Golpo কষ্টের গল্প খাঁচায় বন্দী ফুল

খাঁচায় বন্দী ফুল ৩৮ এর শেষাংশ


খাঁচায়বন্দীফুল

jannatul_ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস

৩৮ এর শেষাংশ

সকাল সকাল আজ বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টির তোপ বেশি থাকায় কবিতাও স্কুলে যাবে না বায়না করেছে। লতিফা সোফায় পা মেলে বসে কবিতার ছড়া শুনছে। এই বৃষ্টির সকালে খিচুড়ি রান্না করছে ফুলমালা। সাথে ইলিশ মাছ ভাজা। তুযার ইলিশ মাছ খুব পছন্দ। হলদে শাড়ি খানা পড়ে পাকা গৃহিণীর মতো রান্না করছে ফুলমালা। যদিও বয়স মাত্র ১৫। গ্রামের মেয়ে হওয়ায় সব রান্না বান্না ওর জানা। রান্নার ফাঁকে ফাঁকে বারবার সিঁড়ির দিকে তাকাচ্ছে। এই বুঝি তুযা নামে।

কিন্তু রান্না শেষ হলেও তুযার আসার খবর নেই। লতিফা কে গিয়ে বলল
“ও খালাম্মা, তুযা ভাই ওঠে না ক্যা?”

“ওর ওঠার কি আর দিক নিশানা আছে? যহন মনে ধরে তহন ওঠে”

ফুলমালা সাহস করে বলল
“আমি ডাকমু?”

লতিফা ভ্রু গুটিয়ে বলল
“ওরে দিয়া কি করবি?”
“না আসলে খাওন ঠান্ডা হইয়া যাইতেছে। খিচুড়ি ঠান্ডা হইলে কি ভাল্লাগবো?”
“দ্যাখ ডাইকা। ওঠে নাকি”

ফুলমালা খুশি হয়ে পায়ের মোটা নূপুর জোড়া ঝুমুর ঝুমুর শব্দ করে চলে গেল তুযার ঘরে। তুযা উঠেছে কিন্তু বিছানায় বসে বসে সিগারেট টানছে। ফুলমালা গুটি গুটি পায়ে ভিতরে ঢুকলো। তুযা দেখেও না দেখার ভান করল। ফুলমালা মৃদু গলা খাকারি দিল
“উহুম উহুম”

তুযা সিগারেটের ধোয়া ফুকে ভারিক্কি কন্ঠে বলল
“কিছু বলবি ফুল?”

“আসলে খাওন ঠান্ডা হইয়া যাইতেছে।”
“আমি সকালে খাই না সচরাচর। খিদা লাগলে আমিই কমানি তোরে”
কিন্তু ফুলমালা নাছোড় বান্ধা।
“না আপনার অহনই খাইতে হইবো তুযা ভাই। আমি ম্যালা সাধ কইরা আপনার লিগা রানছি হু”

তুযার মন চায় না এই মেয়েটাকে দুটো ঝাড়ি মেরে তাড়িয়ে দিতে। নামের মতে মেয়েটারও মনও ফুলের মতোই। সেই ফুলের মতো মনে কষ্ট দিতে তুযার ভালো লাগে না বিধায় কিছু বলতে পারে না। তাকিয়ে দেখলো এখনো ফুলমালা তাকিয়ে আছে ওর দিকে। তুযা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল
“যা আসছি”

ব্যাস রমণীর মুখটা চনমনে হয়ে উঠল পুনরায়। তাকে খুশি করতে এতটুকুই যথেষ্ট ছিল। দৌড়ে রান্নাঘরে গেলো। তাড়াতাড়ি করে তুযার জন্য খিচুড়ি, বেগুন ভাজা, ইলিশ মাছ সব থালায় সুন্দর করে সাজিয়ে এনে টেবিলে রাখলো। কবিতা কেউ খাইয়ে দিয়েছে নিজে হাতে। কবিতাকে এমনিতেও ফুলমালার ভালো লাগে কিন্তু বাকিটুকু তুযাকে খুশি করার প্রয়াস। কবিতার প্রতি তুযার ভালোবাসা দেখে ফুলমালা বুঝে গেছে, কবিতাকে ভালবাসলে তুযাও খুশি হবে ওর উপর।
কবিতা মাছের কাঁটা বাছতে পারেনা। ফুলমালা মাছের কাঁটা বেছে কবিতাকে খিচুড়ি দিয়ে ইলিশ মাছ খাইয়ে দিয়েছে। প্রায় কুড়ি মিনিট পরে রোজা আসলো খাবার ঘরে।

কবিতার দিকে হাত বাড়িয়ে দিতেই কবিতা দৌড়ে এসে তুযার পাশে দাঁড়ালো।
“খাইছো আম্মা?”
“হ ফুল মা ই তো খাওয়াই দিলো”
তুযা ভ্রু গুটিয়ে বলল
“কেডা খাওয়াই দিছে তোরে?”
কবিতা এবার আর কথা বলল না। হাত ইশারা করে দেখালো ফুলমালার দিকে। তুযাও খেতে বসলো। খাওয়ার পুরোটা সময় ফুলমালা তুযার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল । এসবই বড্ড অসহ্য লাগে তুযার।

হাত ধুয়ে উঠতে নিলে ফুলমালা আবার আটকে দিল
“তোজা ভাই খারান”
“আবার কি?”
ফুলমালা লজ্জা মিশ্রিত কন্ঠে বলল
“সকালে খালুজান কাপড় ওয়ালারে বাড়িতে আনছিলো। তার থেকে আমি আপনার লাইগা পছন্দ করে দুইটা পাঞ্জাবি রাখছি। দেখেন তো আমার পছন্দ কেমন”

ফুলমালা পাঞ্জাবি আনতে যেতে নিলে তুযা আটকে দিল
“তোর পছন্দ বড্ড বাজে, ফুল। নইলে কি আর আমারে পছন্দ করতি?”

আর এক মুহূর্ত সেখানে দাঁড়ালো না তুযা। আবার চলে গেল নিজের ঘরে। রেডি হয়ে কাজে বেরোবে আজ। ফ্যাক্টরিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে। ওয়াহাব আজ-কাল ঘর থেকে খুব একটা বেরোয় না। তাই তুযাকেই বেশিরভাগ দিক সামাল দিতে হয়। কাল আবার বাড়িতে বহুৎ লোকজন আসবে। বাইজিখানা ভেঙ্গে সেখানে গুদাম ঘর তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তুযা। আজকাল আসরে আর মন বসছে না তার। চিন্তা করেছে যেখানে মনে বসে না সেটা রাখার কোন মানেই হয় না।

আবদ্ধ ঘরটার চারিদিকে খটখট ফ্যানের শব্দ। চারিদিকে যেন সময় থমকে গেছে। দিন না রাত তা ভিতর থেকে বোঝার জো নেই। আধ খোলা চোখে চারদিকে নজর বুলালো রোহান। ঘরটা অচেনা। ফাকফোকর দিয়ে আলো আসার লেশ মাত্র নেই। ঘুটঘটে অন্ধকার চারিদিক। কোথায় দরজা কোথায় জানালা কিছু বোঝার জো নেই। আদৌ দরজা জানালা আছে কিনা সেটাও বোঝার উপায় নেই। হাতে পায়ে কোন বাঁধন নেই। কিন্তু উঠে দাঁড়ানোর মত শক্তি টুকু রোহানের শরীরে নেই। নিস্তেজ শরীরের মুখ দিয়ে অস্ফুট
আওয়াজে কেবল একটি শব্দ বারবার বেরোচ্ছে
“পানি, পানি”

কিন্তু এখানে তার আওয়াজ শোনার মত কোন ব্যক্তি নেই। এ কোথায় এসে পড়েছে রোহান নিজেও জানে না। সেদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে ঘাড়ে সুচ ফুটেছিল তারপর থেকে আর কিছু মনে নেই। কেটে গেছে মাঝখানে তিনটি দিন। আজ তার চতুর্থ দিন চলে। ক্যাচক্যাচ শব্দে কাঠের ভাড়ি দরজা টা খুলে গেলো। কেউ এলো বোধহয়। ফ্লোরে ভারী বুটের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। শব্দটা একেবারে রোহানের মাথার সামনে এসে থামলো। রুমের এক কোনায় থাকা ল্যাম্পটা মৃদু আলো নিয়ে জ্বলে উঠলো। এখনো রোহানের চোখে সামনে থাকা ব্যক্তিটির চেহারা পরিষ্কার হলো না।

হির হির করে টেনে আনা হলো বিশাল এক কাঠের চেয়ার। রোহানের সামনে বসে পায়ের উপর পা তুলে দিল লোকটি। নিস্তেজ শরীরটাকে টেনে-হিঁচড়ে তোলার ব্যর্থ প্রয়াস করলো রোহান। মুখ দিয়ে আরও একবার বের হলো পানি পানি। কেউ এক বালতি পানি দিলে রোহানের মাথায়। তাতে গা ভিজলেও চেষ্টা মিটলো না। অল্প পরিমাণ পানি বোধ হয় গলার ভিতরে গিয়েছিল। ফের শরীরটা লুটিয়ে পড়লো মেঝেতে। রোহানের কানে বেজে ওঠে ভারী গম্ভীর কণ্ঠস্বর
“নিজের অবস্থার জন্য কিন্তু তুমি নিজেই দায়ী। পড়ে কিন্তু আবার আমায় দোষ দিও না।”

চেহারা বুঝতে না পারলেও কণ্ঠস্বরটা রোহানের চেনা। ভাঙ্গা ক্ষুধার্ত গলাটা দিয়ে টেনেটুনে বের করে অল্প অগোছালো কথা
“আ…আমায়..ছে ছেড়ে.. ছেড়ে…”

ভয়ংকরভাবে হাসলো সামনে থাকা লোকটি। রোহানের গায়ের লোম শিউরে উঠলো। সামান্য ঝুঁকে রোহানের চুলের মুঠি ধরে মাথাটা উঁচু করে হিসহিসিয়ে বলল
“আমার স্ত্রীর ইজ্জতে হাত দিয়েছিলি না?”
“ভয়ংকর মৃত্যু দেবো তোকে। এত কঠিন মৃত্যু দিবো, তোকে এতই কঠিন মৃত্যু দিবো। আমার স্ত্রীর ইজ্জত নষ্ট করতে চাওয়ার ঝাল মিটিয়ে তারপর তোকে কবরে পাঠাবো।”

রোহানের সাধ্য হয় না কিছু বলার। সে শক্তি টুকু তার শরীরে নেই। অদিতি বিবাহিত জানার পর নিজের ভুল শুধরে ভালো হয়ে যাওয়ার বদলে বন্ধুদের সাথে নিয়ে অদিতিকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করেছিলো রোহান। ভেবেছিলো অদিতির স্বামী নেহাত একজন ভদ্রলোক। বউকে বিরক্ত করায় দুঘা লাগিয়ে দিয়েছে ব্যাস এখানেই শান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু সাদাসিধে সেজে থাকা সাইফের পেছনে যে এমন একটা ভয়ংকর রূপ আছে তা রোহানের কল্পনার বাইরে ছিল।

সাইফ উঠে দাঁড়ালো। রুমে থাকা কয়েকজন চ্যালাপেলা কে বলে গেল
“ওকে একদম খাবার দিবি না, পানি তো একদমই না”

কোট টা হাতে নিয়ে বুট দিয়ে ভারি ভারি পা ফেলে পক্ষ ত্যাগ করলো সাইফ। গাড়িতে বসে অদিতিকে কল করলো
“কোথায় আছো?”

“মাত্র ক্লাস শেষ হলো”
“বেরোবে না আমি আসছি”

প্রায় আধা ঘন্টা অদিতির অপেক্ষা করতে হলো ক্যাম্পাসে। সাইফ আসলো, তবে তার চোখমুখ আজ ভীষণ শুকনো এলোমেলো লাগছে। অদিতি আলগাছে স্বামীর গালে হাত রাখল
“কি হয়েছে? আপনি ঠিক আছেন তো?”

সাইফ কপাল গুটিয়ে গাড়িতে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে বলল
“জড়িয়ে ধরে তো”
বাহিরের সচরাচর সাইফ এমন ব্যবহার করেনা। আজ করছে যেহেতু অবশ্যই কোন কারণ আছে। অদিতিয কথা না বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলো স্বামীকে। ছোট্ট বউটাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ভারী কয়েকটা নিশ্বাস নিলো সাইফ। এ যেনো সব ক্লান্তি নিবারণ কারী ওষুধ। তবে অদিতি একটু উশখুশ করছে। চারিদিকে মানুষজন। তাদের কেউ কেউ দেখছে ওদের। সাইফ জড়িয়ে রেখেই বলল
“কাল থেকে বোরখা পরে আসবে বাইরে। মানুষ তোমার দিকে তাকালে আমার একদম সহ্য হয় না”

অদিতি ভেবে পাচ্ছে না আজ কি হলো মানুষটার। অদিতি সাইফের পেটের অংশ দুহাতে ঠেলে সরানোর চেষ্টা করলো নিজের থেকে।
“ছাড়ুন। মানুষজন দেখছে তো”

সাইফ অদিতিকে নিয়ে গাড়িতে উঠলো। বাসায় এসে একসাথে গোসল করে নিলো দুজন। সাইফের জোড়াজুড়ি তে একসাথেই শাওয়ার নিয়েছে আজ। সাইফ কোথথেকে এক খানা লাল রঙের জামদানি শাড়ি এনে দিয়েছে আদরের বউ কে। যদি অনেকটা পাতলা তবুও পড়লো অদিতি। লাল শাড়ি পড়ে চুলগুলো ছেড়ে নিচে গেলো কিচেনে শাশুড়িকে সাহায্য করতে।

নদীর ড্রয়িং রুমে বসে বসে ম্যাগাজিন পড়ছিল। অদিতি চুল হাত দিয়ে ঝাড়তে ঝাড়তে নদীর সামনে দিয়ে কিচেনে ঢুকলো। নদীর আজ অদিতিকে দেখতে খুব ভালো লাগছে। মোমের পুতুলের মত মিষ্টি মেয়েটা লাল শাড়ি পড়ে কিচেনে রান্না করছে। নদী আলগোছে এগিয়ে গিয়ে অদিতির পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে গাইতে শুরু করলো

-ভাবি আমার পরিয়াছে লাল রঙের শাড়ি
-দুই হাতে তে পরিয়াছে রেশমি কাচের চুড়ি

অদিতি খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। নদীও হাসলো
“ইশশ তুমি কি সুন্দর গো ভাবি”

এই প্রথম অদিতি নদীর মুখ থেকে সরাসরি ভাবি ডাক শুনলো। নদীর থুতনি ধরে বলল
“তুমি বুঝি কম সুন্দর হুমম?”

“তবে তোমার মতো অত না”

দীঘি মন খারাপ করে সোফায় বসে আছে। কাল তার রেজাল্ট দেবে। সেই চিন্তায় দফারফা। এমনিতেই বাড়ির যা হালচাল। যদি রেজাল্ট খারাপ হয়, দীঘির আর রক্ষে নেই।

সাইফ এতক্ষণ ফোনে কথা বলায় ব্যাস্ত ছিলো। ফোন রেখে অদিতিকে খুজতে নিচে আসে। এই বউটা আসলেই বিড়ালের মতো। এদিক ওদিক ঘুরঘুর না করলে চলে না। পছন্দ করে এক খানা শাড়ি এনে দিয়েছে, কোথায় পরে স্বামী কে মন ভরে দেখাবে তা না। চলে গেছে টো টো করতে। কপাল কুচকে সিড়ি দিয়ে নিচে নামে। ভেজা চুল গুলো এখনো এলোমেলো। অদিতি কে রান্না ঘরে দেখে মেজাজ আরো খারাপ হলো।

ধপাধপ সিড়ি দিয়ে নেমে রান্না ঘরে যায়। নদী একটু সরে দাড়ায়। সাইফ গিয়ে অদিতির হাত টেনে ধরে বলে
“চলো রুমে চলো।”
“কেনোওওও?”
“দেখবো তোমায় চলো”

নদী ফিক করে হেসে ফেলে। সাইফ তাকাতেই মুখ বন্ধ করে দৌড়ে পালায়। সাইফ অদিতিকে বলে
“নিজে থেকে যাবে? নাকি তুলে নিয়ে যাবো?”

অদিতি সাইফের হাত ধরে আশ্বস্ত করে বলে সে ২০ মিনিটে চলে যাবে। চামেলি আজ আসে নি তাই একটু কাজ জমেছে। সাইফ রাগে গিজগিজ করতে করতে চলে যায়। অদিতি টের পায় আজ তার খবর আছে। সবজি কাটা শুরু করে। তখন চামেলি এসে মলিন মুখে ঢুকলো রান্নাঘরে। অদিতি চামেলিকে দেখে হেসে বলল
“কি গো চামেলি আপা। আজ এত দেরি হলো যে তোমার”

চামেলি জবাব দেয় না চুপচাপ শুরু করে। অদিতি খেয়াল করেন চামেলির চোখ মুখ লাল হয়ে আছে। ফর্সা গলাটার কয়েক জায়গায় ছোপ ছোপ দাগ মনে হয় ভারী কিছু আঘাত পড়েছে। নিজে হয়ে রক্ত জমেছে তাতে। অদিতি এগিয়ে গিয়ে চামেলির ঘারে হাত রেখে নরম সুরে বলল
“আমাকে বলো আপা। কি হয়েছে তোমার বলো”

চামেলী অদিতিকে জড়িয়ে ধরে হুহু করে কেঁদে উঠলো।
“আমার একখানা পোড়া সংসার আছিলো তাও আর রইলো না গো ভাবি। আমার সব শ্যাষ”

অদিতি অবাক হয় চামেলির কথায়
“কি হয়েছে খুলে বলো আমায়”
কান্নার ধরন কথা বলতে পারে না চামেলি। কাঁদতে কাঁদতে বলল
“কাইল ম্যালা ক্ষন খারাই থাইকা পরে একা একাই বাড়ি গেছি। আমার স্বামী নিতে আসে নাই আমারে। বাড়ি যাইয়া হারা রাত জাইগা আছিলাম ভাবি। তাও হে বাড়ি ফিরে নাই। আমার খুব চিন্তা হইতাছিলো। পরে হ্যায় সকাল বেহানা বাড়িতে আইলো। লগে নতুন বউ লইয়া। আমার সংসার থেকে আমারে খেদায় দিল গো ভাবী। আমার যে আর যাওনের জায়গা নাই”

[প্রিয় পাঠক মহল। আপনারা অনেকেই বড় পর্ব চান। যেহেতু আমি রোজ গল্প দিই। তাই অতি তাড়াহুড়োয় বড় করে লেখা সম্ভব হয় না। এতে লেখার মাধুর্য নষ্ট হয়। তবে এতখানি করে রোজই পাবেন। অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো আপনাদের জন্য। আমার গল্প এবং আমার সাথে থাকার জন্য]

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply