অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ১৯]
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫 এই গল্পের কোনো দৃশ্য, সংলাপ, প্লট অনুপ্রাণিত হয়ে কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
সবকিছু হঠাৎ করেই স্তব্ধ হয়ে আছে, হঠাৎ সময় নিজেকে থামিয়ে রেখেছে। অভদ্র, অদ্ভুত আকর্ষণী পুরুষটির চোখের দিকে তাকাবার সাহস পাচ্ছে না মেয়েটা। চারপাশের নীরবতা যেন এক অদৃশ্য আয়নায় তার লজ্জা আর ভয়কে বহুগুণে প্রতিফলিত করছে। বুকের ভেতর ঘূর্ণিঝড়ের মতো অস্থিরতা কোথায় রাখবে এত লজ্জা, এত অপরাধবোধ।
অবিশ্বাস্য লাগে তার নিজের কাছেই, আসলেই কি সে সে-ই ঠোঁট রেখেছিল ঐ পৌরুষের আ’গুনে দগ্ধ ঠোঁটে? মুহূর্তটি যেন দুঃস্বপ্ন আর আকাঙ্ক্ষার মিশ্র এক মরীচিকা। পুরুষটির প্রতিটি শব্দ এখন তার অন্তরে কাঁপন তোলে সত্যিই কি সে সঠিক বলছে? নাকি সবটাই ভ্রম, এক বিভ্রান্ত হৃদয়ের খেলা?
বুকের ভেতর দামামার মতো শব্দ উঠছে, যেন প্রতিটি স্পন্দন র’ক্তে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। চারপাশে ধোঁয়াশা বাস্তব নাকি কল্পনা, আ’তঙ্ক নাকি আকাঙ্ক্ষা ন্যান্সি নিজেই আর পার্থক্য করতে পারছে না। সে কি আবারো সেদিনের মতো বিভ্রমে হারিয়ে গেল, নাকি এ-ই তার ভেতরের অচেনা সত্য, যে সত্য থেকে পালিয়েও সে মুক্তি পাবে।
“আপনার মতো নষ্ট পুরুষ আমি একটাও দেখেনি। কথায় কথায় মিথ্যে বলেন। এত মিথ্যে বললে না গুনাহ শেষ হবে না। আমি নিজের চোখে দেখেছি তবুও বলছেন আমি মিথ্যে বলছি সিরিয়াসলি?”
কপাল কুঞ্চিত করে ফেলল আফরিদ ,নিমোষ্ট কামড়ে ধরে বলল।
“চুপ শা’লী মা’তারি কোথাকার। আমি কখন মিথ্যে বলছি?”
ন্যান্সি সাপের ন্যায় ফোঁস ফোঁস করে বলল।
“আমি যদি ভুল দেখে থাকবি বা দরুন আপনার কথা মতো মরীচিকা হয়ে থাকে। তাহলে আমার গাউন ছিঁড়ল কিভাবে? বলুন উত্তর দিন।”
ডান এগিয়ে এনে ন্যান্সির মাথার পিছন দিকে নিয়ে চুল খামচে মুখটা খুব কাছে নিয়ে এলো আফরিদ। চোখের পাতা কেঁপে উঠলো ন্যান্সির। আফরিন নিখাদ কন্ঠে বলল।
“এই যে তোকে ছুঁতে বাঁধা দিচ্ছিল ,তাই ছিঁড়ে ফেলছি।”
হাতের দিকে ইঙ্গিত করতেই চোখ নামায় ন্যান্সি। আফরিদের অনাঙ্ক্ষিত হাতের বিচরণ বক্ষভাজে অনুভব করতেই ছিটকে দূরে সরে এলো।
“বেয়াদব পুরুষ কোথাকার! অনুমতি ছাড়া আমাকে ছোঁয়া নিষেধ।”
হিলের শব্দ তুলে হনহনিয়ে করিডোর পার করতে চেয়েও থমকে দাঁড়ায় ন্যান্সি। বুকের কম্পন এখনো থামেনি। না না সে একা মোটেও যাবে না। বাধ্য হয়ে আবারো পিছন ফিরতে হলো তাকে। অসহায় চোখের চাহনিতে একপেশে হাসলো আফরিদ। লোকটা তাকে দেখেলেই শুধু হাসতে থাকে।
“আমি একা যাবো না।”
আফরিদ তাকিয়ে আছে নির্বাক দৃষ্টিতে। সুদর্শন পুরুষ ধীরে এগিয়ে এলো রমণীর কাছে। আলগোছে নিচে বসলো তার পায়ের কাছে। হাঁটু গেড়ে বসেছে ,রমণীর তুলতুলে পা থেকে হিল জুতো গুলো খুলে ফেলল। এক হাতে তা নিয়ে অন্য হাতে কাঁধে তুলে নিল তার অ্যাঞ্জেলিনা কে।
অন্তরে শিহরণ তুলে দিয়ে আওড়াল।
❝আমার পাপিষ্ট শরীরে তুই হলি একটুকরো ফুল। যা এই পাপে জর্জরিত হৃদয়ে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছিস❞
ন্যান্সি নৈঃশব্দ্যে গলা জড়িয়ে ধরে আফরিদ এহসানের। না হলে যে পড়ে যাবে? দুষ্টু পুরুষ কথা ভালোই বলতে পারে ,সব তাকে ব’শ করার ধা’ন্দা। এই মূহুর্তে ন্যান্সির একটা কথা বলতেই ইচ্ছে করছে।
“নাটকের জন্য আফরিদ এহসান সেরা রে, সেরা।”
🌿____🌿
(হল রুম ০১)
রিসার্চ সেন্টার
ক্লান্ত চোখ দুটো বুঁজে আসছিল মিস্টার আলবার্টের। গবেষণাগারের নিস্তব্ধতা হঠাৎ ভেঙে দিল দু’জন গার্ডের উপস্থিতি। মিস্টার কামাল এবং আলবার্টের উদ্দেশ্যে তপ্ত কণ্ঠে তারা বলল।
“보스가 왔습니다.”
(বস এসে গেছে।)
বস এসেছে শুনে খানিকটা বিস্মিত হয়ে চমকে উঠলেন মিস্টার আলবার্ট। একে অপরের মুখের দিকে তাকালেন তারা। কপালে ভাঁজ ফেলে প্রশ্ন করলেন।
“그분은 어디에 계십니까?”
(কোথায় উনি?)
গার্ডটি মৃদু স্বরে উত্তর দিল।
“당신들을 데려오라고 했습니다.”
(আপনাদের নিয়ে যেতে বলেছে।)
অদ্ভুত নিঃশব্দে ভরে উঠল চারপাশ। ঠান্ডা ফাঁক দিয়ে শরীর টা ভয় কাঁপতে লাগল। মিস্টার আলবার্ট ধীরে ধীরে পা ফেললেন গার্ডের পেছনে।
গভীর নীরবতার মধ্যে ফিসফিস করে উঠলেন মিস্টার কামাল।
“মিস্টার আলবার্ট ডু ইউ থিংক উই উইল এভার বি ফ্রি ফ্রম হিয়ার?”
তাঁর কণ্ঠ ভয়ে মোড়ানো কোনো এক আশার আলো খুঁজছে, কিন্তু আ’শঙ্কার ঘন কুয়াশা তাড়া করছে চারদিক থেকে।
মিস্টার আলবার্ট তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলে বললেন।
“আই ডোন্ট নো, বাট আই ডু নো দিস ইফ উই ট্রাই টু এস্কেপ ফ্রম হিয়ার, দ্যা ম্যান উইল টেক রিভেঞ্জ অন দোজ ফর হুম আই হ্যাভ বিন ফোর্সড টু রিমেইন ইমপ্রিজন্ড হিয়ার ফর সো মেনি ইয়ার্স।”
মিস্টার আলবার্টের বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো তপ্ত নিঃশ্বাস, ভেতরে জমে থাকা অ’গ্নি হাওয়ায় মিশে যাচ্ছে। তাঁর চোখে ভেসে উঠেছে দীর্ঘ বন্দিদশার ক্লান্তি আর বেদনায় গড়া এক অভিজ্ঞতার ভার। তিনি জানেন, মুক্তির চেষ্টা মানেই আরেকটি মৃ’ত্যুর ফাঁ’দ। প্রতিশোধপরায়ণ সেই মানুষটা এতটা নি’র্মম যে, পালাবার সাহস দেখালেই বিনাশ নেমে আসবে তাদের উপর যাদের জন্যই তিনি এত বছর ধরে এই অন্ধকার কারা’গারের দেয়ালে আটকে আছেন। কারাগার বললেও কম হবে। তাদের উপর যেরকম অত্যাচার হচ্ছে তা আর কারো সাথে যে’নো না হোক।
কামাল অসহায় চোখে তাঁর মিস্টার আলবার্টের দিকে তাকালেন। বাইরে যাওয়ার মতো কোনো টান নেই তাঁর জীবনে, আপনজনও নেই কোনো ,যারা ছিলো তারা এতদিনে বোধহয় তিন হাত মাটির নিচে রয়েছে। চাইলে হয়তো এখনই পালাতে পারতেন তিনি, কিন্তু আলবার্টকে ফেলে যাওয়ার নিষ্ঠু’রতা তাঁর হৃদয় মেনে নিল না। একসাথে ভাগ করে নেওয়া এগারো বছরের দীর্ঘ যন্ত্রণার বন্ধন তাকে বেঁধে রেখেছে সেই মানুষটির পাশে।
ক্লাসিক কেবিনের এসির বাতাসে শীতলতা জমে আছে। কাঁচের গ্লাস গুলোর পাশেই ছোট ছোট ঝাড়বাতির আলোয় ছায়া পড়ে গিয়েছে। মাঝখানে বসে থাকা মানুষটি মুখ ঢেকে রেখেছে কালো মাস্কে, তার দেহভঙ্গি যেন ছদ্মবেশী। নিজেকে লুকাতে চাইছে লোকটা।
চেয়ারটি আস্তে আস্তে দুলছে, লোকটির মাথা পেছনে এলিয়ে আছে। গভীর কোনো ভাবনায় মশগুল সে।মিস্টার আলবার্ট ও মিস্টার কামাল প্রবেশ করতেই নিস্তব্ধতা ভেঙে গেল।
আলবার্টের জমাট বাঁধা শীতলতা কণ্ঠে বলে শুধান।
“হোয়াই হ্যাভ উই বিন কল্ড হিয়ার?”
আগন্তুক মুখ ফেরাল না, শুধু চোখের দৃষ্টি ধারালো হয়ে উঠল অন্ধকারের ভেতর। সে চায় না তাকে দেখুন এই দুই সায়েন্টিস্ট। ভারিক্কি কন্ঠে বলে উঠে।
“হাউ ফার ইজ দ্যা ওয়ার্ক?”
মিস্টার আলবার্ট ভীষণ বিরক্ত হলেন। তিনি অবশ্যই বাংলা জানেন, অথচ এই লোক গুলো জানেই না তা।
গমগমে মুখ করে বলল।
“দ্যার ইজ নো টাইম, দ্যা ফাস্টার ইউ অ্যাক্ট, দ্যা সুনার ইউ উইল বি ফ্রি”
মিস্টার কামাল তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলে বললেন।
“গিভ আস আ ফিউ মোর মান্থস ,দ্যা ওয়ার্ক উইল বি কমপ্লিটেড ভেরি সুন।”
আগুন্তক এক বাক্যে বলল।
“ওকে।”
গার্ডদের আঙ্গুলের ইশারা করতেই লোক গুলো মিস্টার আলবার্ট এবং মিস্টার কামাল কে আবারো হল রুম একে নিয়ে মেতে লাগলো।
আগুন্তক নিশ্চুপ ,আবারো চেয়ার দোলাতে লাগল।
🌿____🌿
আকাশটা যেন আচমকাই রূপ বদলেছে। সোনালি রোদকে গিলে নিয়ে ছেয়ে গেছে ঘন মেঘের আস্তরণ। হাওয়ায় ভিজে কাদামাটির গন্ধ, চারপাশে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির শব্দে যেন প্রকৃতির বুক কেঁপে উঠছে ধীরে ধীরে। প্রতিটি ফোঁটা মাটিতে পড়ে একেকটা অজানা সুর তোলে, মনে হয় যেন আকাশ তার গোপন অভিমান গলে ঝরে পড়ছে পৃথিবীর বুকে। ঘরের জানালায় ফোঁটা ফোঁটা কাচে গড়িয়ে এসে রুমের ভেতর প্রবেশ করছে।
ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এলো ন্যান্সি। মাথাটা বড্ড ভারী লাগছিল তার , ক্লান্তি তো আছেই। আফরিদ ন্যান্সির ভয় বুঝতে পেরে আর নিচে যায়নি। এনাআউন্স করে দিয়েছে পার্টি ওভার।
বেডের কাছে এসে কপালে ভাঁজ পড়লো ন্যান্সির। একটা বক্স রাখা। হ্যাঁ এটার কথাই তো আফরিদ বলেছিল নিচে। দরজা ঠেলে রুমে এলো আফরিদ। বাটনে ক্লিক করতেই অটোমেটিক লক হয়ে গেল। আফরিদের রুমটা আধুনিক লক সিস্টেম রয়েছে। এবং কি রুম সাউন্ড প্রুফ বলতে গেলে।
জুতো রেখে বেডে চলে এলো ন্যান্সি , বক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চকলেট। চকলেট দেখে মনে মনে বেশ আনন্দিত হলো। হাত বাড়িয়ে এক পিস খেতেই যাবে তার পূর্বেই হাত চেপে ধরে আফরিদ।
“কি হলো হাত ধরে আছেন কেন?”
ন্যান্সির বোকা বোকা প্রশ্ন শুনে কপালের রগ গুলো ফুলে উঠেছে আফরিদের।
“বান্দি,তুই কি দেখতে পাচ্ছিস না এগুলো কি?”
আফরিদের কথায় দাঁত দেখিয়ে হেসে ফেলল ন্যান্সি।
“অবশ্যই দেখতে পাচ্ছি , এগুলো চকলেট। আর হ্যাঁ তাই জন্য সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিচ্ছে। মানে পেটে।”
ক্রো’ধে জ্বলে উঠলো আফরিদ , হিসহিসিয়ে বলল।
“নামটা পড়িসনি।”
সত্যি ন্যান্সি নামটা খেয়াল করেনি।
প্যাকেটে স্পষ্টভাবে লিখা আছে “Tabs Chocolate” সহসা হাত থেকে চকলেটের পিস টা ফেলে দিলো ন্যান্সি। সরে এলো সে , থতমত খেয়ে বলল। সে বেকারিতে কাজ করতো আর এটা কিসের চকলেট তা জানতে বাকি নেই তার।
“এই চকলেট এখানে কি করছে? “
ন্যান্সি আফরিদের মুখ পানে তাকাতেই তেলে বেগুনে জ্ব’লে উঠলো। লজ্জা লজ্জা মুখ করে তাকালো আফরিদ , নাটকীয় ভঙ্গিতে বলল।
“Aaj phir tumpe
Pyaar aaya hai
Behad aur
Beshumaar Aaaya hai
Aaj phir tumpe
Pyaar aaya hai “
আফরিদের লুচু মার্কা গান শুনে শরীরে শিহরণ খেলে গেল ন্যান্সির। তীব্র মেজাজে বলে উঠে।
“নষ্ট পুরুষের অস’ভ্য অ’শ্লীলতা জেগে উঠছে। তাই এই চকলেট নিয়ে এসেছেন।”
গা দুলিয়ে হেসে উঠলো আফরিদ ,ঘাড় বাঁকিয়ে বলল।
“বাইরে বৃষ্টি ভেতরে কিছু মিছুর চকলেট ,চল না কিছু করি। ,এ হচ্ছে উত্তে’নার এক নাম্বার ওষুধ । এ কোনো সাধারণ চকলেট নয় লা, এ হচ্ছে উত্তেজনা বাড়ানোর Tabs চকলেট।”
দু’হাতে কান চেপে ধরে ন্যান্সি। বুকের ভেতর টিপটিপ করছে ন্যান্সির। চট করে ছোট বাস্কেট থেকে কাইট্যান কে কোলে তুলে নিল।
“আমার কিছু করার ইচ্ছে নেই। আর আপনার সাথে তো একদমই না। দূরে থাকুন।”
মুখের রং বদলায় আফরিদের , নীলাভ মনি জোড়া কেমন অদ্ভুত লাগছে। ঘোর নে’শা , রুমের ভেতর ওয়াইন শপ রয়েছে। সেখান থেকে একটা হু’ইস্কির বোতল তুলে নিল। দাঁত দিয়ে ছিপি খুলে প্রায় অর্ধেক টা শেষ করে বলে।
“আজকে তো কিছু করবই কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না,নয়তো আমার এত পরিশ্রম বৃথা যাবে। তুই চাইলে চকলেট এখন খেতেই পারিস নয়তো আমি খাইয়ে দেই?”
দু কদম পিছিয়ে গেল ন্যান্সি ,কাইট্যান কে শক্ত করে জড়িয়ে রেখেই বলল।
“লজ্জা করে না একটা বিড়ালের সামনে অ’শ্লীল কথা বলছেন?”
তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে কাইট্যানের দিকে তাকালো আফরিদ ,ম্যাও ম্যাও করে উঠলো কাইট্যান। আফরিদ আদেশ স্বরূপ বলল।
“এই কাইট্যান কান বন্ধ কর , আর রুম থেকে বের হ।”
ভোলাভালা কাইট্যান কিছুই বুঝলো না। আফরিদ ধমকের সুরে বলল।
“ওই শা’লা নাম কোল থেকে ,এখন তোর আম্মু আমার কোলে উঠবে।”
চট করে নেমে গেল ন্যান্সির কোল থেকে। আবারো নিজের জায়গায় বাস্কেটে চলে গেল। আফরিদের আশ্চর্য মার্কা কথা গুলো শুনে আরেক দফা চমকে উঠে।
ভুবন ভোলানো হাসি টা ওষ্ঠো কোণে খেলে গেল আফরিদের। বাচ্চাদের মতো ঠোঁট উল্টে বলল।
“উম্মাহ্ কাইট্যান খুব শীঘ্রই আমি তোর জন্য বউ নিয়ে আসবো।”
থরথরিয়ে কাঁপছে ন্যান্সি ,আফরিদ কে ভীষণ ভয় পায় সে।
“আ..
“আ আ কি? এখনো কিছু করলাম না তার আগেই..
“চুপ করুন অ’শ্লীল লোক। আমি বলছিলাম আমার ঘুম পাচ্ছে। চকলেট গুলো সরান।”
আফরিদ কি কথা শুনে? উঁহু এবারেও শুনলো না।
“আজকি রাত মাজা হুসনিকি আখোছে লেঙ্গে!”
ভুলভাল গান শুনে আর আফরিদের অদ্ভুত আচরণে জান যায় যায় অবস্থা ন্যান্সির। ফাঁকা ঢোক গিলে বলল।
“আমি চললাম।”
দৌড়ে দরজার কাছে যায় অথচ দরজা লক করা উদরে হাতের স্পর্শ পেতেই পিঠের শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল র’ক্ত স্রোত গড়িয়ে গেল বোধহয়। আঁখিদ্বয় খিঁচিয়ে বুঁজে নিল ন্যান্সি ,আর কি বাঁচতে পারবে বেহায়া লোকটার থেকে?
“তুই তো গেলি বান্দি জানকি বাচ্চা।”
চলবে………….।
(আজকে আফরিদ কিছু না কিছু করবেই কেউ তাকে আটকাতে পারবে না 😵💫🫶🫣।
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩২(প্রথমাংশ +শেষাংশ +বোনাস)
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১২
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৩
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১০