অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা
[পর্ব ১৭](স্পেশাল ওয়ান)
লেখিকাফারহানানিঝুম
(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)
(🚫এই গল্পের কোনো দৃশ্য সংলাপ প্লট অনুপ্রাণিত হয়ে কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।)
(রিসার্চ সেন্টার )
(হল রুম -০১)
Tsar Bomba/জার বো’ম্বা
জার বো’ম্বা কোড নাম : ইভান [ 5 ] বা ভানিয়া
যা বর্ণানুক্রমিক উপাধি ” AN602 ” দ্বারাও পরিচিত, ছিল একটি তাপ নিউক্লিয়ার বিমান বোমা , এবং এখন পর্যন্ত তৈরি এবং পরীক্ষিত সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অ’স্ত্র । [ 6 ] [ 7 ] সোভিয়েত পদার্থবিদ আন্দ্রেই সাখারভ আরজামাস-16- এ প্রকল্পটির তত্ত্বাবধান করেছিলেন , যখন নকশার মূল কাজটি করেছিলেন সাখারভ, ভিক্টর অ্যাডামস্কি , ইউরি বাবায়েভ , ইউরি স্মিরনভ [ ru ] এবং ইউরি ট্রুটনেভ । পরীক্ষা নিষে’ধাজ্ঞা স্থগিতের পর সোভিয়েত পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার অংশ হিসেবে 1961 সালের জুলাই মাসে কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সচিব নিকিতা ক্রুশ্চেভ এই প্রকল্পটির নির্দেশ দিয়েছিলেন , বিস্ফোরণটি সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির (CPSU) 22তম কংগ্রেসের সাথে মিলে যায় । [ 8 ]
(তথ্য উইকিপিডিয়া)
নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্টস।
বন্ধ ঘরটা এখন যেন এক রিসার্চ রুমে পরিণত হয়েছে। দেওয়ালগুলো ধূসর ধাতুর কাঁচ এবং জটিল যন্ত্রপাতি দিয়ে ভরা, চারপাশে বাতাসে বিদ্যুতের মৃদু ঝনঝনানি। মনোরম নীরবতার আড়ালে লুকিয়ে আছে অদ্ভুত শীতলতা, প্রত্যেকটি কোণ থেকে কোনো না কোনো চোখ তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
টেবিলের ওপরে ছড়ানো আছে ল্যাব নোট, তাপমাত্রা সেন্সর, মিটার, জটিল সিগন্যাল যন্ত্র সবই ঠিক যেন কোনো এই বো’মা বানানোর যন্ত্রপাতির অংশ। রুমের এক কোণে রাখা বড় স্ক্রিনে নীলাভ আলো ঝলমল করছে।
মিস্টার আলবার্ট এবং মিস্টার কামাল, দুই পরমাণু বিজ্ঞানী, নিঃশব্দে বসে আছেন। চোখে চিন্তা, মনে দ্বন্দ্ব। বাধ্যতা আর ভয়ের এক অদ্ভুত মিশ্রণ তাদের দমকে রেখেছে। তাদের হাতে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ানক বো’মা একটি এমন অ’স্ত্র, যা এক দেশের অস্তিত্বকে মুহূর্তের মধ্যে মুছে দিতে সক্ষম। যেখানে এটা বানানো সম্পূর্ণ রূপে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেখানে নাকি তাদের বাধ্য করা হচ্ছে আরো একবার তৈরি করতে। না চাইতেও মিস্টার আলবার্ট এবং মিস্টার কামাল কে এটার উপর কাজ করতে হয়েছে। শুধু তারা নয় আরো অনেকেই রয়েছে সেখানে বন্দি অবস্থায়।তাদের প্রত্যেক কে কাজ করতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে।
বো’মার জটিল অংশগুলো, তার স্পর্শকাতর উপাদানগুলো, প্রতিটি তার, প্রতিটি কন্ট্রোল সবই যেন প্রাণীসদৃশ স্পন্দন করছে। চারপাশের যন্ত্রপাতির হালকা হুম হুম আর স্ক্রিনের নীল আলো মিলে এক অদ্ভুত আতঙ্ক তৈরি করেছে। রুমের দরজা বন্ধ, জানালার আড়ালেও কোনো সূর্যের আলো নেই মাত্ৰ এক অন্ধকার আর যন্ত্রের কৃত্রিম আলো।এটা হল নাম্বার এক ,বড় একটা সেন্টার ।শহর থেকে ঠিক কত মাইল দূরে রয়েছে তা জানা নেই তাদের। লোকটা চুপিচুপি আসে তাকে এখন পর্যন্ত দেখেনি দুই সায়েন্টিস্টের মধ্যে কেউই। তার একটাই কথা।
“যতক্ষণ না কাজ শেষ হচ্ছে ততদিন তাদের মুক্তি নেই।”
অথচ দীর্ঘ দশ এগারো বছর ধরে তাদের বন্দী করে রেখেছে সেই আগু’ন্তক। বাইরের আলো টুকু দেখতে পায়নি তারা। এই একটা সেন্টার , যেখানে হাজার টা সিসি ক্যামেরা লাগানো। শত শত গার্ড পাহারা দিচ্ছে। তাদের কে বেসমেন্টের এক নাম্বার হলে বন্দি করে রাখা হয়েছে। কাজ যাতে বহাল থাকে সেই তবিয়তে খাবার দাবার সব কিছু সময় মতো দেওয়া হয়। অথচ প্রিয় মানুষ গুলোর মুখ একটিবার দেখতে পায়নি তারা। এগারোটা বছর কি কম কথা?
বো’মার ভয়াবহ সম্ভাবনার জ্ঞান তাদের বুককে ভারী করে দিচ্ছে। তারা জানে, এই একক বস্তুতেই লুকিয়ে আছে এক দেশের ধ্বংস। তবু বাধ্যতায়, আতঙ্কে, সময়ের চাপে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। কিন্তু কাজ না করলে যে সব শেষ করে ফেলবে সেই নির্দয় মানুষটা!
🌿____🌿
সকাল বেলা যেন এক নবজাত শিশুর প্রথম শ্বাস। পূর্ব আকাশ ফুঁড়ে সূর্যের লালচে আলো ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে, অন্ধকার কেটে গিয়ে পৃথিবী নতুন করে জেগে ওঠে। শিশিরভেজা ঘাসে হাঁটলে পায়ে লাগে শীতল পরশ, যেন রাতের স্মৃতিগুলো এখনও মুছে যায়নি। পাখিরা ডানা মেলে কূজন তোলে, তাদের সুরে ভরে ওঠে নিস্তব্ধ প্রকৃতি। দূরে কারও উঠোনে ধোঁয়া ওঠে চুলা থেকে, ভাতের গন্ধ মিশে যায় শীতল বাতাসে।ঢাকার কলেজ ছাড়তে হয়েছে তন্বী কে। এখানে এসে নতুন একটা কলেজে ভর্তি হতে অ্যাপ্লাই করেছে। এখন আল্লাহ ভরসা ভর্তি হতে পারবে কিনা!
সকাল সকাল ব্যাগ হাতে বেরিয়ে পড়েছে। দূরে পরিচিত এক খানা মুখ দেখে থমকে দাঁড়ায় সে। চিনতে ভুল হচ্ছে না তার , এটা তো ইতি আপু আর ইলহাম আপুর বন্ধু পৃথ্বী।
কিছুটা এগুতেই ঠিকঠাক নজরে এলো। হ্যাঁ সত্যি সে ভুল দেখেনি এটা পৃথ্বী।
“পৃথ্বী ভাইয়া তুমি এখানে?”
সাদা রঙের একটা পাঞ্জাবি পড়েছে পৃথ্বী। মুখে মলিন হাসিটা বজায় রেখে বলল।
“কেমন আছো তন্বী?”
তন্বী মৃদু হেসে বলল।
“ভালো আছি ভাইয়া , তুমি কেমন আছো?”
ফোঁস করে নিঃশ্বাস ছাড়লো পৃথ্বী।
“আর ভালো?”
কপাল কুঁচকে এলো তন্বীর।
“কেন ভাইয়া কি হয়েছে?”
“আচ্ছা তন্বী তোমরা কি ন্যান্সির খোঁজ করোনি আর?”
তন্বী সামনের দিকে হাঁটতে লাগলো। পৃথ্বী তার
গাছের ডালে জমে থাকা শিশির বিন্দু রোদের ছোঁয়ায় রঙিন রত্নের মতো ঝলমল করে ওঠে। হালকা কুয়াশা তখনও মাটির বুক জড়িয়ে থাকে, ধীরে ধীরে সূর্যের উষ্ণতায় মিলিয়ে যায়।
তন্বী সূক্ষ্ম নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল।
“হঠাৎ করে কি হয়ে গেল সত্যি আমি জানি না। বাবা মা কেউই খুঁজছে না ইলহাম আপু কে।”
চিন্তার ভাঁজ পড়লো পৃথ্বীর কপালে। নিজেদের মেয়ে কে খুঁজ করছে না এ কেমন কথা?
“কিন্তু আমি সত্যি জানি না ভাইয়া আপু কে হঠাৎ করে নিয়ে গেল কেন ওরা? আমি চাই আপু ফিরে আসুক।”
“সত্যি তুমি চাও?”
“হ্যাঁ ভাইয়া অবশ্যই চাই আমি। আমার আপু হয় সে।”
ওষ্ঠো বাঁকিয়ে হাসলো পৃথ্বী।
“তবে তাই হবে।”
🌿__🌿
আফরিদের বেড রুমটা অনেক পছন্দ ন্যান্সির। দিনের বেলায় যতটা সুন্দর দেখতে , রাতের বেলায় ঠিক ততটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। এই যে বেডের সামনের দিকে আর্টিফিসিয়াল সবুজ পাতা গুলো লাগানো। মাঝখানে লাল ভেলভেটের নরম তোশক। সবটাই ভীষণ সুন্দর। অদ্ভূত সুন্দর লাগে এই সাজ সজ্জা। আফরিদের পছন্দ আছে বলতে গেলে , ফাহমিদার থেকে শুনেছে এই পুরো বাড়ির ডিজাইন সে নিজে করিয়েছে।
“বান্দি রেএ কই তুই?”
রুমে ঢুকেই চিৎকার শুরু করেছে আফরিদ , পিছন থেকে এসে মুখ চেপে ধরে ন্যান্সি।
“আল্লাহর ওয়াস্তে চুপ করুন। অস’ভ্যের মতো চিৎকার করছেন কেন?”
“তুমি অসভ্যতামো করতে দিচ্ছো না তাই!”
হাত সরিয়ে নিল ন্যান্সি।
“আপনার মুখে বোধহয় জন্মের পর সত্যি কি মধু দেওয়া হয়নি?”
“না।”
ভাবলেশহীন ভাবে বলল আফরিদ ,এক লহমায় চেহারা রং বদলে আসে তার। টুপ টুপ করে চুমু খেয়ে ফেলল।
“সকালে কি বলছিলি আমার সিস্টেমে সমস্যা আছে? আমি বিড়ালের সঙ্গে পরকীয়া করি? বিড়াল বাচ্চা জন্ম দিছি? তবে চল আজকে সিস্টেম টা একবার পরীক্ষা করে নেওয়া যাক। দেখি ঠিকঠাক আছে কিনা!”
আফরিদ কে এক পা করে এগুতে দেখে পিছিয়ে গেল ন্যান্সি।
“দেখুন আফরিদ আমি কুংফু মাস্টার।”
“আর আমি রোমান্সের মাস্টার।”
আফরিদ তড়িঘড়ি করে এগিয়ে আসতেই দেয়ালের সাথে চেপে গিয়ে দুহাত কুংফু স্টাইলে তুলে ধরে।
“আপনাকে তো আমি লাথি দিয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে ফেলে দেব।”
হো হো শব্দে ঘর কাঁপিয়ে হেসে উঠলো আফরিদ। ঘাড় বাঁকালো।
“হারামিরে , র’ক্ত চুষি ডা’ইনি পেলে পুষে বড় করছি আমাকে লাথি দেওয়ার জন্য? আমাকে নেটওয়ার্কের বাইরে পাঠানোর আগে তোমার নেটওয়ার্কের ভেতরে চলে আসবো।”
ন্যান্সি ঠিক নিশানা অনুযায়ী আফরিদের বুকে ঘুষি বসায়! কিন্তু তাতে কিছু হলো না আফরিদের , উল্টো নিজের হাতের ব্যথা পেলো।
“আহ্! হাতে ব্যথা পেয়েছি।”
আফরিদ কপাল চাপড়াচ্ছে , কেমন মাইয়া মানুষ বিয়ে করলো সে? একটু ব্যথা সহ্য করতে পারে না তাহলে আফরিদ এহসান নামক নরপশু কে কিভাবে স’হ্য করবে?
“এটুকুই শক্তি? সামনে তো অনেক শক্তি প্রয়োজন হবে কারণ আমি যে নর’পশু।”
আফরিদ তড়িৎ গতিতে এগিয়ে এসে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে ন্যান্সি কে। ধুকধুক ধুকপুক শব্দ হচ্ছে বক্ষঃস্থলে। প্রাণ যায় যায় অবস্থা মেয়েটার। নীলাভ মনি জোড়ায় দৃষ্টি মেলাতে পারে না সে। কেমন জানি অন্তর কাঁপে। শরীর থেকে প্রাণ ছুটে পালাতে চায়। আফরিদের অস্থিরে ভরা নিঃশ্বাস কেমন উপছে পড়ছে ন্যান্সির উপর। আফরিদ নেশাতুর কন্ঠে ডেকে উঠে।
“পরাণ।”
“পরাণ” ডাকটি ন্যান্সির কানে বাজতেই যেন শরীর শিহরে ওঠে। মধুর এই সম্বোধন বুকের ভেতর ঢেউ তুলছে, আবার অস্থিরতাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আফরিদের অদূরত্ব তার নিঃশ্বাসকে ভারী করে তোলে, হাঁসফাঁস করা যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। ঠোঁট ছুঁই-ছুঁই মুহূর্তে চোখের পলকও ফেলতে সাহস পায় না ন্যান্সি।
আফরিদ নরম করে গালে নাক ঘষতেই ন্যান্সির লাল টমেটোর মতো রাঙা হয়ে যাওয়া গাল আরো লালচে দেখায়।
ফিসফিস স্বরে প্রশ্ন করে আফরিদ।
“ইন্টিমেট হবি?”
ন্যান্সি আঁখি বুঁজে খিঁচিয়ে বলে ওঠে,
“ছিহ ,আপনি কতটা বাজে!”
কথার প্রতিবাদকে পাত্তা না দিয়ে আবারও নাকে নাক ছুঁইয়ে দেয় আফরিদ। আলতো এক চুমুতে ন্যান্সির গাল যেন জ্বলে ওঠে লজ্জা আর অভিমানের রাগে।
“কি বাজে?”
আফরিদের ঘোর লাগা কন্ঠস্বর শুনে দাঁতে দাঁত পিষে উঠে এলো ন্যান্সির কণ্ঠ। চোখ জ্বলে ওঠে তীব্র অভিমানে।
“নষ্টা পুরুষ কোথাকার!”
আফরিদ ঠোঁট কামড়ে হেসে দেয়। হাসিটা যেন বিদ্রূপে ভরা, তবু কেমন অদ্ভুত টান লুকিয়ে আছে তাতে।
“তাহলে তো তুইও নষ্টা মেয়ে।”
বিস্ময়ে নয়ন বড় বড় করে তাকিয়ে থাকে ন্যান্সি। রুষ্ট গলায় জবাব ছুঁড়ে দেয়।
“আমি আপনার মতো নষ্টাগিরি করি নি বুঝেছেন?”
আবারও হাসল আফরিদ। সেই হাসিতে আছে এক অদ্ভুত দৃঢ়তা। ন্যান্সির থুতনিতে আলতো চুমু খেয়ে ঠোঁট সেখানেই স্থির রেখে কণ্ঠ নামিয়ে আনে গভীরে।
” আমি নষ্টা। যদি তোকে গভীরভাবে ছুঁই তাহলে তো তুইও নষ্টা হলি।”
হাঁসফাঁস করে ওঠে ন্যান্সি। বুকের ভেতর ঝড়ের শব্দ তোলপাড় করে তাকে। দেয়ালে ঠেসে থাকা শরীর আর সরাতে পারে না। আফরিদের হাত ধীরে ধীরে তার কোমরে গিয়ে থেমে থাকে। ন্যান্সি মুখ ঘোরাতে চাইলেও অদৃশ্য কোনো বাঁধন তাকে টেনে ধরে রাখে, নড়তেও পারে না, সরতেও পারে না কেবল হৃদকম্পনে ভেসে যায় সে।
“মা’তারি রেএএ,তোকে যে কি করি?”
“ছাড়ুন বেয়াদব পুরুষ।”
আফরিদ কে সরিয়ে দিলো ন্যান্সি। গা ছাড়া ভাব নিয়ে কাবার্ডের কাছে এগিয়ে গেল আফরিদ। ভেতর থেকে প্যাকেট বের করে ছুঁড়ে দিল ন্যান্সির দিকে।
“এই ছ্যাঁমড়ি , রিসেপশনে এটা পরবি।”
চোখ পাকিয়ে তাকালো ন্যান্সি।
“ভালো করে বলেন তাহলে পড়ব।”
নিমোষ্ট কামড়ে ধরে আফিরদ , কোঁকড়ানো চুলে আঙ্গুল চালিয়ে বলে।
“ভালো করে বললে কি দিবি?”
আফরিদের দুষ্টু ইঙ্গিত বেশ বুঝতে পারছে ন্যান্সি , সেও কম যায় না। গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে গিয়ে কাইট্যান কে কোলে তুলে নিল। হাত বুলাতে বুলাতে বলল।
“কি আর দেব? আপনাকে ডক্টর দেখাব। কারণ আপনার সিস্টেমে সমস্যা আছে। তাই তো বিড়াল বাচ্চা পালতে হচ্ছে আমাকে।”
পরক্ষণে জিভে কামড় বসালো ন্যান্সি। কি বলতে গিয়ে কি বলে ফেলল সে? ছিহ্!
“তাহলে তুই চাইছিস আমার বাবু পালতে? বলছিলাম যে যখন ১% ভালোবাসব সেদিন বাবুর আম্মু বানাবো। তবে বান্দি তুই চাইলে আমি এখন থেকে প্রসেসিং শুরু করতে রেডি আছি।”
ন্যান্সি এক দৌড়ে পালাতে চায় কাইট্যান কে নিয়ে। কিন্তু তা বোধহয় আর পারলো না। তার আগেই নিজেকে শূন্যে অনুভব করলো।
“নষ্ট পুরুষ ছাড়ুন।”
“নষ্ট মা’তারি মেয়ে ছাড়ব না।”
চলবে………।✨
Share On:
TAGS: অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা, ফারহানা নিঝুম
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা গল্পের লিংক
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৯
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৩৭
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২৩
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২১
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৬
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১৪
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ৪০
-
অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ২২