Golpo কষ্টের গল্প পিদিম জ্বলা রাতে

পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ২৮


পিদিমজ্বলারাতে.২৮ ✍️ #রেহানা_পুতুল

জাহেদ একরাশ বিভ্রান্তি নিয়ে ছেলের মুখপানে তাকালো। রাবেয়ার মুখজুড়ে ভর করলো গভীর আতংক! এবার!
তাদের স্বামী স্ত্রীর মুখাবয়ব দেখে কিছু আঁচ করল তৌসিফ ও তানভির। তারা দুই ভাই একে অপরের মুখপানে চাইলো।
তৌসিফ পিতার দিকে চেয়ে গম্ভীর অথচ নরম স্বরে বলল,
“বাবা,আজ এটা নিশ্চিত হলাম এবং বুঝলাম এই ট্যাবলেট আপনাকে সে স্বইচ্ছায় খাওয়াতো। কারণ সে কোনোভাবে আপনার উপর ক্রুদ্ধ! ঘটনা যেমনই হোক তা সন্তান হিসেবে আমাদের দুই ভাইয়ের জানার অধিকার আছে। আর বিষয়টা যেহেতু আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে, সুতরাং ঘরের সবাই জানবে। সত্য কখনো চাপা থাকে না। সত্য হলো স্ফুলিঙ্গের মতন। ছড়িয়ে যায় চতুর্দিকে। বলেন বাবা?”

রাবেয়া বসে আছে ভাবলেশহীনভাবে। জাহেদ মুখ খুলতে বাধ্য হলো। বলিষ্ঠ গলায় বলল,
“তোমরা বড় হয়েছে। ভালো মন্দ বুঝতে শিখেছ। বিচার করতে শিখেছো। তাই আমি আশা করবো তোমরা দুই ভাই বিষয়টাকে সহজভাবে নিবে। তবে আমি এখন বলব না কিছু। কারণ আদালতে যেদিন রায় হবে,সেদিন সবাই থাকবে। সবাই শুনবে। তোমরাও।”

তৌসিফ পিতার কথা নিঃদ্বিধায় মেনে নিল। অপ্রসন্ন চিত্তে বলল,
“আচ্ছা,ঠিক আছে। সেদিন আমি অবশ্যই থাকব।”

তানভির বলল,
“থাকিবে মানে কী ভ্রাতা? তাহার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকিয়াছো তুমি। তোমাকেই তো উপস্থিত থাকিতে হবে শুনানির দিন।”

রাবেয়া কাজ আছে বলে দুই ছেলের সামনে হতে নিজেকে আড়াল করে নিল। জাহেদও গোসল করার বাহানায় পুকুরের দিকে হাঁটা ধরল। তারপর দুই ভাই নির্জন বাগানের দিকে হেঁটে গেল কথা বলতে বলতে। তৌসিফ ছোট ভাইকে বলল,
“খেয়াল কর তুই,ট্যাবলেট প্লাস জাবেদ,প্লাস জাহেদ,প্লাস তাদের অতীত, এই সবকিছুর একটা কঠিন যোগসাজশ রয়েছে। কিন্তু সেটা কী,এটাই জানার বিষয়। কী এমন হিডেন ঘটনা যেটা ঘরের কেউই জানে না। এবং যার জল গড়িয়ে গেলো বহুদূর পর্যন্ত।”

তৌসিফের জীবনমুখী ভাবনায় সবকিছু বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ধরা দেয়। কিন্তু সে তুলনায় তানভিরের অল্প। স্বভাবে সে চঞ্চল! বর্তমান নিয়ে ভাবতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। সে অতীত ও ভবিষ্যৎ ভেবে নিজের বর্তমান শান্তি বিনষ্ট করতে অনিচ্ছুক!
তাই সে বলল,
“ভ্রাতা বাদ দাও। যখন যা ঘটার ঘটিবে।অগ্রিম ভাবিয়া নিজেকে দুঃখ,বেদনায় পতিত করিও না। তোমার বিবাহ আসন্ন। চিত্তকে প্রফুল্ল রাখিতে হইবে তোমার হবু কনের নিমিত্তে।”

তৌসিফ নিরুত্তর। ভাইয়ের কথার জবাব দিল না। গাছের সুপারিগুলো পাক ধরেছে কি-না, দেখার জন্য বাগানের ভিতরে গেল। কিছুদূর বাগানের ভিতরে এগিয়ে যেতেই তানভির তাকে থামিয়ে দিল।

“এই, এই ভ্রাতা..পদযুগল থামাও। স্টপ! স্টপ!”

তৌসিফ ভিমরি খেল। পা থামিয়ে নিল। কপাল কুঁচকে জিজ্ঞেস করলো,
“কীরে? কী?”

“নাহ মানে,মনে হইলো এইখানে কিছু একটা আছে।”
“মানে? বুঝলাম না?”

পরক্ষণেই তানভির খুব কৌশলে বিষয়টা এড়িয়ে গেল। নয়তো এখন আবার নতুন করে আরেক সংঘর্ষ সৃষ্টি হবে ঘরের মাঝে। এসব সে নিতে পারছে না আর। সে আমতা আমতা করে বলল,
“আরেহ ভ্রাতা,এই লতাপাতার স্তুপ দেখিয়া মনে হইলো,ইহার ভিতরে কোনো সর্প বাচ্চা লুকাইয়া আছে।”

তৌসিফ রেগে গেল ভাইয়ের উপর! হালকা করে বকল ভাইকে। পরেরদিন তৌসিফ ঢাকা চলে গেল। তানভিরও চলে গেল তার কলেজে। তৌসিফ নবনীর বাবাকে তার বাবার নাম্বার দিল। তিনি জাহেদের সাথে ফোনে কথা বলে নিলেন। জানালেন পরের সপ্তাহে আসবেন। রাবেয়া নতুন অতিথির আগমন উপলক্ষে যতটুকু পেরেছেন প্রস্তুতি নিয়েছেন। আফিয়ার সাহায্য নিয়ে আগে থেকেই বাহারী স্বাদের কয়েক পদের পিঠা বানিয়ে রেখেছেন। নারকেলের পিঠা,ফুলঝুরি পিঠা,চমচম পিঠা,ডিমের পান্তুয়া, ডিমের কেক,সুজির সন্দেশ,রসে ভেজা মুগ পাকন ইত্যাদি।

তারপর নিদিষ্ট দিনে ঢাকা থেকে নবনীর পরিবার এল তৌসিফদের বাড়ি। তৌসিফ তার পূর্বের রাতেই গ্রামে চলে এল। তানভিরও এলো। নতুন অতিথিদের সাথে তৌসিফের দাদা,দাদী,চাচী সিমা সবাই সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করলো। তবে সেদিন সকালেই মনি বাবার বাড়ি চলে গেল ছেলেকে নিয়ে। নইলে বিব্রতকর সিচুয়েশনে পড়তে হবে হয়তো। খোশমেজাজে তারা সবাই একসঙ্গে বসে নাস্তা ও দুপুরের ভাত খেল। ডেজার্ট হিসেবে থাকল রাবেয়ার হাতের ঘরে পাতা দই।

অতিথিদের সাথে নিয়ে সলিমুল্লা সারাবাড়ি, আশেপাশের ফসলি জমিগুলোও দেখালেন। তাদের অত্যন্ত পছন্দ হলো তৌসিফদের পরিবার ও বাড়িঘর। পাত্রের সালামি হিসেবে তৌসিফকে নবনীর মা টাকা দিল। সলিমুল্লা নিজ দায়িত্বে সবার উপস্থিতিতে বললেন,
” আমি এইখানে সবার মুরুব্বী। তাই কইতে চাই, সব সাইড চিন্তা কইরতে হবে আমাদের দুই পক্ষের। আপনারা ছেলের বাড়ি দেখলেন। এবার নিয়ম হিসেবে আমরা যামু আপনাগো বাড়ি। আর যেহেতু দূরত্বটা শহর ও গ্রামের। তাই আমরা গাড়ির জার্নি কইরা এতো দূরের রাস্তা যেনো বারবার যাইতে না হয়, একবারে কী সাদির কামটা সাইরা ফালান যায় না? মানে যেইদিন আমরা যামু নাতনিরে দেখতে,সেইদিনেই বিয়া পড়াইয়া দেওনের কথা কইতাছি।”

সবাই তব্দা খেল। কিন্তু আবার মনে মনে খুশীও হলো। নজরুল ভদ্র চোখে তাকালেন সলিমুল্লাহর দিকে। হাস্যোজ্জ্বল মুখে বললেন,
“আলহামদুলিল্লাহ! চাচা মিয়া খুব ভালো প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। এবং যৌক্তিক কথা বলেছেন। আমাদের কোনো আপত্তি নেই। সমস্যাও নেই। আপনারা আমাদেরকে তারিখটা জানিয়ে দিলেই হবে। তাহলে এটাই হোক, সেদিনই তুলে নিয়ে আসুক নবনীকে। যেহেতু আমরা একবারে সরাসরি বিয়েতে চলে যাচ্ছি। সেই হিসেবে তো প্রস্তুতির বিষয় আছে। অন্তত একমাস তো লাগবেই। আপনারা বর যাত্রী কতজন যাবেন জানিয়ে দিবেন।”

“হ্যাঁ। পঞ্জিকা দেইখা শুভক্ষণের জন্য শুভদিন বাইর করতে হইবো। আমরা জানাইয়া দিমুনি।” বলল সলিমুল্লা।

নজরুলের বলা শেষ না হতেই তাদের পক্ষের বাকিরাও সহমত পোষণ করলো। এবং সেটাই ফাইনাল হলো। তৌসিফ কিছুই বলল না। দাদা যা ভালো মনে করেছে তাই করেছে। জাহেদও পিতার কথার মর্যাদা দিল। কোনো বাধ সাধল না। তারা তৌসিফ দের থেকে বিদায় নিয়ে ঢাকার দিকে চলে গেলো।
তার একটু পরেই তানভির বড় ভাইয়ের দিকে চেয়ে চোরাচোখে হাসতে লাগল।

তৌসিফ অনুজ্জ্বল মুখে বলল,
“কিরে বিয়ে আমার। আর খুশী তুই। কাহিনী কী?”

“তোমার বদন তো বড়ই মলিন হইয়া আছে। তাই তোমার বদলে আমি হাসিতেছি। অবশ্য আরেকটা কারণও রহিয়াছে। কারো আশায় গুড়েবালি হলো বুঝি।”

তৌসিফ বুঝল সাথীর কথাই বলল তার ভাই। সে চুপ রইল। সবাই চলে গেল এদিক সেদিক। ঘর নিরব হলো। তখন তৌসিফ তার বাবা মাকে বলল,

” যেহেতু একবারেই বিয়ে হবে। বউ নিয়ে আসা হবে। তাহলে ডেট আমরা বুঝে শুনে ফেলব। কারণ তার আগে মামলার একটা রেজাল্ট আসুক। নয়তো বিয়ের ভিতরে শুনানির ডেট পড়লে সব ছ্যারাবারা হয়ে যাবে।”

তৌসিফের মতের সাথে মত মেলাল তার বাবা,মা ও ছোট ভাই তানভির। পরেরদিন তারা দুই ভাই যার যার স্থানে চলে গেল। রাবেয়া অপেক্ষার প্রহর গুনছিল দুই ছেলে বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার। সে জাহেদকে বিচলিত গলায় বলল,
“রায় শুনানির দিন তো সব শুইনা যাইব ওরা দুই ভাই। এখন কী হইবো? আমি ক্যামনে মুখ দেখামু? কিছু একটা করন যায় কি-না ভাবেন না!”

“ভাবার মধ্যেই আছি রাবু। কাল সকালেই থানায় চলো। দেখি কোনো গতি করা যায় কি-না।”
হতাশ কণ্ঠে বলল জাহেদ।

পরেরদিন সকালে জাহেদ ও রাবেয়া থানায় চলে গেল। জাহেদ কর্তব্যরত পুলিশকে মার্জিত স্বরে আর্জি করে বলল,
“স্যার,জীবনের কিছু সত্যি সামনে আসতে নেই। প্রকাশ হতে নেই প্রকাশ্যে। তাই কোনোভাবে কী কথা ঘোরানো যায় না? আপনারা জাবেদকে বলবেন, যেন আসল ঘটনা না বলে অন্য ঘটনা বলে বানিয়ে। এতে সেও বেঁচে যাবে। আমরাও বেঁচে যাব। আমাদের দুই ছেলে যেনো সেই কলংকিত অধ্যায় না শুনতে পারে,তার কোনো ব্যবস্থা যদি করা যেত স্যার! “

একইভাবে একই কথাগুলো কান্নাজড়িত স্বরে বলল রাবেয়া। ততক্ষণে তদন্ত কর্মকর্তা হাসানুল এসে গেলেন। টেবিলের উপরে থাকা গোল পেপার ওয়েটটিকে লাটিমের ন্যায় একবার ঘুরিয়ে নিয়ে বললেন,

“আপনাদের আবদার মামুর বাড়ির আবদারের মতো। এটা সম্ভব নয়! আদালতের কাঠ গড়ায় দাঁড়িয়ে জাবেদকে সত্যিটা স্বীকার করতেই হবে। মনে রাখবেন, সত্য অপ্রিয় হলেও সুন্দর! সত্যের নিজস্ব একটা সৌন্দর্য আছে। তা বহন করার মানসিকতা তৈরি করুন। শান্তি পাবেন। ছেলেরা বড় হয়েছে। বাবা,মা নির্দোষ হলে ভুল বুঝবে না তারা।”

জাহেদ ও রাবেয়া চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। অসহায় দৃষ্টি বিনিময় হলো দুজনের। ম্লানমুখে ফিরে এলো বাড়ি। রাবেয়ার মন ভয়াবহ রকমের খারাপ। সে বাড়ির পিছনের বিলের ধারে গিয়ে দাঁড়াল। কাঁখে একটি মাটির কলসী! ভাত রান্নার জন্য পুকুর থেকে পানি আনতে যাচ্ছিল। উদাস মনে হাঁটতে হাঁটতে এদিকটায় চলে এল। তার মন এতটাই খারাপ যে তার বাঁচতে ইচ্ছে করে না আর। বিলের উপরে কচুরিপানাগুলো ভেসে যাচ্ছে পানির ঢেউয়ের সাথে সাথে। সে যদি এগুলোর মতন এমন ভেসে যেতে পারতো কোনো এক অচেনা, অজানা বিলে। আহ! করে একটা গভীর লম্বা একটি দীর্ঘস্বাস বেরিয়ে এলো রাবেয়ার বুক চিরে। জড়ানো পায়ে ফিরে এলো পুকুরঘাটে।

আজ জাবেদের মামালার চূড়ান্ত শুনানি। আদালতে সবাই উপস্থিত। রাবেয়া,জাহেদ,তৌসিফ,সলিমুল্লা,
তানভির ও মনি। জাবেদ ভারাক্রান্ত মনে ও বিমর্ষ মুখে কাঠ গড়ায় দাঁড়িয়ে আছে। বিচারকের আদেশে জাবেদ মুখ খুলতে বাধ্য হলো।

সতেরো বছরের কিশোরী রাবেয়া। গায়ের রঙ পবিত্র হলদে পাখির মতন। চোখদুটো অনাথ ডাহুকীর ন্যায়। হাঁটা ছিল রাজহংসীর মতো। হাসতো মৃদুভাবে। যেন বয়ে চলা দুঃখিনী ঝর্না! কথা বলতো অল্প! তবে কোমল স্বরে। সেই বাবা,মায়ের আদরের রাবু। বধূ হয়ে যায় জাহেদ নামের এক সুদর্শন যুবকের ঘরে। রাবুকে প্রথম দেখে তার হবু শাশুড়ী মর্জিনা বলেছিল, মাশাল্লাহ, এমন চাঁদমুখের বউ চাই আমার ঘরে। প্রথম বউ সুন্দর হলে পরের বউগুলোও সুন্দর আসবে ঘরে।

সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার রাত। ঘোর অমাবস্যা! পল্লীগ্রাম। রাত না হতেই চারপাশ আঁধারে ছেয়ে যায়। নিজের হাত নিজে দেখার উপায় ছিল না। বিদুৎবিহীন বেড়ার ঘরটাতে পিদিম জ্বলেছিল মাত্র একটা। মর্জিনা ও খুকী ছিলো অন্যত্র। জাহেদ ছিল তার কর্মস্থলে। অবিবাহিত জামাল ছিল চট্রগ্রামে। ঘরে ছিল কেবল জাবেদ,সলিমুল্লা ও নবোঢ়া রাবেয়া। সলিমুল্লাহ রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। জাবেদও তার রুমে শুয়ে পড়ল। রাবেয়াও ঘুমিয়ে গিয়েছে তার রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে।

সেই মধ্যরাতে আচমকা ঘুমন্ত রাবেয়া টের পেল, তার বুকের উপর বিরামহীনভাবে ঘুরছে দুই জোড়া হাত। রাবেয়া ভয়ে চিৎকার দিতে গিয়েও পারেনি। তার আগেই দু’জন পুরুষ তার মুখ বেঁধে ফেলল। অন্ধকার রুমে তারা রাবেয়াকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে ফেলল। একটি সুতাও রাখেনি রাবেয়ার পেলব অঙ্গখানিতে। কিন্তু তারা মুখে কোনো শব্দ করেনি। তাদের মুখ ঢাকা ছিল গামছা দিয়ে। রাবেয়া শত আকুতি মিনতি করছে অন্ধকারে তাদের পা হাতড়ে। কিন্তু তারা শুনেনি নববধূ রাবেয়ার আর্তি! একান্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের কামাতুর মনকে শান্ত করার। ব্যর্থ হচ্ছে বারবার। রাবেয়ার শরীরে তখন ভর করল অসুরের শক্তি! সে তার জীবন দিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করে যাচ্ছে।

হঠাৎ রুমের দরজায় আস্তে করে শব্দ হলো। অচেনা দু’জন পুরুষ দ্রুত বের হয়ে গেল রুমের বেড়া ফাঁক করে। ঠিক যেভাবে তারা প্রবেশ করল বেড়ার বাঁধ কেটে কেটে। রাবেয়া শরীরে কোনমতে শাড়িটি অবিন্যস্তভাবে পেঁচিয়ে নিল। দরজা খুলে দিল কম্পিত হাতে। জাহেদ হাতে জ্বলতে থাকা পিদিমটি নিয়ে রুমে প্রবেশ করল। দেখল প্রায় নগ্ন রাবেয়া ঠকঠক করে কাঁপছে অশীতিপর বৃদ্ধার ন্যায়। রাবেয়ার সাথে কাঁপতে লাগল জাহেদও। হাত থেকে পড়ে নিভে গেল পিদিমটি।

চলবে..২৮

#সামাজিক #storytelling #writer #bengalistory #lifelessons #genre #lovestory #twist #loveyourself #✍️ #রেহানাপুতুল ✍️ #রেহানাপুতুল

Share On:

TAGS: ,



CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
Related Posts
 

0 Responses

Leave a Reply