Golpo romantic golpo অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা

অ্যাঞ্জেল অ্যাঞ্জেলিনা পর্ব ১২


অ্যাঞ্জেল_অ্যাঞ্জেলিনা

[পর্ব ১২]

লেখিকাফারহানানিঝুম

(🚫 দূর্বল হৃদয়ের পাঠকদের জন্য গল্পটা একদম নয় এবং প্রাপ্তমনস্কদের জন্য উন্মুক্ত)

“আজকে আমার গায়ে হলুদ কাল আমার বিয়ে। উফ্!”

আফরিদের আনন্দের শেষ নেই সে নাকি বিয়ে করছে। ঈশান বরাবরের ন্যায় মুখখানা গম্ভীর করে দাঁড়িয়ে আছে আফরিদের পাশে। তার গম্ভীর মুখখানি দেখে প্রচুর বিরক্ত হলো আফরিদ।

“ওই জাউরা সারাদিন মুখ বাংলার পাঁচের মতো করে রাখছ কেন?”

সহসা দাঁত বের করলো ঈশান। তার বিটকেল মার্কা হাসি দেখে ভ্রু উঁচিয়ে শুধোয়।
“দাঁত গুলো ব্রাশ করিস নি,ছিহ্ কি গন্ধ!”

থতমত খেয়ে গেল ঈশান , অস্থির কন্ঠে বলে।
“না না বস আমি দুবেলা ভালো মতো দাঁত ব্রাশ করি।”

“চুপ কর বলদ। যা সাউন্ড বক্স নিয়ে আয় আজকে আফরিদ এহসান ড্যান্স করবে।”

ঈশান রাকিব কে ইশারা করতেই সে বড়সড় সাউন্ড বক্স নিয়ে এলো।

“বস কোন গান দেব।”

আফরিদ সোফায় পা দোলাতে দোলাতে বলল।
“মাই মোস্ট ফেভারিট সং রুপবানে নাচে কোমড় দুলাইয়া।”

রিমোট ক্লিক করতেই সাউন্ড বক্স বেজে উঠল।

      হাজার দর্শক মন মজাইয়া 
          নাচেগো সুন্দরী কমলা।
  আরে হাজার দর্শক মন মজাইয়া 
        নাচোগো সুন্দরী কমলা।
   প্রেমিক পুরুষ আরে রহিম মিয়া 

          রুপবানে নাচে কোমড় 
                 দুলাইয়া 
         রুপবানে নাচে কোমড় 
                 দুলাইয়া 
   আরে রুপবানে নাচে কোমড় 
                 দুলাইয়া 
       রুপবানে নাচে কোমড় 
                দুলাইয়া 

আফরিদের নাচ দেখে নীলাদ্রি এহসান, সাব্বির এহসান, কল্পনা, ফাহমিদা এবং মাইমুনা এহসান সকলে একত্রে নিচে এলো। আফরিদ ঈশান আর গার্ডদের উরাধুরা ড্যান্স চলছে।

দোতলায় ঘুমোচ্ছিল ন্যান্সি। তীব্র বেগে কর্ণ গোচরে গানের সাউন্ড প্রবেশ করতেই ধড়ফড়িয়ে উঠে বসলো সে। বুকের ভেতর কাঁপছে তার এত সাউন্ড দিয়ে কে গান শুনছে? তড়িঘড়ি করে রুম থেকে বেরিয়ে নিচের উদ্দেশ্যে পা বাড়ায়। নিচে আসতেই চোখ গেল ড্রয়িং রুমের দিকে। আফরিদের এরকম নাচ দেখে ওষ্ঠো জোড়া ফাঁক হয়ে এলো তার। গোলগোল চোখ করে তাকাচ্ছে ন্যান্সি। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে নিচে গিয়ে ঠাস করে সাউন্ড বক্স টা বন্ধ করে দিল।‌ সহসা নাচ থেমে গেল সবার। আফরিদ পিটপিট করে তাকাচ্ছে ন্যান্সির দিকে। ন্যান্সি ঈশানের দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত পিষে বলল।

“এটা কোন ধরণের গান?”

ঈশান মাথা চুলকে আমতা আমতা করে বলল।
“এটা বসের মোস্ট ফেভারিট সং।”

“চুপ শা’লা মোটেও এটা আমার ফেভারিট সং নয়। দেখ বান্দি জানকি বাচ্চা আমার পছন্দের গান হচ্ছে আশিক বানায়া।”

কপালে ভাঁজ পড়লো ন্যান্সির ,নাক মুখ কুঁচকে তিরিক্ষি মেজাজে বলে।
“অশ্লী’ল পুরুষ কোথাকার ,যেমন অশ্লী’ল তেমনি পছন্দের গানও অশ্লীল।”

বিরক্ত হয়ে আবারো দোতলার দিকে হাঁটতে লাগলো ন্যান্সি ,তার পিছু পিছু ছুটে আফরিদ। সাব্বির অদ্ভুত টুনে বলল।

“ভাইয়ের মনে রঙ লাগছে।”

বাঁকা হাসলো নীলাদ্রি।
“এই রঙও ওর ধ্বংসের কারণ হবে।”

অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা কল্পনা মুচকি হেসে বিড়বিড় করে আওড়ালো।
“খেলা তো সবে শুরু। সামনে যে আর কত কি হবে!”

🌿

“আরে ওই মা’তারি এত রাগ করিস কেন?”

সজোরে বাহু টেনে ন্যান্সি কে নিজের দিকে ফেরায় আফরিদ। কেঁপে উঠলো ন্যান্সির বক্ষপট।ওই নীলাভ মনি জোড়ার দিকে তাকাতে পারে না সে , কেমন জানি নিজের সর্বনাশ দেখতে পায়! দ্রিম দ্রিম শব্দটি প্রগাঢ় হচ্ছে। আফরিদ কি তার বুকের উথাল পাতাল ঢেউ টের পাচ্ছে? পেলে তো আরো বেশি পেয়ে বসবে।

“আপনি আমাকে ছুঁয়েছেন কেন? কিসের অধিকার? কে আপনি?”

দু দ্বারে মাথা দোলায় আফরিদ , নাকের নিচে তর্জনী ঘষে আবারো টেনে নিজের অতি নিকটে নিয়ে এলো প্রণয় কন্যা কে। ওই লাল গালে নিজের চাপ দাড়ি যুক্ত গাল ঘষে ফিসফিসিয়ে বললো।

“বান্দি রেএ, আমি তোর লিগ্যাল ভা’তার।”

এহেন জবাবে স্তম্বিত ন্যান্সি , বেহায়া পুরুষ দেখেছে কিন্তু আফরিদের মতোন পুরুষ বোধহয় একটাই।
ছিটকে দূরে সরে এলো ন্যান্সি ,বাহু ঘষতে ঘষতে বলল।

“আপনি কচু বুঝেছেন? কাপুরুষ একটা!”

কথাটা বোধহয় বুকে লাগল আফরিদের! চক্ষুদ্বয় জ্বলে উঠে। চোয়াল হয় শক্ত। বড় এক দাবা বসালো ন্যান্সির গালে। চেপে ধরে লাল গাল দুটো। কেমন চিবিয়ে চিবিয়ে বলে।

“তুই আমার জান বাঁচিয়েছিস। তোকে ০.০০১% পছন্দ করি বলে বিয়ে করছি যেদিন ১% ভালোবাসব, সেদিন বাবুর আম্মু বানাবো।”

আরেক দফা চমকে উঠে ন্যান্সি ,এই লোকটা মূহুর্তে মূহুর্তে গিরগিটির মত রঙ বদলায়।

“ছাড়ুন আমাকে ,ব্যথা পাচ্ছি।”

ব্যাথার কথা বুঝতে পেরে হাত সরিয়ে নিলো আফরিদ। লম্বা শ্বাস নিয়ে নিজেকে শান্ত করে এক গাল হেসে বলল।

“গেট রেডি বান্দি কাল বিয়ে।”

আফরিদ রুম থেকে বের হতে পিছু ঘুরতেই ন্যান্সি চেঁচিয়ে উঠলো।
“আমি শপিংয়ে যেতে চাই।”

ভ্রু বাঁকালো আফরিদ , ঘুরে দাঁড়ালো আবারো।
“কি চাই? আনিয়ে দিচ্ছি।”

ন্যান্সি আমতা আমতা করে বলল।
“না আমি নিজে গিয়ে নিয়ে আসব।”

“বাট হোয়াই?”

শুকনো ঠোঁট জোড়া আলতো করে ভিজিয়ে নিলো ন্যান্সি। মিনমিনে গলায় বলল।
“মেয়েলি কিছু জিনিস ন..নেব!”

ঠোঁট উল্টায় আফরিদ ,কিয়ৎক্ষণ ভেবে বলে।
“ওকে রেডি হ।”
🌿___🌿

সকাল সকাল ইয়াম্মি কেক বেকারিতে গিয়েছে পৃথ্বী। এক সপ্তাহ ধরে এসে খুঁজে গিয়েছে ন্যান্সি কে অথচ পায়নি , ইলিয়াস লোকটাকে জিজ্ঞেস করলে এড়িয়ে যায় বারংবার। শেষমেষ চেয়েছিল ইতির কাছ থেকে জানতে কিন্তু তাও পারেনি। ইতিও দু’দিনের জন্য ছুটি নিয়েছিল। পৃথ্বী শুনেছে আজকে নাকি ইতি ফিরেছে কাজে।‌ সেই জন্য সকাল সকাল চলে এসেছে সে।

একটা টেবিলে বসে আছে পৃথ্বী , অপেক্ষা করছে কখন কিচেন থেকে বের হবে ইতি। অবশেষে তার অবসান ঘটিয়ে বেরিয়ে এলো ইতি।

“ইতি শুন।”

পৃথ্বী কে দেখে কিঞ্চিৎ অবাক হলো। এত সকালে সে কি করছে এখানে?

“আরে পৃথ্বী তুই এত সকালে? কেমন আছিস?”

পৃথ্বী তড়িঘড়ি করে বলে।
“এই তো ভালো আছি কিন্তু আমার একটা কথা জানার ছিল।”

ইতি টেবিল ঠিক করতে করতে বলল।
“হ্যাঁ বল না কি জানতে চাস?”

পৃথ্বী সন্দিহান কন্ঠে শুধোয়।
“ন্যান্সি কোথায় রে? আজ এক সপ্তাহ হয়ে গেল ন্যান্সি কে পাচ্ছি না ওর সাথে আমার ভীষণ একটা দরকার আছে।”

ন্যান্সির নাম শুনে হাতটা থেমে গেল ইতির। শুকনো ঢোক গিললো সে।
“পৃথ্বী তুই হঠাৎ ইলহাম কে কেন খুঁজছিস?”

“বল ভাই প্লিজ। ও কোথায়? আমি ওর বাড়িতে গিয়ে পর্যন্ত খুঁজে এসেছি কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় বাড়িতেও নেই। এবং কি বাড়ির কেউই সেখানে আর থাকে না। মামুন হায়দার নাকি বাড়িটা বিক্রি করে চলে গেছেন!”

ইতি সূক্ষ্ম নিঃশ্বাস ফেলে বলল।
“ইলহাম কে আর কখনোই পাবি না পৃথ্বী ,হতে পারে আমরা কেউই আর ওকে কখনোই দেখতে পাবো না।”

আশ্চর্য হলো পৃথ্বী। অস্থির কন্ঠে শুধোয়।
“কিন্তু কেন? কোথায় ন্যান্সি?”

“এহসান মঞ্জিলে।”

এহসান মঞ্জিল নামটা শুনেই বিস্মিত নয়নে তাকালো পৃথ্বী। এই মঞ্জিলের ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে পারে না কেউ। চারিদিকে অহরহ গার্ড, সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো। সেখানে যাওয়া মানে নিজের মৃ’ত্যু কে আলিঙ্গন করা।

“কি বলছিস তুই?‌ ন্যান্সি ওখানে মানে?”

“মঞ্জিলের বড় ছেলে নিয়ে গেছে ইলহাম কে। কিন্তু কেন নিয়ে গেছে তার কিছুই আমি জানি না। আর মামুন আঙ্কেল কোথাও সেটাও আমি জানি না।”

নির্বাক পৃথ্বী ,তবে কি আর কখনোই ইলহাম কে দেখতে পাবে না সে? তার লাল টমেটো সুন্দরী কি তার হবে না? হঠাৎ করে তার জীবনে এসেছিল আর হঠাৎ করেই এভাবে হারিয়ে যাবে?

পৃথ্বী কে নিশ্চুপ দেখে ইতি শান্ত কন্ঠে বলল।
“দেখ পৃথ্বী নিজের বিপদ ডেকে আনিস না। তুই তো জানিস ওই মঞ্জিলের কথা। তাই বলছি দূরে থাক আর ভুলে যা ইলহাম ন্যান্সি অ্যাঞ্জেলিনা নামে কেউ ছিল আমাদের জীবনে।”

কথা খুঁজে পেলো না পৃথ্বী। আদতেও কি ভোলা সম্ভব?

🌿____🌿
ঢাকার বুকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে বিশালাকার জামুনা ফিউচার পার্ক। বাইরে থেকেই মনে হয়, যেন কাঁচে মোড়ানো এক রাজপ্রাসাদ আকাশ ছুঁতে চেয়েছে। রোদে ঝলসে ওঠা এর বিশাল গম্বুজ, চওড়া প্রবেশদ্বার আর চকচকে কাঁচের দেয়াল যেন দূর থেকেই চোখের পলক কেড়ে নেয়।

ন্যান্সি গাড়ির ভেতর বসে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, এত বড় মল! এর আগে কখনোই দেখেনি সে। কারণ এখানে আসে নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষ, যাদের নাগাল তার জীবনে খুব কমই মেলে।

“কি হলো জানকি বাচ্চা, দাঁড়িয়ে থাকবে নাকি ভেতরেও আসবে?”

আফরিদের কথায় চমকে ন্যান্সি গাড়ি থেকে নামল। প্রচন্ড রাগ লাগছে তার। এখানে আসার কারণ হচ্ছে পালিয়ে যাওয়া, কিন্তু এত এত গার্ডের মাঝখান থেকে পালানো অসম্ভব।

প্রবেশদ্বারে পৌঁছাতেই ইউনিফর্ম পরা সিকিউরিটি গার্ড কাঁচের বিশাল দরজা টেনে ধরল, যেন স্বাগত জানাল। ভেতরে ঢুকেই ন্যান্সি আবার থমকে গেল। চোখের সামনে বিস্তৃত মার্বেল ফ্লোর, উপরে ঝুলে থাকা বিশাল সোনালি ঝাড়বাতি, সারি সারি দোকানের শোকেসে সাজানো বিদেশি পোশাক, জুয়েলারি, দামি সুগন্ধি আর আধুনিক ইলেকট্রনিকস সবকিছুই যেন অন্য এক বাস্তবতার অংশ। ঠাণ্ডা এয়ার কন্ডিশনের স্পর্শে চারপাশের হাওয়াও যেন বিলাসী হয়ে উঠেছে।

কিন্তু আশ্চর্য এত আড়ম্বর, অথচ চারপাশে নীরবতা জমাট বেঁধে আছে। দোকানদাররা অলস ভঙ্গিতে তাকিয়ে আছে, কোথাও শো-পিস সাজানোর টুকটাক শব্দ, দূরে কোনো পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মপ টানা এইটুকুই প্রাণের স্পন্দন। ক্রেতা বলতে বোধহয় ওরা ছাড়া আর কেউই নেই।

“হোয়্যাট হ্যাপেন্ড অ্যাঞ্জেলিনা?”

“কেউ নেই কেন? মল খালি কেন?”

“তোর জন্য।”

আফরিদের নির্বিকার জবাব শুনে চমকে তাকালো ন্যান্সি।
“মানে?”

আফরিদ সামনের দিকে এগুতে এগুতে বলল।
“বান্দি রেএ তোর জন্য পুরো মল বুকড, আজকে তুই শুধু এখানে শপিং করবি। গরিব মানুষ তাই এটুকুই করলাম।”

চোখ পাকিয়ে তাকালো ন্যান্সি। লোকটার কোনো কথাই বিশ্বাস যোগ্য নয়।

ন্যান্সি আশেপাশে ঘুরে ঘুরে নিজের পছন্দের জিনিস গুলো নিতে লাগল। একটা শোরুমে ঢুকে ন্যান্সি। তার চোখ আটকে আছে লাল ভেলভেট বল গাউন আর পায়ে চিকচিকে কালো স্টিলেটো হিলের দিকে।

ন্যান্সি কে হিলের দিকে তাকাতে দিকে খ্যাঁক করে উঠলো।

“ওই মাতারি তুই যদি ভেবে থাকিস এই হিলটা পড়লে তুই সিনড্রেলা হয়ে যাবি আর আমি পক্কিরাজ ঘোড়া চড়ে তোকে নিয়ে যাবো। তাহলে বলব ভুল ভাবছিস। আমি গরিব মানুষ এই হিল কিনে দেওয়ার টাকা নেই আমার কাছে ,ওই সামান্য টাকা পয়সা এই দেশে ওই দেশে পড়ে আছে।”

আফরিদের ভাবলেশহীন কথায় ক্ষিপ্ত হলো ন্যান্সি। পুরো একটা মল বুক করে ফেলেছে , মানুষ হোটেল বুক করে সেখানে এই লোক মল বুক করেছে আর এখন ন্যাকামি করে বলছে গরিব মানুষ। অস’ভ্য বেয়াদব পুরুষ।
প্রচন্ড রাগে সামনের গ্লাসে হিল দিয়ে আঘাত করে ফেলল। ছুড় ছুড় করে গ্লাস ভেঙ্গে ঝনঝন করে নিচে পড়ল। থতমত খেয়ে গেল ন্যান্সি , পিছিয়ে গেল দু’পা। সে তো ভাবতেই পারেনি সামান্য আঘাতেই এটা ভেঙে যাবে!আফরিদ নিশ্চুপ। ভেতরের লোকটা তেড়ে আসতে নিলে আঙ্গুল দেখালো আফরিদের। আফরিদের ইশারা বুঝতে পেরে কাচুমাচু করে লোকটা সরে এলো।
কথা খুঁজে পেলো না ন্যান্সি। নিজের দোষ ছাড়াতে আমতা আমতা করে বলল।

“বেয়াদব পুরুষ ,নেব না আমি কিছু। “

হনহনিয়ে শোরুম থেকে বেরিয়ে গেল ন্যান্সি ,হো হো শব্দে হেসে উঠলো আফরিদ।

“ওরে গরিবের নিতা আম্বানি,তোরে আজকে খাইছি। এত গুলো টাকা নষ্ট করলি। কাঁচ ভাঙ্গার টাকা দিয়ে যা নয়তো তোর কিডনি বিক্রি করে দেব।

চলবে……..।✨

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply