পরগাছা |৭|
ইসরাত_তন্বী
(অনুমতি বিহীন কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)
ঘড়ির কাঁটা ঘুরে নিজের ঘাঁটি বেঁধেছে দুটোর ঘরে। গুঞ্জরিকা আজ স্বেচ্ছায় নিচে নামেনি। সেই কাকডাকা ভোরে গোসল দিয়ে উপরে উঠেছে। তারপর থেকে নিজেকে বিছানা বন্দি করে রেখেছে। ক্ষণে ক্ষণে নিচ থেকে বেশ চেঁচামেচির শব্দ ভেসে আসছে। কিন্তু সেটা কোনো প্রকার তর্কাতর্কি নয়, উৎসব আমেজের। সকালে তখন উঠে যেয়ে আরুষের মুখের উপরে শব্দ করে দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে চুপচাপ নিজের কক্ষে পড়ে আছে গুঞ্জরিকা। না দুটো অন্ন মুখে দিয়েছে আর না দরজার বাইরে পা রেখেছে। অদিতি এসে দুবার ডেকে গেছে কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ দেইনি গুঞ্জরিকা। আজকাল নিঃসঙ্গ জীবনকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করছে মেয়েটা। বেশ লাগছে। নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা বরাবরই ভালো লাগে গুঞ্জরিকার। আপাতত মেয়েটার বাইরের জগৎ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।
পেরিয়েছে ঘণ্টাখানেক। গুঞ্জরিকা আঁখি জোড়া বুঁজে শুয়ে আছে। অকস্মাৎ আরিকার উপস্থিতি অনুভব করতেই বন্ধ নেত্রপল্লব মেলে চাইল। ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে দেখল। জানালার কার্নিশে বসে আছে আরিকা। গুঞ্জরিকাকে চোখ মেলে তাকাতে দেখেই ডেকে উঠল, “মা, মা।”
গুঞ্জরিকা মুচকি হেসে দুহাত বাড়িয়ে দিল, “কাছে আয় বাচ্চা।”
তক্ষুনি আরিকা উড়ে এসে গুঞ্জরিকার বুকের উপরে বসল। মুখে মুখ ঠেকিয়ে নিষ্পাপ নেত্র যুগল দিয়ে মায়ের দিকে চেয়ে রইল। দুই সেকেণ্ড পেরোতেই বলে উঠল, “বাবা শাড়ি নতুন বউ।”
গুঞ্জরিকার মসৃণ কপাল গুটিয়ে এল। কপালে গুটিকয়েক ভাঁজের সৃষ্টি হলো। কথাটা বোঝার চেষ্টা চালাল। সহজেই বুঝল আরুষ হয়ত চন্দ্রাকে শাড়ি উপহার দিয়েছে নয়ত আলমিরা থেকে নতুন শাড়ি বের করে দিয়েছে। গুঞ্জরিকা কিছুক্ষণ নীরব রইল। মেয়েটার হঠাৎ কী হলো কে জানে? ডুকরে কেঁদে উঠল। চোখের কার্নিশ ঘেঁষে পানির স্রোত বয়ে চলল। ক্রন্দনরত গলায় আওড়াল,
“আমি সহ্য করতে পারছি না রে, আরিকা। এই জীবন কীভাবে পাড়ি দিব আমি? তুই তোর মায়ের শেষ কথা রাখ। আর কখনো ওই ঘরের ওপাশে যাস না।”
আরিকা মায়ের এমন করুণ কান্না কখনো দেখেনি। অবুঝ পাখিটার বুক ভার হলো। চোখদুটো ভিজে এল। মায়ের কথা তেমন আহামরি বুঝল না। তবে মানল, “যাব না, যাব না।”
গুঞ্জরিকা তখনও কেঁদে চলেছে। শরীরের ব্যথা ছাপিয়ে দগ্ধ হৃদয়ের হাহাকার ওকে কাবু করে ফেলছে। সহ্য হচ্ছে না এই অবহেলিত মানব জীবন। এখান থেকে বেরিয়ে যাবে সেটাও যে এত সহজ নয় ওর জন্য। আপনজন বিহীন জীবন একটা পরগাছার ন্যায়। সবসময় অপরকে আঁকড়ে বেঁচে থাকতে হয়। এখান থেকে বেরিয়ে কোথায় যাবে? কার কাছে যাবে? কে সাহায্য করবে একটুখানি? তৎক্ষণাৎ একটা নাম স্মরণ হলো। একটু আশার আলো দেখতে পেল। পরক্ষণেই ভাবল এখান থেকে চলে গেলে ভাইজানের নিষ্পাপ প্রাণের যে মুক্তি মিলবে না। ওর এখনো অনেক কাজ বাকি। দুটো চোখে পৃথিবীর সবটুকু অনুশোচনা দেখা বাকি রয়ে গেছে। একটা প্রাণের জন্য কারোর বুকফাটা আর্তনাদ দেখা বাকি। এত সহজেই কীভাবে হাল ছেড়ে দিতে পারে গুঞ্জরিকা? ওকে কঠিন হতে হবে। যার ভেতর ভেঙে চুরমার হয়ে গেলেও উপর থাকবে তকতকে, আকর্ষণীয়। মানুষকে ভেতর বুঝতে দিলে আঘাতকারীর সংখ্যা বেড়ে যায়। তারা সহজেই দূর্বল জায়গায় আঘাত হানতে পারে। গুঞ্জরিকা সেই সুযোগ কাউকে দিবে না।
আরিকাকে দুহাতে আগলে শোয়া থেকে উঠে বসল গুঞ্জরিকা। ওকে কোলের উপর রেখে সন্তর্পণে দুহাতে চোখের পানি মুছে নিল। বড়ো বড়ো করে বারকয়েক শ্বাস ফেলে নিজেকে ধাতস্থ করল। আরিকার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসল, “কী রে খেয়েছিস কিছু?”
আরিকা মায়ের হঠাৎ পরিবর্তনে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। কিন্তু মা হেসেছে মানে সে খুশি। বিছানার এ মাথা থেকে ও মাথা দুলে দুলে হেঁটে চলল। কখনো উড়ল। মাথা নেড়ে নেড়ে জবাব দিল, “না, না।”
গুঞ্জরিকা মুখটা কঠিন করে মিছে রাগ দেখানোর ভান ধরল, “না খেয়ে সকাল থেকে কোথায় কোথায় উড়ে বেড়াচ্ছিস? তোর সব হুশ থাকে আর খাওয়ার কথা মনে থাকে না?”
গুঞ্জরিকা আরিকাকে বকা দেওয়ার সাথেই পাশের টেবিলের উপরে রাখা বাদামের কৌটাটা হাতে তুলে নিল। আরিকা এবারও এত ভারি শব্দ বুঝল না। তবে ওকে যে বকা হচ্ছে সেটা ঠিকই উপলব্ধি করল। বাচ্চাদের মতো মাথা নামিয়ে, ঠোঁট দুটো বিছানায় ছুঁইয়ে নিশ্চুপ হয়ে শুয়ে রইল। আঁখি যুগল নিবিষ্ট রইল মায়ের দিকে। সে বোঝাতে চাইছে তাকে বকা দেওয়ায় বিশাল অভিমান হয়েছে তার। গুঞ্জরিকা অবাক হলো বৈকি। কী ঢঙ্গী ভাবা যায়! পর মুহূর্তেই ফিক করে হেসে দিল। আরিকাকে দুহাতে তুলে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল,
“মায়ের উপর তোর এত অভিমান বাচ্চা? সবাই এভাবে অভিমান করে দূরে ঠেলে দিলে আমি কোথায় যাব বলতো? মা আর কখনো বকা দিবে না তোকে। নে, এইবার দ্রুত খেয়ে নে। নিচে যাব আমরা।”
মায়ের ভালোবাসা পেতেই আরিকার অভিমান জানালা দিয়ে একছুটে পালাল। গুঞ্জরিকার হাত থেকে মুক্ত হয়ে উড়ে চলল আর গাইল, “খুশি, খুশি তানানা।”
গুঞ্জরিকা খিলখিলিয়ে হেসে উঠল। টেবিল থেকে বাটি নিয়ে সেটাতে বাদাম ঢেলে রাখল। আরিকাকে ইশারায় খেতে বলল। পালঙ্ক থেকে নেমে আলমিরার দিকে অগ্রসর হলো। ওর পরিহিত কাপড় পরিবর্তন করতে হবে।
.
শেখ বাড়ির সর্বকোণে আজ উৎসবের আমেজ ছড়িয়েছে। হঠাৎ করেই বেশ ভালো বিত্তশালী একটা পরিবার থেকে সম্বন্ধ এসেছে অদিতির জন্য। গ্রামপ্রধানের আত্মীয় হওয়ার দরুন গ্রামে এসেছেন তারা। থাকবেন আজকের দিনটাই। আজ সকালে আসমান শেখকে আমন্ত্রণ করে সবটা জানিয়েছেন গ্রামপ্রধান। বেশ বেলা করে পরিবারের সকলে জেনেছে। তাই আজকে সন্ধ্যায় শেখ বাড়িতে তাদের নেমন্তন্ন করা হয়েছে। তাদের মেয়ে দেখে পছন্দ হলে সম্পর্ক এগোনোর ইচ্ছে আছে সকলের। রান্নাঘরে আজ এলাহি কাণ্ড। হরেক পদের বাঙালি রান্না হচ্ছে সেখানে। আজকের দিনে আড়ত ও বন্ধ রেখেছে আরুষ কেবল এদিকটা সুষ্ঠুভাবে সামলানোর জন্য।
গুঞ্জরিকা নিচে নেমে তলব করে কর্মরত খালাদের থেকে এতটুকুই জানতে পেরেছে। মনে মনে বেশ খুশিও হয়েছে। মেয়েরা ভালো একটা পরিবারে গেলে ভালোই লাগে। অন্তত কারোর ওর মতো ভাগ্য না হোক এতটুকু খুব করে চায় গুঞ্জরিকা। বসার ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আছে আরুষ। এখনো দেখেনি গুঞ্জরিকাকে। চন্দ্রা ছিল রান্নাঘরে। গুঞ্জরিকাকে নিচে নামতে দেখেই গুটি গুটি পায়ে আরুষের দিকে এগিয়ে গেল। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চুপ রইল। মাথা নেড়ে লাজুক হেসে শুধাল, “আপনার দেওয়া শাড়িতে আমায় কেমন লাগছে?”
আরুষ অন্যমনস্ক ছিল। কিছু একটা নিয়ে গভীর ভাবনায় হারিয়েছিল। চন্দ্রার কথায় পূর্ণদৃষ্টি মেলে সামনে তাকাল। চোখজোড়া ভাসমান হলো চন্দ্রার শরীর জুড়ে। একঝলক দেখল। সবসময়ের মতো গম্ভীর পুরুষালী স্বর ছুটে গেল চন্দ্রার দিকে, “সুন্দর।”
চন্দ্রার মুখের লাজুক হাসি বাড়ল। আলগোছে হাত উঠিয়ে কপালের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চুলগুলো কানের পিছনে গুজল। আরুষ আরও কিছু বলতে নিচ্ছিল কিন্তু আলগোছে পাশ ফিরতেই চোখ আটকে গেল অদূরে সিঁড়িতে দাঁড়ানো নারীতে। গুঞ্জরিকা শরীরে কালো কুচকুচে সুতি একখানা শাড়ি জড়িয়েছে। ফর্সা দেহে রঙটা জ্বলছে। সুদীর্ঘ কেশ বেনুনী গেঁথে পিছনে ফেলে রাখা। ঘোমটার নিচ দিয়ে বেনুনীটা দৃশ্যমান। শাড়ির আঁচল গায়ে জড়িয়ে মার্জিতভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছে মেয়েটা। একশজনের মধ্যেও অনায়াসেই ওই জলন্ত নক্ষত্রটা জ্বলজ্বল করবে। চিনতে একটুও অসুবিধে হবে না।
গুঞ্জরিকা সবটাই বুঝল। এখানে না বোঝার কী আছে? গুঞ্জরিকা তো আর অবুঝ নয়। চন্দ্রার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। এতেই যেন আগুন ধরে গেল চন্দ্রার শরীরে। আরুষের মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় দৃষ্টি উপেক্ষা করে গুঞ্জরিকা রান্নাঘরের দিকে এগিয়ে গেল। কাঁধে আরিকা বসে আছে। মা ব্যতীত কারোর সাথে সে তেমন কথা বলে না।রান্নাঘরের দুয়ারে গুঞ্জরিকাকে দেখতেই রোকেয়া শেখ উঁচু গলায় তিক্ত বান ছুঁড়ে বসলেন, “এতক্ষণে মহারানীর নিচের নামার সময় হলো? ওই অলুক্ষণে মুখটা আজ না দেখালেও হতো। শুভ কাজে ওই মুখ দেখলে খারাপ বই ভালো হবে না আমাদের। নিজের কপালে সুখ নেই বলে কারোর কপালে সুখ দেখতে পারে না হতচ্ছাড়ি মেয়েমানুষ।”
গুঞ্জরিকা শুনল সবটা। মুখের হাসি বাড়ল। দুঃসময়ে এইসব গায়ে লাগাতে নেই। যতক্ষণ ধৈর্য আছে ততক্ষণ সয়ে যাবে। রান্নাঘরের ভেতরে প্রবেশ করে একটা প্লেট হাতে তুলে নিল। ভাতের হাঁড়ির দিকে পা বাড়াতে নিলেই আয়েশা শেখ থামিয়ে দিলেন, “ওডা অতিথিদের লাইগা। সকালের ভাত রইয়াছে ওইডা নাও। ওই যে ওই কোনায় হাঁড়িতে পাইবা।”
গুঞ্জরিকা থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। খাওয়ার যৎসামান্য ইচ্ছাটুকু মরে গেল। বিতৃষ্ণা জেগে উঠল। প্লেটটা যথাস্থানে রেখে দিল। উলটো ঘুরে হেসে আয়েশা শেখের উদ্দেশে বলল,
“ঘরের মানুষকে অভুক্ত রেখে অতিথি সেবা করে জান্নাতে যেতে পারবেন না দাদি। সবার উপরে মানুষ সত্য। আগে একজন প্রকৃত মানুষ হয়ে দেখান, অপর একজন মানুষকে শ্রদ্ধা, স্নেহ করতে শিখুন তারপর না হয় অতিথি সেবা করলেন।”
আয়েশ শেখ অগ্নি দৃষ্টিতে চাইলেন। এই জাতপাতহীন মেয়ের এত বড়ো সাহস! উনি আরও কিছু বলতে নিলেই দেখলেন দরজার ওপাশে আরুষ দাঁড়িয়ে আছে। অমনিই চুপ হয়ে গেলেন। মুখের কথা গিলে নিলেন। আরুষ নিঃশব্দে রান্নাঘরের ভেতরে প্রবেশ করল। প্লেট নিয়ে সেই হাঁড়ির গরম ভাত নিল। গরুর কষা মাংস, আলু ভাজা, ডিম ডাল নিল। এগুলো গুঞ্জরিকার বড্ড পছন্দের। মোটামুটি সব কিছু নিয়ে গুঞ্জরিকার সামনে এসে দাঁড়াল আরুষ। মেয়েটার নরম হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় পুরে নিল। আয়েশা শেখ এবং রোকেয়া শেখের দিকে তাকাল। আরুষের গলাটা গুরুগম্ভীর এবং বেশ জোরাল শোনাল,
“আপনাদের শেষ বারের মতো অনুরোধ, একটু শান্তি দিন আমাকে। গুঞ্জকে অপমান করার মতো দুঃসাহস দেখাবেন না। তাকে অপমান করা মানে আমাকে অপমান করা। আমার বাড়িতে থাকার একটা পথ অন্তত রাখুন। নয়ত আমি গুঞ্জকে নিয়ে এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হব। আমি আমার বউয়ের বিরুদ্ধে একটা শব্দও মানব না। কারণে অকারণে একটা মানুষকে এভাবে হেনস্তা কীভাবে করতে পারেন আপনারা? আপনাদের সব কথা রেখেছি এইবার আমার শেষ অনুরোধ টুকু আপনারা রাখুন। মানুষ আমি। কাপুরুষের খাতাতে নাম লিখিয়েও কি ক্ষান্ত হতে দিবেন না আমাকে?”
মুখের কথাতে সমাপ্তি টেনে গুঞ্জরিকার দিকে দৃষ্টিপাত করল আরুষ। একজোড়া নির্লিপ্ত চাহনির সহিত একজোড়া অসহায় চাহনির সাক্ষাৎ হলো। আরুষের বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। গুঞ্জরিকাকে নিজের সঙ্গে নিয়ে রান্নাঘর থেকে প্রস্থান করল। রান্নাঘরে কর্মরত খালা গুলো মিটিমিটি হাসছেন। তারা ভীষণ খুশি হয়েছেন। কেবল অন্তর জ্বলে যাচ্ছে তিন জনের। আয়েশা শেখ এবং রোকেয়া শেখ হতভম্ব হয়ে বসে রইলেন। ছেলে তাদের এতটা হাতের বাইরে কবে চলে গেল? রুপে গুনে পরিপূর্ণ নতুন বউ পেয়েও এই মেয়ের প্রতি টান কমছে না। কী আশ্চর্য! ওই মেয়ে নির্ঘাত কোনো জাদু টোনা করেছে আরুষকে। দুজন ফিরতি একটা শব্দও উচ্চারণ করলেন না।
গুঞ্জরিকা নিশ্চুপ আছে পুরোটা সময়। কেবল একজন দর্শকের ভূমিকা পালন করল। কিছু সময় নীরবতায় শ্রেয়। চন্দ্রা একদৃষ্টে আরুষ এবং গুঞ্জরিকার একসাথে মুষ্টিবদ্ধ হাত জোড়ার দিকে তাকিয়ে আছে। আঁখি জোড়া পানিতে টলমল করছে। ঠিক সেই সময় কর্ণগোচর হলো অদিতির গলা,
“এটুকু মানিয়ে নিন ভাবী। আমার ভাবীজান তো পুরোপুরিভাবে ছেড়ে দিয়েছে ভাইজানকে। ভাগ্যে থাকলে আপনার জালে ঠিক ধরা দিবে। যে মেয়ে প্রাণপ্রিয় স্বামীর কক্ষ ত্যাগ করার ক্ষমতা রাখে সে কখনো স্বামীকে নিজের শাড়ির আঁচলে বাঁধে না। বাঁধার প্রয়োজন পড়ে না। তার মতো সাহসী সবাই হতে পারে না।”
চলবে
(ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। প্রিয় পাঠক আপনাদের সকলের গঠনমূলক মন্তব্য ও রেসপন্সের আশা রাখি।)
Share On:
TAGS: ইশরাত জাহান জেরিন, পরগাছা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
প্রেম আসবে এভাবে পর্ব ২
-
প্রেমতৃষা পর্ব ৩০(বিবাহ স্পেশাল পর্ব)
-
পরগাছা পর্ব ৬
-
প্রেমতৃষা পর্ব ১১+১২
-
প্রেমতৃষা পর্ব ২৫+২৬
-
প্রেমতৃষা পর্ব ৪৫
-
প্রেমতৃষা পর্ব ৪৯
-
পরগাছা পর্ব ৪
-
প্রেমতৃষা পর্ব ৪১
-
প্রেমতৃষা পর্ব ৩৫+৩৬