পরগাছা |২৩|
ইসরাত_তন্বী
(অনুমতি বিহীন কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)
সময় বহমান। সুখ-দুঃখ, উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে জীবন থেকে পেরিয়েছে সাতটা দিন অর্থাৎ একটা সপ্তাহ। এই এক সপ্তাহে শেখ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিশদ পরিবর্তন এসেছে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই মানুষ গুলোর বয়স বেড়েছে কয়েকগুণ। ঠিকমতো অন্ন মুখে তুলতে পারে না। গলায় কাঁটার মতো বিঁধে। তাদের করা একেকটা অবিচার বিষের মতো বুকজ্বালা করে। সবটা ক্রমশ সহ্যাতীত হয়ে উঠছে। বাড়ির একমাত্র ছেলে নিজের জীবনকে নতুনভাবে সাজিয়েছে। আল্লাহর দরবারে নিজেকে সঁপেছে। মাথায় থাকা সফেদ রঙা টুপিটা দিব্যি তার পরিচয় বহন করছে। মুখের চাপ দাড়িটা অযত্নে বেশ খানিকটা বেড়েছে। তবে মুখমণ্ডলের সাথে মানানসই। ক্ষত চোখটা সর্বক্ষণ লুকিয়ে থাকে ছোট্ট নরম গামছার আড়ালে। যেটাতে মুখের একাংশ সহ সম্পূর্ণ মাথা বেষ্টিত থাকে। পাছে মানুষ যদি দেখে ভয় পেয়ে যায়? আরুষের এই পরিবর্তনে পাড়া প্রতিবেশীরা বেশ খুশি হয়েছেন। তবে ছেলেটার এমন উন্মাদ আচরণে দুঃখ হয় বড়ো। যাদের ছাড়া আমাদের চলে না দিনশেষে তাদেরকেই খুইয়ে বসি আমরা। দোষ দুই পক্ষের থাকে বইকি!
আজ সাতটা দিন আরুষের চোখে ঘুম নেই। ঘুমুতে পারে না ছেলেটা। শেষ রাতে প্রচণ্ড ক্লান্তিতে বিছানায় শরীর ছোঁয়ায় ঠিকই কিন্তু নেত্রপল্লবের বিচ্ছেদ মেটে না। এই বিচ্ছেদ এত সহজে মিটবার নয়। নিজের করা একপাক্ষিক আচরণ গুলো প্রতিনিয়ত কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। সে পারেনি মেয়েটাকে একটু সুখে রাখতে। একটুখানি ভরসার জায়গা হয়ে উঠতে। তার পরগাছার জীবনের শেষ আশ্রয় হতে। এই আক্ষেপ কীভাবে সইবে? জীবন থাকতে সম্ভব নয়।
আরুষ নিজের গ্রাম সহ আশেপাশের অনেকগুলো গ্রামে খুঁজেছে। কিন্তু দিনশেষে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে। একরাশ হতাশা গ্রাস করে নিচ্ছে তাকে। এর শেষ কোথায়? কীভাবে খুঁজে পাবে তার গুঞ্জনকে? অথচ যেই মানুষটা গুঞ্জরিকার খোঁজ জানে সে তো কখনোই মুখ খুলবে না। আরুষও জোর করেনি। কেউ অন্তত ঠিকভাবে সবগুলো সম্পর্ক বজায় রাখছে। রাখুক, ক্ষতি নেই তাতে। সবাই কেন তার মতো কাপুরুষ হবে? সম্পর্কের সঠিক মূল্যায়ন করবে না?
আরুষ ভোর নাগাদ বেরিয়েছিল বাইরে। মাঠে, ঘাটে, রাস্তায় ছুটেছে তৃষ্ণার্ত চোখ দুটোর তৃষ্ণা মেটাতে। কাঙ্ক্ষিত একটা বদনের দর্শনে। কিন্তু পায়নি দেখা। খোঁজ মেলেনি তার। আজও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে তাকে। হতাশ হতে হয়েছে আরও একবার। কিন্তু যোহরের সময় হয়ে আসাতেই ফিরে এসেছে। গোসল সেরে মসজিদে যেতে হবে তাকে। আরুষ যখন শেখ বাড়ির সদর দরজায় পা রাখল তখন ঘড়ির কাঁটা ঘুরে বারোটা পঁয়তাল্লিশে। এত বেলা অবধি পেটে কিছু পড়েনি ছেলেটার। পা দুটো আর চলছে না। শরীর সায় দিচ্ছে না। বিগত এক সপ্তাহে কখনো রাত দিন মিলে একবার পেটে খাবার পড়ে কখনো বা তাও পড়ে না। সে আজকাল বড্ড বেশিই উদাসীন নিজের প্রতি। আরুষ সিঁড়ির দিকে যেতে যেতে প্রথমেই নজরে এল চন্দ্রার শুকনো ক্লান্ত আনন। রান্নাঘর থেকে যে মাত্রই মুক্তি মিলেছে মেয়েটার তা বুঝতে আর অবকাশ নেই।
চন্দ্রা রান্নাঘরের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ছিল। আরুষকে দেখতেই দ্রুত পায়ে ওর দিকে এগিয়ে গেল। নিচু গলায় ডাকল,
“শুনছেন?”
স্বেচ্ছায় থামল আরুষ। পিছু ফিরে দাঁড়াল। একপলক দেখল চন্দ্রাকে। মেয়েটার মুখেই স্পষ্ট তার অভুক্ত থাকার ঘটনা। আরুষ হাসল ক্ষীণ,
“আমার অপেক্ষায় থেকো না মেয়ে। নিজের আর করুণ দশা বানিও না। তোমার জন্য করুণা ব্যতীত আর কোনো অনুভূতির জন্ম হবে না আমার মিশ্রপিণ্ডের হৃদয়ে। তুমি যা চেয়েছ পেয়েছ। আর কখনো এসো না আমার সামনে। অদিতি তোমার কক্ষ থেকে আমার প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়ে গুঞ্জর কক্ষে রেখে দিবে। বিতৃষ্ণার ইতি টানার সুযোগটুকু দাও।”
আরুষ কথাগুলো বলে আর দাঁড়াল না। গুটি গুটি পায়ে সিঁড়ির দিকে অগ্রসর হলো। অথচ তার মুখনিঃসৃত প্রতিটা শব্দ চন্দ্রার মস্তিষ্কে কিলবিল করে ছুটে চলল। হৃদগহীনে সুক্ষ্ম বুকব্যথার সৃষ্টি হলো। মাথাটা ভনভন করছে। তবুও মুখে দিব্যি হাসি ফুটিয়ে তুলল চন্দ্রা। চোখের কোণে পানি নিয়ে মুচকি হাসল,
“অভাগীর মাথা গোঁজার ঠাঁই মিলেছে এই যথেষ্ট। আপনার সকল আদেশ মান্য। আপনি নিজের কষ্ট সযত্নে বুকে লালন করে জীবন পার করুন।”
কথাগুলো বেশ উঁচু গলায় বলল। আরুষের পদযুগল থামেনি। অপরপক্ষ শুনল কি? হয়ত! হয়ত না। চন্দ্রা উলটো ঘুরে সদর দরজার দিকে হাঁটা ধরল। উদাস গলায় বিড়বিড় করে আওড়াল,
“কিছু সম্পর্কের কোনো নাম হয় না। কিছু সম্পর্কে চূড়ান্ত অধিকার জন্মায় না।”
.
জীবন যখন একটা বটবৃক্ষের ছায়াতল থেকে সরে আসে তখন পৃথিবী ঠিক কতটা কঠিন আমরা উপলব্ধি করতে পারি। সূর্যের ওই প্রখর তাপ তখন সরাসরি আমাদের মস্তিষ্ক খুবলে খায়। ধরিত্রীর এই কঠিন রুপ দেখার সুযোগ একবার হয়েছিল গুঞ্জরিকার। যদিও সময়টা স্বল্প ছিল। বাবা নামক বটবৃক্ষকে হারিয়ে খাবার জুটেছিল না মুখে। কেউ দুমুঠো ভাত দেয়নি। সেই দূর্বিষহ সময়ে আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছিলেন আরুষ শেখকে। মানুষটা গুঞ্জরিকার জীবনে এসেছিল একখণ্ড উজ্জ্বল দ্যুতি হয়ে। সেই আলোয় আলোকিত করেছিল মেয়েটার জীবন। মুছে দিয়েছিল সকল আঁধার। ইতি ঘটেছিল জীবনের সব টানাপোড়েনের। মানুষটার থেকে কখনো ভাত-কাপড়ের কষ্ট পেতে হয়নি গুঞ্জরিকাকে। কিন্তু ওই যে মনের কষ্টের কাছে সব তুচ্ছ। আপন জনেরাই তো বুকে আঘাত করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে।
কিন্তু আবার যেন অতীতের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। একমুঠো ভাত জোগাড়ের জন্য গুঞ্জরিকাকে হন্ন হয়ে ঘুরতে হচ্ছে। উঁহু, ভিক্ষা নয় কাজের জন্য। আর কারো দ্বারস্থ সে হবে না। কাজ করেই দুটো দানা মুখে তুলবে নচেৎ নয়। এইত আজও কাজের জন্য এসেছে শশী দিঘি গ্রামের মোড়ের একটা আড়তে। এখানে আড়ৎ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য মানুষ রাখা হবে। মালিক বড়ো সূচিপায় কি-না।
গুঞ্জরিকা দাঁড়িয়ে আছে দরজার নিকটে। সম্পূর্ণ শরীর মুড়িয়ে রাখা শাড়ির বেষ্টনী দ্বারা। মুখে ঘোমটা টানা। হাত দুটো আর পা দুটো ব্যতীত কিছুই স্পষ্ট নয়। অদূরে চৌকির উপর আরাম করে বসে আছেন মালিক এবং তার ছেলে। উপস্থিত আছে আরও একজন ব্যক্তি। ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন তারা। কিন্তু মালিকের ছেলের লালসার দৃষ্টি যে গুঞ্জরিকার দিকে নিবিষ্ট তা মেয়েটা দিব্যি অনুভব করতে পারছে। মূলত ফর্সা হাত দুটো দেখেই ঘোমটার আড়ালে থাকা আনন আঁচ করেছে সে। ঘৃণায় গা গুলিয়ে আসছে গুঞ্জরিকার। একদলা থুথু ছুঁড়তে মন চাইছে সুদর্শন মুখের আড়ালে থাকা পশুর রুপটাতে। কী বিশ্রী চাহনি! মেয়ে দেখলেই এদের জিব লকলকায়। শরীরে জ্বালা ধরে। জানোয়ার একটা।
গুঞ্জরিকা দুই পা পিছিয়ে গেল। এখানে যদি গুঞ্জরিকা নিজের অসহায়ত্বের কথা বলে থাকে তাহলে অপরপক্ষ সুযোগ পাবে তাকে হেনস্থা করার। প্রয়োজনে না খেয়ে মরবে তবুও এখানে কাজ নিবে না। অপরপক্ষকে স্বেচ্ছায় সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। সেই সময়ে কর্ণগোচর হলো মধ্যবয়স্ক মালিকের গলা,
“এদিকে এসো, মা।”
মালিকের সাথে কথা বলা ভদ্রলোক পাশ কাটিয়ে বের হয়ে গেল। হয়ত প্রয়োজনীয় সব কথা শেষ। গুঞ্জরিকা এগোনোর সাহস পেল না। এই কাজের সন্ধান দিয়েছিল মূলত একজন বৃদ্ধা। সেদিন বাজারে গিয়েছিল সবজি কিনতে। নাও পারাপারের সময় একজন বৃদ্ধার সাথে পরিচয় হয়েছিল। সেখান থেকেই সবটা জেনেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এখানে এসে ভুল করেছে। গুঞ্জরিকা এক কদম এগিয়ে এসে সালাম দিল। পরপরই বলল,
“জি, বলুন।”
ভদ্রলোক এমন শিষ্টাচারে বেশ অবাক হলেন বৈকি! ধরেই নিয়েছিলেন চাল চুলোহীন কোনো মেয়ে। সালামের উত্তর দিয়ে তুলনামূলক নরম কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন,
“এখানে আসার কারণ কী, মা?”
গুঞ্জরিকা কী বলবে ঠিক বুঝে উঠতে পারল না। একটু ভেবে বলল,
“বিশেষ কোনো কারণ নেই। ফসলের মূল্য জানতে এসেছিলাম।”
মালিক মুচকি হাসলেন,
“ও আচ্ছা। তো কিসের মূল্য জানতে চাও?”
গুঞ্জরিকা অকপটে বলল,
“চালের কেজি কত করে এখন?”
মালিক হাসিমুখে জবাব দিলেন,
“৬ টাকা এখন। একটু মূল্য বেড়েছে। ফসলের উৎপাদন কম হয়েছে এইবার।”
গুঞ্জরিকা মাথা নেড়ে আচ্ছা বোঝাল। ছোট্ট করে বলল,
“ধন্যবাদ, আমি আসি।”
অপরপক্ষকে আর একটা শব্দও উচ্চারণের সুযোগ না দিয়ে ওখান থেকে প্রস্থান করল গুঞ্জরিকা। বড়ো বড়ো পা ফেলে স্বল্প সময়ে বেশখানিকটা দূরে চলে এল। কিন্তু সেই লালসার দৃষ্টি থেকে মুক্তি মিলল না। এত সহজে মিলবে বলেও মনে হয় না। একটা সময় পরে গুঞ্জরিকা নিজের পদযুগল থামাল একটা জামরুল গাছের নিচে। বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। একাকী জীবন ঠিক কতটা অসহায় এখন হাঁড়ে হাঁড়ে টের পাচ্ছে গুঞ্জরিকা। সামান্য একটা কাজ জোগাড় করতে সপ্তাহ পেরিয়ে যাচ্ছে। তবুও কোনো গতি করতে পারছে না। আরুষের ছায়াতল থেকে বেরিয়ে এসেছে ঠিকই। কিন্তু আরুষ বিহীন জীবন যে এতটাও সহজ নয় সেটা উপলব্ধি করতে পারছে। কান্নারা গলায় দলা পাকিয়ে আসছে। কিন্তু না, সে কাঁদবে না। শেষ নিঃশ্বাস অবধি লড়বে। মেয়েরা যে কেবল অন্যের উপর বোঝা হয়ে থাকে না। নিজেরাও আয় করে বাঁচতে পারে সেটা সে প্রমাণ করেই ছাড়বে। এই সমাজের সবচেয়ে তুচ্ছ বস্তু ঠিক কতটা মূল্যবান সবার জানা প্রয়োজন। এই মুহূর্তে আব্বার বলা একটা কথা ভীষণ মনে পড়ছে গুঞ্জরিকার। জাব্বার আলী বলতেন,
“সবসময় আমার কাছেই আবদার রেখো, মা। কে দিলো, না দিলো ওগুলো নিয়ে মন খারাপ করবে না। পারলে সবাইকে দিবে কিন্তু পাওয়ার আশা রাখবে না। এতে কষ্টের পরিমাণ কমবে। আমি যতদিন বেঁচে আছি তোমাদের জন্য আমিই যথেষ্ট, মা।”
.
মধ্যনিথীতে গ্রামখানা স্তব্ধ হয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হবে সেখানে কোনো জনমানবের চিহ্ন নেই। প্রকৃতিতে ভেসে চলেছে কেবল নিশাচর দের গুঞ্জন। শেখ বাড়ির সকলে নিজ নিজ কক্ষে আছে। কারোর চোখেই হয়ত ঘুম নেই। এই সময়ে আয়েশা শেখের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলো। প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে শোয়া থেকে উঠে বসলেন। কাঁপা কাঁপা হাতে টেবিল থেকে লণ্ঠন উঠিয়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেলেন। সদর দরজাটা আস্তে করে খুলে বাইরে পদ যুগল রাখতেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন। শ্রবণেন্দ্রিয়ে প্রবেশ করল ঝুমুরের শব্দ। সেই শব্দ লক্ষ্য করে সেদিকে তাকালেন। একটা অবয়ব চোখের পর্দায় ভাসল। কেউ একজন ঠিক উঠানের মাঝখানে দাড়িয়ে আছে। হাতে একটা লণ্ঠন নিভু নিভু জ্বলছে। শরীরে জড়ানো লাল টকটকে শাড়ি। চুলগুলো কুকড়ানো। কোমর ছেড়ে হাঁটু ছুয়েছে। মুখের উপর অগোছালো ভাবে পড়ে আছে। সেই চুলের ফাঁকফোকর দিয়ে দৃশ্যমান বড়ো একটা নথ। যেটা টেনে কান অবধি পৌঁছেছে। হাত-পা জোড়া রাঙিয়েছে গাঢ় লাল রঙের আলতায়। দুধে আলতা গায়ে রক্ত লাল রঙটা জ্বলজ্বল করছে। এমন চোখধাঁধানো সৌন্দর্য ভীষণ পরিচিত একটা মানুষকে স্মরণ করাল। অথচ যার অস্তিত্ব এই ধরণির বুকে কোথাও নেই। আয়েশা শেখের হৃৎস্পন্দন বাড়ল। বুকটা ভয়ে পিষ্ট হলো। বিড়বিড় করে আওড়ালেন,
“নবনীতা!”
ভীষণ ক্ষীণ গলায় নামটা উচ্চারণ করলেন আয়েশা শেখ। অথচ অদূরে দাঁড়ানো অবয়বটা দিব্যি শুনল। মৃদু আওয়াজে হেসে উঠল। একটা দমকা হাওয়া এসে মুখ থেকে চুলগুলো উড়িয়ে নিয়ে গেল। লণ্ঠনের নিয়ন আলোয় জ্বলে উঠল সুশ্রী বদনখানা। ভীষণ পরিচিত একটা মুখ চক্ষুগোচর হলো। আয়েশা শেখের ভ্রু যুগল কুঁচকে গেল। মস্তিষ্কে শত প্রশ্নের জটলা বাঁধল। হতভম্ব হয়েই শুধালেন,
“তুই কে নাত বৌ? তোর পরিচয় কী?”
অপরপক্ষের হাসি থেমেছে ততক্ষণে। ঠোঁটের কোণ ঘেঁষে সুক্ষ্ম হাসির রেশ ছড়িয়েছে। শোনা গেল ফিসফিস করে আওড়ানো একটা বাক্য,
“আপনার সবচেয়ে বড়ো আক্ষেপ, আপনার জাত শত্রু।”
চলবে
(ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। প্রিয় পাঠক আপনাদের সকলের রেসপন্স ও গঠনমূলক মন্তব্যের আশা রাখি।)
Share On:
TAGS: ইসরাত তন্বী, পরগাছা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
পরগাছা পর্ব ১৬
-
পরগাছা পর্ব ১০
-
পরগাছা পর্ব ৫
-
পরগাছা পর্ব ১৭
-
পরগাছা পর্ব ১২
-
পরগাছা পর্ব ২১
-
পরগাছা পর্ব ১৩
-
পরগাছা পর্ব ৩
-
পরগাছা পর্ব ২০
-
পরগাছা পর্ব ১৮