Golpo কষ্টের গল্প পরগাছা

পরগাছা পর্ব ১০


পরগাছা |১০|

ইসরাত_তন্বী

(অনুমতি বিহীন কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ)

“ভাইজান আমার একটা সাহায্য প্রয়োজন।”

গুঞ্জরিকা কথাটা বলেই থামল। ওর সম্মুখে কিছুটা দূরেই শাহরিয়ার দাঁড়িয়ে আছে। দৃষ্টি নিবিষ্ট সামনে। পাশেই কমলিকা নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে। মিষ্টি করে হাসল শাহরিয়ার,
“জি, অবশ্যই ভাবী। সাধ্য থাকলে না করব না।”

গুঞ্জরিকা একটু ইতস্ততবোধ করছে। কথাটা বলবে কি বলবে না দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। শাহরিয়ার সহজেই বুঝল বিষয়টা। নীরবতাকেই প্রাধান্য দিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে রইল। বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে মনস্থির করল গুঞ্জরিকা। চোখ নামিয়ে নিল। কাঁপা কাঁপা গলায় বলল,
“ভাইজান আমি শেখ বাড়ি ত্যাগ করতে চাই। দমবন্ধ হয়ে আসে আমার। ওখানে আমি আর কিছুদিন থাকলে নির্ঘাত মা রা যাব।”

মেয়েটা যে বুকে পাথর চেপে কথাগুলো আওড়াল তা নিয়ে বিন্দুমাত্র দ্বিমত নেই। কমলিকার নেত্র জোড়া ছলছল করে উঠল। মানুষ ভাগ্যের কাছে ঠিক কতটা অসহায় হলে নিজের শখের সংসার ছাড়তে চায়? শাহরিয়ার এটুকুতেই বুঝে ফেলল মেয়েটা কী বোঝাতে চাইছে। সেদিকেই কথা এগোল,
“আপনার আব্বার বাড়িতে ফিরে যেতে চাচ্ছেন ভাবী?”

গুঞ্জরিকার দৃষ্টি সরল। মেঝেতে নিবন্ধ চোখ তুলে চাইল। শাহরিয়ার এর দিকে তাকিয়ে উত্তর দিল, “না ভাইজান।”

“তাহলে?”

“ওই ভিটেতে আমি পা রাখব না ভাইজান। তারা আমার কথা ভাবেনি। আমি আর কখনো ওখানে যাব না। কখনো না।”

“আমি কি তাহলে অন্য কোনো জায়গা খুঁজব ভাবী?”

“আমার আব্বার নদীর চরে একটা জমি আছে ভাইজান। ওটার দলিল আমার কাছেই আছে। আমি দলিল খানা আপনার কাছে এনে দিলে জায়গাটা আমার এতটুকু কি নিশ্চিত করে দিতে পারবেন ভাইজান?”

শাহরিয়ার তৎক্ষণাৎ জবাব দিল না। ভাবল অত্যল্প। দুয়েক দিনের মধ্যেই নগরে যাবে আম্মাকে নিয়ে। তাহলে পৌরসভা থেকে জমি জমার বিষয়টাও ঠিক করে আনা সম্ভব হবে। সবটা অধিকতর সহজ হবে। প্রত্যুত্তর করল,
“আপনি আমাকে আগামীকাল সকালে দলিল খানা এনে দিয়েন ভাবী। আমি হয়ত পরশুদিন নগরে যেতে পারি। আর সম্ভব হলে জায়গাটা একটাবার দেখে আসবেন এখন কী অবস্থায় আছে। আমাকে জানালে কাজ করতে সহজ হবে।”

সহমত পোষণ করল গুঞ্জরিকা, “আচ্ছা ভাইজান আমি আগামীকালই যাব।” একটু থামল। কিছু একটা ভেবে অনুরোধের সুরে বলল,
“আপনার বন্ধুকে এইসবের কিছু জানাবেন না ভাইজান। আমার ভালোর এতটুকু করবেন দয়া করে।”

শাহরিয়ার একবাক্যেই মেনে নিল। এমনিতেও সে আরুষকে কিছুই জানাত না। আরুষের এই কাজের জন্য নিজেও একটু মনক্ষুণ্ণ হয়েছে বটে। কিন্তু বন্ধুত্বের খাতিরে প্রকাশ করতে পারছে না। সবচেয়ে বড়ো কথা ছেলেটার মুখটা দেখলে বড্ড মায়া লাগে আজকাল। শাহরিয়ার আশ্বস্ত করল,
“এখানে উপস্থিত আমরা তিনজন ব্যতীত আর কেউ জানবে না ভাবী। আপনি চিন্তা করবেন না। শুধু এই অধমের উপরে একটু ভরসা রাখবেন। তাহলেই চলবে।”

গুঞ্জরিকা খুব সন্তুষ্ট হলো। অধরযুগলে হাসি ফুটিয়ে উঠে দাঁড়াল। বিদায় নিল সকলের থেকে, “আজ তবে আসি। বেশখানিকটা রাত হয়ে এসেছে।”

টেবিলের উপর থেকে নিজের আনা লণ্ঠনখানা তুলে নিল গুঞ্জরিকা। মেয়েটাকে যেতে দেওয়ার ইচ্ছে না থাকলেও থামাতে পারল না কেউ-ই। বেশি রাত হয়ে গেলে তখন ঝড় যাবে গুঞ্জরিকার উপর দিয়ে। শেখ পরিবারের মানুষগুলো ভালো হলে তো হতোই। কমলিকা নিজেও উঠে এল। শাহরিয়ার এর উদ্দেশে বলল,
“আপনি থাকুন বাড়িতে। মায়ের দিকে খেয়াল রাখবেন। আমি ভাবীকে একটু এগিয়ে দিয়ে আসি।”

সাথে সাথেই না করে দিল গুঞ্জরিকা, “না, না ভাবী আপনার আসা লাগবে না। আমি চলে যেতে পারব।”

কমলিকা শুনল না কোনো নিষেধাজ্ঞা। সে যাবেই সাথে। ওদিকে গুঞ্জরিকা চায় না রাত বিরেতে কমলিকা তার সাথে যাক। কারণ আসার সময় সেই তো একাই হয়ে যাবে। দু’পক্ষের আলোচনায় শেষ পর্যন্ত বাড়ির আঙিনার শেষ অবধি যাওয়ার কথা ঠিক হলো। গুঞ্জরিকা অনিচ্ছা নিয়েই মানতে বাধ্য হলো। শ্লথগতিতে হেটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। পিছু পিছু হাঁটল কমলিকা। ঘরের দাওয়ায় দাঁড়িয়ে একদৃষ্টে ওদের দিকে চেয়ে রইল শাহরিয়ার।
.

“প্রথম সাক্ষাতেই আমাকে নিজের স্ত্রীর উপযুক্ত মনে করার কারণ কী চৌধুরী সাহেব?”

অদিতির মুখনিঃসৃত প্রশ্নে রবী ক্ষীণ হাসল। ঘর সংলগ্ন ছোট বারান্দায় নিজেদের মধ্যিখানে বেশ খানিকটা দুরত্ব রেখে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে অদিতি এবং রবী। কেউ কারোর দিকে আড়চোখেও তাকিয়ে দেখছে না। দুজনের দৃষ্টি নিবিষ্ট রাতের শশীর পানে। তার রুপে মুগ্ধ হয়ে চেয়ে আছে‌। চাহনিতে ফুটে উঠেছে আকাশসম মুগ্ধতা। নিজেদের আত্মসম্মান খুইয়ে ছ্যাঁচড়ামোকে কেউ প্রাধান্য দিতে রাজি নয়। রবীর দৃষ্টি সরল না। দূরাকাশে চেয়েই জবাব দিল,
“বড়ো আপা বলতেন কাউকে ভালোলাগার জন্য শত সাক্ষাতের প্রয়োজন পড়ে না। যাকে মনে ধরে প্রথম দেখাতেই ধরে যায়।”

অদিতির মুখের আদলে কোনো পরিবর্তন দেখা গেল না। এত সুন্দর কথাতেও হাসল না যৎসামান্য। ফের জিজ্ঞাসা করল, “আমাকে ভালোলাগার কারণ কী?”

রবীর মুখের হাসি বাড়ল। পাশে দাঁড়ানো মেয়েটা যে সাহসী এর সাথে বড্ড বেশি ত্যাড়া সেটা দিব্যি বুঝল। বলল, “ভালোলাগার জন্য কারণ থাকা আবশ্যক কি?”

“জি, অবশ্যই। আমাদের পছন্দ, অপছন্দের কারণ তো অবশ্যই থাকে। কারণ ব্যতীত কোনো কিছু হয় না।”

“তাহলে আজ নতুন করে জানুন সবকিছুর কারণ হয় না। কারণ থাকতে নেই।”

অদিতি স্বেচ্ছায় এই বিষয়ে কথা বাড়াল না। শুনল কেবল। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে নিজ থেকেই শুধাল, “আপনার কাছে সংসার অর্থ কী?”

এমন প্রশ্নে রবী একটু ভাবুক হলো। বেশ ভেবেচিন্তে উত্তর করল, “এর আগে তো বিয়ে করি নাই তাই ধারণা কম। তবে চারপাশের অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলি সেক্ষেত্রে সংসার হলো একটা সম্মানের জায়গা। যেখানে দুই পক্ষের একে অপরের প্রতি সম্মান এবং যত্ন এই দুটো থাকা অত্যাবশ্যক। আর আমি মনে করি এগুলো থাকলে ভালোবাসা সহজেই তাদের মাঝে স্থান করে নিবে।”

এতক্ষণে অদিতির ঠোঁটের কোণ ঘেঁষে সরু হাসির রেখা দৃশ্যমান হলো। তবে কণ্ঠস্বর আগের ন্যায় কঠিন শোনাল, “বলার চেয়ে মেনে চলা কঠিন।”

“সেটা দেখতে হলে, জানতে হলেও তো আমাকে বিয়ে করতে হবে রাগিনী।”

ঠাট্টা মিশ্রিত গলার স্বর রবীর। এমন সম্বোধনে পাশে দাঁড়ানো যুবতীর মুখের হাসি বাড়ল। কথাতে গলল কি-না ঠিক বোঝা গেল না। তবে হাসিটুকু সত্য, স্নিগ্ধ। একচিলতে মিথ্যা নেই, কপটতা নেই। দুজনের নীরবতার মধ্যিখানে শোনা গেল সারথীর কণ্ঠস্বর, “আপা তোমাদের নিচে ডাকছে। ওদিকে খাওয়ার পর্ব শুরু হয়েছে। দুলাভাইয়ের অপেক্ষায় সকলে।”

সারথীর শেষ বাক্যে ঈষৎ লজ্জা পেল অদিতি। দ্রুত পায়ে ওখান থেকে প্রস্থান করল। কক্ষে এসে কিছু একটা স্মরণ হতেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। উঁচু কণ্ঠে প্রশ্ন ছুঁড়ল, “আপনার নামটা জানা হলো না তো চৌধুরী সাহেব?”

তৎক্ষণাৎ বারান্দা থেকে মৃদু হাসির শব্দ ভেসে এল। যেখানে কেবল পরিচয় পর্বের জন্যই প্রচলিত রীতিনীতির পরোয়া না করে কেউ কেউ আলাদাভাবে কথা বলে থাকে, সেখানে ওদের প্রথম সাক্ষাৎটা অদ্ভুত বটে। ওপাশ থেকে পুরুষালী কণ্ঠে জবাব ভেসে এল, “শাফায়াত রবী চৌধুরী। আপনি আমাকে রবী বলেই ডাকতে পারেন।”

অদিতি মুচকি হেসে প্রস্থান করল। ওর পিছু পিছু রবীও ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। বন্ধুমহলে নাক উঁচু চৌধুরী পোলা হিসেবে পরিচিত সে। এর একটাই কারণ তার কোনো মেয়ে পছন্দ হয় না। এই এক বিয়ে নিয়ে কম করে হলেও অর্ধশত মেয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা অধিকাংশই ধনী পরিবারের সুন্দরী রাজকন্যা। কিন্তু রবীর মন টানেনি কেন যেন। অথচ আজ এই একটা কর্কশ, রাগী মেয়ে দেখতেই হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেছে। এইজন্যই হয়ত মানুষ বলে, যার সাথে যার নাম জুড়ে দেওয়া আছে তার সাথেই তার জোড়া বাঁধবে।
.

গুঞ্জরিকা যখন শেখ বাড়ির সদর দরজায় পা রাখল তখন চোখ পড়ল খাবার টেবিলের দিকে। দেখল অতিথিদের সাথে বাড়ির পুরুষেরাও খেতে বসেছে। সারথী, অদিতি এবং চন্দ্রা টেবিলের পাশেই দাঁড়িয়ে আছে। বাকিরা রান্নাঘরের দুয়ারের সম্মুখে অবস্থান করছে‌। সবার খাওয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। ক্ষণে ক্ষণে বেশ হাসাহাসি করছে উপস্থিত সবাই। গুঞ্জরিকা থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে। ওদিকে যেয়ে সকলের সাথে ভালো মন্দ দুটো কথা বলবে নাকি সোজা দোতলায় নিজের কক্ষে চলে যাবে এই নিয়ে একটু দোটানায় পড়ল। সেই সময় কর্ণগোচর হলো হলো আয়েশা শেখের গলা,
“মোর নাত বৌ লাখে একটা আব্বা। যেমন রুপ তেমন কামে পটু। মোর দাদু ভাই একেবারে পরী বিয়া কইরা আইনাছে।”

তক্ষুনি কণ্ঠস্বর লক্ষ্য করে রান্নাঘরের দিকে তাকাল তামজাদ চৌধুরী। প্রত্যুত্তর করল, “জি, চন্দ্রা মায়ের হাতের মাছ ঝোলটা চমৎকার। একেবারে চেটেপুটে খাওয়ার মতোই সুস্বাদু।”

চন্দ্রা হাসিমুখে আরুষের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে।‌ প্রয়োজনীয় এটা সেটা এগিয়ে দিচ্ছে। স্বামী সেবায় নিয়োজিত সে। সব দেখে গুঞ্জরিকার ক্লান্ত আননে হাসির রেশ ছড়াল। মনস্থির করল ওদিকটাতেই যাবে। পায়ে পায়ে অগ্রসর হলো খাবার টেবিলের দিকে। ওকে দেখতেই অদিতি খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়ল। বড়ো বড়ো পা ফেলে এগিয়ে এল। দুহাতে জাপটে জড়িয়ে ধরল। ততক্ষণে সবাই তাকিয়েছে ওদের দিকে। অদিতি গুঞ্জরিকার হাত ধরে নিয়ে এসে সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল,
“আমার ভাবীজান গুঞ্জরিকা প্রামাণিক।”

গুঞ্জরিকা হেসে সালাম জানাল উপস্থিত সকলকে, “আসসালামুয়ালাইকুম। কেমন আছেন আপনারা সবাই?”

শুনল সকলে। সালামের জবাব দিল। তামজাদ চৌধুরী অবাক হয়ে একবার চন্দ্রার দিকে দেখল আরেকবার গুঞ্জরিকাকে। হয়ত মনের কোণে একটা প্রশ্ন উঁকি দিল, এত সুন্দর, মিষ্টি কণ্ঠের বউ থাকতে আরেকট বিয়ে কেন? তবে মনের কথা প্রকাশ করলেন না। হেসে জবাব দিলেন, “ওয়ালাইকুমুস সালাম মা। আমি আমজাদ চৌধুরী। পাত্রের বাবা।”

গুঞ্জরিকা হেসে মাথা নাড়ল, “ও আচ্ছা।”
পাশ থেকে রবী বলে উঠল, “ভাবী আপনাকে অনেকক্ষণ ধরে খুঁজছিলাম। চৌধুরী বাড়িতে আপনার কথা শুনেছিলাম কামনা আপার কাছে। আপনার বন্ধু ছিলেন নাকি আপা।”

গুঞ্জরিকার মুখের হাসি বাড়ল, “জি, আমরা একসাথে পড়েছিলাম। আমার বিয়ের পরে যখন বিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম তখন কামনা আমার বন্ধু ছিল।”

“জি, ভাবী আপাও এটাই বলল।”

“কামনাকে আসতে বোলো এখানে। আমি গতমাসে খোঁজ নিয়েছিলাম। তখন কামনা ওর শ্বশুরবাড়িতে ছিল।”

“আচ্ছা ভাবী বলব আপাকে।”

গুঞ্জরিকা মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে গুটি গুটি পায়ে সিঁড়ির দিকে হাঁটা ধরল। শরীরটা ভালো লাগছে না একটুও। আরুষের দৃষ্টি নিবিষ্ট রইল ওর দিকেই। পরপরই অদিতিকে ইশারায় কিছু একটা বোঝাল। অদিতি রান্নাঘরের দিকে ছুটল। গুঞ্জরিকা উপস্থিত থাকার সবটুকু সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মুখটা থমথমে করে দাঁড়িয়ে ছিল। অবশ্য সালেহা শেখ গোল আলু ধরণের। সবদিকেই সমানভাবে থাকেন। গুঞ্জরিকার সাথেও খারাপ ব্যবহার করেন না আবার জন্মদাত্রীকেও সাথ দেন। আর সারথী? সে তো নিজের রুপ চর্চায় ব্যস্ত সবসময়। এইসব এতো দেখার সময় নাই তার। আরুষের প্রতিটা ভাবভঙ্গিই চন্দ্রা তীক্ষ্ণ চোখে দেখে চলেছে। বুক জ্বলছে মেয়েটার। এত করেও মানুষটার মন পাচ্ছে না? যদি গুঞ্জর জন্য এতই ভালোবাসা থাকবে তাহলে তাকে কেন বিয়ে করল? এত অবহেলা, এত কষ্টের জীবন দেওয়ার জন্য? চারপাশ হাতড়েও উত্তর মিলল না। চন্দ্রার বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। মুখটা কালো করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল।

চলবে

(আজ রিচেক দিতে পারি নাই। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। প্রিয় পাঠক আপনাদের সকলের রেসপন্স ও গঠনমূলক মন্তব্যের আশা রাখি।)

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply