Golpo romantic golpo দিশেহারা

দিশেহারা পর্ব ৩১


দিশেহারা (৩১)

সানা_শেখ

রোজকার মতন আজকেও শ্রবণের ঘুম আগে ভেঙেছে। সোহা ওর বুকের সঙ্গে লেপ্টে ঘুমিয়ে আছে। খোঁপা করে রাখা চুলগুলো খোঁপা খুলে এলোমেলো হয়ে গেছে। চুল থেকে শ্যাম্পুর ঘ্রাণ ভেসে আসছে।
শ্রবণ হাতের বন্ধন আরও শক্ত করে। সোহাকে আরও ভালোভাবে মিশিয়ে নেয় নিজের সঙ্গে।
নড়েচড়ে ওঠে সোহা, ঘুম হালকা হয়ে আসে। শ্রবণের বাহু বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য শ্রবণের হাত সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। শ্রবণ গম্ভীর স্বরে বলে,

“কী হয়েছে?”

চমকে ওঠে সোহা। শ্রবণ জেগে আছে? ও তো ভেবেছিল এখনও ঘুমিয়ে আছে। মিনমিন করে বলে,

“ছাড়ো, ওয়াশরুমে যাব।”

শ্রবণ ছেড়ে দেয়। সোহা দ্রুত উঠে যায় বিছানা ছেড়ে, শ্রবণ নিজেও শোয়া থেকে উঠে বসে। এক ঘুমে রাত পার হয়ে গেছে।

সোহা ফ্রেশ হয়ে এসে রুমের মেইন লাইট অন করে ডিম লাইট অফ করে দেয়। শ্রবণ বিছানা ছেড়ে নেমে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে যায়।

সোহা হাতমুখ মুছে মুখে ক্রিম লাগিয়ে চুল ব্রাশ করে বেঁধে নেয়। বিছানা গুছিয়ে জানালা খুলে দিয়ে রুম থেকে বের হয়।

শ্রবণ ফ্রেশ হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে স্পর্শের রুমে আসে। স্পর্শকে বিছানায় না দেখে ওয়াশরুমের দিকে তাকায়। ওয়াশরুমের দরজা লাগানো দেখে বুঝতে পারে স্পর্শ ওয়াশরুমে রয়েছে।

রুম থেকে বেরিয়ে রান্না ঘরে এসে দাঁড়ায়। সোহা ফ্রিজ থেকে কি যেন বের করছে।

“নাস্তায় কী বানাবি?”

ভয় পেয়ে লাফিয়ে উঠে সোহা। মুখ দিয়ে “আহ্” শব্দ বেরিয়ে এসেছে। ঘুরে দাঁড়িয়ে শ্রবণকে দেখে কিছুটা স্বাভাবিক হয়। শ্রবণ বিরক্তিতে কপাল ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে ওর দিকে। বিরক্তি আর রাগী স্বরে বলে,

“ভয় পাওয়ার মতো কী বলেছি আমি? মাঝে মধ্যে এমন করিস যেন আমিই ভূত, তোকে ধরে খেতে এসেছি।”

“এতক্ষণ তো কেউ ছিল না এখানে, তুমি হুট করে এসে কথা বলায় ভয় পেয়ে গেছি।”

“এত ভয় কী খেয়ে আসে?”

“কি যেন বলছিলে?”

“নাস্তায় কী বানাবি?”

“কী খাবে?”

“চুলায় কী?”

“একটায় ডিম সিদ্ধ দিয়েছি অন্যটায় কফির জন্য পানি।”

“পানি গরম হয়নি? কফি বানিয়ে দে।”

সোহা কফি বানানোর জন্য মগে পানি ঢালতে ঢালতে বলে,

“কী খাবে বললে না তো।”

“স্পর্শ কী খাবে ওকে জিজ্ঞেস করে আয়।”

সোহা ঘাড় ঘুরিয়ে শ্রবণের মুখের দিকে তাকায়। দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে মৃদু স্বরে বলে,

“তুমি জিজ্ঞেস করে আসো।”

“তুই করে আয়।”

“থাক করতে হবে না। ভাইয়া তো স্যুপ খেতে পছন্দ করে, স্যুপ বানাই। তুমি স্যুপ খাবে?”

“স্পর্শ কী কী পছন্দ করে তুই জানিস?”

“হ্যাঁ, বাড়িতে যখন ছিলাম তখন তো দেখেছি ভাইয়া কি কি খেতো আর কি কি খেতো না।”

“আমি কি কি পছন্দ করি সেটা জানিস?”

ফট করে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকায় সোহা।

“কথা বলছিস না কেন?”

“তু তুমি, সিদ্ধ ডিম খেতে পছন্দ করো।”

“শুধু ডিম খেয়েই থাকি আমি?”

“না, গরুর মাংস বেশি পছন্দ করো।”

“আর?”

“আর, আর বিরিয়ানি, নান রুটি, ইলিশ মাছ ভাজি, আর আর মুসুর ডাল, করলা ভাজি, করলার জুস, স্যুপ, নুডুলস, চিংড়ি মাছ। আরও অনেক কিছু আছে।”

“হ্যাঁ বল।”

“স সব গুলোর নাম বলতে হবে?”

“হ্যাঁ।”

কি মুসিবত! কোন দুঃখে বলতে গেলো স্পর্শের পছন্দের খাবারের নাম জানে?
কফির মগ এগিয়ে দিয়ে বলে,

“ক কফি খাও।”

“তোতলাচ্ছিস কেন এভাবে?”

“স্যুপ খাবে?”

শ্রবণ কফির মগে চুমুক দিয়ে বলে,

“কথা ঘুরাচ্ছিস কেন?”

সোহা কাঁদো কাঁদো ফেস বানিয়ে শ্রবণের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। এভাবে ভয় দেখানোর কী হয়েছে? ও আর স্পর্শ তো ছোটো থেকে এক সঙ্গে বড়ো হয়েছে। শ্রবণ কী থেকেছে বাড়িতে? এক সঙ্গে থাকছেই তো মাত্র এক মাস পেরিয়ে এক সপ্তাহ। এর মধ্যে ওর পছন্দের সব খাবারের নাম কীভাবে জানবে? শ্রবণ কী বলেছে ওকে?

“স্যুপ বানা।”

“তুমি, খাবে?”

“হ্যাঁ।”

সোহা চুলা থেকে ডিম নামিয়ে রেখে স্যুপ বানানোর প্রস্তুতি নেয়।
শ্রবণ ওর পাশেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কফি খায় আর তাকিয়ে তাকিয়ে ওকে দেখা যায়।


সোহা তিনজনের জন্য টেবিলে নাস্তা সাজায়। শ্রবণ একটা চেয়ার টেনে বসতে বসতে গলা ছেড়ে স্পর্শের নাম ধরে ডাকে। স্পর্শ রুমের ভেতর থেকেই সাড়া দিয়ে বলে,

“হ্যাঁ, ভাইয়া।”

“নাস্তা করতে আসো।”

“আসছি।”

স্পর্শ রুম থেকে বেরিয়ে আসে। শ্রবণ ওর দিকে তাকিয়ে বলে,

“বসো।”

“হ্যাঁ।”

শ্রবণের মুখোমুখি হয়ে একটা চেয়ারে বসে স্পর্শ। শ্রবণের পাশের চেয়ারে বসে সোহা।

“খাওয়া শুরু করো।”

“হুম।”

মাথা নাড়িয়ে পানির গ্লাস হাতে তুলে নেয় স্পর্শ। পানি পান করে একটা ডিম হাতে নেয়। খেতে খেতে মুখ তুলে সামনে বসে থাকা শ্রবণ আর সোহার দিকে তাকায়। দু’জনেই মাথা নিচু করে খাচ্ছে।
দু’জনকে পাশাপাশি বেশ মানায়। স্পর্শের এখন একটুও আফসোস হয় না সোহাকে না পাওয়ার জন্য। ওর চেয়ে শ্রবণের লাইফেই সোহাকে বেশি প্রয়োজন ছিল। অন্তত শ্রবণের একাকীত্ব-টা তো দূর হয়েছে। যেভাবেই হোক আর যার কারণেই হোক নিঃসঙ্গ জীবনে কাউকে তো জায়গা দিয়েছে। পরিবার থাকতেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রেখে একা থাকা যে কতটা কষ্টের সেটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে স্পর্শ।
শ্রবণের জায়গায় যদি ও থাকতো তাহলে এতগুলো বছর সার্ভাইব করতেই পারতো না, কবেই শেষ হয়ে যেত তার ঠিক নেই।
ওর বড়ো ভাই আসলেই একজন অদ্ভুত, কঠিন আর শক্ত হৃদয়ের মানুষ নয়তো এভাবে বেঁচে থাকতে পারতো না।

শ্রবণ মুখ তুলে তাকাতেই স্পর্শ বাটির দিকে তাকিয়ে স্যুপ খাওয়ায় মনোযোগী হয়। জীবনে রান্নাঘরে উঁকি না দেওয়া বোকা সোকা সোহা-ও রান্না শিখে গেছে হাজব্যান্ডের জন্য। আনমনেই মুচকি হাসে স্পর্শ। সোহা-ও ভালো আছে, ওর ভাই-ও ভালো আছে। সারা জীবন ভালো থাকুক দু’জন একে অপরের সঙ্গে।

স্পর্শ খাওয়া শেষ করে ঔষুধ খেয়ে সোফায় বসে বড়ো ভাইয়ের পাশে। রাতে জ্বর নেমে যাওয়ার পর এখনও আর আসেনি। না আসলেই ভালো।
সোহা বেডরুমে চলে গেছে টেবিল গুছিয়ে রেখে। মাজেদা আন্টি দু’দিন আসবেন না। উনি গ্রামের বাড়িতে গেছেন।

“স্পর্শ।”

“বলো, ভাইয়া।”

“হোস্টেলে না থেকে বাড়িতে ফিরে যাও।”

“না, ভাইয়া।”

“পাগলামি কোরো না।”

“আমার বাড়িতে যেতে ইচ্ছে করে না।”

“সিয়াম তো বাড়িতেই আছে। দাদা ভাই আছে। ওদের সঙ্গে থাকবে কথা বলবে। একা একা ওখানে কেন কষ্ট করে থাকবে?”

“তুমিও তো থাকছ।”

শ্রবণ মুচকি হেসে বলে,

“আমার অভ্যাস হয়ে গেছে একা থাকতে থাকতে। বরং এখন বেশি মানুষের সঙ্গেই থাকতে পারি না আমি। তোমার তো একা থাকার অভ্যাস নেই। আমি যা বলছি শোনো। হোস্টেল থেকে বাড়িতে শিফট করে যাও।”

“ভাইয়া।”

“বাড়িতে যাও।”

“ওদের চেহারাও দেখতে ইচ্ছে করে না আমার। সবগুলো শ’য়’তা’নের কারখানা।”

“”তুমি ওঝাঁ হয়ে ফিরে যাও শ’য়’তা’ন তাড়ানোর জন্য।”

স্পর্শ শ্রবণের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। বড়ো ভাইয়ের মুখের উপর বারবার না-ও করতে পারছে না।

“ভাইয়া, না গেলে হয় না?”

“উঁহু।”

“আমার ইচ্ছে করছে না।”

“ইচ্ছে করাও।”

“কীভাবে?”

“হোস্টেলে যাবে, ব্যাগ প্যাক করবে তারপর বাড়িতে চলে যাবে।”

“ভাইয়া, তুমি কি আমার সঙ্গে মজা করছ?”

“আমি মজা করি?”

“না।”

“তাহলে করছি না। তুমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলে মেন্টাল প্রেশারের কারণে। এভাবে একা একা থাকলে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে।”

স্পর্শ চুপ করে থাকে। শ্রবণ তাকিয়ে থাকে ওর মুখের দিকে। স্পর্শের ফরসা চেহারা মলিন, শুকনো। চোখ দুটো গর্তের মধ্যে ঢুকে গেছে। শুকিয়েও গেছে অনেক। এভাবে থাকলে এই ছেলে অল্প দিনেই ম’র’বে। রাতে যেই অবস্থায় এসেছিল সেই হিসেবে এখন অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছে। একা একা হোস্টেলে থাকলে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়বে।


দশটার পর পর ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে গেছে স্পর্শ।
শ্রবণ তৈরি হচ্ছে বাইরে বের হওয়ার জন্য।

সোহা ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে। শ্রবণকে বেরিয়ে যেতে দেখে পিছু ডেকে ওঠে। শ্রবণ ঘুরে দাঁড়িয়ে বলে,

“কী হয়েছে?”

“আমার একটা জিনিস লাগবে।”

“কী?”

সোহা চুপ করে থাকে। শ্রবণ ধমক দিয়ে বলে,

“কথা বলছিস না কেন? কী লাগবে?”

“একটু দাঁড়াও।”

সোহা ফোন হাতে নিয়ে মেসেজ করে লিখে পাঠায় শ্রবণের ফোনে।

“মেসেজে লিখে দিয়েছি।”

শ্রবণ বিরক্তি নিয়ে সোহার দিকে তাকিয়ে থেকে পকেট থেকে ফোন বের করে মেসেজ চেক করে। লেখাটা পড়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে ফোনের স্ক্রিনের দিকে। কীসের নাম এটা?

“এটা কী?”

“ফার্মেসীতে আর শপিং মলে পেয়ে যাবে।”

শ্রবণ ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থেকে গুগলে সার্চ দেয় নামটা লিখে। যখন জানতে পারে সোহা কী নিয়ে আসতে বলছে তখন শরীর ঝাঁকি দিয়ে ওঠে। নাক মুখ কুঁচকে বলে,

“এই বা/ল ছাল আমি নিয়ে আসতে পারবো না।”

“প্লীজ এনে দাও, লাগবে আমার।”

“পারবো না আমি।”

“প্লীজ।”

“পারবো না আমি, সর।”

উল্টো ঘুরে হাঁটা ধরে শ্রবণ। সোহা দ্রুত পায়ে এগিয়ে শ্রবণের হাত টেনে ধরে। শ্রবণ ঘুরে তাকাতেই সোহা শুকনো ঢোঁক গিলে বলে,

“এমন করছো কেন? এনে দাও না।”

“পারবো না আমি, অন্য কোনোভাবে চালিয়ে নে।”

“কীভাবে কী করব? প্লীজ এনে দাও।”

“বাড়ি থেকে নিয়ে আসলি না কেন? বলেছিলাম না প্রয়োজনীয় সব কিছু নিয়ে আসতে?”

“মনে ছিল না, প্লীজ এনে দাও।”

“তুই চল আমার সঙ্গে, তুই নিয়ে আসবি।”

“আমি?”

“আগে কে এনে দিয়েছে?”

“আম্মু।”

“তুই চল, তুই নিয়ে আসবি, আমি শুধু সঙ্গে যাব। আমি কিনতে পারবো না এইসব।”

“আমি এখন কীভাবে বাইরে যাব? ড্রেস নষ্ট হয়ে গেছে।”

শ্রবণ চরম বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ। এত ঝামেলা ভালো লাগে না। আগে একা ছিল কত ভালো ছিল। কীসের জন্য বিয়ে করতে গেল?

“প্লীজ এনে দাও।”

“এই বা/লের বিয়ে মানুষ করে? এক বউয়ের কত কিছু লাগে? এটা লাগবে, ওটা লাগবে, আছেই একটার পর একটা। আগেই তো ভালো ছিলাম। আর জীবনে বিয়ের নাম মুখে নেবো না।”

“তুমি কি আরও বিয়ে করতে চাইছ?”

“আরও? তুই এক ডাইনির বাচ্চাকে জীবনে এনেই জীবন ত্যানা ত্যানা। আর কোনো ঝামেলা চাই না আমার জীবনে।”

একটু থেমে আবার বলে,

“আজকে আমি এনে দিচ্ছি এরপর থেকে তুই নিয়ে আসবি। এরপর আর একদিন আমাকে বললে তোর মাথা ফাটিয়ে দেবো বান্দির বাচ্চা।”

সোহা মাথা নাড়ায়। শ্রবণ দরজার দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলে,

“বা/লের একটা বিয়ে করেছিলাম, ধ্যাত, ভাল্লাগেনা। এখন এই বা/ল ছাল আনা লাগবে। নামটা যেন কী?”

বলতে বলতে ফোনের স্ক্রিনে তাকায়। বিড়বিড় করে সোহাকে গালি দিতে দিতে বেরিয়ে যায় ফ্ল্যাট থেকে।

দশ মিনিট হওয়ার আগেই শ্রবণ ফিরে আসে ফ্ল্যাটে। রুমে আসতেই দেখে সোহা ওয়াশরুম থেকে বের হচ্ছে। রুম আর ওয়াশরুম করতে করতেই এই মেয়ের দিন যাবে বোধহয় আজকে।
শ্রবণের হাতের দিকে তাকিয়ে সোহার চোখ বিস্ময়ে বড়ো বড়ো হয়ে গেছে। অবাক হয়ে বলে,

“এতগুলো?”

শ্রবণ সবগুলো সোহার হাতে ধরিয়ে দেয়। সোহা বলে,

“দোকানের সব নিয়ে এসেছো নাকী?”

“হ্যাঁ। আরও থাকলে সেগুলোও নিয়ে আসতাম। আর একদিন এইসব বা/ল ছালের কথা আমাকে বললে তোর খবর আছে।”

“তুমি না এনে দিলে কে এনে দেবে?”

“যা লাগবে লিস্ট করবি আমি তোকে সঙ্গে নিয়ে যাব তুই নিয়ে আসবি।”

সোহা বলে না কিছু। এতগুলো কেউ নিয়ে আসে? পুরো এক বস্তা। এগুলো দিয়ে তো ও এখন দোকান খুলে বসতে পারবে।

শ্রবণ ধুপধাপ পা ফেলে রুমের বাইরে বেরিয়ে যায়।
সোহা একটা প্যাকেট বের করে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে বলে,

“বড়ো বড়ো মানুষের বড়ো বড়ো কাজ কারবার! দুই প্যাকেট নিয়ে আসলেই হতো। ভালোই হয়েছে, আগামী ছয় সাত মাস অনায়াসে চলে যাবে।”

চলবে……………

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply