Golpo romantic golpo কী ভয়ংকর মায়া তোর

কী ভয়ংকর মায়া তোর পর্ব ১৯


কী ভয়ংকর মায়া তোর

পার্ট_১৯

লেখিকাআরিফাতাসনিম_তামু

কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ 🚫❌_

একের পর এক বকবক করেই যাচ্ছে রৌদ্র।আর আদ্র চোখ বুজে সব হজম করছে।এবার রৌদ্র কথা থামিয়ে আদ্রের দিকে চেয়ে ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করলো

—কী রে তুই এতো ভালো কবে হলি?আমি এত কথা বলছি আর ফাইজান নেওয়াজ আদ্র কিনা ধৈর্য ধরে সব শুনছে এই দিনও আমাকে দেখতে হচ্ছে বাহ্?।ওরে কে কোথায় আছো সূর্য আজকে কোন দিকে উঠেছে আমাকে একটু বল তো?

শেষের কথা গুলা একটু নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল।এবার আদ্র চোখ খুলে রৌদ্রের দিকে চেয়ে স্বাভাবিক কন্ঠে উওর দিলো।

— সূর্য সূর্যের জায়গায়ই আছে।কিন্তু আমাদের সম্পর্ক বদলে গেলো এক পলকে।আগে ভাবতাম আমার বন্ধুই শুধু পাগল এখন দেখি আমার একমাএ সমন্দী তার থেকে ডাবল পাগল। কী আর করার একমাএ সমন্দী বলে কথা তাই হজম করা শিখছি না হলে আমার বউ টা যে কষ্ট পাবে।

রৌদ্র এবার বাংলা সিনেমার মতো অভিনয় করে বলল

—না এ হতে পারে না এটা আমি বিশ্বাস করি না।এতো বড় অপমান আমি সইবো কীভাবে ও’রে আমার যে পাপ হবে!

দুইজনেই হেঁসে ফেললো।

—হয়েছে এবার থাম খাবারের কথা বলছি খেয়ে যাবি।

আদ্রের কথা রৌদ্র আবদারের সুরে বলল

—একটা চুমু দে না সোনা।তোর চুমুর অভাবে আমি শুকিয়ে গেছি দেখ!

—ছ্যাহ্ আমি গেও না।

রৌদ্র মুখ বেকালো।তার পর বলল

—না খাবো না আম্মু বলেছে তোকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে যেতে ওইখানে দুপুরে খেতে।

—তুই কী আন্টিকে সব বলে দিয়েছিস.?

—হুম আম্মু আব্বু দুজনকেই সব জানিয়েছি।আমার উপর সব ছেড়ে দিয়েছে আমি যা চাইবো তাই হবে।

—ভালো বাট আমি এখন জাবো না কাজ আছে তুই বরং এখানে খেয়ে যা আন্টিকে ফোন করে বলে দে।

—হবে না রে তোর বউ ওইখানে বোমের মতো ফুলে বসে থাকবে খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়ে।

আদ্র আর জোর করল না।বউ তার ছোট থেকেই জেদ্দি তবে সবার কাছে জেদ করে না যে ওকে ভলোবাসে তার সাথে জেদ বাচ্চামী সব করে।


এইদিকে গতকাল রাতে সাইফ নতুন একটা পারফিউম কিনে এনে লুকিয়ে রেখেছে।কারণ এই বাড়িতে রোদ আর সাইফার জন্য পারফিউম কিনে কেউ শান্তি পায় না। বিশেষ করে বেচারা সাইফ কারন সে দুদিন পর পরই পারফিউম কিনে আনে। রোদ আর সাইফার যদি কোনো পারফিউমের
স্মেইল ভালো লাগে তাহলে সেটা ওদের লাগবেই লাগবে।রৌদ্ররে কাছে চাইলে বিনা বাক্যে দিয়ে দেয়।কিন্তু সাইফ দিতে চায় না। এজন্য দুই বোন মিলে সাইফের পারফিউম এনে উরাধুরা গায়ে মাখে আবার নিজেদের পছন্দের জামাতেও মেরে নেয়।কালকের আনা পারফিউমটা রোদ দেখে ফেলে।গিয়ে সে খবর সাইফাকে দেয় অসুস্থ শরীর নিয়ে সাইফা রোদের সাথে লাফাতে লাফাতে চুরি করতে চলে যায়।চুপিচুপি এনে রোদের রুমে দু’জন উরাধুরা পারফিউম মারছে।এর মধ্যে শ্রেয়া বিডিও কল দিলো।কল রিসিভ করতে শ্রেয়া বলল

—কী করছিস তোরা জন?

রোদ পিছনের ক্যামরা দিয়ে খাটের দিকে দেখলো। অনেক গুলা জামা পাশে একটা পারফিউম। এটা দেখে শ্রেয়াও নিজের ক্যামরা ঘুরিয়ে খাট দেখালো।এবার তিনজন হা করে মোবাইলের দিকে চেয়ে আছে কারণ শ্রেয়ার খাটেরও একি অবস্থা।

—তুইও আমাদের মতো চুরি করে এনেছিস.?

—তোরাও কী আমার মতো চুরি করে এনেছিস?

তিনজনের কথা একসাথে হয়ে গেলো।এক একজন একজনের দিকে চেয়ে আছে।কিছুক্ষণ পর তিনজনই হেঁসে ফেললো। হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে।

—কালকে ভাইয়া এটা এনে রেখেছিলো আমার আর সাইফার ছোট বেলা থেকে অভ্যাস এটা।

রোদের কথা শ্রেয়া বলল

—আমারও সেম এটা সকালে আমার ভাই এনে রেখে ছিলো এখন আমি চুরি করে নিয়ে এসেছি🙃

এভাবে ওরা আরো অনেকক্ষণ কথা বলে।কে কোথায় কবে কার কয়টা পারফিউম চুরি করেছে এসব।


হঠাৎ করেই খবর আসে সাইফার খালা আসছে খান বাড়িতে সাথে উনার ছেলে আর মেয়ে।মেয়ে সাইফাদের সমানই ছেলে রৌদ্রের বয়সের।সাইফার খালারা আসার খবর পেতেই রোদের বুক কেঁপে উঠলো। ভিতরে ভিতরে খুশি হয়েও কেন যে হতে পারছে না।আজকাল রোদের কী হয়েছে রোদ নিজেও জানে না।সব অদ্ভুত অদ্ভুত ঘটনা তার সাথে ঘটছে আজকে কলেজের সেই ঘটনার কথা মনে পড়লেই গা শিউরে উঠে।হাত পা আপনাআপনিই কাঁপতে শুরু করে।কে ছিলো এটা?রোদ বুঝতেই পারছে না। বার বার সে ঘটনার কথা মনে পড়ে যায়।

[এখানে আসল চোর আমি আর আমার বনু সুন্দর স্মেইল ফেলেই ওটা মেরে দি যারই হোক🙃

রেসপন্স না করে গল্প চাইবে না পাপির দল আর ছোটও বলতে পারবে না কারণ আগের পার্টের রেসপন্স আমার পছন্দ হয়নি🙃)

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply