দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ১৪
দেওয়ানা(আমার ভালোবাসা)সিজন_২
লেখিকাঃ_রিক্তা ইসলাম মায়া
১৪
শান্ত পরিবেশ। হেনা খান অন্যমনস্ক হয়ে হাতে কাজ চালাচ্ছে। মনটা বেশ অশান্ত। আজকাল সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও রিদের খবর পাওয়া যাচ্ছে না কোনোমতেই। খান পরিবারে একমাত্র উত্তরসূরী রিদ। আগেপরে কেউ নেই খান বাড়ির। নিজের ছেলের ও ছেলের বউয়ের রেখে যাওয়া শেষ স্মৃতি রিদ। ছেলের নিজের অংশ রিদ। কিন্তু ছেলের রেখে যাওয়া শেষ অংশটাকেও ঠিক করে মানুষ করতে পারেনি। দ্বায়িত্বটা অসম্পূর্ণ। অনেক চেষ্টা করেও রিদকে স্বাভাবিক জীবন দিতে অক্ষম তাঁরা। রিদের ছোট থেকেই জেদি, রাগী, সল্পবাসি ছিল, সেই সাথে আপসহীনও ছিল। কোনো কিছুতে সেক্রিফাইস করে মানিয়ে নেওয়াটা ছিল রিদের নীতি ধর্মের বাহিরে। রিদের এই স্বভাবের জন্য প্রথম প্রথম সমস্যা না হলেও, ধীরে ধীরে সেটি কাল হতে থাকে রিদের তাদের জন্য। রিদের বাবা-মা মৃত্যু পরপর সেটি ভয়ানক টাইপের কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের জীবনে। রিদের ঠিকঠাক কথা না বলা। নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া। একাকী জীবন বেঁচে নেওয়া। রিদ ছোট থেকেই সবসময় কম কথা আর একা থাকতে পছন্দ করতো। তবে নিজের বাবা-মার মৃত্যুতে আরও বেশি একা হয়ে যায়। শত চেষ্টা করেও হেনা খান ও আরাফ খান রিদের একাকীত্ব দূর করতে পারেনি। বরং দিন দিন সেটা বাড়তে থাকে। পরে পরে রিদ কাউকে নিজের পাশে ঘেঁষতে দিতো না। রোজকার স্বভাবে রাগ দেখানো। সবকিছুতে একবাক্যে জেদ করা। ঘাড়ত্যাড়ামী নিয়ে বেড়ে ওঠা রিদের। বাবা-মা হারা রিদও হয়ে উঠে বেপরোয়া। বাবা-মার মৃত্যুর এক বছর পর থেকেই রিদের অস্থির পা দুটো ছুটতে শুরু করে ভিন্ন গন্তব্যে উদ্দেশ্য। ভিন্ন দেশের হয় রিদের বসবাস। আর পাওয়া যায়নি রিদকে নিজের পরিবারে। নিজের দেশে। আঠারো বছর বয়স থেকেই ছুটতে শুরু হয় রিদের পা দুটো। ভিন্ন গন্তব্য। ভিন্ন পথ। ভিন্ন মঞ্জিল। প্রথম প্রথম কোন দেশে আছে সেটা জানালেও বছর দুইয়েক মধ্যে সেটাও জানাও বন্ধ করে দেয় রিদ।
নিরুদ্দেশ, লাপাত্তা হয়ে থাকে সবসময়। বিগত দশ বছর ধরে রিদের বিরতিহীন পা দুটোর পথ চলা শুরু হয়েছে। কবে, কখন, কোথায় থামবে, জানা নেই কারও। শুধু আশায় আছে থামার। রিদ কাউকে সেই সুযোগটায় দেয়নি কখনো নিজেকে থামানোর। হেনা খান নানা রকম পাগলামো করেছিল রিদকে আটকিয়ে রাখার। সেই পাগলামোর সঙ্গী হিসাবে সাথে ছিল আরাফ খান। কখনো অসুস্থতার বাহানা। কখনো প্যারালাইজড হওয়ার অভিনয়। কখনো আবার ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল। শেষ মায়াকে দিয়ে রিদকে আটকানো চেষ্টা। কিন্তু তাতেও বিফল। কোনো কিছুতেই রিদকে আটকানো সম্ভব হয়নি। শেষ পযন্ত রিদ সবকিছু শেষ করে দিয়ে ছেড়ে ছুঁড়ে পুনরায় নিজের গন্তব্যে চলে যায়। মাঝখান থেকে কিছু সম্পর্ক অগোছালো হয়ে গেছে। আয়নের সাথে মায়া জড়িয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই তাদের বিয়ে দিবেন তিনি। সুখে থাকবে তাঁরা। আয়ন, মায়া দুজনই পরিপূর্ণ থাকবে নিজের জীবন নিয়ে। শুধু অগোছালো দিন পার করবে রিদ। অসম্পূর্ণ থেকে যাবে রিদের জীবন। একাকীত্বের ঘিরে থাকবে সেই জীবনের চক্রবাসে। রিদকে তিনি সুন্দর জীবন দিতে চাই। নিজের ছেলেও ছেলের বউয়ের আত্মার শান্তি দিতে চাই। রিদকে সংসারি করতে চাই তিনি। কিন্তু রিদ না চাইলে কোনো ভাবেই সম্ভব নয় সেটি।
এই জীবনে কখনো রিদ চাইবে কিনা তাও সন্দেহ। তাছাড়া আজকাল রিদের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না কোনোমতেই। টানা দশ মাস সতেরো দিন পার হতে চলছে রিদের কোনো রুপ যোগাযোগ নেই কারও সাথে। রিদের বেঁচে থাকার সন্ধানটাও পাওয়া যাচ্ছে না কোথায়। নিজের স্বামী,ও নাতি আয়ন, সবাই খোঁজে চলছে প্রাণপূণ ভাবে। কিন্তু অল্প একটু সন্ধান মিলছে না রিদের। রিদের চিন্তায় আজকাল ঠিকঠাক রাতে ঘুমটাও হয়না। দিন দিন অসুস্থাও বাড়ছে তুঙ্গে। আয়নের রোজকার পেশেন্ট এখন হেনা খান। রিদের চিন্তায় চিন্তায় মাসে বিশটা দিনই অসুস্থতায় পার হয় উনার। ছেলেটাকে হুট করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়াটা কেউ মেনে নিতে পারছে না। রিদের এই বেপরোয়া স্বভাবের জন্যই হেনা খানের মনে সবার থেকে আলাদা টান রিদের জন্য। শুধু রিদকে ঘিরেই এত গুলো সম্পর্ক নষ্ট করেছেন তিনি। তারপরও রিদের সুখটা চাই হেনা খান। সর্বোচ্চ দিয়ে বাঁধতে চাই রিদকে।
রিদকে প্রচন্ড বাড়াবাড়ি রকমের ভালোবাসেন তিনি। কিন্তু রিদের নিখোঁজ হওয়াটা যেন হেনা খানের অসুস্থতার কারণ। কথা গুলো ভাবতেই দুই ফোঁটা চোখের জল গড়ায় গাল বেয়ে হেনা খানের। থেকে থেকে বুক ছিঁড়ে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলছেন কষ্টে তিনি। অন্যমনস্ক হয়ে ডাইনিং টেবিলের হাত চালাচ্ছেন। আয়ন মেইন দরজা ধরে ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করে। ধুপ করে সোফায় বসে টান টান করে গা এলিয়ে দেয় সেখানটায়। হাতের ভাঁজ থাকা এপ্রোনটা খানিকটা ছুড়ি ফেলে পাশে। চোখ বুলাই হাত ঘড়ির কাটায়।
সকাল ৪ঃ৪৫ মিনিট। ঘাড় ঘুরিয়ে পিছনে সিঁড়িতে তাকায় কাউকে দেখার উদ্দেশ্য। সিঁড়িতে দেখতে না পেয়ে সোজা চোখ বুলাই উপরে মায়ার রুমের দরজার দিকে। রুমের দরজাটা খানিকটা খোলা দেখে আবারও চোখ বুলাই ঘড়িতে। মায়ার স্কুলে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে প্রায়। নয়টা বের হবে মায়া। মায়াকে আজ স্কুলে ড্রপ করার জন্য এতোটা তাড়াহুড়ো করে খান বাড়িতে আসা তার। সকালের নাস্তাটাও মায়ার সাথে করতে চাই। কাল মায়াকে নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে। এতটা বুঝতে পেরেছে যে, মায়ার চোখে মুখে নিজের জন্য ভয়টা কমে আসতে দেখেছে। তাই মায়ার সাথে নিজের মেলামেশাটা আর একটু বাড়িয়ে দিতে চাই। কোনো রুপ দূরুত্ব রাখতে চাই না নিজেদের মাঝে। এতে যদি মায়া আয়নকে বুঝতে সুবিধা হয়। আর নয়তো যদি মায়ার ভয়টা কোনো ভাবেই না কাটে তোহ এবার ঠিকঠক বিয়ে করে নিবে পরিবারকে বলে। মায়ার এসএসসি পরীক্ষা পরপরই বিয়ের পিরিতের বসে যাবে মায়াকে নিয়ে সে। বাড়তি কোনো ঝামেলায় টানবে না সে। তখন বউকে নিজের কাছে রেখে নাহয় ভয়টা কমাবে সে। এক পলক মায়ার রুমের দরজাটা দিকে উঁকি মেরে ঠিক হয়ে বসে আয়ন। ব্যস্ত হেনা খানের দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে চিৎকার করে বলে উঠে…
–” নানুমা এক গ্লাস পানি দাও আমাকে।
আয়নের কথা গুলো কান গোচ্ছর হল না হেনা খানের। চিন্তারত অন্যমনস্ক হেনা খান টায় জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। আয়ন পুনরায় চেঁচায়।
–” নানুমা পানি দাও।
হেনা খান চমকে উঠে। দ্রুত তাকায় পিছনে। আয়নকে সোফায় টান টান হয়ে বসে থাকতে দেখে। দ্রুত হাতে পানি নিয়ে হাজির হয় সেখানে। হাত বাড়িয়ে আয়নকে পানির গ্লাসটি দিতে দিতে আগ্রহের সহিত বলে উঠে…
—” রিদের খবর পেয়েছিস?
চোখ তুলে তাকাই হেনা খানের আগ্রহরত চেহারার দিকে। গ্লাসে থাকা সম্পূর্ণ পানি টকটক করে শেষ করে। পুনরায় পানি গ্লাসটা হেনা খানের হাতে তুলে দিতে দিতে সোজাসাপটা উত্তর বললো…
–” নাহ।
আর কোনো বাক্য ব্যয় করলেন কেউ-ই। কষ্টে আবারও চোখ টলমল করে উঠলো হেনা খানের। নিজেকে শক্ত রাখার তাগিদে পুনরায় চলে যায় ডাইনিং টেবিলের সামনে। আয়ন আবারও সোফায় গা এলিয়ে দেয়। দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে চোখ বন্ধ করে নেয়। আয়ন বুঝতে পারছে হেনা খান তাঁর সামনে নিজের কান্নাটা লুকানোর ব্যথা চেষ্টা করছে। কিন্তু সেও নিরুপায়। রিদ নিজ থেকে ধরা না দিলে কেউ তাঁকে খোজে পাবে না। সেটা এতো দিনে ঠিক বুঝতে পেরেছে আয়ন। সাথে রিদ যে স্বেচ্ছায় নিজের অবস্থানের কথা কাউকে জানাচ্ছে না। সেটাও ঠিক বুঝতে পারছে সে। তাই রিদের অপেক্ষা করা ছাড়া এই মূহুর্তে আপাতত কিছুই করার নেই কারও। আয়ন চুপ করে থাকে। খানিকটা সময় নিয়ে হেনা খানের উদ্দেশ্য ভেজা গলায় বললো…
–” নানুমা! রিদের না চাওয়া অবধি আমরা কেউ চাইলেও ওকে খোঁজে পাওয়া অসম্ভব। রিদ নিজের ইচ্ছাতে লুকায়িত। তাই আমাদের রিদের জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। রোজ রোজ কান্না করে নিজের অসুস্থততা বাড়ানো সেটা কোনো সমাধান নয় নানুমা। নিজেকে একটু শক্ত করো।
ভাবান্তর হলো না হেনা খানের। আয়নের কথায় বিশেষ মনোযোগ হলো না। তিনি নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করে। প্রসঙ্গ পাল্টিয়ে শক্ত গলায় আয়নকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো…
–” খেতে আয় তুই….
আয়ন দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে। কোনো কিছু ভাবনাতে আসলো না তাঁর। চোখ খোলে তাকায় সামনে। উঠে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যায় সেদিকে। ডাইনিং টেবিলের চেয়ার টেনে বসতে বসতে বললো….
–” বাকিরা কোথায় নানুমা?
আয়নের প্লেটে খাবার তুলে দিতে দিতে বললো…
–” তোর নানাভাই সকাল সকাল কোনো কাজের জন্য বাহিরে গেছে এখনো ফিরেনি। আসতে দেরি হবে বলে গেছে।
ধীর কন্ঠে বললো…
—” আর মায়া?
কোনো রুপ বনিতা ছাড়ায় বললো….
–” নিজের রুমেই আছে। হয়ত….
বাকি কথা গুলো বলার আগেই দৌড়ের হাজির হয় মায়া। গায়ে স্কুল ড্রেস জড়ানো। ডাইনিং টেবিলের চেয়ারে টেনে আয়নের সামনে বসে পড়ে। মায়াকে দেখে থেমে যায় হেনা খান। আয়ন এক দৃষ্টিতে তাকায় মায়ার সিগ্ধ মুখশ্রীতে। মায়া চঞ্চল হাতে নিজের প্লেট উল্টিয়ে হেনা খানের উদ্দেশ্য প্রশ্ন করে বলে উঠলো…
–” দাদী রাতের লোক কে ছিল গো?
মায়ার কথায় তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায় হেনা খান। আয়ন কঁপালে ভাঁজ ফেলে মায়ার কথা গুলোতে মনোযোগ হয়। মায়ার কথা গুলো এই মূহুর্তে কারও বোধগম্য হচ্ছে না। হেনা খান এগিয়ে এসে মায়ার প্লেটে নাস্তা তুলে দিতে দিতে প্রশ্ন করে উঠলো…
–” কিসের লোক?
পুনরায় প্রশ্ন করে বললো….
–” রাতের লোকটা? চিননা তুমি?
কপাল কুঁচকে তাকিয়ে আবারও প্রশ্ন করলো হেনা খান…
–” রাতের লোক আবার কে???
–“সেটা তো তুমি বলবে দাদী রাতের লোকটা কে? আমি দেখিনি তো অন্ধকার মধ্যে লোকটাকে।
–” মানে কিসের লোক? কিসের অন্ধকার? আর তুই বা কোথায় গিয়েছিলি রাতে??
খানিকটা মন খারাপ ভাব নিয়ে বললো….
–” আমি কোথাও যায়নি তোহ দাদী।
–” তাহলে তুই যে বলছিস অন্ধকারে কাকে দেখলি সেটা কোথায় থেকে দেখলি???
—” হ্যাঁ দেখেছি তো! আমার রুমের বারান্দা থেকে দাঁড়িয়ে। তোমরা দেখনি?
আয়ন হাতে ইশারায় হেনা খানকে থামতে বলে প্রশ্ন করা থেকে। আয়ন সম্পূর্ণ বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করে কপাল কুঁচকে মায়াকে গোছালো ভাবে প্রশ্ন করে বললো…
–” আমরা দেখিনি। তুমি বললে কিন্তু আমরাও এখন দেখে নিতে পারি তোমার সাথে। কি বলবে আমাদের রাতে কি দেখলে তুমি হুমম??
আয়নের কথায় চমকে উঠে মায়া। এতক্ষণ আয়নকে লক্ষ না করলেও এখন ঠিকই চোখে পড়লো আয়নকে। আয়নের হুটহাট প্রশ্নে হাসফাস করতে থাকে মায়া। খাওয়া রেখে মূহুর্তে গুটিয়ে বসে পড়ে মায়া। আয়ন বিষয়টি বুঝতে পারে। মায়াকে অভয় দিয়ে ধীর কন্ঠে বললো….
—” উহুম! ভয় নয়। ভয় পেলে তোমার প্রশ্নের উত্তর কিভাবে পাবে তুমি।
মায়া মাথা নত করে বসে আয়নের সামনে। আড়চোখে বারকয়েক আয়নকে দেখার চেষ্টা করে মায়া। এতে করে দুজনে চোখাচোখি হয় সাথে সাথে। আয়নে আলতো হাসে। মায়ার আঁড়চোখে দেখাটা দারুণ লাগে আয়নের। উপভোগ করে বিষয়টি। মায়াকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে পুনরায় আয়ন প্রশ্ন করে বললো….
–” এখন বলো রাতে কি দেখেছিল?
মায়া আবারও আঁড়চোখে তাকায় আয়নের দিকে। আয়নকে নিজের দিকে তাকাতে দেখে মূহুর্তেই নড়েচড়ে বসে আস্তে করে বললো…..
—” রাতে গাড়ি নিয়ে একটা লোক বাগানে মধ্যে থাকা বাংলোতে ঢুকতে দেখেছিলাম। আমি দেখেছি সেটা। কিন্তু অন্ধকার থাকায় লোকটার চেহারা দেখতে পারিনি।
মায়ার কথায় মূহুর্তে চমকে উঠে আয়ন ও হেনা খান। বাগানের বাংলোটি রিদের নিজের। সেই বাংলোর চাবি কারও কাছে নেই এমনকি আরাফ খানের কাছেও না। রিদ ছাড়া। সেই বাংলোতে কাউকে প্রবেশ করতে দেখা মানেই রিদ ফিরে এসেছে বাংলাদেশে। রাতে তাহলে মায়া রিদকে দেখেছিল। বিষয়টি ভাবলো হেনা খান। চমকে সাথে সাথে বলে উঠলো মায়াকে….
–” সত্যি বলছিস তুই। রাতে তুই….
হেনা খান থামে। আয়ন ততক্ষণে ডাইনিং টেবিলের ছেড়ে দৌড়ে যায় বাগানের উদ্দেশ্য। হেনা খান ও নিজের কথাটা সম্পূর্ণ না করে দৌড় দেয় আয়নের পিছন পিছন। মনে মনে একটা দোয়াই করতে থাকে মায়ার কথাটা যেন সত্যি হয়। রিদকে যেন বাগানের সেই বাংলোতে পায়। কিন্তু হেনা খানের সেই দোয়াটি বেশিক্ষণ দীর্ঘ স্থানীয় হলো না। বাংলোর সামনে গিয়ে দেখে বাংলোটি আগে ন্যায় লক করা বাহির থেকে। আশেপাশেও কোনো গাড়ির চিহ্নও নেই। আয়ন লক করা বাংলোটি ভালো ভাবে দেখে নিয়ে ঘুরে তাকায় হেনা খানের দিকে। রাতের অন্ধকার লোকটি মায়ার মনের ভুল ভেবে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে আয়ন। হেনা খানের উদ্দেশ্য আস্তে করে বললো…
—” ফিরে আসেনি রিদ।
চলিত…
Share On:
TAGS: দেওয়ানা আমার ভালোবাসা সিজন ২, রিক্তা ইসলাম মায়া
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ডাকপ্রিয়র চিঠি পর্ব ২২
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ২৪
-
ডাকপ্রিয়র চিঠি পর্ব ২
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ২৮
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ২১
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ৪
-
ডাকপ্রিয়র চিঠি পর্ব ৯
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ১০+ বর্তীতাংশ
-
দেওয়ানা (আমার ভালোবাসা)সিজন ২ পর্ব ৯
-
ডাকপ্রিয়র চিঠি পর্ব ৪