কী ভয়ংকর মায়া তোর
লেখিকা:আরিফা তাসনিম তামু
পার্ট:০২
[কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ]
নেওয়াজ বাড়ির গেট দিয়ে যখন আদ্রের গাড়িটা ডুকলো তখন তার হার্টবিট দ্রুত গতিতে চলতে শুরু করল ভিতরে ভিতরে চলছে একটা চাপা উওেজনা, এত বছর পর নিজের বাড়িতে পা রাখবে তার বার্বিডল কে দেখবে,তবে কিছু একটা মনে পড়তেই আদ্র’ওহ শিট ‘বলে উঠলো
★
আহির ছোট থেকেই ফুল অনেক পছন্দ মেয়েটা ফুল পাগলি,ছোট ছোট হাতে বাগানের গাছ থেকে যখন ফুল ছিঁড়ে এনে রুমে সাজিয়ে রাখতো তখন আদ্র বলতো”রুমে এসব ফুল এনে ময়লা করে পঁচা মেয়েরা আমার আহি কী তবে পঁচা মেয়ে হয়ে যাচ্ছে?” তখন ছোট্ট আহি গাল ফুলিয়ে আধো আধো কন্ঠে বলতো”উঁহু আমি পতা না,যারা ফুল পতন্দ করে না তারা পতা আহি ফুল অনেক পছন্দ করে তাই সে গুড গাড(উঁহু আমি পঁচা না যারা ফুল পছন্দ করে না তারা পঁচা আহি ফুল অনেক পছন্দ করে তাই সে গুড গার্ল)
আহির কথায় আদ্র মুচকি হেসে হঠাৎ আহির গাল টেনে বলে উঠলো —তোর ফুল এতো পছন্দ বার্বিডল?তুই নিজেও তো আস্ত এক ফুল আমার ছোট ফুল 🌷🌸
★
আগের কথা গুলা মনে পড়তে আদ্রের আরো মন খারাপ হয়ে যায়। সে কিভাবে ভুলে গেলো এটা?প্রয়োজনে আস্ত একটা দোকানের ফুল এনে সে তার বার্বিডলের রুমে সাজিয়ে রেখে সারপ্রাইজ দিয়ে রাগ ভাঙ্গবে,এটাই ঠিক হবে, মনটা এবার কিছুটা শান্ত হলো, গাড়ি থেকে নেমে চোখ ঘুরিয়ে বাড়িটা সহ আশপাশে দেখে নিলো,সামনে পা বাড়াবে তখনি আদ্রের মন বলছে কি যেনো নেই,বুকটা খালি খালি লাগছে।এমন লাগছে কেন তার?মনে হচ্ছে খুব কাছে কিছু নেই,আদ্র দ্রুত পায়ে হেঁটে বাড়ির কলিং বেলে চাপ দিলো,কিছুপরই দরজা খুলল আবনি ভাইকে দেখে নিজের চোখে বিশ্বাস করতে পারছে না, তার সামনে সত্যিই কী তার ভাই দাড়িয়ে আছে নাকি সে স্বপ্ন দেখছে, ভালো করে চোখ ডলে যখন একি দেখছে সব,তখনি চিৎকার করে বলে উঠল
—আম্মু দেখে যাও ভাইয়া এসেছে।
কথাটা বলেই ভাইকে জড়িয়ে দরলো আদ্র হেঁসে বোনকে বুকে নিলো, আতিয়া নেওয়াজ রান্না ঘরে থেকে বের হয়ে ছেলে’কে দেখে হুমড়ি খেয়ে পড়লো ছেলের বুকে ভেঙ্গে পড়লো কান্নায়,আবনি ভাইকে ছেড়ে দাঁড়ালো আদ্র দুইহাতে মা’কে জড়িয়ে দরলো,উনার কান্নার আওয়াজে বাড়ির সবাই নিচে নেমে এলো,দোতালা থেকে ফিহা হা করে তাকিয়ে আছে আদ্রের দিকে চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছে যেন,পারুল নেওয়াজ আর ফিহা বাদে বাকি সদস্যরা খুশি হয়েও হতে পারছে না বিশেষ করলে আদ্রের বাবা দাদি আর মা আতিয়া নেওয়াজ এতক্ষণ কান্না করলেও হঠাৎ কেমন চুপসে গেলেন মুখ জুড়ে ভয় ভয় ভাব চলে এসেছে, আদ্র সবার দিকে একপলক চাইল চোখ গুরিয়ে তার ছোট ফুল’কে খুঁজলো, মেয়েটা কোথায় সবাই নেমে এসেছে তার ছোট ফুল কী সবার চেঁচামেচি শুনতে পারছে না?নাকি সে এসেছে বুঝতে ফেরে ইচ্ছে করে নিচে আসছে না?
—আমি আসায় তোমরা কী খুশি হও নি.?
আদ্রের এই কথায় সবাই একটু লড়ে চড়ে উঠলো,আজিজ নেওয়াজ মুখে জোর পূর্বক হাসে টেনে ছেলের কাছে গিয়ে ছেলে’কে বুকে টেনে নিয়ে বলে উঠলেন
—কেন খুশি হব না অবশ্যই আমরা খুশি হয়েছি, হঠাৎ করে কাউকে না বলে আসায় একটু অবাক হয়েছি।
আদ্র বাবার কথায় হেঁসে বলল—তোমাদের সারপ্রাইজ দিলাম, বলে আসলে কী সারপ্রাইজ হতো?
আদ্রের মেঝো চাচ্চু তরিকুল নেওয়াজ —ও হ্যা তাই তো।
তার পর সবার উদ্দেশ্যে বলল—ছেলেটা এতো দূর জার্নি করে আসলো এভাবে দাঁড়িয়ে রেখেছো কেন ভিতরে এনে ঠান্ডা শরবত দাও।
—আয় ভিতরে আয় পরে কথা বলতে পারবি।
আদ্র চাচ্চুর কথায় ভিতরে গেলো দাদি’কে জড়িয়ে দরে জিজ্ঞেস করলো—আমার দাদি টা কী আমার সাথে রাগ করেছে? কথা বলছে না যে।
ফারদিনা নেওয়াজ নাতির কথায় হেঁসে বলল—আমার নাতি এতো হ্যান্ডসাম হয়ে গেছে তাই তাকে দেখতে দেখতে কথা বলার কথা ভুলেই গেছি
আদ্র দাদির কানে ফিসফিস করে বলল—তোমার হা করে তাকিয়ে থাকা দিয়ে আমি কি করব, বডি কী তোমাকে দেখানোর জন্য বানিয়েছি, এটা শুধু আমার বউয়ের অধিকার।
আদ্রের কথায় ফারদিনা নেওয়ার জোর পূর্বক হাসলেন
আদ্র সোফায় বসতেই ফিহা দৌড়ে এসে ওর পাশে বসে হাসি মুখে বলল—কেমন আছো আদ্র ভাই
ফিহা পারছে না আদ্রের কোলে উঠে যেতে, এটা দেখে আদ্র বিরক্ত হলো, যার দৌড়ে এসে কোলে উঠার কথা তার খবর নাই,আর একে দেখো নির্লজ্জের মতো কী করছে,আদ্র একটু দূরে সরে গম্ভীর কন্ঠে ছোট করে উওর দিলো—ভালো
ফিহার হাসি মিলিয়ে গেলো সহসাই
পারুল নেওয়াজ শরবত এনে আদ্রের হাতে দিয়ে হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন —কেমন আছিস বাবা.?
আদ্র শরবতের গ্লাসটা হাতে নিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলল—ভালো
তার পর সবার উদ্দেশ্যে বলল—ছোট চাচ্চু আর ফাইজ কোথায়?
পাশ থেকে ফিহা লাফিয়ে উঠে বলতে শুরু করল—ভাইয়া কলেজে গেছে আর চাচ্চু হসপিটালে
আদ্র আর কিছু বলল না চোখ দুইটা যে তার অন্য কাউকে খুঁজছে তার অশান্ত মনটাকে একটু শান্ত করার জন্য কী মেয়েটা নিচে আসতে পারতো না একটু? এদিকে আজিজ নেওয়াজ আর ফারদিনা নেওয়াজ যত আদ্র চোখ ঘুরিয়ে উপরে তাকাচ্ছে তত বেশি ঘামতে শুরু করলেন,এবার যেন আদ্রের ধৈর্যের বাদ ভাঙ্গলো
—আহি কোথায়?
ব্যাস আদ্রের এই কথা শুনার অপেক্ষায় ছিলো সবাই,কেউই আর আদ্রের দিকে তাকাচ্ছে না,তাকাতে পারছে কেন যেনো এটা দেখে আদ্রের ভ্রু কুঁচকে এলো কিছু বলতে নিবে পাশ থেকে ফিহা হাসি মুখে বলে উঠলো—ওমা আদ্র ভাই তুমি জানো না ওই মেয়ে তো মানে আহি তো তুমি যাওয়ার এক বছর পরই হারিয়ে গেছে কোথাও আর ফিরে পাওয়া যায়নি
পুরো নেওয়াজ বাড়ি কঠিন নীরবতা পালন করছে,এই দিকে আদ্রের দৃষ্টি স্থীর বাবা আর দাদির দিকে ছেলেটা যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে,অনেক কষ্টে পা দুটা টেনে বাবার সামনে দাড়িয়ে জিজ্ঞেস করল
—আব্বু এসব কী?
আজিজ নেওয়াজ মাথা নিচু করে নিলেন, বাবাকে মাথা নিচু করতে দেখে আদ্রে বুক ধুপ করে উঠলো,আদ্র মা,চাচ্চু বোন দাদি সবার দিকে একপল চাইল সবাই কেমন মাথা নিচু করে আছে তা দেখে ছেলেটার কেমন গলা শুকিয়ে আসছে, দ্রুত পায়ে দাদি সামনে গিয়ে বলল
—দাদি তুমি অন্তত চুপ করে থেকো না প্লিজ দাদি বলো না এসব কিছু সত্যি না,তুমি তো জানো আমি আমার আহিকে কতটা ভালোবাসি,ও’কে ছাড়া থাকতে আমার ভীষন কষ্ট হয় জানো এতগুলা বছর আমি শান্তিতে একটুও ঘুমাতে পারিনি খেতে পারিনি আমার ছোট ফুলটার জন্য বার বার ওকে একটু দেখার জন্য মনটা চটপট করতো ওর সাথে একটু কথা বলার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে পড়তো কিন্তু আমার ছোটট ফুলটা আমার কষ্ট বুঝেনি জেদ ধরে কথা বলেনি আমার সাথে।
ফারদিনা নেওয়াজ শাড়ির আঁচলে মুখ চেপে ডুরে উঠে বললেন
—সব সত্যি দাদুভাই আজ থেকে ১৩ বছর আগে আহিকে যখন পুরো বাড়ি খুঁজে কোথাও পাচ্ছি না তখন তোমার বাবা চাচারা পুলিশ দিয়েও খুঁজেছে এক বছর এভাবে খুঁজা খুঁজি চলে তবুও আহিকে পাওয়া যায়নি তার পর সবাই হাল ছেড়ে দেয়,তোমাকে বলতে আমি নিষেধ করে ছিলাম কারণ আমি জানতাম এই খবর ফেলে তুমি সব ছেড়ে চলে আসবে,পাগল হয়ে যাবে, পড়ালেখা বন্ধ করে দিবে
দাদির কথা শেষ হতেই আদ্র ধুপ করে নিচে বসে গেলো ডান হাত দিয়ে বা পাশের বুক চেপে ধরলো এই জায়গায় ভীষণ ব্যথা করছে,ছেলেটা কেমন হা করে বড় বড় শ্বাস নিচ্ছে চোখ দুটা অতিরিক্ত লাল, আতিয়া নেওয়াজ দৌড়ে এসে ছেলে’কে ধরে কান্না করতে করতে জিজ্ঞেস করলেন
—কী হয়েছে বাবা এমন করছিস কেন?, কোথায় কষ্ট হচ্ছে বল আমাকে।
আদ্র মায়ের বুকে মাথা রেখে ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় বলল
—আম্মু আহিকে এনে দাও আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আম্মু,আমি কীভাবে আমার বার্বিডলকে ছাড়া থাকবো আমার তো ভাবতেই নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, যাকে ১৫ বছর যাবত ভালোবেসে আসছি তাকে ছাড়া কীভাবে আমি ভালো থাকবো আমি মরে যাবো আম্মু।
বলতে বলতে আদ্র কুঁপিয়ে উঠলো,আতিয়া নেওয়াজ ছেলেকে শক্ত করে ধরে কাঁদতে লাগলেন,নেওয়াজ বাড়ির প্রত্যকটা সদস্য সহ প্রতিটা দেওয়াল আদ্রের আহাজারি দেখছে প্রতিটি মানুষের চোখে অসহায়ত্বের চাপ শুধু ফিহা আর পারুল নেওয়াজের মুখে বিরক্তির চাপ।
আদ্র নিচ থেকে উঠে ধীর পায়ে বাবা সামনে গিয়ে দাঁড়ালো আজিজ নেওয়াজ এখনো মাথা নিচু করে আছে ছেলের চোখে যে চোখ রাখতে পারছে না পারবে কীভাবে উনিই তো কথা দিয়ে ছিলো উনি তো কথা রাখতে পারেন নাই, আদ্র কেমন করে হেঁসে ভাঙ্গা গলায় বলল
—আব্বু তুমি এতো আমাকে কথা দিয়েছিলে আমার আহিকে দেখে রাখবে আমি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ফিরলে ওকে আমার করে দিবে, দেখো আজ আমি আমার কথা রেখেছি আমি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ফিরেছি কিন্তু আমার আহি নেই তুমি ওকে দেখে রাখতে পারো নি, তোমাদের কাছে আমার ছোট ফুলটা যখন এতটাই বোঝা হয়ে উঠেছে তবে কেন ও’কে আমায় দিয়ে দাও নি আমি নিজ হাতে আগলে রাখতাম কখনো হারাতে দিতাম না।
আজিজ নেওয়াজ মাথা নিচু করে বললেন
পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও আমি তোমাকে দাওয়া কথা রাখতে পারিনি আমি ব্যর্থ।
আদ্র সবার দিকে চেয়ে জোর গলায় বলল
—আমি ফাইজান নেওয়াজ আদ্র আজ এই মূহুর্তে দাঁড়িয়ে তোমাদের সবার সামনে কথা দিচ্ছি আমার আহিকে আমি আকাশ পাতাল এক করে হলেও খুঁজে বের করবো,আর ওকে যদি না পাই আমি নিজেকে নিজেই শেষ করে দিবো,
এই বলে আদ্র গট গট পায়ে বের হয়ে গেলো বাড়ি থেকে কেউ আটকানোর সাহস পেলো না
✪
পুল স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছে আদ্র নিজেকে তার পাগল পাগল লাগছে সে জানে না তার ছোট ফুলকে পাবে কিনা শুধু জানে তার ছোট ফুলকে না ফেলে সে মরে যাবে আদ্রের মনে পড়ে গেলো সেদিন টা কথা যেদিন আহি প্রথম ওদের বাড়িতে আসে।
১৫ বছর আগে —
সকাল ৯ টা নেওয়াজ বাড়ির সকল সদস্য খাবার টেবিলে নাস্তা করতে বসেছে এমন সময় কলিং বেল বেজে উঠলো বাড়ির কাজের মহিলা দরজা খুলে দিতেই দেখা মিললো এক অতি রুপবতী বিদেশি মহিলার সাথে এক ফুটফুটে পুতুলের মতো মেয়ে যাকে সাদা একটা ফ্রোক পরিয়ে রেখেছে বাচ্চার বয়স কতই বা হবে ২ বছর। কাজের মহিলাটি জিজ্ঞেস করলো কাকে চায়?
বিদেশি মহিলাটি বলল—এটা কী নেওয়াজ বাড়ি?তরিকুল নেওয়াজ বাড়িতে আছেন?
কাজের মহিলা বলল—মেঝো সাহেব বাসায় আছে আপনি ভিতরে আসেন
বিদেশি মহিলাটি ভিতরে যেতেই সবাই অবাক হলো কেউই তাকে চিনে না, তবে তরিকুল নেওয়াজ ঘামতে শুরু করলেন মহিলাটিকে দেখে
আজিজ নেওয়াজ জিজ্ঞেস করলো—কে তুমি দেখে তো এ দেশের মনে হচ্ছে না এখানে কেন এসেছো?
মহিলাটি বলল—আমার নাম রিসা আমি এদেশের না এই বাড়ির আমার স্বামীর বাড়ি
মহিলাটির কথায় যেন বাজ পড়লো পুরো বাড়িতে স্বামী কার বউ এটা.?আজিজ নেওয়াজ বলল:স্বামী নাম কী তার?
মহিলাটি তরিকুল নেওয়াজকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে বলল:উনি আমার স্বামী তরিকুল নেওয়াজ, বিদেশ থাকা কালিন আমাকে ভালোবেসে বিয়ে করে, এই যে আমার মেয়ে রাদিফা ও পেটে হওয়ার পর উনি আর আমার খোঁজ নেয় না ফোন দিলে ফোন বন্ধ বলে, খোঁজ নিয়ে পরে জানতে পারি উনি দেশে চলে এসেছে তখন আমার অবস্থা খারাপ ছিলো এই অবস্থায় আসতে পারি নি আর আমি উনার বাড়িও চিনি না, গত ২ বছর যাবত দরে খোঁজ করে আজ আসলাম
এ কথায় মূহুর্তেই পরিবেশ কেমন নীরব হয়ে গেলো পারুল নেওয়াজ কেঁদে উঠলেন স্বামীর থেকে এমন কিছু আশা করেনি হয়তো।
আজিজ নেওয়াজ ভাইয়ের দিকে চেয়ে গম্ভীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করলেন—ও যা বলছে সব কী সত্যি?
তরিকুল নেওয়াজ মাথা নিচু করে বললেন—হ্যা সব সত্যি
সঙ্গে সঙ্গে পারুল নেওয়াজ সেন্সলেস হয়ে মাটির পড়েন, আতিয়া নেওয়াজ মাথাটা কোলে নিয়ে পানি ছিটাতে লাগলেন
রিসা বলল—আমি সব খবর পেয়েছি উনি বিবাহিত উনার একটা ছেলে একটা মেয়ে আছে আমি এখানে থাকতে আসি নি, না তো কোনো অধিকার চাইতে আসছি আমি শুধু আমার মেয়েকে একবার বাবার আদর কেমন তা দেখাতে আসছি
তরিকুল নেওয়াজ —আমার মেয়েকে রেখে তুমি চলে যাও প্লিজ আমি হাত জোর করছি রিসা তোমার কাছে।
রিসা শুধু ঘৃণা ভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো
আজিজ নেওয়াজ এসে মেয়েটিকে কোলে নিয়ে বলল—ওকে এখানে রেখে যাও ওর দায়িত্ব ওর বাবা নিবে তুমি মাঝে মাঝে এসে দেখে যেও
রিসা যাও আগে শুধু একটা কথাই বলল”আমার মেয়েটাকে দেখে রাখবেন প্লিজ।
রিসা চলে যায় থতমত পরিবশে রিসা বের হতেই তখনি চৌদ্দ বছরের আদ্র বাড়িতে ডুকে কাঁধে তার ব্যাগ মাএই প্রাইভেট পড়ে আসলো বাড়িতে ডুকে মায়ের কোলে ছোট বিদেশি পুতুলের মত কিউট একটা মেয়ে দেখে দৌড়ে গিয়ে কোলে তুলে মায়ের দিয়ে চেয়ে বলল—ওমা এই কিউট বার্বিডল কোথায় থেকে আসলো আমাদের বাড়িতে? একদম বিদেশি পুতুলের মতো দেখতে আম্মু ওকে কিন্তু আমার রুমেই সাজিয়ে রাখবো বলে দিলাম।
থতমত পরিবেশে আদ্রের কথায় সবাই একটু চমকে উঠলো আতিয়া নেওয়াজ ছেলেকে বুঝিয়ে বলে এটা তার মেঝো চাচ্চুর মেয়ে ওর চাচাতো বোন হবে।
(অনেক বড় পার্ট দিলাম ভালো করে রেসপন্স না পেলে নেক্সট পার্ট দিবো না —)
Share On:
TAGS: আরিফা তাসনিম তামু, কী ভয়ংকর মায়া তোর
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর গল্পের লিংক
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৮
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৫
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৩
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৩
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১০
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৬
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ৫
-
কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৪