দিশেহারা (১০)
সানা_শেখ
গভীর রাত, নিস্তব্দ চারপাশ। এসির মৃদু শব্দ ব্যতীত কোনো শব্দ নেই রুমে। দু’জনেই গভীর ঘুমে বিভোর। দু’জনের মাঝখানে কোলবালিশটা দেওয়াল হয়ে আছে।
নিস্তব্দ রুমের ভেতর হঠাৎই চিৎকার করে শোয়া থেকে উঠে বসে শ্রবণ। ওর হঠাৎ চিৎকারে সোহার ঘুম ভেঙে গেছে। ভয় পেয়ে বেচারি নিজেও শোয়া থেকে উঠে বসে পড়েছে। ভয়ে কেঁদেই ফেলেছে। এভাবে চিৎকার করছে কে? শ্রবণ? কিন্তু ও এভাবে চিৎকার করছে কেন?
কাঁচা ঘুম ভেঙে যাওয়া তার উপর আবার ভয় পেয়েছে, কোনো কিছুই ভালোভাবে বুঝতে সক্ষম হচ্ছে না। কাঁদতে কাঁদতেই ডাকে,
“ভা ভাইয়া, তু তুমি আছো এখানে?”
“হ্যাঁ আছি, ন্যাকা কান্না বন্ধ কর।”
“এ এভাবে চিৎকার করলো কে?”
“রাক্ষস এসেছে তোকে গিলে খাওয়ার জন্য। মুখ বন্ধ রাখ নয়তো আমি বন্ধ করে দেব।”
সোহা চুপ করে থাকে। শ্রবণ বিছানা থেকে নেমে লাইট অন করে তারপর দ্রুত পায়ে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে। ঘামে পুরো শরীর জবজবে হয়ে গেছে। হাত, পা, শরীরও কাঁপছে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকায়। চোখ দুটোতে র’ক্ত উঠে গেছে। ঘুমের মধ্যে ওর কী হয় নিজেও বুঝতে পারে না। প্রায় রাতে এভাবে চিৎকার করে ঘুম থেকে উঠে বসে তারপর দেখে পুরো শরীর ঘেমে একাকার, হাত, পা, শরীর কাঁপছে, চোখে র’ক্ত উঠে গেছে। কোনো কিছু হয়তো স্বপ্ন দেখে কিন্তু ওর মনে থাকে না।
হাত মুখ ধুয়ে নিজেকে শান্ত করে ফ্রেশ হয়ে রুমে ফিরে আসে। বিছানার দিকে তাকিয়ে দেখে সোহা এখনো আগের মতোই বসে আছে। ভয় পাওয়ার কারণে চোখ মুখ শুকিয়ে গেছে।
লাইট অফ করে শুয়ে বলে,
“ঘুমা।”
সোহা ভয়ে ভয়ে বলে,
“কী হয়েছিল তোমার? এভাবে চিৎকার করলে কেন?”
“ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে উঠেছি এটা কাউকে বললে নিজে চিৎকার করার মতো অবস্থায় থাকবি না।”
সোহা শুয়ে পড়ে। শ্রবণ ডান কাত হয়ে শুয়ে থেকে মনে করার চেষ্টা করে কী স্বপ্ন দেখেছে। ভয় পেয়ে চিৎকার করে নাকী রাগের কারণে চিৎকার করে? কী জন্য এমন করে?
সোহা অন্ধকারের মাঝেই শ্রবণের দিকে তাকিয়ে আছে।
সকালে সোহার ঘুম আগে ভাঙে। রুমের ভেতরে এখনো ঘুটঘুটে অন্ধকার। জানালার পর্দার ফাঁক দিয়ে একটু একটু আলো দেখা যাচ্ছে। শোয়া থেকে উঠেই বা কী করবে তাই শুয়েই রইলো চুপচাপ।
হঠাৎ রুমের দরজা খোলার আওয়াজ হয়। দরজার দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারে না কে ভেতরে প্রবেশ করছে। দরজা তো ভেতর থেকে বন্ধ করা ছিল তাহলে বাইরে থেকে কেউ কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করছে?
সোহার ভাবনার মধ্যেই রুমের লাইট অন করে শ্রবণ। সোহা শ্রবণের দিকে তাকিয়ে আবার বিছানার দিকে তাকায়। শ্রবণ কখন উঠে গেছে সোহা বুঝতেই পারেনি। ভেবেছে শ্রবণ এখনো ঘুমিয়ে আছে।
শ্রবণের শরীর ঘামে ভিজে আছে। এক্সারসাইজ করতে বেরিয়েছিল বোধহয়।
শ্রবণ সোহার দিকে না তাকিয়েই টাওয়েল হাতে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে। ও চলে যেতেই সোহা শোয়া থেকে উঠে বসে। কিছুক্ষণ ঝিম ধরে বসে থাকার পর নেমে দাঁড়ায় নিচে। বিছানা গুছিয়ে রেখে ড্রেসিং টেবিলের সামনে এসে দাঁড়ায়। চেহারা, ঘাড়, গলার দিকে ভালোভাবে তাকায়। ফোলা ভাব কমে গেছে তবে দাগ গুলো স্পষ্ট হয়ে আছে। ওয়াশরুমের দরজার দিকে তাকিয়ে নিজের জামা তুলে পেটের দিকে তাকায়। চামড়া ছুলে গেছে প্রায়, টান লাগছে এখন। জামা ঠিকঠাক করে বিছানায় বসে পড়ে। ঔষুধ খেয়ে ঘুমোনোর পর একবারই ঘুম ভেঙেছিল রাতে তাও শ্রবণের চিৎকারে।
বেশ অনেক্ষণ পর ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে শ্রবণ। সোহা তাকায় না ওর দিকে, শ্রবণও তাকায় না সোহার দিকে।
শ্রবণ ট্রাউজার আর টিশার্ট পরে টাওয়েল ছুঁড়ে মা’রে সোহার মুখের ওপর। সোহা টাওয়েল ধরে শ্রবণের দিকে তাকায়। শ্রবণ আঙুল তুলে ওয়াশরুমের দিকে দেখিয়ে বলে,
“যা, একে বারে শাওয়ার নিয়ে বের হবি।”
সোহা শুকনো ঢোঁক গিলে বলে,
“রাতে তো শোয়ার আগে গোছল করেছিলাম। আবার দুপুরে করব।”
“আমার মুখের ওপর কথা বলতে নিষেধ করেছি না? যা বলছি তা কর।”
“আমার কাপড় চোপড় আমার রুমে রয়েছে।”
“তুই থাকিস এক রুমে আর তোর কাপড় চোপড় আরেক রুমে কেন থাকে?”
দাঁতে দাঁত পিষে কথা গুলো বলে চুল ব্রাশ করতে শুরু করে। আয়নার দিকে তাকিয়ে থেকেই বলে,
“কী বলেছি কানে যায়নি?”
“কাপড় চোপড়?”
“তুই ভেতরে যা, আমি মেডকে বলছি সে এসে দিয়ে যাবে।”
সোহা ধীর পায়ে এগিয়ে ওয়াশরুমে প্রবেশ করে। শুধু শুধু ওর ওপর মেজাজ দেখায়। কাপড় চোপড় আনার সুযোগ দিয়েছে কোথায় যে আনবে?
শ্রবণ রুম থেকে বেরিয়ে নিচে নেমে আসে। ড্রয়িং রুমেই একজন মেড ছিল তার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে বলে,
“সোহার কাভার্ড থেকে ওর কাপড় চোপড় নিয়ে আমার রুমে রেখে আসুন, আসার সময় সোহাকে বলে আসবেন, ও ওয়াশরুমে রয়েছে।”
মেড নিজের কাজ রেখে শ্রবণের কথায় মাথা নেড়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায়। শ্রবণ সোফায় বসতে বসতে গলা ছেড়ে একবার বলে, “কফি।”
ড্রয়িং রুমে এখন বাড়ির আর কেউ নেই। কেউ এখনো রুম থেকে বের হয়নি নাকী? পায়ের উপর পা তুলে সোফায় গা এলিয়ে বসে থাকে।
কিছুক্ষণ পর একজন মেড কফি নিয়ে আসে শ্রবণের জন্য। শ্রবণ কফির মগ হাতে নিয়ে সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। দাদার রুমের দিকে এগিয়েও আবার থেমে যায়। ঘুরে সিঁড়ির দিকে পা বাড়ায়।
করিডোরে আসতেই মেড ওর রুম থেকে বেরিয়ে আসে নিজের কাজ শেষ করে।
শাওয়ার নিয়ে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসে সোহা। রুমে কেউ নেই কিন্তু দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। ব্যালকনির দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারে শ্রবণ ব্যালকনিতে আছে। ওর হাতের বালতিতে ওদের দু’জনের ভেজা ড্রেস।
সোহার ভাবনার মাঝে রুমে ফিরে আসে শ্রবণ। বুঝতে পারে শ্রবণ এতক্ষণ সিগারেট খাচ্ছিল। ও রুমে ফিরে আসার সাথে সাথে সিগারেটের গন্ধ পাচ্ছে।
“এভাবে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছিস কেন?”
“এগুলো—”
চোখ দিয়ে ইশারা করে বলে,
“রেখে দে ওখানে।”
সোহা রেখে দেয়। চুলের টাওয়েল খুলে ফ্যান অন করে। শ্রবণ বিরক্তিতে কপাল ভ্রু কুঁচকে রাগী স্বরে বলে,
“বা/লডা অন করা লাগবে কেন? এসি দিয়ে হচ্ছে না?”
শ্রবণের মুখ আর মুখের ভাষা শুনে ফ্যান অফ করে দেয় সোহা। ফ্যান অন করেছিল চুল শুকোনোর জন্য।
শ্রবণ রাগী চোখে সোহার দিকে তাকিয়ে থেকে ফোন হাতে তুলে নেয়। প্রকৃতির বাতাস ওর যতটা প্রিয় ফ্যানের বাতাস ততটাই অপ্রিয়।
সোহা টাওয়েল দিয়ে ভালোভাবে চুল গুলো মুছে নেয় যেন এক ফোঁটা পানিও না থাকে। ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে চুল গুলো ব্রাশ করতে শুরু করে যেন কিছুটা হলেও শুকিয়ে যায়।
শ্রবণ সোহার দিকেই তাকিয়ে আছে। ধৈর্য হারা হয়ে কর্কশ স্বরে বলে,
“ওই দুইডা বা/ল সারাদিন ধরে ব্রাশ করতে হবে?”
সোহা চুল গুলো খোঁপা করে নেয়। শ্রবণ এগিয়ে এসে শক্ত হাতে খোঁপা খুলে দেয়, চুলে ব্যথা পায় সোহা।
“নিষেধ করেছি চুল বাঁধতে।”
সোহা নিচের দিকে দৃষ্টি রেখে মিনমিন করে বলে,
“আমি এভাবে যাব না।”
“কী বললি?”
“তুমি কেন এমন করছ?”
“তোর সাহস দেখছি দিন দিন বাড়ছে।”
সোহা শ্রবণের কাছ থেকে পিছিয়ে যায়, বলা তো যায় না যদি চড় বসিয়ে দেয়?
শ্রবণ কিছু সময় আগুন চোখে তাকিয়ে থাকে সোহার মুখের দিকে তারপর নতুন প্ল্যান সাজিয়ে একাই রুম থেকে বেরিয়ে যায় দরজা লাগিয়ে।
শ্রবণ বেরিয়ে যেতেই সোহা ফোস করে শ্বাস ছাড়ে। শ্রবণ ওর সামনে আসলেই সব কিছু উল্টা পাল্টা হয়ে যায়। জানে না কেন এত ভয় লাগে শ্রবণকে।
শ্রবণ নিচে এসে বাড়ির সবাইকে সোফায় দেখতে পায়। কারো মুখে কোনো কথা নেই। শ্রবণ সোফায় বসতে বসতে বলে,
“মিসেস চৌধুরীর চোখ মুখ এমন কেন? সারারাত ঘুম হয়নি নাকী?”
অনিমা চৌধুরী শ্রবণের মুখের দিকে তাকান। শ্রবণ ওনার মুখের দিকে তাকাচ্ছে না, কারো মুখের দিকেই তাকাচ্ছে না।
অনিমা চৌধুরী বলেন,
“সোহা কোথায়?”
“রুমে।”
“তুমি ওর সাথে কেন এমন করছ? কী ক্ষতি করেছে ও তোমার?”
শ্রবণ শান্ত চোখে তাকায় ওনার মুখের দিকে। পুনরায় ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে গম্ভীর স্বরে বলে,
“কী করেছে সেটা আপনাকে বলার প্রয়োজন মনে করছি না।”
অনিমা চৌধুরী আরো কিছু বলতে চাইছিলেন তবে তনিমা চৌধুরী ওনাকে থামিয়ে দেন। ছোটো বোনের মুখের দিকে তাকিয়ে দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে নিষেধ করেন কিছু বলতে। কিছু বললে এই ছেলের রাগ আরো বাড়বে।
শ্রবণ ফোনের স্ক্রিনে দৃষ্টি রেখেই বলে,
“ব্রেকফাস্ট রেডি?”
“জি স্যার।”
শ্রবণ বসা থেকে উঠে দাদার দিকে তাকিয়ে বলে,
“চলো দাদা ভাই ব্রেকফাস্ট করি।”
কথা গুলো বলে শ্রবণ দেরি করে না, দ্রুত পায়ে এগিয়ে যায় ডাইনিং রুমের দিকে।
সামাদ চৌধুরী সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছেন ডাইনিং রুমে যাওয়ার জন্য।
শামীম রেজা চৌধুরী বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বলেন,
“বয়ে গিয়ে ঝামেলা কাঁধে করে নিয়ে এসেছো বাড়িতে।”
সামাদ চৌধুরী ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলেন,
“তুমি আমাকে রিকুয়েস্ট করেছিলে ওকে নিয়ে আসার জন্য।”
“ও বাড়িতে না আসলে এত কিছু হতোই না।”
“তখন বলেছিলে কেন? শ্রবণ তো আসতে চায়নি, ওকে জোর করে নিয়ে এসেছিলাম শুধুমাত্র তোমার কথায়।”
শামীম রেজা চৌধুরী বলেন না কিছু। বড়ো ছেলেকে বাড়িতে এনে বিপদ নিয়ে এসেছেন। এই ছেলে যে এমন কিছু করবে বা ঘটাবে কারো কল্পনায় ছিল না। বাড়িতে আসার পর থেকে বিয়ের দিন সকাল পর্যন্ত শান্ত আর নিশ্চুপ হয়ে থেকে একে বারে বম ব্লাস্ট করেছে দুপুরে।
ছেলেমেয়ে বাবাকে ভয় পায় আর উনি বাপ হয়ে ছেলেকে ভয় পান। কী আজিব এক চীজ জন্ম দিয়েছেন শুধু এটাই ভাবেন।
ছেলেকে ধমক দেবেন তো দূরের কথা উল্টো ছেলের ভয়ে উনি নিজেই চুপসে থাকেন। একটু কিছু হলে ছেলে যখন তখন গর্জন করে ওঠে। ওনার মাঝে মধ্যে মনে হয় শ্রবণের মানুষ হয়ে জন্ম না নিয়ে বাঘ বা সিংহ হয়ে জন্মানো উচিত ছিল। লোকালয়ে বসবাস না করে জঙ্গলে বসবাস করতো আর যখন তখন তর্জন গর্জন করতো।
আজকে ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট আনার জন্য যাবে শ্রবণ আর স্পর্শ। রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন ডক্টর, কল করেছিলেন শ্রবণকে।
শ্রবণ তৈরি হয়ে সোহার দিকে ঘুরে দাঁড়ায়। দাঁতে দাঁত পিষে বলে,
“ফিরে এসে যদি তোকে সামনে না পাই, আমাকে খুঁজে বের করতে হয় তবে যেখানে পাবো সেখানেই কোরবানি দেব।”
“কোথাও যাব না।”
“মনে থাকে যেন।”
“মনে থাকবে।”
শ্রবণ ফোন, ওয়ালেট আর গাড়ির চাবি নিয়ে রুম থেকে বের হয়। দরজা খোলাই রেখে গেল। ফিরে এসে রুমে না পেলে খবর করে ছাড়বে।
করিডোরে দাঁড়িয়ে স্পর্শের রুমের দিকে তাকিয়ে ওকে ডাকে নাম ধরে।
স্পর্শ তাড়াহুড়ো করে রুম থেকে বেরিয়ে আসে। বড়ো ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বলে,
“হয়ে গেছে চলো।”
শ্রবণ উল্টো ফিরে হাঁটা ধরে, ওর পেছন পেছন আগায় স্পর্শ। গত দিন গুলোতে স্পর্শ বাড়ির কাউকে আর কোনো প্রশ্ন করেনি। ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট এর জন্য অপেক্ষা করেছে। এই কয়েক দিন বাড়ির সকলের অদ্ভুত সব আচরণ খেয়াল করেছে। ওর ভীষণ টেনশন হচ্ছে যে রিপোর্টে কী আসবে। কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা? সত্যিই কী এই বাড়ির ছেলে নাকী না?
নিচে নেমে আসতেই বাড়ির বাকী সকলের সাথে দেখা হয়। শ্রবণ ওর বাবার দিকে তাকিয়ে ভিলেনি একটা হাসি দিয়ে বাইরের দিকে আগায়। ওর হাসি দেখেই শামীম রেজা চৌধুরীর গলা শুকিয়ে গেছে।
টেনশনে দরদর করে ঘামছেন।
কোন দুঃখে এই ছেলেকে বাড়িতে এনেছিলেন? আসতে রাজি হয়নি না আসতো।
বাইরে এসে নিজের গাড়িতে উঠে বসে শ্রবণ। ওর পাশের সিটে বসে স্পর্শ। শ্রবণের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখে শ্রবণের চোখে মুখে আজ অদ্ভুত এক হাসি ফুটে আছে। স্পর্শের দিকে একবার তাকিয়ে গাড়ি স্টার্ট দেয়। স্পর্শের বুক কাঁপতে শুরু করেছে। টেনশনে ওরো ঘাম ছুটে গেছে।
শ্রবণ এসির টেম্পারেচার কমিয়ে দিয়ে বলে,
“এখনই এত ঘামছো কেন? রিপোর্ট হাতে পেলে তো তাহলে অজ্ঞান হয়ে যাবে।”
চলবে……………
Share On:
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
দিশেহারা পর্ব ২৪
-
দিশেহারা পর্ব ৩৮
-
দিশেহারা পর্ব ৩৭
-
দিশেহারা পর্ব ৩০
-
দিশেহারা পর্ব ৩১
-
দিশেহারা পর্ব ৩৯
-
দিশেহারা পর্ব ৮
-
দিশেহারা পর্ব ১৪
-
তোমার সঙ্গে এক জনম পর্ব ৫
-
দিশেহারা পর্ব ৪