Golpo romantic golpo দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ

দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ পর্ব ১৯


দ্যা আনপ্রেডিক্টেবল লাভ

পর্ব : ১৯

লেখক_Jahirul_islam_Mahir

☘️
“সকাল নয়টা। এইমাত্র আদ্রিয়ানার ঘুম ভেঙ্গেছে। চোখ খুলতেই নিজেকে আবিষ্কার করে আদনানের বুকে। মাথা টা একটু উপরে তুলে আদনানের মুখের দিকে তাকায় আদ্রিয়ানা। আদনান এখনো ঘুমাচ্ছে”।

“ইস্ ঘুমন্ত অবস্থায় বেডারে কি পরিমান নিষ্পাপ লাগছে। এই চিহারা টা দেখে কি কেউ বলবে এই বেডা একটা মাফিয়া আর ডার্ক রোমান্স লাভার”।

“আদ্রিয়ানা উঠে বসে। আদনানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, আর ভাবে যে সে কত কিউট। যত দেখে ততই মুগ্ধ হয়ে যায় আদ্রিয়ানা। আদনানের চুলে হাত বুলিয়ে দেয় আদ্রিয়ানা। আদনান একটু নড়ে ওঠে আদ্রিয়ানার কোমর চেপে ধরে”।

“আদ্রিয়ানা হাসে, আর আদনানের পুরো মুখে কয়েকটা চুমু দিয়ে দেয় আদ্রিয়ানা। লজ্জা মিশ্রিত একটা হাঁসি দিয়ে আদনানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, চোখে ভালোবাসার রোমান্স”।

“জামাই জান শুনছেন”?…

“আদ্রিয়ানার ডাকে আদনানের চোখ খুলে তাকায়। আদ্রিয়ানার দিকে তাকিয়ে একটা মুচকি হাঁসি দিয়ে বলে”…

“গুড মর্নিং, আমার বৌ জান।”

“আদ্রিয়ানা আদনানের দিকে তাকিয়ে হাসে, আর বলে”….
“গুড মর্নিং, আমার ডার্ক রোমান্স লাভার জামাই জান।”

“ডার্ক রোমান্স লাভার বলে কষ্ট দিও না ঘরওয়ালী”।

“ডার্ক রোমান্স লাভার বললে আপনি কষ্ট পান”?…

“হুম অনেক কষ্ট পায়”!

“কিন্তু কেনো”?….

“বৌয়ের উপর এক্সপেরিমেন্ট করতে পারি না বলে”!

“আহারে কত কষ্ট আমার জামাই টাই।

“হুম খুব কষ্ট”…..

“থাক আর কষ্ট পেতে হবে না”।

“তাহলে কি আজ কে ডার্ক রোমান্স এক্সপেরিমেন্ট করতে দিবা”?…..

“জ্বী না মিস্টার দুষ্টু পান্ডা।

“হুতাশ, আনরোমান্টিক বৌ বিয়ে করে আমি খুবই হুতাশ।

“হতাশ হওয়ার কিছুই নেই মিস্টার দুষ্টু পান্ডা। আপনার কপালে আনরোমান্টিক মার্কা বৌ ছিলো তাই আনরোমান্টিক মার্কা বৌ পেয়েছেন”।

“হুম ঠিক বলছো তবে সমস্যা নাই খুব শীঘ্রই বৌ কে ডার্ক রোমান্স লাভার বানিয়ে ফেলবো।

“হয়েছে এইবার আমাকে ছাড়েন আমি ফ্রেশ হবো”।

“আর কিছুক্ষণ থাকো না এই ভাবে।

“নাহ আর এক মুহূর্তও থাকা যাবে না। যত থাকবো আপনি ততই দুষ্টু দুষ্টু কথা বলবেন।

“দুষ্টু কথা বলবো না তবে ডার্ক রোমান্সের কথা বলবো।

“আমি শুনতে চাই না এইসব ডার্ক মার্ক এর কথা। ছাড়েন তো।

“আদনান আদ্রিয়ানা কে ছেড়ে দেয়। ছাড়া পেয়ে আদ্রিয়ানা ফ্রেশ হতে চলে যায়। মিনিট দশেকের মধ্যে ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে আসে। বেডের দিকে তাকিয়ে দেখে আদনান এখনো শুয়ে আছে”।

“মিস্টার দুষ্টু পান্ডা এইবার উঠে পড়ুন।

“আদনান উঠে ফ্রেশ হতে চলে যায়। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে আসে। টাওয়েল দিয়ে হাত মুখ মুছে নেয়। টাওয়েল টা বারান্দায় মিলে দিয়ে নিচে চলে যায়। নিচে গিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসে আদনান। আদ্রিয়ানা রান্না ঘর থেকে নিজের জন্য আর আদনানের জন্য নাস্তা নিয়ে আসে। খাওয়া দাওয়া শেষ করে রুমে চলে যায় আদনান। কাবাট থেকে কালো শার্ট আর কালো প্যান্ট বের করে পড়ে নেয়। ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে চুল গুলো সেট করে নেয়। পছন্দের পারফিউম টা স্প্রে করে মিররে নিজেকে শেষ বারের মতো দেখে নেয়। সব পারফেক্ট । বেডের উপর থেকে ব্লেজার টা নিয়ে রুম থেকে বের হতে যাবে ঠিক তখনি আদ্রিয়ানা রুমে প্রবেশ করে”।

“কোথায় যাচ্ছেন”?…..

“অফিসে একটা জরুরি কাজ আছে”।

“আসতে কতক্ষণ লাগবে”?….

“দুই থেকে তিন ঘণ্টা”।

“সাবধানে যাবেন”।

“হুম। তুমিও সাবধানে থেকো।

“এই কথা বলে আদনান আদ্রিয়ানা কে কাছে টেনে নেয়। নিজের ঠোঁট দুটো দিয়ে আদ্রিয়ানার ঠোঁট দুটো দখল করে নেয়। মিনিট পাঁচেক পর ছেড়ে দিয়ে বলে”….

“আসছি সাবধানে থেকো”!..

“আচ্ছা ঠিক আছে। আপনি ও সাবধানে যাবেন।

“আদনান বের হয়ে যায়। যাওয়ার আগে বাড়ির সার্ভদের কে ও বলে যায় আদ্রিয়ানার খেয়াল রাখতে”।

☘️
“জাবির সেড রিলেটেড গান শুনছে আর গাড়ি ড্রাইভ করছে। তার মুখে একটা গম্ভীর ভাব, আর চোখে একটা দুঃখের ছাপ। হঠাৎ জাবিরের ফোন টা বেজে উঠে। জাবির গান অফ করে ফোন টা হাতে তুলে নেয়। সামির কল করেছে। জাবির ফোন টা রিসিভ করতেই ফোনের ওপাশ থেকে সামির বলে উঠে”……

“দোস্ত জারার বন্ধ হয়ে যাওয়া নাম্বার দুই টা খোলা হয়েছে। ওর নাম্বার ট্র্যাকি করা হয়েছে। লোকেশন ওর বাড়িতে দেখাচ্ছে”।

“মাদারবোর্ড লোকেশন ওর বাড়িতে দেখাচ্ছে সেটা আমাকে বলার কি আছে। ওর বাড়িতে গিয়ে ও কে তুলে নিয়ে আই”।

“ঠিক আছে আমি লোক পাঠাচ্ছি।

” পাঠাচ্ছি মানে কি ! এখনো পাঠাস নিই”?….

“এক মিনিট ওয়েট কর আমি পাঠাচ্ছি”।

“তাড়াতাড়ি পাঠা আর ও কে চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি পিছনে থাকা আমার বাংলো তে নিয়ে যা”।

“আচ্ছা ঠিক আছে”।

“জাবির ফোন কেটে দিয়ে ডাইভিং এর মনোযোগ দেয়”।

☘️

“দুপুর একটা এইমাত্র আদনান বাসার সামনে এসে পৌঁছেছে। গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির দিকে এগিয়ে যায় আদনান। বাড়ির কলিং বেল চাপতে দরজা খুলে দেয় একজন সার্ভ যার নাম টিনা। টিনা দরজা খুলে সরে দাঁড়ায়। আদনান বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে রুমে চলে যায় আদনান। রুমে গিয়ে দেখে আদ্রিয়ানা রুম গুছাচ্ছে। আদনান বেডের দিকে এগিয়ে গিয়ে বেডের উপর শুয়ে পড়ে। আদ্রিয়ানা আদনান কে খেয়াল করেনি। সেই ঘর গোছাতে ব্যস্ত। আদনান আদ্রিয়ানার দিকে তাকিয়ে বলে”…..

“বৌজান বাড়িতে সার্ভ থাকতে আপনি কাজ করছেন কেনো”?….

“আদনানের গলা শুনে বেডের দিকে তাকায় আদ্রিয়ানা”।

“জামাই জান কখন আসলেন”?

“এইমাত্র আসছি।

“ওও আচ্ছা। তা ফ্রেশ হয়ে নেন”।

“ফ্রেশ পরে হবো বৌজান আগে কাছে আসেন হাজার খানেক চুমু খাই”।

“জামাই জান চুমু খাওয়া কথা শুনলেই আমার বমি আসে ওয়াক থু”।

“বাহ্ আমার বৌ কি সুন্দর অভিনয় করেরে। আমার ঘুমের সুযোগ নিয়ে আমাকে চুমু খাওয়ার জন্য আমার বৌ সেরারে”!

“আপনি কেমনে জানলেন? আমি যখন আপনাকে চুমু খাই তখন তো আপনি তো ঘুমিয়ে থাকেন”!

“বৌজান আপনার চুমু হচ্ছে থেরাপির মতো। আপনি চুমু দিলে আমি শরীরে এনার্জি পায়। এখন সময় নষ্ট না করে তাড়াতাড়ি কাছে আসেন তো হাজার খানেক চুমু খেয়ে নিই”।

“আগে ফ্রেশ হয়ে আসেন তাঁর পর”।

“ফ্রেশ হতে যাওয়ার জন্য তো এনার্জি দরকার। বর্তমানে আমার শরীরে একটু ও এনার্জি নেই। চুমু দিয়ে এনার্জি দাও”।

“আপনি আসেন আমার সরম করে”।

“আদনান বিদ্যুৎতের গতি তে বেড থেকে উঠে আদ্রিয়ানার দিকে এগিয়ে আসে। আদ্রিয়ানার কোমর জড়িয়ে ধরে আদ্রিয়ানা কে কাছে টেনে নিয়ে চুমু খেতে থাকে। মিনিট দশেক পর আদ্রিয়ানা বিরক্ত হয়ে বলে”……

“মিস্টার পান্ডা এইবার থামেন আর কত চুমু খাবেন”?…..

“মাত্র তো দশটা চুমু খেলাম আরো নয়শো নব্বই টা বাকি আছে”।

“এতোক্ষণ চুমু খাওয়া পর ও বলছেন…..

“বাকিটুকু উচ্চারণ করতে পারে না আদ্রিয়ানা। তাঁর আগেই আদনান আদ্রিয়ানার ঠোঁট দুটো দখল করে নেয়। মিনিট পাঁচেক পর ছেড়ে দিয়ে দিয়ে আবার ও ঠোঁট দুটো দখল করে নেয়। আদ্রিয়ানা এইবার শরীরের সব শক্তি দিয়ে আদনানের ঠোঁটে কামড় বসিয়ে দেয়। তাঁর ও আদনান আদ্রিয়ানার ঠোঁট ছাড়ে না আরো শক্ত করে আঁকড়ে ধরে। মিনিট পাঁচেক পর আদনান ও আদ্রিয়ানার ঠোঁটে কামড় বসিয়ে দেয়। আদ্রিয়ানা খামচে ধরে আদনানের পরনে থাকা ব্লেজার। আরো মিনিট দশেক পর আদ্রিয়ানার ঠোঁট দুটো মুক্ত করে দেয় আদনান। আদ্রিয়ানা ছাড়া পেয়ে বুকে হাত দিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিতে থাকে। ঠোঁটে হাত দিয়ে দেখে ঠোঁট থেকে রক্ত পড়ছে। আদনানের দিকে তাকিয়ে দেখে আদনানের ঠোঁটে থেকে ও রক্ত পড়ছে। তবে আদনানের ঠোঁট থেকে বেশি রক্ত পড়ছে”।

এক কথা বারবার বলতে ভালো লাগে না। আমার নতুন পেইজ টা ফলো করে দাও না কেনো ? ফলো করে দিলে কি হয়? ফলো করো।
পেইজের লিঙ্ক :

https://www.facebook.com/share/1BDz5NTyqK

চলবে….

( ভুল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ধন্যবাদ )

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply