Golpo romantic golpo অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা

অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৬


অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা

[পর্ব ২৬]

লেখিকাফারহানানিঝুম

(🚫এই গল্পের কোনো দৃশ্য সংলাপ প্লট অনুপ্রাণিত হয়ে কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)

(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)

মাইমুনা এহসান আর সাব্বির আবারো বাংলাদেশে ব্যাক করেছে। অথচ আফরিদ আর ন্যান্সি এখনো থাইল্যান্ডে। কিন্তু আফরিদ বলেনি এখান কেন এসেছে। জিজ্ঞেস করলেই বলবে।
“হানিমুনে এসেছি ডজন খানেক বাচ্চা নিতে হবে তো?”

আফরিদের বেখেয়ালি কথা গুলো শুনলে গা জ্ব’লে যায় ন্যান্সির। এই যে সকাল সকাল বেরিয়ে গেছে স্কাই ড্রাইভিংয়ের উদ্দেশ্যে।‌ সে যে আ’সক্ত এটার প্রতি। বাংলাদেশে থাকাকালীন শুধু মাত্র স্কাই ড্রাইভিংয়ের জন্য কিছু দিন পর পর নাকি থাইল্যান্ডে আসতো আফরিদ। এটা ঈশান বলেছে তাকে।

কটেজে একা রয়েছে ন্যান্সি , সঙ্গে আছে কাইট্যান আর ঈশান। ঈশান কে পাহারায় রেখে গেছে নষ্ট পুরুষ।

“ঈশান ভাইয়া?”

ঈশান কে ডাকা মাত্রই ভেতরে এলো সে।
ন্যান্সি সোফায় বসে আছে ,ঈশানের উদ্দেশ্যে বলল।

“আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কেন? বসুন প্লিজ।”

ঈশান বসলো না , মৃদু হাসলো। বুকের ভেতর মোচড় দিচ্ছে। এই ম্যাম তার বহু চালাক ,কখন যে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়! তখন আফরিদ এহসান তাকে পিরানহা ফিশ কে খাইয়ে দেবে। সে সিঙ্গেল মরতে চায় না। অন্ততঃ একবার হলেও বিয়ে করে বাসর টা সেরে তারপর মর’বে।

“না ম্যাম আমি ঠিক আছি , আপনি বলুন কিছু কি প্রয়োজন?”

ন্যান্সি আমতা আমতা করছে ,তার যেটা প্রয়োজন সেটা একমাত্র ঈশান ছাড়া কেউই পারবে না করতে। শেষমেষ সাহস নিয়ে বলেই ফেলল।

“আমি আপনাদের বস কে শায়েস্তা করতে চাই।”

কপালে ভাঁজ পড়লো ঈশানের। নিরেট স্বরে বলল।
“সরি ম্যাম , আপনি যদি এখান থেকে পালিয়ে যেতে চান তাহলে আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি এটা সম্ভব নয়। কারণ আমি আপনাকে পালাতে দেবোই না।’

ঈশানের উপর প্রচন্ড রাগ লাগছে ন্যান্সির। সে তো প্রথম থেকেই জানে আফরিদের চামচা গুলো কখনোই তাকে পালাতে দেবে না। মেকি হেসে বলল।

“না না পালাবো না , আমি অন্য কিছু চাইছি।”

ঈশান ভ্রুদ্বয় কুঞ্চিত করে শুধায়।
“কি ম্যাম?”

ন্যান্সি এক গাল হেসে বলল ‌।
“আমি জানি আপনাদের বস সারাদিন আপনাদের গালির উপর রাখে , সেই জন্য বজ্জাত লোকটাকে শা’য়েস্তা করতে চাই।”

ঈশান বড় করে ঢোক গিললো।
“একটু বুঝিয়ে বলুন ম্যাম।”

“আমি চাই আপনারা আপনাদের বসের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে কিডন্যাপ করে নিন। তারপর কিছুক্ষণ ঘুরিয়ে ছেড়ে দিবেন। ততক্ষণে আপনাদের বস খুঁজে খুঁজে পাগল হবে , কিন্তু সামনে থাকা সত্ত্বেও খুঁজে পাবে না।”

কথাটা শুনে আশ্চর্য হলো ঈশান। আফরিদের সবচেয়ে প্রিয় তো ইলহাম ন্যান্সি অ্যাঞ্জেলিনা স্বয়ং। নিজেকেই কিডন্যাপ করার কথা বলছে?

এদিকে ন্যান্সি মনে মনে কুটিল হাসলো , নিশ্চয়ই আফরিদ তার বোন অথবা মাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। সে চায় না তাদের ক্ষতি হোক ,সে তো একটু শায়েস্তা করবে এই নষ্ট লোক কে।

গলা ঝেড়ে আবারো বলল ন্যান্সি।
“তাহলে বলুন রাজী আছেন?”

ঈশানের চোখ দুটো চকচক করে উঠলো। সে তো এক পায়ে খা’ড়া।

“একদম রাজী।”

ন্যান্সি মহা আনন্দে বলল।
“তাহলে আজ রাতেই কাজটা করে ফেলুন।‌ করতে তো সময় লাগবে।”

ঈশান মাথা নাড়ল। ঈশান কটেজ থেকে আবারো বাইরে বেরিয়ে গেল। ন্যান্সি দু’পা সেন্টার টেবিলের উপর লম্বালম্বি রেখে হাসছে। ঈশান এখান থেকে বাংলাদেশর গার্ড গুলো কে দিয়ে ওদের কিডন্যাপ করাবে। এরপর আফরিদ পাগল পাগল হয়ে বাংলাদেশে ছুটে যাবে। আহা কি মজাই না হবে।”

🌿__________🌿

🌿 বাংলাদেশ…..

মারকো আর কার্লোস একত্রে আছে। একটা বার্তা নিয়ে হোটেলে ফিরেছে কার্লোস।

“বস খবর আছে।”

মারকো সুঁচালো চোখ করে তাকালো তার দিকে। কার্লোস বলে উঠে।

“বসে ঠিক দু’দিন পর থাইল্যান্ডে মাফিয়াদের ইভেন্ট আছে। প্রায় সবাই যাচ্ছে। এবং কি আপনার চরম শত্রুও সেখানে থাকবে।”

বসা থেকে উঠে দাঁড়ালো মারকো , ঠোঁটের কোণে ঝুলছে পৈশা’চিক হাসিটা।

“ওয়াও দ্যাটস্ গ্রেট নিউজ।”

কার্লোস আবারো বলল।
“বস এবার সে একা নয় তার বউও যাবে মনে হয়!”

ভ্রু বাঁকালো মারকো।
“বিয়ে করেছে?”

“ইয়েস বস কিছু দিন আগেই।”

একপেশে হাসলো মারকো।
“ওকে আমার ফ্লাইট রেডি কর আমি কালকেই থাইল্যান্ডে যাবো।”

কার্লোস মাথা নুইয়ে নিল।
“ওকে বস।”

কার্লোস বেরিয়ে যেতেই ল্যাপটপ নিয়ে ভিডিও কল করলেন একজনের সাথে। ঠিক দু’দিন পর মাফিয়াদের যে ইভেন্ট করা হবে সেটাতে যাবে দ্য গ্রেট মাফিয়া কিং আফরিদ এহসান। ইয়েস আফরিদ এহসান যে কিনা চরম শত্রু মারকোর। সে ঠিক কোথায় থাকতো জানা নেই। অবশেষে জানতে পেরেছে তার অবস্থান বর্তমানে বাংলাদেশে। বাংলাদেশে থেকে স্পেন , ম্যাক্সিকো, থাইল্যান্ডে ,রাশিয়া ,ইটালি সব জায়গায় কিভাবে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে? ভেবে পায়না মারকো। এমন কোনো কাজ নেই এমন কোনো অপরাধ নেই যেখানে আফরিদ এহসান নামটা বাদ পড়েছে। তাকে তোয়াজ করে চলতে হয় সবাই কে। কিন্তু মারকো? সে কখনোই তার বন্ধু হয়ে উঠতে পারেনি। উল্টো কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট রিজেক্ট করে তার লোকসান করিয়েছে এই আফরিদ এহসান।
ঠিক চার বছর পর আবারো সম্মুখীন হতে চলেছে ইভেন্টে। লাস্ট বার ইভেন্টে তাদের মধ্যে চরম পর্যায়ে একটা ফাইট হয়েছে যার দরুন সেই ইভেন্ট টা অফ ছিলো দু’বছর। পরের দু’বছর ইভেন্টে যায়নি আফরিদ এহসান। অথচ এবার যাচ্ছে।
অবশ্যই দেখা হবে।

“দ্য গ্রেট মাফিয়া কিং আফরিদ এহসান, আই উইল মিট ইউ ভেরি সুন।”

🌿________🌿

থাইল্যান্ডের রাত দশটা ছুঁইছুঁই সমস্ত শহর যেন সোনালী আলোয় গলে যাচ্ছে। আকাশে রঙ বদলানো চাঁদ, দূরের সমুদ্রের ঢেউ গোপন সুরে বাজাচ্ছে এক রহস্যময় সিম্ফনি। নিওন বাতিগুলো একে একে জ্বলে উঠছে, যেন রাতের আঁধারে রঙিন জোনাকিরা উড়তে শুরু করেছে। রাস্তার ধারে গরম ধোঁয়া ছড়ানো থাই স্ট্রিট ফুডের গন্ধ মিশে যাচ্ছে বাতাসে লেমনগ্রাস, মরিচ আর সি ফুডের মাদকতা যেন ক্ষুধার চেয়েও গভীর এক প্রলোভন ছড়াচ্ছে।
সবে ফিরেছে আফরিদ এহসান। সার্ভেন্ট টেবিলে খাবার দিয়ে দিয়েছে।
একত্রে খেতে বসেছে ন্যান্সি আফরিদ আর ঈশান। ঈশান মাঝে মাঝেই তাদের সাথেই খাওয়া দাওয়া করে এটা নতুন নয়।

ঈশান আর ন্যান্সি একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে আর চোখে চোখেই যেনো কথা বলছে। বিষয়টা অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছে আফরিদ। শেষমেষ বিরক্ত হয়ে বলল।

“কি এমন পিরিতের কথা শুরু হইছে হ্যাঁ?”

ন্যান্সি থতমত খেয়ে গেল ,ঈশান চামচ নাড়াতে নাড়াতে বলল।

“বস আমি আর ভাবি ভাবছি আপনাকে সারপ্রাইজ দেব তাই আলোচনা করছি।”

ন্যান্সি এক গাল হেসে বলল।

“হ্যাঁ হ্যাঁ নষ্ট পুরুষ।”

চোখ গরম করে তাকাতেই চুপসে গেল ন্যান্সি।
“আই মিন ভদ্র পুরুষ।”

আফরিদ চামচ নাড়াতে নাড়াতে বলল।
“দেখ ঈশান উল্টা পাল্টা কিছু করিস না আর নিজের কল্পনার গার্লফ্রেন্ড কে শুধু শুধু কষ্ট দিস না। পরে আমি কিন্তু তোর মহামূল্যবান সম্পদ কে’টে গাঙ্গে ভাসাইয়া দিমু।”

লজ্জায় হাঁসফাঁস করছে ন্যান্সি। আফরিদ টেবিল ছেড়ে উঠে গেল। এখানেও তার আলাদা ওয়াইন কর্ণার রয়েছে , সেখানে গেল।

“ম্যাম এটা করা কি ঠিক হবে?”

চাপা স্বরে বলল ঈশান। ন্যান্সি ওষ্ঠো বাঁকিয়ে হেসে ফেলল।
“টেনশন নট ঈশান ভাইয়া। এটার পর আপনার বসের শিক্ষা হবে।”

একে অপরের সাথে হাইফাই করলো তারা। আবারো ভেসে এলো কর্কশ কন্ঠস্বর।

“তাড়াতাড়ি খা মাতারি ,ঈশানের বাচ্চা শুধরে যা।”

আর কেউ কথা বলল না। চুপচাপ খাওয়া শেষ করে ঈশান বাকি গার্ড গুলো কে দেখতে।

ন্যান্সি খাবার শেষে প্লেট গুলো গুছাতে যাবে ততক্ষণে আফরিদ এসে পাঁজা কোলে তুলে নিল তাকে।
হকচকিয়ে গেল ন্যান্সি।
ভয়ার্ত কন্ঠে চেঁচিয়ে উঠলো।

“কি করছেন কি? আরে নামান।”

কে শুনে কার কথা আফরিদ ঠিকই ন্যান্সি কে নিয়ে এসে ওয়াইন কর্নারের টেবিলের উপর বসিয়ে দিলো। দু’পা ফাঁকা করে দাঁড়িয়ে কোমড় জড়িয়ে ধরে।

অদ্ভুত হেসে বলল।
“কাহিনী কি বল তো?”

ন্যান্সি লজ্জায় কাঁপছে ,আফরিদের এভাবে কাছে এসে দাঁড়ানো টা মোটেও স’হ্য হচ্ছে না ন্যান্সির। আড় চোখে তাকায় টেবিলের দিকে। ওই যে সার্ভেন্ট সে একটিবারের জন্যও তাদের কে দেখলো না। চুপচাপ প্লেট গুলো কিচেনে নিয়ে গেল। হাঁসফাঁস করছে ন্যান্সি। মিনমিনে গলায় বলল।

“আপনি এমন কেনো?”

আফরিদ ভাবলেশহীন ভাবে বলল।
“কেমন?”

ন্যান্সি একরাশ বিতৃষ্ণা নিয়ে বলল।
“অদ্ভুত খুব।তার থেকেও বেশি অদ্ভুত আপনার চোখ।”

চোখ বুজে হেসে ফেলল আফরিদ , নাকে টেনে দেয় ন্যান্সির।
“আমার থেকেও বেশী অদ্ভুত তুই। সবকিছুতে ভয় পাস। ভীতুর ডিম কোথাকার।”

ন্যান্সি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আফরিদের চোখের দিকে।

“আচ্ছা আমি যদি আপনার চোখের ভেতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে মনি ছুঁই তাহলে আপনি ব্যাথা পাবেন?”

আফরিদ আহাম্মক বনে গেল। এক গাল হেসে বলল।

“না না ব্যাথা কেন পাবো? পারলে আমার চোখের মনি টেনে বের করে নিয়ে আয়।”

ন্যান্সি বোকা বোকা মুখ করে তাকালো। আফরিদ বিতৃষ্ণা নিয়ে সরতে চাইলো , ন্যান্সি তাকে আশ্চর্যের সীমান্তে পৌঁছে দিয়ে দুপায়ে আঁকড়ে ধরে। আফরিদ অবাক হলো , সন্দিহান দৃষ্টিতে তাকালো সুশ্রী মুখাপানে। ন্যান্সি মিনমিনে গলায় বলল।

“আচ্ছা যদি সেদিন ওই লোকটা আমাকে ছুঁয়ে ফেলতো তখন কি করতেন?”

আফরিদ ন্যান্সির গালে গাল ঘষে। মাদকতায় মেশানো কন্ঠে আওড়াল।
“ছুঁতে পারতো না।”

“এত গ্যারান্টি দিচ্ছেন কিভাবে? যদি কোনো ভাবে ছুঁয়ে ফেলতো?”

মিহি স্বরে হাসলো আফরিদ। একই ভঙ্গিতে বলল।
“বললাম তো ছুঁতে পারতো না।”

রাগ লাগলো ন্যান্সির। যদি তাকে ছুঁয়ে ফেলতো তাহলে ন্যান্সি কি করতো? ম’রে যেতো তাই না?

“আপনি ভীষণ খারাপ আফরিদ , আপনি কি-না শিখিয়ে দিচ্ছিলেন? আমাকে ছুঁলে খুশি হতেন?”

আফরিদ ঝুঁকে আসে , লালচে রঙা গালে চুমু এঁকে বলে।

“আমি বৈ কেউ স্পর্শ করবে না , গ্যারান্টি দিচ্ছি।”

ন্যান্সি ভ্রু উঁচিয়ে শুধোয়।
“যদি কখনো আমি বিপদে পড়ি আর আপনি বাচাতে আসতে পারলেন না তখন?”

আফরিদ হাতের পিঠে চুমু খেলো ন্যান্সির।
“তখন নিজেই নিজেকে বাঁচিয়ে নেবে , আমার জন্য?”

মুখ বাঁকালো ন্যান্সি , অভিমানী কন্ঠে বলল।
“আপনার জন্য কেন বাঁচাতে যাবো?”

আফরিদ টেনে কোলে নিয়ে নিল ন্যান্সি কে , ভয়ার্ত ন্যান্সি দু’হাতে গলা জড়িয়ে ধরে তার।

আফরিদ হাস্কিটুনে বলে ‌।

“কারণ তুমি সম্পূর্ণ টা আমার। একবাক্যে শুধু আফরিদের।”

ন্যান্সি নির্বিকার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আফরিদ ন্যান্সি কে রুমে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে দিলো আলগোছে টেনে দিলো কম্ফোর্ট টা। ন্যান্সি দৃষ্টি ফেরাচ্ছে না ,আফরিদ হাসে।

“এমনে তাকাইস না লজ্জা লাগে।”

ন্যান্সি অবাক হওয়ার ন্যায় শুধোয়।
“লজ্জা আর আপনার?”

“না তোর প্রতিবেশী বাপ মায়ের।”

ন্যান্সি মুখ ভার করে ,আফরিদ হাত বাড়িয়ে গলা ছুঁয়ে ফেলে ন্যান্সির। তখনো তাকিয়ে আছে তার দিকে। একটুখানি মোলায়েম স্পর্শ করে আদেশ স্বরূপ বলল।

“ঘুমিয়ে পড়।”

ন্যান্সি ঘুমোতে পারছে না , হাঁসফাঁস করছে। আদতেও ঈশান কাজটা করতে পারবে কিনা। মুখে মাস্ক লাগিয়ে চুপিচুপি কটেজে চলে এলো ঈশান। বুকের ভেতর দ্রিম দ্রিম করছে তার। আফরিদ জানতে পারলে তার ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন করে দেবে। গুটি গুটি পায়ে রুমে এসে উঁকি দিলো।
দরজাটা টেনে খুলতেই দেখতে পেলো আফরিদ রুমে নেই। চোখ দুটো চকচক করে উঠলো তার। আলগোছে গিয়ে ঠাস করে ন্যান্সির মুখে রুমাল টা চেপে ধরল। চিৎকার করতে পারলো না সে। ঈশান ফটাফট ন্যান্সি কে বস্তায় ভরে নিল।

মুখে তৃপ্তির হাসি। এদিকে হুশ হারিয়ে বস্তায় রয়েছে ন্যান্সি। সে তো জানতো না তার উপরেই তার প্ল্যান এক্সিকিউট করা হবে।

“এবার বস কে শিক্ষা দেওয়া হবে।”

চলবে…………..।✨

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply