নীভৃতেপ্রেমআমার_নীলাঞ্জনা
নাজনীননেছানাবিলা
পর্ব_১৭
অনুমতি ব্যতীত কপি করা নিষেধ ❌❌❌❌❌
(অবশেষে এক ঘন্টার ভেতরে যতটুকু লিখে দিতে পেরেছি। আশা করি ভালো হয়েছে। ভুলশ্রুতি হলে ক্ষমা করবেন। পরবর্তী পর্বে লিসার বিচার হবে 🐸)
নীলা ইকরাকে নিয়ে অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে এসেছে। ইকরা অবশ্য থাকতে চেয়েছিল কিন্তু নীলা তাকে জোর করে নিয়ে এসেছে। এই ব্যথা নিয়ে এভাবে বসে থাকার কোন মানে নেই তার মতে। আর এই সব অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত বারোটা বেজে যেত। এখন কেবল দুপুর। এতক্ষণ ইকরা কি করে বসে থাকতো। সবকিছু চিন্তা ভাবনা করে সে ইকরা কে নিয়ে চলে এলো। কিন্তু আসার আগে লিসার দিকে রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে বার বার তাকে স্মরণ করিয়ে দিল যে সে তাকে দেখে নিবে।
মিহাল অবশ্য দূর থেকে দাঁড়িয়ে সবটাই দেখেছে। তার কাছে এই মেয়েটির তেজ বেশ ভালই লাগছে।মুনভির হঠাৎ কল আসায় তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।
ইরফান সবে মাত্র অফিস থেকে বাড়ি ফিরল। ফিরতে ফিরতে রাত বারোটা বেজে গিয়েছে তার।ইদানিং সে কাজে বেশি সময় কাটাচ্ছে। এই বাড়িতে তার আসতে মন চায় না। এ বাড়িটা একদম খালি খালি হয়ে গেছে। নীলা যেন এ বাড়ির প্রাণ ছিল। নীলা নেই মনে হচ্ছে এই বাড়িতে প্রাণও নেই। প্রাণ ছাড়া প্রাণী যেমন মৃত তেমনি নীলা ছাড়া এই বাড়িও মৃত। কারণ এখন আর কারোর হাসি ধ্বনি এই বাড়ির দেয়ালে বারি খায় না, কেউ আর এখন ইরফান ভাইয়া, ইরফান ভাইয়া বলে পাগলামি করে না। কেউ আর এখন ইরফান ভাইয়ার জন্য জেগে থেকে অপেক্ষা করে না, কেউ আর ইরফান ভাইয়াকে বোঝার চেষ্টা করে না। একমাত্র একজন ব্যক্তি বুঝতে পারতো ইরফানকে। কিন্তু এখন আর কেউ নেই
ভীষণ ক্ষুধা লেগেছে ইরফানের। রুমে এসে দেখলো পুরো রুম অন্ধকারে ঘেরা।হয়তো আরশি ঘুমাচ্ছে।সে এসে আরিশ কে ডাকলো।আরশি ঘুম থেকে উঠতেই সে আরশিকে বলল তার জন্য খাবার তৈরি করতে সে ফ্রেশ হয়ে এসে খাবার খাবে। কথাগুলো বলেই নিজের জামা কাপড় নিয়ে বাথরুমে চলে গেলো। ১০ মিনিট পর শাওয়ার নিয়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে এসে দেখল আরশি আবার ঘুমিয়ে পরেছে। অথচ এইদিকে তার পেটছ ক্ষুধার কারণে ইদুর দৌড়াচ্ছে। আর তার পক্ষে এখন সম্ভব না খাবার গরম করে খাওয়ার। আবার বিছানার কাছে এসে নিজে অর্ধাঙ্গিনী কে ডাকলো। কিন্তু কে শোনে কার কথা। খুব নরম সুরে আরশি কে ডাকলো কিন্তু আরশির সাড়া শব্দ না পেয়ে নিজের কন্ঠ একটু ভারী করতে আরিশ ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে উঠলো _
অফ্ তোমার ক্ষুধা পেয়েছে নিজের খাবার নিজেই গরম করে খাও আমাকে জ্বালিয়ো না তো ঘুমাতে দাও শান্তিতে। এমনিতে আমার জীবনে যবে থেকে এসেছো তবে থেকে আমার শান্তি চলে গিয়েছে। অন্তত আমাকে ঘুমাতে দাও। বেশি কিছু তো চাচ্ছি না আমি। বলেই অপর পাশ ফিরে আবার ঘুমিয়ে পরে।
ইরফান তব্দা খেয়ে বসে রইল ।সে তো শুধু খাবার গরম করে দেওয়ার জন্য ডাকছিল। এখানে শান্তি না দেওয়ার কি ছিল। এটাতো প্রত্যেকটি স্ত্রীর কর্তব্য নিজের স্বামীর সেবা করা। তাহলে তার স্ত্রী এমন কেন করল তার সাথে। কোই নীলা তো এমন করত না। আগে যখন সে বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিয়ে দেরি করে বাড়িতে ফিরত তখন নীলা তার জন্য জেগে থাকতো এবং তাকে খাবার গরম করে দিয়ে খাইয়ে নিজে ঘুমাতো।অথচ এখন তার স্ত্রী তার জন্য এতটুকু করতে পারছে না। বেশ কষ্ট লাগলো তার। আর এখন তো নিজের মাকেও ঘুম থেকে জাগাতে পারবে না। যেখানে তার বিয়ে করে আনা স্ত্রী তার জন্য ঘুম থেকে উঠে খাবার গরম করে দিতে পারছে না সেখানে সে কোন মুখে নিজের মাকে গিয়ে বলবে খাবার গরম করে দেওয়ার কথা। আর নিজের শরীরেও অতটা শক্তি নেই যে এখন আবার খাবার গরম করে খাবে।তাই না খেয়েই শুয়ে পড়ল সে। কিন্তু বিছানায় শুয়ে পড়লেও তার চোখে ঘুম আসলো না। ক্ষুধার্ত পেট নিয়ে কি ঘুমানো যায়? মাথায় কেবল নীলার কথা ঘুরতে থাকলো। এখন সে হারে হারে টের পাচ্ছে সে কি হারিয়েছে।আর শুয়ে থাকতে পারলো না। বিছানা ছেড়ে উঠে বারান্দায় চলে গেল। বারান্দার গ্রিল ধরে আকাশের পানে চেয়ে রইল। কিন্তু বেশিক্ষণ সেখানে তাকিয়ে থাকতে পারলো না।চোখ দিয়ে আপনা আপনি নোনা জল গড়িয়ে পরল।
হাতের উলটো পিক দিয়ে চোখের পানি মুছে গুনগুন করে গাইতে লাগলো__
আলেয়ার পিছে ছুটে মিছে মিছে
বুঝি নি তো আলোর ভাষা
HOআজকে তোমাকে হারিয়ে বুঝেছি
কাকে বলে ভালোবাসা
আধারে খোজে মন আলোকে সারাক্ষন
মেলে না ওহহ মেলে না
করে তুমি তুমি মন যে আমার
করে তুমি তুমি মন যে আমার
লাগে না ভালো আর
লাগে না ভালো আর
ইকরা নীলার রুমে বিছানার উপর শুয়ে আছে। আজ তারা এক রুমেই ঘুমাবে।নীলা ইকরা কে একা ঘুমাতে যেতে রাজি না। কারণ মেয়েটি এমনিতেই ভয় পেয়েছে আজকে। তার উপরে যদি রাত্রে ভয় পায় এবং জ্বর উঠে পড়ে তাহলে আরেক কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। অবশ্য নীলা এখন এপার্টমেন্টে নাই সে একটু বাহিরে গিয়েছে। ইকরা একা একাই বসে আছে।আর মুনভির দেওয়া কার্ড হাতে নিয়ে তা এক নজরে দেখে যাচ্ছে এবং মনে মনে বলছে__
আচ্ছা এই লোকটির আমার সাথে কথা বলার সময় পা কেন কাঁপে?আর তোতলাতে কেন থাকে? যেন মুখ দিয়ে কোন কথা বের হবে না। আজকেও তো দু তিনবার দেখলাম একটা কথা বলে বলে আর বলতে পারল না। কি জানি কি বলতে চেয়েছিল। কিন্তু লোকটি নিতান্তই একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি।
নীলা সবেমাত্র ফিরল। আসলে সে বাইরে গিয়েছিল সে ট্যাক্সি ড্রাইভার এর সাথে কথা বলার জন্য। সেই ড্রাইভার বাঙালি এবং তাদেরকে নিজের নাম্বার দিয়ে রেখেছিল। আসলে এখানে যে তারা চিতই পিঠারে ব্যবসা শুরু করবে তার জন্য একটি জায়গা প্রয়োজন যেখানে তারা নিজেদের স্টল দিবে। তারা তো এখানকার কিছুই চেনে না। আর স্টলের জন্য জায়গা পাও এত সহজ না।তাই সেই লোকটি বলেছিল সে নিজেই পারমিশন নিয়ে দিবে এবং জায়গার ব্যবস্থা করে দেবে। এর জন্যই নীলা লোকটির সাথে দেখা করতে গিয়েছে। অবশ্য তাদের কে আইফেল টাওয়ারের কাছেই এক জায়গায় ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এবং সেখানে তারা নিজেদের স্টল খুলতে পারবে সেটি নিয়ে চুক্তি ও হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু ইকরা সুস্থ হয়ে উঠলেই দুজন মিলে নিজেদের ব্যবসা শুরু করতে পারবে।
নীলা এপার্টমেন্টে এসেই ইকরা কে সবটা খুলে বলল।ইকরা তো ভীষণ খুশি। অবশেষে সে নিজের কিছু একটা করতে পারবে। অবশ্য কলেজ জীবন পাস করার পর থেকেই সে নিজের খরচ নিজেই চালায় টিউশনি করিয়ে করিয়ে। কিন্তু ব্যবসা জিনিসটাই অন্যরকম। তার ওপর ব্যবসা যদি এমন ইউনিক হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। দুজন মিলে প্ল্যান করতে লাগলো কি করে কি করবে। কয়টা ভর্তার পদ করবে। আর এইসব করার জন্য জিনিসপত্র কিনতে হবে তাদের।
অবশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল নেক্সট উইকেন্ডে দুজন মিলে শপিংমলে গিয়ে সবকিছু কিনে আনবে। আর ততদিনে ইকরা সুস্থ হয়ে যাবে পরিপূর্ণভাবে।
মিহালের মস্তিষ্ক থেকে নীলা আর তার সেই আই কন্টাক্ট যাচ্ছেই না।যখন নিলা নিজের পরনের মাস্ক খুলল এবং তখন তাদের মাঝে চোখাচোখি হলো। সেই রোমাঞ্চকর দৃশ্য তার চোখে ফুটে উঠতেই শরীরের লোম দাঁড়িয়ে উঠছে। বুঝতে পারছে না কিসের এত টান অনুভব করছে সে। সে তো এই সবে বিশ্বাসী না তাহলে কেন বারবার দুর্বল হয়ে পরছে একটি সামান্য মেয়ের সামনে। এই মেয়েটিকে তো সে ব্যবহার করতে চাইছে তাহলে কেন এই মেয়েটির মায়ায় জড়িয়ে পরছে। হ্যাঁ সে মানছে যে এই মেয়েটির জীবনসঙ্গী একজন ভুল মানুষ। এবং সে নিজেও চায় না তার নীলাঞ্জনা ইরফানের মত একজন মানুষের সঙ্গে জীবন কাটাক।এবং ইরফান আর নীলাকে আলাদা করার জন্য সে যে কোন পর্যায়ে যেতে রাজি। কিন্তু পরবর্তীতে নীলার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভাবলেই তারা চোয়াল শক্ত হয়ে যায়।যখন ভাবে ইরফান আর নীলা কে আলাদ করবে তখন মন ফুরফুরে হয়ে উঠে। কিন্তু যখনই ভাবে নীলা কে পরবর্তীতে অন্য কারো সাথে মিলিয়ে দিতে হবে সুন্দর জীবনের জন্য তখনই তার চোয়াল শক্ত হয়ে যায়।সে কি করে নীলাঞ্জনা কে অন্য কারো হতে দেবে? আর কেনই বা হতে দিবে না?কেন এত পজেসিভনেস তার ভেতর? তার মতে নীলাঞ্জনা পারফেক্ট আর এমন পারফেক্ট মেয়ের পাশে একজন পারফেক্ট পুরুষ মানানসই। কিন্তু নীলাঞ্জনা জন্য কোন পারফেক্ট পুরুষ তার নজরে পরছে না। মোটকথা সে তার নীলাঞ্জনা কে অন্য কারোর উপর ছেড়ে দিতে পারছে না। প্রয়োজন পরলে সে নীলা কে বিয়ে করবে। একজন ডিভোর্সে মেয়েকে বিয়ে করতে তার কোন সমস্যা নেই। সে তো পুণ্যের কাজ করবে। এতে নিশ্চয়ই সৃষ্টিকর্তা তার উপর খুশি হবে।নারাজ সবার প্রশ্নই উঠছে না। শুধু একটি মেয়ের জীবন সুন্দর করতে চায়। এই মেয়েটিকে সকল খুশি দিতে চাই যত খুশি মেয়েটি প্রাপ্ত। মেয়েটি কে তো আর অন্য কারোর ভাগে খুশি দিবে না সে। মেয়েটি যতটা খুশির কপাল নিয়ে এই পৃথিবীতে এসেছে তার ভাগের থেকেই তার সম্পূর্ণ খুশি তাকে দিবে সে। যদি প্রয়োজন পরে নিজের ভাগের খুশিও তাকে দিয়ে দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। কিন্তু তবু সে তার নীলাঞ্জনা কে খারাপ সঙ্গে থাকতে দিবে না। আজ যতটা কাছ থেকে মেয়েটি কে সে দেখেছে, মেয়েটির চোখ পড়েই সে বুঝে ফেলেছে মেয়েটির মাঝে অনেক কিছু লুকিয়ে আছে, অনেক কষ্ট লুকিয়ে আছে। হয়তো মেয়েটির মনের মাঝে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। হয়তো হৃদয়ের মাঝে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে যাচ্ছে এবং সেই আগুনের তাপে মেয়েটি এত তেজি হয়ে উঠেছে।সে নিজেও একজন তেজি পুরুষ। কিন্তু এই নিষ্পাপ মেয়েটির জন্য না হয় সে বরফ হয়ে গেল। এবং মেয়েটির তেজে বরফ থেকে গলে পানিতে পরিণত হলো এবং মেয়েটির হৃদয়ে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুন নিভিয়ে দিতে দিতে সক্ষম হলো। এতে তো মন্দ নেই।
নিজের মনে মনে কথাগুলো বলছিল মিহাল। তারপর আবার স্কেচবুক নিয়ে বসে পড়ল। আঁকতে শুরু করল মেয়েটি চোখ তারপর নিজের চোখ। একদম চোখাচোখি হয়েছিল সেই দৃশ্যসে প্রতিচ্ছবি নিজের স্কেচ বুকে তুলে ধরল। মেয়েটি চোখের পাশে লিখল নীলাঞ্জনা আর নিজের চোখের পাশে মিহাল লিখতে গিয়েও থেমে গেল। কারণ নীলা একবার তাকে পেয়ারে লাল বলে ছিল। এই কথা মনে পড়তেই তার হাসি উঠে পড়ল। আগেই সেই দিনের কথা মনে পড়লে তার গা দাউ দাউ করে জ্বলতো কিন্তু এখন হাঁস উঠে পড়ে। তারপর নিজের চোখের পাশে লিখল পেয়ারে লাল।
তার বাবার স্ট্যাডি রুমে বসে বই পড়ছে এবং গান শুনছে। তিনি আবার হিন্দি গান শুনতে ভালোবাসেন। রুমের দরজা খোলা থাকার কারণে সেখান থেকে গানের শব্দ ভেসে আসছে_
Aayega vo paas ki jo door hai
Maan ja ki hona ye zaroor hai
Oh dil to deewana hai
Kab kahaan maana hai tu ye soch le
Kab armaan machlenge kisko hai ye pata
Kab mausam badlenge kisko hai ye pata
Pyaar ho jata hai kaise
Jaane na jaane na
Jaane na jaane na dil tera
Nazar se nazar mile
Nazar se nazar mile
To dekhengi aankhein sapna
মুনভি নিজের কেবিনে বসে আছে। একটা সিরিয়াস অপারেশন পড়েছিল বলে তার হাসপাতালে আসতে হয়েছে। নয়তো সে ভেবেছিল তার কটন ক্যান্ডি কে বাড়িতে ড্রপ করে দিবে। এতে নিজের কটন ক্যান্ডির সাথে আরো কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারবে। আবার তার বাড়িও চিনতে পারবে। যাকে বলে একধারে দুই পাখি মারা। কিন্তু তা আর হলো না।এখন একটাই আশা যে যদি মেয়েটি তার হাসপাতালে আসে তার সাথে দেখা করার জন্য। নয়তো কয়েকদিন তার আর কটন ক্যান্ডির সাথে দেখা হচ্ছে না। ইদানিং কিছু অপারেশন করতে হবে তার। সেইসব অনেক চাপ আছে যার ফলে সে ইউনিভার্সিটি তেও যেতে পারবে না। আর ইউনিভার্সিটিতে যেতে না পারলে নিজের কটন ক্যান্ডি কেও দেখতে পারবেনা। আবার মেয়েটির কোথাও চিন্তা করছে। যে মেয়েটি এখন কেমন আছে, কি করছে,সুস্থ আছে কিনা। নিজের উপর ভীষণ রাগ উঠছে মেয়েটির নাম্বার চাইলেই পারতো। একবার নাম্বার চাওয়ার জন্য যেই না মুখ খুলল এমনি তার হাঁটু কাঁপা শুরু হল। কিছু বলতে গিয়েও তোতলাতে শুরু করল।সে কথা মনে করতেই নিজের হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলল মুনভি। ছেলে হয়েও যদি তার এই অবস্থা হয় তাহলে কি করে চলবে।
দুই হাত দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে গুনগুন করে গাইলো_
সামনে এলে তুমি মুখে কুলুপ, চোখ ভারি
ইচ্ছে করে বলি, তবু বলতে কি পারি
ও, চোখে চোখে সেই কথা পড়তে কে পারে? তুমি
ও, ঘুম ঘুম এই চোখে স্বপ্ন কে আঁকে? তুমি
চলবে???
Share On:
TAGS: নাজনীন নেছা নাবিলা, নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১৩
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৪
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১৫
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১৪
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১১
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা বোনাস পর্ব
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১২
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৭
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ১০
-
নীভৃতে প্রেম আমার নীলাঞ্জনা পর্ব ৬(প্রথমাংশ + শেষাংশ)