ওরামনেরগোপনচেনেনা
পর্ব সংখ্যা [১১] ( রোমান্টিক এলার্ট)
[ প্রাপ্তমনস্কদের জন্য ]
রাত বাড়ছে হু হু করে। নিস্তব্ধতা গ্রাস করেছে গোটা শহরটাকে। কোথা থেকে যেন বাজির শব্দ আসছে। বেলকনির কপাট খোলা। মৃদু বাতাসে উড়ছে ঘরের সফেদ পর্দা গুলো। দু হাঁটুতে মুখ গুঁজে খাটের হেডবোর্ডে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আছে মৃত্তিকা। পরনের শাড়িটিও অবসন্নতায় খোলা হয়নি। চুলগুলো বাঁধা হয়নি। অগোছালো, অবিন্যস্ত হয়ে পিঠে ছড়িয়ে আছে তারা। বোধশক্তি কাজ করছে না মৃত্তিকার। সপ্তাহ দুয়েক পরে তার বিয়ে, তার কেমন প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত? কিভাবে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করা উচিত? নিঃসন্দেহে সাকিব ছেলেটা ভালো। সবটা জানার পরেও ছেলেটা যে বিয়েতে রাজি হবে, মৃত্তিকা ভাবেনি। বরং দুরুদুরু বুক কাঁপছিল তার। ভেবেছিল গিয়ে সবাইকে সবটা বলে দেবে সাকিব, ভেঙে দেবে কিছু সময়ের এই নামহীন সম্পর্ক। কিন্তু ছেলেটা তা করেনি। বরং মৃত্তিকাকে নিজের করার জন্য সব পন্থা অবলম্বন করেছে।
চুপচাপ বসে আছে মৃত্তিকা। কান্না আসছে না, মন খারাপ আসছে না। আবার খুশিও লাগছে না। কেমন একটা গুমট লাগছে সব কিছু। আজ বুঝি মৃত্তিকার বাবা-মা শান্তি মনে ঘুমোচ্ছেন। আজ তাদের ভেতরে কোনো চিন্তা নেই, আক্ষেপ নেই। প্রশান্তির ঘুম দিচ্ছে সকলে। ঘরে বিবাহযোগ্য মেয়ে থাকলে বাবা-মায়ের ঘুম ঠিকমতো হয় না। আজ তাদের সুখ দিতে পেরে মৃত্তিকা নিজেও সুখী। মুঠোফোনের ভাইব্রেশনের কারণে খাট ও কাঁপছে। আফিম সন্ধ্যা থেকে শতাধিক বার কল করেছে, টেক্সট করেছে শত শত। মৃত্তিকা ইচ্ছে করে কল দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে। ভাইব্রেট করে রেখেছে ফোন। আফিমের সাথে কথা বলার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। লোকটা আজকাল বাড়াবাড়ি করছে খুব। এবারে মৃত্তিকা খুব বিরক্ত হলো। ফোনটা হাতে তুলে নিল সুইচড অফ করার উদ্দেশ্যে। রাগান্বিত হয়ে ফোনটা হাতে নিতেই ফোনের সিমে পাঠানো আফিমের একটা টেক্সটে গিয়ে চোখ আটকায় মৃত্তিকার। ক্রমাগত মেসেজ করেই যাচ্ছে আফিম। লিখেছে,
“- খোদার কসম, তোরে হাতে পাই। যতটা পুড়াইতেছোস, তার চেয়ে শতগুণ বেশি পুড়াইয়া ছাই করবো।”
পরক্ষণেই আরো একটি মেসেজে লিখেছে,
“- না, তোকে পোড়াবো না। বুকে পিষে মেরে ফেলবো। এমন ভাবে ধরবো, কান্নাকাটি করলেও ছাড় পাবি না।”
আবারও একই সুরে মেসেজে লিখেছে,
“- মৃত্ত আমার গা জ্বলতেছে, আমি আকাম কুকাম করে ফেলবো। তোর বাড়িতে গিয়ে তুলে নিয়ে আসবো তোকে। তখন মান-সম্মানের ভয়ে ফ্যাচ ফ্যাচ করলে বন চটকানা মেরে চেহারার আকৃতি বদলে দেবো”।
পরপর আবারও মেসেজ। লোকটা এত দ্রুত টাইপ করছে কি করে? মৃত্তিকা ভেবে পায় না।
“- ফোন ধরবি না? এটাই লাস্ট, আমি তোর বাড়ির সামনে। ফোন না ধরলে তোর বাড়ির সবার ঘুম আমি হারাম করে দিবো মৃত্ত, আমি কিন্তু ভালো মানুষ না। আমার মেজাজ খারাপ করিস না। মান সম্মানের ভয় আমার নাই। আমি সত্যিই ঢুকে পরবো”।
আতঙ্কে মৃত্তিকার গা হীম হয়ে আসে। ঠক ঠক করে কাঁপে দুর্বল দেহ খানা। চিত্ত চনমনে হয়ে ওঠে মেয়েটার। দ্রুত বিছানা থেকে নামে সে। নগ্ন পায়ে এগিয়ে যায় বেলকনির দিকে। আফিম দাঁড়িয়ে আছে। হাতের মুঠোফোন কানে চেপে এদিকেই দৃঢ় চোখে তাকিয়ে আছে। মৃত্তিকার ফোন ভাইব্রেট হচ্ছে। এতটা দুরত্বে অবস্থান করার পর ও মৃত্তিকা টের পাচ্ছে আফিম রেগে আছে। ফর্সা মুখ রাগে লাল হয়ে আছে তার। সবুজাভ তীক্ষ্ণ, সূচালো দৃষ্টি এদিকেই সীমাবদ্ধ। তার চাহনি বড্ড ভয়ঙ্কর ঠেকছে মৃত্তিকার নিকট। দূরে থেকেও বুঝতে পারছে আফিম ভয়ানক রেগে আছে, মৃত্তিকাকে সামনে পেলে সব ক্ষোভ উগরে দেবে লোকটা। মৃত্তিকা কম্পিত হাতে ফোনটা কানে তোলে। সাথে সাথে হিংস্র, তেজী সিংহের ন্যায় গর্জন করে ওঠে আফিম। প্রচন্ড চেঁচিয়ে হুংকার ছেড়ে বলে,
“- তোর বিয়ে করার সাধ আমি মেটাবো। একটু এলাকা থেকে বের হয়েছি, এই সুযোগে বিয়ে করার প্ল্যান করেছিস? তোর কত্ত বড় কলিজা, আমি আজ মেপে যাবো”।
আফিমের ভয়ঙ্কর কণ্ঠের হুমকি শুনে মৃত্তিকা ভয় পায় খুব। ফোনটা কান থেকে সরাতেই পুনরায় কর্কশ আওয়াজে ফোনে শাসায় ছেলেটা,
“- ভালোবাসার মায়রে সালাম। কল কেটে দেয়ার সাহস করিস না, প্রাণ নিয়ে নেবো। ফ্যালনা মনে হয় আমাকে? আমার কথা তোর কানে ঢোকে না? বলেছি না তোকে বিয়ে করবো? এই নাটক করলি কেন”?
মৃত্তিকা সাহস সঞ্চয় করে একটু দৃঢ় স্বরে বলে,
“- আপনি শুধু শুধু এমন করছেন। আমার ইচ্ছে হয়েছে আমি বিয়ে করছি। আপনার কেন লাগছে? আপনার কথায় চলতে হবে আমাকে?”
রেগে বোম হয়ে যায় আফিম। রাগে তার দেহ কাঁপছে। খট করে কলটা কেটে দেয় সে। মৃত্তিকা বেলকনি থেকে সরে বিছানায় আসে। ওদিকে আফিম তার ছেলেপেলেদের দিয়ে একটি মস্ত বড় মইয়ের ব্যবস্থা করে। মৃত্তিকাকে না জানিয়েই মই বেয়ে উপরে ওঠে সে। মৃত্তিকার ঘরের দু তলার বেলকনিতে এসে সে লাফিয়ে নামে গ্রিল থেকে। শব্দ হয় কিছুটা। মৃ্ত্তিকা শোয়া থেকে উঠে বসে। শরীরটা খারাপ লাগছে। দেহের তাপ, উষ্ণতা তড়তড় করে বাড়ছে। জ্বর আসছে বোধহয়। চোখ দুটোও বুজে আসছে আপনা-আপনি। আফিমের আগমন টের পেতেই ছলকে ওঠে তার হৃদয়। চিৎকার করতে চাইলেই এগিয়ে এসে মৃত্তিকার মুখ চেপে ধরে আফিম। হিসহিসিয়ে বলে,
“- একদম চেঁচাবি না। ভয় আছে তোর? ভয় থাকলে কি আর এত বড় কাণ্ড ঘটাতে পারতি? সেয়ানা হয়ে গেছিস না? আফিম মির্জাকে ভয় পাচ্ছিস না একটুও”।
মুখ থেকে আফিমের হাত টা সরানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে মৃত্তিকা। আফিম টের পায় মেয়েটার নরম গাল দুটো খুব গরম। ফের শাসিয়ে বলে,
“- ছেড়ে দিচ্ছি, চেঁচালে কিন্তু তোরই ক্ষতি হবে। এলাকার মানুষজন তোকে আমার নামে কবুল পড়িয়ে ছাড়বে।”
মৃত্তিকা থমকে তাকায় ড্যাবড্যাব করে। তার মুখের থেকে হাত সরিয়ে নেয় আফিম। মৃত্তিকা নত অথচ তেজী কণ্ঠে বলে,
“- আমাকে শান্তিতে বাঁচতে দিচ্ছেন না কেন? কোন সাহসে আমার ঘরে ঢুকেছেন”?
গর্জে ওঠে আফিম নিজেও। বিছানার চাদর চেপে বলে,
“- যে সাহসে তুই বাগদান করে ফেলেছিস, ঠিক সেই সাহসে”।
মৃত্তিকার কণ্ঠ ভার হয়ে আসছে। কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। আফিম মৃত্তিকার আপাদমস্তকে নজর বুলিয়ে নেয়। আলতা রঙের শাড়ি পরিহিত শুভ্র কন্যা। চুলগুলো ছেড়ে দেওয়া। অপরূপা লাগছে মেয়েটাকে, তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করছে দীর্ঘক্ষণ। আফিম ভেবেছিল মেয়েটাকে বড়সড় শাস্তি দেবে,খুব রাগ দেখাবে, কান্না করাবে মৃত্তিকাকে। কিন্তু তা আর পারল কই? অত্যাধিক সুন্দর রমণীর সৌন্দর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। নিভু নিভু আলোয় সুশ্রী মেয়েটাকে মারাত্মক নেশালো মনে হচ্ছে। রাগ গলে যায় আফিমের। গজগজ করা থেমে যায় তার। নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে রয় মৃত্তিকার দিকে। নিজের আচরণে নিজেই ভড়কায় আফিম। এত সহজে তার রাগ কমল কি করে? একটু আগেও তো পুরো শহরে আগুন জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছে করছিল, মৃত্তিকাকে দাবাং মার্কা চড় মারতে ইচ্ছে করছিল, ইচ্ছে করছিল এক কোপে মেয়েটার গলা নামিয়ে দিতে। হুট করেই সেই ভয়ানক রাগ কমে গেল কি করে? তাও এত দ্রুত? কিভাবে সম্ভব? মেয়েটা জাদু জানে? এক চোট বকবে বলেই তো রিস্ক নিয়ে এসেছে, অথচ মেয়েটাকে দেখে কথা ফুরিয়ে আসছে, রাগ-জেদ কমে আসছে। এমনটা তো হবার কথা নয়।
পরক্ষণেই আফিমের স্মরণে আসে মৃত্তিকা তার জন্য সাজেনি। তাকে দেখানোর জন্য এই সাজগোজ নয়। মৃত্তিকা সেজেছে অন্য কারো জন্য। ভাবতেই রাগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দ্রুত চোখ ফেরায় মৃত্তিকার হাতের আঙুলের দিকে। চকচকে সোনার আংটিটা দেখে রাগ আরো তীব্র হয়ে ওঠে। ফুলে ওঠে তার শরীরের রগ গুলো। সবুজাভ চোখের সাদা অংশ লাল বর্ণ ধারণ করে। ভয়ঙ্কর দেখায় আফিমকে। মৃত্তিকা পিছিয়ে যায় দুদণ্ড। আফিম শান্ত কণ্ঠে বলে,
“- আংটিটা খোল”।
মৃত্তিকা কপাল কুঁচকে বলে,
“- কেন? এটা আমার বিয়ের আংটি।”
চট করে গলার স্বর বদলে ফেলে আফিম। বলে,
“- আঙুল কেটে দেবো দাঁড়া, ঘরে ছুড়ি, দা কিছু নাই”?
ছলকে ওঠে মৃত্তিকা। আফিম ছুড়ি খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পরে। ঘরের এদিক ওদিক হেটে যায়। মৃত্তিকার ভয় বাড়ে প্রচণ্ড। এমনিতেই জ্বরে চোখ মেলে রাখা দায়। শীত করছে খুব। দুর্বল লাগছে নিজেকে। আফিম ঘরে কিছু না পেয়ে বিছানায় এসে বসে। নিজের ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায়। মৃত্তিকা জ্বরে গুঙিয়ে ওঠে। ধীর কণ্ঠে বলে,
“- চলে যান, পায়ে পরি আপনার। ছেড়ে দিন আমাকে”।
মৃত্তিকার কণ্ঠটা অদ্ভুত ঠেকে আফিমের নিকট। চট করে পিছু ফেরে। তার দুর্বল, অসহায় চাহনি আফিমের বুকে ছুড়ি বসানোর মত যন্ত্রণা দেয়। সে দ্বিধাচকিত হয়ে এগিয়ে বসে মৃত্তিকার সম্মুখে। এবার খানিক কোমল স্বরে বলে,
‘-, শরীর খারাপ লাগছে”?
মৃত্তিকার চোখ বেয়ে দু ফোটা প্রশস্ত, মোটা পানির ধারা গড়ায়। বলে,
“- হু”।
আফিম তার আঙুলের পিঠ ছুঁইয়ে দেয় মৃত্তিকার গালে। তার শীতল আঙুলের স্পর্শে কেঁপে ওঠে মৃত্তিকা, নিঃশ্বাস আটকে যায়। নড়েচড়ে বসে মেয়েটা। মৃত্তিকার কোমল, মসৃণ, নরম ত্বকে হাত লাগতেই আফিমের দেহ শিউড়ে ওঠে। আফিম ঢোগ গেলে। জীবনে প্রথমবার কোনো মেয়ের এত কাছে আসতে পেরে খুব ভয় হয়। অবাধ্য, নিষিদ্ধ ইচ্ছেরা উঁকি দেয়ার প্রচেষ্টা চালায়। আফিম চেয়ে দেখে ভঙ্গুর মেয়েটাকে। মুখ এগিয়ে নেয় দুর্বল, নতজানু, আদুরে মেয়েটির গালের দিকে। গালে ঠোঁটের চাপ দিতে নিতেই মৃত্তিকা তার নত মুখটা উপরে তোলে। আকস্মিক ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটনা। আফিমের পুরু ঠোঁটের আলতো স্পর্শ বসে মৃত্তিকার পাতলা ঠোঁট যুগলে। মৃ্ত্তিকা চমকায়। চমকায় আফিমও। আফিম ঠোঁটের প্রলেপ মেখেই চেয়ে রয় মেয়েটির চোখ পানে। একবার ওষ্ঠ উঠিয়ে ফের শব্দ করে ছোট্ট, আলতো চুমু দেয় মৃত্তিকার ঠোঁটের মাঝে। তিরতির করে কেঁপে ওঠে মৃত্তিকা। বাঁধা দেয়ার জোর টুকুও পায় না। আফিম তার একটি হাত মৃত্তিকার গালের নিচে ঘাড়ের কাছে গলিয়ে দেয়। মুখ তুলে মৃত্তিকার দিকে চেয়ে ফিসফিস করে বলে,
“-, এটা আমাদের লাইফের ফার্স্ট কিস। আমার ঠোঁটে তোমার ঠোঁট লেগেছে, তোমার ঘাড়ে আমার হাতের ছোঁয়া লেগেছে। এখন যদি আমরা বিয়ে না করি, বড় অন্যায় হয়ে যাবে, তাইনা? পাপ লাগবে না বলো”?
মৃত্তিকার বোধ নেই। জ্বরে চোখ মেলে তাকানোও দ্বায়। সে কেবল উপর-নিচ মাথা নাড়ে বাচ্চাসুলভ ভঙ্গিতে। আফিম হেসে ফেলে দাঁত বের করে। মেয়েটার এই আচরণে মায়া লাগে খুব। আরো কয়েকটা টপাটপ চুমু খেতে ইচ্ছে করে। সুন্দর দেখায় তাকে। আফিম সরে আসে মৃত্তিকার কাছ থেকে। দূরে এসে বোঝে তার হৃদপিণ্ড অস্বাভাবিক ভাবে ধক ধক করছে। জীবনের প্রথম চুমুটা খাওয়ার পর অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। সব ভেঙেচুরে, কোমল দেহে মিশে যেতে ইচ্ছে করছে। আফিম নিজেকে সংযত করে। দুষ্টু আত্মাকে বারংবার শাসায় সে। মেয়েটার জ্বর এসেছে। এভাবে কি করে ফেলে যাবে? আবার থাকাও তো মুশকিল। এভাবে এক ঘরে থাকা যায়? আফিম ভেবেচিন্তে বলে,
“- আমি যাচ্ছি। তুমি শুয়ে থাকো। আমি আবার আসবো, তোমাকে দেখতে”।
যেভাবে কষ্ট করে এসেছিল, সেভাবেই ফিরে গেল আফিম। যদিও মন চাইল মেয়েটার পাশে আরো কিছুক্ষণ থাকতে। কিন্তু রইল না। এটুকু কষ্ট পাক মৃত্তিকা। সে তো কম পোড়েনি কয়েক ঘন্টায়। যখন জেনেছে ছেলেপক্ষ এসে মৃত্তিকাকে দেখে গেছে, এমনকি আংটিও পড়িয়ে গেছে, তখন থেকে কেমন যে লাগছিল ওর। কেবল নিজেই জানে।
চলবে?
লেখনীতেঃ #বৃষ্টি_শেখ
[ পর্বটা ছোট হলেও আরামদায়ক। আজ লিখতে বসেছি এই ঢের 😒 ]
Share On:
TAGS: ওরা মনের গোপন চেনে না, বৃষ্টি শেখ
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ২
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ৭+৮
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ৯
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ৪
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ১০
-
ওরা মনের গোপন চেনেনা পর্ব ৬
-
ওরা মনের গোপন চেনে না গল্পের লিংক
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ৩
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ৫
-
ওরা মনের গোপন চেনে না পর্ব ১