Golpo কষ্টের গল্প খাঁচায় বন্দী ফুল

খাঁচায় বন্দী ফুল পর্ব ২১


কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ ⚠️

খাঁচায়বন্দীফুল

jannatul_ferdous_জান্নাতুল_ফেরদৌস

পর্ব – ২১

মেহেরজানের জানাজা শেষ হতেই বাড়িতে লোকজনের ভিড় কমতে লাগলো আস্তে আস্তে। এখন বাড়িতে হাতেগোনা কয়েকজন লোক কর্মচারী এবং প্রতিবেশীরা রয়েছেন। গ্রামের দূর দূরান্তের লোকেরা চলে গেছেন। গ্রামের আরো কিছু গণমান্য লোকেরা জানাজা শেষ করে এসেছেন ওয়াহাব চৌধুরীর সাথে দেখা করতে। বৈঠকখানাতে তাদের সঙ্গে টুকিটাকি কথা বলছেন ওহাব চৌধুরী। সঙ্গে উপস্থিত আছে তার ছোট দুই ভাই ও। এমপি শাহাদাত হোসেন ও এসেছে।

তুযার হাতের স্যালাইন এখনো খোলা হয়নি। সেখানে মানিক, শফিক, ফারুকসহ আরো কয়েকজন উপস্থিত আছেন। কবিতা তুযার বিছানার পাশে বসে আছে। চারিদিকে লোকজনের ভিড়ে অদিতি কোথাও খুঁজে পায় না সাইফকে। লোকটা কাল থেকে কিছু মুখে দেয় নি। পাবেই বা কি করে? সাইফ কে জেবা টানতে টানতে নিয়ে গেছে শেষ মাথার মোড়ে।

নেহাৎ এটা গ্রাম এলাকা। তার ওপর বাড়িতে কারো মন মানসিকতা ভালো নেই। এত বড় একটা ঘটনা ঘটেছে। বিধায় কিছু বলতে পারছে না নয়তো এতক্ষণ লাগিয়ে দিতো দু’ঘা।

ওয়াহাব চৌধুরী ভিতরের লোকজনদের সাথে মেহেরজানের দোয়া মাহফিলের আয়োজন করার বিষয়ে কথা বলছে। ছোট দুই ভাইয়ের ওপরে দায়িত্ব দেওয়া হলো।

দিনের সময় যত পার হয় বাড়ির মানুষজনও কমতে থাকে। আকবর তার স্ত্রীকে নিয়ে আসে দুপুরে রান্না করে দেওয়ার জন্য। রান্না গুলো শুধু পড়েই থাকে। কারো খাওয়ার ইচ্ছা নেই। দুপুর গড়িয়া বিকেল হতে চলেছে। প্রতিবেশীরাও চলে গেছে যে যার মতো। এখন শুধু বাড়ির সদস্য আর কয়েকজন কর্মচারী আছে বাড়িতে। এখনো সাইফের দেখা পাচ্ছে না অদিতি।খেয়াল করে দেখলো জেবা কেও কোথাও দেখছে না। তখন লতার কথাটা মনে পড়লো। সাইফকে কেউ একজন টানতে টানতে নিয়ে গেছে। এই বাড়িতে জিন্স প্যান্ট পরা মর্ডান একমাত্র জেবাই আছে।

সবার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে আরো চার দিন পর মেহজানের দোয়া মাহফিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সন্ধ্যাবেলা আকবরের স্ত্রী লতিফা এবং আঞ্জুমানকে জোর করে অল্প কিছু খাইয়েছেন। আকবরও মানিকের সাথে করে ওয়াদ চৌধুরী এবং হাসান চৌধুরীকে অল্প কিছু খাইয়েছেন। নদীর টেনশনে সারাদিন খাওয়া দাওয়া নেই। দীঘি ও বোনের পিছন পিছন অনেক ঘুরেছে খাওয়ার জন্য জোর করতে। কিন্তু খাইনি নদী।

কাল সারারাত জার্নি করে এসেছে, একটুও ঘুম হয়নি। তার মধ্যে সারাদিন না খাওয়া ক্লান্ত শরীরের নদীর ঘুম চলে এলো। লতিফা কেও উপর ঘুমের ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ওহাব চৌধুরীর প্রেসারের ওষুধ খেয়ে শুয়ে পড়েছে সন্ধ্যার পরপরই। শহরের তুলনা গ্রামে এখনো বেশ ঠান্ডা আছে। অদিতি শাল জড়িয়ে দোতলার খোলা বেলকনি টাতে দাঁড়িয়ে আছে। দোতলার বেলকনিটা থেকে বাড়ির সামনের রাস্তাটা স্পষ্ট দেখা যায়।

বাড়ির পরিবেশন নিরব হয়ে গেছে। সকলে ক্লান্ত শ্রান্ত ও শোকাহত। কেউবা ঘুমিয়ে গেছে ক্লান্তিতে কেউবা নীরবে চোখ বুজে আছে কোন কোণে। অদিতি এখনো সাইফের অপেক্ষায় দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে। কিন্তু কোথায় সাইফ। সাথে জেবা কেও দেখা যাচ্ছে না। বাড়ির সকলের মন-মানসিকতা ভালো নেই। খেয়ালও করেনি জেবা সারাদিন বাড়িতে নেই।

তুমুল কল দিয়েছে অনেকবার সারাদিনে। কিন্তু নদী ফোন সাইলেন্ট করে রেখেছে। বিকেলে একবার রিসিভ করে বলেছে যে তারা গ্রামে এসেছে কারণ তার দাদি মারা গেছে। দুই একটা কথা তুমুল জিজ্ঞেস করেছে বিধায় বলেছে। তুমুল এর ওপর বেজায় চটে আছে নদী। কারণ কল ধরে কন্ঠ না শুনেই, কে কল টা ধরলো না বুঝেই উল্টোপাল্টা বলে ফেলেছে। অদিতি যদি বাড়িতে বলে দেয় তাহলে সর্বনাশ। কাল অদিতির সাথে কথা বলতে হবে। হাতে পায়ে ধরে হলেও রাজি করাতে হবে যে ও কাওকে কিচ্ছু বলবে না। নদী অতটাও আশাহত হয় নি কারন অদিতির সাথে তার সু-সম্পর্ক আছে।

ঘরের মধ্যে বড় দেওয়াল ঘড়িটা টংটং করে বারোটার জানান দিচ্ছে। তখনো সাইফের আসার খবর নেই। অদিতি আনমনে অনেক কিছু ভাবছে। হঠাৎ খেয়াল করলো নিচে অস্পষ্ট কারো অবয়ব গেটের দিকে যাচ্ছে। গায়ে শাল জড়ানো, পরনে লুঙ্গি। কিন্তু সেটা কে ঠিক চেনা যাচ্ছে না।
পিছন পিছন আরেকজন যুবক হারিকেন হাতে যাচ্ছে। গেট পেরিয়ে রাস্তায় উঠতে অবয়ব স্পষ্ট হলো। তুযা যাচ্ছে। পিছন পিছন হারিকেন নিয়ে মানিক।

যতদূর রাস্তা দেখা যায় অদিতি দেখতে থাকলো ওদের যাওয়া। এত রাতে কোথায় যাচ্ছে তুযা? এত রাতে মানিক কে সাথে করে কোথায় যেতে পারে?

ব্যালকনিতে প্রচুর ঠান্ডা। অদিতি সরে এসে সিঁড়িতে বসে রইল। সাইজ যতক্ষণ না আসে সে এখানেই অপেক্ষা করবে। আসলে অবশ্যই তাকে জবাব দিতে হবে কোথায় ছিল এতক্ষন। নানা চিন্তা অদিতির ভিতরে। সিরির রেলিং এ মাথা ঠেকিয়ে বসে থাকে। চারিপাশ টা ভালোই অন্ধকার।

তুযা গিয়ে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে ঢুকলো। সামনেই মেহেরজানের কাঁচা মাটির কবর। চারিপাশে বাশের চটা দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে। কবরস্থানে ঢোকার পর থেকে তুযার পায়ের গতি কমে গেল। ধীরপায়ে এগিয়ে গেল মেহেরজানের কবরের কাছে। মাটিতে লুটিয়ে বসলো। এই মানুষ টা তার ভালো থাকার অন্যতম কারণ ছিলো। সারাদিন একে অপরের সাথে ঝগড়া করলেও, দুজন দুজনকে মারাত্মক ভাবে ভালোবাসতো। কবরের মাটি ছুয়ে দেখলো তুযা। খাটিয়া ধরে নিয়ে আসতে পারেনি। পা চলেনি তার। তুযা বাচ্চা ছেলের মত কথা বলতে শুরু করলো। যেন কোনো জীবিত মানুষের সাথে কথা বলছে
“ দাদি শুনছো? তোমার এখানে ডর লাগে না? আমার তো লাগে। তুমি উঠো। চলো বাড়ি লইয়া যাই তোমারে। দাদি শুনতেছো? মেহের? ও রহমানের মা?”

বেড়া টাতে মাথা ঠেকায় তুযা। পাশে মানিক হারিকেন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ।
“ তুমিও আমারে ফাঁকি দিলা দাদি? আমারে সবাই ক্যান ঠকায় কও তো। আমি খারাপ বইলা? আমি কি হাচাই ম্যালা খারাপ দাদি। তুমি তো আমারে খারাপ জাইনাও ভালো পাইতা। হারাদিন বকা দিয়া, রাইতে এই খারাপ টার জন্য খাওন লইয়া বইসা থাকতা। আমারে পেটে ধরা মায় ও কোনো দিন খাওন লইয়া বইয়া থাহে নাই আমি না যাওন পর্যন্ত। এখন আমারে এই যত্ন কে করবো মেহের?”

তুযা শুয়ে পড়লো কবরের পাশে। হাত বুলিয়ে দিলো মেহেরজান এর কবরে। মানিক এক হাতে হারিকেন ধরে অন্য হাতে চোখ মুছলো। কাদতে কাদতে বলল
“মেলা রাইত হইছে ভাই। চলেন”

তুযাকে টেনে তুলল মানিক। গায়ে মাটি লেগে আছে। সেভাবেই ঢুকলো বাড়িতে।

বসে থাকতে থাকতে কখন যে অদিতির চোখটা লেগে গেছে বলতেই পারবে না। খট করে দরজা খোলার শব্দে তার হুশ ফিরল। তুযা ফিরলো। হাতে হারিকেন। মানিক কে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। দুটো রাত ঘুমায় না ছেলেটা। অদিতি চোখ মুছতে মুছতে হারিকেনের আলোয় দেখলো তুযার মলিন মুখটা। তুযা তখন ওর সামনে। তুযার ঘর ওপরে। আর উপরে উঠবার সিড়িতে বসেই ঘুমে ঢুলছে অদিতি। তুযা কে দেখে খানিকটা ভয় ও পেলো। তুযা ভারিক্কি গলায় বলল
“ সরে বস। আর এত রাতে এখানে কেন তুই?”

অদিতির একটু সাহস হলো। কাচুমাচু হয়ে সরে দাড়ালো সিড়ি থেকে। তুযা কে যাওয়ার জায়গা দিলো
“ আসলে আপনার ভাই এখনো বাড়ি ফিরেনি। আর…..”

“ আর?”
অদিতি মাথা নিচু করে বলল
“ নদী আপুর খালাতো বোন জেবা আপু। উনাকেও সকাল থেকে দেখছি না”

তুযার কপালে চিন্তার ভাজ পড়লো। জেবার চরিত্র সম্পর্কে সে ভালোই অবগত। তুযা অদিতির দিকে তাকিয়ে বলল
“ আয় আমার সাথে”
“ কোথায়?”

“শফিক বলেছিলো বিকেলে ওদের পূর্ব পাড়ার দিকে যেতে দেখেছে। রাশেদ তালুকদার এর বাড়ি ওদিকে। ওরা আবার আমাদের ভালো চোখে দেখে না। কি করতে কি করে দেবে।”

তুযা আর এক মূহুর্তও না দাড়িয়ে গ্যারেজ থেকে জিপ বার করলো। অদিতি সদর দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে। তুযা ঘাড় ঘুরিয়ে বলল
“ তুই কি যাবি?”

অদিতি সব ভয় ডর ভুলে সত্যি সত্যি গিয়ে উঠে পড়লো তুযার জিপে। কারণ তুযা যা করবে সরাসরি করবে। ছলনা করে নিয়ে গিয়ে কোনো ক্ষতি করা তুযার স্বভাবের মধ্যে পড়ে না। ভাড়ি একটা টর্চ লাইট অদিতির হাতে দিয়ে বলল
“ এই নে। পূর্ব পাড়ায় জিপ ঢোকার পর থেকে চারদিকে আলো ফেলে দেখবি কোথাও দুটোকে দেখা যায় কিনা”

পূর্ব পাড়া হয়ে মনিপুর পৌঁছে গেলো জিপ। কিন্ত রাস্তায় বা আশে পাশে কোথাও নজরে পড়লো না ওদের। সাইফের ফোনটা বাড়িতেই। তুযা মণিপুর জঙ্গলের কাছাকাছি গিয়ে জিপ থামালো। ঘড়ির কাটায় রাত তখন ৩:২১। অদিতি এবার একটু ভয় পেলো। কি করতে চাইছে তুযা? জিপ থেকে নেমে সামনে এগিয়ে যায়। অদিতি তখন খেয়াল করলো উপর হয়ে পরে আছে জেবা। তুযা জেবাকে পাজা কোলে করে জিপের পিছনে শুইয়ে দিলো।
“ দেখ তো এটা জ্ঞান ফেরাতে পারিস কিনা?”

অদিতি নেমে গিয়ে পিছনে উঠলো। শরীর ঝাকিয়ে বারবার ডাকছে জেবা কে। তুযা বলল
“ দেখ পানির বোতল আছে ওখানেই। মুখে ছিটা দে ছিনালের।”

অদিতি তুযার ভাষা সম্পর্কে কিছুটা হলেও অবগত। পানির ছিটা দিতেই ধরফরিয়ে উঠলো জেবা। জোরে জোরে হাঁপাচ্ছে আর শ্বাস নিচ্ছে

তুযা জেবার সামনে দাড়িয়ে বলল
“ এই লাংচুন্নি। সাইফ কোথায়? বল সাইফ কোথায়?”

জেবা অদিতির কাধে মাথা হেলিয়ে দেয়।
“ জা…জানিনা। জানিনা সাইফ কোথায়?”

“ জানস না? ওই অদিতি ওরে গাড়ি থিকা নামা। নচ্ছার জানে না সাইফ কোথায়। তাইলে ওরে দিয়া আমরা কি করুম? নামা জলহস্তী শালি রে।”

হঠাৎ সাইফ এর গলা শোনা যায়। পাশের ঝোপ থেকে আওয়াজ আসে
“ দাদাভাই! দাদাভাই আমি এখানে?”

“ মগা চু’দা তুই ওখানে কি করছিস? সারা বাড়ি জায়গা থাকতে এই লাংচুন্নি রে লইয়া জঙ্গলে আইছস পিছন মারা দিতে? জানোয়ার কোন হান কর।”

তুযা সাইফ কে টেনে তুলল। মাথা থেকে রক্ত পরে কপাল, গাল দিয়ে শুকিয়ে গেছে। গাড়িতে এনে বসিয়ে পানি দিলো খেতে। সাইফ হেলে পড়ছে বারবার। অদিতি সাইফের মাথায় পানি দিলো একটু। চিন্তিত গলায় বলল
“ কে করেছে আপনাদের এই অবস্থা?”
সাই অদিতির বুকে মাথা ঠেকিয়ে বলল
“ রাশেদ তালুকদার এর ছোট ছেলে আর অনেক গুলো লোক আমাদের ধাওয়া করেছিলো। ওদের ছোড়া একটা লাঠি এসে আমার মাথায় লেগেছে।
ওরা আশেপাশেই আছে। আমরা এখানে এসে লুকিয়েছি।”

কথা বলতে পারছে না সাইফ। শরীরে একটুও বল শক্তি নেই।
তুযা সময় নিলো না সেখানে। সব বাড়ি গিয়ে জিজ্ঞেস করা যাবে। জায়গা টা নিরাপদ না। সাইফ কে জিপে ওঠালো তুযা আর অদিতি ধরে। অদিতি কে ও তারাতাড়ি জিপে উঠতে বলল তুযা। অদিতি জিপের পিছন থেকে আসার কে যেন টর্চের আলো ফেললো তার মুখে। অদিতি সাথে সাথে হাত দিয়ে নিজের চোখ ঢেকে ফেললো। তুযা শব্দ পাচ্ছে একদল লোকের ঝপঝপ পায়ের আওয়াজ। অনেক গুলি লোক ছুটে আসছে ওদের দিকে।

তুযা জিপ স্টার্ট দিয়ে বলল
“ তারাতাড়ি উঠে আয় অদিতি। নইলে আজ আমগো সব কয়টার লাশ পরবো এইহানে। অদিতি দৌড়ে গিয়ে জিপে উঠলো। তুযা অমনি টান দিলো জিপ। জঙ্গলের সরু রাস্তা দিয়ে দ্রুত জিপ চালানো ভীষণ রিস্ক। তবুও সবার জানের মায়া করে তারাতাড়ি জিপ ছোটালো তুযা। সামনে কেউ পড়লেও তাকে পিষে চলে যাবে।

পিছনে থাকা লোক গুলোর কাছে কোনো জিপ নেই। কোনো গাড়িও নেই। তবে তারা থেমে নেই। পায়ে হেটেই দৌড়াচ্ছে জিপের পিছন পিছন। আর লাঠি ছোটা ছুড়ছে তাদের দিকে।

সামনে তুযা আর অদিতি বসে। আর জিপের পিছনের জায়গা টাতে সাইফ আর জেবা শুয়ে আছে। দুজনেই নিস্তেজ। অদিতির ভয় হচ্ছে কিছু এসে আবার ওদের গায়ে না লাগে। তুযা জিপ থামালো না।

মনিপুর জঙ্গল পার হতেই যেন গা হালকা হয়ে গেলো তুযার। তবুও জিপ থামালো না। একেবারে চৌধুরী বাড়ি এসে থামায় জিপ। জিপ থামতেই অদিতি নেমে পড়ে। তুযার শরীর হাত পা কিছুই চলছে না। স্টিয়ারিং এ মাথা ঠেকিয়ে অদিতিকে বলল
“ যা দেখ কি অবস্থা ওদের”

অদিতি পিছনে গিয়ে চিৎকার করে উঠলো
“ দাদাভাই ও তো নেই”

তুযা চট করে মাথা তুলে পিছনে ফিরলো
“ কে নেই?”

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply