কীভয়ংকরমায়া_তোর
পার্ট_২৮
লেখিকাআরিফাতাসনিম_তামু
কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ❌🚫_
আজ তিনদিন হসপিটালে আদ্র।তিনদিন পর আজকে ডিসচার্জ করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।কালকে নেওয়াজ বাড়ির সবাই এসে আদ্রকে দেখে গেছে।তরিকুল নেওয়াজও বাঁধ পড়ে নি।আহি এক দৃষ্টিতে বাবা নামক লোকটার দিকে চেয়ে ছিলো।নিজের ভাগ্য উপর আহির অভিযোগ থেকেও নেই।তার ভাগ্য খারাপ কিংবা ভালো কোনটাই যে জোর গলায় সে বলতে পারছে না।একদিক দিয়ে খারাপ সেটা হচ্ছে এই পৃথিবীতে তার জন্মদাতা মা-বাবা থেকেও নেই।আরেক দিকে সে খারাপ বলতে পারছে না যদি তার ভাগ্য এতটাই খারাপ হতো তবে উপরওয়ালা কখনোই তাকে খান পরিবারের মতো এত সুখ ভালোবাসা আনন্দময় পরিবারের কাছে নিতো না।তার জন্মদাতা মা-বাবার ভালোবাসা না পেয়েও আফসোস অতটা হয় না।কারণ ২য় মা বাবা তার ভালোবাসার বিন্দু পরিমাণও কম রাখে নি।আহির কাছে পৃথিবীর সেরা মা বাবা তারা।শুধু জন্ম দিলেই যে মা বাবা হওয়া যায় এমন না।জন্ম না দিয়েও যে মা বাবা হওয়া যায় তাও বেস্ট মা বাবা সেটা আহি সায়ান খান আর রাইসা বেগমকে না দেখলে বুঝতোই না। আর তার থেকে বড় কথা হচ্ছে তার রৌদ্র। এই একটা মানুষের জন্য আহি নিরদ্বিধায় জান দিয়ে দিতে পারবে।যদি কখনো এমন পরিস্থিতি আসে পুরো দুনিয়া রৌদ্রের বিপক্ষে তবে আহি একাই তার ভাইয়ের পক্ষ নিবে।
কাল যখন তরিকুল নেওয়াজ হসপিটালে এসেছিলো।আহি শুধু তার দিকে চেয়েই ছিলো।আফসোস তার জন্মদাতা পিতা সে সামনে থাকার পরও তাকে চিনতে পারে নি।সে মানছে খুব ছোট বেলায় তাকে হারিয়েছে এখন সে বড় হয়েছে তাই হয়তো চিনতে পারেনি।কিন্তু রক্তেরও তো একটা টান আছে তাই না?সে দেখেছে ফিহাকে তরিকুল নেওয়াজ কীভাবে আদর যত্ন করে।ফিহাকে করা আদর যত্নের একভাগও আহিকে করে নাই।আহি যখন এসব নিয়ে ভিতরে ভিতরে কষ্টে দুমড়ে মুচড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছিলো।ঠিক তখনি তার অতি প্রিয় তিনটা মানুষ এক চুটকিতে তার সব কষ্ট দূর করে দেয়।রৌদ্র এসে বোনের পাশে দাড়িয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়।দূর থেকে ফাইজ ইশারায় বুঝায় আমিও আছি বনু।আর আরেকজন তো সকলের আড়ালে চোখ মেরে তাকে লজ্জায় পেলে দেয়।সে আর কেউ নয় আদ্র।
ফাইজ কালকে সকালেই বাংলাদেশ পা রেখেছিলো।বাড়িতে না গিয়ে সোজা হসপিটালে এসেছিলো।ভাই বোনকে দেখতে। এসেই বোনকে ধরে দুই-ভাই বোনের সে কী কান্না।আহি মাঝে মধ্যে ফাইজকে দেখলে একটু বেশিই অবাক হয়।যেখানে তার জন্মদাতা বাবাই তাকে ঠিক মত ভালোবাসে আর সেখানে ফাইজ ফিহার থেকেও বেশি আহিকে আদর যত্ন করে।বলতে গেলে আদ্র বাড়ি ছাড়ার পর যে এক বছর আহি নেওয়াজ বাড়িতে ছিলো সে এক বছর ফাইজ আহির সব খেয়াল রাখতো আদর করে খাওয়াতো ঘুরতে নিতো।সব করতো।তার পর আহি হারিয়ে যাওয়াতে ফাইজ ভিতর থেকে ভেঙ্গে পড়ে।টানা এক মাস হসপিটালেই পড়ে থাকে।আহি রৌদ্র আর ফাইজ দুজনকেই সমান তালে ভালোবাসে।
থতমত পরিবেশ কেভিনে নীরবতা বিরাজমান। কেভিনের এককোণায় দাঁড়িয়ে আছে রৌদ্র ফাইজ।আরেক কোণায় বসে আছে আহি আর ইয়ানা।আদ্র সিটের সাথে হেলান দিয়ে আধশোয়া হয়ে বসে আছে।সবার মুখেই চিন্তার চাপ শুধু আদ্রের মুখ স্বাভাবিক যেন এই মুহুর্তে তার মুখে চিন্তার চ ও নেই।থাকবে কীভাবে সকল চিন্তা বাকিদের উপর ফেলে নিজে আরামে বসে নিজের প্রিয়সি’কে এক দৃষ্টিতে দেখছে।রৌদ্রের আর সহ্য হলো না আদ্র এই স্বাভাবিক থাকা তেঁতে উঠলো
— কিছু বলছিস না কেন?আমাদের কে চিন্তায় ফেলে তোর মন খুশিতে নাচতে তাই না?
—তোদের এত চিন্তা করতে কে বলেছে?আমি বলেছি?আর এখানে এত চিন্তার কি আছে বুঝলাম না। ও আমার সাথে নেওয়াজ বাড়িতে গেলে সমস্যা টা কোথায়?
অতি স্বাভাবিক গলায় উওর দিলো আদ্র।তার এক কথা সে হসপিটাল থেকে আহি সহ নেওয়াজ বাড়িতে যাবে। কারণ তাকে টানা ১ মাস বেড রেস্ট দিয়েছে।সে চাইলেও তার বার্বিডলকে দেখতে যেতে পারবে না।তার চেয়ে বড় কথা এখন তার বার্বিডলের সব কিছু মনে পড়েছে এখন সে চাইলেও নিজেকে আটকে রাখতে পারবে না।না তো পারবে দূরে থাকতে। রৌদ্র বুঝল এই ঘাড়ত্যাড়া কে মানানো যাবে না।দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলল
—বনু এখন কোন পরিচয়ে যাবে?তুই তো এখন চাচ্ছিস না সবাইকে সত্যি টা জানাতে।
—তোর বোনের পরিচয়ে থাকবে।ইয়ানা নিবে ও’কে কয়দিন আমাদের বাড়িতে থাকার জন্য।
—বনু তুই জেতে চাস?
রৌদ্রের কথায় আহি মাথা তুলে আদ্রের দিকে চাইল।আদ্র স্বাভাবিক চোখের ওর দিকে চেয়ে আছে।আহিও যেতে চায় লোকটার কাছাকাছি থাকতে চায়।কিন্তু রৌদ্রের উপর কিছু বলতে পারবে না তাই মাথা নিচু করে বলল
—তুমি যা চাইবে তাই হবে।
রৌদ্র বোনের উওরে হাসলো।বোনের চোখের ভাষা পড়ার ক্ষমতা তার আছে।
হসপিটালের সকল কাজকর্ম শেষ করে সন্ধ্যায় আদ্রকে নেওয়াজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।রৌদ্র এসে সাথে সাথে চলে যায়।যাওয়ার আগে বোনেকে বারবার সাবধানে থাকতে বলে গেছে।ইয়ানাকে ও বলেছে খেয়াল রাখতে।তার এখানে আহিকে রেখে যেতে ভয় করছে।আবার আদ্রের উপর ভরসা আছে নিজের সবটা দিয়ে তার বোনেকে আগলে রাখবে।তবুও ভাইয়ের মন তো তাই একটু ভয় লাগছে।আতিয়া নেওয়াজ রৌদ্রকে থাকার জন্য বার বার বলেছে রৌদ্র সকালে আসবে বলে চলে গেছে।আহি’কে কেউই চিনতে পারেনি
কথায় আছে না যত্নে রাখা সব কিছুই ফুলের মতো সুন্দর হয়।কথাটা একদম সত্যি ছোট বেলার আহির সাথে এখনকার আহির কোনো মিল নেই। শুধু চোখ আর গালের টোল ছাড়া।এত বছরে আহি’কে হয়তো তেমন কারোই মনে নেই তবে এখন ভালো করে খেয়াল করলে চিনবে।খান পরিবার রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিয়ে ফুলের মতো যত্ন করে বড় করেছে তাকে।ছোট বেলার থেকেও এখন দেখতে ভাড়ি মিষ্টি লাগে আহি’কে এক কথায় এক দেখায় প্রেমে পড়ার মতো তার সৌন্দর্য। তার উপর গায়ের রংটা পুরাই রিসার মতো। আহির আসল মা তো বিদেশি নারী।আহি মায়ের রং টাই পেয়েছে।আহির এ বাড়িতে থাকা নিয়ে কারো কোনো আপত্তি নেই।তবে কেমন করে বার বার আহিকে দেখেছে ফিহা।ফিহার নজর আদ্রের চোখে এড়ালো না।
ইয়ানার রুমে শুয়ে আছে আহি ইয়ানা ওয়াশরুমে।এমন সময় কেউ একজন দরজায় নক করল।আহি দরজার দিকে তাকাতেই দেখলো আতিয়া নেওয়াজ দাঁড়িয়ে আছে।উনার চোখে পানি টলমল করছে।উনাকে দেখা মাএই আহির চোখ ছলছল করে উঠলো।উনি দরজা লক করে পিছন ফিতরেই উনার বুকে হামলে পড়লো কেউ একজন।আতিয়া নেওয়াজ ভেজা চোখে হাসলেন।
—এত বছর পর মনে পড়লো বড়মার কথা.?
—আমার সব মনে থাকলে সবার আগে তোমার কাছেই আসতাম।
ফুপিয়ে ফুপিয়ে কথাটা বলল আহি।আতিয়া নেওয়াজ ওকে সহ বিচানায় বসলেন।সামনে এনে চোখ মুছে থুতনিতে হাত রেখে বললেন।
—হয়েছে আর কাঁদতে হবে না। মাশাল্লাহ তুই তো ছোট বেলার চেয়েও দেখতে বেশ মিষ্টি হয়েছিস রে।
আহি লজ্জায় মাথা নিচু করে নিলো।এমন সময় ইয়ানা ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে বলল
—দেখতে হবে না কার ভা
বাকিটা বলতে পারলো না আতিয়া নেওয়াজ চোখের ইশারায় চুপ করিয়ে দিলেন।আহি আগ্রহ নিয়ে চেয়ে ছিলো। কথাটা শুনার জন্য ইয়ানাকে চুপ করে যেতে দেখে আর কিছুই বলল না।কাজের মেয়ে রহিমা খাবার এনে দিয়ে গেছে সব আহির পছন্দের পদ প্লেটে। আহি হাসল বড়মা আজও বদলায় নি।এই মানুষটাই তো এবাড়িতে আসার পর তাকে মায়ের আদর দিয়েছে।আতিয়া নেওয়াজ নিজ হাতে যত্ন সহকারে আহি ইয়ানা দুজনকে খাইয়ে দিয়ে চলে গেলেন।ইয়ানার মোবাইলে আদ্র মেসেজ দিয়ে বলেছে আহিকে তার রুমে পাঠাতে কেউ যেন না দেখে।
আদ্রের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আহি।বুক ধুপধুপ করছে ওর কীভাবে ভিতরে যাবে ভেবে পাচ্ছে না।ডান পাশ থেকে পারুল নেওয়াজকে আসতে দেখে।তড়িঘড়ি করে দরজা ঠেলে ভিতরে ডুকে গেলো।পিছন ভিতরেই দেখলো খাটে আধশোয়া হয়ে বসে ওর দিকে চেয়ে আছে আদ্র।আহি মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রইল।
—আগে বারন করলে শুনতি আমার রুমে চলে আসতি।আর এখন আসতে বললে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে এত জিকির দুআ দুরুদ পাঠকরার কী আছে। আমি কী জীন ভুত?
আহি উওর দিলো না। তপ্ত শ্বাস ফেলে আবার বলল আদ্র
—দরজা লক করে এই দিকে আয়।
বাধ্য মেয়ের মতই তাই করল আহি।আদ্রে থেকে এক হাত দূরে দাঁড়ালো এসে।আদ্র ইশারায় তার পাশে বসতে বলে। আহি বসে দূরত্ব রেখে।আদ্র পাশ থেকে একটা খাম আর কিছু কাগজ আহির দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল
—এই দূরত্ব খুব তাড়াতাড়ি ঘুচিয়ে নিবো।এই মরণ যন্ত্রণা আর সহ্য হয় না বউ জান। নে এটা ধর খুলে দেখ সব ঠিক আছে কিনা।
আহি নিয়ে খামটা খুলতেই অবাক কণ্ঠে বলল
—এখানে তো টাকা তাও অনেক টাকা এটা আমাকে কেন দিচ্ছেন.?
—তোর হক এটা আমাদের বিয়ের দেনমোহর।
আহি যেন বড়সড় একটা ঝটকা খেলো।বিয়ে মানে কী.?
—কাগজ টা খুলে দেখ।
আহি কাঁপা কাঁপা হাতে খুলেই কাগজে চোখ বুলিয়ে আদ্রের দিকে চাইল। আদ্র হাতের ইশারায় ওকে কাছে ডাকলো। আহি কাছে যেতেই বুকে জড়িয়ে বলতে লাগলো।
—তোর হয়তো ওসব মনে নেই। এগুলা সব সত্যি।
শুন
অতীত
আদ্র দেশ ছাড়তে রাজি হয় তবে তারও একটা শর্ত আছে।সে চায় আহি’কে বিয়ে করে তার পর দেশ ছাড়তে।আজিজ নেওয়াজ মানতে নারাজ।ছেলেকে বুঝানোর জন্য বলে।
—দেখ আদ্র তুমি ছোট না যথেষ্ট বুঝদার। আহি এখন ছোট বড় হওয়ার পর যদি ওর অন্য কাউকে ভালো লাগে?ওর ওতো পছন্দ অপছন্দ থাকবে তাই না?তুমি দেশে ফিরলে ও যদি তোমাকে চায় তবে আমি তোমাদের বিয়ে দিবো।
জেদি আদ্র মানতে না নারাজ জেদি গলায় বলল
—আমি ছাড়া ২য় কেউ ওর জীবনে কখনো আসবে না।আমি কখনো আসতে দিবো না। তুমি বিয়ের ব্যবস্থা করো।বিয়ের কথা কেউ জানবে না শুধু তুমি আমি আর দাদি ছাড়া।
আজিজ নেওয়াজ হার মানেন।ছোট আহি তখন ঘুমে ছিলো। ওরে ঘুম থেকে তুলে কোলে করে নিয়ে আসে আদ্র।মুখে কবুল বলিয়ে বিয়ে পড়িয়ে রাখবে বাকি সব বড় হলে হবে।
কাজি আহিকে কবুল বলতে বলে।ঘুমে ঢুলতে থাকা ছোট্ট আহি শুনেও না শুনার মতো চোখ বন্ধ করে আছে।সে বাইরের করো কথা শুনবে না। আদ্র বুঝল মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে আদুরে গলায় বলল
—কবুল বল বার্বিডল।
আদ্রের কথায় আদ্রের কোলে মাথা রেখে শুয়ে চোখ বন্ধ অবশ্য ছোট্ট আহি বলল
—তবুল কী আদলো ভাই?
আদ্র হেসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল
—তবুল না বার্বিডল ওটা কবুল আর তুই কবুল বললে তুই আমার লাল টুকটুকে বউ হয়ে যাবি।তাড়াতাড়ি এখন কবুল বল তোকে অনেক গুলা চকলেট দিবো।
এবার শোয়া থেকে লাফিয়ে উঠে হাতের তালি দিতে দিতে আহি বলল
—তবুল,তবুল,তবুল,তবুল অনেক বার তবুল বলছি অনেক গুলা চকলেট দিও।
কাজি সহ আজিজ নেওয়াজ আর আদ্রের দাদি হেঁসে ফেললো।আদ্র এবার বলল
—আমার সাথে সাথে বলবি ঠিক আছে।
আহি মাথা ঝাকায়।মানে ঠিক আছে
—বল ক
—বল ক
এবার সবাই শব্দ করে হেসে ফেললো।আদ্র দীর্ঘ শ্বাস ফেললো।সবার হাসির কারণ বুঝল না ছোট্ট আহি। তবে আদ্রের মন খারাপ বুঝল তাই চুপ করে বসে রইল। আদ্র আবার বলল
—ক
—ক
—বু
—বু
—ল
—ল
এই ভাবে তিনবার কবুল বলার পর বিয়ে সম্পূর্ণ হয়।কাঁচা ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া আহি আদ্র কোলেই ঘুমিয়ে যায়।বিয়ের ২ ঘন্টা পরই আদ্র দেশ ছাড়ে রেখে যায় ঘুমন্ত পিচ্চি বউটাকে।
(৩ বছরের আহির সাথে ১৪ বছরের আদ্রের বিয়ে এটা নিয়ে কিছু পাবনা থেকে ছুটে আসা পাবলিক ফালতু মন্তব্য করছে।এদের ব্রেন কোথায় এরা কী পাগল?কল্পানিয়ক একটা জিনিস নিয়ে এত কিছু বলার কী আছে?এটা একটা কল্পানিয়ক গল্প জাস্ট ফানি একটা জিনিস তাদের কথার অনুসারে মনে হচ্ছে তাদের সাথে এমনটা হচ্ছে। ভালো লাগলে পড়বে না হলে কেউ জোর করছে না।) বাজে মন্তব্য করা পাবলিকরা আমার গল্প থেকে দূরে থাকো)
চলবে….
Share On:
TAGS: আরিফা তাসনিম তামু, কী ভয়ংকর মায়া তোর
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ২০
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ২৪
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর গল্পের লিংক
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৬
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৮
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ২
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৮
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৬
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৩