জেন্টাল_মনস্টার
লামিয়ারহমানমেঘলা
পর্ব_৩৮
[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ কঠোর ভাবে নিষেধ ]
মধ্যরাতে, আকাশে ছোট ছোট তারা ঝলমল করছে, যেন নীরবভাবে পৃথিবীর সব অন্ধকারকে আলোকিত করার চেষ্টা করছে।
আদ্রিতা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে আদ্রিসের বুকে, তার নিঃশ্বাস শান্ত ও মৃদু। কিন্তু আদ্রিসের চোখে ঘুম নেই। সে শুধু সিলিং এর দিকে তাকিয়ে আছে, মনে ভর করছে অজানা চিন্তাভাবনা।
ভেতরে ভেতরে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের জট পাকিয়ে আছে। আদ্রিস জানে, তার ড্যাড আবারো কিছু করার চেষ্টা করবে, এবং আদ্রিতা এত সহজে সব মেনে নেবে না।
দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে নিজেকে কিছুটা শিথিল করার চেষ্টা করে।
হঠাৎ, ফোনের সুর ভেসে আসে নীরব ঘরে।
আদ্রিতাকে বালিশে রেখে, আদ্রিস ফোনটা ধরলো।
স্ক্রিনে দেখা যায়,
সায়ের কল করছে।
“ভাইয়া বলো।”
“পুল সাইডে আয় কথা আছে।”
“ওকে।”.
আদ্রিস, আদ্রিতাকে রেখে নিচে চলে যায়।
সায়ের দাঁড়িয়ে আছে পুল সাইডে। জ্বলন্ত সিগারেট তার বাম হাতে।
আদ্রিস এগিয়ে গেলে আদ্রিসকে একটা সিগারেট ধরে দেয় সায়ের।
আদ্রিস সিগারেট টা নিয়ে নেয়।
” কত দুর ভেবেছিস?”
আদ্রিস মাথা নাড়ায় বিরক্তিতে,
“কিছু ভাবতেই পারছি না৷”
সায়ের ফিরে তাকায়।
“এত সহজে হার মেনে নিলি? আদ্রিস খানের সব আছে। আদ্রিতার কিছু নেই আদ্রিস ছাড়া কথাটা মাথায় রাখিস৷”
আদ্রিস তাকিয়ে রয় সায়েরের দিকে।
যে ছেলেটা এত কষ্টেও কখনো কাদেনি তার চোখে পানির ফোটা দেখে সায়ের নিজেও অবাক হয়৷
আদ্রিস ভেঙে পড়েছে ভেতর থেকে ভেঙে পড়েছে।
“আমার আদ্রিতাই কেন ভাইয়া? আদ্রিতা করেছে টা কি? কেন ড্যাড এভাবে ওর পেছনে পড়ে আছে। আমিত শুধু আদ্রিতাকেই চেয়েছি। আমি কি অনেক বেশি চেয়ে ফেলেছি?”
সায়ের, আদ্রিসকে জড়িয়ে ধরে।
“রিলাক্স আদ্রিস। রিলাক্স। আমি জানতাম তুই এমনটা করবি তাইত আমি নিজে এসেছি দেশে। “
“আমি মানতে পারছি না ভাইয়া। হোয়াই ড্যাড ডোইং দিস? মমের শরীর টাও আজ খারাপ হয়ে গেছে। ডক্টর বলেছে আর কোন প্রেসার পড়লে মম এবার মিনি হার্ট এটাক নয় সরাসরি হার্ট এটাকই করবে।”
সায়ের বুঝে সবই বুঝে। মা বাবা সন্তানের জন্য সত্যি কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়। তার বাবা যে দিন পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছিলেন সে দিন সায়ের সুবহান আলভি বুঝেছিলো পৃথিবী কতটা কঠিন। বুঝেছিলো সে এতিম হয়ে গেলো।
তার মা বহু কষ্টে সায়ের কে এই পর্যায়ে দাঁড় করিয়েছে।
সায়ের, আদ্রিসের পিঠে হাত রাখে।
“আদ্রিস, বি স্ট্রং। আমার কেন জানিনা মনে হচ্ছে এর পেছনে বড় কোন কাহিনি আছে।”
আদ্রিস সোজা হয়ে দাঁড়ায়,
“কেন জানিনা আমার সিক্সথ সেন্সও এমন কিছু বলছে। হয়ত ড্যাড অন্য কিছু লুকাতে চাইছে।”
“আদ্রিতার ব্যাগরাউন্ড সম্পর্কে তুই কতটা জানিস?”
“আদ্রিতাকে আমি কুড়িয়ে পেয়েছিলাম।”
“কোথায়?”
“পার্কে।”
সায়ের ভ্রু কুঁচকে তাকায়।
“আদ্রিতা নেওয়াজ খানের আসল মেয়ে নয়?”
“নো। দ্যাট’স হোয়াই ওকে ওর বাবা এতটা অবহেলা করে।”
“ও মাই গড। তাহলেত সব কিছু জলপানি।”
“মানে?”
“আদ্রিতা সম্পর্কে তোর ড্যাড এমন কিছু জানে যার জন্য সে চাইছে না তোর সাথে আদ্রিতার বিয়ে হোক।”
“সম্ভব না। ছোট থেকে আদ্রিতাকে নিজ হাতে মানুষ করেছি। হ্যাঁ ৫ বছর পর্যন্ত ও আমার কাছে ছিলোনা। কিন্তু তার পরে ও আমার কাছেই ছিলো। ওর এমন কোন পাস্ট নেই যা আমি জানি না।”
“উফ এত পসেজিভ কেন তুই? আমিকি তেমন কিছু বললাম। তোর ড্যাড আদ্রিতার পরিবার সম্পর্কে কিছু জানে।”
আদ্রিস অবাক হয়।
“কিন্তু, আমিত নিজেই জানিনা ওর পরিবার কারা।”
” এটাইত আমরা এমন কিছু জানিনা যেটা তোর ড্যাড জানে। এই জন্য আমাদের আগে ওর পরিবারকে খুজে বের করতে হবে ।”
“সেটা কিভাবে করব?”
“এটা টাফ। তবে আমাদের কাছে নয়। উই ক্যান ডু এনিথিং, ইফ উই ওয়ান্ট৷”
“কোন ক্লু নেই ভাইয়া।”
“আদ্রিতাকে যখন পেয়েছিলি তখন কি ছিলো ওর সাথে?”
“কিছু না। পরনে জামা ছিলো একটা।”
“তখন কি মনে হয়েছিলো? ও কেমন পরিবারের মেয়ে হতে পারে?”
“নিসন্দেহে বলা যায় আদ্রিতা একটা হেলদি পরিবারের কন্যা সন্তান ছিলো। আদ্রিতার হাতে একাট সোনার ব্রেসলেট ছিলো।”
“সেটা কোথায়?”
“রাশিয়া।”
“কেন?”
“দেশ থেকে যাবার সময় আদ্রিতার ওই স্মৃতি টুকুই নিয়ে গেছিলাম।”
“ওকে। কাউকে বললে সেটার ছবি দেখানো সম্ভব?”
“হুম আমি ব্যাবস্থা করছি।”
“এটা যেখান থেকে বানানো হয়েছে সেখানে গেলে কিছু ক্লু পাওয়া যেতে পারে।”
“ভাইয়া এত বড় দেশে এত টুকু বিষয় নিয়ে এগোনো টাও একটা চ্যালেঞ্জ। “.
” এই মুহুর্তে আমাদের প্রয়োজন আদ্রিতাকে সেফ করা।”
আদ্রিস মাথা নুইয়ে নেয়।
“হুম। আমি সব চেষ্টা করব৷”
“কাল মমকে বলবি তোর মেনশন থেকে ব্রেসলেট টা নিয়ে ছবি তুলে দিতে।”
“ওকে।”
সায়ের আদ্রিসের ঘাড়ে হাত রাখে,
“চিন্তা করিস না। সব ঠিক হয়ে যাবে।”
“আই হোপ সো।”
“যা এখন, আদ্রিতা একা আছে।’
” গুড নাইট।”
“গুড নাইট৷”
আদ্রিস চলে গেলে সায়ের ওর ফোনটা বের করে।
মায়ের ফোন নাম্বার বের করে সায়ের।
দুই রিং হতে ওপাশ থেকে ঘুম ঘুম কন্ঠ ভেসে আসে
রাদিয়া সুলতানা মিহুর।
“হ্যালো।”
“মম গুড মর্নিং।”
মিসো মিহু বিরক্ত হলেন কিছুটা,
“গুড মর্নিং এখন। সায়ের সিরিয়ালি বাপ।”
“মম ইম্পর্টেন্ট কথা৷”
মিসেস মিহু উঠে বসলেন বিছনায়। ছেলে এই সময়ে এমনি এমনি কল করেনি। তার কন্ঠও সিরিয়াস৷
“কি হয়েছে?”
“মম, সানা হারিয়েছিলো ঠিক কত বছর আগে?”
মিসেস মিহু দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।
“সানা হারিয়েছে, আজ প্রায় ১৭ বছর৷
আমরা রাশিয়া সিফট হয়েছি ১৭ বছর। সানাকে হারিয়েই তোর বাবার মৃত্যুর পর আমরা রাশিয়া সিফট হয়েছিলাম৷”
সায়ের স্তব্ধ হয়ে রয়।
“মম ইউ রিমেম্বার তুমি সানাকে একটা ব্রেসলেট পরাতে সব সময়?”
“হ্যাঁ।”
“ওটা যদি তুমি দেখো তবে কি চিনতে পারবে?”
“কেন পারব না। অবশ্যই পারব। ওটা আমাদের বংশের রয়েল চিহ্ন।”
সায়ের ভেতরে ধুকধুক করছে।
সে পুল পাড়ে বসে পড়ে।
এতটা তোলপাড় তার ভেতরে কখনো সৃষ্টি হয়নি।
“Mom, if we find her, make sure she finds every happiness”
মিসেস মিহুর চোখ জোড়া উজ্জ্বল হয়ে উঠল,
“হ্যাঁ, আমিত পুরো পৃথিবী ওর পায়ে দিতে রাজি। কিন্তু সায়ের, তুই এসব কেন বলছিস বাবা?”
সায়ের নিজেকে সামলে নেয়।
শান্ত কন্ঠে মাকে উত্তর দেয়,
“নাথিং জাস্ট আমাদের জীবনের সেই ৩ মাসের কথা মনে পড়ে গেলো। যখন এই সুবহান পরিবার টা পরিপূর্ণ ছিলো। সানা সুবহান আলভিও ছিলো আমাদের পরিবারে, ছিলো ড্যাড।”
মিসেস মিহু ছেলেকে সান্তনা দেন,
“রিলাক্স সায়ের। সৃষ্টিকর্তা চাইলে আমারা ঠিক সানাকে খুঁজে পাব৷”
সায়ের দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
“সরি মম, মেবি আই ডিসটার্বড ইউ ।”
মিসেস মিহু প্রতিত্তরো কোমল কন্ঠে বললেন,
“মাই ডিয়ার। মম কখনো ডিসটার্ব হয়না ছেলে মেয়ের জন্য।”
সায়ের মৃদু হাসে,
” ওকে মম। গুড নাইট। “
“গুড নাইট৷”
মিসেস মিহু কল কেটে দিলেন। তবে তিনি বিচক্ষণ মহিলা ঠিক বুঝলেন ছেলের কিছু হয়েছে। নাহলে ছেলে এভাবে এই সময়ে এসব কথা জিজ্ঞেস করত না৷
কোন কারণে মিরার ঘুম ভেঙে গেছে মাঝ রাতে। পাশে বোতলে পানি নেই। গালাটা শুকিয়ে এসেছে।
মিরা উঠে বোতল নিয়ে কিচেনে আসে পানি নিতে।
কিচেনে যাবার পথে সায়ের কে পুলের পাশে বসে থাকতে দেখে অবাক হয় মিরা।
মিরা এগিয়ে যায় সেদিকে।
সায়ের সোজা তাকিয়ে আছে অপলক দৃষ্টিতে।
মিরা যে এসেছে সে ধ্যান টুকু তার নেই।
মিরা, সায়েরের কাঁধে হাত রাখে,
“মি.আলভি আপনি ঠিক আছেন?”
সায়ের ফিরে তাকায়। মিরাকে দেখে কিছুক্ষণ মিরার দিকে তাকিয়ে রয়।
” Would you like to join me?”
সায়ের হাত এগিয়ে দেয়। মিরা তাকিয়ে রয়। এভাবে তাকে ফাহিমও কখনো হাত বাড়িয়ে দেয়নি।
মিরা হাতটা বাড়িয়ে দেয়।
সায়ের মিরাকে বসায় নিজের পাশে।
সায়ের খোলা আকাশের দিকে দৃষ্টি রেখে বলে,
” মিরা, ডু ইউ লাভ ফাহিম এনিমোর?”
মিরা ভ্রু কুঁচকে তাকায়।
প্রতিত্তোরে একটু বিরক্ত হয়েই বলে,
“নট এনিমোর।”
সায়ের বাঁকা হাসে। এটাইত শুনতে চেয়েছিলো। এখন যদি মিরা বলত হ্যাঁ ভালোবাসে। তাহলে সে যা করত তার জন্য মিরা প্রস্তুত ছিলোনা।
সায়ের এবার পরিবেশ শান্ত করার জন্য মিরার পছন্দ অপছন্দ জিজ্ঞেস করতে থাকে।
মিরাও মন খুলে উত্তর দিতে থাকে।
সায়ের, শুধু মিরাকে দেখছে। কি মিষ্টি একটা মেয়ে। এই মেয়েটাকে কষ্ট ও দেওয়া যায় বুঝি?
হসপিটালে মায়ের পাশেই ছিলো প্রিয়া।
তবে ঘুম হয়নি তার৷
সবাই চলে গেছে সে ছিলো শুধু। প্রিয়া জানত সবাই চলে গিয়েছে।
আদ্রিতা যেহেতু একা তাই সে জোরপূর্বক আদ্রিসকে পাঠিয়েছে। রেভেনেরও চলে যাবার কথা।
তবে হটাৎ করেই কেবিন থেকে বেরিয়ে মিরা অবাক হয়। রেভেন বসে আছে বেঞ্চে।
মিরা তা দেখে এগিয়ে যায়।
“আপনি জান নি আপনার এপার্টমেন্টে?”
রেভেন ফোন থেকে মুখ তুলে মিরার দিকে চায়৷
“নো।”
“কেন? সবাইত চলে গিয়েছে?”
“বস বলেছিলো চলে যেতে বাট যেতে পারিনি।”
প্রিয়া ভ্রু কুঁচকে তাকায়৷
“কেন?”.
রেভেন মুখ ফিরিয়ে নেয়।
” নাথিং স্পেশাল।”
“আপনিত তাহলে ভেতরে আসবেন সেটা কেন আসেন নি?”
“বিকজ, তুমি মেয়ে তাই৷”
“বড্স বেশি ভাবেন আপনি। আপনি না জন্মগত রাশিয়ান। ছেলে মেয়ের এত তফাত কিভাবে করেন তাহলে?”
“দিস ইজ নট রাশিয়া প্রিয়া। ইট’স বাংলাদেশ। সো আই হ্যাভ টু।”
প্রিয়া অবাক না হয়ে পারেনা। সে নিজের চাদর টা রেভেনকে জড়িয়ে দেয়। রেভেন অবাক হয়।
“সারা রাত এভাবে বসে থেকে কাটিয়ে দিতেন বুঝি?”
“মেবি।”
“বড্ড পাগল আপনি। আসলে আপনি না ভাইয়ার মতই সেম। শুধু চেহারা আলাদা৷”
“নো বস লাভ আদ্রিতা মোর দ্যান মি লাভ’স…. “
থেমে যায় রেভেন।
প্রিয়া ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রয়।
রেভেন গলা পরিষ্কার করে।
“ডু ইউ লাভ টু ওয়াক উইথ মি?”
প্রিয়া পিট পিট করে তাকায়।
“ওকে।”
রেভেন উঠে দাঁড়ায়। প্রিয়া ওর পাশে পাশে হাটে।
হসপিটাল টা বিশাল এড়িয়া জুড়ে।
তবে জায়গা যেমন তেমন সুন্দরও। রাস্তার পাশে ফুলের বাগান করা। হাঁটতে বেশ ভালোই লাগে।
রাস্তায় সব জায়গায় ল্যাম্পপোস্ট বসানো। তাই হাঁটতে বেশি একটা অসুবিধা হচ্ছে না।
যদিও ওদের মাঝে হয়নি কোন কথা তবুও দু’জনের নীরবতায় ঘেরা এই হাঁটা টুকুন দু’জনের জন্যই স্বরণীয়।
রুমে গিয়ে আদ্রিতাকে জড়িয়েও ঘুম নেই আদ্রিসের।
কি হয়েছে তার সে নিজেও জানেনা।
আদ্রিতাকে দেখো ঘুমিয়েছে যেন দিন দুনিয়া সব ভুলেছে।
আদ্রিস উঠে বসে বিছনায়।
এখন আদ্রিতাকে ডেকে তুলবে সে।
সে ঘুমাবে না আর এই মেয়ে নাক ডেকে ঘুমাবে তাত হবেনা।
“আদ্রিতা। আদ্রিতা।”
দুই ডাকে নড়েচড়ে ওঠে আদ্রিতা।
আদ্রিস পুনরায় আদ্রিতাকে ডাকে,
“আদ্রিতা ওঠ।”
আদ্রিতা চোখ খুলে তাকায়। ঘুম ঘুম কন্ঠে বলে,
“কি হয়েছে? “
“কিছু না ওঠ।”
“কেন উঠব? সকাল হয়ে গেছে?”
আদ্রিস, আদ্রিতাকে তুলে হাত ধরে।
আদ্রিতা উঠে বসে। চোখ ডলতে ডলতে বলে,
“কি হয়েছে?”
আদ্রিস কোন কথা না বলে আদ্রিতার কোলে মাথা রাখে। আদ্রিতর চোখ বড় বড় হয়ে যায়।
কি পাগলের মত কান্ডবান্ড এগুলো।
“মাথা টিপে দে।”
আদ্রিতা সত্যি অবাক না হয়ে পারেনা৷
“আপনি আমাকে এ জন্য উটালেন?”
“হুম।”
আদ্রিস ফিরে আদ্রিতার কোমড় জড়িয়ে ধরে। আদ্রিতার পেটে মুখ গুঁজে।
আদ্রিতা কেঁপে ওঠে কিছুটা। তবে অভিযোগ করেনা।
আদ্রিসের মাথায় হাত রাখে।
একটু জ্বালাক। বহুত দিন হলো আদ্রিস তাকে জ্বালায় না।
চলবে?
[ এই দাঁড়াও চলে যেও না গল্প পড়ে। আমার কথা শুনো,
রিভিউ দেও গল্প পড়ে। কেমন লাগল পর্ব সেটাত জানাতে পারো। তাহলে পরবর্তী পর্ব লিখতে ইচ্ছে করে।
In the city of cloud and stories(মেঘলা❣) এই গ্রুপে নিজের মতামত প্রকাশ করো। কেমন লাগলো। গল্প নিয়ে আলোচনা করো। তাহলে আমার লিখতে ভালো লাগে। ]
Share On:
TAGS: জেন্টাল মনস্টার, লামিয়া রহমান মেঘলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ৪
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৪
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৭
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৩২
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ১৮
-
কিস অফ বিট্রেয়াল গল্পের লিংক
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ১
-
জেন্টাল মন্সটার গল্পের লিংক
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৩১