দিশেহারা (০৩)
সানা_শেখ
জিম থেকে ফিরে শাওয়ার নিচ্ছে শ্রবণ। মনের সুখে গান গাইছে আর শাওয়ার জেল ঘষছে গায়ে।
কলিং বেলের শব্দে গান বন্ধ করে দেয়। বিরক্তিতে কপাল ভ্রু কুঁচকে গেছে। পর পর আরো কয়েক বার কলিং বেল বেজে ওঠে। মেজাজ হারিয়ে গালী দিয়ে বলে,
“কোন শা’লা’য়রে? বা/লডা লাগাতার টিপেই চলেছে।”
আরো কতক্ষন গালাগালি করে শাওয়ার নেওয়া শেষ করে। কোমরে টাওয়েল পেঁচিয়ে বেরিয়ে আসে ওয়াশরুম থেকে। চরম বিরক্তি নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসে। মাজেদা আন্টি আসলে তো কলিং বেল বাজাবে না। ওনার কাছে এক্সট্রা চাবি আছে। নিশ্চই ওর বন্ধুদের মধ্যে থেকে কেউ এসেছে।
দরজা খুলে সামনে দাদাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে শুকনো হেসে বলে,
“ওহ তুমি। ভেতরে আসো।”
সামাদ চৌধুরী নাতির আগা গোড়া পরখ করে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন।
“তুমি বসো আমি ড্রেস পরে আসছি।”
“আচ্ছা যাও।”
শ্রবণ রুমে এসে একেবারে তৈরি হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসে। দাদার পাশে বসতে বসতে বলে,
“হঠাৎ এখানে?”
“সকাল থেকে কল করে পাচ্ছিলাম না তাই চলে আসলাম।”
“কিছু বলবে?”
“হ্যাঁ।”
“বলো।”
“স্পর্শর তো বিয়ে, তুমি বড়ো ভাই হয়েও ওর আগে বিয়ে করবে না?”
“বিয়ের কথা বলবে না দাদা ভাই। অন্য কিছু বলো।”
“বাড়িতে চলো।”
“কেন?”
“নিজে বিয়ে না করলে, অন্তত ভাইয়ের বিয়েতে তো থাকবে।”
“কে ভাই?”
“তুমি বাড়িতে চলো।”
“এখানেই ভালো আছি আমি।”
“বিয়েতে তোমাকে উপস্থিত থাকতে হবে। তুমি বাড়ির বড়ো ছেলে, তুমি থাকবে না তাতো হয় না।”
“প্লীজ দাদা ভাই এমন কিছু বলবে না আমাকে, শুনলে মাথায় আগুন ধরে যায়।”
“তুমি যাবে না বাড়িতে?”
“নাহ্।”
“ঠিক আছে আসছি আমি।”
“কোথায় যাচ্ছো? মাত্র তো আসলে।”
“আমার কোনো কথার দাম তো তোমার কাছে নেই। আমি অনেক বড়ো মুখ করে তোমার কাছে এসেছিলাম। আসছি আমি, থাকো তুমি তোমার দুনিয়া নিয়ে। আমি ম’রে গেলে কেউ আর আসবে না তোমাকে ডাকতে।”
সামাদ চৌধুরী সোফা ছেড়ে উঠে দরজার দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করেন। শ্রবণ কিছু সময় মাথা নিচু করে বসে থেকে গম্ভীর স্বরে বলে,
“কবে যেতে হবে বাড়িতে?”
সামাদ চৌধুরী ঘাড় ঘুরিয়ে নাতির দিকে তাকান। হাসি মুখে বলেন,
“আজকেই চলো।”
“বিয়ে কবে?”
“সামনের শুক্রবার।”
“শুক্রবারেই যাবো তাহলে।”
“শুক্রবারে না, তুমি আজকেই যাবে আমার সাথে চলো।”
শ্রবণ দাদার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। সোফা ছেড়ে উঠতে উঠতে বলে,
“ব্ল্যাকমেইল ভালোই করতে জানো বড়ো ছেলের মতো।”
সামাদ চৌধুরী বলেন না কিছু। শ্রবণ রুমে এসে একটা স্যুটকেসে নিজের প্রয়োজনীয় সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসে।
কোনো কথা না বলে চুপ চাপ ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে দরজা লক করে লিফটে প্রবেশ করে। ওর মোটেও ওই বাড়িতে যেতে ইচ্ছে করছে না শুধুমাত্র দাদার জন্য যেতে রাজি হয়েছে। দাদাকে কষ্ট দিতে চায় না শ্রবণ।
দাদার সাথে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করতেই ছোটো ভাই স্পর্শ আর চাচাতো ভাই সিয়াম কে দেখতে পায়। দু’জন কথা বলছে।
শ্রবণকে দেখে দুই ভাই বসা থেকে উঠে ওর কাছে এগিয়ে এসে বলে,
“ভাইয়া কেমন আছো?”
শ্রবণ কিচ্ছু বলে না। ধুপধাপ পা ফেলে নিজের জন্য বরাদ্দকৃত রুমের দিকে এগিয়ে যায়। পেছন থেকে তিন জন তাকিয়ে থাকে ওর যাওয়ার পথে।
এই ছেলে কী কোনো দিন পরিবর্তন হবে না?
স্পর্শ বুঝতে পারে না ওর বড়ো ভাই ওর সাথে কেন এমন করে। বাড়ির সকলের সাথেই বা কেন এমন করে। শ্রবণ তো কিছু বলবে না, বাড়ির সকলকে জিজ্ঞেস করেও প্রশ্নের উত্তর পায়নি স্পর্শ। সিয়াম এবং সোহা ওদেরও একই প্রশ্ন। শ্রবণ বাড়ির সকলের সাথে কেন এমন করে?
শ্রবণের বয়স পঁচিশ বছর, মাস্টার্সের স্টুডেন্ট।
স্পর্শর বয়স তেইশ বছর, অনার্স ফাইনাল ইয়ারের স্টুডেন্ট।
সিয়ামের বয়স বাইশ বছর, অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ে।
সোহার বয়স ঊনিশ বছর, অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে।
করিডোরে আসতেই সোহার সামনে পড়ে শ্রবণ। শ্রবণকে দেখেই ভয়ে গুটিয়ে যায় সোহা। জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়ায় একপাশে মাথা নিচু করে। শ্রবণ ঘাড় কাত করে সোহার দিকে তাকিয়ে নিজের রুমের দিকে এগিয়ে যায়।
ড্রাইভার এসে শ্রবণের স্যুটকেস দিয়ে যায় ওর রুমে।
শ্রবণ রুমের চারো পাশে নজর বুলায়। আগের মতোই আছে এখনো। এই বাড়িতে ওর একটুও মন টেকে না। সব সময় অস্থির অস্থির লাগে, বুকের ভেতর ভীষণ জ্বালা অনুভব করে। বাড়ির মানুষ গুলোকে দেখলে রাগ তরতর করে বেড়ে যায়।
শ্রবণ রুমে ঢোকার পর আর রুম থেকে বের হয়নি। দেড়টার সময় সামাদ চৌধুরী শ্রবণের ফোনে কল করেন।
“হ্যাঁ দাদা ভাই বলো।”
“নিচে আসো খাবার খাব।”
“আমার খাবার ওপরে পাঠিয়ে দাও।”
“নিচে আসবে না?”
“না।”
“আচ্ছা, পাঠিয়ে দিচ্ছি।”
শ্রবণ ফোন রেখে শোয়া থেকে উঠে বসে। সকাল থেকে ওর ফ্রেন্ডরা শতবার কল করে ফেলেছে বাইরে যাওয়ার জন্য। শ্রবণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিয়ে শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাবে না।
চারটার পর রুম থেকে বেরিয়ে আসে শ্রবণ। নজর আটকায় সোফায় বসে থাকা স্পর্শ আর সোহার ওপর। দুজন হেসে হেসে কথা বলছে মনের সুখে। ক’দিন পরেই দু’জনের বিয়ে। এটা লাভ ম্যারেজ নাকি অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ? দু’জন ভালোবেসে বিয়ে করছে?
দু’জনের হাসি মোটেও সহ্য হচ্ছে না শ্রবণের। এত হাসি খুশিতে কেন থাকবে এরা? কই শ্রবণ তো এত হাসি খুশিতে থাকতে পারে না। ওর হাসি-খুশি, ভালো থাকা সবাই কেড়ে নিয়ে নিজেরা দিন রাত হাসে।
হাত মুষ্ঠিবদ্ধ করে দাঁত কিড়মিড় করে তাকিয়ে থাকে সোফার দিকে।
তনিমা চৌধুরী সিঁড়ি বেয়ে নামার সময় বড়ো ছেলেকে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলেন,
“শ্রবণ কিছু হয়েছে?”
শ্রবণ কোনো কথা না বলে সোজা বাড়ির বাইরে বেরিয়ে যায়। তনিমা চৌধুরী ওর চলে যাওয়ার পথে তাকিয়ে থেকে রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে যান। যাওয়ার সময় সোফায় বসে থাকা দু’জনের দিকেও একবার তাকান।
স্পর্শ সোহার এক হাত মুঠো করে ধরে বলে,
“আর কত কাল ভাইয়া বলে ডাকবি?”
সোহা স্বভাব সুলভ কপাল ভ্রু কুঁচকে বলে,
“ভাইয়া না ডাকলে কী বলে ডাকবো?”
“তোকে কেউ কিছু বলেনি?”
“কে কী বলবে?”
স্পর্শ বিস্ময় নিয়ে বলে,
“কেউ কিছুই বলেনি?”
সোহা স্পর্শর হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বলে,
“কী বলবে?”
স্পর্শ রান্না ঘরের দিকে তাকিয়ে ওর মাকে ডাকতে শুরু করে। তনিমা চৌধুরী মেডদের বলে দিচ্ছিলেন রাতে কি কি রান্না করতে হবে। ছোটো ছেলের ডাক শুনে রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে এসে সোফার কাছে দাঁড়ান। ছোটো ছেলের দিকে তাকিয়ে বলেন,
“কী হয়েছে, ডাকছো কেন?”
“সোহাকে তোমরা কিছু বলোনি?”
“আমি তো কিছু বলিনি, কেন অনিমা কিছু বলেনি সোহা?”
“না, আম্মু কী বলবে?”
স্পর্শ মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। সোহাকে এখনো কেউ কিছুই বলেনি, আশ্চর্য।
“আচ্ছা তুমি যাও, আমিই বলছি ওকে।”
তনিমা চৌধুরী রান্না ঘরে না গিয়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যান। ওনার কাজ শেষ।
স্পর্শ পুনরায় সোহার হাত মুঠো করে ধরে চোখে চোখ রেখে বলে,
“আগামী শুক্রবার তোর আর আমার বিয়ে।”
এমন কথা শুনে চমকে ওঠে সোহা। স্পর্শর হাত থেকে নিজের হাত ছাড়িয়ে নেয় আবার। বিস্ময়ে চোখ দুটো বড়ো বড়ো হয়ে গেছে মেয়েটার। বিস্ময় নিয়েই বলে,
“তুমি কী বলছো এসব? তোমার আমার বিয়ে মানে?”
“মানে এটাই যে তোর আর আমার বিয়ে।”
“তুমি আমাকে কেন বিয়ে করবে?”
স্পর্শ সোহার দিকে একটু এগিয়ে আসে। সোহার দুই হাত মুঠো করে ধরে শক্ত করে। ব্যাকুল স্বরে বলে,
“তুই কী আমাকে বিয়ে করতে চাইছিস না? প্লীজ সোহা না করবি না। আমাদের বিয়েতে বাড়ির সবাই রাজি হয়ে গেছে। বিয়ের দিন তারিখও ঠিক হয়ে গেছে। আমি তোকে ভালোবাসি, অনেক ভালোবাসি। তুই আমার না হয়ে অন্য কারো বউ হলে আমি সহ্য করতে পারবো না। আমি দিশেহারা হয়ে যাব, এলোমেলো হয়ে যাব, সব কিছু ছেড়েছুঁড়ে সন্ন্যাসী হয়ে যাবো তারপর একদিন ম’রে যাব।”
“পাগলের মতো কী সব বলছ?”
“তোকে না পেলে আমি সত্যি সত্যিই পাগল হয়ে যাব। দেখ তুই কিন্তু না করবি না।”
“হাত ছাড়ো আমার।”
“সারা জীবন ধরে রাখবো তোর হাত, তোকে আগলে রাখব। তোকে ভালো রাখবো আমি।”
সোহার বুকের ভেতর জোরে জোরে শব্দ হচ্ছে। স্পর্শর হাতের মুঠোয় থাকা হাত দুটোও কাঁপছে। বার বার চোখের পলক ফেলছে।
স্পর্শ সোহার হাত দুটো ছেড়ে দুই গালে হাত রেখে মুখ আগলে ধরে বলে,
“আমি তোকে ভীষণ ভালোবাসি সোহা।”
সোহা একটা কথাও বলে না আর। ওর বিয়ে আর ও জানলো সবার শেষে! বাড়ির একটা মানুষও ওকে জানালো যে আগামী শুক্রবার ওর বিয়ে? রাতে সকলের সাথেই তো খাবার খেলো, তখন তো বলতে পারতো। সকালেও তো একসাথে নাস্তা করলো সবাই, তখনো তো বলতে পারতো। ওর মাও ওকে বলল না? ওনার সময়ই বা কোথায়? সব কিছুতে সময় দিতে পারলেও ছেলে মেয়ে কে দেওয়ার মতো সময় তো ওনার কাছে নেই। রোজ নিয়ম করে মেয়ের সাথে তিন বার দেখা করেন এটাই তো অনেক।
“কথা বলছিস না কেন সোহা?”
“আমি রুমে যাব।”
“তুই কী অন্য কাউকে ভালোবাসিস?”
সোহা দ্রুত দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে বলে,
“না না, কাউকে ভালোবাসি না আমি।”
“তাহলে আমাকে ভালোবাসতে শুরু করে দে।”
লজ্জা পেয়ে দ্রুত মাথা নিচু করে নেয় সোহা। সোহার লজ্জা রাঙা মুখ দেখে মুচকি হাসে স্পর্শ।
দূরে দাঁড়িয়ে দু’জনের দিকে কটমট করে তাকিয়ে আছে শ্রবণ। সোফায় বসে প্রেম আদান প্রদান হচ্ছে?
রাগে ওর শরীর রিরি করছে। ইচ্ছে করছে গিয়ে দুটোর মাথা ফাটিয়ে দিতে। এদের রং ঢং সহ্য করে কীভাবে থাকবে এখানে?
সোহার দুই হাতে মেহেদি লাগানো হয়েছে। দুই হাত দু’দিকে মেলে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে আসে।
স্পর্শ সোহাকে দেখেই বসা থেকে উঠে ওর কাছে এগিয়ে আসে। মুখের কাছে মুখ এগিয়ে আস্তে আস্তে বলে,
“কিছু লাগবে?”
“হ্যাঁ, পানি খেতে এসেছি। কখন থেকে ডাকছি কেউ শুনছে না।”
“আয় আমি খাইয়ে দেই।”
স্পর্শর পেছন পেছন রান্না ঘরের কাছে এসে দাঁড়ায় সোহা। শ্রবণ সোফায় বসে আছে। ঘাড় কাত করে সোহার দিকেই তাকিয়ে আছে।
স্পর্শ পানি এনে সোহাকে খাইয়ে দেয় নিজেই। স্পর্শর মুখের হাসি একটুও সহ্য হচ্ছে না শ্রবণের।
সোহার ঠোঁটের পানি স্পর্শ মুছিয়ে দেয়।
“কী করছ? ভাইয়া আছে তো এখানে।”
“ভাইয়া এদিকে তাকাবে না তুই জানিস। তার অন্য কে দেখার টাইম নেই। আর লজ্জা পাচ্ছিস কেন? আমি তোর হবু বর, আগামী কাল আমাদের বিয়ে। আমি আমার হবু বউয়ের ঠোঁটই মুছিয়ে দিয়েছি অন্য কারো না।
লাজুক ভঙ্গিতে হাসে সোহা। চলে যাওয়ার জন্য উল্টো ঘুরতেই স্পর্শ ওর বাহু ধরে আটকে দেয়। গাল টিপে বলে,
“যত পালানোর আজকেই পালিয়ে নে, আগামী কাল কিন্তু পালানোর কোনো পথ পাবি না। তবে লুকাতে পারবি।”
সোহা প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে তাকালে স্পর্শ সোহার চোখে মুখে ফু দিয়ে মুচকি হেসে বলে,
“আমার বুকে এসে লুকাবি।”
“যাহ।”
“ওরে আমার লজ্জাবতীরে।”
শ্রবণ এতক্ষণ ধরে দু’জনের দিকেই তাকিয়ে আছে। এই বাড়ির কারো খুশিই ওর সহ্য হয় না, এদের দু’জনের টাও সহ্য হচ্ছে না। একে অপরের প্রতি এত প্রেম? সারা দিন একে অপরের সাথেই চিপকে থাকে। যখনই চোখ পড়ে দু’জনেই হাসছে। এত হাসি তো ওর মোটেও সহ্য হচ্ছে না।
বসা থেকে উঠে কাচের গ্লাসটা ছুঁড়ে ফেলে ফ্লোরে। ঝনঝন শব্দ তুলে গ্লাসটা খন্ড খন্ড হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
হকচকিয়ে সোহা আর স্পর্শ ভাঙা গ্লাসের দিকে তাকিয়ে শ্রবণের দিকে তাকায়।
শ্রবণ অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে প্রস্থান করে। ওর ইচ্ছে করছে দুটোর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখতে।
চলবে………….
নেক্সট পার্ট আগে আগে পড়তে সানা শেখ পেজ টি ফলো দিয়ে রাখবেন সবাই ধন্যবাদ।
পেজের রিচ ফিরিয়ে আনতে সবাই উড়াধুরা স্টিকার কমেন্ট করবেন। বিশ পঁচিশ টা যা পারেন। দুই তিন হাজার কমেন্ট যেন হয়। সুন্দর করে একটা মন্তব্য করতে ভুলবেন না
Share On:
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ২৯
-
দিশেহারা পর্ব ২৭
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৫
-
দিশেহারা পর্ব ৪১
-
দিশেহারা পর্ব ৪৩
-
দিশেহারা পর্ব ২৫
-
দিশেহারা পর্ব ৭
-
দিশেহারা পর্ব ৫
-
দিশেহারা পর্ব ১২
-
দিশেহারা পর্ব ৩৯