পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৯✍️ #রেহানা_পুতুল
তৌসিফ বেরিয়ে যায়। পকেটে সযতনে ভরে নেয় সেই ট্যাবলেটের পাতাটা। হাতে নিয়ে নেয় তার বাবার চিকিৎসার সব প্রেসক্রিপশন ও রিপোর্টগুলো। পরিবারের মর্যাদার কথা যেহেতু চাচা হয়ে ভাবল না। তাহলে ভাতিজা হয়ে সে কেন ভাববে আর?
তৌসিফ বাড়ির বাইরে গিয়ে তানভিরকে ফোন দিল। সারাদিনের ঘটনা জানাল। এবং কেন সে এখন বের হলো,তাও সবিস্তারে বলল ভাইকে। শুনে তানভির বিস্মিত হলো বজ্রাহতের ন্যায়। সে গুরুজনের মতো ভাব নিয়ে হতাশ কণ্ঠে বলল,
“ভ্রাতা,আমি আগামীকাল প্রত্যূষেই নিবাসে চলিয়া আসিবো। পিতা মাতারে সঙ্গ দিব। তুমি চলিয়া যাইও শহরে। এখন যেই কার্যে গমন করিতে যাইতেছ, তাহাই সম্পাদান করিয়া লও। যে মানুষটি খারাপ,তাহার সাথে খারাপ না হওয়ার বিকল্প নাই। ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পা’য়/ তাই তাই বলে কুকুরে কামড়ানো কি মানুষের শোভা পায়?’ কবির এই নীতিবানী দিয়া চলিবেনা আর আমাদের।”
“ঠিক বলছিস ভাই। জীবনের কিছু কিছু সময়ে কুকুররূপী মানুষদের কামড় হজম না করে তাকে পাল্টা কামড় দিয়ে আক্রমণ করতে হয়। নয়তো সেই কুকুর সুযোগ পেলে কামড় দিতেই থাকবে। আমি কাল সকালে চলে যাব। তুই চলে আসিস। আলাদা ঘরে বিচ্ছিন্নভাবে থাকতে মা,বাবার কিছুটা খারাপ লাগছে হয়তো। তুই থাকলে তা পুষে যাবে। মায়ের খাট তো বড় আছে৷ একপাশে ঘুমাতে পারবি।”
আদেশ করে বলল তৌসিফ। দুই ভাইয়ের কথা শেষ হয়। তৌসিফ টেম্পুতে করে বড় মার্কেটে চলে গেল। যেতে যেতে নবনীকে মনে হলো তার। নবনীর সাথে ট্যাবলেটের বিষয় নিয়ে আলাপ করতে পারলে ভালো হতো। সে হেল্প করতে পারতো। কিন্তু তাতে হীতে বিপরীত হতে পারে। নবনী সব জেনে যাবে। তার ইমেজ নষ্ট হবে নবনীর কাছে। প্রেস্টিজিয়াস ইস্যু বলে কথা। সাতপাঁচ ভেবে তৌসিফ নবনীকে আর ফোন করল না।
টেম্পু পৌঁছে গেল নিদিষ্ট স্থানে। তৌসিফ নেমে গেল ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে। কিছুদূর হেঁটে চলে গেল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু জহিরের দোকানে। তাকে সব খুলে বলল। জহির তার মোটর বাইকে করে তৌসিফকে নিয়ে চলে গেল সদরের নামকরা এক মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে। এই বড় ডাক্তার তার দূর সম্পর্কের আত্মীয়! তিনি সব শুনলেন তৌসিফের মুখে। ট্যাবলেটের পাতাটি দেখলেন। এবং জাহেদের সব রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশন দেখলেন। তারপর তৌসিফ ও জহিরের অনুরোধে তিনি লিখলেন,এই মেডিসিন খেলে ডায়াবেটিস রোগীর কী কী ক্ষতি হতে পারে শারিরীকভাবে। এবং কতটা প্রাণ শংকা থাকতে পাতে,তার সার সংক্ষেপ। নিচে তিনি সিগনেচার দিয়ে দিলেন।
ভিজিট দিয়ে ডাক্তারের প্রতি তৌসিফ অসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। তৌসিফ ফটোকপির দোকানে গেল। সবকিছু ফটোকপি করে নিল দুই কপি করে। দেরী করল না। বন্ধুকে নিয়ে সোজা থানায় চলে গেল।
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার অধীনে মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ সমস্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে জাবেদের নামে, তার বাবাকে হত্যা চেষ্টার মামলা ঠুকে দিল। অভ্র’র কথা ভেবে মনির নামে মামলা দিল না ইচ্ছে করেই। মনিকে পুলিশ হয়রানি করলে অভ্র কষ্ট পাবে। এটা তৌসিফ চায় না। কান টানলে মাথা এমনিতেই চলে আসবে৷ মামলা দিতে কোনো বেগ পোহাতে হলো না তারজন্য।
তবে তার পূর্বেই আরেকজন পুলিশ কৌতুক মিশ্রিত গলায় ব্যঙ্গ করে তাকে বলল,
“আজ সকালে না আপনাকে এরেস্ট করতে গেলাম? এখন আবার আপনি এলেন চাচার নামে মামলা দিতে? বিষয়টা কী আপনার সাজানো নাটক, চাচী পুলিশ ডেকে অপমান করল বলে?”
জহির রে* গে গেল। পুলিশ কর্মকর্তাকে কিছু বলতে গেলেই তৌসিফ তার পিঠে হাত রেখে থামাল। বেশ শান্ত গলায় পুলিশের দিকে চেয়ে স্মিত হেসে বলল,
“আপনি কীভাবে পুলিশ কর্মকর্তা হলেন আমার বোধে আসল না। নিশ্চয়ই ঘুষ দিতে হয়েছে আপনাকে। না আপনি বিচক্ষণ? না আপনি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন! আপনি দেখলেন মামলা গ্রহন করা হলো থানা থেকে। আমার বাবার রিপোর্টগুলো দেখেই তো ডাক্তার বলল এই ট্যাবলেটটা খেলেই এই প্রবলেমগুলো সৃষ্টি হয় শরীরে। তো শরীরের এই কন্ডিশন কী দু একদিন বা দু একমাসে হয়েছে? বলেন? উপযুক্ত সকল তথ্যাদি ও প্রমানাদি আমার সাথেই আছে।
আর চাচীর সাথে তর্ক হয়েছে গত পরশু। আমি পারিবারিক ইমেজ ক্ষুন্ন হবে বলে এতদিন চুপ ছিলাম। নিজে নিজেই সমাধান করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম ভালো মানুষী দেখাতে গিয়ে আমার পরিবারই ক্ষতির সম্মুক্ষীণ হচ্ছে। এবার আইনীভাবে এটার তদন্ত হোক। অপরাধী তার প্রকৃত সাজা পাক।”
তৌসিফ থামল। প্রশ্নকর্তা আহাম্মকের মতো তৌসিফের দিকে হা হয়ে তাকিয়ে রইল। মামলা নেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা তৌসিফকে বলল,
“আপনি আসতে পারেন। আপনার চাচা কবে বাড়ি আসতে পারে আনুমানিক?”
“আজকের মত কাল একই সময়ে গেলেই তাকে ঘরে পাবেন। আমাকে ধরেন নি। এই খবর এতক্ষণে পৌঁছে গেছে চট্রগ্রাম। চাচা রাত বা সকালেই চলে আসবে বাড়িতে। আমি জানি। তার উদ্দেশ্যে আমাদেরকে কোন না ভাবে শায়েস্তা করা,হেয় করা। নানারকম ফন্দী আঁটবে রাতে স্বামী, স্ত্রী মিলে।”
“ঠিক আছে। আমরা সকালেই আসছি।”
তৌসিফ ও জহির থানা থেকে বেরিয়ে গেল। নিকট একটি ভাতের হোটেলে প্রবেশ করল দুই বন্ধু। আজ নাস্তা খাওয়া হয়নি তৌসিফের। ক্ষুধাটা বেশ ঝেঁকে বসল। তাই জহিরকে নিয়ে একবারে রাতের আহার সেরে ফেলল তৌসিফ। সে বিল দিতে গিয়েও ব্যর্থ হলো বন্ধুর জোরাজোরিতে। প্রেসক্রিপশনসহ বাকিগুলোর মূলকপি নিয়ে সে বাড়ি চলে এল। জহির তার দোকানে চলে গেল বাইক চালিয়ে।
পল্লীর নির্জন রাত। সন্ধ্যা পেরিয়ে সেই রাত তার নিস্তব্ধতা জানান দিল সগৌরবে। অমাবস্যার ঘন আঁধারে ছেয়ে আছে চারপাশ। চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। রাতের সেই আঁধার মাড়িয়ে অবসন্ন মনে তৌসিফ বাড়ি ফিরল।
তাকে দেখেই রাবেয়া ও জাহেদের কলিজায় পানি ফিরে এলো। তৌসিফ গায়ের পোষাক চেঞ্জ করে নিল ঝটপট। রাবেয়া এতক্ষন তসবিহ নিয়ে নানান দোয়া দুরুদ পড়তেছিলেন। যেন পথে ঘাটে তার সন্তানের কোনোরকম ক্ষতি না হয়। তৌসিফ বাবা মায়ের পাশে বসল। রাবেয়া ভাতের হাঁড়ি ধরতে গেলে তৌসিফ মানা করল। সে খেয়ে এসেছে জানাল মাকে। তারা ঘটনা জিজ্ঞেস করার আগেই সে সব বলল।
জাহেদ গলা হাঁকিয়ে বলল,
“আহহা! খোদা কতই না ফ্যাসাদে ফেলে দিল আমাদের। উনিই সব ভালো বুঝেন।”
“খুশী হইছি আমি। ওই বুইড়া দামড়া হইয়া,চাচা হইয়া ঘরের ইজ্জতের কথা চিন্তা করল না। বউরে থানায় পাঠায়া আমার ছেলের নামে মামলা দিল।”
রাবেয়ার কথায় ও কণ্ঠে উপচানো ক্ষোভ ও আক্ষেপ। সে লম্বা করে শ্বাস ছাড়ে। তৌসিফ বলল,
“আমি সকালে চলে যাওয়ার আগে চাচীর কাছে মাফ চেয়ে নিব।”
“হ,তাই করিস বাপ। মাফ চাইলে কেউ ছোট হইয়া যায় না। তুই রিস্তায় আর বয়সে মনির ছোটই।”
কিছুটা ক্লান্তিবোধ করলে তৌসিফ বিছানার একপাশে গা এলিয়ে দিল। পাঁচ ছয় হাতের পুরোনো খাটটাতে অনায়াসে চারজন ঘুমানো যায়। শীত হলে পাঁচজন। রাবেয়ার প্রিয় খাট এটি। এই খাটের মধ্যেই তার দুই ছেলেকে পেলেপুষে বড় করেছে সে। রয়েছে স্বামীর সাথে তার কিছু সুখ জাগানিয়া মধুর স্মৃতিও। তৌসিফের মুঠোফোন বেজে উঠল উচ্চস্বরে। আননোন নাম্বার। সে শোয়া থেকেই রিসিভ করে সালাম দিল। ওপাশ হতে পরিচয় এলো। নবনীর বাবা নজরুল। তৌসিফ শোয়া থেকে ধড়মড়িয়ে উঠে বসল।ইশারায় বাবা,মাকে বলল। তারা দুজন চুপ হয়ে আছে নজরুলের কথা শোনার জন্য। তৌসিফ লাউড স্পিকার অন করে দিল।
কুশলাদি বিনিময় শেষে নজরুল আন্তরিক গলায় বললেন,
“কী ব্যাপার তৌসিফ? তুমি তো আমাকে ফোন দেওয়ার কথা ছিল? যাই হোক,কিছু একটা তো বলবা। আমি কন্যাদায়গ্রস্থ পিতা। সুপাত্রে কন্যা দান করতে হবে। নবনীকে জিজ্ঞেস করেও কোনো সদুত্তর পেলাম না তোমার বিষয়ে।”
তৌসিফ ইতস্ততবোধ করতে লাগলো। দোনোমোনো গলায় বলল,
“আংকেল দুঃখিত। আমি গ্রামে আছি। পারিবারিক ব্যস্ততা যাচ্ছে খুব। ঢাকায় এসে আপনাকে ফোন দিব আমি”
“ওহ! তুমি গ্রামে? তাহলে তো খুব ভালো। তোমার বাবার কাছে দাও। উনার শরীরের খবর নিই।”
জাহেদ ফোন হাতে নিয়েই সালাম দিল নজরুলকে। সালামের জবাব দিয়ে হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে নজরুল বলল,
“ভাই সাহেব, আপনি তো আমার মেয়ের সেবা পেয়েই সন্তুষ্ট হলেন বেশ। প্রস্তাব দিয়ে দিলেন। বাসায় আলাপ করেছি। আপনার ছেলেকেও বাসায় ডেকেছি। নিশ্চয়ই শুনেছেন সব। আমাদের দিক হতে কোন আপত্তি নেই।”
জাহেদ উৎফুল্ল গলায় বললেন,
“নবনী মা রাজী আমাদের কাছে চিরদিনের জন্য আসতে?”
“সে রাজী না হলে আমি কীভাবে বলি? বলেন? বিষয়টা তো এখন আপনার ছেলের হাতে আটকে আছে।”
“ভাইজান,আমি ছেলের বাবা। তার অভিভাবক। সুতরাং আমি বলছি তার হয়ে। তৌসিফ ইনশাআল্লাহ রাজী। সামনের দিকে আমরা কীভাবে আগাবো,সেই বিষয়ে আমি আপনার সাথে যোগাযোগ করব।”
নজরুল আলহামদুলিল্লাহ বলে উঠল ফোনের ওপাশে। কথা শেষে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলো। তৌসিফ চোখ বড় বড় করে বাবার দিকে চেয়ে আছে। রাবেয়া ছেলের পিঠে হাত রেখে বলল,
“চ্যাতিস না বাপ। মাও রাজী এখন। শোন এইখানে মেয়েটাই তোরে নিজ থেইকা ভালোবাসে। দেইখবি সে কোনো অশান্তি করব না তোর জীবনে। মনে রাহিস।”
তৌসিফ মায়ের উজল মুখখানার দিকে ঠায় চেয়ে রইল। অবশেষে মাকে জড়িয়ে ধরে বলল,
“আমার মা যাকে পছন্দ করেছে,সেই হবে আমাদের ঘরের বউ।”
তারা তিনজন একসঙ্গে কোমল হেসে উঠলো। অল্প সময়ের ব্যবধানে ওদের মন ফুরফুরে হয়ে উঠল। কিছুক্ষণের জন্য হলেও তারা ভুলে গেল সারাদিনের অবসাদ ও অস্বস্তিকর ঘটনাটি। তাদের আলাপচারিতায় ঠাঁই পেল শহরে বাস করা ডাক্তার নবনী ও তার পরিবার। তৌসিফ উপুড় হয়ে কল্পনায় ডুবছে নবনীকে নিয়ে। নবনী কী সত্যি তাদের জীবনের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসতেছে? না-কি কোন অভিশাপ! তৌসিফের তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখজোড়ায় ঘুমেরা হামলে পড়ল কল্পনার অবসান ঘটিয়ে।
সকালে রাবেয়া উঠেই হাতের কাজগুলো সেরে নিল। তাদের পুরোনো রান্নাঘরে গিয়ে নাস্তা তৈরি করল। তৌসিফ পুকুরে গিয়ে ঝুপঝাপ করে গোসল সেরে নিল। সে ও তার বাবা মিলে খাটের উপরে বসেই নাস্তা খেয়ে নিল। রাবেয়া একটি গামছা বিছিয়ে দিল পিরিচের নিচে।
নয়টার দিকে তৌসিফ শার্ট প্যান্ট পরে চুল আঁচড়িয়ে তৈরি হয়ে গেল। তাদের পুরোনো ঘরে গেল। দাদা,দাদী থেকে শুরু করে সবার কাছ হতে বিদায় নিয়ে নিল। সাথীর কাছেও বলে নিল। মনির রুমে গেল। অভ্রের কাছে বলে চাচিকে নমনীয় স্বরে বলল,
“চাচী, আমাকে মাফ করে দিবেন। আমি সেদিন অন্যায় করেছি আপনার সাথে। আমি মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। আমার উপর জেদ পুষে রাখবেন না।”
মনি বিষমুখে চুপ হয়ে আছে না শোনার মতো করে। সলিমুল্লা ও মর্জিনা মনির রুমের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল। মর্জিনা বলল,
“তুই মাফ চাইছস। এইটাই যথেষ্ট। তোর
কাজ শ্যাষ। ওই মাফ না করলে নাই। খোদায় তোরে মাফ কইরা দিব। তোর চাচাও তো বেহানে বাড়িত আইল। বাজারে গ্যাছে মনে হয়। তুই তার লগে দেখা কইরা মাফ চাইয়া নিস। তাইলে ওই আর তোর উপর আর গোসসা থাকব না ।”
“আচ্ছা দাদী,আমি যাচ্ছি। আমাদের সেদিকে একটু খেয়াল রাইখেন।”
তৌসিফ উঠান পার হতে যাচ্ছিল, তার মা,বাবাও আছে উঠানে তাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য। তখনই বাইরে থেকে বাড়িতে ঢুকল জাবেদ। তৌসিফ চাচাকে সালাম দিল।
“ওই ইতর! কিসের তোর চাচা,কিসের তোর সালাম? তোর কত বড় সাহস আমার বউয়ের গায়ে হাত দেস।”
বলেই জাবেদ তৌসিফের গলা টিপে ধরল। কিল ঘুষি মারতে লাগল দানবীয় শক্তিতে। তৌসিফের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কোনো কথাই বলতে পারছে না।
চলবে..১৯
Share On:
TAGS: পিদিম জ্বলা রাতে, রেহানা পুতুল
CLICK HERE GO TO OUR HOME PAGE
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১
-
পিদিম জ্বলা রাতে গল্পের লিংক
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ২১
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১২
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৮
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৭
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৯
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৮
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ১৩
-
পিদিম জ্বলা রাতে পর্ব ৬