কিসঅফবিট্রেয়াল
পর্ব_১৯
লামিয়ারহমানমেঘলা
[ 🚫কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ ]
সে রাতে ঝড় বৃষ্টি আর দু’টো বিচলিত মন নিয়ে দু’জন ঘুমিয়েছিলো।
পর দিন সকালে বানু মির্জা ফজরের নামাজ পড়ে, তাজবি পড়তে পড়তে নিচে আসলেন সকালের ব্রেকফাস্ট কি হবে এটা বুঝিয়ে দিতে।
এমন সময় মেহেরীণকে লাগেজ নিয়ে নামতে দেখে অবাক হলেন তিনি।
বানু মির্জা ভ্রু কুঁচকে তাকালেন,
“কি হয়েছে মেহেরীণ? “
মেহেরীণ হকচকিয়ে গেলো বানু মির্জার কন্ঠ শুনে। দেখেই বোঝা গেলো সে বানু মির্জাকে এখানে আশা করেনি।
“আ আম্মা বেগম আপনি এত সকালে?”
“আমিত এত সকালেই উঠি। এতে নতুন কি?”
“ও তাইত। আসলে আম্মা বেগম কিছু দিন যাবত শরীরটা ভালো না। ক্লিনিক থেকে ছুটি নিয়েছি আব্বার সাথে দেখা করে আসি।”
“কায়ানকে বলেছো?”
“হ্যাঁ বলেছি।”
“জারিফ, জিনু কোথায়?”
“ওদের নিয়ে যাবে মাহমুদ। এখনত ঘুমাচ্ছে তাই ডিসটার্ব করছি না৷”
বানু মির্জা মেহেরীণকে সন্দেহের চোখে দেখলেও বিশেষ কোন বিচার করলেন না।
মেহেরীণকে যেতে দিলেন।
মেহেরীণ তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গেলো বাড়ি থেকে।
বাহিরেই ওর গাড়ি ছিলো। ড্রাইভার কে না নিয়ে নিজেই বেরিয়ে গেলো।
বেশ বেলা করে কায়ান ঘুম থেকে উঠলো।
কাল সারাটা রাত বৃষ্টি হয়েছে এখন রোদ হচ্ছে হালজা আবার মেঘও করছে।
মোটামুটি রোদ, মেঘের খেলা চলছে।
আজ কায়ানের অফিসে যেতেই হবে।
সেক্রেটারি কল করেছিলো তার৷
কায়ান সম্পূর্ণ রেডি হয়ে নিচে নামে।
জেবরান, শিমুল, আহি, বানু মির্জা সবাই ততক্ষণে ব্রেকফাস্ট টেবিলে ব্রেকফাস্ট করছে।
কায়ান গিয়ে মায়ের পাশে বসে।
জারিফ, জিনুকে তাদের ন্যানি খাবার খাওয়াচ্ছে।
“কায়ান, মেহেরীণ সকাল সকাল তড়িঘড়ি করে বাপের বাড়ি গেলো। তুই জানিস কেন? কিছু হয়েছে?”
কায়ান থেমে গেলো।
সে মায়ের দিকে তাকায়।
এরপর উত্তর দিলো,
“না তেমন কিছু হয়নি। হয়ত কোন পার্সোনাল রিজন ছিলো৷”
“দেখে মনে হলো আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছিলো।”
কায়ান বাঁকা হাসে।
“ঘাবড়ে ছিলো নাকি?”
“হ্যাঁ।”
কায়ান মায়ের প্লেটে খাবার তুলে দিতে দিতে বলে,
“রিলাক্স আম্মা বেগম কিছুই হয়নি।”
“না হলেই ভালো৷”
সবাই ব্রেকফাস্ট করে এরপর যে যার কাজে বেরিয়ে যায়।
মেহেরীণ নেই তাই শিমুলই বাচ্চা দু’টোকে দেখাশোনা করতে থাকে।
কুমিল্লাতে,
সেরিন সকাল সকাল মা বাবার সাথে নাস্তা করে।
আবু সুফিয়ান তাদের বিলের জমিতে গিয়েছেন। কালকের ঝড়ে তাদের ঘেরের গাছ গুলোর ক্ষতি হয়েছে।
সেরিন নাস্তা করে রুমে যা রেডি হতে।
কলেজ টিচার কেন ডাকল এটা শুনতে হবে।
সেরিন রেডি হয়ে বেরিয়ে আসে।
“আম্মু আমি কলেজ গেলাম।”
নূরবানু সিকদার তখন উঠান ঝাড় দিচ্ছিলেন। রাতের ঝড়ে উঠানে অনেক নোংরা জমে গিয়েছে।
মেয়ের ডাকে তিনি সাড়া দিলেন,
“আচ্ছা যাও।”
সেরিন বেরিয়ে যায়।
বাড়ির সামনে থেকে একটু এগোলেই সরু একটা রাস্তা। সেই রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে প্রায় দশ মিনিট গেলে তাদের কলেজে পৌঁছানো যায়। কলেজটা যেন প্রকৃতির কোলে বসে আছে, এক পাশে বিশাল শাপলা বিল, যেখানে সাদা-লাল শাপলা ফুলগুলো পানির বুকে ভেসে থাকে, যেন কেউ যত্ন করে সাজিয়ে রেখেছে। সারাবছরই সেখানে পানি থাকে, আর মৌসুম এলে সেই পানির মাঝেই সবুজ ধানের ঢেউ দুলতে থাকে, দেখলে মনে হয় প্রকৃতি নিজেই ছবি এঁকেছে।
রাস্তার অন্য পাশেও আবার বিল, যতদূর চোখ যায় শুধু জল আর সবুজের মেলা। চারদিক ঘিরে আছে বিস্তৃত বিল, আর তার মাঝখান দিয়ে সোজা চলে গেছে সরু পথটা। রাস্তার দু’পাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কিছু ছোট ছোট ঘরবাড়ি, দু-একটা দোকান আর একটি শান্ত মসজিদ, সব মিলিয়ে জায়গাটা যেন এক শান্ত গ্রামের গল্প বলে।
এই বিলের পরিবেশে একটা অদ্ভুত স্নিগ্ধতা আছে। বাতাসে সবসময়ই একটা ঠাণ্ডা ছোঁয়া, যেন মনকে ছুঁয়ে যায়। আর যখন বৃষ্টি নামে, তখন সেই সৌন্দর্য যেন কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বৃষ্টির ফোঁটা পানির ওপর পড়ে ছোট ছোট বৃত্ত তৈরি করে, চারপাশটা কেমন স্বপ্নের মতো লাগে।
পাঁচতলা ভবনের ছাদে উঠে দাঁড়ালে পুরো জায়গাটা চোখের সামনে খুলে যায়। চারদিকে শুধু সবুজ আর নীলের মিশেল,দূরের বিল, ভাসমান শাপলা, আর আকাশের সাথে মিশে যাওয়া দিগন্ত। এই দৃশ্যটা সেরিন প্রায়ই দাঁড়িয়ে দেখে। তার প্রকৃতি-ভালোবাসা মনটা এমন দৃশ্য দেখে একেবারে ভরে যায়, যেন এই শান্ত, সুন্দর পৃথিবীটাই তার নিজের ছোট্ট স্বর্গ।
সেরিন কলেজে গিয়ে স্যারের খোঁজ করে।
আজ কলেজ খোলা ছিলোনা তবে আসলাম স্যার বাচ্চা দের টিউশন দেয়।
সেখানেই দেখা হলো সেরিনের সাথে।
সেরিন ভেতরে গিয়ে স্যারকে সালাম দিলো,
“আসসালামু আলাইকুম স্যার৷”
“ওয়ালাইকুম সালাম। কেমন আছো সেরিন?”
“আলহামদুলিল্লাহ ভালো।
স্যার ডেকেছিলেন?”
“হ্যাঁ তোমায় ডেকেছিলাম৷ আমার সাথে একটু এসো।
বাচ্চারা সবাই মনোযোগ দাও পড়ায়। আমি আসছি৷”
আসলাম ভুইয়া বাচ্চা দের পড়তে রেখে সেরিনকে নিয়ে নিচে এলেন।
এক সাইডে প্লে গ্রাউন্ড অনেক বড়৷
সেখানে মনে হলো আর্মিরা জগিং করছে।
সেরিন ভ্রু কুঁচকে তাকায়।
আসলাম ভুইয়া একজনের নাম ধরে ডাকলেন,
“সাহারিয়ার৷”
আসলাম ভুইয়ার ডাকে একজন সুদর্শন আর্মি ক্যাপ্টেন সাড়া দিলো।
সে পাশেই ছিলো। এগিয়ে এলেন আসলাম ভুইয়ার দিকে,
“আঙ্কেল। আসসালামু আলাইকুম।”
“ওয়ালাইকুম সালাম। সাহারিয়ার দেখো কাকে নিয়ে এলাম!”
ছেলেটা সেরিনের দিকে তাকায়। সেরিন তখনো অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে। সিচুয়েশন টা কেমন এটাই সে বুঝতে পারছে না।
আসলাম ভুইয়া সেরিনকে কানফিউস’ড দেখে বললেন,
“সেরিন তুই আমার প্রিয় ছাত্রী। ও হচ্ছে আমার বোনের ছেলে সাহারিয়ার আশিক। ক্যাপ্টেন।
এখানে আর্মি ক্যাম্প হয়েছে তাই ওর আন্ডারে সবাই। ওরা এখানেই থাকে। ভাবলান দুজনের পরিচয় করিয়ে দেই।”
“ও আচ্ছা৷
আসসালামু আলাইকুম।”
সাহারিয়ার মিষ্টি হেসে জাবাব দিলো,
“ওয়ালাইকুম সালাম। দেখা হয়ে ভালো লাগলো সেরিন৷”
সেরিনও হাসল।
ওখানে কিছুক্ষণ থেকে সেরিন বাড়িতে চলে এলো।
তবে সে বুঝলো না আসলাম স্যার কেন তাকে ক্যাপ্টেন সাহারিয়ারের সাথে দেখা করালো।
বাড়িতে এসে সেরিন মাকে সব বলল।
নূরবানু সিকদার তেমন কিছু বললেন না। তাই সেরিনও কিছু মনে করলো না।
এভাবেই দিন কাটলো,
বিকালের দিকে অফিসের জমে থাকা সকল কাজ সম্পূর্ণ করলো কায়ান।
টায়ার্ড সে।
ওদিকে মনটা তার ভিনদেশে পড়ে আছে।
কোন ভাবেই মন টিকছে না এখানে।
কায়ান সিদ্ধান্ত নিলো সে কুমিল্লা যাবে। ফজরের সময় কাউকে না জানিয়েই চলে আসবে সেরিনকে দেখে।
যে ভাবা সে কাজ।
কায়ান গাড়ির চাবি নিয়ে বেরিয়ে যায় কুমিল্লার উদ্দেশ্যে।
বিকালের দিকে সেরিন একটু হাঁটতে বের হয়।
ফোনটা নেই সারাটা দিন মরা মরা লাগে।
সেরিন হাঁটতে হাঁটতে হটাৎ ক্যাপ্টেন সাহারিয়ারের সাথে দেখা হয়।
“হেই সেরিন। “
সেরিন দাঁড়িয়ে যায়। তার মনের ভেতরেত কায়ান ছিলো।
কায়ানকে মনে করতে করতে হাটছিলো।
এমন সময় হটাৎ সাহারিয়ার কে দেখে সে ভ্রু কুঁচকে তাকায়৷
“হেই! “
“খুশি হও নি আমাকে দেখে?”
“না তা নয়৷ কেমন আছেন?”
“আলহামদুলিল্লাহ। তোমাকে দেখে বেশ ভালো লাগছে।”
সেরিন মৃদু হাসলো।
“যদি কিছু মনে না করো হাঁটবে আমার সাথে?”
“উম ওকে৷”
সাহারিয়ার পথ ধরলো।
সেরিন পাশে। দু’জন হাঁটছে রাস্তা ধরে। রাতের বৃষ্টি চারিদিক পরিষ্কার করে দিয়ে গিয়েছে। সবুজ যেন আরও সতেজ হয়েছে।
দু’জন হাঁটলেও দু’জনের মাঝে কোন কথা হচ্ছিলো না।
কিছুটা দুর হাঁটতে হটাৎ আকাশে ঘনিয়ে এলো কালো মেঘ।
সাহারিয়ার আকাশ পানে তাকিয়ে বলে,
“এই যাহ বৃষ্টি নামবে বোধ-হয়।”
“তাহলে বাড়ি ফেরা ভালো। বৃষ্টি এখন শুরু হলে সারা রাত থাকবে৷”
“আচ্ছা চলো তোমায় পৌঁছে দেই৷”
“না না আমিই যেতে পারবো। আপনাকে কষ্ট করতে হবেনা৷”
“আরে কষ্ট কিসের। তা ছাড়া তোমায় একা ছেড়ে আমি শান্তি পাব না।”
সেরিন অবাক হলো কথাটা শুনে। তবে সে কিছু বলবে তার আগেই আকাশ ভেঙে বজ্রপাত শুরু হলো।
সেরিন ভীষণ ভয় পায় বজ্রপাত। সে কানে হাত দিয়ে বসে পড়লো।
সাহারিয়ার হাঁটু ভাজ করে বসে সেরিনের সামনে,
“হেই সেরিন রিলাক্স আমি আছিত৷”
এমন সময় আবারো বজ্রপাত, চারিদিকে আলো আলো হয়ে গেলো। সেরিন ভয় পেয়ে যায় আরও।
সাহারিয়ার সেরিনের হাত ধরে বসে।
সেরিন ভয়ে কাঁপছে।
এর মধ্যে শুরু হলো বৃষ্টি।
সেরিন মাথা তুলে তাকায়।
“রিলাক্স আমি আছিত৷”
সাহারিয়ার তখন সেরিনের খুবই কাছে।
সেরিন কিছু বলবে তার আগেই হটাৎ দু’টো শক্ত হাত সেরিনকে টান দিলো।
সেরিন হুমড়ি খেয়ে তার বুকে গিয়ে পড়লো।
পজেসিভ দু’টো হাত সেরিনের কোমড় জড়িয়ে ধরলো।
সেরিন পিট পিট করে তাকায় বৃষ্টির ভেতরে।
কায়ানের চোখে ক্রোধ স্পষ্ট৷
তবে সেরিন যেন ভয় ডর সব ভুলে গেছে। সে এক দৃষ্টিতে বৃষ্টির মাঝে কায়ানের দিকে তাকিয়ে আছে।
কায়ান পেছনে থাকা সাহারিয়ারের দিকে একটা ছাতা ছুড়ে দিলো,
“কিপ ইট৷ কাজে দিবে।”
কথাটা বলে কায়ান, সেরিনকে টেনে নিজের গাড়িতে নিয়ে গেলো।
সাহারিয়ার পেছনে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে রইলো সেদিকে।
নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে রইলো।
সেরিনকে স্পর্শ করার পর তার ভেতরে অদ্ভুত এক অনুভুতি সৃষ্টি হয়েছে।
তবে কায়ানকে নিয়ে সে কানফিউস’ড।
বেশ অনেকটা দুরে একটা খোলা রাস্তায় কায়ান গাড়ি থামায়৷
সেরিন ভয়ে চুপ করে আছে।
কায়ান গাড়ি থামিয়ে সেরিনের দিকে তাকায়৷
“একটা সুন্দর এক্সপ্লেনেশন চাই সেরিন।”
সেরিন পিট পিট করে তাকায়।
কায়ান তা দেখে গম্ভীর কন্ঠে বলে,
“কিউট সেজে কাজ হবেনা। ছেলেটা রীতিমতো রাস্তার মাঝে তোমাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলো৷”
সেরিন অবাক হয়।
“আমাকে জড়িয়ে কখন ধরলো?”
“পেছন থেকে ঠিক ওমনই দেখা যাচ্ছিলো। ছেলেটা কে?”
“ছ ছেলেটা ক্যাপ্টেন। আসলাম স্যারের আত্মীয় সকালে পরিচয় করিয়ে দিলো। আমি এর থেকে বেশি কিছু জানিনা৷”
“বাহ এক্সিলেন্ট। চেনো না জানো না একটা ছেলের হাত ধরে রাস্তায় বেরিয়ে গেলে সে আবার তোমাকে জড়িয়ে ধরছে তাই?”
“না এমন না।”
কায়ান এগিয়ে গিয়ে সেরিনের চুল গুলো শক্ত করে মুঠোবন্দি করে নেয়। দাঁতে দাঁত চেপে বলে,
“তাহলে কেমন সেরিন?”
সেরিন ভয় পেয়ে যায়৷
সে ঠান্ডা এবং ভয় উভয় অনুভুব করে কাঁপছে। ওর গোলাপি ঠোঁট দু’টোও কাঁপছে।
কায়ান সব ভুলে সে কম্পিত ঠোঁট দুটোর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রয়।
এরপর কিছু না বলেই আকড়ে ধরে সেরিনের ঠোঁট।
সেরিন চোখ বন্ধ করে নেয়।
কায়ান চোখ বন্ধ করে সেরিনের ঠোঁট থাকা বৃষ্টির ফোঁটা গুলো শুষে নিতে শুরু করে।
সেরিন খামচে ধরে কায়ানের সার্ট।
কিছুক্ষণ পর কায়ান সরে আসে। সেরিন তখনো ঘনঘন নিঃশ্বাস নিচ্ছে।
কায়ান সেরিনের ঠোঁটে বৃদ্ধা আঙ্গুল রাখে,
“জানো আমি কতটা ডেস্পারেট ছিলাম তোমার জন্য? ছুটে এসেছি চট্টগ্রাম থেকে। এখানে এসে তোমাকে অন্য কারোর সাথে দেখে আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছিলো সেরিন৷”
“আ আমি ও ওনাকে সত্যি চিনি না৷”
“ওর সাথে যেন আর তোমাকে না দেখি। সেরিন আমি অনেক ভালো।
কিন্তু কতটা খারাপ তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।
আমার খারাপ রূপ দেখতে চাইও না। সইতে পারবে না।”
সেরিন মাথা নামিয়ে নেয়৷
কায়ান সেরিনের থুতনি ধরে উঁচু করে মুখটা।
সেরিন চোখ তুলে তাকায়৷
“আই লাভ ইউ সেরিন৷”
কথাটা বলে কায়ান সেরিনের ঘাড়ে ঠোঁট রাখে৷ সেরিন কেঁপে ওঠে৷
কায়ান বাঁকা হাসে।
চলবে?
Share On:
TAGS: কিস অফ বিট্রেয়াল, লামিয়া রহমান মেঘলা
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ৮
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ২
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৪৫ [ ঈদ স্পেশাল ]
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ১৩
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৩
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ১০
-
জেন্টাল মন্সটার পর্ব ৩
-
কিস অফ বিট্রেয়াল পর্ব ১৭
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ৩০
-
জেন্টাল মনস্টার পর্ব ২৭