তাজমহল #দ্বিতীয়_খন্ড
প্রিমাফারনাজচৌধুরী
পর্ব_৩৪
[নুভানিস_প্রেমকথন ]
(এটা আলাদা করে দেয়া হলো পাঠকদের অভিযোগের ভিত্তিতে। বিয়ের আগের।)
ঝিমলি তার চোখ মুছে দিতে দিতে বলল,”ফোনে রিং হচ্ছে। আনিস ভাই হ্যালো বললে আপনাকে কিন্তু কথা বলতে হবে।”
“আমি কোনো কথা বলবো না। আমার ভালো লাগছেনা কিছু। এই বিয়ে করবো না আমি।”
ঝিমলি বলল,”কথা না বললে কি করে হবে? কথা অনেককিছুর সমাধান। আপনি কথা বলে দেখুন। মন ভালো হয়ে যাবে। বিয়ে করবেন না এই কথাটা আর বলবেন না।”
ফোন রিসিভ হয়ে গেছে ততক্ষণে। ঝিমলি ফিসফিস করে বলল,”কথা বলুন। হ্যালো বলছে। আমি চলে যাচ্ছি। সফট টোনে কথা বলবেন।”
ঝিমলি দরজার কাছে চলে গেল। নুভা সেদিকে তাকিয়ে ফোনটা কানের কাছে ধরলো। আনিস ওপাশ থেকে বলল,
“হ্যালো!”
ঝিমলি ইশারা করছে কথা বলতে। তাসনুভা জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিল। কান থেকে ফোন সরিয়ে ফোনটার দিকে তাকালো। আনিসুজ্জামানের কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে। সে ধীরেধীরে ফোন কানে দিয়ে রুদ্ধশ্বাসে বলল,
“হ্যালো, আমি নুভা বলছি।”
“হ্যাঁ জানি। কেন ফোন দিয়েছ?”
তাসনুভা নাক ফুলিয়ে ঝিমলির দিকে তাকালো। মিউট করে বলল,”বলছে কেন ফোন দিয়েছ?”
“বলুন, প্রেম করার জন্য।”
“নো।”
“আরেহ বলে দেখুন না। ফট করে বলে দিন।”
নুভা ঝিমলির শিখিয়ে দেয়া কথাটা তোতাপাখির মতো করে বিড়বিড় করলো,
“প্রেম করার জন্য।”
ওপাশে নীরবতা।
ঝিমলি বলল,”কি হলো?”
“চুপ করে আছে।”
ঝিমলি হাসতে হাসতে বলল,”লজ্জা পেয়েছে। আপনি নিজ থেকে কিছু বলুন। আশ্চর্য সব শিখিয়ে দিতে হবে কেন?”
আনিস বলল,”আমি বাজারে আছি। বাড়ি ফিরি তারপর…..আচ্ছা বাড়িতে কি কোনো সমস্যা?”
তাসনুভা ড্রেসিং টেবিলের সামনে চলে গেল। গালটা ভালো করে মুছে লুজ পাউডারের ব্রাশটা মুখে হালকা করে ঝেড়ে নিয়ে ঠোঁটে লিপবাম দিতে দিতে বলল,
“না।”
“আচ্ছা। আমি ভাবলাম..
ও হ্যাঁ তোমার সাথে দাদু কথা বলতে চেয়েছিল। বাড়ি ফিরে আমি ফোন দেব।”
তাসনুভা বিছানার উপর বসলো কোলের উপর বালিশ টেনে,
“আপনি এখনো বাজারে?”
“না, এখন বেরিয়ে এসেছি। মুদির দোকানে বাজারের থলেটা রেখে সেলুনে যাব। আমি তাহলে রাখছি। তাজ কোথায়?”
“মামার বাড়িতে দাওয়াত করতে গিয়েছে। আপনাকে একটা কথা বলার ছিল।”
“হ্যাঁ বলো।”
“কাল।”
ফোনটা রেখে দিল সে। ঝিমলি ভেতরে ঢুকে পড়লো,
“শেষ?”
তাসনুভা তার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমার এখনো লজ্জা করছে। ছিঃ! আমি আর কথা বলবো না।”
ঝিমলি সশব্দে হেসে উঠলো। জুনুনআরা আর লজ্জা!
“হ্যালো ঝুনঝুনআরা!”
তাসনুভা শোধরে দিল।
“ঝুনঝুনআরা নয় জুনুনআরা।”
দাদিমা বললেন,”কিন্তু আমি তো তোমাকে ঝুনঝুন আরাই ডাকবো।”
আনিস দাদিমার সামনে সোফায় বসে আছে। টিভির দিকে মনোযোগ। তাসনুভা বলল,
“আনিসুজ্জামান কোথায়?”
“সামনেই বসে আছে। টিভি দেখতেছে। ও কি তোমার লগে কথা বলেনা?”
তাসনুভা এতকিছু না ভেবেই বলল,”না।”
“তুমিও বলিহারি! পছন্দ করলা এক নিরামিষকে। তোমার দাদাশ্বশুরও এরকম ছিল। আমি শিক্ষা করছি। আদর মহব্বত না দিলে বেডার ভাত নাই।”
তাসনুভা কফি খাচ্ছিল। কথাটা শুনে সে কেশে উঠলো।
“আনিস তোর বউ কাশতেছে। এখুনি কাশি উঠতেছে। এই বাড়ির আসার পর কি হবে আল্লাহ মালুম। কাশি থামছেনি ঝুনঝুন আরা?”
আনিস দাদিমার দিকে তাকালো।
“ফোন রেখে দাও।”
“যা, রাখবো কেন? এখনো কত কথা বাকি। হ্যালো ও ঝুনঝুনআরা কাশি থামছে?”
তাসনুভা টেবিলের উপর কফির মগ রাখতে রাখতে বলল,”জি, দাদাভাই আপনার সাথে কথা বলতো না?”
“বলতো, মইদ্দীন আলীর ফুত ছইদ্দীন আলী দিনে কতগুলো বিঁড়ি খায়, কতবার বউ পেটায় সেইসব খবর রসিয়ে রসিয়ে বলতো।”
“হুবহু আনিস ভাইয়ের মতো!”
“সেও এমন করে নাকি?”
“হ্যাঁ, টিভির সব শিরোনাম মুখস্থ উনার।”
“বাহ! আর কি জানো জামাই সম্পর্কে?”
“আর কিছু জানিনা।”
“রাতে কয়বার ঘুম ভাঙে এইটা জানো না?”
“ঘুম ভাঙবে কেন?”
“ওমাগো পাশের বাড়ির সুন্দরীর চিন্তায়।”
তাসনুভা হেসে ফেললো।
“এটা মিথ্যে।”
“দাঁড়াও ওরে জিজ্ঞেস করি। এই আনিসুজ্জামান!”
আনিস দাদির দিকে তাকালো।
“বলো।”
“কাল রাতে কতবার ঘুম থেকে উঠছিস?”
আনিস বলল,”তিনবার। কেন?”
দাদিমা বলল,
“দেখলা দেখলা। তিনবার ঘুম ভাঙছে। স্বপ্নে আইসা তারে গুঁতা দিতেছিলে নাকি?”
তাসনুভা চুপ রইলো। তার হাসি পাচ্ছে।
“দেখ চুপ করে আছে। শরম পাইতেছে তোর বউ।”
আনিস বলল,”ফোন দিয়ে দাও। অনেক বলেছ।”
“সর, আমাদের কথা শেষ হয়নাই। শুনো একটা কথা বলি। ঝুনঝুনআরা শুনতেছ?”
“জি।”
“এমন নিরামিষ জামাইরে সোজা করার জন্য কিছু বুদ্ধি খাটাতে হবে। বুঝোনাই?”
“জি।”
“শুনো মন দিয়া। এই ঘরে শুধু তোমার কবুল না বলা জামাই বসে আছে। আর কেউ নাই। লজ্জা পাইয়ো না।”
তাসনুভা চুপ করে রইলো। আনিস ভাই কি এইসব শুনতে পাচ্ছেন? ফোনটা কেড়ে নিচ্ছে না কেন? কারেন্ট চলে গেছে। এইবার আনিসের মনোযোগ দাদির দিকে ফিরে গেল। দাদিমা বলে চললো।
“প্রথমত বেডা মানুষকে একেবারে ছাড় দিবানা। দূরে দূরে থাকলে সোজা কোলে উঠে পড়বা। আদর মহব্বত হলো বউয়ের হক। এইসব স্বেচ্ছায় না দিলে চাইপ্পা ধইরা নিতে হয়। আমি তো আমার বুইড়ারে একদম ছাড় দিতাম না। তুমিও দিবানা। বেশি ভদ্দরনোক সাজলে বলবা, দিবি কিনা দিবি ক ফিরি ন যাইয়ুম। মাথা ফাডি ফালাইয়ুম।”
তাসনুভা ওপাশে হাসছে। তার হাসির শব্দ বাজছে ফোনের ওপাশে, এপাশে, চারপাশে।
ব্যালেন্স শেষ হতেই কল কেটে গেল। আনিস দাদির হাত থেকে ফোন নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল। ওই বাড়ির দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে তাসনুভা তখনো ফোনের দিকে তাকিয়ে হেসে যাচ্ছিল। আনিসকে দেখামাত্রই সে চট করে পিঠ করে দাঁঠালো। তারপর সুড়সুড় করে ভেতরে চলে গেল। বালিশে মুখ চাপা দিয়ে আধঘন্টার মতো শুয়ে রইলো।
কিছুক্ষণ পর হোয়াটসঅ্যাপ কতকগুলো মেসেজ এল। সে চেক করতেই দেখলো, লাল শাড়ি পরা অনেকগুলো মডেলের ছবি।
আনিসুজ্জামান লিখেছে,
“শাড়ি ছাড়া এই ধরণের সাজ হলে ভালো হয়। শাড়ি অন্য রঙের হোক কিন্তু সাজগোছ এমন।”
“আপনার লাল শাড়ি পছন্দ আনিস ভাই?”
“না।”
“লাল শাড়ি পরা ব্রাইডের ছবি দিলেন যে?”
“অন্য রঙের শাড়ি পরা বউ চোখে পরেনা। মানে পরেনি তাই এগুলো ডাউনলোড দিয়ে তোমার কাছে পাঠালাম। আর হ্যাঁ নুভা শোনো, তুমি দাদির কথায় কিছু মনে করো না। বেফাঁস কথাবার্তা বলে। বয়স হয়েছে তাই এখন গুছিয়ে কথা বলতে পারেনা।”
“আপনি সব শুনেছেন?”
আনিস প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে বলল,”তুমি কাল আমার কুকুরগুলোর গায়ের উপর পানি ছুঁড়েছ।”
তাসনুভা রেগে গেল,”আপনার কুকুরগুলো আপনার মতো চিপায় চাপায় দাঁড়িয়ে থাকে কেন? আমি দেখিনি। আপনি আমার কথার জবাব দিন।”
“কোন কথা?”
“কিছুক্ষণ আগে যেটা বলেছি।”
আনিস বলল,”ওদেরকে খাবার দিতে হবে। নইলে আবারও তোমাদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ঘেউঘেউ করবে।”
তাসনুভা ফুঁসে উঠে লিখলো,”বিয়েতে তাদেরকেও নিয়ে যাবেন বরপক্ষ হিসেবে।”
আনিস ধীরেসুস্থে মেসেজ পাঠালো, “আচ্ছা দেখি।”
শপিং শেষে সাবরিনা আর ঝিমলি অনেক আগেই বেরিয়ে গিয়েছিল।
আনিস আর তাসনুভা দুজনেই শোরুম থেকে যখন বেরিয়ে এল তখন আনিসের ফোন বাজছে। সে ফোনে কথা বললো শাহিদা বেগমের সাথে। জানালো তারা ফিরছে। দাদিমা তখন ফোন কেড়ে নিলেন,”তোর বউকে দে।”
আনিস নুভার দিকে ফোন বাড়িয়ে দিল।
দাদিমা ডেকে উঠলেন,”ঝুনঝুনআরা?”
“জি।”
“সব পোশাকআশাক তো দারুণ হয়ছে। তুমি জিতছো নাকি আনিসুজ্জামান?”
“মেবি আমি।”
“শুকরিয়া। বেডারে একা পাইছো। এইবার হাতটা শক্ত করে ধরো। বলো, মরবার আগেও কইবেন ঝুনঝুনআরা আই তোয়ালে বড়ো ভালাবাসি।
তুমিও বলো, ও ননাইরে হইলজ্যার ভিতুর বাঁধি রাইক্কুম তোয়ারে।”
তাসনুভা চেহারার গাম্ভীর্যটুকু ক্ষণিকের জন্য কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। আনিস ফোন নিয়ে পকেটে রাখতে রাখতে বলল,
“গাড়ি কোথায় চলে গেল। রেস্টুরেন্টেের কাছাকাছি দাঁড়াতে বলেছিলাম।”
আনিসের পিছু তার দিকে চেয়ে রাস্তায় অমনোযোগী হয়ে হাঁটছিল তাসনুভা। তার নিজেরও খেয়াল নেই সেটা। অথচ এই সামান্যতম ভুল করার মতো মেয়ে সে নয়। আনিস অনেকক্ষণ ধরে সেটা পরখ করছিল। তারপর হঠাৎই সে থেমে গেল। তাসনুভার হাত ধরে তার পাশে নিয়ে এল।
“রাস্তায় গাড়ি চলছে।”
কথাটা বলার পরপর হাত ছেড়ে দিল। তাসনুভা হালকা চমকে উঠে বলল,”দাদু বলেছেন…
আনিস তার দিকে তাকালো। তাসনুভার কথা থেমে গেল। এলোমেলো কথা বলছে সে? কথা থেমে যাচ্ছে? কথা গুলিয়ে ফেলছে? তার এমন অধঃপতনের জন্য আনিসুজ্জামান দায়ী নয়? আম্মু ঠিক বলেছে, তার জীবনের সবচেয়ে বড়ো পতনের দিন যাচ্ছে এখন। কিছুদিন পর তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটা তার হার? কিন্তু তার তো মনে হয় না। মনে হয় তার জীবনের সবচেয়ে বড়ো জিত এটি। তার শৃঙ্খলিত জীবনের বাইরে ঘটে যাওয়া এই অপ্রত্যাশিত একটা অধ্যায় আনিসুজ্জামানের।
আবারও বেখেয়ালে সে আনিসের অনেকটা পেছনে পড়ে গেল। আনিস থেমে গিয়ে তার দিকে ফিরলো।
“ঠিক আছ?”
তাসনুভা তার দিকে তাকালো। এলোমেলো ভাবে দুপাশে মাথা নাড়লো। আনিস প্রশ্ন করলো,”ঠিক নেই?”
“না, মানে কিছু হয়নি বলতে চাচ্ছিলাম।”
“ওহ, আসো। রাত হয়ে যাচ্ছে। বড়োআম্মু বকাঝকা করবে।”
বলেই আনিস হাঁটতে লাগলো। তাসনুভা এবার অনেক অনেক পেছনে পড়ে গেল। আম্মু ফিরতে দেরী হলে বকবে না। আম্মু তাকে সারাক্ষণই বকে যাচ্ছে। তার জীবনের এতবড়ো একটা প্রাপ্তি! অথচ আম্মু তার পাশে নেই।
আনিস হঠাৎই থেমে গেল। তাসনুভা তখন অনেকটা দূরে। সে তাকাতেই তাসনুভা ঘুরে দাঁড়ালো। আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখের জল থামানোর তীব্র চেষ্টা করে যেতে লাগলো। আনিস লম্বা পায়ে হেঁটে আসতে লাগলো।
“নুভা চলো। ওখানে দাঁড়িয়ে আছ কেন? নুভা!”
সে তাসনুভার পেছনে থামলো।
“তোমার কি হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে? আমি তাহলে কাকাকে ফোন করছি যাতে গাড়ি এখানে নিয়ে আসে।”
তাসনুভা ধীরেধীরে তার দিকে ফিরলো। চোখে জল নেই। গালে জল লেপ্টে নেই। তবুও আনিসের মনে হলো সে কেঁদেছে কিংবা কেঁদে যাচ্ছে। আনিস কি বলবে বুঝে উঠতে পারলো না। ব্যস্ত শহরের ম্লান আলোয় সে তাসনুভাকে দেখতে পাচ্ছিল অনেকটা স্পষ্টভাবে। তবুও বলল,
“বুঝতেই পারছিনা তুমি হাসছো নাকি কাঁদছো। চলো।”
আনিস এবার ধীরেধীরে হাঁটছে। আনিসের পিছু পিছু হাঁটতে তাসনুভার কাঁদতে সুবিধা হলো। আনিস পকেটে হাত রাখলো একবার টিস্যু নিতে। পরে আর নিলো না। তাসনুভার দিকে চট করে ফিরতেই তাসনুভা নিজের সরূপ তৎক্ষনাৎ লুকোতে পারলো না। আনিসের পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিল। আনিস তার হাত ধরে ফেললো। তারপর তার হাত ধরে তাকে নিয়ে যেতে লাগলো সামনে।
মনে মনে আওড়াল,”হাত দিয়ে চোখের পানি মুছে দেয়ার অধিকার পাওয়ার আগ অব্দি তুমি যত ইচ্ছে কেঁদে নিতে পারো। আমি এখন নিরুপায়।”
“আপনি কি এই সবকিছুতে সত্যিই খুশি আনিস ভাই?”
তাসনুভার কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে আছে।
হঠাৎ এমন প্রশ্নে আনিস কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল। তার হাত মুঠোয় নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে জবাব দিল, “সব প্রশ্নের উত্তর যদি আজই পেয়ে যাও তাহলে আগামীর ওই দীর্ঘ পথটাতে আমরা আর কথা বলব কী নিয়ে? কিছু উত্তর তোলা থাক।”
তাসনুভা অপলক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে হাঁটতে লাগল। জীবন তাকে একটা নতুন ও মধুর ব্যস্ততা উপহার দিয়েছে। আনিসুজ্জামানের না বলা কথাগুলো বুঝে নেওয়া আর তার মনের অলিগলি খুঁজে বেড়ানোর এই গোলকধাঁধায় সে আজীবন ডুবে থাকতে চায়।
চলমান….
Share On:
TAGS: তাজমহল সিজন ২, প্রিমা ফারনাজ চৌধুরী
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ১৪
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ৫
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ৯
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ১৫+১৬
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ৩১
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ২৮
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ১১
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ৩০
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ১০
-
তাজমহল সিজন ২ পর্ব ৬