সময় পার করে তারপর সাজুর জন্য অপেক্ষা করছে। নামাজ পড়ে সাজু যখন আসছিলো তখন সাজুর সঙ্গে একজন মধ্যবয়স্ক মানুষ। তার পরনে পাঞ্জাবি পাজামা। পান খেয়ে পাঞ্জাবির বুকের খানিকটা অংশে পানের পিকের দাগ লেগে আছে। লোকটা বয়স আন্দাজ করার চেষ্টা করলো বিমল মিত্র। খুব মনোযোগ দিয়ে সাজুর কথা শুনছেন।
বিমল মিত্রের সামনে এসে সাজু বললো,
– ইনি তাহের সাহেবের বন্ধু। তার করা মেইল পেয়েই আমি ওই গ্রামে গিয়েছিলাম। ওনার নাম আফজাল তালুকদার।
তারপর লোকটার দিকে তাকিয়ে সাজু বললো,
– গতকাল রাত আটটার পরে তাহের সাহেবের সঙ্গে আপনার কি কি কথা হয়েছে বলুন। ইনি আমাদের থানার এসআই বিমল মিত্র। আপনার সাথে যেভাবে কথা হয়েছে সেভাবে বলেন।
তাহের সাহেব মুখভর্তি পানের পিক নদীর তীরে নিক্ষেপ করে মুখ পরিষ্কার করে নিলেন। তারপর সামনে তাকিয়ে বললেন,
– তাহের ওর বোনের একমাত্র মেয়েকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসতো। যেদিন মেয়েটা খুন হয় সেদিনই কল দিয়ে খুব কান্না করছিল। দিনের মধ্যে আমি অন্তত দু’বার কল করতাম। কাল রাতেও তাই খোঁজ নিতে কল করি। তাহেরকে জিজ্ঞেস করলাম কোনো আপডেট পেয়েছে কি-না। তাহের আফসোস করছিল আর বলছিল যে, খুনিকে ধরতে পারছে না। আবার বাড়ির ছোট ছেলেটাও নাকি আত্মহত্যা করেছে। আমি ওর সঙ্গে কথা শেষ করে আপনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। আমি জানতাম আপনি কারো সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে বিস্তারিত শোনেন না। আমার মেয়ের মাধ্যমে আপনার কাছে ঘটনার বিস্তারিত লিখে পাঠানোর ব্যবস্থা আমি নিজেই করি৷ আমার মোবাইল থেকে আমার মেয়ে আপনাকে মেইল করেছে।
আপনাকে পাঠানোর পরে আমি তাহেরকে কল দিয়ে জানাই যে আমাদের উপজেলারই একজন গোয়েন্দা আছে। আমি নিজে সবকিছু বলে দিয়েছি শুনে তাহের খানিকটা বিরক্ত হয়। সে জানায় যে গোয়েন্দা আসার দরকার নাই। পুলিশ জানে খুন কে করেছে।
আমি তখন মেয়েকে বলে আবারও আপনার কাছে মেসেজ পাঠাতে বলি৷ আমি ভেবেছিলাম আপনি হয়তো যাবেন না৷ কিন্তু সকাল এগারোটার দিকে তাহের আবার কল দিয়ে রাগারাগি করে। গোয়েন্দা কেন গেছে, আমি কেন নিষেধ করিনি ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক কথা শোনায় আমাকে৷
এসআই বিমল মিত্র সাজুর দিকে তাকিয়ে রইল। রিশাতের মেজো ভাই নিলয় মুন্সির চেহারা একদমই পরিবর্তন হয়ে গেছে। সাজুর মোবাইলে কল আসে৷ পকেট থেকে মোবাইল বের করে রিসিভ করেই ত্রিশ সেকেন্ডের মধ্যে কল কেটে দেয় সাজু ভাই। কথা শেষ করেই বলেন,
– আপনাকে ম্যালা ম্যালা ধন্যবাদ। দরকার হলে আবার যোগাযোগ করবো। বিমল ভাই, চলুন একটু জরুরি যেতে হবে।
– কোথায়?
– গেলেই দেখতে পাবেন।
দুটো মোটরসাইকেল ভাড়ায় নিয়ে এক গাড়িতে সাজু ভাই ও আরেক গাড়িতে এসআই বিমল মিত্র এবং নিলয় মুন্সি রওনা দিল। সাজুর গাড়ি সামনে, পিছনে পিছনে এসআই বিমল মিত্র এ নিলয়ের গাড়ি। প্রায় পনের মিনিট পরে তারা একটা ছোট বাজারের মধ্যে গিয়ে দাঁড়ায়। বাজারের এক প্রান্তে কিছু মানুষের ভিড়। সাজু ভাই ভিড়ের মধ্যে এগিয়ে গেলেন। পিছনে পিছনে এসআই বিমল মিত্র ও নিলয় মুন্সি।
ভিড়ের মাঝে হাত পিছনমোড়া করে বাধা অবস্থায় মাটিতে বসে আছে তাহের সাহেব। রিশাতের বড়ো ভাবির মামা তাহের। সাজুকে দেখে তিনি চোখ বড়ো বড়ো করে তাকিয়ে বললেন,
– আমাকে কেন ধরতে বলেছেন? মাস্তানী করেন? পরিণাম কিন্তু খুব খারাপ হবে বলে দিলাম।
সাজু ভাই কথাটা গায়ে মাখালেন না। তিনি এসআই বিমল মিত্রের দিকে তাকিয়ে বললেন,
– গ্রাম থেকে বের হবার আগে যতক্ষণ বাড়িতে ছিলাম তখনই বোঝা যাচ্ছিলো তিনি যেকোনো সময় সেখান থেকে হারিয়ে যাবেন। সম্ভবত তিনি বুঝতে পেরেছিলেন তার অপরাধ চাপা থাকবে না৷ আমি সেজন্যই ওই গ্রামের পাশের গ্রামে আমার পরিচিত দুটো ছেলেকে বলেছিলাম নজর রাখতে। ওরাই তাহের সাহেবকে পালাতে দেখে পিছনে পিছনে এসে এই বাজারে আটক করেছে।
– তারমানে রিশাতকে খুন ইনি করেছেন? তাহলে রিশাতের ভাবিকে খুন করেছে কে?
সাজু ভাই কোনো জবাব না দিয়ে ভিড়ের সাইডে দাঁড়িয়ে থাকা রিশাতের মেজো ভাই নিলয় মুন্সির দিকে তাকিয়ে রইলেন।
বিমল মিত্র বলেন,
– নিলয় সাহেব…?
সাজু মাথা নাড়ায়।
– নাহ, ভাবির নিলয় নয়। খুনি আরেকজন। আমরা খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। আরেকটু অপেক্ষা করুন। চলুন ওনাদের গ্রামে যাওয়া যাক।
চলবে…
বাকিটা (সমাপ্ত-০২) তে পাবেন।
কথা ছিল এটা শেষ পর্ব হবে। কিন্তু সময়ের কারণে সম্ভব হলো না। তাই আরেকটা পর্ব বাড়াতে হবে।
এতদিন অনেক বকাবকি শুনেছি।
দুঃখিত সবাইকে অপেক্ষা করানোর জন্য।
মো: সাইফুল ইসলাম (সজীব)
Share On:
TAGS: পারসোনাল নোটিফিকেশন, সাইফুল ইসলাম (সজীব)
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস পর্ব ৫
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস পর্ব ১
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস পর্ব ৭(শেষ)
-
পারসোনাল নোটিফিকেশন পর্ব ৬
-
পারসোনাল নোটিফিকেশন পর্ব ৪
-
পারসোনাল নোটিফিকেশন পর্ব ১
-
পারসোনাল নোটিফিকেশন গল্পের লিংক
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস পর্ব ৪
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস গল্পের লিংক
-
বিশ্বাস অবিশ্বাস পর্ব ২