Golpo romantic golpo জেন্টাল মন্সটার

জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৫ [ ঈদ স্পেশাল ]


জেন্টাল_মনস্টার

লামিয়ারহমানমেঘলা

পর্ব_৪৫ [ ঈদ স্পেশাল ]

[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ কঠোর ভাবে নিষেধ ]
পর দিন সকালে বেশ বেলা করে ঘুম থেকে ওঠে আদ্রিতা।
তবে ঘুম থেকে উঠে বিছনায় নিজেকে এলকা খুঁজে পায়।
আদ্রিস নেই কোথাও।
আদ্রিতা উঠে বসে। তার শরীরে আদ্রিসের একটা ডিলা টি সার্ট জড়ানো।
আদ্রিতা মাথায় হাত দেয়। কাল রাতে আদ্রিস নিজে আদ্রিতার লম্বা চুল গুলো ভিজিয়ে দিয়েছিলো। চুল না ভিজিয়ে নাকি গোসল হয়না। অবশ্য সে সময় আদ্রিতার খুব বেশি ধ্যান ছিলোনা। সে ভীষণ ক্লান্ত ছিলো। তেমন কিছু অনুভব করতে সুযোগ পায়নি। এখন অবশ্য তার চুল শুঁকিয়ে গেছে।
আদ্রিতা চুল গুলো বেঁধে নেশ খোঁপা করে।
কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বিছনা ছেড়ে নামে।
ওয়াসরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বের হয়।
আদ্রিতা রুমে এসে দেখে তখনো কারোর কোন সাড়াশব্দ নেই।

আদ্রিতা বেরিয়ে যায় রুম থেকে।
মিরা কোমড়ে কাপড় বেঁধে কি যেন গুছিয়ে নিচ্ছে।
মিসেস খান পাশেই দাঁড়িয়ে আছেন।
আদ্রিস বা সায়ের কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।
আদ্রিতা ধির পায়ে এগিয়ে যায় মিরার দিকে,

“কি করছো আপু? “

“একটু পর ফ্লাইট। কাজ গুলো গুছিয়ে নিচ্ছি৷”

আদ্রিতা মৃদু হাসে।


বাগানে বসে আছে প্রিয়া তার পাশে রেভেন।
বেশ কিছুক্ষণ ওদের মাঝে পিনপিন নিরবতা। কেউ কোন কথা বলছে না।
কিছুক্ষণ পর রেভেন হুট করেই প্রিয়ার হাতে হাত রাখে। প্রিয়া কেঁপে উঠে।
রেভেন তা অনুভব করতে পারে।
রেভেন ফিরে চায়, প্রিয়ার দিকে।
প্রিয়া তার দিকে তাকাচ্ছে না। লজ্জায় সে লাল হয়ে আছে।
রেভেন শান্ত কন্ঠে জিজ্ঞেস করে,

“প্রিয়া৷”

“হু?”

মাথা নুইয়েই উত্তর দেয় প্রিয়া।

“আই লাভ ইউ।’

প্রিয়া অবাক হয়ে গেলো। সে রেভেনের দিকে ফিরে তাকাতে দেখে রেভেন নেই চলে গিয়েছে।
প্রিয়া অবাক। সাথে তার হৃৎস্পন্দনের গতি বেড়েছে এত বেশি।
প্রিয়া কি বলবে কি না বলবে বুঝে উঠতে পারেনা।


সেদিন সন্ধ্যায় ছিলো ওদের রাশিয়ান ফ্লাইট৷
আসরাফ খান আসতে চায়নি। মাধবী বেগম এক প্রকার জোরজবরদস্তি করেই নিয়ে এসেছেন ওনাকে।
সায়ের এবং আদ্রিসের একখানা প্রাইভেট জেট আছে।
যেটায় করে আদ্রিস এসেছিলো রাশিয়া থেকে দেশে।
ওটা করেই ওরা ফিরবে আবার রাশিয়াতে।
জেটের কাছ পর্যন্ত এসেছিলো আসরাফ খান এবং মাধবী বেগম।
দুঃখের বিষয় মিরার বাসা থেকে কেউই আসেনি।

কিছুক্ষণ পর মাধবী বেগম, আসরাফ খান চলে যায়।
ফ্লাইটের ভেতর একটা রুম আছে।
বাহিরে সিট গুলো আলাদা কেবিনের মত করা।
একটায় মিরা বসেছে।
তার পাশে এসে সায়ের বসে।
মিরা কিছু বলার আগেই সায়ের পাশে থাকা পর্দা টেনে দেয়।
মিরা অবাক হয়ে তাকায়।

” ক কি করছেন?”

সায়ের বাঁকা হাসে,

“তোলতলাচ্ছো কেন? এখনোত ছুয়েই দিলাম না।”

মিরা খানিকটা সরে যেতে নিলে সায়ের মিরাকে শক্ত করে চেপে ধরে।
মিরার উরুতে সায়েরের হাত।
মিরা কেঁপে উঠে।
এমন সময় ক্রু মেম্বার এসে নক করে ওদের।

“স্যার সব কিছু ঠিকঠাক আছে? আমরা টেক অফ করব৷”

সায়ের পর্দা সরিয়ে মাথা বেরিয়ে বলে,

“ইয়াপ।”

“ওকে৷”

সায়ের ফের পর্দা টেনে দেয়। ক্রু মেম্বার অবাক হয় খানিকটা।
সায়ের মিরার সিটবেল্ট লাগিয়ে দেয়।
এরপর মিরার হাত ধরে বলে,

“রিলাক্স থাকবা ওকে আমি আছি পাশে।”

এটা প্রথম মিরার প্লেন জার্নি। মিরা নর্ভাস দেখেই বোঝা যাচ্ছে।

অপর দিকে।
প্রিয়া এবং রেভেন এক জায়গায় বসেছে। তবে ওদের কোন ভয় নেই।
ভয়ে আছে আদ্রিতা।
সে তখন থেকে আদ্রিসের সার্ট খামচে ধরে রেখেছে শক্ত করে।
আদ্রিতার ভয় করছে প্রচন্ড।
ক্রু মেম্বার এসে আদ্রিতাকে এভাবে আদ্রিসের সার্ট ধরে রাখতে দেখে বেশ বিরক্ত হয়।
মেয়েটার নাম লিন্ডা।
লিন্ডা মূলত আদ্রিসকে ভীষণ পছন্দ করে। এবং আদ্রিসকে খুব ভালো সার্ভ করতে পারে তাই আদ্রিসের ফ্লাইটে তাকে রাখা হয়।
তবে লিন্ডার মনে এই থাকাটা নিয়ে বেশ অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তা বাসা বেঁধেছে।
মেয়েটা জানেনা আদ্রিসে সার্ট যে খামচে ধরে রেখেছে সে আদ্রিসের ঠিক কি।
মেয়েটা মুখে ফেক হাসি টেনে বলে,

“স্যার কিছু মনে না করলে আপনি রুমে গিয়ে বসতে পারেন। নাহলে এই গেয়ো মেয়েটা আপনার সার্টই ছিড়ে ফেলবে।’

কথাটা শুনে আদ্রিস, লিন্ডার দিকে ফিরে তাকায়।
আদ্রিসের চোখ দেখে লিন্ডা এক মুহুর্তের জন্য স্ট্যাচু বনে যায়।
আদ্রিতা চোখ খুলে তাকায়।
আদ্রিসের সার্ট টাকে ভত্তা বানিয়ে ফেলেছে আদ্রিতা।
আদ্রিতা দ্রুত হাত সরিয়ে বলে,

” ইস কতটা এলোমেলো হয়ে গেলো। “

আদ্রিতা হাত দিয়ে ঠিক।করতে চাইলে আদ্রিস ধরে বসে আদ্রিতার হাত,

“,রিলাক্স, তোর জন্য আমার সব কিছু উৎসর্গ আদ্রিতা। এটাত সামান্য একটা সার্ট মাত্র।”

লিন্ডা এবার বুঝতে পারে মেয়েটা আদ্রিসের কিছু হয়।
তাই সে সুযোগ বুঝে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যায়।
আদ্রিতা তখনো নিজের ইনোসেন্ট চাহনি আদ্রিসের দিকেই স্থির রেখেছে।
কিছুক্ষণের মধ্যে ক্যাপ্টেন এনাউন্সমেন্ট করে প্লেন চালানো শুরু করে।
আদ্রিতা শক্ত করে আদ্রিসকে ধরে বসে।
আদ্রিস মৃদু হেসে আদ্রিতাকে শক্ত করে ধরে।
কিছুক্ষণ পর প্লেন মাটি থেকে মেঘের আকাশে উড়ে যায়৷
সব কিছু সাভাবিক হয়।
আদ্রিতা চোখ খুলে তাকায়।
জানালা দিয়ে বাহিরের আকাশ দেখে আদ্রিতা মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে রয়।
আদ্রিস, সেই মায়াবী আদ্রিতার দিকে তাকিয়ে রয়।
দু’জনই সৌন্দর্য দেখছে।
একজন প্রকৃতিক সৌন্দর্য আর একজন নিজের ব্যক্তিগত সৌন্দর্য।

হঠাৎ করেই আদ্রিসের ভেতর কিছু একটা হলো।
সে নিজের সিট থেকে উঠে দাঁড়ায়।
আদ্রিতা ফিরে চায়।

“কি হয়েছে?”

আদ্রিস কোনো উত্তর না দিয়েই আদ্রিতাকে কোলে তুলে নেয়।
আদ্রিতা কিছু বলবে তার আগেই আদ্রিস ওকে নিয়ে প্লেনের প্রাইভেট রুমটায় চলে যায়।

“কি হচ্ছে এসব?”

আদ্রিস আদ্রিতাকে বিছনায় ফেলে নিজে ওর উপর ঝুঁকে পড়ে।
আদ্রিতার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে যায়।

“ক… কি করছেন আপনি?”

আদ্রিস দরজা লাগাতে লাগাতে বলে,

“তোর কণ্ঠ শুনেই বোঝা যাচ্ছে, তুই সবই বুঝে গেছিস।”

আদ্রিতার চোখ আরও বড় হয়ে যায়।

“ম… মানে কি?”

আদ্রিস বাঁকা হেসে নিজের ঘড়ি খুলে ফেলে।
এরপর ধীরে ধীরে শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করে।
আদ্রিতা পিছিয়ে যেতে থাকে।

“দেখুন…”

“দেখব তো, জান। দেখার জন্যই তো এখানে এসেছি।”

আদ্রিস নিজের শার্ট খুলে ফেলে।
আদ্রিতা লজ্জায় চোখে হাত রাখে।
আদ্রিস হালকা হেসে আদ্রিতার পা ধরে নিজের দিকে টেনে নেয়।
আদ্রিতা একটু নিচের দিকে সরে আসে।
আদ্রিস ওর কানের কাছে ঝুঁকে ফিসফিস করে বলে,

“এখনো অনেক ঘণ্টা লাগবে রাশিয়া পৌঁছাতে… তুই আমাকে দুই ঘণ্টা সহ্য করলেই হবে, বেশি না।”

আদ্রিতার চোখ বিস্ময়ে বড় হয়ে যায়।
তবে সে আর কিছু বলতে পারে না,
তার আগেই আদ্রিস ওর ওষ্ঠদ্বয় নিজের মধ্যে আবদ্ধ করে নেয়।
আদ্রিসের হাত ধীরে ধীরে আদ্রিতার জামার ভেতর ঢুকে পড়ে।
আদ্রিতার ঠোঁট ফাঁক হয়ে আসে, এক চাপা শব্দ বেরিয়ে আসে তার ভেতর থেকে।
আর সেই শব্দে যেন আদ্রিসের ভেতরের অস্থিরতা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।


মিরা ভিত চোখে তাকিয়ে আছে সায়েরের দিকে।
সায়ের বাঁকা হেসে মিরাকে কাছে টেনে নেয়।
মিরা নিজেকে ছাড়ানোর ব্যার্থ চেষ্টা করে পারলো না।
এরপর সে চুপ হয়ে যায়।
সায়ের কিছুক্ষণ মিরাকে জ্বালিয়ে উঠে দাঁড়ায়।
সে ওয়াসরুমে যাবে।
সায়ের দেখে প্রিয়া এবং রেভেন একটা জায়গায় বসে কিন্তু আদ্রিস, আদ্রিতা নেই।
পর মুহুর্তে কেবিনের দরজা বন্ধ দেখে সায়ের হেসে ফেলে।

“আদ্রিস এত বেশি হ**। “

সায়ের ওয়াসরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বের হয়৷
এমন সময় একজন ক্রু মেম্বার এসে দাঁড়ায় তার পাশে।

“মিস্টার সুবহান। কিছু লাগবে কি?’

সায়ের মৃদু হেসে জাবাব দেয়৷

” আরে না না কিছু লাগবে না৷”

ওদিকে সায়ের যে হেসে উত্তর দিলো সেটা চোখ মেলে দেখছে ওপাশ থেকে মিরা।
তার জ্বলে যাচ্ছে।
সে বিরক্তি চোখে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ।
এরপর সরে বসে।
সায়ের কথা বলে নিজের সিটে চলে যায়৷
মিরা অন্য দিকে মুখ করে তাকিয়ে আছে।
সায়ের তা দেখে অবাক হয়।

“কি হয়েছে?”

“কিছু না৷”

সায়ের, মিরার কোমড় জড়িয়ে ওর ঘাড়ে থুতনি রেখে বলে,

“তোমার জন্য যদি রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ আসতে পারি। তাহলে এ জীবনে শুধু তুমি বাদে অন্য সব নারী থেকে দুরেও থাকতে পারি৷”

মিরা কিছুটা অবাক হয়।

“আমার জন্য মানে?”

সায়ের মৃদু হাসে,

“মানে হলো আমি তোমার জন্য এসেছিলাম বাংলাদেশে। “

“স সত্যি? “

“হ্যাঁ।”

মিরার চোখ ছলছল। এত ভালো লাগা কি তার প্রাপ্য ছিলো!


রাশিয়া পৌঁছে আদ্রিতাকে পাজকোলে নিয়ে বের হয় আদ্রিস।
আদ্রিতা তখন ক্লান্ত। ঘুমে বিভোর ।
মিরা তা দেখে এগিয়ে যেতে নিলে সায়ের মিরাকে ধরে ফেলে। মিরা ফিরে চায়৷

“রিলাক্স। তুমি কাপালদের ভেতর যেতে পারোনা।”

“ও মাহ। আদ্রিতা ঘুমাচ্ছে কেন? ওকে ডেকে দিলেই হয়৷”

“ও ক্লান্ত তাই।”

মিরা অবাক হয়ে বলে,

“ক্লান্ত? ক্লান্ত কেন? কি করছে ও?”

“তুমি চাইলে তোমাকেও ক্লান্ত করার ব্যাবস্থা করতে পারি।”

“এ্যা?”

“এ্যা নয় হ্যা। চলো।”


রাশিয়াতে, সায়েরের ভিলাতে যায় সবাই।
মিসেস রাদিয়া সুলতানা মিহু অনেক আয়োজন করেছেন ছেলে মেয়েদের জন্য।
আদ্রিসের ভিলায় সবাই পরে যাবে।

রাশিয়ার এক নির্জন প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে’ সুবহান ভিলা’, চারপাশে ঘন পাইন আর বার্চ গাছের সারি, যেন প্রকৃতি নিজেই তাকে আড়াল করে রেখেছে।
ভিলাটার দেয়াল কাঠ আর পাথরের মিশেলে তৈরি, বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় পুরোনো কোনো রূপকথার বাড়ি। ছাদের ওপর হালকা বরফ জমে আছে, আর জানালার কাঁচে সূর্যের আলো পড়লে সোনালি ঝিলিক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
সামনে ছোট্ট একটা বাগান,বরফে ঢাকা, তবু কোথাও কোথাও শুকনো ফুলের গাছ মাথা তুলে আছে। ভিলার বারান্দায় কাঠের দোলনা চেয়ারে বসলে দূরের পাহাড় আর সাদা বরফে ঢাকা পথ চোখে পড়ে, যেন এক নিঃশব্দ শান্তির রাজ্য।
ভিতরে ঢুকলেই উষ্ণতার স্পর্শ। বড় একটা ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বলছে, তার নরম আলো পুরো ঘরটাকে আরামদায়ক করে তুলেছে। দেয়ালে হালকা আলো, কাঠের আসবাব, আর নরম কার্পেট, সব মিলিয়ে এক শান্ত, ঘরোয়া অনুভূতি।
বড় জানালার পাশে দাঁড়ালে দেখা যায় বাইরে ধীরে ধীরে তুষারপাত হচ্ছে,প্রতিটা সাদা কণা যেন নীরবে মাটিতে নেমে আসছে।

সায়েরের ভিলাতে ওদের গাড়ি প্রবেশ করে একে একে।
মিসেস মিহু বাহিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
আদ্রিতাও ঘুম থেকে উঠে গিয়েছে।
মিসেস মিহু তাকিয়ে আছেন কখন আদ্রিতা বের হবে।
আদ্রিস বেরিয়ে আদ্রিতার দরজাটা খুলে দেয়।
ততক্ষনে সায়ের গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে,

“মম আই মিস ইউ। আই মিস মাই হোম৷”

“আই মিস ইউ টু মাই জান৷”

সায়ের, মিরাকে এগিয়ে আনে,

“এটা মিরা৷”

মিসেস মিহু মিষ্টি হেসে মিরাকে জড়িয়ে ধরলেন। যদিও মিসেস মিহুর পোশাক দেখে মিরার একটু ভয় ভয় করছিলো কেমন আচরণ করেন তিনি।
কিন্তু মিরাকে ভুল প্রমাণ করে মিসেস মিহু মিরাকে জড়িয়ে ধরতে মিরার ভয় সব কেটে যায়।

আদ্রিস, আদ্রিতার হাত ধরে আদ্রিতাকে বেরিয়ে আনে।
মিসেস মিহু তাকিয়ে আছেন।
আদ্রিস, মেয়েটাকে কত যত্ন করে।
আদ্রিতা, মিসেস মিহুর দিকে তাকিয়ে আবার আদ্রিসের দিকে ফিরে চায়।
আদ্রিস মিষ্টি হেসে বলে,

“এটাই তোর মম৷”

আদ্রিতার বুকের ভেতর ধকধক বেড়ে গেলো।
আদ্রিতা এগিয়ে যেতে মিসেস মিহু আদ্রিতাকে জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে।
সভাবে তিনি একজন শক্ত মনের অধিকারী হলেও এই পর্যায়ে নিজেকে সামলাতে পারলেন না।
কেঁদে দিলেন।
আদ্রিতাও জীবনের প্রথম মায়ের ঘ্রাণ পেয়ে শান্তি অনুভব করলো।
মিসেস মিহু আদ্রিতার কপালে চুমু খেলেন।

“আমার মেয়ে। আমার কলিজা৷”

আদ্রিতার মিষ্টি হাসি এক মুহুর্তে মিসেস মিহুর এত বছরের কষ্ট ভুলিয়ে দিলো।
আদ্রিতার হাসিতেই সব কষ্ট মিটে গেলো তার।

চলবে?

[ঈদ মোবারক প্রিয়তমারা ]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply