Golpo কষ্টের গল্প খাঁচায় বন্দী ফুল

খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ৪৪ এর প্রথমাংশ


খাঁচায় বন্দী ফুল ৪৪ এর প্রথমাংশ

jannatul_ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস

৪৪ এর প্রথমাংশ

চৌধুরী বাড়ির আনাচে-কানাচে পরিপূর্ণ লোকজনে, আত্মীয়-স্বজনের, অতিথিতে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়েছে, একটু পর আসরের আযান পড়বে। নদীর ঠায় বসে আছে ঘরের এক কোণে, এখনো বরপক্ষ থেকে কেউ আসেনি। সাইফ আর তুযাকে পাঠানো হয়েছে শাওনদের বাড়ির উদ্দেশ্যে। হাসান চৌধুরীর মাথা নিচু হয়ে যাচ্ছে অতিথিদের সামনে। সকল অতিথিদের মুখে চাপা গুঞ্জন, বর কেন আসে নি এখনো। ওয়াহাব চৌধুরী থ মেরে বসে আছে। হাবিব চৌধুরীর মুখে কোন কথা নেই। সায়রা পারে না কেদে দিতে। দীঘির কোনো ভাবান্তর নেই। সিঁড়ির কোণে একটা চেয়ারে বসে মোবাইলে দিব্যি গেম খেলছে। পাশেই অস্থির হয়ে পায়চারি করছে ফুল মালা। দীঘি কে নিরুদ্দেশ ভাবে মোবাইল চাপতে দেখে বিরক্ত হয়ে বলল
“আইচ্ছা আপা তুমি কেমন মানুষ কও তো। তোমার বড় বোনটার এখনো বর আইতাছে না, যদি বিয়ে ভেঙ্গে যায়। তোমার একটুও টেনশন হইতেছে না?”

দীঘি মোবাইল চাপতে চাপতে বলল
“টেনশন করলে মানুষ বেশি দিন বাঁচে না রে। আমার ম্যালাদিন বাঁচতে হইবো। আমার শত্রুদের পিছনে বাশ দেওয়ার জন্য হলেও”

ফুলমালা ভেবে পায়না দীঘির এমন ব্যবহারের কারণ। এই মেয়েটা সবসময় এরকম চ্যাটাং কথা বলে।সিরিয়াস মুহূর্তেও নিজের দিব্যি স্বাভাবিক থাকে। বুঝেনা এই মেয়েটার ভাব গতি। ফুলমালার বাবার বলা একটা কথা মনে পড়ে যায়। যারা সিরিয়াস মুহূর্ত স্বাভাবিক থাকতে পারে তারা হলো ঠান্ডা মাথার খুনি।

গগন কাপিয়ে একটা বাজ পড়লো ধরিত্রীর বুকে। অমনি ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়া শুরু হয়ে গেল। মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। বাড়ির ভিতরের মানুষের মুখে কথা। নেই মনে হচ্ছে না এটা বিয়ে বাড়ি। নিস্তব্ধ হয়ে গেছে চারদিকের মানুষ। এমন সময় ঝড় বৃষ্টি মাথায় করে বাড়িতে প্রবেশ করল সাইফ, সাথে কাজি নিয়ে। কাজি কে সাথে আসতে দেখে সকলের মনে একটু হলেও আশার আলো ফুটলো। আঞ্জুমান দ্রুত এগিয়ে গেলো সাইফের কাছে
“কিরে বাবা, শাওন এসেছে? পেয়েছিস ওদের?”

সাইফান জামান কিছু বলল না সোজা গিয়ে বসে পড়লো ওয়াহাব চৌধুরীর সামনে হাঁটু মুড়ে
“ আচ্ছা বড় আব্বু বলোতো, তুমি আমাকে বা দাদাভাই কে ভরসা করো না?”

“তোকে করি কিন্তু ওই জঙ্গলটাকে করি না”

চুলের পানি ঝাড়তে ঝাড়তে বাড়িতে প্রবেশ প্রবেশ করলো তুযা।
“এ বাড়ির মানুষ যে আমারে বাল দিয়েও গুনে না, তা আমি জানি। কিন্তু সব বাল ফালানোর সময় আমারেই দরকার হয়”

হাবিব চৌধুরীর দিকে তাকিয়ে বলল
“তোমার বালের জামাই আরেক মাইয়া নিয়া ভাগছে। হেডা ঠিক করছিলা জামাই বানানোর জন্য”

দুই মিনিট চুপ থেকে তুযা আবার বলতে শুরু করল
“এমনিতেই মাইয়া বিবাহিত, তার ওপর আরেক লম্পট এর সাথে করছে বিয়ে ঠিক। চোদানির পো। মন ডায় চাইতেছে ওই হুমন্দির সাথে তোমারও একটা মাইয়া দিয়ে ভাগায় দেই”

ওয়াহাব চৌধুরী কিছু বুঝতে পারছে না। নদী বিবাহিত মানে তুযাকে বলল
“কে বিবাহিত?”
“তুমি।
ওই কাজী বিয়া পড়ানো শুরু কর”

কাজি কে ওরা বুঝিয়ে পরিয়ে এনেছে। কাজী নিজের আনা মোটা খাতাটা খুলে কি কি সব লিখল। তারপর নদীকে ডাকা হলল। নদীকে সামনে বসিয়ে বলতে শুরু করলো
“রাজশাহীর সদর নিবাসী, মরহুম তারেক জোয়ার্দার এর একমাত্র পুত্র তুমুল জোয়ার্দার কে, পাঁচ লক্ষ এক টা দেনমোহর ধার্য করিয়া, তাহা নগদ বুঝিয়া লইয়া, আপনি কি বিবাহ করিতে রাজি? রাজি থাকলে বলুন কবুল”

নদীর ঘোমটার আড়াল থেকে আর চোখে একবার তুযার দিকে তাকাল। তুযা চোখ দিয়ে আশ্বস্ত করল। নদী অবিলম্বে বলে ফেলল “আলহামদুলিল্লাহ কবুল”

হাবিব চৌধুরী গর্জে উঠল
“অসম্ভব, এ কোনদিনও হতে পারে না। কিছুতেই হতে পারে না, ওই চরিত্রহীনটার সাথে…..”

হাবিবের কথা শেষ হওয়ার আগেই মুখের উপর তুযা বলল
“ও চ্যাটের কথা কইও না কাকা। এই বয়সে তোমার চরিত্র ডাও হেইরহম ভালা না। আমার মুখ খুলাইও না। ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়েছে অহন চুপ যাও”

হাসান চৌধুরী সোফায় বসে মাথায় হাত দিয়ে বলল
“ছিঃ ছিঃ, লোকজন আমাকে কি বলবে”

তুযা তুমুল কে হাত ধরে টেনে এনে নদীর পাশে বসালো। তুমুলকে দেখে যেনো আরো জ্বলে উঠলো বাড়ির লোক। হাবিব চৌধুরী তুযার ওপর ক্ষেপে গিয়ে বলল
“নিজের তো মান-সম্মান এর ভয় নেই। তাই বলে আমার মেয়ের সাথে তুমি এমন করতে পারো না। তুমি জানো লোকজন কি বলবে?

“লোকে আর কী বাল বলবে? এখন শোকে দুক্কে আমি মরে যাবো, লোকের কথা ভেবে কোনো পদক্ষেপ নেবো না। আর লোকে আমার চল্লিশায় এসে বলবে, আর এক চামচ বিরিয়ানি দিয়েন। দই এ লবণ কম হইছে। মাইনসের কথা এতো কানে নেওয়ার কি আছে?”

সেই মূহুর্তে পা খুরাতে খুরাতে বাড়িতে প্রবেশ করলো শাওন। কপালে রক্ত জমে আছে খানিক জায়গা। চোখে মুখে কালি। সকলে হা করে তাকিয়ে রইলো শাওনের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আগমনে। নদী তুমুলের বাহু শক্ত করে চেপে ধরলো।

শাওন ভিতরে এসে হাসান চৌধুরীর সামনে দাড়িয়ে বলল
“আসার সময় আমাদের গাড়িটা ডাকাত এর কবলে পড়লো আঙ্কেল। তাই……”

ওয়াহাব চৌধুরী বললেন
“বিয়ের গাড়িতে কে ডাকাতি করে? মশকরা পেয়েছো? কি ডাকাতি হয়েছে তোমাদের?”

শাওন মুখ কালো করে বলল
“কিছুই ডাকাতি করে নি আঙ্কেল। শুধু গাড়ি সহ আমাদের আটকে রেখেছিলো। একটু আগেই ছাড়লো। বাবা মা…….”

শাওনের কথা শেষ করার আগেই দীঘি হাতে তালি দিয়ে বলল
“আরে বাসসস, এমন বিরল ডাকাতির কথা বাপের জন্মে প্রথম শুনলাম। তারপর কি হলো? ডাকাত দের কাপড় জামা ধোয়ালো আপনাদের দিয়ে?”

অদিতি চুপ করালো দীঘি কে। ফুলমালা ঠোঁট টিপে হাসে। তুমুল তাড়া দিয়ে বলল
“কাজী সাহেব। বিয়ে পড়ানো শুরু করুন। আমি আমার বউ নিয়ে যাই”

তুযা দাঁতে দাঁত পিষে বলল
“বউ তুমার পিছন দিয়ে ভরে দিমু হে শালা। আমার বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। এখন এসেছো নাটক মারাতে। তোরে গুলশান চার রাস্তার মোড়ে দাড় করে দিয়ে আসমু। সুগার মাম্মিরা এসে নিয়ে যাবে।”

এরই মধ্যে বাড়িতে প্রবেশ করলো শাওনের মা বাবা আর ভাই। সব ঘটনা শুনে তারাও অবাক। হাসান চৌধুরী কে তাচ্ছিল্যের স্বরে বলল
“দেরিতে আসার কারনে যে মেয়ে আরেক জায়গায় বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। প্রথম দেখলাম ভাইসাহেব। আমার তো মনে হচ্ছে সব আপনাদের পূর্ব পরিকল্পনা কৃত ছিলো। নইলে এত তারাতাড়ি পাত্র ম্যানেজ হলো কী করে?”

শাওনের মা বলল
“ও মা পাত্র দেখি ওই ছেলেটা। ক’দিন হলো ঘুরঘুর করছিলো। ওওওওওও এখন বুঝেছি। মেয়ের চরিত্র সুবিধার নয়।”

সাইফ গর্জে উঠলো শাওনের মায়ের ওপর।
“একদম মুখ সামলে কথা বলবেন। চোপা ছিড়ে রেখে দিবো বলে দিলাম।”

“ঠ্যাকা পড়ে নি তোমাদের মেয়ের ব্যাপারে কিছু বলার। মরণ। এই চলো তোমরা”

ওরা বেরিয়ে গেলো বাড়ি থেকে। ঝামেলা দেখে অনেক অতিথি কে আগেই বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। অল্প সংখ্যক কিছু মানুষ ছিলো তারাও চলে গেছে। নদী নিরবে কেঁদে চলেছে। তুযা বলল
“এবার নদী শশুর বাড়ি যাবে। কি কি নিয়ম আছে পালন করো। রাত বাড়ছে”

হাবিব চৌধুরী ধীর পায়ে নদীর দিকে এগিয়ে এলো। চোখ দুইটা যেনো আগুনের স্ফুলিঙ্গ। এখনি ভস্ম করে দিবে। গম্ভীর গলায় নদীকে বলল
“যদি এই ছেলের হাত ধরে যাস, এ বাড়ির চৌকাঠ সালাম করে যাস। কারণ এই ছেলের হাত ধরে একবার বেরোনোর পর, এই বাড়ির দরজা তোর জন্য চিরকালের জন্য বন্ধ। সিদ্ধান্ত তোর”

আজ বহু সাহস জড়ো হলো নদীর ভীত সত্তায়। আজও যদি সে সবার মন রাখতে চুপ থাকে, আজীবন এভাবে কাদতেই হবে। কিছু ক্ষেত্রে কঠিন হতে হয়। তুমুলও অধীর আগ্রহে, স্ত্রীর অভিব্যক্তি শোনার জন্যে
“আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি বাবা। আমি আমার স্বামীর সাথেই যাবো”

হাবিব চৌধুরী আশাহত হয়ে পড়লো।
“ভেবে বলছিস তো?”

সায়রা এক দৌড়ে ঘরে চলে গেলো। ওই মেয়েকে সে বরণ করবে না। লতিফা কাঁদছে, সে বড় নরম মনের মানুষ। আঞ্জুমান আর লতিফা কেউ বরণ করবে না। তুযা রেগে বলল
“বরণ এর কোনো নিয়ম আমগো ধর্মে নাই। ওইসব বাল নিয়া না কাইন্দা রওনা হ। আর যদি তবুও লাগে, তাইলে রহমানের মা তুই বরণ কর”

কেউ বুঝে না তুযার কথা কেবল অদিতি ছাড়া। তুযা অদিতিকে বলেছে কথাটা। অদিতি সাইফের অনুমতির অপেক্ষা করলো। সাইফ মাথা দিয়ে হ্যা সূচক ইশারা করলো। আগে থেকে প্রস্তত করে রাখা বরণ ডালা দিয়ে বরণ করে তাদের বিদায় দেওয়া হলো। নদী গেটের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে পড়ে। বাবা মায়ের মন ভেঙে নিজের খুশির জন্য যাচ্ছে সে। পিছনে ফিরতে নিলে তুযা আটকালো নদীকে
“উহুম, শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর পিছনে ফেরা বারণ। কথা দিচ্ছি, আমি তোকে স্বামীর হাতে তুলে দিলাম। আমিই তোকে এই ঘরে আনবো আবার, তবে অতিথি করে। দুই দিন থেকে চলে যাবি, বেশি থাকতে দেবো না আমাদের বাড়িতে”

বলে হেসে ফেললো তুযা। নদী কান্না ভেজা কন্ঠে বলল
“দাদাভাই, তোমাকে একবার জড়িয়ে ধরবো?”

বিলম্ব না করেই তুযা কে জড়িয়ে ধরলো নদী। ভাইয়ের বুকে মাথা রেখে হু হু করে কেঁদে উঠে। কি আশ্চর্য, তুযারও বুকে কেমন চিনচিনে ব্যাথা হচ্ছে। বোনের মাথায় হাত রেখে বলল
“কান্না সব এই বাড়ি ঝেড়ে ফেলে যা। সোয়ামীর ঘরে আর কাঁদিস না”

নদীকে নিজের থেকে ছাড়িয়ে গাড়িতে তুলে দিতে যাবে তুযা। সামনে সাইফ দাড়িয়ে। নদী সাইফ কে কিছু বলতে যাবে তার আগে সাইফ বলল
“আমায় জড়িয়ে ধরবি না?”

নদী কিছু বলার আগেই সাইফ জড়িয়ে ধরলো নদীকে। নদীরও চোখ ভিজে ওঠে ফের। সাইফ নদীর গাল আগলে ধরে বলে
“তোকে সবসময় নিজের বোন ই ভেবে এসেছি নদী। আমার ঘরের লক্ষী বোনটা আজ পরের ঘরে চলে যাচ্ছে”

নদী সাইফের হাত ধরে বলে
“আমায় ক্ষমা করে দিয়েন ভাইয়া”

ওদের কাহিনি দেখে অদিতিরও কান্না পাচ্ছে। ফুলমালা তো দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাদছে। কবিতা সকলের কান্না কাটি দেখে থমকে গেছে। কিন্তু দীঘি আগের মতোই ভাবলেশহীন। কপাল কুচকে বলল
“তোমাদের নাটক শেষ হলে এবার ওকে বিদেয় করো তো ঘোড়ার ডিম। আকাশের দিকে একবার দেখো।”

বলেই স্থান ত্যাগ করলো দীঘি। ওদের গাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে সবাই ভিতরে আসে। বৃষ্টি থেমেছে, চারিদিকে ঝড়ো হাওয়া বইছে। ভীষণ ঠান্ডা সেই বাতাস। এই যাহহহ, লোড শেডিং হয়ে গেলো। সবাই যে যার ঘরে। কারও মনে শান্তি নেই কেবল তুযা আর দীঘি ছাড়া। অদিতি মাঝে মধ্যে ভাবে, এদের মতো হতে পারলেই জীবনে কোনো অশান্তি নেই আর।

তুযার পেট ক্ষিদে তে চো চো করছে। কিন্তু আজ কোনো ভাবেই লতিফার সম্মুখে যাওয়া যাবে না। তুযা ফুলমালা কে খোঁজে। এই মেয়েটাকে কোথাও খুঁজে পাঁচ্ছে না। সারা বাড়ি খুঁজেও দেখা মিলল না। শেষ চেষ্টা হিসেবে ছাদে গেলো তুযা।

এখানে তাকে মিলল। ভেজা রেলিং ধরে দাড়িয়ে একা একা কাঁদছে । তুযা মিনিট খানিক পরখ করলো ওকে। তারপর মৃদু কন্ঠে ডাকলো
“ফুল”

ফুলমালা তুযার কন্ঠ পেয়ে দ্রুত চোখ মুছলো। স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলো তুযার সামনে।
“হ্যা বলুন”
“কাঁদছিলি কেনো?”
“ক..কই। নাতো”
“আমার চোখ ফাঁকি দিস না ফুল। বল”

ফুলমালার ঠোঁট ভেঙে আসে কান্নায়। তুযার বিচক্ষণ মস্তিষ্ক বুঝতে দেরি করে না অবুঝ কিশোরির কান্নার কারণ। ফর্সা চিকন হাতটা টেনে নিয়ে দোলনায় বসায়। সামান্য দূরত্ব রেখে নিজেও বসে পাশে। স্বচ্ছ দোলনাটা নতুন বসানো হয়েছে ছাদে, দীঘির আবদারে। আংশিক ভেজাও সেটা। তাতেই বসলো দুজন। ভেজা বাতাস যেনে ভিজিয়ে দিচ্ছে দুজনের সর্বাঙ্গ।তুযা ঠান্ডা গলায় বলল
“আমার মানি ব্যাগে কেনো হাত দিয়েছিলি ফুল?”

ফুলমালা আচমকা তুযার কাঁধে মাথা ঠেকালো
“উনি কে তুযা ভাই?”

“সে এক নিরব খুনি,
এমন ভাবে খুন করেছে যা কেউ টের পায়নি”

ফুলমালার দিকে তাকিয়ে বলল
“আত্মার দিক দিয়ে আমি মৃত। লাশের সাথে ঘর করা যায় না ফুল। তুই অনেক সুখের প্রাপ্য। আমার মায়া ত্যাগ কর”

কেমন হইছে অবশ্যই বলবা।
[দেখি আজ ৫০০ কমেন্ট হয় নাকি] 😌🤌

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply