অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ২১]
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫এই গল্পের কোনো দৃশ্য, সংলাপ, প্লট অনুপ্রাণিত হয়ে কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
আফিয়া হায়দার রান্না করতে ব্যস্ত। সকাল সকাল বাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন মামুন হায়দার। কোথায় গেছেন কাউকে বলেন নি। কিন্তু বলেছেন একটা জরুরী কাজ আছে তাই যেতে হয়েছে।
নিজের রুম থেকে বেরিয়ে এলো তন্বী ,তারা এখন কুমিল্লায় থাকে। এ কথাটা দু একজন ছাড়া আর কেউই জানে না।
“মা শুনো।”
“হ্যাঁ বল।”
কড়াইয়ে তেল ঢালতে ঢালতে বললেন আফিয়া হায়দার। তন্বী মিনমিনে গলায় বলল।
“আম্মু গতকাল পৃথ্বী ভাইয়া এসেছিল।”
ব্যস্ত হাতটা থেমে গেল আফিয়া হায়দারের। তিনি পৃথ্বী কে চিনেন ,ইতির বন্ধু হয় শুনেছে।
“পৃথ্বী এখানে?”
তন্বী খানিকটা অস্বস্তি নিয়ে বলল।
“আমার সাথে দেখা করেছিল।”
বিস্মিত কন্ঠে শুধুন আফিয়া হায়দার।
“কেনো? কি বলল তোকে?”
তন্বী চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
“ভাইয়া ইলহাম আপুর কথা জিজ্ঞেস করছিল।”
কপাল কুঁচকে এলো আফিয়া হায়দারের।
“কি জিজ্ঞেস করলো?”
“আপুকে খুঁজছে। বলল আমরা কেন তাকে ফেলে চলে এলাম। আরো অনেক কিছু।”
“তুই কি বললি?”
” আমি যেটা সত্যি সেটাই বলেছি।”
চমকে উঠেন আফিয়া হায়দার। থাপ্পড় বসালেন তন্বীর মাথায়।
“বলদ নাকি তুই? কিছু বুঝিস না? এখন যদি ওই গুন্ডা টা লোক নিয়ে এখানে চলে আসে?”
মলিন মুখ করে তাকালো মায়ের দিকে। সে ভুলটা কি করলো? সত্যি বলা কি ভুল?
আফিয়া হায়দার কপাল চাপড়াচ্ছে , মামুন হায়দার আসলে সব কিছু বলতে হবে উনাকে। যদি আবারো তাদের এই ইলহামের জন্য এই কুমিল্লাও ছাড়তে হয় তখন কি করবে?
🌿______🌿
অদূরে বড গাছের পাশে একটা সাদা রঙের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। গাড়ি থেকে নেমে এলো একজন ভদ্র লোক। তার নাম মনসুর আহমদ। রাস্তা পার করে একটা ব্যাগ নিয়ে এগিয়ে গেলেন মামুন হায়দার। সেই ব্যাগ টা লোকটার হাতে তুলে দিতে দিতে বললেন।
“এটাতে সব ডিটেইল আছে। “
লোকটা কালো ব্যাগে ভালো করে দৃষ্টি বুলিয়ে সন্দিহান কন্ঠে বলল।
“সব ঠিকঠাক আছে তো?”
মামুন হায়দার মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানিয়ে আওড়ালো।
“আমার যতটুকু করার ছিল আমি ততটুকু করে এসেছি এত বছর ধরে। এরপর যদি আমাকে দোষারোপ করা হয় তবে আমি মানব না।”
বাঁকা হাসলো ভদ্র লোক, বিদ্রুপ স্বরে বলল।
“তারপরেও তো ধরে রাখতে পারলে না পাখি পগারপার।”
মামুন হায়দার কথা বাড়ালেন না , ততক্ষনে ভদ্র লোক ব্যাগ টা নিয়ে গাড়িতে উঠে বসলো। ড্রাইভ দ্রুত গাড়ি স্টার্ট দিলো। মূহুর্তের মধ্যে সামনে দিকে চলে গেল কালো গাড়ি টা। মামুন হায়দার কিয়ৎক্ষণ দাঁড়িয়ে সবটা দেখলেন , অতঃপর আবারো বাড়ির পথে পা বাড়ালো। দ্রুত বাড়িতে ফিরতে হবে যে, নয়তো আফিয়া হায়দার আবারো একের পর এক প্রশ্ন করতে শুরু করবে।
🌿_🌿
রোদের উজ্জ্বলতা ক্রমেই গাঢ় হয়ে উঠছে, যেন পৃথিবীর বুকজুড়ে সোনার ঝিলিক ছড়িয়ে দিচ্ছে। আকাশে ভাসমান তুলোর মতো মেঘগুলো রোদের আলোয় ঝলমল করছে। চারপাশে ব্যস্ততার আবহ রাস্তায় ছুটছে রিকশা, দোকানের শাটারগুলো একে একে উঠছে, বাতাসে ভেসে আসছে চায়ের দোকানের ধোঁয়া মেশানো সুবাস।
গাছের পাতায় সূর্যের আলো এসে পড়েছে হীরের ঝিকিমিকির মতো, কোথাও হালকা বাতাস বইলে পাতা কেঁপে উঠে সোনালি ঝলক ছড়িয়ে দিচ্ছে। পাখিরা তখনও ডানা মেলে এদিক সেদিক উড়ছে
সকাল সাড়ে দশটা ছুঁই ছুঁই ,ঘুম থেকে উঠেছে ন্যান্সি। এই বাড়িতে তার কোনো কাজ নেই। বলতে গেলে সে রানীর হালে আছে। বড্ড বিরক্ত লাগে তার। কেমন যেনো এই বাড়ির সবাই। একমাত্র ফাহমিদার সঙ্গেই কথা হয় ন্যান্সির। বাকিরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। নীলাদ্রির স্ত্রী কল্পনা সর্বদা ফোনে ব্যস্ত থাকে। মাইমুনা এহসান সকাল বেলায় কোথায় যেনো বেরিয়ে যান এবং দুপুরের দিকে ফিরেন।
মা বাবার সাথে অনেক দিন ধরে কথা হয় না ন্যান্সির । এখানে আসার পর তার ফোনটা নিয়ে নিয়েছে আফরিদ। এরপর ফোন চাইতেও মনে নেই ন্যান্সির।
ফ্লেয়ার প্লাজোর সাথে কিউট প্রিন্ট ওভারসাইজ টিশার্ট এর সাথে গলায় একটা স্কাফ ঝুলিয়ে রেখেছে ন্যান্সি। ছোট ছোট পা ফেলে ড্রয়িং রুমে গেল। সোফায় বসে আছে আফরিদ ,খুব মনোযোগী হয়ে ল্যাপটপে কাজ করছে। মুখের অভিব্যক্তি অদ্ভুত লাগছে! মনে হচ্ছে রেগে আছে। পাশেই দুহাত পিছমোড়া করে দাঁড়িয়ে আছে ঈশান। ন্যান্সি কে আসতে দেখে ঈশান একটু নিচু হয়ে আফরিদ কে ফিসফিসিয়ে বললো।
“বস ,ম্যাম আসছেন।”
ঈশানের কথা শুনে স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে সিঁড়ির দিকে তাকালো। বাচ্চাদের মতো লাগছে ন্যান্সি কে ,কোলে তার সতিন কাইট্যান কে নিয়ে এসেছে। আফরিদ যে কোন কুক্ষ’নে এই বেয়াদব টা কে নিয়ে এসেছিল? ধ্যাত বা’ল।
“শুনুন।’
“বলুন।”
ঠোঁট টিপে হেসে ফেলল ঈশান। আফরিদ চোখ পাকিয়ে তাকাতেই হাসিটা উড়ে গেল ঈশানের। ন্যান্সি আমতা আমতা করে বলল।
“আমি আমার মা বাবার সাথে দেখা করতে চাই।”
মুখের হাসিটুকু উবে গেল আফরিদের , শক্ত হয়ে এলো চোয়াল।
“নট পসিবল।”
বিরক্ত হলো ন্যান্সি । সন্দিহান কন্ঠে শুধোয়।
“কেন সম্ভব নয়?”
“আমি বলেছি তাই।”
থমথমে মুখ করে জবাব এলো , ন্যান্সি নিজের মেজাজ হারাচ্ছে। চেঁচিয়ে উঠলো সে।
“কেন? আপনার কি সমস্যা ওদের সাথে দেখা করলে? ফোনটাও নিয়ে নিয়েছেন।”
অগ্নিদগ্ধ দৃষ্টিতে তাকাতেই দু পা পিছিয়ে গেল ন্যান্সি। বেয়াদব পুরুষ ভয় দেখাচ্ছে তাকে! সহসা পকেট থেকে ফোন বের করে ন্যান্সির দিকে বাড়িয়ে দিলো।
“চাইলে কল করতে পারো ,বাট যাওয়া টাওয়া হবে না!”
ন্যান্সি নিয়ে নিল ফোনটা , ছুঁড়ে ফেলল ফ্লোরে। হনহনিয়ে কাইট্যান কে নিয়ে আবারো নিজের রুমের দিকে রওনা দিলো। আফরিদ ভাবলেশহীন ভাবে আবারো নিজের কাজে মনোযোগী হয়। ফোন টা পড়ে আছে ফ্লোরে ।
ঈশান আমতা আমতা করে বলল।
“বস , ম্যাম যে রেগে গেলেন?”
“তো?”
ঈশান আশ্চর্য হলো।
“আপনি পাত্তা দিলেন না!”
আফরিদ বাঁকা হাসলো , ফোঁস করে নিঃশ্বাস ছাড়লো। অসহায় মুখ করে বলল।
“বুঝলি ঈশান বিয়ের আগে মাইয়ারা আমারে পাত্তা দিতো না। এরপর?”
ঈশান কে উৎসুক দেখালো , উৎকন্ঠা হয়ে জিজ্ঞেস করে।
“এরপর কি বস?”
“এরপর তোর ভাবিরে বিয়ে করলাম ,এখন আমি তোর ভাবিরে পাত্তা দেই না।”
আফরিদের কথা গুলো সব মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে ঈশানের।
“কিন্তু কেন বস?”
বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে দেখায় আফরিদ , ভ্রু নাচিয়ে বলল।
“ওই যে বিয়ের আগে মেয়ে গুলো আমাকে পাত্তা দিতো না। এই জন্য এখন আমি তোদের ভাবিকে পাত্তা দেই না , প্রতিশোধ নিচ্ছি।”
ঈশান কিছু বলতে মুখ খুলবে ঠিক তখনই ন্যান্সির রুম থেকে ঠাস ঠুস জিনিস পত্র পড়ার আওয়াজ আসছে। আফরিদ হকচকিয়ে গেল। বিড়বিড় করে আওড়ালো।
“ও শিট।”
ল্যাপটপ রেখে দৌড়ে সিঁড়ির দিকে ছুট লাগালো। ঈশান হো হো করে হেসে উঠলো।
“আফরিদ এহসান নাকি বউকে পাত্তা দেয় না? সেরা রে সেরা নাটকের জন্য আমাদের বস সেরা।”
রুমের সব জিনিস পত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলেছে ন্যান্সি , রুমে ঢুকেই এরকম অবস্থা দেখে কিঞ্চিৎ বিরক্ত হলো আফরিদ।
“ওই মা’তারি সমস্যা কি তোর?”
চোখ দুটো মাত্রাতিরিক্ত জ্ব’লছে ন্যান্সির। দাঁতে দাঁত পিষে বলে।
“জা’নোয়ারের বাচ্চা আমি তোর সাথে থাকতে চাই না।”
চোখ দুটো ছোট হয়ে এলো আফরিদের ,ঘাড় বাঁকালো সে।
“কি বললি? আবার বল।”
আঁখি পল্লব কাঁপছে ন্যান্সির। সাহস নিয়ে গালি তো দিয়ে দিয়েছে। এখন কি হবে?
“বল বল আবার বল? না বললে এখন তোরে খাইছি।”
“জা’নোয়ার বলেছি ,তুই একটা জ’ঙ্গলি। “
মুখের রং বদলায় আফরিদের , ধুমধাম পা ফেলে এগিয়ে এসে চেপে ধরে ন্যান্সির গলা।
“আমি তোর ভা’তার হই , আমাকে ছেড়ে প্রতিবেশী বাপের কাছে যেতে এত মন চায় কেন?”
হো হো শব্দে কেঁদে উঠলো ন্যান্সি। পরক্ষণেই হাত সরিয়ে নিল আফরিদ। আফরিদের বুকে ধুম করে একটা কিল বসিয়ে কান্না ভেজা কন্ঠে বলল।
“নষ্ট পুরুষ কোথাকার। তোর উপর গজব পড়ুক।”
আফরিদ গা দুলিয়ে হাসে , দুহাত পেঁচিয়ে ধরে ন্যান্সির। ছটপট করে নিজেকে ছাড়াতে সে। বেয়াদব পুরুষ ছাড়ে না তাকে। সজোরে কা’মড় বসালো ন্যান্সির ঘাড়ে। দাঁত বসিয়ে দিয়েছে রীতিমতো।
“বান্দির বাচ্চা তুইও নষ্টা , কারণ আমি একবার না হাজার বার তোকে ছুঁয়েছি। খুব শীঘ্রই গভীর ভাবে ছুঁবো সেদিন ইচ্ছে মতো নষ্ট পুরুষ বলিস।”
ব্যথায় ছটফটানি বেড়ে যায় ন্যান্সির। হঠাৎ শান্ত হয়ে গেল।
নীলাভ রঙা মনির দিকে দৃষ্টি মেলাতেই দেখে বাজে পুরুষ মুচকি হাসে। ফিসফিসিয়ে ঘোর লাগা কন্ঠে আওড়াল।
“আমার সিস্টেমে সমস্যা করে তুই এমনে তাকালে। পরে যদি বাইরুম বাইরুম কিছু হয় সামলে নিস।”
ন্যান্সি লজ্জা পেলো।এতটা ঠোঁটকাটা কেউ কি করে হতে পারে?
“আপনার মিনিমাম লজ্জা নেই না?”
“চুপ শা’লী , লজ্জা আমার থাকবে কেন? লজ্জায় মরুক আমার শত্রু। পুরুষ মানুষের লজ্জা থাকতে নেই , এটা আবার কেমন বস্তু। ছিহ্ ছিহ্ এসব লজ্জা নামক অ’শ্লীল কথাবার্তা আর কখনো আমার সামনে বলবে না। বস্ত্র ধারণ আর লজ্জা ধারণ মেয়েদের কাজ। আর লজ্জা বস্ত্র হরণ ছেলেদের কাজ।”
এবারেও নিজের অদ্ভুত যুক্তি দিয়ে চুপ করিয়ে দিলো ন্যান্সি কে আফরিদ। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে ন্যান্সি। আফরিদ বদলায় আবার , হাত পা নিশপিশ করছে তার।
“জানকি বাচ্চা ,চল কুংফু কারাতে খেলি। আমার না কেমন ফিলিংস আসছে।”
ন্যান্সির অন্তঃস্থলে কাঁপুনি ধরে , শুকনো ঢোক গিলে সে। পুরুষটির একটুখানি ছোঁয়াতেই যেন মনে হলো রমণী ভেঙে গুঁড়িয়ে যাবে। তার চোখেমুখে ভয়ের স্পষ্ট ,অথচ ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ পুরুষটি নিরন্তর ছুঁতে চাইছে তাকে। সরতে চেয়েও সে পারলো না সাপের মতো শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরেছে পুরুষ। রমণীর শ্বাস রুদ্ধ হয়ে এলো, কণ্ঠনালি আটকে কিছু বলতে পারছে না। তবুও প্রতিরোধের শেষ চেষ্টা পুরুষের বাহুতে দাঁত বসিয়ে দিলো সে।
কিন্তু আফরিদ এহসান থামলো না। কানের লতিতে জিভ ছুঁইয়ে, চুম্বনের ভেতর দিয়ে অদ্ভুত ভঙ্গিতে আওড়াল।
“মাই ডিয়ার পার্সোনাল পিরানহা ফিশ ,আই ওয়ান্ট টু ইট ইউ।”
কথাটা শুনে কেঁপে উঠলো ন্যান্সি, বুকের ভেতর ভয় আর অচেনা কাঁপন একসাথে ছড়িয়ে পড়লো। কষ্টেসৃষ্টে বেরিয়ে এলো তার গলায় প্রশ্ন।
“সবসময় মেয়েদের কাছে ঘেঁষেন কেন আপনি?”
আফরিদ বাঁকা হাসলো, সেই হাসিতে বিদ্রূপের সাথে মিশে আছে অদ্ভুত চাওয়ার আভা। মুহূর্তেই দু’হাতে কোলে তুলে নিলো ন্যান্সি কে। আত’ঙ্কে হলেও ন্যান্সির দুপা অজান্তেই জড়িয়ে গেলো তার কোমরে। আফরিদ তার লাস্যময়ী গলার কাছে ঠোঁট রাখলো, চুমুর পর চুমুতে ভরিয়ে দিতে দিতে বলল।
“আমি মেয়েদের কাছে যাবো না তো কি ছেলেদের কাছে যাবো? আমি কিন্তু খাঁটি পুরুষ, চাইলে তুই নিজেই পরীক্ষা করে দেখে নিতে পারিস।”
রমণী তখন লজ্জায়, ভয়ে, কেমন এক অদ্ভুত আবেশে বাকরুদ্ধ মনে হলো, তার ভাষা যেন আফরিদের আলিঙ্গনের ভেতর গলে হারিয়ে যাচ্ছে।
ন্যান্সি আচানক কোল থেকে নেমে যেতে চাইল , তার ছটফটানি বিরক্ত করছে আফরিদ কে। চোখ রাঙিয়ে বলল।
“কি সমস্যা ভা’র্জিনিটি খোয়াতে দিচ্ছিস না কেন?”
ন্যান্সি আমতা আমতা করে বলল।
“আমার একটা জিনিস বলার ছিলো।”
আফরিদ প্রচন্ড বিরক্ত ,নিরেট স্বরে বলল।
“পরে শুনবো।”
ন্যান্সি থামলো না, কম্পিত কন্ঠে আওড়াল।
“আগে আপনি ডাক্তারের কাছে যান , আপনার সিস্টেমের সাথে সাথে আপনার মাথাও খারাপ হয়ে গেছে।”
কথাটা বলেই কোল থেকে নেমে দৌড় লাগালো দরজার দিকে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে আফরিদ , চেঁচিয়ে উঠলো সহসা।
“বা’ন্দির বাচ্চা ,তোরে আজকে খাইছি। দাঁড়া তুই।”
চলবে………।✨
(📌☹️ বেচারা মাফিয়া কিং আফরিদ এহসান। যারা গল্প পড়ে চুপি চুপি চলে যাও তারা সবাই আতিকা)
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪২
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩০+বোনাস
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩২(প্রথমাংশ +শেষাংশ +বোনাস)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪১