কি_আবেশে (১৬)
জেরিন_আক্তার
মেরাব পেছন ফিরে তাকিয়ে বলল,
“গাড়িটা বের করে বলছি!”
মারুফুল খান দাড়িয়ে রইলেন। এখন মেরাবের উদ্দেশ্য কি তিনি কিছুই বুঝতে পারছেন না। মেরাব তার সামনে গাড়ি নিয়ে এসে বলল উঠে বসতে। মেরাব নিজের সাথে তার বাবাকেও নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। কারণ এখন যদি তার বাবাকে ভুলভাল কিছু একটা বলে দেয় তাহলে তার বাবা চলে যাবে ঠিকই কিন্তু নজরদারি ঠিকই করবেন। তাই মেরাবের এখন তাকে সাথে নিয়ে যাওয়াই উত্তম।
মারুফুল খান কোনো প্রশ্ন না করেই গাড়িতে উঠে বসলেন। মেরাব ড্রাইভ করতে করতে বলল,
“বাবা তুমি আমাকে জিজ্ঞাসা করলে না কোথায় যাচ্ছি এখন?”
মারুফুল খান গভীর গলায় বললেন,
“আমার বিশ্বাস আছে তুমি এই রাতের বেলা দরকার ছাড়া কোথাও যাচ্ছো না।”
মেরাব তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলল,
“থ্যাংক ইউ বিশ্বাস করার জন্য!”
“তবে আমাকে সাথে নিয়ে যাওয়ার কি কারণ? ”
“চলো না আজ নাহয় আমিই তোমাকে নিয়ে ঘুরলাম। ”
“বেশ চলো!”
“হুম। ”
মেরাব আসিফকে তার বাড়ির সামনে থেকে তুলে নেয়। আসিফ মেরাবের বাবাকে দেখে তাজ্জব বনে গেলো। এখন তো মুখ ফুটে বলতেও পারবে না যে আংকেল এখানে কেনো? তাই মেসেজ দিলো—-মেরাব আংকেল সাথে যাচ্ছে কেনো? উনাকে কি বলে দিয়েছিস?
মেরাব উত্তরে লিখলো—-বলিনি।
—-তাহলে আংকেল ওখানে গেলে যদি জিজ্ঞাসা করে তখন কি করবি?
—-আগে ওখানে যাই তারপর দেখতে পারবি।
—-ঠিক আছে।
মেরাব মহিলাটিকে যেখানে রেখেছিলো সেখানেই গেলো। গাড়ি থেকে নেমে গেলো তিনজনেই। সেখানে মেরাব তার আরও দুজন বন্ধুকে ডেকেছিল। ওরা মেরাবকে দেখার সাথে সাথে ডেকে উঠলো—হেই মেরাব ভিতরে আয়।
মেরাব তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলল,
“বাবা ভিতরে চলো!”
মারুফুল খান ইতস্তত নিয়ে বললেন,
“না তোমরাই যাও। আমি গাড়িতেই থাকছি। তোমাদের ফ্রেন্ডদের মাঝে আমি গিয়ে কি করবো? ”
“বাবা, তুমি গেলে কিছুই হবে না!”
“না তোমরা যাও!”
এই বলে মারুফুল খান গাড়িতে উঠে বসলেন। মেরাব আসিফকে নিয়ে ভিতরে চলে গেলো। আসিফ যেতে যেতে বলল,
“ভাই তোর বুদ্ধি আছে তো! আমি এখন বুঝতে পারলাম।”
মেরাব একটা রুমে এসে দেখলো সেই মহিলা আর তার মেয়েকে বেধে রেখেছে। মহিলাটি মেরাবকে দেখা মাত্রই বলে উঠলেন,
“বাবা তুমি কে বা কি তোমার পরিচয় আমি জানি না। তোমাকে একটা কথাই বলবো আমাদের প্লিজ ছেড়ে দাও!”
মেরাব গম্ভীর গলায় বলল,
“এতো ছেড়ে দাও ছেড়ে দাও বলছেন কেনো? কি এতো কাজ?”
মহিলাটি কিছু বলবে ঠিক তখন পাশ থেকে তার মেয়েটি বলল,
“আপনারা কেনো আমাদের ধরে এনেছেন? ”
মেরাবের ঠান্ডা মেজাজ বিগড়ে গেলো। এমনেই প্রচুর মাথা ব্যাথা করছে তার উপরে আবার এক্সকিউজ। মেরাব ধমক দিয়ে বলল,
“এই মেয়ে চুপ! কথা বলছি তো আমি। পাশে থেকে নাক গলাচ্ছো কেনো?”
মহিলাটি বলল,
“বাবা ওকে ধমক দিও না! তুমি কি বলতে চাও বলো!”
মেরাব বলল,
“আগে বলুন আপনার এতো তাড়া কিসের? আর একটা কথা আপনি এখানে আটকে আছেন আপনার হাসব্যান্ড এখনও আসলো না কেনো?”
এই বলে আসিফকে বলল,
“এই আসিফ উনার বাড়ির কাউকে খবর দিসনি? ”
“উনি তো বাড়ির কারো নাম্বারই দেইনি। কাকে কল দিবো। সকাল থেকে হাজার বার বলেছি যে নাম্বার দিন শুধু বলছে তার হাসব্যান্ড কথা বলতে পারবে না।”
ঠিক তখন মেরাবের ফোনে স্নেহা কল দেয়। মেরাব আসিফকে বলল,
“কোনো সাউন্ড করে না যেনো!”
“ঠিক আছে। ”
মেরাব কল রিসিভ করে একটু সাইডে যায়। স্নেহা ওপাশে থেকে ঘুম জড়ানো গলায় বলল,
“কই আপনি? এই রাতের বেলা কোথায় গিয়েছেন? ”
“তুমি ঘুমাও আমি একটু পরে আসছি!”
“না, আপনি এখনই আসুন! আর কোথায় আছেন বলুন, ড্রইং রুমে না ছাদে? আমি আসছি!”
“আমি বাবার সাথে কথা বলছি একটু পরে আসছি। ”
“ঠিক আছে। তাড়াতাড়ি আসবেন।”
“হুম, ঘুমাও তুমি। ”
“দেরি হলে কিন্তু খবর আছে। ”
“ঠিক আছে। যা করার করো রাখছি। ”
মেরাব কল কেটে দিয়ে আবারও ওদের সামনে আসে। মহিলাটিকে তাড়া দিয়ে বলল,
“আমার হাতে বেশি সময় নেই। তাই অযথা কথা ঘোরাবেন না। যা বলছি তাড়াতাড়ি উত্তর দিন। আফনান মির্জার সাথে আপনাদের কি সম্পর্ক? ”
মহিলাটা আর তার মেয়ে দুজনে দুজনার মুখ চাওয়া চাওয়ি করলো। মহিলাটা অবাক হয়ে বলল,
“তুমি উনাকে চেনো? ”
“হ্যা, চিনি। এখন বলুন উনার সাথে কি সম্পর্ক আপনার। কেনো উনি আপনার বাড়িতে যায়?”
মহিলাটি চুপ করে রইলেন।
মেরাব রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে চুপটি করে দাড়িয়ে রইলো। স্নেহা ঘুমিয়ে আছে। মেরাব স্নেহার সাথে দুষ্টামি করতে স্নেহার নাম্বারে কল দিলো। স্নেহা ঘুমের ঘোরেই কলটা রিসিভ করে কানে নিয়ে বলল,
“হ্যালো কে? ”
মেরাব পাশে থেকে বলল,
“আমি মেরাব!”
“হ্যা বলুন! কোথায় আপনি? আসবেন না নাকি? ”
“না সকালে আসবো। ”
“কেনো? ”
“কিসের জন্য আসবো বলো? বিয়ে করেছি বউই কাছে আসে না।”
স্নেহা ঘুম জড়ানো গলায় বলল,
“আপনার বউ তাহলে পচা। ”
মেরাব ঠোঁট কামড়ে হেসে বলল,
“তাহলে বউকে কি করা যায় এখন? ”
“কি আর করবেন তুলে আছাড় মারবেন!”
মেরাব হেসে ফোন কেটে দিয়ে বিছানায় এসে শুয়ে পড়ে। স্নেহার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে ফোনটা নিয়ে স্নেহাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায়। ঠিক তখন স্নেহা ধরফড়িয়ে উঠে বসে। আসফাঁস করতে করতে বলল,
“কে কে আপনি? ”
মেরাব উঠে বসে বলল,
“আমি!”
স্নেহা মেরাবের কণ্ঠ শুনে বলল,
“ওহ আপনি। আপনি না মনে হলো একটু আগে বললেন আসবেন না তাহলে আবার এখানে আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। ”
মেরাব স্নেহার মাথায় হালকা চাপর মেরে বলল,
“কি যা তা বলছো! আমি কখন বললাম যে আসবো না। ঘুমের ঘোরে তোমার তাল ঠিক নেই।”
স্নেহা আর কিছু বলল না। শুয়ে পড়তে পড়তে বলল,
“ঠিকই বলেছেন। তাল ঠিক নেই। আসলে দুইটা রাত ধরে ভালো করে ঘুম হচ্ছে না তাই এখন খুব ঘুম পাচ্ছে।”
মেরাব স্নেহার ফোনটা নিয়ে এখনকার কলটা রিমুভ করে দিলো। সকালে উঠে স্নেহাকে বোকা বানাবেই। মেরাব ফোন রেখে স্নেহাকে নিজের দিকে এনে জড়িয়ে ধরে ঘুমালো।
সকাল দশটা,,,
স্নেহার আগেই ঘুম ভেঙেছে মেরাবের ঘুম ভাঙেনি। স্নেহা ড্রইং রুমে বসেছিলো সাইদার সাথে। মৌ মারুফুল খানের সাথে কলেজে চলে গিয়েছে। স্নেহা ইচ্ছে করেই গেলো না।
মেরাবের ঘুম ভাঙতেই ফোন হাতে নিয়ে দেখে সকাল দশটা বেজে চল্লিশ মিনিট। মেরাব চট করে উঠে বসে। আজ কলেজে যেতে চেয়েছিলো। আর ঘুমই ভাঙলো এতো দেরিতে। মেরাব ফোন রেখে বিছানায় থেকে নেমে ওয়াশরুমে চলে গেলো। ফ্রেশ হয়ে হাত-মুখ মুছতে মুছতে বের হলো। স্নেহা তখন রুমে এসে বলল,
“আপনার ঘুম এতোক্ষনে ভাঙলো। আর কালকে বললেন কে কলেজে যাবেন। ”
“আমি না হয় ঘুম থেকে উঠতে পারিনি বলে যেতে পারলাম না। তুমি গেলে না কেনো? বাবার সাথে চলে যেতে!”
স্নেহা বলল,
“আপনি অসুস্থ আর আপনাকে রেখে যাবো কি করে? এর থেকে আপনি যেদিন যাবেন আমিও সেদিন যাবো।”
“আমার জন্য তুমি কেনো নিজের পড়াশোনায় স্যাক্রিফাইস করবে! ভালো স্টুডেন্ট তো তুমি।”
স্নেহা ঠোঁট বেকিয়ে বলল,
“যাক, আপনার মুখ থেকে অন্তত একটা ভালো কথা বের হলো।”
মেরাব রেগে গিয়ে বলল,
“কেনো আমি কি ভালো কথা বলিনা?”
“না।”
“তুমি নিজেও তো বলো না।”
স্নেহা এগিয়ে আসতে আসতে বলল,
“কি বললেন আমি ভালো কথা বলিনা?”
“না, ভুলভাল কথা বলো!”
“কি ভুলভাল বলেছি?”
“ওয়েট, শোনাচ্ছি!”
“কি শোনাবেন দেখি!”
মেরাব নিজের ফোন এনে রাতের স্নেহার বলা কথাগুলোর রেকর্ডটা শোনালো। স্নেহা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে বলল,
“আমি আমাকে আছাড় মারতে বলিনি।”
“তাহলে কে বলেছে?”
স্নেহা রিনিয়ে রিনিয়ে বলল,
“আমিই বলেছি। আসলে ঘুমের ঘোরে আমার তাল ঠিক ছিলো না।”
“তাল ঠিক ছিলো না বলে বেঁচে গেলে। নাহলে সত্যিই আছাড় মারতাম।”
স্নেহা ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে রইলো। মেরাব রুম থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে বলল,
“খিদে পেয়েছে চলো!”
“হুম, চলুন!”
দুপুরের দিকে মেরাব স্নেহাকে ডাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে। কয়েকবার ডেকেছে কিন্তু সাড়া পায়নি। তাই নিজেই নিচে চলে আসে। স্নেহা ড্রইং রুমে সোফায় বসে টিভি দেখছিলো। মেরাব এগিয়ে এসে স্নেহার থেকে রিমোটটা ছো মেরে নিয়ে টিভি বন্ধ করে বলল,
“কখন থেকে ডাকছি তোমায়? ”
“কি বলবেন বলুন! আর রিমোট নিলেন কেনো?”
“আমার ইচ্ছে হয়েছে তাই নিয়েছি। ”
“দিন বলছি!”
“দেবো না!”
স্নেহা উঠে দাঁড়িয়ে রিমোট নিতে গেলে মেরাব নিজের হাত উপরে উঠালো। স্নেহা লাফিয়ে লাফিয়ে ধরতে নিয়েও ধরতে পারলাম না। স্নেহা যতই উঁচু হয়ে ধরতে চাইছে মেরাব ততই নিজের হাত উপরে তুলছে। দুজনের ধস্তাধস্তিতে মেরাব স্নেহাকে নিয়ে সোফায় পড়ে যায়। মেরাব স্নেহার কোমরে হাত রেখে বলল,
“ইশ, রেগে গেলে তোমায় যা লাগে! অসম্ভব সুন্দর লাগে। ”
স্নেহা নিজের অবস্থান বুঝতেই লজ্জা পেয়ে যায়। নড়াচড়া শুরু করে দেয়।
দুজনের এইরকম সুন্দর মুহূর্তে বাড়ির মেইন দরজা দিয়ে ঢুকলেন মারুফুল খান। তিনি ওদের দুজনকে দেখে না এগোতে পারছেন, না পিছাতে পারছেন। তাই তিনি গলা খাকারি দিয়ে উঠলেন। সাথে সাথে স্নেহা মেরাবের বুকের উপরে থেকে সরে গেলো। এমন একটা লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে আগে বুঝতেই পারেনি। স্নেহা একপ্রকার দৌড়েই সিঁড়ি বেয়ে উপরে চলে গেলো। মেরাবও পকেটে হাত গুজে উপরে চলে গেলো।
সন্ধ্যার দিকে সবাই ড্রইং রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছিলো। স্নেহা আর মেরাব নিজেদের রুমে ছিলো। কথা বলতে বলতে মারুফুল খান ঠিক করেন গ্রামের বাড়িতে যাবেন। কলেজও কয়েকদিন বন্ধ। আর এউ ঠিক করেন গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরে এসে মেরাবের বিয়ের গেট টুগেদারটা সেরে ফেলবেন। সবাই যাওয়ার জন্য রাজি। মূলত মারুফুল খানেরই আইডিয়া এটা। মেরাব আর স্নেহা যেনো নিজেরা নিজেদের মতো করে থাকে এই জন্যই তিনি সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাবেন।
সকাল হতেই সবাই গ্রামে যাওয়ার জন্য রেডি হয়। মেরাব ঘুমিয়েই আছে। স্নেহা নিচে সবার কাজকর্ম দেখছে। একটা কথা তার মাথায়ই ঢুকছে না সবাই যাচ্ছে কিন্তু ওদের দুজনকে কেউ যেতে বলল না কেনো?
ভাবতে ভাবতে সবাই যাওয়ার জন্য বের হলো। স্নেহা ফাহমিদা খানকে বলেই উঠলো,
“মামনি তোমরা হুট্ করে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছো কেনো?”
ফাহমিদা খান স্নেহার হাত ধরে বললেন,
“স্নেহা, আমরা গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি যাতে তু্ই আর মেরাব নিজেদের মতো করে থাকতে পারিস। তবে মন খারাপ করিস না আমরা ফিরে এলে তোরা দুজনে আবার না যাবি। ”
স্নেহা মাথা নাড়িয়ে বলল,
“ঠিক আছে। কিন্তু তোমাদের মিস করবো অনেক। তাড়াতাড়ি ফিরে এসো।”
“ঠিক আছে। আর মেরাবের খেয়াল রাখিস।”
“আচ্ছা।”
সবাই চলে যেতেই স্নেহা মেইন দরজা লাগিয়ে মনটা খারাপ করে উপরে চলে এলো। কাজের মহিলা রহিমা বেগমও চলে গিয়েছেন ওদের সাথে। উনি থাকলে নাহয় একটু সময় কাটতো। কিন্তু তাওতো নেই।
স্নেহা রুমে এসে দেখে মেরাব উঠে গিয়েছে। হয়তো ওয়াশরুমে। স্নেহা বিছানা গুছিয়ে ব্যালকনিতে চলে গেলো। মেরাব ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে স্নেহাকে ব্যালকনিতে দেখে নিজেও ব্যালকনিতে চলে গেলো। স্নেহা মেরাবকে দেখে বলল,
“নিচে চলুন!”
মেরাব স্নেহার সাথে নিচে চলে এলো। মেরাব ডাইনিং টেবিলে এসে বসলো। আশেপাশে কাউকে না দেখে বেশ আশ্চর্য হলো বৈকি। স্নেহাকে বলল,
“বাড়ির সবাই কোথায়?”
“গ্রামে গিয়েছে।”
“কেনো?”
স্নেহা হাত কচলাতে কচলাতে বলল,
“মামনি বলছিলো…..!”
“কি বলছিলো?”
“আসলে উনারা চাইছেন আমরা আমাদের মতো করে যেনো কিছুটা সময় কাটাই তাই আমাদের রেখে চলে গিয়েছে।”
মেরাব কথাটা বুঝতে পেরে বলল,
“ওহ। বুঝতে পেরেছি খাও!”
স্নেহা লজ্জায় মাথা নত করে বসে পড়লো মেরাবের সামনাসামনি চেয়ারে। মেরাব খেতে খেতে স্নেহার দিকে তাকালো। বেচারি লজ্জা পেয়ে গিয়েছে। মেরাব বাঁকা হেসে স্নেহার পায়ের উপরে নিজের পা রাখলো। স্নেহা সাথে সাথে মাথা তুলে তাকালো। বেশ ঘাবড়েও গেলো। আসফাঁস করতে থাকলো।
চলবে….
যারা যারা গল্প পড়বে অবশ্যই রিএক্ট দিবে। পরবর্তী পর্ব কালকে দুপুরে দিবো ইনশাআল্লাহ।
ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন!!!!!!
[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]
Share On:
TAGS: কি আবেশে, জেরিন আক্তার
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কি আবেশে পর্ব ৯
-
চোরাবালির পিছুটানে গল্পের লিংক
-
চোরাবালির পিছুটানে ৩
-
কি আবেশে পর্ব ৮
-
কি আবেশে পর্ব ৪
-
কি আবেশে পর্ব ১০(স্পেশাল পার্ট)
-
কি আবেশে পর্ব ১৫
-
কি আবেশে পর্ব ৩
-
কি আবেশে পর্ব ৬
-
কি আবেশে গল্পের লিংক