নির্লজ্জ_ভালোবাসা
পর্ব ৫
লেখিকাঃ-#প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ
পানিতে ভিজে দুজনই চুপচাপ হয়ে গেছে রৌদ্র আর তুরা। কিছুক্ষণ আগে, রৌদ্র যখন তুরার হাত ছেড়ে দিয়েছিল, তখন তুরা কোনো রকমে তার হাত ধরে ফেলেছিলো আর রৌদ্র কে নিয়েই নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
গাড়ির ভিতরে এখন দুজনই চুপচাপ। তুরা একমনে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে, । আর রৌদ্র একমনে গাড়ি চালাচ্ছে, চোখ পথের ওপর, কিন্তু মন এখনও নদী আর তুরার সঙ্গে আটকে। নিস্তব্ধতা এমন, যেনো শব্দের কোনো দরকার নেই শুধু মুহূর্তের ভার আর অনুভূতি রৌদ্রের মনে মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।
অবশেষে দুজনেই বাড়িতে এসে পৌঁছালো। বাড়ির ভিতরে ডুকতেই আনোয়ার খান তাদের দিকে ঘুরে দেখলেন, মুখে গম্ভীর ভাব, কণ্ঠে কঠিন গর্জন।
“কি ব্যাপার, তোদের দুজনের শরীর ভিজা কেন? আর এতক্ষণ কোথায় ছিলি দুজনেই?”
রৌদ্র সাথে সাথে বলল, মুখে হালকা বা বিব্রততা মিশিয়ে,
“বাবা, আসলে তুরার নাকি খুব কাঁশফুল দেখতে মন চেয়েছিলো। বাসায় আসার আগে সেইদিক দিয়ে একটু ঘুরে আসলাম। হঠাৎ করেই তুরার সাথে আমার ঝগড়া লেগে গেলো, আর তুরা আমাকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দিতে লেগেছিলো। আমি পরে যাচ্ছিলাম, কিন্তু জেদের বশে আমি তুরার হাত ধরে ওকে নিয়েই নদীতে পড়ে গিয়েছি।”
তুরা চোখ বড় বড় করে রৌদ্রের দিকে তাকালো। রৌদ্রও সাথে সাথে চোখ মারলো। তুরা চুপচাপ মনে মনে ভাবলো, সালাই তো কাহিনি উল্টিয়ে দিচ্ছে।তুরার ভাবনার মাঝেই আনোয়ার খান বলল,
“তুরা, তুই রুমে যা।”
তুরা মাথা নাড়িয়ে চুপচাপ চলে গেলো।আনোয়ার খান রৌদ্রের দিকে তাকিয়ে বলল,
“রৌদ্র, তুইও গিয়ে চেঞ্জ করে নিচে আয়। তুরার বিয়ের লিস্ট করতে হবে, সময় কম।”
মুহুর্তে রৌদ্রের বুকের ভিতর হঠাৎ কেমন যেনো কেঁপে উঠলো। তুরার বিয়ের কথা শব্দগুলো যেনো তার কানে বাজলো, তার মনটা হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠলো। যে চুম্বক তাকে টানছে, সেই চুম্বক অন্য কারো হাতে চলে যাচ্ছে চোখের সামনে এক অদ্ভুত শূন্যতা।
রাতের বেলা খান বাড়িতে সকল আত্মীয়-স্বজন আসা শুরু করলো করবেই না কেন, পশু দিন তুরার গায়ে হলুদ। খান বাড়ি যেনো এক মুহূর্তে উৎসবের আলো আর ধূলোর মিশ্রণে ভরে উঠলো। হল রুমে সকলের আড্ডা, হাসি, খুশি আর মজা সবই জমে উঠেছে।
কিন্তু এত আনন্দের মাঝেও রৌদ্রের মনে শান্তি নেই। যখন থেকে সে বুজতে পেরেছে, তুরার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, তখন থেকেই তার বুকের ভিতর অদ্ভুত অস্থিরতা ভর করেছে। যেনো কিছু হারিয়ে যাচ্ছে, কিছু চুরি হয়ে যাচ্ছে এক অজানা শূন্যতার অনুভূতি তাকে বারবার কাঁপিয়ে তুলছে।
পাগলের মতো দেয়ালে একের পর এক ঘুষি দিচ্ছে রৌদ্র।সে কোনোভাবেই এই বিয়ে মানতে পারছে না।তার হাতের শক্তি, ঘুষির আঘাত সবই রাগ আর বেদনার মিশ্রণে কেঁপে উঠছে।নিজের মন শুধু বলছে, তুরাকে তুই করে নে, কারণ তুই তুরার প্রতি আঁকড়ে গিয়েছিস।রৌদ্রের চোখে লাল বুকের ভেতর এক অদ্ভুত শূন্যতা যা তাকে কোনোভাবে শান্ত হতে দিচ্ছে না।কিছুখন ঘুষি দিয়ে রৌদ্র হাঁপাতে হাঁপাতে মাথার চুল পিছনে ঠেলে দিয়ে বলল,
“তুরা পাখি, তুমি আমাকে টেনে অন্য জন্যের গায়ে লেগে যেতে চাও? তা আমি হতে দিবো না। আমি নিজের অনুভুতির সাথে আর লড়তে চাই না। আমার যা বুজার বুজা হয়ে গেছে, আমার তোকে চাই মানে চাই। আর আমি বলেছিলাম, আমাকে টানিস না, যদি টানিস তাহলে তুইই বিপদে পড়বি। এখন তোর সময় শেষ, তোর বিয়ে হবে, গায়ে হলুদও হবে, তুই কবুলও বলবি, আর সেই কাজগুলোই তুই আমার নামে করবি। ডিস ইজ ফাইনাল, তুরা। ইউ’আর মাইন।”
রৌদ্রের চোখে আগুন, কন্ঠে কম্পন। বুকের ভেতর উত্তেজনা আর প্রেমের ঝড়। সব মিলেমিশে এক অদ্ভুত উত্তাপ তৈরি করছে। তুরার নাম উচ্চারিত মাত্রই যেন সময় থমকে গেছে, আর রৌদ্রের মন শুধু এই এক শব্দেই আটকে আছে।
সন্ধ্যার দিকে ছাঁদে গায়ে হলুদ শুরু হয়। তুরাকে পাল্লার থেকে সাঁজিয়ে একদম পরীর মতো বানিয়ে ফেলেছে। সোনালী আলোয় তুরার মুখটা যেনো আলোকিত হয়ে উঠেছে।আমার গল্প আপনাদের পছন্দ হলে তাহলে অবশ্যই লেখিকা প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ পেইজে ফলো করবেন। সবাই একে একে তুরার গায়ে হলুদ দিচ্ছে, হাসি-আনন্দে চারদিক মুখরিত।কিন্তু এই উৎসবের মাঝেই হঠাৎ সবাই খেয়াল করলো রৌদ্র কোথাও নেই? এতজনের ভিড়ে তার দেখা নেই। আয়ান ফোন দিলো, কিন্তু ফোন বন্ধ।আনোয়ার খান কপালে ভাঁজ ফেলে বলল,
“রৌদ্র আবার কোথায় গেলো? সে কি হলুদ লাগাবে না?”
আরফা মাঝখান থেকে বলল,
“আমি রৌদ্র ভাইয়াকে গাড়ি নিয়ে বের হতে দেখেছি।”
মুহূর্তেই সবাই চিন্তায় পড়ে গেলো গাড়ি নিয়ে আবার কোথায় গেলো সে?হলুদ অনুষ্ঠানের হাসি যেন থেমে গেলো, চারপাশে এক অজানা দুশ্চিন্তার ছায়া।ঠিক তখনই কারো কণ্ঠ ভেসে এলো ছাঁদের দিক থেকে জোরে, আত্মবিশ্বাসে ভরা কণ্ঠে,
“হয়েছে, আমার জন্য আর চিন্তা করতে হবে না আমি এসে গেছি!”
সবার চোখ গেলো ছাঁদের ধরজার দিকে, যেখানে রৌদ্র দাঁড়িয়ে আছে, হাত দুটো পিছনে মনে হচ্ছে পিছনে কিছু এনেছে। রৌদ্র এগোতে এগোতে তুরার উদ্দেশ্যে বলল,
“আমি একটা কাজে গিয়েছিলাম, আমার কিউট ব…না, মানে তুরার জন্য গিফ্টি আনতে।”
সকলে অবাক চোখে তাকালো রৌদ্রের দিকে। রৌদ্র তুরার কাছে এসে পিছন থেকে কিছু একটা বের করে তুরার সামনে দিয়ে বলল,
“কংগ্রাচুলেশন, তুরা, আমার তরফ থেকে তোর এই ছোট গিফ্ট। তুই কি গ্রহণ করবি?”
তুরা সাথে সাথে খুশি হয়ে গিফ্টটা নিয়ে বলল,
“ধন্যবাদ ভাইইইযা।”
সকলেই জোড়ে তাঁলি দিতে থাকলো। রৌদ্র সামান্য হলুদ হাতে নিয়ে তুরার মুখে লাগিয়ে দিলো। তারপর কানে কানে ফিসফিস করে বলল,
“রাতে এই গিফ্টটা খুলবি। তোর জন্য স্পেশাল কিছু আছে একটা সুন্দর রুমাল পাবি। সেটার ঘ্রান নিবি দেখবি, এত সুন্দর একটা ঘ্রাণ যা তুই নিজেই পাগল হয়ে যাবে।”
কথাটা বলেই রৌদ্র মুঁচকি একটা হাসি দিয়ে বক্সের দিকে এগিয়ে গেলো। সাথে সাথেই ছেলেদের উদ্দেশ্যে গলা চড়িয়ে বলল,
“এই চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? গান দে! আমার বিয়ে আমি নাঁচবো না তা কি করে হয়? মিউজিক অন!”
রৌদ্রের কথাটা শেষ হতেই বক্সে গান বাজতে শুরু করলো। মুহূর্তেই ছেলেরা যেন পাগল হয়ে গেলো। কেউ হাত উঁচু করে, কেউ ব্যাঙের মতো লাফাতে লাফাতে নাঁচতে শুরু করলো। আর সেই ব্যাঙদের ভিড়ে রৌদ্র এখন ঠিক মাঝখানে, গায়ের হলুদে মেখে পুরো পাগলামির ছন্দে লাফাচ্ছে।ছেলেদের এই পাগলামি দেখে মেয়েরা হেসে একেবারে গড়াগড়ি খেতে লাগলো। কেউ পেট চেপে হাসছে, কেউ ফোন তুলে ভিডিও করছে। হাসির রোল যেনো ছাদটা কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু সেই আন্নদের মাঝেও এক কোণে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে আরিশা। ওর চোখ কোথাও হারিয়ে গেছে। আরিশাকে এইভাবে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আরফা এগিয়ে এলো, একটু অবাক হয়ে বলল,
“কি হয়েছে? তুই চুপ কেনো রে? একটু আগে তো কতো চিল্লা চিল্লি করছিলি! হঠাৎ সাউন্ড চুপ হলো কেনো রে?”
আরিশা ধীরে ধীরে বলল, চিন্তায় ডুবে যাওয়া গলায়।
“তুই কিছু শুনেছিস?”
আরফা ভ্রু কুঁচকে বলল,
“কি শুনবো?”
আরিশা গলায় হালকা সন্দেহ আর বিভ্রান্তি নিয়ে বলল,
“আরে, রৌদ্র ভাইয়া তখন কি বলল?আমার বিয়ে আমি নাঁচবো না তা কি করে হয়।’ কিন্তু বিয়েটা তো রৌদ্র ভাইয়ার না, তুরার। তাহলে ভাইয়া এই কথা কেনো বলল?”
আরিশার কথায় সাথে সাথেই আরফার মুখেও থমকে গেলো এক মুহূর্তের ওর চোখে যেনো এক ঝলকে সবকিছু ফিরে এলো রৌদ্রের সেই কথা, তার দৃষ্টিটা, হাসিটা। তারপরই ওর মুখে ধীরে ধীরে একটা ফিঁক করে হাসি ফুটলো।
“আরে ভাইয়া হয়তো মজা করে বলেছে! তুই শুধু শুধু এইটা নিয়ে ভাবছিস। চল, এখন তুরার ওইখানে যাই না, সবাই তো আনন্দে মেতে উঠেছে।
বলেই আরফা হাত ধরে আরিশাকে টেনে নিয়ে গেলো তুরার দিকে। ছেলেরা এখনো নাঁচছে। কেউ জোরে চেঁচাচ্ছে, কেউ সিটি বাজিয়ে আকাশ মাথায় তুলছে। কারও শার্টে হলুদের ছোপ, কারও গায়ে ঝলমলে আলো ঝলকাচ্ছে।ছাদের বাতাসে এখন হাসির শব্দ, গানের তালে মাটির হালকা কম্পন, আর তার মাঝখানে তুরা গায়ে শুধু ফুলের মালা, গালে হলুদের ছোঁয়া, ঠোঁটে একরাশ লাজুক হাসি। পুরো ছাঁদটা যেনো এক মুহূর্তে আনন্দে রঙিন হয়ে উঠলো, কিন্তু কোথাও এক কোণে বাতাসের সাথে মিলিয়ে গেলো একটুখানি অজানা অস্থিরতা যা শুধু রৌদ্রের মনেই ভেসে উঠছে।
সবার আনন্দে নাঁচার মধ্যে রৌদ্রের চোখে যেনো কেবল একটাই দৃশ্য তুরার মুখ। চারপাশের হাসি, গান, আলো সব মিলেমিশে যেনো তুরাকেই ঘিরে আছে। গায়ের হলুদের আলোয় তুরার মুখটা একদম পরীর মতো লাগছে। চোখ নিচু, ঠোঁটে হালকা লাজুক হাসি, গালে একটু হলুদের ছোঁয়া, আর সেই নিঃশব্দ সৌন্দর্য যেনো রৌদ্রের বুকের ভেতর তোলপাড় করে দিচ্ছে।রৌদ্র গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে মনে মনে বলল,
“পাখি, এইভাবে লজ্জা পাস না নাহলে আমি আরও শেষ হয়ে যাবো। আর মাত্র কিছুখন তারপর তুই শুধুই আমার। একদম আমার নামে দখল করে ফেলবো। তুই শুধুই রৌদ্রের।”
রৌদ্রের ঠোঁটে তৃপ্তির হাসি খেলে গেলো। চারপাশে যতই হৈচৈ হোক, রৌদ্রের মন এখন এক অদ্ভুত নিশ্চুপ আগুনে পুড়ছে যে আগুনে তুরাকে নিজের করে নেওয়া , জেদ, আর অধিকার সব একসাথে জ্বলে উঠেছে।
অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত একটা বেজে গেলো। পুরো খান বাড়ি যেনো ক্লান্তির ভারে ডলে পড়েছে গান, হাসি, চেঁচামেচি, হৈচৈ সব মিলিয়ে এখন কেবল নরম নিস্তব্ধতা। একে একে সবাই নিজেদের ঘরে চলে গেছে, আলোগুলো ম্লান হয়ে এসেছে।তুরাও হেলতে দুলতে নিজের রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখটা দেখে হালকা হাঁসলো হলুদের রঙে মুখ একদম কচুপাতার মতো হলুদ, ঠোঁটে শুকিয়ে যাওয়া লিপস্টিক, চোখে ঘুম আর ক্লান্তি। তুরা ছোট্ট করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওয়াশরুমে ডুকে গেলো।
কিছুক্ষণ পর ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে এসে চুলটা তোয়ালে দিয়ে শুকাতে শুকাতে বিছানার দিকে এগোলো। শরীরটা এখন একদম ভারী হয়ে গেছে, চোখে ঘুম ভর করছে। ঠিক তখনই দৃষ্টি গেলো টেবিলের উপর রাখা ছোট্ট সেই গিফ্ট বক্সটার দিকে রৌদ্রের দেওয়া গিফ্ট।হঠাৎ থেমে গিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো বক্সটার দিকে। মনে মনে ভাবতে লাগলো,এখন খুলবো নাকি সকালে? সকালে হয়তো মনে থাকবে না কিন্তু এখন?নিজের সঙ্গে নিজেই এই দোটানার মধ্যে শেষমেশ তুরা মু্ঁচকি হেসে গিফ্টটা হাতে তুলে নিয়ে বলল,
“সকালে হয়তো আরও মনে থাকবে না এখন দেখি ভাইয়া আমাকে কি দিলো?”
তুরার কণ্ঠে ছিলো কৌতূহল, চোখে হালকা উচ্ছ্বাস, কোথাও যেনো অজানা এক শিহরণ,যেনো কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে, যা হয়তো তার রাতটাকে বদলে দেবে।তুরা হাসিমুখে গিফ্টটা হাতে নিয়ে এক এক করে র্যাপিং পেপারগুলো খুলতে লাগলো। প্রতিটা স্তর খুলার সাথে সাথে ওর বুকের ধুকপুকানি কেমন জানি বেড়ে যাচ্ছ। ও নিজেও জানে না এই গিফ্টটা খুলা মানে শুধু একটা বাক্স খোলা না, বরং নিজের জীবন কে পাল্টে দেওয়া।
তুরা কাগজের শেষ টুকরাটা সরিয়ে যখন বক্সটা খুললো, ঠিক সেই মুহূর্তে ওর চোখ বড় বড় হয়ে গেলো! নিঃশ্বাস যেনো গলায় আটকে গেলো কারণ বক্সের ভিতরে যা আছে, সেটা তুরার কল্পনারও বাইরে ওর ঠোঁট কাঁপছে, চোখের পলক থেমে গেছে, শরীর একদম স্থির,কারণ বক্সে…!
( বাকিটা কালকে 🤭 আজকে দিবো না! কারন আমি পাজি লেখিকা 😁)
চলবে…!
~~
আসসালামু আলাইকুম প্রিয়পাঠক মহল আশা করি সকলে ভালো আছেন। জানি না আমার গল্প টা কেমন হয়েছে তবে আমি চেষ্টা করছি আপনাদের মনের মতো পর্ব বানাতে। আর তা ছাড়া আমার এই গল্প অনেকে কপি করে ভুল বাল লিখে গল্প টা নষ্ট করে ফেলছে আবার কেউ বলছে আমি নাকি গল্প এইটা আমৃত্যু ভালোবাসি এই গল্প টার সাথে কপি করছি আচ্ছা যারা যারা আমৃত্যু ভালোবাসি গল্প টা পড়েছেন তারা তারা একটু দয়া করে বলে যাবেন আমি কি সত্যি ওই গল্পের সাথে এই গল্প কপি করেছি কিনা। আর আমার কিছু ভুল হলে আমাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ সবাইকে…!😓
Share On:
TAGS: নির্লজ্জ ভালোবাসা, প্রিঁয়ঁসেঁনীঁ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৩
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ২৯
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩২
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১৭
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৩১
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১১
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১০
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ১২
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা পর্ব ৭
-
নির্লজ্জ ভালোবাসা সূচনা পর্ব